Mahi Rudro: একটি বেশব্লগ লিখেছে


প্রাতঃরাশ গিলিত …… …… কবরখানার
ভেজামাটি প্রিয়জনের রক্তের ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে।
শীতের শহর …… এক ঠ্যালাগাড়ী,
যে টেনে চলেছে বুভুক্ষার জর্জরতা,
সে তার পোড়ানি জ্বেহাদ থেকে ছাড় পায় না।

মনে কয়, আমি সব দরোজায় টোকা দিতে পারতাম,
জিগাইতাম কারুর জন্য; আর তারপর দেখতাম,
গরীব - যখন সে কাঁদতাছে - সবাইকে
টাটকা রুটির টুকরা দিয়ে দিতাম।
লুট করতাম বড়োলোকদের দ্রাক্ষাকুঞ্জ
ঐ দু’হাতে …… যারা আলোর থাবড়ায়
পেরেক ছিঁড়ে ক্রুশকাঠ থেকে উড়ে এসেছে।
প্রাতঃকালের চোখের পাতা,
তুমি তো উঠতেই পাচ্ছো না।
আমাদের দিনকার ভাত দাও, প্রভু!

আমার দেহের প্রত্যেকটি হাড়ই অন্যের,
হয়তো চুরি ক’রে এনেছিলাম;
হয়তো যা অন্য মানুষের জন্য ছিলো,
আমি তাই নিয়ে নিয়েছিলাম।
ভাবি, আমি যদি না জন্মাতাম তা’হলে
অন্য আরেকজন এই কফি পান করতো।
নিজেকে অপরাধী চোরের মতো মনে হয় …
আমার শেষ কোথায়?

আর তাই এই শীত-বেলায়
যখন পৃথিবী
মাটির মধ্যে মানুষের ধুলো নিয়ে বিষণ্ন
মনে কয় যদি সব দরোজায় টোকা দিতে পারতাম,
সবাইকে ডাকতে পারতাম
আর গুচ্ছ-গুচ্ছ রুটি বানাতে পারতাম
এই-খানে, আমার বুকের চুলোয়!

---অনুবাদ : ওমর শামস।

[সেজার ভায়্যেহো, César Abraham Vallejo Mendoza (1892 - 1938), পেরুর বিখাত কবি। সারা জীবন গরীবিয়ানায় কাটিয়েছেন; ১৯২৩ থেকে প্যরিসে। সব অভাগা মানুষের দুর্ভাগ্যকে যেন নিজের কাঁধে নিয়েছেন এবং বলতে পারেন যে, “মনে কয় যদি সব দরোজায় টোকা দিতে পারতাম, সবাইকে ডাকতে পারতাম আর গুচ্ছ-গুচ্ছ রুটি বানাতে পারতাম - এইখানে, আমার বুকের চুলোয়!”.......'আমাদের রুটি' পৃথিবীর সব প্রতিবাদী কবিতার মধ্যে শ্রেষ্ঠ একটি।]

*বিদেশীকবিতা*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত