জোবায়ের রহমান

@Frankenstein

I am a student of World University of Mistakes.
business_center চাকুরিজীবি
school অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
location_on ঢাকা
1361865235000  থেকে আমাদের সাথে আছে

জোবায়ের রহমান: এ রেল লাইন ধরে আরেকটু এগিয়ে গেলে কাকে দেখতে পাবো? তুমি অথবা তোমার ছায়া? রোদ পলাতক বিকেল নিহত হয় আততায়ী সন্ধ্যের কাছে। আরেকটু এগিয়ে গেলে ছুঁয়ে ফেলা যেত স্পর্শ, তুমি অথবা গ্যেটের প্রেমের কোন কবিতা। ঘুরে দাঁড়ালে বেটোভেনের সুরে বেজে উঠবে বিমুগ্ধ কুচকাওয়াজ। ঝরে ঝরে পড়বে অজস্র কনকচূঁড়া। এই সমান্তরাল রেখা ধরে তুমি ধীর পায়ে পেরিয়ে যাবে দৃষ্টির সীমানা, আর 'নাথিং লাস্ট ফরেভার' বইয়ের ভাঁজে জমা পড়ে যাবে একটি লজ্জাবতী ফুল। ১১.০১.২০১৯

*কবিতা* *অন্যমনস্ক* *অন্যমনস্কেরজানালা*

জোবায়ের রহমান: অত:পর শুভ্রমেঘে ঢেকে যায় আকাশের নীল পাকা ধানের রঙে চিলতে রোদ হাসে এক পশলা বৃষ্টি এসে ধুয়ে দেয় জীবনের শত গ্লানি আর বালি হাঁসের ডানায় করে কুয়াশা নেমে আসে। শীত আসছে। শুভ জন্মদিন @faheema

জোবায়ের রহমান: আজকের ডিল.কম @ajkerdeal এর মত বাজে অনলাইন শপিং সাইট আর নেই। তাদের ব্যবহারে আমি ক্ষুব্ধ এবং মর্মাহত।

জোবায়ের রহমান: সুবোধ, তুই পালিয়ে যা!

জোবায়ের রহমান: এবং তার ঘুম ভাঙ্গে কোন এক হেমন্তের বিকেলে যখন গাছের ফাঁক গলে হলুদ আলো ঝরছিল। আর সে আলোতে, তাকেই রূপবতী 'হেমন্ত' মনে হচ্ছিল। শুভ জন্মদিন @faheema । অনেক শুভ কামণা রইলো।

*জন্মদিন* *শুভেচ্ছা*

জোবায়ের রহমান: বিচ্ছিন্ন ভাবনাগুলো এক সুতোয় গেঁথে তুলতে গিয়ে, সুতো ছিড়ে যায় বারে বারে। আর আমি পাকা বুননির ভাব নিয়ে, দাঁতে দাঁতে সুতো কেঁটে, কবিতা নামক সুঁই এর লেজে সুতো ঢুকানোর ছুতো খুঁজি। বয়েসে কি বলো? চোখে ছানি পড়ে গেছে সেই কতকাল আগে, চশমাতেও এখন আর চোখে দেখি না। তাই সুঁইয়ের ফোঁড়ে ফোঁড়ে, এখন আর নকশা ওঠে না।

*অন্যমনষ্কের-জানালা*

জোবায়ের রহমান: এই মুহূর্ত, এই সময়টুকু এমন ভাবে প্রবাহিত হচ্ছে যেন গলে যাওয়া কোন নীলকান্তমণির মত নীল নীরবতা। পায়ের নিচে না আছে পৃথিবী, না আছে মাথার ওপর আকাশ নামক ছাদ। গাড় শূণ্যতা। শুধু পাতার মর্মর ধ্বণি বলে, 'তুমি আছো'। আমি...! দীর্ঘশ্বাস আর হৃদস্পন্দন। আমি আর আমার একাকীত্বের গভীরতা জানান দেয়, আমার অস্তীত্ব।

*অস্তিত্ব*

জোবায়ের রহমান: "বেশতো -শনিবারের আড্ডায়" নামে একটি পোস্ট করে একটি সাক্ষাৎকারমূলক আড্ডা করলে ভাল হতো। অনেকদিন হয় 'বেশতোহটসিট' বন্ধ। আর সেলিব্রিটি দের সাথে বেশতো ইউজারদের আড্ডার মাধ্যমে একটা প্রোগ্রাম করা যায়। হয়তো অতিথি দু ঘন্টা থাকলেন। খুব একটা মন্দ হতো না। কি বলেন? @admin

জোবায়ের রহমান: বহুদিন বৃষ্টি নামেনি এই শহরে.... অস্ফুটে কেউ বলেনি, "চলো, আমার সাথে ভিজবে...."

জোবায়ের রহমান: আঁধার কেটে চলছি পথে ছায়া আমার পাশে, সময়গুলো ফেলছি পিছু ঘোলা লুকিং গ্লাসে।

*টুকরোপংক্তি* *অণুকাব্য* *অলসকবির-বিরসকাব্য*

জোবায়ের রহমান: মানসিকতা রাতারাতি বা একদিনে পরিবর্তন হয় না। এর জন্য পরিবেশ লাগে, পরিবেশ তৈরি করতে হয়। শুধু চিৎকার করে আর সচেতনতা দিয়ে হয় না। এমনি এমনি ও হয় না। এরকম ভেবে থাকলে সেটা বরং ভুল। মানুষের যুক্তি আর বক্তব্য পড়েও এর উদ্ভব আপনার মাঝে হবে না। যতক্ষন না আপনার নিজের ভেতর উপলব্ধি ক্ষমতা জন্ম নিবে। কারণ আপনার চালক আপনি নিজেই। কারণ আরেকজনের বক্তব্য পড়ে নিজের মধ্যে মূল্যবোধ আসে না। এ নিজেকেই আবিষ্কার করে খুঁজে পেতে হয়।

জোবায়ের রহমান: ১৯৯০ থেকে ২০০০ এর মধ্যে মরে গেলে ভাল করতাম। কি যুগে যে এসে পড়তে হলো। ভাল লাগে না।

জোবায়ের রহমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

অনেকদিন পর পড়ার টেবিলটার ড্রয়ারটা খুললাম।কেন যেন আর খুলে গোছানো হয়না।আলসে মানুষ তো! কিছুই গুছিয়ে রাখিনা।জিনিসপত্র একটু নাড়া দিতেই অসম্ভব সুন্দর ঘ্রানে নিঃশ্বাস ভরে উঠলো।এটা ওটা ধরে টানাটানি করতে করতে কত জিনিস উঠে আসলো,সাথে একমুঠো স্মৃতি!খুঁজে পেলাম পুরোনো হজমিগুলির  কৌটা, স্টেপলার পিনের প্যাকেট,মোটা বোরো ব্যাটারি,সেই কবেকার অনেকগুলো কালিছাড়া কলম,মাথাধরা বাম, তাসের প্যাকেট,যা কিনা কখনো খেলতেই পারিনি!..পুরোনো হাতঘড়িটা,যেটা ভাঙার পর আর কখনো ঘড়ি পড়িনি।পুরনো চশমার ফ্রেম,এতগুলো রঙের কৌটো,রং পেন্সিল,রং মাখা দুটো তুলি-কি ছবি আঁকিছিলাম কে জানে!আর সম্পূর্ণ করিনি হয়তো।ক্লাস ফাইভে প্রিয় বইটা উইয়ে খাওয়া অবস্থা-অনেক ধকল গেছে বইটার উপর,উইয়ে খেলো,ভাইটা ছিড়ে ফেললো।জুল ভার্ন ,চার্লস ডিকেন্স আরো বিখ্যাত সব বিদেশী লেখকের লেখা ছিল বইটায়।...আম্মুর একটা হাতঘড়ি দেখতে পেলাম।আইসক্রিমের কাঠি-রেখেছিলাম তার উপর রং করবো বলে।.....স্কুল সময়ের কাঁটা কম্পাস, চাঁদা, ঝাপসা হয়ে যাওয়া রিডিংয়ের স্কেল,খুব শখ করে আব্বুর কিনে দেয়া ফাউন্টেন পেনের কালির দোয়াত।..পুরোনো আঁকার খাতা,জলরঙের  প্লেট।...ছোট পাথর-যেগুলোর উপর ছবি আঁকতে এনেছিলাম রাস্তা থেকে খুঁজে খুঁজে।....জমানো স্টিকার,এখনো লাগাইনি কিছুতে।....ঈগলের মতো মাথা কাঁটা ছোট্ট ছুরিটা... আরো কত কি পেলাম,ছুঁয়ে দেখলাম।...আমাকে খুঁজে আনলাম।...আর মিষ্টি ঘ্রাণটা স্মৃতিতে মেখে নিলাম।.....আহ!আমি এক প্রচন্ড  স্মৃতিকাতর ,বুড়ো হতে থাকা মানুষ!
----

জোবায়ের রহমান: সমস্ত ত্যাগ করিলে এবাদত হয় না, কারণ সমস্ত ত্যাগ করিলে মানুষ আর মানুষ থাকে না, অমানুষে পরিণত হয়। শূণ্যতার মধ্যে শূণ্যতাই সম্ভব; যেখানে রূহ- এর মুক্তি মিলে না। তাহা হইলে খোদা কেবল আসমানই সৃষ্টি করিতেন, জমিন করিতেন না। অবশ্য অর্থ-যশ-মানের লোভ ত্যাগ করিতেই হয়, কিন্তু জীবনে সামান্য ঘনিষ্ঠ স্নেহ-মমতার সিঞ্চন না থাকিলে কোনো এবাদতই সম্ভব নয়। পানির অভাবে বৃক্ষ যেমন শুকাইয়া মরিয়া যায়, তেমনি সামান্য স্নেহ না থাকিলে রূহও মরিয়া যায়। -সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

জোবায়ের রহমান: সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো আমাদের চোখ খুলে দিচ্ছে না। এরা বরং মানুষকে করছে অন্ধ, নিজের বুদ্ধি বিবেচনার উপর আস্থা হারাচ্ছে মানুষ।

জোবায়ের রহমান: এই বঙ্গ দেশে প্রতিদিন ধর্ষণ, খুন, চুরি ডাকাতির ঘটনা ঘটে থাকে। এই সমস্যার স্বীকার প্রত্যেক ব্যক্তিই কি সুবিচারের দাবিদার নয়? এ জাতির উচিত শুধু ফেইসবুক না পড়ে সংবাদপত্রটাও একটু পড়ে দেখা। কাগজের দিন কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি একেবারে।

জোবায়ের রহমান: We are the generation of idiots. Smartphones & dumb people. ভাগ্যিস, ২০১৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই। তাহলে এই জেনারেশন ইভেন্ট খুলে যুদ্ধে যেতো। যুদ্ধের ময়দানে গিয়ে চেক ইন দিতো। স্ট্যাটাস দিয়ে তুলোধুনো দিতো। যুদ্ধের কথা লিখতে লিখতে সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটে রচিত হত ক্ষুদে ব্লগ, অজস্র কবিতা, গান। ফেইসবুক যোদ্ধার আগমন ঘটতো আর 'ফিলিং এই, ফিলিং সেই' দেখতে দেখতে মুক্তিযুদ্ধ আর করা লাগতো না।

জোবায়ের রহমান: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

জোবায়ের রহমান-এর রিপোর্ট কার্ড
জাতি তোমার সাফল্যে আজ বিস্ময়ে বিমোহিত, এ বছর তোমার সর্বমোট পয়েন্টঃ ২৪৩০ । তোমার সবচেয়ে বেশি কমেন্ট হওয়া পোস্টে কমেন্ট আছে ১৭৬ টি ।
তোমার করা পোস্টগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৮ % চট পোস্ট
সর্বোচ্চ ৪৪ % জোশ পেয়েছো
তোমার পোস্টে সবচেয়ে বেশি কমেন্ট করেছেঃ ফাহীমা । সর্বমোট কমেন্ট সংখ্যা = ১৩১ টি
তুমি যার পোস্টে সবচেয়ে বেশি কমেন্ট করেছেঃ ফাহীমা । সর্বমোট কমেন্ট সংখ্যা = ৪১০ টি
*আমলনামা* *বেশতোজন্মদিন*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৯,৯৩১

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও