মেঘবালক: একটি টিপস পোস্ট করেছে

বড়শি দিয়ে মাছ ধরা অন্যরকম এক শখ
http://www.dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=NzI1MTg%3D&s=MjI%3D&t=%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%AE-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%96
অনেকের কাছে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার নেশার মতো। যদিও শখের বশেই মানুষ বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করে; কিন্তু মাছ শিকারের উপভোগ্যতা নেশার মতো আকর্ষণ করে শিকারিকে। তাই যারা বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করে তাদের থাকে নানান কৌশল। সবচেয়ে বড় যে গুণ শিকারির থাকতে হবে তাহলো ধৈর্য। কারণ ঘণ্টার পর ঘণ্টা শিকারিকে বসে থাকতে হয়। এত কিছুর পরও যখন অনেক বড় একটা মাছ বড়শিতে আটকা পড়ে, তখন শিকারির আনন্দের সীমা থাকে না। বড় মাছ শিকারেও রয়েছে নানান কৌশল। হুট করে মাছ বড়শির মাধ্যমে পাড়ে তোলা যায় না। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় মাছ ছুটে যায়। তাই কৌশল অবলম্বন করতে হয় শিকারিকে। মাছকে কান্ত করে ফেলার কৌশল জানা এ ক্ষেত্রে অনেক জরুরি। আবার মাছ ধরার জন্য বিভিন্ন রকম খাবার সংগ্রহ, কোন বিলে বা নদীতে কোন মাছের জন্য কোন আধার জরুরি, তা জানাও দরকার। তাই শৌখিন শিকারিদের নখদর্পণে থাকা উচিত মাছ শিকারের উপরকরণ কোথায় পাওয়া যায়। মাছ ধরার সরঞ্জাম প্রাপ্তির স্থান বাড্ডার নতুন বাজার, মিরপুর চিড়িয়াখানা রোড, রাজধানীর ফকিরাপুল (ডিআইটি এক্সটেনশন রোড), গুলশান-১, খিলতে ও বিমানবন্দর এলাকায় মাছ শিকারের উপকরণগুলো পাওয়া যায়। মাছ ধরার সরঞ্জামের মূল্য ছিপ (দেশী) ৭০-১০০ টাকা, ছিপ (বিদেশী) ২৫০-৬০০ টাকা, হুইল ( দেশী) ১২০-১৮০ টাকা, হুইল (বিদেশী) ৬০০-১৩০০ টাকা, ফিশিং হুক বা বড়শি-১ পাতা (১ পাতায় ১০-১২টি বড়শি থাকে) ৬০-৭০ টাকা, সুতা-১ প্যাকেট ৪০ থেকে ২৫০ টাকা, ওয়েট (সিসার টুকরো) ২ থেকে ৬ টাকা, ওয়েট (বিদেশী ১ ডজন ছুইবল) ৬০-৯০ টাকা, ময়ূরের পাখনার টোন ২ থেকে ৬ টাকা, মাছের আধার (১ কেজি পিঁপড়ার ডিম) ৩২০ টাকা, মাছের আধার (পাউরুটির খামির) ৩০-৩৫ টাকা, ১ কেজি চার ১০০ টাকা (প্রায়), মাছ রাখার ঝুড়ি ৮০ থেকে ৮০০ টাকা। শিকারের নিয়মাবলি ও শিকারস্থান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে টিকিটের বিনিময়ে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারের ব্যবস্থা রয়েছে। এ েেত্র মৎস্যত্রে হিসেবে রয়েছে লেক, পুকুর ও দিঘি। শিকারের দিন হিসাব করা হয় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এক টিকিটে সর্বোচ্চ চারটি বড়শি ফেলা যায়। জাতীয় সংসদ ভবন লেক এমপি কাব পরিচালিত জাতীয় সংসদ ভবন লেকেও মাছ ধরার ব্যবস্থা রয়েছে। সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার মাছ ধরা যায়। এক দিনের টিকিট মূল্য ৩,০০০ টাকা। জহুরুল হক হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বছরের আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে এখানে মাছ ধরার ব্যবস্থা করা হয়। তবে সপ্তাহে শুধু শুক্রবার মাছ ধরার ব্যবস্থা রয়েছে। এক দিনের জন্য টিকিট মূল্য ৩,০০০ টাকা। নওয়াববাড়ি পুকুর ঢাকার নওয়াববাড়ির পকুরে প্রতি বছর রমজান মাসের আগের দুই মাস মাছ ধরার ব্যবস্থা করা হয়। পুকুর ‘গোলতালাব’ নামে পরিচিত। দুই মাসের জন্য তিন হাজার টাকায় প্যাকেজ টিকিট কিনতে হয়। ধানমন্ডি লেক ইজারাসূত্রে ধানমন্ডি শৌখিন মৎস্যশিকারি বহুমুখী সমবায় সমিতির পরিচালনায় ধানমন্ডি লেকে মৎস্য শিকার অনুষ্ঠিত হয়। মার্চ থেকে শিকারের মওসুম এখানে শুরু হয় এবং শেষ হয় ডিসেম্বরে। শুধু শুক্র ও শনিবার এই দুই দিন মাছ ধরার ব্যবস্থা রয়েছে। এক টিকিটে দুই দিন মাছ ধরা যায়। এক দিনের টিকিট মূল্য ২০০০ টাকা, দুই দিনের টিকিট মূল্য ৩,০০০ টাকা। ঢাকা চিড়িয়াখানা লেক মিরপুর ঢাকা চিড়িয়াখানা লেকে সপ্তাহের রোববার ব্যতীত প্রতিদিনই মাছ ধরার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে শুধু এক দিনমেয়াদি টিকিট বিক্রয় করা হয়, যার মূল্য ১০০০ টাকা। উল্লেখ্য, কোনো সরকারি ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি রোববারে পড়ে গেলে রোববারেও মাছ ধরার ব্যবস্থা করা হয়। বংশাল লেক ঢাকার বংশাল পুকুরে তিন-চার মাস বিরতি দিয়ে মাছ ধারার ব্যবস্থা করা হয়। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এখানে মাছ ধরা যায়। যোগাযোগÑ আবদুল গাফফার, রনো টেলিকম, বংশাল পুকুরপাড়। সর্বোপরি, মাছ ধরার উপকরণ থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য জানতে বাংলাদেশে শৌখিন মৎস্য শিকার সমিতির সাথে যোগাযোগ করলেই চলবে। সমিতির ফোন-৯৩৫২৫৬১। ...বিস্তারিত
*আমারশখ*
১৪৪ বার দেখা হয়েছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত