দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে


কাজ ও ঘরের সমন্বয় : দুটি ভিন্ন অথচ সমান গুরত্বপূর্ণ জায়গাতে সঠিকভাবে এবং সমানভাবে বন্টন করে চলতে না পারাটা বছরের পর বছর ধরে প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং টপ লেভেল ম্যানেজারদের একটি অতি পরিচিত একটি সমস্যা। 
অনেকেই ভাবেন সত্যি কি বিজনেসে নিদারুন সফলতা এবং একই সাথে পরিবারের সকলের সাথে (যেমন: স্বামী/স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব) সুনিবিড় সম্পর্ক অটুট রাখা সম্ভব? অনেকেরই ধারণা, ক্যারিয়ার আর পরিবার, এই দুই নৌকায় পা দিয়ে একইসাথে চললে সাফল্যের গ্রাফটা লিনিয়ার নাও হতে পারে। দুটো যেন বিপরীত মুখী তাদের কাছে। এবং তাই বেশিরভাগ সিইও এবং টপ লেভেল ম্যানেজাররা পরিবার থেকে দূরে সরে ক্যারিয়ার জগতেই নিজেদের সমস্ত সময় সমর্পণ করে দেয়। আর ভবিষ্যত সুনিশ্চিত এবং পার্থিবভাবে ভালো থাকার জন্য পরিবার তাদের এই ত্যাগকে সাদরে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। এভাবেই যাপিত হতে থাকে জীবন বছরের পর বছর অজস্র ত্যাগ আর দেখা না দেখা অভিমান, কষ্টের আবডালে। এটাই ভবিতব্য ভেবে নিজেরাই সান্ত্বনা পায় আর অন্যদের সান্ত্বনা দেয়। 
তবে আমি কি বোঝাতে চাইছি প্লিজ একবার তা মন দিয়ে বুঝুন, আপনারা মনে মনে যেটাকে নিজেদের ভবিতব্য আর দুইয়ের সমন্বয় অসম্ভব ব্যাপার বলে মেনে বসে আছেন, তাদেরকে বলছি আপনারা অতি বড় ভুল করে এসেছেন এতদিন। অবশ্যই সম্ভব, তবে যদি আপনি নিজে সেটা চান বা প্রয়োজন অনুভব করেন। কিছু বিষয় আছে যেগুলো একটু বুদ্ধি করে মেনে চললেই দেখবেন ঠিক যেমনভাবে আপনি আপনার বিজনেসেও যেমন সফল, তেমনই আপনি আপনার আপন জগতেও কতটা স্বার্থক। কিভাবে চলুন জেনে নেই।  
কেন আপনার জীবনে কাজ এবং ঘর দুইয়ের সঠিক সমন্বয় জরুরি

একজন সিইও হিসেবে আপনার দায়িত্ব কেবল একজন সাকসেসফুল বিজনেসম্যান হিসেবে ক্যারিয়ারের স্বর্ণশিখরেই পৌছানো নয় বরং যাদের জন্য আপনার এই অবদান, এই পরিশ্রম তাদেরকে ছোঁয়া, তাদের পর্যন্ত পৌছাতে পারাটাও কিন্তু আপনার দায়িত্বের মধ্যে পরে। আপনি কিন্তু দুই জায়গাতেই সমানভাবে দায়বদ্ধ এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আর এই বিষয়টি সকল সিইওদের কাছে পরিষ্কার হলেও মানার ব্যাপারে তারা প্রত্যেকেই যেন কিছুটা উদাসীন। অধিকাংশ সিইওদের একমাত্র ফোকাস থাকে তার বিজনেস, কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলেও তারা সেই সময়টা পরিবারকে না দিয়ে ওই কাজেই আবার ঢেলে দেন। তাদের কাছে পরিবারটির গুরত্ব আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকে, নিরব অবহেলার শিকার হোন তার পরিবারের মানুষগুলো। এবং ধীরে ধীরে সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে সংসার এবং ব্যক্তিগত জীবনে। 
আপনার পরিবারের আপনাকে প্রয়োজন:
প্রথমত ও সর্বাগ্রে , আপনার পরিবারের আপনাকে প্রয়োজন। তা আপনি যাই হোন না কেন, হতে পারেন আপনি একজন স্বামী/ স্ত্রী, বা কারো মা অথবা বাবা, কিংবা কারো সন্তান, অনেকেই হয়ত আছেন পরিবারে যারা কিনা, আপনার উপর নির্ভর করে রয়েছেন। যদিও আপনি হয়ত আর্থিক সহায়তা দিয়ে একটি বড় ভূমিকা পালন করেন, তবুও মনে রাখবেন আর্থিক সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি তাদের আপনার থেকে মানসিক সমর্থনও একইভাবে প্রয়োজন, বরং একটু বেশিই প্রয়োজন।  ব্যবসার উপর খুব বেশী ফোকাস দিয়ে যদি আপনি আপনার পরিবারকে যথেষ্ট সময় না দিয়ে থাকেন তাহলে এটা বলতেই হচ্ছে যে, আপনি অতি দ্রুত জীবনের ভারসাম্যহীনতা গ্রাস করতে আসছে। 
আপনার ব্যবসার জন্যও আপনাকে দরকার:
পরিবারকে বেশি সময় দিতে গিয়ে কিন্তু আবার  আপনি আপনার ব্যবসাকে অবহেলা করতে পারেন না বা ঝুঁকিতে ফেলতে পারেন না আপনার ব্যবসাকে, দেউলিয়া হয়ে নিজের ব্যবসার সুনাম নষ্ট করতে পারেন না আপনি, পারেন না তিল তিল করে গড়া উঠা ব্র্যান্ডটিকে নিমিষেই মুঝে দিতে, বা যে কোনো ঝুঁকির দিকে আপনার প্রতিষ্ঠানকে ঠেলে দিতে। একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে, আপনার ব্যবসার জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে, ব্যবসার জন্য নিবেদিত প্রাণ হতে হবে আপনাকে, এবং অবশ্যই মনে রাখবেন আপনার নেতৃত্বের উপরও কিন্তু ব্যবসার ভালো মন্দ অনেককিছুই নির্ভর করে, তাই একইসাথে আপনাকে একজন ভালো নেতা হতে হবে।  লিডারশিপ গুনাবলীর প্রত্যেকটি থাকতে হবে নিজের চরিত্রে। একইসাথে অনেকগুলি extra curriculars এর উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে থাকলে তা অচিরেই বন্ধ করুন, নতুবা আপনার ব্যবসা ধীরে ধীরে অতি দুর্বল এমন কি অরক্ষিত হয়ে যেতে পারে। 
আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা আপনার উপর নির্ভরশীল:
সব সময় মনে রাখবেন, আপনার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে এবং ওতপ্রোতভাবে আপনার উপর নির্ভরশীল। তাই আপনার ব্যবসায় আপনার উপস্থিতি, আপনার অবদান, আপনার আচার, আচরণ, ব্যবহার বিধি, কর্মদক্ষতা,নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা এসকল কিছুই কিন্তু তারা পরোক্ষভাবে অনুকরণ করে, অর্থাৎ আপনাকেই দেখেই তারা অনুপ্রানিত হয়, আপনিই কিন্তু পারেন তাদেরকে পজিটিভলি মোটিভেট করতে। আর যে প্রতিষ্ঠানের একজন সিইও তার কর্মস্থানে বলিষ্টতার সাথে ব্যালান্স করতে পারেন, সেখানকার সকল স্তরের সকল কর্মীরাই প্রোডাক্টিভ এবং দক্ষ হতে বাধ্য। 

হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউয়ের একটি রিসার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, " যখন লিডাররা কর্মস্থানে কাজের প্রভাবকে সক্রিয়ভাবে বজায় রাখার চেষ্টা করে এই চার মাত্রাতে [ শারীরিক, মানসিক , মানসিক , এবং আধ্যাত্মিক ]  [physical, emotional, mental, and spiritual], তখন সেটার একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। ইতিবাচক প্রভাব পরে কর্মীদের কাজের বলিষ্ঠতায়, তারা দায়িত্ব নিতে শেখে, তাদের জব স্ট্রেস কমে যায়, জব সুইচ করার হার কমে যায়, কাজ করার ইচ্ছেশক্তি বেড়ে যায় এবং সর্বোপরি তারা তাদের কাজে সন্তুষ্টি লাভ করে বিধায় তারা প্রতিষ্টানের প্রতি একনিষ্ঠ থাকে। আর এ সবকিছুই সম্ভব যখন একজন সিইও তার ব্যক্তি ও কর্মজীবনে ব্যালান্স মেইন্টেইন করতে সমর্থ হোন। কারণ তিনি এমন একটি পজিশন হোল্ড করে থাকেন, যে বাই ডিফল্ট তার গতি অন্যকে প্রভাবিত করবে সেটাই স্বাভাবিক।  

পার্ক পশ্চিম গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা Albert Scaglione একজন সুষম জীবনযাপনের বা জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি তার কাজ, পরিবার, নিজের ফিটনেস এসকল কিছুই সমানভাবে চালিয়ে নিয়ে যাবার প্রতিশ্রুতি নিজেকেই নিজে দিয়েছিলেন, তিনি এই প্রত্যেকটি জগতে সমানভাবে আনন্দ উপভোগ করছেন। তার দৈনন্দিন রুটিনে সমানভাবে গুরত্ব পায় এসবই, তার দিন শুরু হয়ে আধ্যাত্মিকতা, ব্যায়াম এবং পরিবারের সাথে, আর তারপর প্রতিদিনই নতুন উদ্যমে কাজে মনোনিবেশ করেন তিনি। 

" পারিবারিক, আধ্যাত্মিক, শারীরিক এবং মানসিক এসবকিছুর সন্মলিত জোট যে সত্যিই কাজ করে, তা বোধয় ওনার সমন্ধে না জানলে এভাবে বুঝতেই পারতাম না। "

কি মনে হচ্ছে, ভাবছেন আমি এত কিছু কিভাবে জানি, "আপনি তো আর কোনো প্রতিষ্ঠানের সিইও বা ফাউন্ডার না"  হুম, তা না, তবে বুদ্ধি বিবেচনা, গবেষণা, আলোচনার আলোকেই এসব নিয়ে একটু ভাবোদয় হয় আর কি ! যাই হোক, চলুন এ বিষয় এক্সপার্টরা কি বলেন তা একটু দেখা যাক। 

এ বিষয়ে কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা: 
কাজ ও বাড়ির মধ্যে ভারসাম্য স্পষ্টত গুরুত্বপূর্ণ , তাই প্রশ্ন হল: আপনি কি পেরেছেন এই ভারসম্য বজায় রাখতে জীবনে, কিভাবে এটা করতে হয় জানেন তো? যদি না জেনে থাকেন তাহলে আনন্দের বিষয় এই যে, আপনাকে খুঁজে নিতে হবে না পথ, কারণ কিছু সফল সিইও এবং উদ্যোক্তাদের  এই ব্যাপারে কিছু গুরত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করেছেন, আমি নিশ্চিত তাদের সুপরামর্শগুলো আপনার জীবনেও ভারসাম্য আনতে পারে সহজেই।  

"ব্যস্ততা আমাকে দেয় না অবসর/তাই বলে ভেবো না আমায় স্বার্থপর”……নব্বই এর দশকে সোলস এর একটি অসম্ভব জনপ্রিয় গান। বাস্তব জীবনেও আমরা প্রত্যেকেই প্রচন্ড ব্যস্ত। এতসব ব্যস্ততাকে পাশ কাটিয়ে অনেক সময়ই অনেক ব্যাপারে সময় দেওয়ার মতো সময় আমাদের থাকে না। তাই কেউ যদি “স্বার্থপর” ভেবেই বসে, তাকে বোঝানোর উপায়ই বা কি!

১) পরিবারকে সময় দিনঃ আমরা পরিবারে বাস করি। পরিবারই আমাদের মাথার উপর ছাতা হিসেবে কাজ করে। পরিবারে বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে থাকতে পারেন। আপনার দিনের কিছুটা সময় তাদের জন্য অবশ্যই বরাদ্দ রাখা উচিৎ। অফিসকেই সব সময় দিয়ে ফেললেন, আর রাতে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পরলেন, এভাবে আর যাই হোক, একটা সুখী পরিবার গঠন করা যায় না। ভুলে যাবেন না, আপনি যতখানি আপনার অফিসের জন্য, তার চেয়েও বেশি আপনার পরিবারের মানুষগুলোর জন্য।

২) ভালোবাসার যত্ন নিনঃ খেয়াল করে দেখুন, আমি কিন্তু ভালোবাসার মানুষের কথা বলি নি। বলেছি “ভালবাসা”’র যত্ন নেওয়ার কথা। আপনি সাথে যদি কারো ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় তার জন্য বরাদ্দ রাখুন। সেই সময়টুকুতে আপনি একান্তই তার সাথে কাটান। সেই মানুষটার যত্ন নিন। তার হাত ধরে বসে থাকুন। ভালোবাসাও যত্ন পাবে।

৩) সাহায্য করুনঃ মানুষকে সাহায্য করার মতো, উপকার করার মতো আনন্দের কোন কাজ পৃথিবীতে নেই। আপনার শত ব্যস্ততার ফাঁকেও সময় করে কারো মনের কথা শুনুন। হতে পারে সে আপনার অনেক কাছের কেউ, হতে পারে একেবারেই নতুন পরিচিত। হতে পারে ঘর-বাড়িহীন নিঃস্ব কোন মানুষ। আপনার পক্ষে যতটুকু স্মভব হয়, তাদের সাহায্য করুন। আশার আলো দেখান। আপনিও ভালো থাকবেন।

৪) বন্ধুত্ব বাঁচিয়ে রাখুনঃ সকালে হয়তো হন্তদন্ত হয়ে বাসা থেবে বের হয়েছেন। জরুরী মিটিং। সারাদিন অনেক ব্যস্ততায় কাটলো আপনার। অফিস শেষ। বাসায় না গিয়ে চলে যান বন্ধুদের সাথে দেখা করতে। কোন কফিশপ এ। অথবা টং দোকানের কোন চা এর আড্ডায়। আপনি সিইও তো কি হয়েছে, হাতে নিন এক কাপ ধোঁয়া ওঠা মালাই চা। প্রাণখুলে আড্ডা দিন কাছের বন্ধুদের সাথে। নিশ্চিত করেই বলতে পারি, আপনার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে।

৫) নিজেকে গড়ে তুলুনঃ নিজেকে আপনি যে জায়গায় দেখতে চান, সে জায়গার যোগ্য করে নিজেকে গড়ে তুলুন। পড়াশোনা করুন, নতুন কোন ভাষা শিখুন। করে ফেলুন নতুন কোন কোর্স। আপনার ব্যস্ততার মধ্যেই সময় করে কাজগুলো আপনাকে করতে হবে। তাহলেই হবে সিদ্ধিলাভ। হয়ত সম্ভাবনার নতুন দুয়ার আপনার জন্য অপেক্ষা করছে l 

৬) শরীরচর্চা করুনঃ সকালে ঘুম থেকে উঠেই বেড়িয়ে পরুন না, ৩০ মিনিট হলেও জগিং করে আসুন। সকালের রাস্তাঘাট দেখুন। একটা দিনের শুরু কিভাবে হয়, নিজ চোখেই অবলোকন করুন। সূর্য উঠছে, পাখি গান গাইছে, ঝিরিঝিরি বাতাস বইছে। আপনিও যেন বয়ে চলেছেন বাতাসের সাথেই। যদি বেশি স্বাস্থ্যসচেতন হন, বিকেলের দিকে জিম করতে পারেন। অফিসের পর। ভালো থাকবেন।

৭) ঘুরে আসুনঃ শত ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে প্রিয়জন অথবা বন্ধুদের সাথে করে ঘুরে আসুন। নিজের দেশটায় দেখার মতো অনেক কিছুই হয়তো আছে, যা আপনি আগে দেখেননি। শহরের কোলাহল ছেড়ে কিছুদিন দূরে থাকলে আপনি চনমনে হয়ে উঠবেন। ইচ্ছে হলে দেশের বাইরে থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

৮) খাওয়া-দাওয়া করুন সঠিকভাবেঃ অফিসের কাজের এত চাপ যে দুপুরে লাঞ্চটাও করতে পারেন নি। অগত্যা ফাস্ট ফুড খেয়ে নিলেন। খেতে হয়তো ভালোই লাগবে, কিন্তু কয়েক ঘন্টা পর পেটের ভেতরে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আপনার ভালো নাও লাগতে পারে! কাজেই যত ব্যস্তই আপনি হন না কেন, খাওয়া-দাওয়া হতে হবে ঠিকঠাক। “ব্যালেন্সড ডায়েট” যাকে বলে। শরীর ঠিক তো সব ঠিক।

জীবনে যে কয়দিনই বাঁচুন, আনন্দ নিয়ে বাঁচুন। নিজের সাথে এবার কম্প্রমাইজ করা ছাড়ুন, শত ব্যস্ততাকে পাশ কাটিয়েই আনন্দ খুঁজে নিতে হবে। দিনশেষে যেন সন্তুষ্টির সাথেই আপনি বলতে পারেন, “ভালো আছি। বেশ ভালো আছি।“
*কাজ* *জীবন* *সিইও* *ক্যারিয়ার* *লাইফস্টাইল*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন