প্রতারনা

প্রতারনা নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের দেশের আইন মধ্যযুগের মত মনে করে মেয়েদের যৌন-কামনা নেই। আর সেজন্য তারা কেবল ব্যবহৃত হয়।।।
যৌনসংগমে মেয়ে প্রতারিত হলে মামলা করতে পারবে আর ছেলেরা প্রতারিত হলে কি করতে পারবে?
ছেলেদের কি তবে জন্মসূত্রে কামুক হিসাবে দেখা হয়েছে?

দয়(ছদ্মনাম) চৌদ্দ বছরের এক কিশোর। তার এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবার কথা ছিল। সে তার পাশের বাসায় সিনথি নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রীর কাছে অংক শিখত। জানুয়ারির ১৩ তারিখ সন্ধ্যাবেলা যথারীতি পড়তে গিয়েছে। ম্যাডাম প্রলুব্ধ করে হৃদয়কে সংগমে বাধ্য করে । ঠিক সেই সময়ে ম্যাডামের বাবা-মা শপিং নিয়ে বাসায় ঢুকে তিনি নির্বাক হয়ে গেলেন।। হৃদয় মাথানিচু করে নিজের বাসায় চলে এলো আর ম্যাডাম বাবার বুকে এসে কাঁদতে লাগলেন।। এব্যাপারে হৃদয়ের ফ্যামিলির সাথে কোন আলোচনা করল না। হৃদয়কে ডেকে তার ও তার পরিবারের পরিণতির কথা ভয় ভীতি দেখালেন। হৃদয় তার পরিবারের কথা ভেবে ও সম্মান হারানোর ভয়ে কুকরে গেল । কারো সাথে যে আলোচনা করবে তাও সম্ভব নহে। ।। সারারাত তার ঘুম হল না, আযানের সময় স্কুলের ব্যাগ নিয়ে বেড়িয়ে পড়ল অজানা উদ্দেশ্যে।। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে তখন আর পাওয়া যায়নি।

প্রতারণা সম্পর্কে হাইকোর্ট ডিভিশনের অ্যাডভোকেট রেবেকা সুলতানা বললেন, ছেলে মেয়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে মেয়েরা প্রতারিত হলে এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন আইন নেই। কিন্তু বিয়ে-পূর্ব যৌনসংগম করলে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি -৪৯৩, পেনাল কোড-৪৯৩) ধারায়, প্রতারিত হওয়া মেয়েরা মামলা করতে পারে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণিত হলে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড সহ দুটোই হতে পারে।
তিনি আরও বললেন, প্রতারণার কারণে এ পর্যন্ত অনেক মামলা হয়েছে যা বিচারাধীন। বর্তমানে অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে প্রতারণার মাত্রা অনেক বেড়েছে। কারণ আমরা সামাজিক রীতিনীতি তেমন মেনে চলিয়া, এবং খুব আধুনিক মনষ্ক হয়ে পড়েছি। সুশীল সমাজ ও পরিবারে সচেতন দৃষ্টি ভঙ্গি নিয়ে যার যার মত ভূমিকা পালন করলে সমাজে মেয়েদের প্রতারিত হওয়ার মাত্রা কমে আসবে। কিন্তু ছেলেদের এ ক্ষেত্রে মামলা করার কোন সুযোগ নেই।


ক:-বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, জানুয়ারি ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর আওতায় ২ হাজার ৯৫টি মামলায় নিষ্পত্তি হয়েছে ৩শ ৭৪টি। নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় আসামি ছিলেন ৪শ ১০জন। সাজা ২৭জন পেলেও ৩৮০জনই খালাস পেয়ে যান। এরমধ্যে প্রতারণা এবং ধর্ষণ মামলা বেশি।

খ:-২০১৩ সালে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছিলেন, নারী নির্যাতন মামলার ৮০ শতাংশই মিথ্যা মামলা। অথচ এসব মিথ্যা মামলার বিচারে অনেক সময় চলে যায়। মামলা দীর্ঘ সময় ধরে চললে বিচার পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। মানবাধিকার নেত্রীরা বলছেন, পরস্পরের সম্পর্কে অ-সহিষ্ণুতার কারণে মামলা এখনও সংখ্যায় বেড়ে যাচ্ছে এবং ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

*প্রেম* *প্রতারনা* *আইন* *বঙ্গ* *কামুক*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটেল যুগের ভালবাসা টিকিয়ে রাখতে হলে কিছু বিষয় আপনাকে মানিয়ে নিতেই হবেঃ
>
-টুনি সেলফি আপলোড করবে বিভিন্ন গ্রুপে পেইজে কুনু সমস্যা নেই !
>
-তার একটা দুইটা BF মানে Best Friend থাকবে ৷
>
-টুনি নিজেই বলে দিবে বেস্ট ফ্রেন্ডগুলো আবার ভাইয়ের মত দেখতে !
>
-কুনু প্রকার সন্দেহ করা যাবে না, সর্বদা বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যেতে হবে ৷
>
-ভুলেও পার্সনাল বিষয় নাক গলানো যাবে না যেমন ফেসবুক পাসওয়ার্ড ইত্যাদি ইত্যাদি
>
-'প্রত্যেক মানুষের প্রাইভেসি বলে কিছু বেপার সেপার আছে থাকে' - এসব কথা শুনে ফোর-জি গতিতে হ্যাঁ বলার অভ্যেস করতে হবে ৷
>
-ক্রাশ নামক কোন গ্রুপ/পেইজ হঠাৎ একদিন দেখবেন টুনির রূপের বর্ণনা, সেইই ফিগার, টানা টানা চোখ, সেলফি'তে বকের মত বেঁকে যায় ঠোট-- টুট টুট যা আপনারও জানা ছিল না মিস দীপিকাকে হার মানানো লেখনি তা দেখে রাগ করা যাবে না !
>
-দুই একটা লেট নাইট পার্টি তার সাথে একটু ড্রিংকস দুই একটা সিগারেট খেলে তেমন কিছু আসে যায় না টুনির আপনার ও তা দেখে ইগো আসা যাওয়া করা যাবে না ৷
>
-বাসার শীতকালীন শাক সবজি সব পেস্ট বানিয়ে মুখে পরিবেশন করলে ও কিচ্ছু বলা যাবে না ৷
>
-রাঙ্গামাটি থেকে অর্ডার দিয়ে নিয়ে আসা কলার হাফ ডজন থেতলিয়ে চুলে দিলেও না বলা থাকতে হবে ৷
>
সর্বোপরি, আপনাকে ফ্রি মাইন্ডের হতে হবে ৷ ডায়লগ একটাই, "উই আর ডোন্ট মাইন্ড ৷"
>
আর যদি তা না পারেন সত্যি আপনার কপালে টুনি আছে থাকবে কি না তা ভাবতে হবে তবে যারা এখনো ম্যাডাম টুনি হতে পারে নি মানে "ক্ষেত টুনি" তাদের খুঁজে নেওয়া এখন সময়ের দাবী ৷

*ভালোবাসা* *ডিজিটাল* *এনালগ* *আবেগ* *প্রতারনা*
*ডিজিটাল* *এনালগ* *আবেগ* *প্রতারনা*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খুবই মিষ্টি একটি মেয়ে, আশেপাশের সকলেই তাঁকে ভালো জানে। মেয়েটির প্রশংসায় মুখর সবাই। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখবেন, এই মিষ্টি ভালো মেয়েগুলোই জীবনে প্রতারণার শিকার হয় বেশী। প্রায় প্রতিটি মিষ্টি ভালো মেয়েদের জীবনে থাকে একটা তীব্র প্রতারণার গল্প। ভালোবাসার মানুষটির কাছ থেকে ভীষণ কষ্ট পেয়ে তিলতিল করে জ্বলেন তারা অনেকদিন। কিন্তু কেন মিষ্টি মেয়েগুলো সবসময় প্রতারণার শিকার হয়? আসুন, জানি ৭টি কারণ।

১) তারা খুব সহজে বিশ্বাস করেন ফেলেন
শুধু মেয়েরা কেন, একজন ভালোমানুষ মাত্রই খুব সহজে অন্যকে বিশ্বাস করে ফেলেন। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হুট করে বিশ্বাস করার হার অনেক বেশি। সরল মনের মেয়েগুলো খুব সামান্যতেই সকলকে বিশ্বাস করে ফেলে আর তাই প্রতারক পুরুষদের খপ্পরেও তারা বেশী পড়ে।

২) একটি সম্পর্ককে সারা জীবনের ভাবেন
বেশিরভাগ মিষ্টি মেয়েই একটি ভালোবাসার কিংবা প্রেমের সম্পর্ককে আজীবনের বলে মনে করেন। সম্পর্কে ভাঙন আসতে পারে, ব্রেকাআপ হতে পারে ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নিয়ে তারা ভাবতেই চান না। সম্পর্কের শুরু থেকেই খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে পড়েন তারা। আর এই ব্যাপারটাই অনেক পুরুষ মেনে নিতে পারেন না। তারা নিজেকে "ট্র্যাপড" মনে করতে থাকেন। ফলে সরে যান সম্পর্ক থেকে।

৩) যৌনতা ঘিরে পুরুষের একটি দারুণ ভুল ধারণা
পুরুষের একটা খুবই ভুল ধারণা আছে। আর সেটি হলো, মিষ্টি ধরণের ভালো মেয়েগুলো বিছানায় বা যৌন সম্পর্কে শীতল হয়। তারা যৌন খেলায় মেটে ওঠার মত সাহসী হয় না। এই ভুল ধারণার কারণেও অনেক পুরুষ প্রতারণা করে বেশী ভালো মেয়েদের সাথে।

৪) সম্পর্ক দ্রুত বিয়ের দিকে নিতে চাওয়া
একজন ভালো মনের সাধারণ নারী ভালোবাসার সম্পর্কটির একটি দ্রুত পরিণতি চান। কেন? কারন আমাদের সমাজ দীর্ঘদিন প্রেম করার বিষয়টি ভালোভাবে দেখে না। তাছাড়া পরিবার থেকে লুকিয়ে প্রেম করতেও স্বস্তি পান না ভালো মেয়েরা। আর এই কারণে পুরুষটিকে বিয়ের চাপ দিলে সরে যান সেই পুরুষ।

৫) বোন কিংবা বান্ধবীদের কথায় কান দেয়া
সরল মনের মেয়েগুলো বান্ধবী বা বোনদের কথায় খুব কান দেন। তারা কাউকে ভালো বলল, তারা প্রেম কিংবা বিয়ে করার উপদেশ দিল... এইসব শুনে ভালো মেয়েরা প্রভাবিত হয়। এবং খুব সহজেই একটি ভুল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে বান্ধবী বা বোনদের ভুল পরামর্শ শুনে নিজের বর্তমান সম্পর্কটিকে তিক্ত করে ফেলে। ফলে বর্তমান প্রেমিক সম্পর্ক ভেঙে দেন।

৬) চাপা স্বভাবের হওয়া
নারী-পুরুষ নির্বিশেষেই ভালো মানুষগুলো একটু চাপা স্বভাবের হয়ে থাকেন। তারা হয়তো খুব হাসিখুশি, অনেক কথা বলেন। কিন্তু দিন শেষে নিজের প্রয়োজনটাই মুখ ফুটে বলতে পারেন না। স্বার্থপরও হতে পারেন না। এইসব কারণে সম্পর্কে তারাই প্রতারিত হয়ে থাকেন সবসময়।

৭) অভিনয় করতে না পারা

বেশিরভাগ পুরুষই প্রেমের সম্পর্কে একটু চটক-মটক আশা করেন। একটু ছলকলা, একটু অভিনয় ইত্যাদি আরও বহু কিছু। সরল মনের ভালো মেয়েগুলো এইসব বোঝেন না। ফলে প্রেমিক খুব সহজেই বিরক্ত হয়ে যান ও ছেড়ে দেন প্রেমিকাকে।


*ভালবাসা* *প্রতারনা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলাদেশ পুলিশের "ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার" কি ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*আইন* *বাংলাদেশ* *পুলিশ* *প্রতারনা* *শাস্তি* *বিচার*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


ভালবাসার সম্পর্কে নারী এবং পুরুষ দু্’পক্ষই প্রতারনা করে। তবে প্রতারনার দিক থেকে কেউ কম ও কেউ বেশী প্রতারক। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভালোবাসার সম্পর্কে প্রতারনার প্রায় ৬০%ই হয় পুরুষের দিক হতে। গবেষকদের মতে, যখন প্রথম ভালোবাসা অনুভূত হয় তখন মানুষের শরীরে একধরনের কেমিকেলের নিঃসরণ ঘটে। পরবর্তীতে যখন অন্য কাউকে দেখে একই ধরনের কেমিকেলের নিঃসরণ হয়, আর তখনই প্রতারনার আশ্রয় গ্রহন করে মানুষ। আর এই ঘটনাটি ছেলেদের মধ্যে বেশি লক্ষ্য করা যায়। এ দিক থেকে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা একটু পিছিয়ে।

কেন পুরুষরা নারীদের চেয়ে বেশী প্রতারনা প্রবন হয় তার কারণ গুলো জেনে নিনঃ

প্রেমিকা/স্ত্রীকে আর আকর্ষণীয় মনে না হলে
যেসব পুরুষরা প্রতারণা করেন তাদের বিশাল একটা অংশের অভিমত এই যে তারা আর সঙ্গিনীকে আগের মত আকর্ষণীয় মনে করেন না। ভালোবাসার শুরুতে যে আকর্ষণের জন্য তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন, সেই আকর্ষণ হারিয়ে গেছে বলেও দাবী করেন অনেকে। কিন্তু প্রতারণা কেন? সম্পর্ক ভেঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়ালেই পারেন? কিন্তু এরও ব্যাখ্যা রয়েছে। গবেষকদের মতে, যারা নিজের প্রেমিকাকে আকর্ষণীয় মনে করেন না তাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে না ফেলার পিছনে রয়েছে বন্ধুত্ব। প্রেমিকার সাথে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে তিনি বর্তমানে জড়িয়ে আছেন তা ঝেড়ে ফেলতে চান না। অথচ জীবনে নতুন আনন্দ চান। তাই প্রতারণার আশ্রয় নেন।

বর্তমান সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলার জন্য
মনোবিজ্ঞানীদের মতে প্রায় ৩৬ ভাগ পুরুষেরা নিজের বর্তমান সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলার জন্য প্রতারণাকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। সাধারন কোন মেয়ের পক্ষে তার একান্ত পুরুষের প্রতারণা মেনে নেয়া সম্ভব হয় না। আর তখনই ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে যায়।

আর্থিক কারণ
একটা বড় সংখ্যার পুরুষ আর্থিক কারণে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে থাকেন। অনেক পুরুষই ধনী প্রেমিকা খোঁজেন। আর সেটা পাওয়ার জন্য বর্তমান প্রেমিকা/স্ত্রীর সাথে প্রতারণা করতে একটুও দ্বিধা করেন না তারা। আবার দেখা যায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই ধনী সঙ্গিনীর সাথেও প্রতারণা করে থাকেন তারা। আর্থিক চাহিদা মিটে গেলেই অন্য চাহিদা পূরণের জন্য মনযোগী হন নানান দিকে।

দৈহিক সম্পর্কের জন্য
সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটাই যে, পুরুষেরা দৈহিক সম্পর্কের জন্য প্রতারণার আশ্রয় নেন। বাড়তি শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য, সঙ্গিনীর শরীরের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেললে কিংবা যৌন জীবনে নিত্য নতুন আনন্দের স্বাদ পেতে নিজের সঙ্গিনীর সাথে প্রতারণা করেন। সঙ্গিনীর সাথে যখন দৈহিক সম্পর্ক পুরনো বা একঘেয়ে হয়ে যায়, তখনই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য পুরুষেরা অন্য কারো শরণাপন্ন হন। মজার ব্যাপারটা হচ্ছে- অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় পুরুষটি তার সঙ্গিনীকে ভালোবাসেন, কিন্তু দৈহিক চাহিদার আগ্রহের জন্য প্রতারনা করেন।

প্রতিশোধ নেয়ার জন্য
মনোবিজ্ঞানীদের মতে প্রায় ২০% পুরুষ পূর্ব সম্পর্কে প্রতারণা প্রতিশোধ হিসেবে বর্তমান প্রেমিকার সাথে প্রতারণা করেন। প্রতিশোধ প্রবন ছেলেরা প্রেমে ব্যর্থ হলে প্রতিশোধ নিতে উদ্যত হন। দুর্বল সম্পর্কের এই আধুনিক যুগে প্রতারণার শিকার হওয়া নতুন কিছু নয়। যদি আগে কোন প্রেমে প্রতারণার শিকার হয়ে থাকে তবে অনেকেই ব্যাপারটি মন থেকে মুছে ফেলতে পারেন না। তখন মেয়েদের প্রতি বিরূপ ধারনার সৃষ্টি হয়। প্রতিশোধ নেয়ার আত্মতৃপ্তি পাবার জন্য জেদের বসে সম্পর্কে জড়িয়ে সঙ্গিনীর সাথে প্রতারনা করতে দেখা যায় অনেককে, কারণ তাদের চোখে তখন সকল নারীই খারাপ।

পারিবারিক কারনে
শুনতে হাস্যকর মনে হলেও অনেক ছেলে পারিবারিক কারনে প্রতারণা করে থাকেন। অনেকে মনে করতে পারেন জেনেটিকাল ডিসঅর্ডার সম্পর্কে বলা হচ্ছে। কিন্তু ব্যাপারটি ঠিক জেনেটিক্সের পর্যায়ে পরে না। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে কিশোর বয়সে বাবা/মায়ের পরকীয়ার সাক্ষী হলে বর্তমান জীবনে সঙ্গিনীকে প্রতারণার হার বাড়ে। কেননা তাদের কাছে পরকীয়া বা প্রতারণাটা খুব সহজ আর স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, যেসব দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে তাদের সন্তানদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্কে প্রতারণার প্রবণতা অধিক।
সূত্রঃ নিজ ও ইন্টারনেট
*ভালোবাসা* *সম্পর্ক* *প্রতারনা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সবার জীবনে প্রেম আসে একথা সত্য। তাই বলে যে সবার জীবনেই একাধিকবার প্রেম আসবে, সে কথা সত্য নয়! কারো কারো প্রথম প্রেমই পরিণতি পায়, আর কারোটা পায় না। তবে আপনাকে জানতে হবে সে কি আপনাকে ভালোবাসে নাকি শুধুই প্রতারনার ফাঁদ পেতে বসে আছে ?

সম্পর্ক নানা কারণে ভেঙে যেতে পারে। নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়া, পারিবারিক সম্পর্ক ইত্যাদি। কিন্তু একবার সম্পর্ক ভেঙে গেলে কি মানুষের জীবন থেমে থাকে? না, মানুষ আবারও ভালোবাসে। এই ভালোবাসাও গড়াতে পারে পরিণতির দিকে।  খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন যে, আপনারদের এই সম্পর্ক আসল কি না, সত্যিই আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা আপনাকে ভালোবাসে নাকি প্রতারনা করছে!

ভালবাসা নাকি প্রতারনাঃ
ভালবাসা নাকি প্রতারনা বুঝতে বা জানতে হলে নিচের বিষয় গুলো জেনে নিন।


একসাথে বাকি জীবন কাটানোর ইচ্ছা :
খেয়াল করে দেখুন যে আপনাদের একে অন্যের সাথে সারাজীবন কাটানোর ইচ্ছাটা কতখানি প্রবল। আপনি কি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার ওপর এতটাই ভরসা করেন যে চোখ বন্ধ করে তাঁর সাথে সারাজীবন কাটাতে পারবেন? উত্তর যদি হ্যা হয়, তাহলে বুঝে নিন আপনাদের সম্পর্কের গভীরতা প্রবল এবং এটাই আসল ভালোবাসা। পরস্পরের প্রতি আপনাদের নির্ভরতাও ভালোবাসার সত্যতা প্রমাণ করে। আপনার ভালোবাসার মানুষটির আপনাকে পাবার আকাঙ্খাটুকু বোঝার চেষ্টা করুন। আশা করি নিজেই বুঝতে পারবেন তাঁর ভালোবাসার সত্যতা সম্পর্কে।

পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সদ্ভাব করানোর চেষ্টা :
আপনাকে যে ভালোবাসে, বিয়ে করতে চায়, তিনি অবশ্যই চেষ্টা করবেন যেন তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের সাথে যেন আপনার ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। খেয়াল করুন তিনি আপনাকে তাঁর বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন কি না। আপনাকে নিয়ে যদি তাঁর ভবিষ্যত্‍ পরিকল্পনা থাকে, তাহলে অবশ্যই তাঁর নিকটজনদের সাথে আপনার সদ্ভাব করানোর চেষ্টা করবেন।

শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে তাড়াহুড়া না থাকা :
সত্যিকারের ভালোবাসায় শারীরিক সম্পর্ক এটা গৌণ কারণ। আবেগের বশে শারীরিক সম্পর্ক হয়েই যেতে পারে। তবে যিনি আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসেন তাঁর মাঝে এ বিষয়ে তাড়াহুড়া না থাকারই কথা! কারণ তিনি যদি আপনাকে ভালোবাসেন, বিয়ে করতে চান তাহলে এক সময় না এক সময় আপনাকে পেয়েই যাবেন - এ কথাটিই থাকবে তাঁর মাথায়। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন তা জানার চেষ্টা করুন।

কোনো কিছু গোপন না করা :
যিনি আপনাকে সত্যি সত্যি ভালোবাসেন তিনি আপনার কাছে কোনো কিছুই গোপন করতে চাইবেন না। নিজের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার থেকে শুরু করে পরিবারের সমস্যার কথা সবই বলবেন। এমনকি তাঁর প্রাক্তন সম্পর্কগুলো সম্পর্কেও বলবেন। যদি তাঁর মধ্যে কথা গোপন করার প্রবণতা লক্ষ্য করেন, তাহলে সাবধান হয়ে যান।

প্রাক্তন সম্পর্কগুলোকে পুরোপুরি ভুলে যাওয়া :
যখন মানুষ তাঁর সম্পর্কের ব্যাপারে সন্দিহান থাকে তখনই অতীতের সম্পর্কের সাথে বর্তমানের সম্পর্কের তুলনা করে - এটাই মানুষের স্বভাব! কিন্তু যখন একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে ভালোবাসবে, তখন তাঁর মধ্যে থেকে এই প্রবণতা কমে আসবে। খেয়াল করে দেখুন যে, আপনার ভালোবাসার মানুষটি বারবার পুরনো সম্পর্কের প্রসঙ্গ তোলেন কি না। তাঁর ভালোবাসার সত্যতা তখনই প্রমাণ হবে যখন তিনি তাঁর পুরনো সম্পর্কগুলোকে পুরোপুরি ভুলে যাবেন।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা :
যিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং বিয়ে করতে চান, তিনি আপনার সাথে নানা ধরনের ভবিষ্যত্‍ পরিকল্পনা করবেন। এর মধ্যে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা অন্যতম। যেমন সংসার কেমন হবে, কেমন বাড়িতে থাকবেন, জীবনে কী কী করতে হবে ইত্যাদি। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা কি আপনার সাথে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করেন? উত্তর হ্যা হলে তাঁর ভালোবাসার সত্যতা পাওয়া যায়।

ঈর্ষাবোধ থাকা :
ভালোবাসা থাকলে ঈর্ষাবোধ থাকবেই! এটাই স্বাভাবিক। অস্বাভাবিক তখনই যখন আপনার ভালোবাসার মানুষ অন্য কারো সাথে আপনাকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখলেও ঈর্ষাবোধ করবে না। আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে যদি প্রবল ঈর্ষাবোধ থাকে, তাহলে ধরে নিন তিনি আপনাকে সত্যিই ভালোবাসেন। আর যদি তাঁর মধ্যে এই বোধ না থাকে তাহলে কিন্তু চিন্তা করার কারণ রয়েছে!
( এই বেশ ব্লগের কিছু তথ্য সংগৃহীত)
*ভালোবাসা* *প্রতারনা* *সম্পর্ক*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতারনা কি? এ প্রশ্নের অনেক উত্তর হতে পারে। তবে সহজ কথায় প্রতারনা হল কাউকে ঠকিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাছিল করা। নিজের উদ্দেশ্য ও গোপন কু-ইচ্ছা পূরণের জন্য যারা এধরনের প্রতারনার কাজে নিজেদের জড়ায় তাদেরকে প্রতারক বলে।

বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত হচ্ছে। প্রতারনা আর প্রতারকের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাছে যা সাধারণ ও সৎ মানুষ গুলোর জন্য  হুমকি স্বরুপ। প্রতারকরা নিজের ঘর থেকেই প্রতারনা শুরু করে। এই প্রতারনা বিভিন্ন মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের সাথে হতে পারে। যেমনঃ

১. প্রেমিকার সাথে প্রেমিকের অথাবা প্রেমিকের সাথে প্রেমিকার
২. নিজের বউয়ের সাথে।
৩.বাবা মায়ের সাথে
৪. বাড়িতে
৫. অফিসে
৬. শিক্ষা ক্ষেত্রে
শুধু উপরের বিষয় গুলির কথা বললে ভুল হবে। এ গুলো ছাড়াও আরো অসংখ্য বিষয় ও স্থানে প্রতারনা করা হচ্ছে। এক কথায়  বলতে গেলে আমাদের পুরো সমাজটাই প্রতারনা আর প্রতারকে ভরে গেছে। এর মাঝেও আপনার মত কিছু মহৎ মানুষ আছে যাদের জন্য এ পৃথিবীটা এখনো টিকে আছে।

মানুষ কেন প্রতারনা করে? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হলো নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অসৎ উদ্দেশ্য কে চরিতার্থ করা।  যার কারনে প্রতারক তার  নোংরা মস্তিস্ক দিয়ে বিভিন্ন চিন্তা ভাবনা সাজিয়ে তারপর শিকারকে ঘায়েল করে।

প্রতারক কি ধরণের প্রক্রিয়া অবলম্বন করে কাজ করে তা জেনে নিন
১.শিকার নির্বাচন করে
২.শিকারকে হাতের মুঠোতে আনার চেস্টা চালায়
৩.শিকারের আর্থিক ও মনের ক্ষতি করে
৪.শিকার যাতে এই প্রতারণার কথা কারুকে না বলে সেজন্য শিকারের চরিত্র হনন করে
*প্রতারনা* *সম্পর্ক*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ফাহিম মাশরুর: এই মাত্র একটা ফোন পেলাম 2008 নম্বর থেকে! প্রথমেই সামিনা চৌধুরীর এক লাইন গান শোনানো হলো এবং অনুরোধ করা হলো রেডিও 2008 -এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য . . কিন্তু বলা হলো না কয় টাকা কাটা হবে আমার ফোন বিল থেকে . . প্রতারণার নতুন স্টাইল! আমি রেজিস্ট্রেশন করি নি, কিন্তু অনেকে হয়তো না বুঝেই রেজিস্ট্রেশন করবে এবং তারা বুঝবেনও না তাদের পকেট মারা হচ্ছে!

*প্রতারনা* *****

শাকিল আহমেদ: নিষ্ঠুর এই জগত সংসারে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে অহরহ আমরা আমাদের আবেগকে সংকীর্ণ করে ফেলছি, অবরুদ্ধ করে ফেলছি আমাদের অনুভূতিকে। অযথাই আমাদের স্বতস্ফুর্ত প্রকাশ ও স্বকীয়তাকে আড়াল করছি জাগতিক কাটখোট্টা হিসেব নিকেশ আর মাপামাপা কথার(নিচেদেখ)

*অস্তিত্ব* *সংগ্রাম* *আবেগ* *স্বকীয়তা* *বেড়াজাল* *প্রতারনা* *ব্যক্তিসত্তা* *কাঠেরপুতুল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★