আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


শীত এলেই পা ফাটা সমস্যা শুরু হয়। নানান কারনে নারী পুরুষ যে কাররই গোড়ালির চামড়া ও পায়ের আঙ্গুলের চারপাশ ফেটে যায়। প্রকৃতিতে উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পা ফাটা সমস্যা বেশি হয়। এছাড়া বংশগত কারনেও পা ফাটা সমস্যা হতে পারে। আজকে আমরা পা ফাটা ও পা ফাটা সমস্যাকে গুডবাই জানানোর কিছু উপায় সমূহ নিয়ে আলোচনা করব।

পা ফাটা সমস্যাকে গুডবাই জানানঃ

গোড়ালি অতিরিক্ত ফেটে গেলে হাটতে সমস্যা হয়, অনেকের তা থেকে রক্ত'ও পড়ে এছাড়া পায়ে চাপ পড়লে ব্যাথা লাগে। তাই পায়ের যত্ন নেয়া খুবই জরুরি।
-সাধারণত শরীরে জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের অভাব হলে চামড়া ফেটে যায়। তাই যেসব খাদ্যে জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকবে তা প্রতিদিন সামান্য পরিমানের হলেও খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। জিঙ্ক এর জন্য বাদাম, বিন, সামুদ্রিক মাছ, পালং শাক, গরু ও মুরগীর মাংস, মাশরুম খাওয়া যেতে পারে। সেই সাথে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের জন্য গরুর দুধ, স্যামন মাছ, চিংড়ি, ফুলকপি বেশি করে খেতে হবে।

- নিয়মিত পায়ের তালু, গোড়ালি ও আঙ্গুলে যেখানে ফেঁটেছে সেখানে ঝামা পাথর দিয়ে হালকা ঘষে নিয়ে পা ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর জলপাই তেল, নারিকেল তেল,গ্লিসারিন, ভিটামিন-ই তেল মিশিয়ে পায়ের তালু ও গোড়ালি ভালো করে মালিশ করতে হবে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণ পায়ে লাগিয়ে পাতলা সুতির মোজা পরে ঘুমানো ভালো।

-শরীরের পানিশূন্যতা পূরণের জন্য প্রচুর পানি পান করতে হবে।
-পা ফেটে গেলে খোলামেলা স্যান্ডেল বা জুতা পড়তে হবে। পা বন্ধ জুতা পড়লে এসময় হাটতে কষ্ট হবে ও ক্ষেত্র ভেদে পায়ের অবস্থা খারাপ হতে পারে।

সমস্যাকে গুডবাই জানানোর প্যাকঃ
- ১ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ গ্লিসারিন, ১ চা চামচ অলিভ অয়েল, ১ চা চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার ময়দার সাথে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরী করুন। আধা ঘন্টা পা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পা মুছে ফেলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন সারারাত। পুরো রাত লাগিয়ে রাখতে সমস্যা হলে ২-৩ ঘন্টা লাগিয়ে রাখুন। যাদের খুব বেশি ফেঁটে যায় পা তাদের জন্য এই স্ক্রাবটি খুব উপকারী। এতে ভবিষ্যতে পা ফাঁটার সম্ভাবনা কমে যাবে।

- কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর গোড়ালি ও পায়ের তালু ঝামা পাথর দিয়ে ঘষে ফেলুন। পা ধুয়ে লোশন বা তেল লাগিয়ে নিন।
-মাসে ৪ বার হালকা কুসুম গরম পানিতে পা ১০/২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে, পায়ের রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং পা ফাটা দূর হবে। তাই পায়ের যত্ন নিতে সুবিধামত পদ্ধতি অনুসরণ করুন এবং সেই সাথে সাথে পা সবসময় পরিষ্কার রাখুন। এতে করে অবশ্যই আপনি ফিরে পাবেন নরম, মসৃণ ও সুন্দর পা।

*পা-ফাটা* *শীতেত্বকেরযত্ন* *ত্বকেরযত্ন*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন