বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।


সৈয়দা মকসুদা হালিম

লিখতে গেলে প্রয়োজন হয় বানানের। বানান শব্দটির উৎস সংস্কৃত শব্দ ‘বর্ণন’ থেকে। বানান হলো শব্দমধ্যস্থ বর্ণসমূহের বিশ্লেষণ বা ক্রমিক বর্ণন। এতে প্রতিভাসিত হয়ে ওঠে একটি বস্তু বা ভাব বা ক্রিয়ার মূর্তি বা তার সংকেত। এই বর্ণ-বিশ্লেষণ বা বর্ণের ক্রমিক বর্ণন শুদ্ধ হওয়া জরুরি। শব্দের বর্ণ-বিশ্লেষণের ক্রমের বিপর্যয়ে বা অন্য কোনো ভুল বর্ণের প্রয়োগে সমগ্র শব্দচিত্র বা শব্দ-সংকেত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। একইসাথে বিপর্যস্ত হয় শব্দার্থের ব্যঞ্জনা। এ কারণে শব্দের প্রকৃত অর্থব্যঞ্জনার প্রতি লক্ষ করে উচ্চারণশুদ্ধতা যেমন দরকার, শব্দের বানান বা ক্রমিক বর্ণ-বিশ্লেষণের শুদ্ধতাও তেমনি অপরিহার্য।
‘বানান’ শব্দটি নিয়ে সংস্কারপন্থী এবং রক্ষণশীল পণ্ডিতদের মধ্যে এক সময় ব্যাপক তর্কযুদ্ধ হয়েছিল। ‘একদিকে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধকারী দলের মুখপাত্র অধ্যাপক শ্রীদেবপ্রসাদ ঘোষ আর অন্যদিকে অমিতপ্রতিভা সর্ববিদ্যাবিশারদ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সংস্কার সমিতি পরিষ্কারভাবে বলে দিলেন, ‘বানান’ শব্দের বানান লিখতে হবে ‘দন্ত্য-ন’ দিয়ে―‘মূর্ধন্য-ণ দিয়ে নয়। রক্ষণশীলরা প্রতিবাদ জানিয়ে বললেন, বর্ণন শব্দের তদ্ভব রূপ হবে ‘বাণান’―‘বানান’ নয়। তাঁরা প্রশ্ন তুললেন, যেহেতু মূল শব্দের মধ্যবর্তী হরফটি মূর্ধন্য-ণ, তাই দন্ত্য-ন ওর ঘাড়ে চাপবে কোন যুক্তিতে? সংস্কারপন্থীরা জবাব দিলেন, ‘আমরা ভাষাকে জলবৎ তরলং করার পথই যখন ধরেছি তখন কোনো জটিলতার আবরণ সেখানে থাকবে না।’ তাই এ জাতীয় তদ্ভব শব্দে (যেমন―স্বর্ণ > সোনা, কর্ণ > কান, অগ্রহায়ণ > অঘ্রান, গৃহিণী > গিন্নি) কেবল দন্ত্য-ন ব্যবহৃত হবে। পরবর্তীতে এ যুক্তিই প্রতিষ্ঠা পায়। এভাবে ‘বর্ণন’ থেকে ‘বানান’ শব্দটি সৃষ্টি হয়।
ক্রমশঃ

xesun মাহমুদুল হাসান:

আমিও হাওয়া হলাম আর আপনি এসে মাত করলেন একি হয়... এমন লিখা হাতে গনা দুচারজন লিখতে পারে... এতো আর মনের উগরে দেয়া কোন লিখিত আবেগ নয়... এ রীতিমত গবেষণালব্ধ রচনা... প্লিজ আরো চাই...(তালি)