Shuvojit Roy: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বউ-শ্বাশুড়ি সম্পর্কে বরাবরই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয় শ্বাশুড়িকে। তার সঙ্গে হয়ত একটা দূরত্বও বজায় রাখেন আপনি। আর কোনো সম্পর্ক নষ্টের ক্ষেত্রে দূরত্ব সবচেয়ে বড় উপলক্ষ। কিন্তু কিছু সাধারণ বিষয় মেনে চললেই শ্বাশুড়ির সাথে আপনার সম্পর্কটা সহজ স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে। শ্বশুর বাড়িতে প্রথমদিকে অনেককিছুই অজানা থেকে যায়। তাই সবকিছু না জেনে কোনো সিদ্ধান্ত দেবার প্রয়োজন নেই। স্বামীর কাছ থেকে শ্বাশুড়ির পছন্দের বিষয়াদি জেনে নিতে পারেন। গল্পটা শুরু হতে পারে শ্বাশুড়ির পছন্দের টিভি সিরিয়াল নিয়েই। এভাবেই ধীরে ধীরে সম্পর্কের বরফ গলে জল হবে।উপহার সবসময়ই সৌহার্দ্যের প্রতীক। উপহার পেতে সবাই কমবেশি ভালোবাসে। শ্বাশুড়ির পছন্দের কিছু তাকে উপহার দিন। দেখবেন তিনি তা হাসিমুখেই গ্রহণ করছেন।প্রাথমিক পছন্দের বিষয়ে দর্শনদারী বেশ বড় ভূমিকা পালন করে। শ্বাশুড়ির মন জয়ে পরিচ্ছদের প্রতি উদাসীন হওয়া যাবে না। নোংরা পোশাক বা অবিন্যস্ত চুল আপনার ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে যথেষ্ট। তাছাড়া ঐতিহ্যগতভাবে জনপ্রিয় পোশাক পরতে পারেন।মনে রাখবেন আপনার শ্বাশুড়িই সংসারকে এতদূর নিয়ে এসেছেন। আপনি শুধু নতুন আঙ্গিকে দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছেন। সব জায়াগায় যখন বউ-শ্বাশুড়ি দ্বন্দ্ব, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে কিছু চিন্তা করুন। রান্নার ব্যাপারে কথা বলে নিতে পারেন। কখনোই চোখে আঙুল দিয়ে তার জায়গা দেখিয়ে দেবার চেষ্টা করবেন না। তার রান্নার বা ঘরকন্নার দক্ষতার প্রশংসা করতে পারেন। শিখেও নিতে পারেন কিছু জিনিস। আর যাই হোক ভবিষ্যতে আপনিও তো শ্বাশুড়ি হবেন। আপনি সবসময় চমৎকার হবেন এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু ভদ্রস্থ হওয়াটা খুব কঠিন কিছু নয়। অন্তত শ্বাশুড়ির সাথে কোনো তর্কে না জড়ানোই ভালো। খুব মিষ্টি করে রান্নাঘর থেকে ‘মা’ বলে ডাকলেন। হয়ত একটা ডাকেই সমস্ত সাহায্য নিয়ে হাজির হবেন আপনার শ্বাশুড়ী মা। কখনও তার ডাকের অপেক্ষায় না থেকে নিজেই চলে যান তার কাছে। কাজ ছাড়াও তো দু’টো মানুষ নিজেদের মতন করে সময় কাটাতে পারে। পৃথিবীতে ঠোকাঠোকি ছাড়া কোনো সম্পর্ক হয় না। তাই শ্বাশুড়ির সাথেও আপনার কিছু সমস্যা তো থাকতেই পারে। কিন্তু মনে রাখবেন বাইরের লোকের সামনে যেন নিজেদের ভেতরকার এই সংঘাত প্রকাশ না পায়। এক্ষেত্রে অবশ্য দু’পক্ষকেই যথেষ্ট উদার হতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নিজেকে স্বাভাবিক রাখা। বয়োজেষ্ঠ্যদের সামনে হঠাৎ নার্ভাস হয়ে পড়লে ভাবমূর্তি কমবে। প্রতিটি পদক্ষেপ একটু ভেবেচিন্তে ফেলুন তবেই হবে। ভুলে যাওয়া ও ক্ষমাশীলতা, শুধু এই নিয়মটা মেনে চললেই অনেককিছু আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে। সূত্র: বিভিন্ন মাধ্যম ও নিজের চিন্তাধারা 
*বউশ্বাশুড়ি* *সম্পর্ক*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন