খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশন এর জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার মোহাম্মদ মুসার চতুর্থ প্রয়াণ দিবস আজ। ২০১৩ সালে ১৭ জানুয়ারি তিনি পরলোক গমন করেন। জন্ম ১৯৪৮ সালের ১ নভেম্বর পশ্চিমবংগের বারাসাতে। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সকলের প্রিয় মুসা ভাই তাঁর নম্রতা, ভদ্রতা আর বিনয়ের জন্য অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় ছিলেন। অজাতশত্রু্ এই মানুষটি খুব সহজেই সবার সাথে মিশে যেতেন বন্ধুর মতো।

পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার বারাসাতে জন্মগ্রহণকারী মুসার বাবা মোঃ মোসলেম আলী এবং মাতা মহিদুননেসা খাতুন। মতিঝিল সেন্ট্রাল গভঃ বয়েজ হাই স্কুলেই তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি এবং বিএসসি পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা এবং এম.এ পাশ করেন। ছাত্র জীবন থেকেই খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি এবং এ্যাথলেটিকসের বিভিন্ন ইভেন্টে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেতেন।ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতা পেশার সাথেও যুক্ত হন।

মোহাম্মদ মূসা বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির আজীবন সম্মাননা পাওয়া একজন সদস্য। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ১৯৭৭ সালে বেতারে এবং ১৯৮২ সালে টেলিভিশনে তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত প্রায় ৩৫ বছরব্যাপী তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছেন। ফুটবল, ক্রিকেট এবং হকিসহ যেকোন ইভেন্টেই ভাষ্যকার হিসেবে তিনি ছিলেন খুবই সাবলীল। সংশ্লিষ্ট খেলা সমন্ধে প্রচুর হোমওয়ার্ক, পরিসংখ্যান সংগ্রহ এবং উপস্থাপনে তিনি ছিলেন অনন্য। বিভিন্ন বিখ্যাত মনিষীদের উক্তি, নানা রকম উপমা-উদাহরণ, স্মৃতি রোমন্থন করতেন তাঁর ধারাভাষ্যে, যা তাঁকে খুব সহজেই অন্যদের চেয়ে আলাদা করে চেনাতো শ্রোতা-দর্শকদের কাছে।
তিনি লড়াই এবং গুগলি নামে দুটি সাইন্স ফিকশন উপন্যাস লিখেছেন।
ঢাকার মাঠের অনেক কালজয়ী খেলার বর্ণনা তিনি বেতারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন ইথারে। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় স্মরণ করছি। তার প্রয়ান দিবসে আমরা ক্রীড়া ভাষ্যকারদের পক্ষ থেকে তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

নিউজ সহযোগিতা: 

মো. সামসুল ইসলাম, ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার।

*ধারাভাষ্য* *বাংলাধারাভাষ্য*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন