কর্মজীবী নারী

কর্মজীবীনারী নিয়ে কি ভাবছো?

ইসরাত: *কর্মজীবীনারী* যখন ছেলেটা স্কুল থেকে ফিরেই কল করে বলে মা কখন আসবা ..মন ছুটে যায় ...কর্মজীবী মা হওয়ার যন্ত্রনা টের পাই |

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পুরুষের পাশাপাশি নারীর ভূমিকাও অপরিসীম। তাদের দক্ষতা আর মননে মিশে আছে কাজের প্রতি শ্রদ্ধা। সময়ের সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নারীর অবদান উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। অথচ নিজ কর্মস্থলে কর্মজীবী নারীরা নিরাপদ তো নয়, বরং অহরহ যৌন হয়রানিসহ নানা ধরনের সমস্যায় ভোগে। বিশেষ করে সন্মান পাবার বেলায় উচ্চ পদে একজন নারী এবং একজন পুরুষের বেলায় থাকে যথেষ্ট ফারাক। 


একই পদে সন্মানের হেরফের হয় শুধুমাত্র চেয়ারটায় নারী না পুরুষ বসছে সেই ভেবে। একটি প্রতিষ্ঠানে নারীরা যথেষ্ট সন্মান সবসময় একইহারে পেয়ে থাকেন না। নারীর চাকরিতে প্রবেশই শুরু হয় বর্জনের মধ্য দিয়ে। মেয়েটি বিবাহিত হলে শুরুতেই ভাবা হয়, হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই মাতৃত্বকালীন ছুটি দিতে হবে। আর সিনিয়র হলে তাকে তো কেউ চাকরিই দিতে চায় না।
কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের হয়রানি আজকাল খুব সাধারণ ও স্বাভাবিক হয়ে গেছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানিসহ অন্যান্য নিগ্রহের পরিমাণ আরও অনেক বেশি। একজন নারীর পেশায় তার রুটি-রুজি ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। তাই সমস্যা হলেই তা ছেড়ে আসা নারীর পক্ষে সম্ভব হয় না। আর সেই কর্মক্ষেত্রে একজন নারীকে সহ্য করে যেতে হয় পুরুষ সহকর্মীর নানা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ। ঊর্ধতন হিসেবে তিনি নারী-পুরুষ সহকর্মীদের প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে উঠার দিকে লক্ষ্য রাখেন। একারণেই কখনো কখনো রূঢ়ও হতে হয়। আর সেই রূঢ় আচরণ নারী কর্মী ভালভাবে মেনে নিলেও পুরুষ কর্মীটি সেটা মনে পুষে রেখে সুবিধা নেয়ার সুযোগে থাকেন। সময় সাপেক্ষ অনুযায়ী ঊর্ধতন জেনেও খোঁচা মেরে কথা বলতে পিছ পা হোন না। 


গত দুই দশকে দেশের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ ও বাধাগুলো সফলতার সঙ্গে অতিক্রম করা সত্ত্বেও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। একইসঙ্গে ঘরে-বাইরে নারীর বাড়তি শ্রম মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ নারীবান্ধব সুবিধাগুলো নারীর অধিকার হিসেবে নয়, বরং বিশেষ সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি, নারীর সম অধিকার ও সম মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় পুরুষকে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। পুরুষের সহযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে। নারীকে সহযোগিতা করা বিশেষ সুবিধা নয়, বরং নারীর অধিকার সেটি বিবেচনায় রাখতে হবে। 
*কর্মজীবীনারী* *নারীঅধিকার* *নারীমঞ্চ* *নারীজিজ্ঞাসা* *কর্মক্ষেত্র* *নারী*

দীপ্তি: মেয়েরা যে পেশাতেই থাকুক না কেন, তার সফলতার জন্য পরিবারের সহযোগিতা একান্তই প্রয়োজন (খুকখুকহাসি)

*কর্মজীবীনারী*

দস্যু বনহুর: *কর্মজীবীনারী* হিসেবে প্রথম দেখেছি আমার "মা" কে। স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন আমার মা। কি প্রচন্ড পরিশ্রম করে কর্ম, সংসার, স্বামী সামলেও আমাদের ৪ ভাই-বোন কে বড় করে তুলেছেন একাই!

Dipti: দু-তিন দিনের জন্য একবারে রান্না করেন? কিন্তু ভেরিয়েশন ও চান? কর্মজীবী নারীরা ডাল রান্নার সময় বেশি করে সেদ্ধ করুন, প্রথম দিন শুধু সেদ্ধ ডাল পিয়াজ,রসুন,কাচা মরিচ আর সরিষার তেল দিয়ে খান, বাকিটা ফ্রীজে রেখে দিন, পরের দিন টেলি বাগার দিয়ে পাতলা ডাল করে নিন, এই ডাল বেচে গেলে পরের দিন পানি শুকিয়ে কাচা পিয়াজ, শুকনো মরিচ ভাজা মাখিয়ে ডালের ভর্তা পরিবেশন করুন

*কর্মজীবীনারী*

Dipti: কর্মজীবী নারীর জন্য দিনে একবার বা দুদিনে একবার রান্না করাই অনেক সময় কষ্টের হয়ে যায়,আবার অনেকেই সপ্তাহে দুদিন রান্না করে ফ্রীজে খাবার রেখে খাচ্ছেন |অনেক রকম রান্না করতেও ঝামেলা-কিন্তু একই খাবার পর পর দুদিন খেতেও আবার ভালো লাগে না, এমন ক্ষেত্রে মুরগি রান্না করলে সাথে সেদ্ধ ডিম দিয়ে দিন, রান্না শেষে দুটো আলাদা করে তুলে রাখুন, একই সময়ে দুটি ডিশ তৈরী|

*কর্মজীবীনারী* *গৃহস্থালিটিপস* *ঘরকন্না*
৫/৫

আড়াল থেকেই বলছি: ঢাকা শহরে কর্মজীবী নারীর সংখ্যা কত? সঠিক পরিসংখ্যান নেই কোন দপ্তরে। মাত্র দেড় হাজার কর্মজীবী নারীর জন্য সরকারি আবাসনের যে ব্যবস্থা রয়েছে তাতে জায়গা পাওয়া সোনার হরিণ পাওয়ার মত। আর বাকিদের জীবন কাটে মাথা গোঁজার ঠাই পাবার অনিশ্চয়তায়। যেখানে বঞ্চনা আর নিরাপত্তাহীনতা নিত্যসঙ্গী

*কর্মজীবীনারী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★