শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত কিন্তু আসি আসি করছে, গুটি গুটি পায়ে শীতের আমেজ চলে এসেছে। রাত বাড়ার সাথে সাথে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়া শীতের আগমনী বার্তার জানান দিচ্ছে। ঋতুর পালাবদলে শীতের আগমনটা চোখে বা অনুভবে আঁচ করতে পারুন আর না-ই পারুন, আপনার টানটান ত্বক নিশ্চয়ই তা এতদিনে অনুভব করতে পেরেছে! শীতকালে আমাদের ত্বক সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। এর কারণ হলো শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে বিধায় ত্বকের এপিডার্মাল লেয়ার থেকে আর্দ্র ভাব কমে যায়। শীত শুরুর এ সময়টায় বাতাস থাকে শুষ্ক। হয়তো কারও কারও এখনই শুরু হয়েছে ত্বক ফাটা, মৃত কোষ জমে ত্বকের রংও মলিন হতে শুরু করেছে। অনেকেই শীতের প্রসাধনী যেমন পেট্রোলিয়াম জেলি, কোল্ড ক্রিম, পমেড ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই যাঁদের নানা কাজে সকালে বের হতে হয়, তাঁদের হালকা মেকআপ নিতেই হয়। এ জন্য ত্বক সুন্দর রাখা জরুরি, প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন।

প্রকৃতির এ রুক্ষতায় ত্বক আর চুল নিয়ে কাবু হওয়ার কিছু নেই। আবহাওয়া-উপযোগী প্রসাধনী নির্বাচন আর একটু বাড়তি পরিচর্যাই হতে পারে এর সহজ সমাধান।  চলুন জেনে নেবেন এমন কিছু প্রসাধনী সমন্ধে : 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ও লোশন  : এ সময়টায় ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহার শুরু করবেন নিয়মিত, আর তা যেন ঘন ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম হয়। শীতে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তেলযুক্ত ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। সাধারণত আমরা বছরের অন্যান্য সময়ে পানিযুক্ত যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করি, তা শীতে কাজ দেয় না। যাদের ত্বক বেশি শুষ্ক তারা পেট্রোলিয়াম জেলিও ব্যবহার করতে পারেন। যারা মুখমণ্ডলে ক্রিম ব্যবহার করেন, তাদের ক্রিম নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

যাদের ঘরের বাইরে বেরোতে হয়, তারা অবশ্যই সানস্কিন ব্যবহার করুন। আপনি কত সময় ঘরের বাইরে অবস্থান করবেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার সানস্কিন বেছে নিন। হাতে-পায়েও খুব ভালোমতো ময়েশ্চারাইজিং লোশন মেখে ঘুমাবেন। সকালে উঠে ত্বকের উপযোগী ফেসওয়াশ বা কোমল ময়েশ্চারযুক্ত সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করবেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

লিপবাম ও পেট্রোলিয়াম জেলি : ঠোঁটের হাসিতে সজীবতা ধরে রাখতে ব্যবহার করুন লিপবাম। বাইরে বের হওয়ার আগে এসপিএফ-১৫ সমৃদ্ধ লিপবাম বেছে নিন। রাতে ঘুমানোর আগে শরীরে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন, যাদের পা ফাঁটার সমস্যা আছে তারা পায়ের গোড়ালি ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। শীতে ঠোঁট ফাটা  এড়াতে ফাঁটা স্থানে কমলার রস মেখে কিছুক্ষণ রাখতে পারেন। অথবা গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে দুধের সর মিশিয়ে ঠোঁটে মাখাতে পারেন। দাগ তো কমবেই, ঠোঁট নরমও থাকবে। ঠোঁট নরম রাখতে কোকো বাটারযুক্ত লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন।

শ্যাম্পু :  শীতে চুলও বিবর্ণ হয়ে পড়ে। অনেকেই খুশকির সমস্যায়ও ভুগে থাকেন। তারা অবশ্যই অ্যান্টি ড্যানড্রাফ (খুশকি প্রতিরোধক) শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। 

ঘরোয়া যত্ন : এ সময় নিয়মিত বা এক দিন অন্তর স্ক্রাব করা ভালো। অনেকের ধারণা, নিয়মিত ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুলে বা স্ক্রাব করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু ত্বক পরিষ্কার করতে ও মৃত কোষ সরিয়ে ত্বক উজ্জ্বল করে তুলতে এর বিকল্পও নেই। মাঝে মাঝে স্ক্রাবিংয়ের পর দুধের সর ও মধু মেখে একটু পর ধুয়ে ফেলবেন। অথবা গাজরের রস মুখে মেখে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলবেন। ত্বকের পরিবর্তন নিজেই টের পাবেন। এভাবে ত্বক ঠিকমতো ধোয়াও হবে, কালো ছোপও কমবে। 

প্রসাধন যেমন আপনাকে সজীব, সতেজ করে সাজিয়ে তুলতে পারে, তেমনি ভুল প্রসাধন নির্বাচন এবং এর অতিরিক্ত প্রয়োগ আপনার স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে কেড়েও নিতে পারে। তাই প্রসাধন কেনার সময় অবশ্যই ভালোমানের পণ্য বেছে নিন এবং ব্যবহারের আগে এর ব্যবহার-নির্দেশিকা ও ব্যবহারের সময়সীমা দেখে নিন। প্রসাধন সরাসরি মুখমণ্ডলে ব্যবহার না করে প্রথমে হাতের অল্প একটু অংশে ব্যবহার করে দেখুন, সেটি আপনার ত্বকে সহায়ক কি না। এরপর তা ত্বকে ব্যবহার করুন। নকল প্রসাধনী থেকে সাবধান, প্রসাধনী কেনার জন্য আপনি বেঁচে নিতে পারেন সুপারশপ, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক তবে গুলশান ডিসিসি মার্কেট আমার মতে সবথেকে সেরা প্রসাধনীর জন্য। আর অনলাইন থেকে কিনতে আজকের ডিলের উপর ভরসা করতে পারেন। আজকের ডিল থেকে কিনতে  উইন্টার কসমেটিক্স এ ক্লিক করুন।

শীতকালে ত্বকের যত্নে কিন্তু আপনাকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারেও মনোযোগী হতে হবে। শীতের শাকসবজি ও ফল সুন্দর স্বাস্থ্যজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রয়োজন। আর হ্যাঁ, প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে আধা গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানিতে এক চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। এই শীতেও সবার ত্বক হবে লাবণ্যময়, স্বাস্থ্যজ্জ্বল।

*শীতেত্বকেরযত্ন* *শীতেরপ্রসাধনী* *কসমেটিক্স*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত