শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা  ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।
 
 
জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।
 
ম্যানুয়াল জুসার বাসা বা অফিসে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন, 
ব্র্যান্ড নিউ প্রোডাক্ট
 
গরমের কারণে প্রতিদিনই জুসার বিক্রি হচ্ছে। সময় বাঁচিয়ে সহজে এক গ্লাস ফলের রস পান করতে জুসারই সেরা। ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই ধরনের জুসারই আছে বাজারে। তবে ভালো দোকান থেকে কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যায়।
 
এখন এই হ্যান্ডি জুস মেকার এর সাহায্যে ঘরেই তৈরি করুন বিভিন্ন ফলের জুসম্যাটেরিয়াল- প্লাস্টিক ও স্টেইনলেস স্টিলআলুসহ বিভিন্ন ধরণের ভর্তাও তৈরি করতে পারবেন
 
জুসার ও ব্লেন্ডারের রকমসকম
ফলের রস তৈরি করতে জুসার বা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন। জুসারে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটাই গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।
 
দরদাম
ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে৷ ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে নয় হাজার টাকা৷ নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে৷
 
পাবেন যেখানে
ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটন, মিনিস্টারের বিভিন্ন শো রুমে পাবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। চীনা ও জাপানি বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের জুসার ব্লেন্ডারও পাওয়া যায়। আপনি যদি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বাসায় বসে নামকরা সব ব্রান্ডের জুসার কিংবা ব্লেন্ডার কিনতে চান তবে নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন স্টোর আজকেরডিলের উপর। এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 
 
ব্লেন্ডার এন্ড জুসার পাওয়ারঃ AC, 220~240V, 50 Hz ক্যাপাসিটিঃ ১.২ লিটার ওয়ান কি কনট্রোল , প্রোগ্রাম কনট্রোল, অটোম্যাটিক স্টপ
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
ব্র্যান্ড: Icon মডেল: CB-T2T ফাংশনঃ MIXER/JUICER/GRINDER ম্যাটেরিয়াল: Electronics Packing Requirement: Box Packet ১ বছরের ওয়ারেন্টি অরিজিনঃ চায়না
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
 
যন্ত্রের যত্ন
জুসার বা ব্লেন্ডার নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় ব্যবহারের পর ব্লেন্ডার বা জুসার যত্নে রাখা জরুির। রান্নাবিদ সিতারা ফেরদৌস জানালেন, কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার জুসার বা ব্লেন্ডার মেশিন।
 
 জুসারে ফলের নির্যাস একদিকে আর ছোবড়া আরেক দিকে পড়ে। যেকোনো ধরনের ফলমূল জুসারে দেওয়ার পর সাবধানে চালু করুন। না হলে সুইচ একবার নষ্ট হলে সারাতে হেপাটা আপনাকেই পোহাতে হবে।
 এ ছাড়া ব্লেন্ডারে ফলের জুস করতে সাধারণত ফলের সঙ্গে বরফ, চিনি ইত্যাদি একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলা হয়। এখানে ছোবড়া আলাদা হয় না। ফলের নির্যাসের সঙ্গেই ব্লেন্ড হয়ে যায়। তাই নানা ধরনের শক্ত অংশ ভেতরে থেকে গেলে সেটা সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে নিন।
 ব্লেন্ডার বা জুসার ব্যবহারের পর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।
 আজকাল বাজারে নানা ধরনের লিকুইড সাবান পাওয়া যায়। সেটা দিয়েই পরিষ্কার করতে পারেন জুসার, ব্লেন্ডার।
 ফোমের টুকরা বা নরম কিছুতে লিকুইড সাবান জুসারে বা ব্লেন্ডারে দিন। এতে ব্লেন্ডারে কোনো ধরনের দাগ পড়বে না।
 এসব জিনিস বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। আগুন থেকেও সাবধানে রাখা উচিত।
 জুসার বা ব্লেন্ডারের ভেতরে গন্ধ হলে এক কাপ পানির সঙ্গে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে ব্লেন্ডার বা জুসারে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন