ক্যারিয়ারগুরু

@CAREERGURU

business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1422249007000  থেকে আমাদের সাথে আছে

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিক্ষা জীবন শেষ করে সবার স্বপ্ন থাকে পছন্দ মতো ক্যারিয়ার গড়ার। নিজের নামের সঙ্গে প্রিয় পদবীটি পাওয়ার জন্য আমাদের বসতে হয় হট সিটে, মানে চাকরির সাক্ষাৎকার। আমরা সফল হতে চাই, ইন্টারভিউ বোর্ডের সবাইকে সস্তুষ্ট করে। যে কোনো কাজ পেতে হলে আপনাকে নিয়োগকর্তার মুখোমুখি হতেই হবে। নিয়োগকর্তা খুশি হলে, দক্ষতা ও যোগ্যতায় মুগ্ধ হলেই চাকরি নিশ্চিত। চাকরি প্রার্থীর জন্য ইন্টারভিউ তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইন্টারভিউয়ের প্রশ্ন কিন্তু একেবারেই আলাদা ধরনের, যার সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবেই আপনাদের নিজের বিষয়ের কোনো মিল থাকবে না। এই ইন্টারভিউয়ে ভালো করা চাকরিপ্রাপ্তির চাকরির অন্যতম একটি পূর্বশর্ত। আবার এই ইন্টারভিউ হল 'হয় ভাঙো নয়ত মচকাও' অংশ। চলুন জেনে নিই সফল ইন্টারভিউয়ের কিছু গুরত্বপূর্ণ টিপস।


১. ইন্টারভিউ দেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি সম্পর্কে খোঁজখবর নিন, যাতে ইন্টারভিউ দেয়ার সময় কোম্পানি সম্পর্কে আপনার জ্ঞান উপস্থাপন করতে পারেন। এটা সাক্ষাত্কারগ্রাহকদের মধ্যে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে এবং তাদের বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে মুগ্ধ করতে আপনাকে সাহায্য করবে।


২. অফিসের সঠিক অবস্থান এবং কিভাবে সেখানে যাওয়া যায় সে সম্পর্কে নিশ্চিত হোন।


৩. আপনার পোশাক অবশ্যই পরিষ্কার, ইস্ত্রি করা এবং প্রফেশনাল হতে হবে। চেহারায় ব্যক্তিত্ব আনতে দ্বিধা করবেন না এবং তুচ্ছ কোনো বিষয়কেও অবহেলা করবেন না। আপনার চুলের কাট অবশ্যই ভদ্রোচিত হতে হবে এবং সেই সঙ্গে হাতের নখ পরিষ্কার ও ছোট করে কেটে রাখবেন।


৪. ইন্টারভিউয়ের আগেই কিছু সাধারণ প্রশ্নের জবাব বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রস্তুত করে রাখবেন। যেমন—আপনার যোগ্যতা এবং দুর্বলতাগুলো কি? কেন আপনি এখানে কাজ করতে চান? কেন আমরা আপনাকে নিয়োগ দেব? এছাড়া বলা হতে পারে নিজের সম্পর্কে বলুন। দায়িত্বশীল কোনো বন্ধুর কাছে মূল ইন্টারভিউয়ের আগে প্রস্তুতিমূলক একটি ইন্টারভিউ দিন।


৫. আগে কোথাও কাজ করে থাকলে কমপক্ষে তিনজনকে বাছাই করুন, যারা আপনার পেশাদারিত্বের রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। তাদের মধ্যে থাকতে পারে আপনার প্রাক্তন সুপারভাইজার, কলিগ অথবা প্রশিক্ষক। আগেভাগেই তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিন এবং তারা নতুন নিয়োগদানকারী কোম্পানির কাছে আপনার প্রশংসা করবে—এটা নিশ্চিত করুন।


৬. ইন্টারভিউ দেয়ার কমপক্ষে ১৫ মিনিট আগে পৌঁছান। রেস্ট রুমের আয়নায় আপনার চেহারা এবং পোশাক পরীক্ষা করুন। রিসিপশনিস্টকে আপনার আগমন এবং এপয়েন্টমেন্ট সম্পর্কে অবহিত করুন। সেল ফোন বন্ধ করে দেবেন।


৭. ঘর থেকে বের হওয়ার আগে ব্যাগে আপনার সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়েছেন কিনা সেটা নিশ্চিত হোন।


৮. ভদ্রতা বা শিষ্টাচার সম্পর্কে সচেতন করা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারভিউ টিপস। যেমন- আপনাকে বসতে বলার আগে বসবেন না। ইন্টারভিউ হচ্ছে আপনার যোগ্যতা প্রকাশের সুযোগ, তাই এখানে বিনয়ী হোন। নিজের যোগ্যতার ব্যাপারে ২৫ সেকেন্ডের একটি বক্তৃতা তৈরি করুন। এতে থাকবে আপনার প্রত্যয়, যোগ্যতা এবং কেন আপনি অন্য আবেদনকারীদের থেকে অধিক গ্রহণযোগ্য সেটা। সুযোগমত এ বক্তৃতা শোনাবেন। 


৯. প্রশ্ন করতে ঘাবড়াবেন না। আপনার জানা তথ্য থেকে কিভাবে শূন্য পদটির দায়িত্ব কোম্পানির উন্নয়ন করতে পারে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোম্পানি সম্পর্কে আবেদনকারীর এ জ্ঞান দেখে সাক্ষাত্কার গ্রহণকারী মুগ্ধ হন।

১০. যদি আপনার কোন weakness এর কথা বলেন তাহলে অবশ্যই এটি কাটিয়ে উঠার জন্য আপনি যেই সব প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তা ও উল্লেখ করবেন।

১১. আপনার পড়াশোনার মুল বিষয়গুলো সম্পর্কে যেনে যাবেন।

১২. আপনার পড়াশোনার বিষয়বস্তুর কিছু উল্লেখযোগ্য কি ওয়াডস যেনে যাবেন, এটি আপনাকে আপনার মেধাবী ও সুখ্যবৃদ্ধিসম্পন্ন হওয়ার পরিচয় দিবে।

১৩. সবসময় positive থাকার চেষ্টা করবেন, এবং কোন পলিটিকাল পার্টির প্রতি আপনার সমর্থন ঞ্জাপন করবেন না।

১৪. বার বার ঘড়ির দিকে তাকাবেন না যখন আপনি ওয়েটিং রুম এ থাকবেন তখন। আর যখন ইন্টারভিউ এ থাকবেন তখন ভুলেও তাকাবেন না।

১৫. যদি আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর না জানেন তাহলে তা সরাসরি বলে দিবেন। এখানে ঐখানে তাকিয়ে সময় অপচর করবেন না।

১৬. বুদ্ধীমত্বার সাথে ইন্টরভিউ সমাপ্ত করবেন, আর এই চাকুরীর পজিশন এর প্রতি আর কোম্পানির প্রতি আপনার ইচ্ছা ঞ্জাপন করুন।

১৭. নিজের পারিবারিক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে আলোচনা করবেন না। আবার যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, জোর করে তাদের বন্ধু হয়ে উঠবেন না। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা আপনার চাকরি পাওয়ার পরিপন্থী হয়ে দাড়াতে পারে।

১৮. যতক্ষণ পর্যন্ত চাকরি পাওয়ার সমর্থন না আসছে ততক্ষণ পর্যন্ত টাকা বা ছুটির ব্যাপারে কথা বলবেন না।

১৯. অনেকে লিখিত পরিক্ষা বা ইন্টারভিউ খারাপ হয়েছে মনে করে পরে যেদিন যাওয়ার কথা থাকে সেদিন আর যান না। এটা কখনোই করবেন না! অনেক সময় ইন্টারভিউারদের কথা শুনে আপনার মনেই হতে পারে আপনার ইন্টারভিউ ভাল হয় নি। কিন্তু অনেক সময় যারা ইন্টারভিউ যারা নেন তারা আপনাকে বুঝতে দিতে চান না যে আপনাকে তাদের পছন্দ হয়েছে। তাই, কোন সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।

২০. আরেকটি অতি গুরত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, CV তে যেন কোন মিথ্যা তথ্য না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার CV নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাই গুরু সাবধান !

ইন্টারভিউ নিয়ে সকলের মনেই কিছু না কিছু ভয়-ভীতি থেকে থাকে। উচ্চশিক্ষা লাভ করেও চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে চাকরি নামক সোনার হরিণ যখন ধরা দেয় না, তখন সব কিছুই ভুল মনে হয়! একজন যোগ্য শিক্ষিত ব্যক্তি তখন নিজের যোগ্যতাকেই সন্দেহের চোখে দেখা শুরু করেন। তবে এটা নিতান্তই ভুল ধারণা, তাই এই ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন আর এবার থেকে ইন্টারভিউয়ে যাবার আগে উপরোক্ত বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে যান, মনে হয় খুব শীঘ্রই নতুন চাকরি আপনার জীবনে খুশির বারতা নিয়ে আসবে। সকলের শুভ, সুন্দর ক্যারিয়ার কামনায় আজ এই পর্যন্ত। ধন্যবাদ। 

*ইন্টারভিউ* *ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস* *জবইন্টারভিউ* *ইন্টারভিউটিপস*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই বিভাগের মাধ্যমে নিউজ বা সংবাদসংশ্লিষ্ট সব কাজ হয়ে থাকে। প্রতিনিয়ত যা ঘটছে সেসব ঘটনা সংবাদের মাধ্যমে প্রচার করা হয়। সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদ বিভাগকে ঘিরেই প্রায় সকল কাজ করা হয়ে থাকে। ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদ বিভাগে যারা কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রটি প্রায় একইরকম হলেও পদবীর দিক থেকে ভিন্ন ভিন্ন নাম হয়ে থাকে। পত্রিকায় যাকে বলা হয় সাব এডিটর, টেলিভিশনে তাঁকে বলা হয় নিউজ এডিটর, অর্থাৎ যারা ডেস্কে কাজ করেন তাদেরকে বলে নিউজ এডিটর। 
 
নিন্মোক্ত পদ্গুলোতে সংবাদ বিভাগে কাজ করার সুযোগ রয়েছেঃ
 
 
১। রিপোর্টার
প্রতিবেদক বা রিপোর্টারই হচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মূল চালিকা শক্তি। একজন প্রতিবেদক প্রতিদিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে প্রতিবেদন তৈরি করেন। একজন প্রতিবেদককে তৌরি করা প্রতিবেদনগুলো বেশীরভাগ সময় ক্যামেরার সামনে উপস্থাপন করতে হয়। আর তাই তাৎক্ষণিক সাবলীল উপস্থাপনার কৌশল ও কথায় শুদ্ধতা একজন প্রতিবেদকের জন্য আবশ্যক। এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়তে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতকোত্তরধারীরা বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে।
 
২। শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর
শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর পদে সাধারণত এন্ট্রি লেভেল থেকে কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে। তাই প্রাথমিক বেতন কাঠামো এই পদের জন্য সাধারণত ১৫ থেকে ২০ হাজার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কাজের ক্ষেত্র হিসাবে এই পদে নিয়োজিত কর্মীকে ডেস্ক ইনচার্জ প্রদত্ত নিউজ গুলোকে সাজাতে হয় দর্শকের কথা মাথায় রেখে। সাধারণত কর্ম দক্ষতার উপর নির্ভর করে ১ থেকে দুই বছরের মধ্যে 'নিউজরুম এডিটর' পদে পদোন্নতি হতে পারে।
 
 
৩। নিউজরুম এডিটর
নিউজরুম এডিটর এর দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষানবিস নিউজরুম এডিটর হতে প্রাপ্ত সংবাদ কে সিনিয়র নিউজরুম এডিটর কর্তৃক এপ্রুভ করে নেওয়া এবং সংবাদ ঠিকভাবে পরিবেশিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা। নিউজরুম এডিটর এর বেতন কাঠামো ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে হয়ে থাকে এবং কর্ম দক্ষতার উপর ভিত্তি করে সিনিয়র নিউজরুম এডিটর পদে পদোন্নিত হতে পারে।
 
৪। সিনিয়র নিউজরুম এডিটরঃ
ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ এর স্বমন্বয় করা নিউজগুলো থেকে সিনিয়র নিউজরুম এডিটররা সম্ভাব্য নিউজ বুলেটিনগুলো বাছাই করে থাকে। এই পদের বেতন কাঠামো ৪০ থেকে ৪৫ হাজারের মধ্যে হয়ে থাকে।
 
 
৫। সংবাদ উপস্থাপকঃ
একজন নিউজ প্রেজেন্টার বা সংবাদ উপস্থাপক দর্শকের সামনে সংবাদ পরিবেশন করে থাকেন। সাধারনত একজন সংবাদ উপস্থাপক-এর কাজ হলো-পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট উপস্থাপন, রিপোর্ট উপস্থাপনের আগে সে সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দেয়া এবং অনেক সময় প্রতিবেদকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ এবং উপস্থাপন করা। একজন সংবাদ উপস্থাপকের আকর্ষনীয় বাচনভঙ্গি, স্পষ্ট উচ্চারণ এবং সুন্দর উপস্থাপন কৌশলের অধিকারী হতে হয়।
 
কৃতজ্ঞতা: বিডিজবস 
 
*ইলেকট্রনিকমিডিয়া* *সংবাদবিভাগ* *রিপোর্টার* *নিউজরুমএডিটর* *সংবাদউপস্থাপক* *ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস*
ছবি

ক্যারিয়ারগুরু: ফটো পোস্ট করেছে

জনবল নেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ‘ক্লায়েন্ট সেন্টার এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানের নাম: স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পদের নাম: ক্লায়েন্ট সেন্টার এক্সিকিউটিভ শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর অভিজ্ঞতা: মাইক্রোসফট অফিসে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে দক্ষতা: ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো জেলা আবেদনের ঠিকানা: প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল HR.Bangladesh@sc.com ঠিকানায় আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন। ই-মেইলের বিষয় স্থানে ‘ক্লায়েন্ট সেন্টার এক্সিকিউটিভ’ উল্লেখ করতে হবে। সূত্র: জাগো নিউজ

*ক্যারিয়ার* *ব্যাংকজব*
ছবি

ক্যারিয়ারগুরু: ফটো পোস্ট করেছে

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরি

বেসরকারি ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডে ২০১৬ ব্যাচে ‘ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি’ পদে জনবল নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীরা আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: অর্থনীতি, অ্যাকাউন্টিং, গণিত, পরিসংখ্যান, ফিন্যান্স, মার্কেটিং, কম্পিউটার সায়েন্স, হিউম্যান রিসোর্স, ম্যানেজমেন্ট, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং আইন বিষয়ে এমবিএ, এমবিএম, এমএসএস/মাস্টার্স। বয়স: ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বেতন: এক বছর প্রশিক্ষণকালে ৬০,০০০ টাকা। পরবর্তীতে জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে চাকরি স্থায়ীকরণের পর ৮৫,০০০ টাকা। আবেদনের নিয়ম: ব্যাংকের ওয়েবসাইট www.mutualtrustbank.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। সূত্র: প্রথমআলো

*চাকরি* *ক্যারিয়ার* *ব্যাংকজব*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দেখতে দেখতে শেষও হয়ে যাবে। আর পরীক্ষা শেষ মানেই ক্যারিয়ার নামক ভূতের চাপ মাথায় ধারণ করা! মূলত এইচএসসি পরীক্ষার পরই একজন শিক্ষার্থীকে জীবন গড়ার পথ বেছে নিতে হয়। আপনি কোন পথে যাবেন সেটি বেছে নেওয়া জন্য এটিই মোক্ষম সময়। তবে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা থাকা অনেক ভাল।

একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী হিসেবে আপনি আরমাত্র কয়েক মাস সময় পাবেন আপনার ক্যারিয়ার ভাবনার জন্য। তাই কোনদিকে যাবেন সেই পরিকল্পনা শেষ করেই শুরু করে দিন ক্যারিয়ারভিত্তিক পড়াশোনা।

ব্যাক্তিভেদে বিভিন্ন জনের পছন্দ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে তবে, এই পোস্টটিতে আমরা কিছু বিষয় তুলে ধরলাম যেগুলো বর্তমানে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বেশ উপযোগী।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশে উৎপাদিত বস্ত্রের চাহিদা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। আর সেই অনুপাতে গার্মেন্টসের সংখ্যাও বাড়ছে। বাড়ছে বায়িং হাউসও। বর্তমানে বায়িং হাউসগুলোতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কারণ এখনকার বায়িং হাউসগুলো হয়ে গেছে প্রযুক্তিনির্ভর। আর প্রযুক্তিগতভাবে সুতা তৈরি। কাপড় তৈরি। কাপড়ে রং করা ও পোশাক তৈরিই হলো টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ। এই কাজগুলো আবার ৪টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যেতে পারে। ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং, ফ্রেবিক ম্যানুফ্যাকচারিং, ওয়েট প্রসেসিং ও গার্মেন্টস ম্যানফ্যাকচারিং। বর্তমানে শুধুমাত্র বায়িং হাউসগুলো ছাড়াও উইবিং, নিটিং, ডাইং, ফিনিশিংয়ের কারখানাগুলোতেও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই পেশায় আপনাকে ক্যারিয়ার গড়তে হলে অবশ্যই স্বীকৃত কোন বেসরকারী ভার্সিটি থেকে টেক্সটাইলের ওপর স্নাতক সম্পন্ন করতে হবে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণও নিতে পারেন।

ব্যাংকার
সময়ের স্মার্ট পেশা ব্যাংকিং। সরকারী ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি দেশে বেসরকারী ব্যাংকের সংখ্যা ক্রমবর্ধমানহারে বাড়ছে। সেই তুলনায় বাড়ছে ব্যাংকগুলোর সেবার মান। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পেশা হিসেবে অনেকেই ব্যাংকিংকে প্রথম পছন্দে রাখেন। তবে আপনাকে এই পেশায় সফল হতে হলে অবশ্যই সদালাপী, মিশুক হতে হবে। ব্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে অবশ্যই এ্যাকাউন্টিং, ফিন্যান্সের ওপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রায় সব ভার্সিটিগুলোতে স্নাতক সম্পন্ন করতে পারেন। পাশাপাশি প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোতেও এই সাবজেক্টগুলোতে পড়তে পারেন।

আর্কিটেকচার এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টের নকশার কাজটা মূলত আর্কিটেক্টরা করে থাকেন। সবমিলিয়ে দেশে অবকাঠামো উন্নয়নে আর্কিটেক্টদের জুড়ি মেলা ভার। চাইলে আপনিও একজন প্রকৌশলী হিসেবে দেশ গড়ার অংশীদার হতে পারেন আর এই জন্য আপনাকে এইচএসসি শেষ করেই সরকারী পলিটেকনিকগুলোতে বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

ডাক্তার
বর্তমানে হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা বেশ বেড়ে গেছে তাই ডাক্তারদের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডাক্তারদের বলা হয় মানব সেবার অগ্রদূত। মানব সেবায় মহৎ ধর্ম। এই সেবায় যারা নিজেকে নিয়োজিত করতে চান তারা এইচএসসি পরীক্ষার পর মেডিকেল ভর্তি কোচিং এ ভর্তি হতে পারেন। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন বেসরকারী মেডিকেল কলেজ থেকেও আপনি এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন।

ফার্মাসিউটিক্যালস
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশে তৈরি ওষুধের রফতানি বাড়ছে। সেই সাথে এই পেশায় লোকবল নিয়োগও বাড়ছে। ওষুধ কোম্পানিগুলোর সারাদেশে প্রচার-প্রসার-বিক্রির জন্য হাজার হাজার কর্মী প্রয়োজন। এই পেশায় আপনি অনেকটাই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন। সেলস রিপ্রেজেন্টিভ হিসেবে কাজ করতে গেলে আপনার পরিচিতির পরিধি যেমন বাড়বে তেমনি বাড়বে আপনার সামাজিক মর্যাদা। এ ছাড়াও এই পেশার আরেকটি বড় সুবিধা হলো মাস শেষে নির্দিষ্ট বেতনের পাশাপাশি আপনি টার্গেট ফিলাপ করতে পারলে আপনার জন্য কমিশনেরও ব্যবস্থা থাকবে। সব মিলিয়ে এই পেশায় আসতে চাইলে আপনাকে এইচএসসির পরেই এমএসসি এমবিএ কোর্সে ভর্তি হতে হবে। তবে আপনাকে অবশ্যই বিজ্ঞানের ছাত্র হতে হবে।

সাংবাদিকতা
ছোটবেলায় টেলিভিশনের পর্দায় কোন সংবাদ পাঠককে দেখে স্বপ্ন দেখতেন সাংবাদিকতায় ক্যারিয়ার গড়ার? তাহলে আপনার পালা। আপনি কড়া নাড়ছেন স্বপ্নের দরজায়। চাইলে আপনিও হতে পারেন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় একজন জনপ্রিয় সংবাদ পাঠক/পাঠিকা, একজন সফল প্রোগ্রামার মানে ডিরেক্টিং। অভিনয়, উপস্থাপনায় মাতিয়ে রাখতে পারেন দর্শকদের।

আর প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকতার পাশাপাশি ফটোগ্রাফিও করতে পারেন। অতিশীঘ্রই আসছে নতুন কয়েকটি চ্যানেল ও সংবাদপত্র। আর তাই দিনে দিনে সংবাদকর্মীদের চাহিদা ও কদর দুই বাড়ছে। সাংবাদিকতার স্বপ্ন পূরণ করতে চাইলে এইচএসসির পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন। এ ছাড়াও বেশকিছু বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকতা, ফটোগ্রাফিতে স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। অখ- অবসরে বসে না থেকে সেখানেও ভর্তি হতে পারেন।

এসিসিএঃ
ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে প্রফেশনালদের কাছে অ্যাকাউন্টিং নিভর কোর্সের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এসিসিএ বা ব্রিটিশ কারিকুলামের সিএ’র রয়েছে বিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্যতা। ৮৩টি দেশে এসিসিএ’র নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এসিসিএ অফিস খুলেছে। এইচএসসির পর যোগাযোগ করে আপনি এসিসিএ’র কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

আইন পেশা
বর্তমান পেক্ষাপটে আইন পেশা বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। দেশের নামকরা প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগ রয়েছে। আপনার ইচ্ছে করলে আইন বিষয়েও ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

বন্ধুরা, তাহলে আজ থেকেই শুরু করে দিন আপনাদের ক্যারিয়ার ভাবনা।

*ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস* *এইচএসসি*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্ব এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজ। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সারা বিশ্বের সাথে মুহূর্তেই যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে এবং  জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস একদেশ থেকে অন্য দেশে বেচা- কেনা বেড়ে চলছে। এরই ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক ব্যবসার বহু ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে।

বাণিজ্য সম্প্রসারণে একদেশের সাথে অন্য দেশের সীমানা চুক্তি হচ্ছে সহজ থেকে সহজতর। দেশে দেশে গড়ে উঠছে আন্তর্জাতিক ব্যবসায় সংস্থা। ব্যবসা প্রসার পাচ্ছে একদেশের প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য দেশের প্রতিষ্ঠানের। কাজের ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়। সুতরাং বর্তমানের এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আপনিও আন্তর্জাতিক ব্যবসায় নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

আন্তর্জাতিক ব্যবসায় নিজেকে নিয়োজিত করতে যা কিছু জানা প্রয়োজনঃ
আন্তর্জাতিক ব্যাবসায় বিষয়ে জ্ঞান ইন্টারনেট বিষয়ে জ্ঞান ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থ বিষয়ে জ্ঞান থাকাটা জরুরি। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মূল্যবোধ মেনে চলতে হবে। কেননা আপনার কটু আচরণ বা কথার মাধম্যে কারও মূল্যবোধে আঘাত লাগলে তৈরি হতে পারে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন। এমনকি ভুলের অনেক বড় মাসূল শেষ পর্যন্ত গুনতে হতে পারে। সুতরাং পারস্পারিক মূল্যবোধ সম্পর্কে জানা- বুঝাটা ভাল থাকা জরুরি।

আন্তর্জাতিক ব্যবসায় কাজের ক্ষেত্র সমূহঃ
আন্তর্জাতিক ব্যবসা অফিসে চাকরি বিদেশের বড় বড় ব্যবসায় কোম্পানিগুলো প্রবাসী নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। এই ক্ষেত্রগুলোতে আবেদনকারীদের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ে পড়েছে এমন শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। সরকারী খাতে চাকরি দূতাবাস, শিক্ষা, প্রশাসন, তথ্য প্রযুক্তি , আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ, আমদানি বিশেষজ্ঞ,আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদ হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকে। আন্তর্জাতিক খণ্ডকালীন চাকরি সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা, ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, ব্যাংকিং, আইন ব্যাবসা, মিডিয়া, শিক্ষা বিভাগ আন্তর্জাতিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন- ভিন্ন মানুষের সাথে কাজ করে। এই সব প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ব্যাবসায় বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রীধারীদের চাহিদা আকাশ্চুম্বী। ভর্তি যোগ্যতা এইচ.এস.সি পাশ করার পর ভর্তি হতে পারবেন আন্তর্জাতিক ব্যবসায় বিষয়ে।

কোথায় পড়াশুনা করলে আপনি এধরনের পেশায় সফল হবেন?
দেশের ভেতরে পড়তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের আওতায় ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস-এ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ডিগ্রী দেয়া হয়।

এছাড়ও দেশের বড় বড় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পড়তে পারেন। যেমন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্রাক ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি।

আর দেশের বাইরে পড়তে  চাইলে অামেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, ভারত, সুইজারল্যান্ড- স্কলারশিপ নিয়ে পড়ার সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন।
*ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস* *ব্যবসা*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অফিসে কাজ করতে গেলেই কি খালি ঘুম আসে? এটা কিন্তু মোটেও অস্বাভাবিক নয়, গবেষণা মতে, এই সমস্যাটির স্বীকার অনেকেই। ঘুম আসার প্রধান কারনই হল, নিয়মিত ঘুমের অভাব। আর অফিসে ঘুম বঞ্চনার শিকার হলে কর্মক্ষেত্রেও এর প্রভাব পরে।

কিছুদিন আগে একটি কর্মী ভিত্তিক স্বাস্থ্য সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩টি কোম্পানি থেকে ১,১৩৯ জন কর্মী নিয়ে একটি গবেষণা চালিয়ে দেখেন যে, ১৫ শতাংশ সপ্তাহে অন্তত একদিন ঘুমের সমস্যার শিকার হন। তাদের ঘুমের সমস্যা হবার প্রধান ৪টি কারন রয়েছে- "চাপ, মানসিক কার্যকলাপ, শারীরিক অস্বস্তি এবং পরিবেশগত ব্যাঘাত চিন্তা"

জাতীয় ঘুম ফাউন্ডেশন এর মতে, কাজ করতে যেয়ে ২৯ শতাংশ লোকের ঘুমের সমস্যা দেখা যায় আর গাড়ি চালাতে যেয়ে ৩৬ শতাংশ লোকের ঘুমের সমস্যা শুরু হয়।

সঠিকভাবে ঘুম না হলে, শরিরে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা যায়। দুর্বল ইমিউন সিস্টেম, হৃদরোগ, ডায়াবেটিক, স্থুলতা আরও বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা যায়। অতিরিক্ত ক্লান্ত হবার কারনেও রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। এর জন্য কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন- একাগ্রতার অভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা হ্রাস, বিরক্ত হওয়া, সহকর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ করা ইত্যাদি। তাই, এই সমস্যা দূর করার জন্য কিছু উপায় অবশ্যই অবলম্বন করা উচিৎ।

যা করা উচিৎ: 

১. প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে এবং পার্কে যেয়ে হাঁটাহাঁটি করতে হবে। 
২. এক ঘণ্টা পরপর উঠে অফিসের ভিতরেই হাঁটাহাঁটি করুন। এতে আপনার দেহ ও মন সতেজ হবে। 
৩. একটি স্বাস্থ্যবান ডায়েট অনুসরণ করুন। এতে আপনার শরীরের শক্তি স্তর বৃদ্ধি পাবে। 
৪. রাতে ঘুমানোর পুরবে ঘরের ডিম লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাতে যান। এতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে।
৫. ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সম্বলিত খাবার গ্রহণ করুন। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সম্বলিত খাবার গ্রহণ করলে ঘুমের সমস্যা নিবারণ হয়।

যা করা উচিৎ নয়:

১. চা ও কফি কম করে পান করুন। 
২. ঘুমের পূর্বে টিভি দেখা বন্ধ করুন। ল্যাপটপ বা মোবাইলে ঘুমের পূর্বে ইন্টারনেট চালাবেন না।
৩. বিছানার চাদর এক সপ্তাহ পর পর অবশ্যই বদলিয়ে ফেলবেন। 
৪. রাত জেগে কাজ করা বন্ধ করুন। বেশী রাত পর্যন্ত বাহিরে থাকবেন না।
 
সুস্থ থাকতে হলে পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম অবশ্যই প্রয়োজন। তাই, প্রতিদিন অবশ্যই ৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস করুন।

সূত্র: টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া
*অফিসেঘুম* *ক্যারিয়ারটিপস* *ক্যারিয়ার* *ঘুম*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইন্টারভিউয়ে বসে নানা প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। নিজের সম্পর্কে বলা সময় এমন শক্ত ও আত্মবিশ্বাসী কিছু শব্দ ও বাক্যের প্রয়োগ ঘটাতে হবে। এখানে দেখে নিন এমনই ৭টি শব্দ যা বললে আপনার সম্পর্কে বিশ্বাস জন্মাবে কর্তৃপক্ষের।

১. অভিযোজনে দক্ষ : কোনো প্রতিষ্ঠান এমন কর্মী চায় না যারা নতুন পরিবেশে অস্বস্তিবোধ করেন। তারা এমন মানুষ খোঁজে যারা যেকোনো পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। কাজেই নিজেকে তেমনই একজন হিসাবে উপস্থিত করতে হবে।

২. দলের একজন : যেখানে গিয়ে যাদের সঙ্গেই কাজ করেন না কেন, সব দলের সঙ্গে জুড়ে যেতে দক্ষ হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে হবে। দলীয়ভাবেই বড় সফলতা আসে।

৩. সময়নিষ্ঠ : কর্তৃপক্ষ জানতে চায়, আপনি সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে প্রস্তুত কিনা। সময়জ্ঞান কেমন তা একজন কর্মীর জন্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে ধারণা আসে।
৪. উচ্চাকাঙ্ক্ষী : কর্মীকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হিসাবে দেখতে চায় প্রতিষ্ঠান। নয়তো বড় বড় লক্ষ্য হাসিল হবে কিভাবে। একই পদে থেকে বড় বড় লক্ষ্য একমাত্র উচ্চাকাঙ্ক্ষীরাই অর্জন করতে পারেন।

৫. গোছালো : ক্যাশ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে যদি অর্থের ঘাটতি পড়ে, তবে চাকরিচ্যুত হবেন। কাজেই সব কাজে গোছালো থাকতে হবে। এ ধরনের কর্মীতাই প্রতিষ্ঠানকে সুশৃঙ্খলার মাঝে রাখতে পারেন।

৬. নেতৃত্বগুণ : আপনার মাঝে নেতৃত্বের গুণ দেখতে চান চাকরিদাতারা। যার মাঝে এমন গুণ রয়েছে তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে হাল ধরতে পারেন। যদি আপনার মাঝে এমন গুণ থেকে থাকে তবে তার জানান দিন।

৭. খুঁতখুঁতে স্বভাব : এ ধরনের মানুষের চোখে ভুল বেরিয়ে আসে। যেকোনো কাজও হয় নিখুঁতভাবে। একে আপনার দুর্বলতা হিসাবেও তুলে ধরতে পারেন। কারণ আপনি এতটাই খুঁতখুঁতে যে প্রায়ই অনেক ধকল সহ্য করতে হয় আপনাকে। 

সূত্র : ইন্টারনেট 

*ইন্টারভিউ* *ক্যারিয়ার*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের প্রধান ও একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষাকেন্দ্র। রাজধানীর সাভারের প্রধান কেন্দ্র ছাড়াও চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুরে রয়েছে বিকেএসপির আঞ্চলিক কেন্দ্র।

বিকেএসপিতে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় সপ্তম শ্রেণিতে। সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, শ্যুটিং, আর্চারি, জুডো, উশু, তায়কোয়ানদো ও অ্যাথলেটিকসে। এ ছাড়া চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয় সাঁতার, জিমন্যাস্টিকস, বক্সিং ও টেনিসে। শুধু বাস্কেটবল বিভাগে অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয়।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর! ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সাভারে বিকেএসপির প্রধান কেন্দ্রে। শিক্ষার্থীরা ওই দিন ভর্তি ফরম পূরণ করে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ), আর্চারি, অ্যাথলেটিকস, টেনিস, বক্সিং, জুডো ও শ্যুটিং বিভাগের। ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ), বাস্কেটবল, সাঁতার, উশু, ফুটবল, জিমন্যাস্টিকস ও হকি। বিস্তারিত তথ্য: ০১৭১২-০০৭০৩৮, ০২-৭৭৮৯২১৫, www.bksp-bd.org


নির্বাচনপদ্ধতি
প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সাত দিনের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। সবশেষে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। শতকরা হিসাবে ৭০ ভাগ শারীরিক যোগ্যতা ও ক্রীড়া নৈপুণ্য, ১০ ভাগ ক্রীড়াবিজ্ঞান-সংক্রান্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা, আর বাকি ২০ ভাগ লিখিত পরীক্ষা।

প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম
দেশজুড়ে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে বিকেএসপি। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থান থেকে খুঁজে বের করা হয় সেরা খেলোয়াড়দের। এরপর বিভিন্ন মেয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়। সাকিব আল হাসানের মতো ক্রিকেটার বেরিয়ে এসেছেন প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে। বিকেএসপির মূল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত।

বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মুরতজা খান বলেন, একজন ছেলে বা মেয়ের খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য বিকেএসপি হচ্ছে একটি আদর্শ স্থান। কারণ, দীর্ঘমেয়াদি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষিত খেলোয়াড় তৈরি করার জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা প্রয়োজন, তার সবই বিকেএসপিতে রয়েছে।

স্নাতক ও ডিপ্লোমা কোর্স
এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় প্রতিবছর ৬০ জন শিক্ষার্থী স্নাতক (পাস) এবং ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে ১০ মাসের ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

সূত্র: প্রথম আলো
*বিকেএসপি* *পড়াশুনা* *ক্যারিয়ার* *খেলোয়াড়*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জীবনে সফলতার দেখা পেতে হাজার হাজার উপদেশ তো পেয়েছেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোতেই সফলতা আসে। কিছু অভ্যাস বা পদ্ধতির চর্চা থাকলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবেশ ও পরিস্থিতি যাই থাকুক না কেনো, আপনি ব্যর্থ হবেন না। এর প্রদর্শনই আপনার পরিচয় ফুটিয়ে তুলবে।স্কুল কলেজের গণ্ডি পার হয়ে ইউনিভার্সিটি ভর্তি, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে উন্নিত হওয়া। ২০ বছর বয়সের থেকেই ছেলে মেয়েরা নিজেদের গড়ে তোলার ব্যাপারটি বুঝতে শিখে থাকে। ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে গড়ে নেওয়ার এটিই মোক্ষম সময়। এই সময়ে কিছু বিষয় হয়তো হাতে কলমে শিখিয়ে দেয়া হবে তাদেরকে। কিন্তু জীবনের বেশ কিছু শিক্ষা শিখে নিতে হবে নিজে থেকেই। সফলতা, উন্নতি এবং সঠিকভাবে জীবন যাপনের জন্য নিজেকে গড়ে নেওয়ার দীক্ষা কেউ শিখিয়ে দিতে পারে না। বুঝে নিতে হয় নিজ থেকেই।

  • জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় আবার পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় একেবারেই। সুতরাং সময়গুলোকে গুরুত্ব দিলে পরবর্তীতে তা নিয়ে আর আফসোস থাকবে না।
  • সৌজন্যতাবোধ তখনই বেঁচে থাকবে যদি আপনি তা অন্য কারো প্রতি প্রদর্শন করেন।
  • প্রেম-ভালোবাসা শুধুমাত্র সময় কাটানোর কোনো বিষয় নয়। এটি জীবনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার।
  • আপনি নিজের জীবন এবং পৃথিবীটাকে যেভাবে দেখেন অন্য কারো পক্ষে তা দেখা বা ভাবা সম্ভব নয়। সুতরাং অন্য কারো কাছ থেকে নিজের মতো করে ভাবার আশা করবেন না।
  • কোনো ব্যাপারে আশার হাল শক্ত করে ধরে রাখলে সে ব্যাপারটিতে সফলতা আসবেই।
  • অনেক সময় একটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণেও সঠিক পথে পরিচালিত হওয়া সম্ভব হয়।
  • মানুষের চাহিদা থাকবেই এবং সময়ের সাথে সাথে তা বেড়েই চলবে। সব চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব নয় একেবারেই।
  • স্বাস্থ্যটাকেই সব চাইতে গুরুত্ব দেয়া উচিত। নতুবা যৌবনেই বার্ধক্য ভর করতে পারে।
  • জীবন যাপন এবং ধারণের জন্য পানি ব্যতীত অন্যান্য সকল পানীয় না পান করলেও চলবে। বিশেষ করে মদ ও এনার্জি ড্রিংকসগুলো বাদ দিলে জীবনটা ভালোই যাবে।
  • জীবনটা অনেক বেশি সুন্দর হবে যদি বর্তমানের সকল দিকে নজর দেয়া সম্ভব হয়। এতে করে ভবিষ্যতটাও আপনাআপনিই সঠিক হয়ে আসবে।
  • যদি জীবনে সফলতা আনতে চান তবে অবশ্যই গণ্ডির বাইরে চিন্তা করা উচিত এবং সে হিসেবে নিজেকে তৈরি করে নেয়া উচিত।
  • মানুষ পিছু কথা বলবেই এবং হিংসা বা নিন্দা করে চলবেই। তাই বোলে দমে থাকা বা নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার কোনো অর্থ হয় না। এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে জীবনে।
  •  যে কলটি করতে সাহস পাচ্ছেন না, তা করুন।
  • ঘুম থেকে যখন উঠতে চান তার চেয়ে কিছু সময় আগে উঠুন।
  • যতোটুকু পাবেন বিনিময়ে তার চেয়ে বেশি দিন।
  • আপনার প্রতি মানুষ যতোটা খেয়াল রাখেন তাদের প্রতি ঢের বেশি খেয়াল রাখুন আপনি।
  • রক্তাক্ত, ভঙ্গুর অবস্থাতেও যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।
  • নিরাপদে কিছু করার সময়ও সাবধান থাকা ও নিরাপত্তহীনতায় ভোগা বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ।
  • কেউ সঙ্গে না থাকলে আপনার একাই হাল ধরতে হবে।
  • অন্য কেউ না করে থাকলেও আপনার নিজের ওপর নিজেরই বিনিয়োগ করতে হবে।
  • যে প্রশ্নের জবাব খুঁজে বেড়াচ্ছেন, সে সময় আপনাকে বোকাভাব দেখাতে হবে।
  • কোনো কাজের ক্ষেত্রে আপনি যদি ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে চান, তবে সে পথের ফলাফল আপনাকে দেখাতে হবে।
  • অসহায়ত্বের কারণে কোনো কিছু ঝেড়ে না ফেলে তার বিস্তারিত টেনে বের করুন।
  • বাস্তবতা সম্পর্কে আপনাকে বলা হলেও ওই বিষয়ে আপনার নিজস্ব কোনো ব্যাখ্যা থাকলে তা খুঁজে বের করতে হবে।
  • আপনাকে ভুল করতেই হবে এবং তখন বোকার মতো দেখাবে, এটাই স্বাভাবিক।

  • আপনাকে চেষ্টা করতে হবে; ব্যর্থ হবেন এবং আবার চেষ্টা করতে হবে।
  • দম শেষ হয়ে আসলেও জোরে দৌড়াতে হবে।
  • কেউ আপনার প্রতি নিষ্ঠুর হলেও তার প্রতি দয়াশীল থাকুন।
  • অযৌক্তিক হলেও এবং অসামঞ্জস্যতা থাকলেও আপনাকে শেষ সময় বেঁধে দেওয়া হবে
  • আপনি নির্ভুল থাকলে অন্য কারণে কোনো কাজ ব্যর্থ হয়ে গেলেও সে জন্য আপনার কাজকেই সন্দেহ করা হবে এবং তার ব্যাখ্যা আপনাকে দিতে হবে।
  • লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে যাই থাক না কেনো, আপনাকে এগিয়ে যেতেই হবে।
*সফলতা* *সাফল্য* *ক্যারিয়ারটিপস*

ক্যারিয়ারগুরু বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আমরা অফিসে প্রতিদিন ঠিক কতটা কাজ করি? কি মনে হয়? সবাই কি আসল সত্যিটা জানি আদৌ যে প্রতিদিন ৯ টা-৫ টার অফিসে আমরা ঠিক কতক্ষণ আসলে কাজের মত কাজ করি l আপাত দৃষ্টিতে শুনলে মনে হবে যে "এ আবার কেমন তর প্রশ্ন হলো?" তবে সত্যি আমরা এই সত্যি টা জানি না অনেকেই, অথচ ভেবে মরি পুরো নয়-দশ ঘন্টা আসলেই আমরা কতটা আন্তরিকভাবে কাজ করি, অথচ কে না কে এই দীপ্তি এসে কতটা কাজ করি এর প্রশ্ন জানতে এসেছেন? কত বড় আস্পর্ধা, বাপ রে! তবুও আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি কেন করি, কতটা করি, কিভাবে করি, কার জন্য করি......এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নিজেকে দিতে গেলেই আপনার নিজের মনেও ঠিক একই প্রশ্ন জেগে উঠবে l কি চিন্তায় মগ্ন হয়ে গেলেন তো এবার l বিশ্বাস করুন এটাই সত্যি l আমি কিছু উপলব্ধি থেকে বিষয়টাকে একটু বুঝিয়ে দেবার চেষ্টা করি তাহলে l 

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ অফিসের সময়  ৯ টা- ৫ টা নির্ধারণ করা l তবে কিছু অফিসে এর ব্যতিক্রমও আছে, যেমন ব্যাংকগুলো ১০ টা থেকে এদের কার্যক্রম শুরু করে তবে শেষের কোনো লিমিট নেই ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাজে, তবে ব্যাংক আওয়ার শেষ হয়ে যায় সবাই জানি ৪ টায় l যাই হোক, এবার আসি মূল প্রসঙ্গে l অদ্ভুদ হলেও এটাই সত্যি এবং এটাই গবেষণালব্ধ ফল যে, বাংলাদেশে একজন কর্মজীবী মোটে গড়ে প্রতিদিন দক্ষতার সহিত মাত্র ২ থেকে ২.৩০ ঘন্টা কাজে করেন l কি আকাশ থেকে পড়ছেন তো? প্রথম প্রথম ঠিক আমারও একই অনুভূতি হতো l 

আমি ব্যাপারটা চেষ্টা করছি খুব পুন্গ্খানুপুন্খভাবে বোঝানোর l কি বলুন তো, আমরা অফিসে এসে কখনো পৌছাই হয়ত ১৫-২০ মিনিট আগে বা কখনো ১৫-২০ মিনিট পরে বা ট্রাফিকের কারণে হয়ত আরো কিছু পরেও অনেকে আসেন যদিও সেটা খুবই আকস্মিক l তারপর এসে আমরা কি করি, ধীরে সুস্থ্যে নিজের চেয়ারটায় এসে বসি, নিজের ব্যাগ পত্র ঠিকঠাক করে রাখি, ব্যাগ থেকে মোবাইলটা বের করি, সকলের সাথে কুশল বিনিময় করি, একে অন্যের কাপড়-চোপড়, এটা-ওটা নিয়ে কথা বলি, তারপর হয়ত চোখের সামনে পরে থাকা পেপারটাতে কিছুটা চোখ বুলাতে থাকি, তারপর কোনো একটা হট নিউজ নিয়ে কিছু কথা-বার্তা, বাক-বিতন্ডা চলে, তবে এ সব কিছুই হতে থেকে আপনার ওয়ার্ক স্টেশন রেডি হতে হতে l এবার আপনি বসলেন, খুব ভালো করেই বসলেন l কম্পিউটারে বসে ব্রাউজারে পর পর কয়েকটা ট্যাব খুলে বসলেন, এক একটা এক কাজের জন্য বরাদ্দ, তন্মধ্যে ১-২ টা যে স্ব-বিনোদনের জন্য থাকে না টা কিন্তু কেউই জোর গলায় বলতে পারব না, আমিও না l এবার আপনি অনুধাবন করতে থাকেন একটু চা-নাস্তা খেতে পারলে খুব একটা খারাপ হতো না l এবার সকলে মিলে বা আপনার গ্রুপটা মিলে বসে পড়লেন খেতে, খেতে খেতে কিছু আলোচনা l এবার ধুমপায়ীরা ধুম্রপান শেষে মনস্থির করলেন কাজে লেগে পরার l তবে এর মধ্যে কিন্তু আপনার দিনের ১ থেকে ১.৩০ ঘন্টা শেষ, মিলিয়ে দেখুন মিলে যাবে l 

আপনার সুপারভাইজার এবার আপনাকে কাজের নির্দেশ দিলেন l এটা পরীক্ষিত যে একটা মানুষ যতই শারীরিক, মানসিক বা অন্য যে কোনো চাপেই থাকুক না কেন, ঠিক এই সময়টাতেই তার শুরুর কাজটাকে সে সবথেকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, এমনকি যেই লোকটি কি না তার বর্তমান জবে সন্তুষ্ট নন, তিনিও কিন্তু প্রথম কাজের সময়টাতে খুবই মন দেবার চেষ্টা করেন l আর এই সময়টাই কিন্তু খুব প্রোডাক্টটিভ, খুব ভালো কাজ হয় এই সময়ই l 

তবে গবেষণা নাকি বলে যে, একজন মানুষ টানা ১৫ মিনিটের বেশি কাজ করতে পারেন না l প্রতি ১৫ মিনিট পর নাকি একবার হলেও মন অন্যমনস্ক হয়ে পরে এবং টা একদমই মনের অজান্তেই l হয়ত আপনি কি-বোর্ড চাপতে চাপতে হঠাত গতি থামিয়ে দিয়ে দুরের আকাশে তাকিয়ে রয়েছেন তো রয়েছেনই, ঠিক কিছুটা জেগে জেগে ঘুমানোর মতই l খানিকবাদে আপনার মনে হবে যে আপনি কাজ থেকে দূরে সরে গেছেন, আবার কখনো কখনো পাশের ডেস্কে চোখ চলে যায়, কিংবা যে কোনো কিছুতেই আপনার মন নিবিষ্ট হয়ে পরে l এভাবে এক সময় আপনার লাঞ্চের সময় চলে আসে, মিলিয়ে নিয়ে দেখেন একটা বিষয় যে আপনার লাঞ্চ আওয়ার শুরুর আধ ঘন্টা আগেই কিন্তু আপনার মন এদিক থেকে সেদিক হয়ে যায় l আবার লাঞ্চের পরও আপনি আবার কর্মে ফিরিয়ে আসতে সময়ের থেকে আরো বেশি কিছুটা সময় নিয়ে ফেলেন l তারপর বাঙালীর ভুরিভোজের পর একটু আধটু ঝিমুনি তো লেগেই যায় l 

তারপর হঠাত মনে পরে আরে এখনো তো রাজ্যের কাজ পরে আছে l পুরো মাথা নষ্ট হয়ে যাবার উপক্রম এবার আপনার, লেগে পড়লেন পুরো উদ্যম নিয়ে, যদিও ততক্ষণে কিছু জৈব বৈজ্ঞানিক সূত্র মোতাবেক আপনি আর সেই শুরুরকার মত আউটপুট দিতে প্রস্তুত নন l তবুও কিছুটা মানসিক জোরে আপনি লেগে থাকেন কাজটা শেষ করবার l কখনো পারেন আবার কখনো কিছু কাজ ফেলে রেখেই বা কখনো কখনো কাজ মিলিয়ে না যেতে পারার বোঝা মাথায় নিয়েই আপনি ফিরছেন আপনার শান্তির নীড়ে আর আপনার মানসিক অশান্তির প্রভাব শেষমেষ গিয়ে পৌছে আপনার পরিবারের উপর, আপনার সন্তানের উপর, আপনার শরীরের উপর l কি হলো তো আপনার ২.৩ ঘন্টা যা টেনে টুনে হয়ত সব মিলে ৪ ঘন্টা l ৯-১০ ঘন্টা কিন্তু অনেক সময়, কেউ যদি পরিকল্পনা মাফিক মন দিয়ে দায়িত্বের সাথে নিয়মিত কোনো কাজ করেন তাহলে কিন্তু সত্যি এত সময় লাগে না প্রতিদিনের কাজ করতে l 

আমাদের প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিনকার কাজ সুষ্ঠু ভাবে শেষ করা l সবই করুন কিন্তু বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, আনাকে ৯-১০ ঘন্টা কাজ করতে হবে না এক টানা, জানি আপনি সেটা পারবেন না, প্রকৃতপক্ষে কেউই পারেন না, কাজের মাঝে বিশ্রাম অবশ্যই প্রয়োজন, তবে যেভাবে আমি-আপনি অভস্ত্য সেটি একেবারেই ভুল l আপনি আসুন অফিসে, লিখে ফেলুন আপনার কাজ বুলেট পয়েন্ট বা নাম্বার দিয়ে, একটা একটা করে কাজ শেষ করুন l প্রয়োজন নেই যে সবসময় অন্য কেউ আপনাকে অনুপ্রানিত করবে, কারণ তার  বা তাদেরও নিশ্চয়ই কাজ আছে, তবে হ্যা, কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা একটা গুরত্বপূর্ণ অর্থ বহন করে l কিন্তু এটি প্রতিদিন শুনতে পাওয়া যায় না, শুনতে চাইলে প্রতিদিনই চেষ্টা করতে হয় l এটি হঠাত আসে, কিন্তু কিভাবে আসে সেটি আচ করলেও, কখন আসে সেটি কিন্তু নিশ্চিত নন l তাই নিজের প্রশংসা নিজে করুন, সব কাজ ঠিকঠাক শেষ করতে পারলে নিজেই নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করুন l "যেমন : সাব্বাস দীপ্তি, ইউ আর জিনিয়াস, গুড জব দীপ্তি.......আর কোনো কারণে যদি শেষ করতে না পারেন বা ফাকি দেন তাহলে নিজেকে বকুন নিজেই....বলুন কাজটা ঠিক করলে না দীপ্তি, তোমার এমন করা উচিত হয় নি, তোমার জন্যই টিমের কাজটা পিছিয়ে গেলো" l  চেষ্টা করে দেখুন, নিজেকে বকা দিতে ভালো লাগবে না আর আপনার, বেশিদিন এই কাজটা মানুষ পারে না l 

একটু চেষ্টা করে দেখুন, দেখবেন আপনার সবকিছুই তীর উর্ধগতিতে নিয়ে যেতে বাধ্য l আপনি সফল, সর্বক্ষেত্রে, আপনি হয়ে উঠবেন সকলের প্রিয় l আপনি নিজে সুখী, আপনার পরিবার সুখী, সুখ আপনার চারপাশে l আর আপনি হয়ে উঠবেন সকলের আইডল, আপনি যে পজিশনেই থাকুন না কেন, শ্রদ্ধা আপনি পেতে বাধ্য l তাই নিজেকে গড়ে তুলুন, সময়কে মূল্য দিন, সময় আপনার মূল্যকে সৌভাগ্যে পরিনিত করবে l 

সব শেষে বলব, প্রতিষ্ঠানেরও উচিত একজন মানুষের কাজের ঠিকঠাক বিচার করা, তাকে যথাযথ সন্মান দেয়া, ৯-১০ ঘন্টায় কাজ করতে হবে, এমন ধ্যান ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা l ভালো লাগার সুযোগ করে দিন, ভালোবাসার স্থান দিন, দেখবেন যা কিছু ভালো তার জোয়ার শুধু আপনাকেই তাড়া করবে l আর অন্তত সপ্তাহে ২ দিন ছুটির ব্যবস্থা করুন, এটা বরং আপনার প্রতিষ্ঠানের লোকবলের সন্তুষ্টি এনে আপনার প্রতিষ্ঠানের উন্নতিই ঘটাবে l

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোনো ক্ষেত্রেই নারীরা পিছিয়ে নেই। বিদেশে চাকরিতে আছেন-এমন মহিলাকর্মীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আপনিও যেতে পারেন। এর জন্য সরকারিভাবে চলছে নিবন্ধন। আবেদন করা যাবে হাউসকিপার, কেয়ারগিভার, বেবিসিটার, মালি, গার্ড, ক্লিনার, ড্রাইভার, কুক প্রভৃতি পেশায়। আবেদন করতে পারবেন ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী মহিলারা। কেয়ারগিভার, ড্রাইভার, বেবিসিটার পদে আগ্রহী প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এসএসসি। অন্যদের বেলায় শিক্ষাগত যোগ্যতার বালাই নেই। এ ছাড়া গার্মেন্ট পেশায় ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী মহিলারা দক্ষ, আধা দক্ষ বা অদক্ষ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করতে পারবেন।


লাগবে যা যা
নিবন্ধনের সময় সঙ্গে আনতে হবে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) বা জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ। লাগবে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা চেয়ারম্যান অথবা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের দেওয়া চারিত্রিক সনদপত্র। শিক্ষিত প্রার্থীদের বেলায় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের এক সেট ফটোকপিসহ মূল সনদপত্র, দেশে বা বিদেশে কাজে অভিজ্ঞদের অভিজ্ঞতার সনদপত্র এবং প্রশিক্ষিতদের প্রশিক্ষণের সনদপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফি ২০০ ও উদ্যোক্তা ফি ১০০ টাকাসহ মোট গুনতে হবে ৩০০ টাকা।

নিবন্ধন কবে কোথায়
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউআইএসসি), সিটি করপোরেশনের অধীন ওয়ার্ড পর্যায়ে নগর ডিজিটাল সেন্টার (সিআইএসসি), পৌরসভার আওতাধীন পৌরসভা ডিজিটাল সেন্টার (পিআইএসি) এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অধীন ৪২ জেলায় অবস্থিত জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে নিবন্ধন করা যাবে। ঢাকা বিভাগে ৫ থেকে ১১ মার্চ, রাজশাহী ও রংপুরে ১২ থেকে ১৬ মার্চ, চট্টগ্রাম ও সিলেটে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ২৪ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে নিবন্ধন। নির্ধারিত তারিখে বিভাগের অন্তর্ভুক্ত সব জেলা, উপজেলায় নিবন্ধন চলবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে উপস্থিত হতে হবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও চলবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া।


আরো জানতে
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিমেট) নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং একসেস টু ইনফরমেশনের (এটুআই) কল সেন্টারে ফোন করে নিবন্ধন-সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। ফোন করতে হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে।

বিমেট নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর : ০২-৮৩২৩০০৪, ৮৩২২৯৪৬, ৮৩১৯৩২২, ৮৩১৭৫১১।

এটুআই কল সেন্টারের ফোন নম্বর : ০৯৬১২০১৬৩৪৫।

এ ছাড়া জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ওয়েবসাইটে (www.bmet.gov.bd) নিবন্ধন-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।

সূত্র: ইন্টারনেট 

*বিদেশেচাকরী* *কর্মজীবীনারী* *ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস*

ক্যারিয়ারগুরু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফ্যাশন ডিজাইনিং সৃজনশীল শিল্পের ব্যাবহারিক শাখা। যুগ যুগ ধরে সামাজিক বিবর্তনের মাধ্যমে পোশাক এবং আনুশাঙ্গিক বস্তুর পরিবর্তন আর মানুষের রুচির সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে ফ্যাশনের । কর্ম ক্ষেত্রে ফ্যাশন ডিজাইনিং সবচেয়ে লাভজনক, আকর্ষণীয়, চাকচিক্যময় এবং উত্তেজনাপূর্ণ পেশা। আপনার মধ্যে যদি সৃজনশীলতা, শৈলী এবং মৌলিকত্ব থাকে তবে ফ্যাশন ডিজাইনিং কে আজকের বিশ্বের প্রতিযোগিতা মূলক পেশার একটি বিকল্প হিসাবে নিতে পারেন।


কেন পেশা হিসাবে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিবেন? এক কথায় যশ, সম্মান, আত্মতৃপ্তি আর উচ্চ মানের বেতন কাঠামো – সবই আপনাকে নিয়ে যাবে সাফল্যর দরজায়। সুতরাং, আপনি যদি রং, আকৃতি ও ডিজাইন দিয়ে ম্যাজিক তৈরি করতে পারেন, তাহলে শুধু একটি পেশাদারী কোর্সের মাধ্যমে শুরু করতে পারেন আকর্ষণীয় এই পেশা।

যোগ্যতা

যোগ্যতা সাধারনত দুই ধরনের

প্রাকৃতিক যোগ্যতা - রঙ, নকশা আর এই দুইয়ের সৃজনশীলতা নিয়ে যারা বেড়ে উঠে,ফ্যাশন ডিজাইনিং তাদের জন্য অনেক খানি সহজ হয়ে যায়।

অর্জিত যোগ্যতা- মান সম্পন্ন স্বীকৃত ফ্যাশন ইনস্টিটিউট থেকে কোর্স করে দক্ষতা অর্জন করা যায় এই পেশায়।এক্ষেত্রে যারা এইচএসসি পাশের পর এ পেশাতে আসাই ভালো।

তবে দক্ষতা হক প্রাকৃতিক অথবা অর্জিত, পেশাদারী মনোভাব, ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা আর কঠোর পরিশ্রমই দিতে পারে সাফল্য।

সিদ্ধান্ত নিন দ্রুত
বিশ্বে যখন ফ্যাশান নিয়ে তোলপাড় তখন পিছিয়ে নাই আমরাও। পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের সাফল্য আর নিত্য নতুন দেশিও ফ্যাশান হাউজ এর কারনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই পেশা। তরুণদের মধ্যে ফ্যাশন ডিজাইনিং পড়া এখন শুধু আর শখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তাই যদি ডিজাইনারই হতে চান শুরু করুন একটু আগে।


ভাবছেন আপনার জন্য ফ্যাশন ডিজাইনিং উপযোগী কি না ?
যাই করুন ভালবেসে করুন – ভেবে দেখুন তো ডিজাইনিং আপনার কেমন লাগে ? রঙ, তুলি আর সেলাইর মেশিনে আগ্রহ আছে? মার্কেটে কোন জামা দেখলে কি মনে হয় কালার টা অন্য রকম হলে ভালো হতো। কখনও কি মনের জোকে করে ফেলেছেন টি-শার্ট এর ডিজাইন। উপরের কিছু না থাক- আছে কি অদম্য ইচ্ছা?

আর এগুলো যদি থাকে আপনার ভিতরে, কে জানি আজ থেকে ৫ বছর পরে আপনার ডিজাইন করা জামা হয়ত উচ্চ দামে কিনতে হবে।

যে বিষয়গুলো এড়িয়ে জলা ভালো
গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড, মিডিয়া, ফ্যাশান শো, তারকা খ্যাতি অথবা কোটি টাকার মালিক হওয়ার লোভে ভুলেও আসবেন না এই পথে। ফ্যাশান ডিজাইন একধরনের শিল্প, বই মুখস্ত করে ডিজাইনার হওয়া যায়না।

পড়বেন কোথায়?
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউট আছে। তার মধ্যে -

·  Bangladesh University of Textiles
·  BGMEA University Of Fashion and Technology. (BUFT)
·  Shanto-mariam University of Creative Technology. (SMUCT)
·  Raffles Design Institute, Dhaka
·  National Institute of Fashion Technology (NIFT)

ব্যায়
৪ বছর মেয়াদি বি এস সি করতে গেলে খরচ সবচেয়ে বেশি যাবে BUFT তে ৫ লক্ষ টাকার উপরে সেমিসটার ফি। বাকি গুলুতে এর চেয়ে কমে পড়তে পারবেন । শর্ট কোর্সে খরচ প্রতিষ্ঠান ভেদে কম বেশি হবে।

(ইন্টারনেট) 
*ফ্যাশনডিজাইনিং* *ফ্যাশনডিজাইনার* *ক্যারিয়ার* *ক্যারিয়ারটিপস*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৭০০

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও