প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

গুলশানের কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের ছবি দেখলাম।দেখেই যা মনে হল,যদি ব্রেইন ওয়াস করতেই হয় তাহলে এক্সট্রিম কাউকে ধরে করেছে;হয় ধনী,না হয় একদম গরীব।দেশের আইন-শৃংখলা বাহিনীর উচিৎ হবে,যাদের পরিচয় জানা গেছে তাদের ইন ডিটেইল প্রোফাইলিং করা এবং জঙ্গিদের একটিভিটিসের একটি প্যাটার্ণ বের করা।আমি কেবল বলব,হয়ত টোকা দিয়ে দেখেছে কি হয়।তাই প্রোফাইলিং করে নেয়াটা জরুরী।

কেন এই রেস্টুরেন্ট? হয়ত গুগলে বা নেটে এর ভেতরের পুরো ইমেজ আছে বলে;অনলাইনে রেস্টুরেন্টের ইন ডিটেইলস আছে বলে। আশেপাশের সিসি ফুটেজ কালেক্ট করা যাতে তারা আগে রেস্টুরেন্টে গেছে কিনা নিয়মিত সেটা খুজে দেখা।

রোজাতেই বা কেন?হয়ত এইসময়টাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক রেস্টুরেন্টে খোলা থাকে এবং গেদারিং ও বেশি থাকে ফরেনারদের কারণ তারা তো রোজা রাখেনি।সো,অপশান লিমিটেড হয়ে যাচ্ছে।

লাইন অফ সাইট।কয়দিক থেকে আসলে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করা যায় বা মানুষজন আসতে পারে।

রেস্টুরেন্টটি দোতলা  মনে হলো। সো হাইয়ার গ্রাউন্ড বেনেফিট আছে।

একটা ব্যাপারই খটকা,তারা পালাবার পথ পায়নি নাকি পালাতে চায়নি।এই  উত্তর ভবিষ্যত আসলে ইন্ডিকেট করতো।আশা করব পথ পায়নি।

সবচেয়ে সহজ হচ্ছে, ধনীর দুলালদের দিকে নজর রাখা যারা বাহিরেই থাকে কিন্তু দেশে যাওয়া আসা আছে এবং বাবা প্রভাবশালী একজন হলেতো আর কথাই নাই।এমনকি দেশের ধনী ব্যাক্তিদের টিনএইজার সন্তানদের প্রোফাইলিং করার সময় এসে গেছে। তাদের তথা জনগনের নিরাপত্তার জন্য।তারাও ভিকটিম হতেই পারে।

একটা কথা নিশ্চিত বলতে পারি,তারা ভেবেছিল কেবল মানুষ আসবে সামনের মাঠ দিয়ে।এভাবে সাজোয়া যান চলে আসবে হয়ত ভাবেনি ঠিক।কারণ একটা ভিডিওতে দেখলাম দরজার সামনে দিয়ে হাটছে,যদিও কাঁচের দরজা।তার মানে তারা স্নাইপারও আশা করছে না।তাই হয়ত সামনের খোলা মাঠটাকে তারা নিজেদের বেনেফিট হিসাবে দেখেছে,ভেবেছে কেউ সহজে কাছে ঘেষতে পারবে না।

হাহাহাহা...এতক্ষণে হাসি পাচ্ছে,আমি হুদাই এতকিছু কেন ভাবতেছি ভেবে,পরে যদি আমারেই জঙ্গি বানায়ে ফেলে।হাহাহাহাহা...

 

*অরাজকতা* *সন্ত্রাস* *জিম্মি* *আইন-শৃংখলা* *রক্তপাত* *ভিকটিম*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন