পা ফাটা

পা-ফাটা নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত এলেই আমাদের অনেকেরই পা ফাটা, পায়ের গোড়ালি খসখসে হয়ে যাওয়া সহ নানা রকম বিরক্তিকর সমস্যার সৃষ্টি হয়। সৌন্দর্য্যসচেতন তরুণীদের কাছে তো পায়ের গোড়ালি ফাটা রীতিমত আতংকের ব্যাপার।  তবে এ ধরনের সমস্যার স্মার্ট সমাধান নিয়ে এলো ইলেক্ট্রনিক পেডিকিউর কিট। 


PEDI SPIN ইলেক্ট্রনিক পেডিকিউর কিট
এই ডিভাইসটি দিয়ে আপনি আপনার অমসৃন খসখসে পায়ের গোড়ালির সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে পারবেন মুহুর্তেই। 
৫৫০ টাকা দামের নামমাত্র মুল্যের এই পণ্যটি
পায়ের গোড়ালিকে রাখে সুরক্ষিত।
এই Pedi Spin ওয়াশার দিয়ে পায়ের গোড়ালি পরিস্কার করতে পারবেন। 
পায়ে ব্যথা থাকলে তাও কমে যাবে, কারণ এটি ম্যাসেজের কাজ করে।
এই কিটটি নিয়মিত ব্যবহারে পা ফাটা বন্ধ করে।

কিনতে চাইলে ক্লিক করুন ইলেকট্রনিক পেডিকিউর কিট >


*পেডিকিউর* *পা-ফাটা* *পায়েরযত্ন* *বিউটিপ্রডাক্ট* *স্মার্টশপিং*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাড়িতেই পেডিকিওর করতে পারেন। ঈষদুষ্ণ জলের মধ্যে সামান্য শ্যাম্পু ও কোর্স সল্ট মিশিয়ে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। লুফা দিয়ে পা ঘষে ধুয়ে ফেলুন। তারপর পেডিকিওর ক্রিম দিয়ে মাসাজ করুন। এক্ষেত্রে পায়ের নিয়মিত যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। প্রতিদিন লেবু দিয়ে পা ঘষে ধুয়ে ফেলুন। তারপর তিল তেল দিয়ে মাসাজ করুন। স্নানের পর ভিজে ত্বকে লেবু ও হলুদ সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের ময়শ্চার বজায় থাকবে। বেসন, দই, লেবুর রসের সঙ্গে অল্প হলুদ মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ বার এই পেস্ট পায়ে লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

*পেডিকিউর* *পায়েরযত্ন* *পেডিকিওর* *হাতপায়েরযত্ন* *পা-ফাটা* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *বিউটিটিপস*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

মো:আ:মোতালিব: পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন । ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা (খুশীতেআউলা)

*পা-ফাটা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতকালে পা ফাটা অনেকেরই প্রধান সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। পা ফাটা রোধে অনেকেই হয়তবা অনেক কিছু ব্যবহার করেছেন কিন্তু ফল পাননি। আজকে ঘরে তৈরীকৃত পা ফাটা রোধী চমৎকার ফুটক্রিম নিয়ে আলোচনা করব যা ব্যবহারে আপনার পা ফাটা রোধ করা সম্ভব হবে।

ফুট ক্রিম তৈরীতে যা যা লাগবেঃ

- প্রাকৃতিক মধু ১ কাপ
- দুধ ১/২ টেবিল চামচ
- অর্ধেকটা কমলার রস

যা যা করতে হবে করতে হবেঃ
মধুটাকে হালকা গরম করে নিন। এতে কমলার রস এবং দুধটুকু মিশিয়ে ফেলুন। ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন এবং কিছুক্ষন সেট হতে দিন।

ব্যবহারঃ
একটা স্ক্রাবার দিয়ে পায়ের গোড়ালি একটু ঘষে নিন। এরপর মিশ্রনটিকে ত্বকে প্রয়োগ করুন এবং হালকা ম্যাসাজ করে দিন। ৪৫ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এই কাজটি দিনে দুইবার করা গেলে ভালো। অথবা মিশ্রণটি গোড়ালিতে মেখে সারারাত রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন। তবে মিশ্রণটি বেশ চটচটে, সুতরাং প্রথম পদ্ধতিটিই বেশি সুবিধের।

উপকারিতাঃ
মধু- মধু আর্দ্রতা ধরে রাখে ত্বকে। ফাটা গোড়ালির হারানো আর্দ্রতা পুনরুদ্ধার এবং ফাটল সারিয়ে তুলতে এটি সাহায্য শুধু তাই নয়, ব্যাকটেরিয়া দূরে রাখতেও মধু কার্যকর।

দুধ- দুধে আছে ভিটামিন এ যা ত্বক সুস্থ রাখে। ত্বকের ক্ষত মেরামত করতেও এটি কার্যকর।

কমলার রস- কমলায় আছে অনেকটা ভিটামিন সি। ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে এটি সাহায্য করে। ত্বক ফাটা রোধ করতে এটা কাজ করবে।
*পা-ফাটা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতকাল মানেই বাতাসে বাড়তি শুষ্কতা। এ সময় আপনার ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শীত এলেই পায়ের গোড়ালি ফাটা কিংবা পায়ের নিচে খসখসে হয়ে যাওয়ার প্রবণা প্রায় প্রত্যেকের মধ্যেই লক্ষ করা যায়। এছাড়াও অনেকের বয়স বাড়ার সাথে সাথে যখন পায়ের নিচের চামড়া মোটা হয়ে যায়, তখন থেকেই পায়ের গোড়ালি ফাটার প্রবণতা বাড়ে। আর এই শীতের সময়ে একবার গোড়ালি ফাটা মানে পুরো শীতকালটা কাটানো অসহ্য যন্ত্রণার।

পায়ের গোড়ালি ফেটেছে কিংবা খসখসে হয়ে গিয়েছে কিন্তু কিছুতেই সারিয়ে তুলতে পারছেন না? কোন ক্রিম বা দামী পেডিকিউর করেও লাভ হচ্ছে না? তাহলে রাতের বেলা একটু সময় বের করে করুন এই কাজগুলো। মাত্র কয়েকদিন করলেই পা সেরে উঠবে ম্যাজিকের মত। বেশি না, মাত্র ৩০ মিনিট সময় হলেই যথেষ্ট।

পায়ের গোড়ালি ফাটা রোধে যা যা করবেনঃ

১. প্রথমে উষ্ণ গরম পানি নিন। এতে লবণ, গ্লিসারিন, লেবুর রস ও গোলাপ জল মেশান। তারপর এই মিশ্রণে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। তারপর একটি ঝামা বা ধুন্ধুলের খোসা বা পিউমিস পাথর দিয়ে গোড়ালি আলতো করে ঘষে নিন।

২.তারপর একটি একদম পাকা কলা চটকে নিন মসৃণ করে। এই পেস্ট পায়ে লাগিয়ে রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। ফাটা জায়গাগুলোতে ভারী করে লাগাবেন।

৩. তারপর পা সেই আগের উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ও মুছে নিন।

৪. এবার গ্লিসারিন, লেবুর রস ও গোলাপ জল প্রতিটি এক চামচ করে নিয়ে গোড়ালিতে ভালো করে মাখুন। এক জোড়া মোজা পরে নিন ও ঘুমিয়ে পরুন।

৫. সকালে পা ধুনে নিন হালকা গরম পানি দিয়ে। ধুয়ে ভালো কোন ময়েশচারাইজার বা গ্লিসারিন মেখে নিন।

৬. একদিন পর পর করুন পা সম্পূর্ণ সেরে যাওয়া পর্যন্ত।

*পা-ফাটা* *ত্বকেরযত্ন*
খবর

Bappy: একটি খবর জানাচ্ছে

পা ফাটা
https://scontent-a-cdg.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/t31.0-8/10750413_818468398199377_2286845985563061434_o.jpg
>>> ...বিস্তারিত
*পা-ফাটা*
২৮৭ বার দেখা হয়েছে

শুভ্র: যত তীব্র শীতই হোকনা কেন, *পা-ফাটা* আমার কখনোই হয়না! হয়ত কপালে এতো বড় ফাটা থাকার পর, প্রকৃতি আমার আর কিছু ফাটানোর মতো এতো নিষ্ঠুর হতে রাজী হয়না! তবে কপাল না ফাটিয়ে যদি নিয়মিত পা ফাটাতো, তেমন একটা অখুশী হতাম বলে মনে হয়না! পা ফাটা ভাল করা যায়,কিন্তু.. (হিহিহি)(হিহিহি)(হিহিহি)

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


শীত এলেই পা ফাটা সমস্যা শুরু হয়। নানান কারনে নারী পুরুষ যে কাররই গোড়ালির চামড়া ও পায়ের আঙ্গুলের চারপাশ ফেটে যায়। প্রকৃতিতে উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পা ফাটা সমস্যা বেশি হয়। এছাড়া বংশগত কারনেও পা ফাটা সমস্যা হতে পারে। আজকে আমরা পা ফাটা ও পা ফাটা সমস্যাকে গুডবাই জানানোর কিছু উপায় সমূহ নিয়ে আলোচনা করব।

পা ফাটা সমস্যাকে গুডবাই জানানঃ

গোড়ালি অতিরিক্ত ফেটে গেলে হাটতে সমস্যা হয়, অনেকের তা থেকে রক্ত'ও পড়ে এছাড়া পায়ে চাপ পড়লে ব্যাথা লাগে। তাই পায়ের যত্ন নেয়া খুবই জরুরি।
-সাধারণত শরীরে জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের অভাব হলে চামড়া ফেটে যায়। তাই যেসব খাদ্যে জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকবে তা প্রতিদিন সামান্য পরিমানের হলেও খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। জিঙ্ক এর জন্য বাদাম, বিন, সামুদ্রিক মাছ, পালং শাক, গরু ও মুরগীর মাংস, মাশরুম খাওয়া যেতে পারে। সেই সাথে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের জন্য গরুর দুধ, স্যামন মাছ, চিংড়ি, ফুলকপি বেশি করে খেতে হবে।

- নিয়মিত পায়ের তালু, গোড়ালি ও আঙ্গুলে যেখানে ফেঁটেছে সেখানে ঝামা পাথর দিয়ে হালকা ঘষে নিয়ে পা ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর জলপাই তেল, নারিকেল তেল,গ্লিসারিন, ভিটামিন-ই তেল মিশিয়ে পায়ের তালু ও গোড়ালি ভালো করে মালিশ করতে হবে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণ পায়ে লাগিয়ে পাতলা সুতির মোজা পরে ঘুমানো ভালো।

-শরীরের পানিশূন্যতা পূরণের জন্য প্রচুর পানি পান করতে হবে।
-পা ফেটে গেলে খোলামেলা স্যান্ডেল বা জুতা পড়তে হবে। পা বন্ধ জুতা পড়লে এসময় হাটতে কষ্ট হবে ও ক্ষেত্র ভেদে পায়ের অবস্থা খারাপ হতে পারে।

সমস্যাকে গুডবাই জানানোর প্যাকঃ
- ১ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ গ্লিসারিন, ১ চা চামচ অলিভ অয়েল, ১ চা চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার ময়দার সাথে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরী করুন। আধা ঘন্টা পা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পা মুছে ফেলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন সারারাত। পুরো রাত লাগিয়ে রাখতে সমস্যা হলে ২-৩ ঘন্টা লাগিয়ে রাখুন। যাদের খুব বেশি ফেঁটে যায় পা তাদের জন্য এই স্ক্রাবটি খুব উপকারী। এতে ভবিষ্যতে পা ফাঁটার সম্ভাবনা কমে যাবে।

- কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর গোড়ালি ও পায়ের তালু ঝামা পাথর দিয়ে ঘষে ফেলুন। পা ধুয়ে লোশন বা তেল লাগিয়ে নিন।
-মাসে ৪ বার হালকা কুসুম গরম পানিতে পা ১০/২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে, পায়ের রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং পা ফাটা দূর হবে। তাই পায়ের যত্ন নিতে সুবিধামত পদ্ধতি অনুসরণ করুন এবং সেই সাথে সাথে পা সবসময় পরিষ্কার রাখুন। এতে করে অবশ্যই আপনি ফিরে পাবেন নরম, মসৃণ ও সুন্দর পা।

*পা-ফাটা* *শীতেত্বকেরযত্ন* *ত্বকেরযত্ন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


শীতে আবহাওয়া পরিবর্নের ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তবে শীতের অন্যান্য অনেক সমস্যার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে পা ফাটা সমস্যা। নারী-পুরুষ উভয়েই পা ফাটা সমস্যায় পড়তে পারেন। শীতে অনেকের পায়ের পাতা ও গোড়ালি ফেটে চৌচির হয়ে যায়। শুষ্ক আবহাওয়া এবং পায়ের পাতার যে অংশে চাপ বেশী পড়ে সেই অংশ ফেটে যায়। এই পা ফাটার ব্যাথা যে কি পরিমাণ ভয়াবহ হতে পারে, সেটা যার পা ফাটে সে ছাড়া কারো বোঝার উপায় নেই। অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন এই পা ফাটা নিরাময় করতে। কিন্তু কেমিকেল সমৃদ্ধ ক্রিমে প্রাথমিক ভাবে কিছুটা ঠিক হলেও পরবর্তীতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সহ সমস্যা শুরু হয় আবার।

তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের তিনটি উপায়  সম্পর্কে ।

গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক
পায়ের গোড়ালি ফাটা যদি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তাহলে আপনি অনায়েসে এটি ফুট মাস্ক ব্যবহার করে দূর করতে পারেন।

পদ্ধতিঃ

ফুট মাস্কের জন্য আপনার লাগবে লবন, লেবুর রস, গ্লিসারিন, গোলাপ জল ও কুসুম গরম পানি। একটি বড় পাত্রে ২ লিটার কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে ১ চা চামচ লবন, ১ টি গোটা লেবুর রস, ১ কাপ গোলাপ জল দিয়ে এতে পা ভিজিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর একটি মাজুনি কিংবা পেডিকিউরের পিউমিস স্টোন বা ঝামা ইট দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে ঘষে শক্ত, মোটা ও মরা চামড়া তুলে পা ধুয়ে ফেলুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ১ চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে পায়ে লাগান। এভাবে রেখে দিন পুরো রাত। একটু চিটচিটে লাগতে পারে। কিন্তু আপনাকে সহ্য করে নিতে হবে। সকালে উঠে কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যাবহারে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই পা ফাটা গায়েব হয়ে যাবে।

নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক
যদি পা ফাটা একটু বেশী খারাপ পর্যায়ে চলে যায় তবে এই ফুট মাস্কটি আজকে থেকেই প্রতিদিন ব্যাবহার করার চেষ্টা করুন। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

পদ্ধতিঃ
একটি কলা টুকরো করে নিন। এরপর তাজা ৩/৪ খণ্ড নারকেল নিন। দুটিতে একসাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে ফাটা স্থানে ভালো করে লাগাবেন। শুকিয়ে উঠলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল না পান তবে একটি কলা পিষে নিয়ে এতে ২/৩ চা চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে লাগাতে পারেন।

প্রাকৃতিক স্ক্রাব ও তেল
পা ফাটা রোধের সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে প্রাকৃতিক স্ক্রাবের ব্যাবহার। ঘরোয়া ভাবে তৈরি এই স্ক্রাবটি প্রতিদিন ব্যাবহার করে খুব দ্রুত পা ফাটা রোধ করতে পারবেন।

পদ্ধতিঃ
স্ক্রাবটি তৈরি করতে আপনার লাগবে ২/৩ চা চামচ চাল, সাদা ভিনেগার ও মধু। প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন। ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা শিল পাটায় বেটে নিতে পারেন। একটু দানা দানা করে চাল পিষে নেবেন। এরপর এতে পরিমাণ মত ভিনেগার ও মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। একটি বড় পাত্রে কুসুম গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করে পা সেভাবেই রেখে দিন ১০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। তারপর খানিকটা অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।  (সূত্রঃ নিজ ও ইন্টারনেট)
*পা-ফাটা* *শীতেত্বকেরযত্ন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★