আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের দেশের আইন মধ্যযুগের মত মনে করে মেয়েদের যৌন-কামনা নেই। আর সেজন্য তারা কেবল ব্যবহৃত হয়।।।
যৌনসংগমে মেয়ে প্রতারিত হলে মামলা করতে পারবে আর ছেলেরা প্রতারিত হলে কি করতে পারবে?
ছেলেদের কি তবে জন্মসূত্রে কামুক হিসাবে দেখা হয়েছে?

দয়(ছদ্মনাম) চৌদ্দ বছরের এক কিশোর। তার এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবার কথা ছিল। সে তার পাশের বাসায় সিনথি নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রীর কাছে অংক শিখত। জানুয়ারির ১৩ তারিখ সন্ধ্যাবেলা যথারীতি পড়তে গিয়েছে। ম্যাডাম প্রলুব্ধ করে হৃদয়কে সংগমে বাধ্য করে । ঠিক সেই সময়ে ম্যাডামের বাবা-মা শপিং নিয়ে বাসায় ঢুকে তিনি নির্বাক হয়ে গেলেন।। হৃদয় মাথানিচু করে নিজের বাসায় চলে এলো আর ম্যাডাম বাবার বুকে এসে কাঁদতে লাগলেন।। এব্যাপারে হৃদয়ের ফ্যামিলির সাথে কোন আলোচনা করল না। হৃদয়কে ডেকে তার ও তার পরিবারের পরিণতির কথা ভয় ভীতি দেখালেন। হৃদয় তার পরিবারের কথা ভেবে ও সম্মান হারানোর ভয়ে কুকরে গেল । কারো সাথে যে আলোচনা করবে তাও সম্ভব নহে। ।। সারারাত তার ঘুম হল না, আযানের সময় স্কুলের ব্যাগ নিয়ে বেড়িয়ে পড়ল অজানা উদ্দেশ্যে।। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে তখন আর পাওয়া যায়নি।

প্রতারণা সম্পর্কে হাইকোর্ট ডিভিশনের অ্যাডভোকেট রেবেকা সুলতানা বললেন, ছেলে মেয়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে মেয়েরা প্রতারিত হলে এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন আইন নেই। কিন্তু বিয়ে-পূর্ব যৌনসংগম করলে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি -৪৯৩, পেনাল কোড-৪৯৩) ধারায়, প্রতারিত হওয়া মেয়েরা মামলা করতে পারে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণিত হলে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড সহ দুটোই হতে পারে।
তিনি আরও বললেন, প্রতারণার কারণে এ পর্যন্ত অনেক মামলা হয়েছে যা বিচারাধীন। বর্তমানে অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে প্রতারণার মাত্রা অনেক বেড়েছে। কারণ আমরা সামাজিক রীতিনীতি তেমন মেনে চলিয়া, এবং খুব আধুনিক মনষ্ক হয়ে পড়েছি। সুশীল সমাজ ও পরিবারে সচেতন দৃষ্টি ভঙ্গি নিয়ে যার যার মত ভূমিকা পালন করলে সমাজে মেয়েদের প্রতারিত হওয়ার মাত্রা কমে আসবে। কিন্তু ছেলেদের এ ক্ষেত্রে মামলা করার কোন সুযোগ নেই।


ক:-বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, জানুয়ারি ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর আওতায় ২ হাজার ৯৫টি মামলায় নিষ্পত্তি হয়েছে ৩শ ৭৪টি। নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় আসামি ছিলেন ৪শ ১০জন। সাজা ২৭জন পেলেও ৩৮০জনই খালাস পেয়ে যান। এরমধ্যে প্রতারণা এবং ধর্ষণ মামলা বেশি।

খ:-২০১৩ সালে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছিলেন, নারী নির্যাতন মামলার ৮০ শতাংশই মিথ্যা মামলা। অথচ এসব মিথ্যা মামলার বিচারে অনেক সময় চলে যায়। মামলা দীর্ঘ সময় ধরে চললে বিচার পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। মানবাধিকার নেত্রীরা বলছেন, পরস্পরের সম্পর্কে অ-সহিষ্ণুতার কারণে মামলা এখনও সংখ্যায় বেড়ে যাচ্ছে এবং ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

*প্রেম* *প্রতারনা* *আইন* *বঙ্গ* *কামুক*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন