খবর

ফিটকিরি: একটি খবর জানাচ্ছে

মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ১৯৮৫ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী চিকিৎসক হিসেবে ক্যাপ্টেন পদবিতে যোগ দেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন এবং বিভিন্ন সামরিক হাসপাতালে প্যাথলজি বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০৭ সালে লাইবেরিয়া মিশনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, সেখানকার মানুষ চিকিৎসকদের বেশ পছন্দ করত। গ্রামে ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক, মশারির নিচে ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া, রক্তের গ্রুপ করা, কম্পিউটার কোর্স করানোসহ বিভিন্ন কাজ দেশটির সাধারণ মানুষ খুব পছন্দ করেছিল। অন্য যে নারীরা সেনাবাহিনীর উচ্চ পদে আসতে চান, তাঁদের জন্য সুসানে গীতির পরামর্শ—চাকরির প্রতি যত্নবান হতে হবে। সেনাবাহিনীর নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নারী সেনাপ্রধান হয়েছেন সে দৃশ্য দেখা সম্ভব কি না? সুসানে গীতি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন হচ্ছে। সেনাবাহিনীর নারীরা বেশ ভালো করছেন। তাই নারীদের সেনাপ্রধান হতে তো কোনো সমস্যা নেই। আর একজন শিক্ষিত মা–ই পারেন শিক্ষিত জাতি উপহার দিতে। নারীরা শিক্ষিত হচ্ছেন, অন্যদিকে পারিবারিক নির্যাতনের হারও বাড়ছে এ প্রসঙ্গে সুসানে গীতি বলেন, সংসারে স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই যদি দুজনকে সম্মান না করেন, বুঝতে না পারেন, তাহলে নির্যাতনের মাত্রা বাড়বেই। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন, তারপরও গণমাধ্যম শুধু চিকিৎসকদেরই সমালোচনা করে। তবে এটা সত্য যে শহরে চিকিৎসাব্যবস্থা যতটা উন্নত, তৃণমূলে এখন পর্যন্ত অনেক কিছুর ঘাটতি আছে। সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর ছবি তোলা ও ভিডিওর জন্য হেঁটে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন জায়গায় যেতে অনুরোধ করা হলো তাঁকে। হাঁটতে হাঁটতেই সুসানে গীতি বললেন, ‘আমি আস্তে হাঁটতে পারি না, আমি তো আর্মি স্টাইলে হাঁটি।’
https://www.prothomalo.com/we-are/article/1562460/
মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ...বিস্তারিত
*নারী* *সুসানেগীতি*
৩৫ বার দেখা হয়েছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত