ফ্যাশন

ফ্যাশন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর ক’দিন বাদেই বাংলা নতুন বছরের সূচনা হবে। বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে সবাই যে যার মত প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুগলরা এই দিনটি সাজাতে পারেন একটু ভিন্ন সাজে। এই দিন দুজনেই পরতে পারেন একই রকমের পোশাক। আপনারা যারা আধুনিক তারুণ্যের মধ্যে বর্ণিল রঙে যুগপত্ রাঙাতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিল বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে এসেছে। এতে পরিবারের সকলের উপযোগী করে পোশাকের উপস্থাপনায় আনা হয়েছে মেলবন্ধন। সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি কিংবা শাড়ি সবকিছুইতেই থাকছে ফেব্রিক, ডিজাইন বা মোটিফের যুগপত্ উপস্থাপনা।

  

মূলত বৈশাখী উৎসবকে সামনে রেখে পোশাক ডিজাইনাররা যুগল আর পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা করে একই রঙের পোশাক বানানো শুরু করেন। সব উত্সবে ফ্যাশন হাউসগুলো যুগলবন্দি পোশাক তৈরি করে। বাকি নেই পহেলা বৈশাখও। টিনএজারদের জন্য তারা ফিউশনধর্মী ভিন্ন কাটিংয়ে একই নকশার পোশাক তৈরি করে। মাঝ বয়সী আর পরিবারের সবার কথা চিন্তা করে রং আর নকশায় পরিবর্তন আনা হয়।

 

উত্সবে মূলত প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই একই রকম পোশাক পরতে চায়। বয়স আর পরিবেশের কথা চিন্তা করে ডিজাইনাররা এসব পোশাক তৈরি করছেন। দেশীয় নকশার সঙ্গে মিল রেখে পাশ্চাত্য কাটিংয়ের মিশ্রণে তরুণদের জন্য তৈরি হচ্ছে ভিন্নধর্মী পোশাক। প্রথম দিকে এসব পোশাকে তরুণদের আগ্রহ বেশি থাকলেও এখন সব বয়সীদের পছন্দের তালিকায় স্থান পেয়েছে যুগল পোশাক।

 

পাঞ্জাবির চাহিদা বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়টাতে থাকে একটু বেশি। বাঙালি বলে কথা, তাই পোশাকেও থাকতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য। আর তাই হাতে হালকা লাল রঙের কাজ, গলা ও পিঠে সাদামাটা লালের ছটায় বর্ণিল পাঞ্জাবিগুলোর চাহিদা বেশি। মোঘল পোশাকের ক্যাটিং বা সেমি-ফিট পাঞ্জাবি বেশি চলছে এবার।

 

রঙের সঙ্গে কমলা, হলুদ, নীল ও অন্যান্য রঙও ব্যবহার করা হচ্ছে বৈশাখের পোশাকে। তবে কেন্দ্রীয় রঙ লাল-সাদাই রাখা হয়। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, বৈশাখের সব অনুষ্ঠানে দেখা যায় লাল-সাদা শাড়ির বাহার। চুড়ি, টিপ, গহনা, লিপস্টিক এমনকি জুতা, ব্যাগও হয়ে থাকে লাল-সাদা রঙের। বৈশাখের শাড়ি কেনার জন্য বাজেটটা অনেক হতে হবে তা নয়। বরং সুন্দর ঐতিহ্যবাহী নকশার শাড়ি কমদামে কিনতে পাওয়া যাবে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে।

দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যুগলরা তাদের পছন্দসই পোশাক কিনতে চাইলে আজকেই ঢুঁ মারতে পারেন অনলাইন শপ আজকেরডিলর ওয়েবসাইটে। পণ্য পছন্দ হলে অর্ডার করলে ঢাকার মধ্যে ২৪ ঘন্টায় আর ঢাকার বাইরে ৪ কার্যদিবসের মধ্যে পন্য পৌঁছে দেবে। যারা পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী কাপল ড্রেস কিনতে চান তারা এখানে ক্লিক করুন

*ফ্যাশন* *বৈশাখীফ্যাশন* *স্পন্সরকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *কাপলড্রেস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ট্রেন্ডি পোলো শার্ট কালেকশন

দিন এখন শুরু হচ্ছে গরমের হালকা পোশাকে। পোশাকের এই পরিবর্তনে ছেলেদের পোলো শার্টেই এখনকার চলতি ফ্যাশনটা বেশ জমে উঠেছে। গরমের চলতি ফ্যাশনে তরুণদের পছন্দের পোশাক তাই এখন পোলো শার্ট। পোলো শার্টের চাহিদা এখন সার্বজনীন। সব বয়সী মানুষ পরতে পারে। শুধু ব্যক্তিত্ব আর রুচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট পোলো শার্ট বাছাই করে নিলেই হলো।

ট্রেন্ডি পোলা টি-শার্টঃ

পোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুনপোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুন

বর্তমানে একরঙা পোলো শার্ট বেশ চলছে, সাথে স্ট্রাইপ পোলো শার্টও অনেকের পছন্দ। ব্র্যান্ডভেদে পোলো শার্টের কাপড় ও বোতামের ডিজাইনে রয়েছে ভিন্নতা। ডিজাইনে স্ট্রাইপ ও এক কালার যেমন রয়েছে, তেমনি কোনো কোনো পোলো শার্টে তিন থেকে চারটি বোতামও দেখা যায়। আবার কোনোটিতে দুই বা তিনটি বোতাম। বোতামবিহীন পোলো শার্টের কদরও এখন বেশ।

পোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুনপোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুন

ফ্যাশনের জন্য অল্প বোতামের পোলোর চাহিদাই বেশি বাজারে। এই বোতামের ডিজাইনেও আছে বৈচিত্র্য। মেটালের তৈরি বোতাম পোলো শার্টে নিয়ে এসেছে ভিন্নমাত্রা। এক রঙের পোলো শার্টের পাশাপাশি চলছে স্ট্রাইপ পোলো শার্ট। হালকা গড়নের হাতে রাবার ছাড়া কাফ পোলো বেশি মানানসই। যে গড়নের শরীর হোক না কেন, ঢিলেঢালা শার্ট না পরে বেছে নিন ফিট কিংবা সেমি ফিট পোলো শার্ট।

পোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুনপোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুন

পোলো শার্টের রঙে ও নকশায় এসেছে বৈচিত্র্য। তবে হালকা রঙের পোলো শার্টের কদর বেশি। যেকোনো জায়গায় স্বাচ্ছন্দ্যে পরা যায়, তাই পোলো পরাতেই বেশি পছন্দ করেন সবাই।


কোথায় পাবেন আর দাম কেমন:

পোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুনপোলো শার্ট কিনতে ক্লিক করুন

ক্যাটস আই, এক্সট্যাসি, ইয়েলো, জেন্টল পার্ক, আমবার, সেইলর, মেনজ ক্লাব, আর্টিস্টি, রিচম্যানসহ প্রায় সব ফ্যাশন হাউসেই পোলো শার্ট পাওয়া যায়। এ ছাড়া ঘুরে ঘুরে কিনতে চাইলে, বসুন্ধরা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট, নূরজাহান মার্কেটসহ পলওয়েলে মিলবে পোলো। ব্র্যান্ডভেদে দামের তারতম্য হয়। ৪৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন পছন্দের পোলো।

আর অনলাইন থেকে অর্ডার করেও আপনি পোলো শার্ট কিনতে পারেন আপনার পছন্দ অনুযায়ী। এক্ষেত্রে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকেরডিলকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী আর ভরসার জায়গা বলে মনে হয়েছে, কারণ ওদের সাইটে প্রায় ৩০০০ রকমের পোলো শার্টের কালেকশন রয়েছে। তাদের কাছ থেকে পোলো শার্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*পোলোশার্ট* *সেরা-পোলো-শার্ট* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

ক্লথ BD: *ফ্যাশন* খুচরা বিক্রয় ! জেন্টস আইটেম-এর বিশেষ আকর্ষনঃ টি-শার্ট —১৪৯ টাকা / পিছ পলো-শার্ট —১৯৯ টাকা / পিছ শার্ট — ৩৪৯ টাকা / পিছ প্যান্ট—৩৪৯ টাকা / পিছ *** Girls pant-200tk/pcs & Ladies pant-300tk/pcs পাইকারি ক্রেতাগণ সরাসরি যোগাযোগ করুন . Phon(খুশী২)(ভালবাসি)

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাঞ্জাবি কালেকশনদিনক্ষণ দেখে আর ফ্যাশন হয় না। এদেশের তরুণদের জন্য এখন প্রতিটি দিনই ফ্যাশন হিট। গরমে ফ্যাশনে নিজেকে আরও ফ্যাশনেবল করে তুলতে তরুণদের অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে স্টাইলিশ পাঞ্জাবি। কারণ উৎসব ছাড়াও অফ ফ্যাশনেও পাঞ্জাবি সুপারহিট! চলুন লো প্রাইসের ভিতরে লেটেস্ট কিছু পাঞ্জাবি দেখে নেই।

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনপাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনবর্তমান সময়ে পাঞ্জাবিতে মোটিফ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের আরকিটেকচারাল ড্রইং, ক্যলিগ্রাফি ও জ্যামিতিক ফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে। এ্যাপলিক, এ্যামব্রয়ডারি, কারচুপি, আড়ি, হাতের ভরাট কাজ, লেস, কাতানপাড়ের পাঞ্জাবি বেশ চলছে। একটা সূতি তো আরেকটা সিল্ক, একটা কাতান তো আরেকটা জামদানি কাপড়ের। কত রকম পাঞ্জাবি শোভা পাচ্ছে ফ্যাশন হাউসগুলো। তবে উৎসব ভেদে ভিন্ন ভিন্ন পঞ্জাবি বেছে নেওয়া উচিৎ।

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনপাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনখাদি, সুতি বা তাঁতের কাপড়ের সেলফ কালার পাঞ্জাবি কালচারাল প্রোগ্রামে পরতে পারেন। টিউন কাটের লম্বা বা খাট পাঞ্জাবিই এখন বেশী চলছে। তবে নিজের গাম্ভীর্যতা ফুটিয়ে তুলতে চাইলে বেছে নিতে পারেন জমিদারি কাটের পাঞ্জাবি।

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনপাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

যেকোন উৎসবের ক্ষেত্রে এন্ডি সিল্ক; জামদানী, মসলিন, রেশমী কটন, ডুপিয়ান কাপড়- এর পাঞ্জাবী বেছে নেওয়া ভাল। পার্টিতে গাঢ় রঙের পাঞ্জাবী নির্বাচন করতে পারেন। আর ঘরোয়া অনুষ্ঠানে হালকা রঙের পাঞ্জাবীতেই বেশী ভাল লাগে।

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনপাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুনদেশের শীর্ষ ফ্যাশন হাউজগুলোতে সব সময়ই পাঞ্জাবির নজরকাড়া কালেকশন দেখা যায়। তবে বর্তমানে সব ফ্যাশন হাউসগুলোই তাদের পণ্যে বিক্রি করার জন্য অনলাইন শপিং সাইটগুলোর মার্চেন্ট হয়ে তাদের কালেকশন গুলো দেশব্যাপী তুলে ধরছে। তাই বর্তমানে সবচেয়ে ভাল কালেকশন রয়েছে অনলাইন শপগুলোতে। সেজন্য আপনি যদি হাজার হাজার পোশাকের মধ্য থেকে আপনি আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে চান তাহলে ঘুরে আসুন আজকেরডিলের ওয়েবসাইট থেকে।

অফলাইনের বাইরেও মার্চেন্টরা কিভাবে তাদের জন্য অনলাইন শপের মাধ্যমে বিক্রি করছে দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*পাঞ্জাবি* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভালোবাসা দিবসে কাপল ফ্যাশনভালোবাসা মানে কাছে আসা। ভালোবাসা মানে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া। আর মাত্র কয়েকদিন বাদেই আসছে ভালোবাসা দিবস। এদিন দুজনের পরনে একই রকম পোশাক থাকলে বোধহয় মন্দ লাগবে না। যারা বর্ণিল রঙে যুগপত্ রাঙাতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই ফ্যাশন ডিজাইনাররা যুগলবন্দি পোশাকের ডিজাইন করছেন। এতে পরিবারের সকলের উপযোগী করে পোশাকের উপস্থাপনায় আনা হয়েছে মেলবন্ধন। সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি কিংবা শাড়ি সবকিছুইতেই থাকছে ফেব্রিক, ডিজাইন বা মোটিফের যুগলবন্দি উপস্থাপনা। চলুন ভালোবাসা দিবসের কিছু যুগলবন্দি পোশাক দেখে নেই।

 

কাপল টি-শাট:

কিনতে ক্লিক করুন

কিনতে ক্লিক করুন

 

কাপল শাড়ি ও পাঞ্জাবি:

কিনতে ক্লিক করুন

কিনতে ক্লিক করুন

 

ভালোবাসা দিবসে আপনাদের ড্রেসটি যদি একই রকম হয় তাহলে কেমন মজা হবে বলুন তো। যে কেউ ধরেই নেবে আপনার একজন আরেক জনকে অনেক ভালোবাসেন। আর আপনাদের মধ্যে ভালোবাসা অধিক বেড়ে যাবে। মূলত ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে পোশাক ডিজাইনাররা যুগল আর পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা করে একই রঙের পোশাক বানানো শুরু করেন।

ভালোবাসা দিবসে কাপল ফ্যাশনবন্ধুরা, ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসাকে আরও বাড়িয়ে নিন যুগলবন্দি পোশাক পরে। তাছাড়া প্রিয় জনকে উপহার হিসেবেও দিতে পারেন এসব বাহারি পোশাক। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে এক ক্লিকে ভ্যালেন্টাইন ডের একই রকম পোশাক কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ভালোবাসাদিবস* *ভ্যালেন্টাইনফ্যাশন* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *টি-শার্ট* *কাপলঅফার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কূর্তি পরুন ফূর্তি করুনফূর্তি আর মাস্তি সবখানেই খুশি থাকলেই মনটা ভাল থাকে। আর আপনার এই মন ভালো করার দ্বায়িত্ব ভারটার ৬০% নির্ভর করে পোশাকের উপর। ভালো একটি স্টাইলিশ পোশাক যদি পরনে থাকে তাহলে তো ফূর্তির কোন অভাব থাকে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কারো মন খারাপ থাকলে ভাল পোশাক পরলেই নাকি মনটা অটোমেটিক ভাল হয়ে যায়। যদি তাই হয় তাহলে বর্তমান সময়ের স্টাইলিশ পোশাক কুর্তি পরলে ফূর্তিতো এমনিতে মনের ভেতর আকডুম বাগডুম করবে। চলুন তরুণীদের ফ্যাশনেবল ১০টি কূর্তি দেখে নেই।

০১. আনস্টিচড জর্জেট এমব্রয়ডারি লং কুর্তি- রেপ্লিকা

কিনতে ক্লিক করুন

 

০২. VINAY TUMBAA VOL-6 জর্জেট কূর্তী

কিনতে ক্লিক করুন

 

০৩. লেডিজ জর্জেট লং কুর্তী

কিনতে ক্লিক করুন

০৪. লেডিজ জর্জেট লং কুর্তী

কিনতে ক্লিক করুন

০৫. রেডিমেড ব্ল্যাক পিঙ্ক কনট্রাস্ট লেডিজ লং কুর্তি

কিনতে ক্লিক করুন

০৬. লেডিজ আনস্টিচড রেপ্লিকা জর্জেট কূর্তি

কিনতে ক্লিক করুন

০৭. লেডিজ জর্জেট কূর্তি

কিনতে ক্লিক করুন

০৮. লেডিজ লং কূর্তি উইথ লেগিংস

কিনতে ক্লিক করুন

০৯. VINAY TUMBAA VOL-6 জর্জেট কূর্তী

কিনতে ক্লিক করুন

১০. লং কুর্তি উইথ লেগিংস

কিনতে ক্লিক করুন

দেশের প্রায় সব ধরনের পোশাকের মার্কেটে মিলবে দেশী বিদেশী বিভিন্ন ডিজাইনের পছন্দসই কুর্তি। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি ঘরে বসে কিনতে পারেন পছন্দের কুর্তি এজন্য আপনি দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে অর্ডার করতে পারেন। অনলাইনে অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

*কূর্তি* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *কূর্তি-ফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফ্যাশনে চুড়ির রিনিঝিনি ছন্দ এখনো শেষ হয়নি। একটি সময় ছিল যখন মেয়েরা দুহাত ভরে চুড়ি পরতেন। কিন্তু বর্তমানে অনেকগুলো চুড়ির বদলে একটি দুটি চুড়ি পরার প্রবণতাই বেশি। সময়ের সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে চুড়ির আদলও অনেকবার ওলটপালট হয়েছে। বর্তমানে মেয়েদের মধ্যে চুড়ি পরার প্রবণতা তেমন একটা দেখা যায় না। আর সে জায়গাটা অনেকটাই দখল করেছে ব্রেসলেট। চলুন বেষ্ট ফ্যাশন কোন কোন ব্রেসলেটে হবে দেখে নেই।

চুড়ির বাহুল্য অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে ব্রেসলেট। কারণ ফরমাল পোশাকের সঙ্গে ব্রেসলেটই এখন আদর্শ। শুধু মেয়েদের সাজের অনুষঙ্গই নয়, বর্তমানে ফ্যাশন সচেতন তরুণদের হাতেও বিচিত্র ধরনের ব্রেসলট দেখতে পাওয়া যায়। ব্রেসলেট পরা যেমন সহজ, তেমনি দেখতেও আকর্ষণীয়। আর একই ব্রেসলট অনেক পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে পরা যায়। টিনএজ থেকে শুরু করে প্রায় সব বয়সী মেয়েই এটি পছন্দ করে। অফিস বা কলেজে প্রতিদিন পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরা যেতে পারে ব্রেসলেট।

শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, স্যুট-টাই যে কোনো ধরনের পোশাকের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়। সোনার ব্রেসলেট সাধারণত বড় কোনো অনুষ্ঠানে বিবাহিতরাই বেশি পরেন। মাটি, কাঠ, মেটাল, পাথরের ব্রেসলেটই তরুণীদের বেশি পছন্দ। মেয়ে এবং ছেলেদের ব্রেসলেটের ধরন বেশ আলাদা। মেয়েদের ব্রেসলেট বালা, কঙ্কন, ঝুমঝুমি ইত্যাদি হতে পারে।

বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন উপাদান ও ডিজাইনের ব্রেসলেট। ব্রেসলেটগুলো মূলত রাবার, কাপড়, তামা, পিতল, মাটি, কাঠ, স্টিলের ওপর রাবার, চামড়া, সুতা, পুঁতি, ইলাস্টিক, আটধাতু, সুতার প্যাঁচ, এমনকি পশুর হাড়েরও হয়ে থাকে। বাজারে নতুন এসেছে ফ্লেক্সিবল ব্রেসলেট। এটা যেমন ইচ্ছা ছোট-বড় করা যায়। পাওয়া যাচ্ছে রাবারের এক ডজন চিকন ব্রেসলেট সেট। এই চিকন ব্রেসলেটগুলো বেশ কালারফুল। আবার দেশীয় উপকরণে হাতে তৈরি ব্রেসলেটও পাবেন। ছেলেরা সাধারণত মেটাল, রাবারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্রেসলেট বেশি পরেন।

বাজারঘুরে দেখা যায়, ছেলেদের জন্য চেইন বা স্টিলের ব্রেসলেটগুলো বেশি চলছে। নরমাল ব্রেসলেটগুলো কিনতে পারেন নিউ মার্কেট, ফার্মগেট, এলিফ্যান্ট রোড এবং শাহবাগসহ বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতে। আর ব্র্যান্ডের ব্র্রেসলেট পাবেন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরসহ বিভিন্ন মল ও প্লাজায়। আর সব ধরনের কম্বিনেশনের ব্রেসলেট কিনতে চাইলে ঘরে বসেই ঢুঁ মারুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলে।
অনলাইনে চুড়ি ও ব্রেসলেটের সমাহার দেখুন এই লিংকে

*ব্রেসলেট* *ফ্যাশন* *ফ্যাশনেব্রেসলেট* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্টাইলিশ বেল্টের লেটেস্ট কালেকশনতারুণ্যের ফ্যাশনে হিট আর ফিট থাকতে ফর্মাল বা ক্যাজুয়াল যে ভাবেই সাজতে চান না কেন বেল্ট আপনার লাগবেই। অফিস কিংবা পার্টি সব খানেই শার্ট কিংবা টিশার্টটাকে প্যান্টের মধ্যে ঢুকিয়ে ইন করতে কোমরবন্ধনীর বিকল্প নাই। প্যান্ট-শার্টে যুগলবন্দি বা টপসের সাথে এই বেল্টেই বদলে দিতে পারে ফ্যাশন সমীকরণ। চলুন নান্দনিক ফ্যাশনেবল কিছু বেল্ট দেখে নেই।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনফরমাল শার্ট,প্যান্ট ও জিন্সের সাথে রঙ বেরঙের বাহারি বেল্ট আপনার পোশাকের সৌন্দর্য্যই বদলে দিতে পারে। মূলত ঢিলেঢালা পোশাকের ফিটিংটা ঠিক করতেই বেল্ট ব্যবহার হতো , যা অনেক আগে থেকেই ফ্যাশন অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। বেল্ট যদি পরা হয় মানানসইভাবে, তবে তা সাধারণ একটি পোশাকের চেহারাই পাল্টে দেবে আর আপনার ফ্যাশনে যুক্ত করবে অসাধারণ লুক। আজকের আয়োজন ফ্যাশনেবল মেনজ বেল্ট নিয়ে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনকোমরবন্ধনী হিসেবে বেল্টের ব্যবহার সেই অনেকদিন আগে থেকেই। তবে তরুণদের রুচির সাথে দিন দিন পালটে যাচ্ছে বেল্টের রং থেকে শুরু করে ঢংও। তারুণ্যের কথা মাথায় রেখে তাই ফ্যাশনে বেল্টের ডিজাইনের পরিবর্তন হয়েছে ব্যাপক। যেমন বর্তমানে বাজারে হালকা ছিমছাম বেল্ট যেমন মিলবে, পাওয়া যাবে ভারী জমকালো বেল্টও। চামড়ার বেল্টের সঙ্গে কাপড়, পাট, সিনথেটিক এবং সুতার বেল্টও পাওয়া যাচ্ছে। স্টিলের রিং, পুঁতি, বোতাম, স্টোন ও নানা রকমের মেটাল বসিয়ে বাহারি করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে বেল্টের ব্যবহারও ব্যাপক।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনঅফিস কিংবা চাকরির ভাইভায় ফ্যাশনেবল ফর্মাল বেল্ট এক অন্যতম অনুসঙ্গ। ফর্মাল ড্রেসের বেল্ট গুলো কালো প্যান্ট ও সাদা শার্টের সাথে মিলে যায়। ফর্মাল ড্রেসের সঙ্গে এ ধরনের বেল্ট সবচেয়ে ভালো যায়। গোল্ডেন বা সিলভার কালারের বেল্ট অফিস ড্রেসের সঙ্গে পারফেক্ট।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনচামড়ার বেল্টের বেশ কদর রয়েছে আমাদের দেশে। চামড়ার স্টাইলিম ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বেল্ট গুরো তরুণ ও বয়স্ক সবার কাছেই বেশ জনপ্রিয়। চামড়ার মোটা বা চিকন বেল্ট দুটোই এখন চলছে। তবে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নিতে হবে সঠিক আকারের বেল্ট। করপোরেট পোশাকের সঙ্গে চামাড়ার এই বেল্ট গুলো বেশ মানানসই।

কিনতে ক্লিক করুনকম দামে বেল্ট কিনতে চাইলে যেতে পারেন ঢাকার নিউ মার্কেট, ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেট, মিরপুর-১০, গুলিস্তান বঙ্গবাজার মাকের্টে। এসব জায়গায় দেশি ও বিদেশি নন-ব্র্যান্ডের হরেক ডিজাইনের বেল্ট পাবেন। তবে দেশের বিভিন্ন অনলাইন শপ গুলোতে নামিদামি ব্র্যান্ডের বেল্ট কালেকশনের কিন্তু অভাব নেই। এজন্য নক করতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ডট কম এর ওয়েবসাইটে। সাশ্রয়ী দামে বেল্টের লেটেস্ট কালেকশন থেকে আপনার পছন্দেরটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*বেল্ট* *ফর্মালবেল্ট* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিজয় দিবসের ফ্যাশনচলছে স্মৃতি বিজড়িত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। আর কয়েকদিন পরেই বাঙালির গর্ব বিজয় দিবস। বিজয়ের এই উৎসবে নিজেকে বিজয়ীর বেসে সাজাতে লাল সবুজের পোশাকই সবচেয়ে ফিট। আর বিজয় দিবসের রঙ বলতে তো লাল সবুজকেই বোঝায়। তাই বিজয় দিবসে পোশাকের ফ্যাশনের প্রাধান্য পায় লাল আর সবুজ এই দুটি রঙ। পোশাক অন্য রঙের হলেও লাল সবুজের ছোঁয়া তাতে থাকতেই হবে।

কিনতে ক্লিক করুনআর তাই বিজয় দিবস এলেই দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোতে দেখা যায় লাল সবুজ রঙের নানান রঙের ও ঢঙের পোশাক। শাড়ি, পাঞ্জাবী, শার্ট, কুর্তা, ফতুয়া, স্কার্টের ডিজাইনে আনা হয় বিজয় দিবসের আমেজ।

এবার শীতের ফ্যাশনে ফ্লাওয়ার প্রিন্টেড ডিজাইনের চাহিদাই বেশি। বিজয়ের লাল রঙের সঙ্গে মিলিয়ে পড়ে নেওয়া যায় ফ্লাওয়ার প্রিন্টেড লং কামিজ বা ফতুয়া। সঙ্গে গাঢ় সবুজ রঙের লেগিন্স বা চোষ সালওয়ার, আর শীতের রঙিন চাদর।

নারীদের ফাশনে :

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

নারীরা লাল সবুজ শাড়ি পরতে পারেন লম্বা হাতের ব্লাউজের সঙ্গে। এক রঙা শাড়ির সঙ্গে বেছে নিন লাল সবুজ একটি শাল। লাল সবুজ শাড়ি পরতে না চাইলেও এক রঙা শাড়ির সঙ্গে লাল সবুজের সংমিশ্রণে ব্লাউজ পরুন।

যারা শাড়িতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না তারা সালোয়ার কামিজ অথবা লম্বা কুর্তা পরে নিন। এক্ষেত্রেও উঁচু গলা ও লম্বা হাতা মানানসই হবে। পোশাকে লাল সবুজ পছন্দ না হলে লাল সবুজ রাখুন ওড়না, স্কার্ফ, শাল ও গহনার সাজে।

পুরুষদের ফ্যাশনে:

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

পুরুষরা বিজয় দিবসের ফ্যাশন হিসেবে বেছে নিতে পারেন টিশার্ট। বিজয় দিবস সম্পর্কিত বিভিন্ন ডিজাইনের টিশার্ট গুলো পাওয়া যায় শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোতে। সঙ্গে একটি পতাকা বেঁধে নিতে পারেন কপালে বা হাতে।

যাদের পাঞ্জাবী পছন্দ তারা খাদি কাপড়ের পাঞ্জাবী বেছে নিতে পারেন। লাল সবুজের সংমিশ্রনের পাঞ্জাবী কিনে নিতে পারবেন বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ থেকে। আর যারা ঘরে বসেই বিজয় দিবসের সাজে নিজেকে সাজিয়ে নিতে চান তারা অনলাইন থেকে কিনে নিতে পারেন পছন্দের পোশাক। 

অনলাইনে বিজয় দিবসের পোশাক কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*বিজয়েরসাজ* *বিজয়দিবসেরফ্যাশন* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের ফিটফাট ফ্যাশন কালেকশনফ্যাশন সচেতন সবাই সবসময় একটু পরিপাটি ও ফিটফাট থাকতে চায়। কিন্তু সকালের হালকা কুয়াশা ও বিকেলের হালকা শীতে শুধু জিন্স, টি-শার্ট পরে আর চলছে না। গরম কাপড় চাই এখন। তবে খুব ভারি নয়, মোটা কাপড়ের শার্ট, ফুলস্লিভ পোলোশার্ট, জ্যাকেট কিংবা ব্লেজারই যথেষ্ট এই সময়ে। চলুন হালকা শীতে ফিটফাট থাকার কিছু পণ্য কালেকশন দেখে নেই।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনগরম কাপড় মানেই এখন আর মোটা কাপড় বোঝায় না। তাছাড়া তরুণরা চান, শীতের কাপড়ে যেন ফ্যাশনটাও হয় ঠিকঠাক। আর তাই তো এখন বাজারে হালকা গরম কাপড়ের কাটছাঁটে বৈচিত্র্যের অভাব নেই। মোটা স্যুট-কোট বা হাত থেকে পা অবধি শীত পোশাকের আবরণে নিজেকে মুড়িয়ে রাখা ঠিক পছন্দ নয় অনেকের। কাপড়ের ধরনের সঙ্গে রং আর নকশাটাও দেখে নেন ছেলেরা।

কিনতে ক্লিক করুনশীতের পোশাকে এখন হালকা-পাতলার চল। মোটা কাপড়েরর শার্ট, ফুলস্লিভ পোলো, পাতলা হুডি, জ্যাকেট আর ব্লেজারের মিশ্রণে তৈরি নতুন ধরনের শীত পোশাক তাই আছে ছেলেদের পছন্দের শীর্ষে। আজকাল এ পোশাকের ভেতরে গরম কাপড় বা ‘ইনার’ পরে নেন অনেকে। ফলে জ্যাকেট বা ব্লেজার একটু পাতলা হলেও চলে।

কিনতে ক্লিক করুনপাতলা বা কৃত্রিম চামড়া, জিন্স, সুতি, গ্যাবার্ডিন, মখমল কাপড়ের ব্লেজার বা জ্যাকেট, উলের তৈরি পাতলা নানা রঙের সোয়েটার ইত্যাদি বেশ চলছে এবারের শীতে। তবে এসব জ্যাকেটে হাই শোল্ডার, বড় আকারের বোতাম, হাতা বা নিচের দিকটায় নানা ধরনের কাটের চল এসেছে। কোনো কোনো জ্যাকেটের সামনের দিকে বোতামের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে চেইন। চাইলে জ্যাকেটের বুক খুলে ভেতরে রঙিন টি-শার্ট পরে বেরোতে পারেন।

কিনতে ক্লিক করুনহুডি জ্যাকেটও মিলবে বাজারে। উলের সোয়েটারে গোল গলার পাশাপাশি ভি গলা চলছে। সামনের দিকে বুক পর্যন্ত কেটে কোনোটিতে আবার দু-তিনটি রঙিন বোতাম এঁটে দেয়া আছে। ফুল হাতার এসব সোয়েটারের হাতার দিকে আলাদা রং তার উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তুলেছে। গ্যাবার্ডিন কাপড়ের ক্যাজুয়াল ব্লেজারে এক রং ছাড়াও মিলবে নানা ধরনের ওয়াশ। ফলে এগুলো বেশ বৈচিত্র্যময়। জ্যাকেট বা ব্লেজার, যেটাই পরুন না কেন, সঙ্গে হাইনেক বুট আর গলায় পেঁচিয়ে নিতে পারেন স্কার্ফ। ব্যস, এটুকুতেই এই শীতে আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয়।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনরাজধানীর আর্টিস্টি, ওটু, একস্ট্যাসি, ফ্রিল্যান্ড, স্মার্টেক্স, তানজিম স্ট্রিট, ক্যাটস আই, প্লাস পয়েন্ট, ইনফিনিটিসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস, বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট ও তার আশপাশ, উত্তরা, ধানমণ্ডির বিভিন্ন শপিং মল, মিরপুর ছাড়াও রাজধানীর প্রায় মার্কেটেই কিনতে পারেন শীতের পোশাক।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনএতো গেল অফলাইন মার্কেটের কথা। এর বাইরেও দেশের বড়বড় অনলাইন শপগুলোতে জমে উঠেছে হালকা শীতের জমজমাট কালেকশন। অনলাইন থেকে আপনি ঘরে বসেই সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের ফুলস্লিভ টি-শার্ট কিনতে পারবেন। অনলাইন এথকে এসব পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্মার্টশপিং* *শীতেরফ্যাশন* *ফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হালকা শীতের বেস্ট কালেকশনশীত জেঁকে বসতে এখনো অনেকটা দেরি। তবে সকালে কাজে বের হলে কিংবা রাতে বাড়ি ফেরার সময় বেশ ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হয়। মৌসুমটি বেশ উপভোগেরও বটে। এমন সময়ে না ভারি শীতের পোশাক পরা যায়, না বেছে নেয়া যায় সাধারণ পোশাক। এ হালকা শীত ফ্যাশনের জন্য দারুণ উপযোগী। চমৎকার সব স্টাইলিশ পোশাক হতে পারে আপনার এ সময়ের সঙ্গী।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনপণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনবাজারে ঘুরলেই দেখবেন একদম হালকা জিন্স বা গ্যাবাডিনে তৈরি জ্যাকেট এরই মধ্যে চলে এসেছে। হালকা শীতে এগুলো দেখাবে দারুণ স্টাইলিশ। পাতলা উলের সোয়েটার কিংবা ফুল স্লিভ টি-শার্টও চলে এসেছে বাজারে। এগুলো একইসঙ্গে আপনাকে দেবে উষ্ণতা ও স্টাইল। শীতের সময় জ্যাকেট কিংবা সোয়েটারের সঙ্গে নানা স্টাইলের জিন্সের চলটাই সবচেয়ে বেশি। ভালো লাগবে ফর্মাল প্যান্টের সঙ্গেও। ফুল শার্টের ভেতরে একটি টি-শার্ট পরে নিলে মন্দ হয় না।

সালোয়ার কামিজ পরা মেয়েদের জন্য আছে লং জ্যাকেট, পঞ্চ। ফুলহাতা উজ্জ্বল রঙের লম্বা পাঞ্জাবিও আছে। যা চুড়িদার পায়জামার সাথে পরে তার ওপর একটা শাল জড়িয়ে নিলে ফ্যাশনও হবে, হবে আরামও।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনএখন তরুণীরা পছন্দ করছে মোটা কাপড়ের টপস, লেগিংস আর বাহারি ডিজাইনের কার্ডিগেন। শাড়ির ক্ষেত্রে ফুলস্লিভ ব্লাউজ আর শাড়ির সাথে মিলিয়ে শাল জড়িয়ে হয়ে উঠতে পারেন অনন্য। টি শার্ট বা শার্ট পরলে উপরে পরতে পারেন হাতা কাটা সোয়েটার। অথবা একটু ঢিলেঢালা পুলওভার। এবারে শীতে আঁটসাঁট নয় বরং ঢিলেঢালা পোশাকই পরতে আগ্রহী কিশোরী আর তরুণীরা। সোজা কাটের পোশাকের সাথে বেছে নিতে পারেন হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ব্লেজার।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনপণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনজ্যাকেট আর ব্লেজারের সংমশ্রিণে তৈরি নতুন ধরনের শীতের পোশাক উঠে আসছে তরুণদের পছন্দের তালিকায়। অফিসের প্রয়োজনে ব্লেজার পরতে পারেন। তবে আগের মত আর সাদা, কালো বা ছাই রঙের ব্লেজার নয়। এবার বেছে নিতে পারেন গাঢ় মেরুন, কালো হলুদের মিশ্রণ, বেগুনি, পার্পেল রঙের ব্লেজার। এ ছাড়া হুডি জ্যাকেটও ধরে রাখছে হাল ফ্যাশনের আবেদন। আর মাফলার তো আছেই। ছেলে-মেয়ে সবার পছন্দের র্শীষে উঠে এসেছে রঙিন মাফলার।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনশীতকাল হলো আঁটসাট চাপা জিন্স পরার উপযুক্ত সময়। এক্ষেত্রে গাঢ় রঙ এর প্রাধান্য দেয়া উচিত। বিভিন্ন রঙ এর শার্টের সাথে অল্প কিছু গয়না কিংবা গয়না না পরে কেবলমাত্র স্কার্ফ ব্যবহার করা যায়। স্কার্ফ এমন একটা ফ্যাশন অনুসঙ্গ, যা কি না শীত বা গ্রীষ্ম যে কোনো ঋতুতে যে কোনো পোষাককেই দারুণ আকর্ষণীয় করে তোলে। সাদা টপ আর প্লেইন জিন্সের সাথে একটা স্কার্ফ জড়িয়ে নিলেই ভীষণ মার্জিত আর স্টাইলিশ দেখাবে। এটাই স্কার্ফ ব্যবহারের সুবিধা।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনপণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনএই শীতে লেগিংসের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। ঢিলেঢালা সোয়েটারের সাথে লেগিংস আর পা ঢাকা জুতোয় দারুণ মানাবে যে কোন তরুণীকেই। ভি আকৃতির টিশার্টের সাথে সোয়েটার আর একটা স্কার্ফ জড়িয়ে নিলেও দেখতে ভালো লাগবে। এখন চেক শার্টও তরুণীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

শীত ফ্যাশনের এই সব কালেকশন পেয়ে যাবেন ঘরে বসেই। এজন্য আপনি ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকেরডিল ডটকম এর ওয়েবসাইটে। এখানে ক্লিক করে আজকের ডিলের সবরকম কালেকশন দেখেনিন। 

*স্মার্টশপিং* *শীতেরফ্যাশন* *ফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লেটেস্ট জিন্স প্যান্ট কালেকশন  আর ক’দিন বাদে শারদীয় দূর্গা উৎসব। এই উৎসবেও ছেলেদের সেরা পছন্দ ভিন্ন ধমী জিন্স প্যান্ট। তবে মেয়েরাও ফ্যাশনে স্টাইলিশ জিন্স প্যান্ট ব্যবহার করছেন। পূজা ফ্যাশনে জিন্সের ধারণা খুব একটা নুতন নয়। আর পোশাকের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে জিন্সের চলন শুরু বহু আগে থেকে। সর্বপ্রথম উনিশ শতকের দিকে জিন্সের উদ্ভোবন। এর পর থেকে সেই স্টাইল সারা দুনিয়া জুড়ে বিখ্যাত হয়ে উঠে, যার চলন আজো অমলিন। ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য জিন্সের বিভিন্ন স্টাইল জনপ্রিয়। চলুন পূজা উপলক্ষ্যে আকর্ষণীয় এই পোশাকের লেটেস্টে কালেকশন গুলো দেখে নেই।

মেনজ ফ্যাশনে জিন্স

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

সামনে পূজা তাই পূজোর উৎসবকে সামনে রেখে জিন্স প্যান্টের বাজার বেশ নড়ে চড়ে বসেছে। স্টাইলিশ সব জিন্সের পশরা সাজিয়ে পসেছে ফ্যাশন হাউজ গুলো। এবারে বিভিন্ন বয়সের লোকেরা পছন্দের পোশাকের তালিকায় একটি বড় জায়গা দখল করে আছে আঁটসাঁট-প্রকৃতির জিন্স। অনেকেই আবার একটু ঢিলেঢালা প্যান্ট পরতেই বেশি পছন্দ করে। কেউ বা আবার গ্যাবাটিন প্যান্টের দিকে ঝোঁক দিচ্ছে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন
একটা সময়ে জিন্স মানেই ছিল অনেক মোটা কাপড় আর শীতের সময়ে আরামদায়ক এমন পোশাক। কিন্তু এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে জিন্স। যেহেতু তরুণ-তরুণীরা দিনের অনেকটা সময় বাইরে থাকে, তাই তাদের আরামের কথা ভেবেই এখন জিন্সের প্যান্ট তৈরি করা হয়।
এখন জিন্সের প্যান্ট অনেক পাতলা ও নরম কাপড়ের হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে অনেক। রং ও সুতার ব্যবহারে এখন মাথায় রাখা হয়। তাই শীত-গ্রীষ্ম সব সময়ই জিন্স আরামদায়ক।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন
যেমন চলছে এ সময়ের ট্রেন্ড মূলত হালকা কাপড়ের জিন্স। ন্যারো কাটের প্যান্টগুলো বেশি চলছে। কেউ কেউ আবার স্কিন ফিটিং নিচ্ছে। যাদের বয়স ত্রিশের ওপরে, এমন লোকেরা স্লিম ফিট পছন্দ করছেন বেশি।
ন্যারো কাট থেকে লো-রাইজ জিনস। স্লিম থেকে স্কিনি জিনস। বদলে যাওয়া সময়ের ফ্যাশনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টেছে জিনসের প্যাটান। কিন্তু ফ্যাশন ট্রেন্ডে কমেনি জিনসের জনপ্রিয়তা। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন যিনি কখনো জিনস পরেননি।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন
সব বয়সী মানুষের পছন্দের তালিকায় জিনস জায়গা করে নিলেও দিনে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এর আকর্ষণ আর আবেদনটা সবচেয়ে বেশি। অন্য অনেক কিছুর মতোই পাশ্চাত্য থেকে আসা জিনসের প্যান্ট একটা সময় ছিল কেবল পুরষদের জন্য।
কোনো মেয়ে জিনস পরে বাইরে বেরোনোর কথা ভাবতেই পারত না। সময় বদলেছে, পাল্টে গেছে দৃষ্টিভঙ্গি।জিনস এখন হয়ে ওঠেছে তরুণীদের নিত্যসঙ্গী।এটা এখন ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে পরে।
মেয়েরা স্কিন টাইট জিন্সের সঙ্গে টপস, শার্ট, ফতুয়া, শর্ট কামিজ পরছে। এটা পরে চলাফেরা করা সহজ।মেয়েদের জিনস আর ছেলেদের জিনসে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।


কোথায় থেকে কিনবেন:

কিনতে ক্লিক করুন

রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো থেকেই আপনার পছন্দের জিন্সপ্যান্ট কিনে নিতে পারবেন। তবে বর্তমানে জিন্স কেনার জন্য অনেকেই অনলাইন শপিংমলের উপর আস্থা রাখছে। আপনিও আপনার পছন্দের প্যান্ট অনলাইন শপিংমল থেকে কিনে নিতে পারেন। কমদামে জিন্স প্যান্টের লেটেস্ট কালেকশন কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*পূজোরসাজ* *স্মার্টশপিং* *ফ্যাশন*

উদাসী মেঘ: *ফ্যাশন* ঈদ এসে গেল প্রায়, মেহেদীর একদম সহজ ডিজাইন শিখে নিন জলদি (আতশবাজি) https://www.youtube.com/watch?v=FfeNGaZFeJU

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টি-শার্ট কিনতে ক্লিক করুনগরমে ফ্যাশন আর অন্য রকম আরাম কোনটিতে হয়? এ প্রশ্নের ৯০ ভাগ উত্তর হবে টি-শার্ট।  টি-শার্ট এখন ফ্যাশনেরও অন্যতম অংশ। টিনেজ থেকে শুরু করে বয়স্ক সবার কাছেই টি-শার্ট গরমের অন্যতম ফ্যাশনেবল পোশাক। এ যুগের ফ্যাশনেবল ছেলে মেয়েদের কাথে গরমে আরামের পোশাক হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থানটি ধরে রেখেছে টি-শার্ট। এ কারনেই ফ্যাশন হাউস গুলো সমসাময়িক নানা ঘটনা, বিশেষ দিবস ও ঐতিহ্যকে মোটিফ হিসেবে টিশার্টে ব্যবহার করছে। টি-শার্ট সার্বজনীন পোশাক হলেও স্টাইল পরিবর্তনে এর জুড়ি মেলা ভার। বাজারে এখন বাহারি রং, ব্লক, বাটিক স্ক্রিনপ্রিন্টের টি-শার্টের সমারোহ।


বেছে নিন আপনার পছন্দের রং

টি-শার্ট কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্ট কিনতে ক্লিক করুন

কালো রং অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। তাই কালোর বাইরে এসে বেছে নিতে পারেন উজ্জ্বল রংগুলো। সাদা, নীল, ছাই, ঘন নীল, সবুজ, মেরুন, চাপা সাদা, হলুদ, হালকা ফিরোজা, গোলাপি, লালচে ইত্যাদি রঙের টি-শার্ট পরতে পারেন।

টি-শার্ট কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্টে সুতি ও নিট ফেব্রিক্সের কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া কটন, পলিস্টারসহ বিভিন্ন কাপড়ের টি-শার্টও মিলে যাবে ফ্যাশন হাউসগুলোতে। টি-শার্টের কাপড় সম্পূর্ণ সুতি হলে তা বেশ আরাম দায়ক হবে। ফ্যাশানে এখন গোল গলা ও কলারসহ দুই ধরনের টি-শার্টই বেশ চলছে। টি-শার্টে ও এসেছে নতুন ডিজাইন হাফ হাতার নিচের দিকে ও কলারে ভিন্ন কাপড়ের ব্যবহার চলছে। টি-শার্ট জিন্স, গ্যাবাডিন কিংবা অন্য প্যান্টের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যায়। আর সব বয়েসের মানুষ স্বাচ্ছন্দে তাদের পোষাকের তালিকায় রাখতে পারে এই পোষাক।


স্টাইলিশ টি- শার্ট কোথায় পাবেন

টি-শার্ট কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্ট কিনতে ক্লিক করুন

দেশজুড়ে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস আধুনিক স্টাইলের টিশার্ট পাওয়া যাবে। ফ্যাশন হাউস ছাড়াও নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা কলেজের সামনে, নিউমার্কেট এলাকায়, বায়তুল মোকাররম মার্কেটের সামনে, গুলিস্তান মোড়ে, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী অনেক দোকান থেকেও নানা রঙ ও নকশার টি-শার্ট কেনা যাবে। বিভিন্ন ডিজাইনের এসব টি-শার্ট কেনা যাবে ১৫০ থেকে ৩৮০ টাকায়। যারা বাধাহীন মার্কেটে অভ্যস্থ তারা দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল ডটকমের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে অর্ডার করে পছন্দের টি-শার্ট কিনতে পারবেন। অনলাইনে অসংখ্য টি-শার্টের কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*গরমেরফ্যাশন* *ফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে পাশ্চাত্যে বরাবরই ব্যাপকভাবে হ্যাট নামক টুপির প্রচলন আছে। সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রচলিত রীতি থেকে বের হয়ে বর্তমানে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে হ্যাট এদেশেও বেশ জনপ্রিয়। ফ্যাশন মানেই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা। আর যারা ফ্যাশনপ্রেমী তারা ফ্যাশন আর স্টাইলের সমন্বয়ে আরামদায়ক অনুষঙ্গটি তাদের ফ্যাশন হিসেবে বেছে নেন। মাথায় একটা লাল রঙের হ্যাট, চোখে সানগ্গ্নাস, গায়ে টি-শার্ট, পরনে জিন্স, আর পায়ে এক জোড়া চমৎকার জুতা। ভাবছেন এমন সাজ পোশাকে নিজেকে অবশ্যই স্মার্ট লাগবে। হ্যাঁ, আপনার অন্য সব সাজপোশাকের সঙ্গে গোলাকার এক টুকরো কাপড়ের হ্যাট আপনাকে করে তুলতে পারে ফ্যাশনেবল।

         কিনতে ক্লিক করুন                                        কিনতে ক্লিক করুন 

এক সময় মানুষ হ্যাট পরত ধর্মীয় বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে। আবার সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রতীক হিসেবেও হ্যাটের প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে হ্যাট অনেক জনপ্রিয়। ক্যাপের পাশাপাশি হ্যাটের চাহিদা এখন তুমুল। তবে একুশ শতক থেকেই তরুণ প্রজন্মের পছন্দের তালিকায় চলে আসে হ্যাট। জনপ্রিয় পপ তারকা লেডি গাগাও হ্যাট বেছে নেন পছন্দের অনুষঙ্গ হিসেবে। ছেলেমেয়ে উভয়ের পছন্দের তালিকায় রয়েছে হ্যাট। যদিও এখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া ছেলেমেয়েদের খুব একটা হ্যাট পরতে দেখা যায় না, কিন্তু যারা একটু আলাদা ঢঙে চলতে পছন্দ করেন তারা ঠিকই নিজেদের সাজে বৈচিত্র্য নিয়ে আসেন।

                 কিনতে ক্লিক করুন                                    কিনতে ক্লিক করুন

জিন্স, টপসের সঙ্গে নিজেকে সবার থেকে আলাদা করতে হ্যাটের জুড়ি মেলা ভার।' সাধারণত রোদ থেকে রক্ষা পেতেই ছেলেদের দেখা যায় হ্যাট পরতে। মেয়েদের হ্যাটের ডিজাইনে রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। মেয়েদের হ্যাট আকারে একটু বড় হয়। আর এই হ্যাট বিশেষভাবে লেস দিয়ে ডিজাইন করা থাকে। আবার রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। যেমন লাল, গোলাপি, কমলা, হলুদ ইত্যাদি। কাপড়ের তৈরি হ্যাট ছাড়াও মেয়েদের জন্য রয়েছে বেতের আকর্ষণীয় ডিজাইনের হ্যাট।

                    কিনতে ক্লিক করুন                               কিনতে ক্লিক করুন

ধরা যায় ফ্যাশনে হ্যাটের আগমন আঠারো শতকেই। প্রথমে এর বিশদ প্রচলন দেখা যায় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সম্মাননা দেওয়ার ক্ষেত্রে। পরবর্তী সময়ে তা সমাজের প্রভাবশালীদের নজরে এলে ধীরে ধীরে বিস্তার ঘটে জনসাধারণে। হ্যাট শুধু ফ্যাশন আর সম্মাননাতেই নয়, সূর্যালোক থেকেও তা নিশ্চিন্ত রাখে। তাই গ্রীষ্মের রোদে বাংলাদেশে হ্যাট ফ্যাশনের গুরুত্বটাও একটু বেশি। স্পোর্টসেও ব্যবহৃত হয় হ্যাট। তবে ফ্যাশনের জন্য তার বিচিত্রতা ভিন্ন। বিশ্বের সব রকম হ্যাটের ব্যবহার আমাদের দেশে না থাকলেও দেখা মেলে প্রচলিত কয়েকটির। বিভিন্ন গেটআপের জন্য নেওয়া উচিত ভিন্ন ভিন্ন হ্যাট।

হ্যাটের আছে প্রকারভেদ

সামার হ্যাট :এই হ্যাট অনেক ফ্যাশনেবল এক্সেসরিস। জিন্স এবং টি-শার্টের সঙ্গে তরুণ-তরুণীরা তাদের পছন্দের হ্যাট বেছে নিতে পারে।

গিয়ান্ট সান হ্যাট :হ্যাট মূলত দিনের বেলায় পরা হয়। আর এ ধরনের ফ্লপি হ্যাট শীতকালে ভালো মানায়। নিউজবয় হ্যাট :এই হ্যাট ভিন্টেজ মুভির হকার পরত। তাই এর নামকরণ করা হয়েছে নিউজবয়।

ইভিনিং হ্যাট :মেয়েরা শুধু রোদ থেকে সুরক্ষা পেতেই হ্যাট পরেন না, বরং পার্টিতে রয়েছে হ্যাট পরার স্টাইল। মিনি টপ হ্যাট, ককটেল জাতীয় হ্যাট মেয়েরা অনায়াসে পার্টিতে পরতে পারেন।

বেনি হ্যাট :বেনি হ্যাট কিন্ট হ্যাট নামে পরিচিত। আবার এটাকে স্কালি হ্যাটও বল হয়। সাধারণত শীতকালে এই হ্যাট ব্যবহৃত হয়।

ফ্লপি হ্যাট :এটি ক্ল্যাসিক হ্যাট। এই হ্যাটের কিনারা অনেক প্রশস্ত। রোদ থেকে রক্ষার জন্য ভালো।

টপ হ্যাট :আব্রাহম লিংকন প্রথম আমেরিকান, যিনি টপ হ্যাটের প্রচলন করেন। ১৯ ও ২০ শতক থেকে এই হ্যাটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।

থ্রিলবাই হ্যাট : আধুনিক ফ্যাশন ট্রেন্ডে জনপ্রিয় পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসন তরুণদের মধ্যে এই হ্যাটের জনপ্রিয়তা ছড়িয়েছিলেন। এ ছাড়াও রয়েছে রানি হ্যাট, বেসবল হ্যাট, বাকেট হ্যাট, ক্লসি হ্যাট, ফ্ল্যাট হ্যাট, গলফ হ্যাট, পানামা হ্যাট, স্ট্র হ্যাট, ওয়াটারপ্রুফ হ্যাট।

ফেডোরা : এই হ্যাটের প্রচলন সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বেশি দেখা যায়। একটু ফরমাল কাটের ফেডোরা পরা যায় বিভিন্ন ক্যাজুয়াল এবং ফরমাল পোশাকের সঙ্গে। ক্যাজুয়াল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে খুব সহজেই মানিয়ে নেওয়া যায় ফেডোরা। তেমনি তা কোটি, বো-টাইয়ের মতো ফরমালেও খাপে খাপ। প্রায় এই কাছাকাছি গড়নের আরেকটি হ্যাটের নাম 'পানামা' হ্যাট।


কাউবয় হ্যাট : যারা একটু ড্যাশিং, ফাঙ্কি লুক পছন্দ করেন তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী কাউবয় হ্যাটের রাজত্ব। একটু বড় আকারের হওয়ায় এই হ্যাট রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে বেশিই সহায়ক। কাউবয় গেটআপের সঙ্গেই বেশি মানায় এই হ্যাট। তবে কেউ চাইলে টি-শার্ট, কার্গো প্যান্ট ড্রেসআপেও নিতে পারেন।


বোলার : এই হ্যাটের চারদিকটা অনেক কম ছড়ানো থাকে। বোলারের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, তা ছেলেমেয়ে উভয়েই পরতে পারে। ক্যাজুয়াল পোশাকেই বেশি মানানসই এ ধরনের হ্যাট। তবে পশ্চিমাদের অনেক সময় পার্টি টাইপের ফরমালে ব্যবহার করতে দেখা যায় বোলার। কোনো ক্ষেত্রে এই একই গড়নের অথবা একটু ভিন্ন গড়নের হ্যাটকে 'ডেরবি'ও বলা হয়ে থাকে। তবে ডেরবিতে ফ্লোরাল ডিজাইন থাকলে তা আবার শুধু মেয়েদের উপযোগী।


হোমবার্গ : মাঝারি গড়নের এবং খুবই ছিমছাম দেখতে হোমবার্গ হ্যাট। শুধু ফরমালে ব্যবহারের জন্য জুড়ি নেই হোমবার্গের। ফরমাল বলতে তা ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, কোট, টাই, পাইপার টাইপের ফরমাল বোঝায়। একই গেটআপে তা মানানসই মেয়েদের ক্ষেত্রেও। তবে বাংলাদেশের বাজারে খুব বেশি দেখা যায় না এ ধরনের হ্যাট।


ক্লোচি : একটু কম ছড়ানো আর সাধারণত ফুলেল ডিজাইনে সাজানো থাকে মেয়েদের হ্যাট ক্লোচি। ক্লোচি দেখা যায় বার্বির মাথায়। বাংলাদেশে লেডিস হ্যাটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলন এই হ্যাটের। সাধারণত গাউনের মতো জমকালো পার্টি ড্রেসের সঙ্গেই এই হ্যাটের চল দেখা যায় পশ্চিমা বিশ্বে। তবে আমাদের দেশে তা সাধারণ কোনো জমকালো পোশাকের সঙ্গেই মানানসই বলা চলে।

               কিনতে ক্লিক করুন                                              কিনতে ক্লিক করুন

হ্যাট শুধু ফ্যাশন কিংবা রোদের হাত থেকে রক্ষার জন্যই নয়, যারা খেলাধুলার কাজে ব্যস্ত থাকেন তাদের জন্য রয়েছে স্পোর্টস হ্যাট। তবে স্পোর্টস হ্যাট আকারে একটু বড় হয়। আর রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। আপনার পছন্দের হ্যাট কিনতে পারেন যে কোনো ক্যাপের দোকান থেকে। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, ফার্মগেট, গুলশান, মিরপুরে পাবেন আপনার মনের মতো হ্যাট। আর স্পোর্টস হ্যাট কিনতে আপনাকে যেতে হবে স্পোর্টস সামগ্রী পাওয়া যায় এমন দোকানে। ফার্মভিউ মার্কেটের দোতলা থেকে আপনি সংগ্রহ করতে পারেন স্পোর্টস হ্যাট। এছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও পেয়ে যাবেন আকর্ষনীয় সব হ্যাট। স্পোর্টস হ্যাট কিনতে দাম পড়বে ৪৫০ টাকা। এছাড়া ছেলেদের হ্যাটের দাম পড়বে ৩৪০-৩৭০ টাকা আর মেয়েদের ফ্যাশনেবল হ্যাটের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড রোদের হাত থেকে রক্ষা পেতে পাতলা হ্যাট পরা ভালো। হ্যাট পরার সময় মেয়েদের রঙ বাছাই করে পরা উচিত। এ ছাড়া ফেস এবং মুখের সঙ্গে মানায় এমন হ্যাট নির্বাচন করতে হবে। হ্যাট কোট এবং বেলেজারের সঙ্গে পরা যায়। হ্যাট পরার সময় ভদ্রতার বিষয় মাথায় রাখা উচিত। হ্যাট পরার পর নিয়মিত কোট ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়। মাঝে মাঝে ধুয়ে দিতে হবে।
 

*হ্যাট* *মেয়েদেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন* *ফ্যাশন*
শপিং

ক্লথ BD: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

https://www.facebook.com/events/1340273335986692/

*ফ্যাশন*
৯১বার দেখা হয়েছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফ্যাশন হল সময়ের বাহন। সময়ের হাওয়ায় ফ্যাশন বদলাতে থাকে নিত্যনতুন আঙ্গিকে। আধুনিক তারুণ্যের মধ্যে যারা বর্ণিল রঙে যুগপত্ রাঙাতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই ফ্যাশন ডিজাইনাররা যুগলবন্দি পোশাকের ডিজাইন করছেন। এতে পরিবারের সকলের উপযোগী করে পোশাকের উপস্থাপনায় আনা হয়েছে মেলবন্ধন। সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি কিংবা শাড়ি সবকিছুইতেই থাকছে ফেব্রিক, ডিজাইন বা মোটিফের যুগপত্ উপস্থাপনা। সালোয়ার-কামিজ আর কুর্তার প্যাটার্নে এবার থাকছে লং এবং গাউন স্টাইল, কিছু কাটিংয়ে থাকছে ঘের এবং বডি ফিটিংস। 
 
মূলত বৈশাখী উৎসবকে সামনে রেখে পোশাক ডিজাইনাররা যুগল আর পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা করে একই রঙের পোশাক বানানো শুরু করেন। সব উত্সবে ফ্যাশন হাউসগুলো যুগলবন্দি পোশাক তৈরি করে। বাকি নেই পহেলা বৈশাখও। টিনএজারদের জন্য তারা ফিউশনধর্মী ভিন্ন কাটিংয়ে একই নকশার পোশাক তৈরি করে। মাঝ বয়সী আর পরিবারের সবার কথা চিন্তা করে রং আর নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। 
 
 
উত্সবে মূলত প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই একই রকম পোশাক পরতে চায়। বয়স আর পরিবেশের কথা চিন্তা করে ডিজাইনাররা এসব পোশাক তৈরি করছেন। দেশীয় নকশার সঙ্গে মিল রেখে পাশ্চাত্য কাটিংয়ের মিশ্রণে তরুণদের জন্য তৈরি হচ্ছে ভিন্নধর্মী পোশাক। প্রথম দিকে এসব পোশাকে তরুণদের আগ্রহ বেশি থাকলেও এখন সব বয়সীদের পছন্দের তালিকায় স্থান পেয়েছে যুগল পোশাক l বৈশাখকে ঘিরে তরুণদের চাহিদার মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাবি, ফতুয়া, বৈশাখী শার্ট, গামছাসহ কিছু নতুন ও ব্যতিক্রমী প্রসাধন-সামগ্রী। 
 
 
ফতুয়ায় বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ঢোল, একতারার ডিজাইনগুলো এবার কিছুটা ব্যতিক্রম ও নজরকাড়া। আর সেদিকেই ঝুঁকছেন অধিকাংশ ফ্যাশন সচেতন পুরুষ। পাঞ্জাবির চাহিদা বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়টাতে থাকে একটু বেশি। বাঙালি বলে কথা, তাই পোশাকেও থাকতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য। আর তাই হাতে হালকা লাল রঙের কাজ, গলা ও পিঠে সাদামাটা লালের ছটায় বর্ণিল পাঞ্জাবিগুলোর চাহিদা বেশি। মোঘল পোশাকের ক্যাটিং বা সেমি-ফিট পাঞ্জাবি বেশি চলছে এবার।
রঙের সঙ্গে কমলা, হলুদ, নীল ও অন্যান্য রঙও ব্যবহার করা হচ্ছে বৈশাখের পোশাকে। তবে কেন্দ্রীয় রঙ লাল-সাদাই রাখা হয়। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, বৈশাখের সব অনুষ্ঠানে দেখা যায় লাল-সাদা শাড়ির বাহার। চুড়ি, টিপ, গহনা, লিপস্টিক এমনকি জুতা, ব্যাগও হয়ে থাকে লাল-সাদা রঙের। বৈশাখের শাড়ি কেনার জন্য বাজেটটা অনেক হতে হবে তা নয়। বরং সুন্দর ঐতিহ্যবাহী নকশায় বোনা শাড়ি কিনতে পাওয়া যাবে ফ্যাশন হাউসগুলোতে। এসব শাড়িতে বুননের পাশাপাশি থাকে খানিকটা বাড়তি যোগ।
বাবা-ছেলে, মা-মেয়েসহ পুরো পরিবারের একই রকম পোশাক। ভাবতেই তো বেশ ভালো লাগে ব্যাপারটা, তাই না l আপনিও এই বৈশাখে কিনে নিতে পারেন পরিবারের সকলের জন্য বৈশাখের যুগলবন্দী পোশাক l দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোর পাশাপাশি আজকের ডিলের এই বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ হলো কাপল অফার l এই লিঙ্কে ক্লিক করে বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পোশাকগুলো l
 
 
*পহেলাবৈশাখ* *কাপলঅফার* *যুগলবন্দীপোশাক* *হালেরফ্যাশন* *ফ্যাশন* *বৈশাখীফ্যাশন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★