দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মধু নিয়ে মধুর কথা অনেক। তার চেয়েও বেশি প্রচলিত মধুর মধুরতর গুণের কথা। নিয়মিত মধু খেলে সৌন্দর্য বাড়ে এ কথা অনেকেই জানেন, মানেনও। তাই সকাল সকাল মধু মুখে দিলে শরীর, মনের জন্য ভালো বৈ মন্দ হবে না। জেনে রাখুন কেন সকালবেলা উঠেই মধুর শরণাপন্ন হবেন।

  • মধুতে বিদ্যমান শর্করা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে। তাই এটি রেডি এনার্জি হিসেবে কাজ করে। আধা গ্লাস হালকা গরম লেবুপানিতে এক চা-চামচ মধু ভোরবেলায় খালি পেটে পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
  • সকালে মধুমিশ্রিত পানি দিয়ে কুলি করলে মাড়ির প্রদাহ কমে। এ ছাড়া দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। হজমের গোলমালেও মধুর উপকারিতা আছে। এটি পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ক্ষরণ কমায় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা দূর হয়। মধু বিপাকজনিত তাপ উৎপাদন বাড়ায় বলে শীতকালে দেহের উষ্ণতা বাড়ায়।
  • রক্তস্বল্পতায় মধু বেশ কার্যকর ওষুধ। কেননা, এতে কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও আয়রন রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এটা প্রমাণিত যে দেহের ক্ষত নিরাময়ে মধু চমৎকার কাজ করে।
  • তবে ওজন ওজন কমানোর বেলায় মধুর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। তবে লেবু ও গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে পেটের মেদ কমে। মধু এবং লেবুতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদানে ভরপুর মধু ও লেবু ওজন কমাতেও বেশ কার্যকরী।
  • লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালী: এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, অর্ধেক/২ চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়। আপনি চাইলে এর সাথে সবুজ চা (Green Tea) মেশাতে পারেন।
  • লেবু-মধু পানীয় লক্ষ্য রাখবেন: আগে পানি হালকা গরম করে, তারপর তাতে লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু কখনই গরম করতে যাবেন না।

 

*মধু* *লেবু* *ওজন* *স্বাস্থ্যতথ্য* *লাইফস্টাইলটিপস* *হেলদিফুড*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন