অনি

@Mehatab

একজন সাধারাণ মানুষ
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1368684594000  থেকে আমাদের সাথে আছে

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ঝালমুড়ি ওয়ালা বেশতো! টিনের কোটা চাপড়িয়ে মুড়ি, চানাচুর, ছোলা সাথে কাঁচালংকা, লেবু মিশিয়ে করছো মুড়িগন্ড, বিকেচ্ছো বিকেল থেকে রাত অব্দি! আমার মনটি পড়ে আছে সেই কবে থেকে বিষন্নতা আর মন খারাপের ঝুড়ি হাতে নিয়ে তার সাথে কিছু খারাপলাগা মিলিয়ে আমায় কি বানিয়ে দিবে মুড়িগন্ড? কাঁচালংকা একটু বেশীই দিও চিবিয়ে সব খেয়ে চোখের জলে ঝেটিয়ে বিদেয় করি!

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

নেংটা নাকি নেংটি ইঁদুর সন্দেহ বরাবরই থাকলে স্বভাবগত ভাবেই ধরে নিলাম নেংটি ইঁদুর! নেংটি ইঁদুর সতর্ক চুপটি করে বসে আছে শিকারির উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, নাকি পালাবে! দোটনায়! পড়খ করছে শক্তির সামর্থ্যে পিছিয়ে নাকি এগিয়ে। আলো-আধারীর খেলায় আমি ও অবাক সন্ধ্যায় মাথা আঁচড়ানো চুলগুলো দলা পাকিয়ে নেংটি ইঁদুরের রুপ নেয়ায়!

অনি পোস্টটি শেয়ার করেছে "শুভ শুভ দিন, বেশতোর জন্মদিন"

বেশতো Buzz: বেশতো-র ৫ম বর্ষপূর্তি (খুকখুকহাসি)
জোকস

অনি: একটি জোকস পোস্ট করেছে

"বিয়ে বাড়িতে সবচেয়ে বেশী আফসোস করে বর নিজে, পুরো বাড়িতে সুন্দরী মেয়ে দেখে ভাবে, শালার এতদিন এগুলো কই ছিল?”
*জোকস* *বিয়েবাড়ি* *বর*

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

রক্তে চলছে প্রণয়োল্লাস ------------- অনি
রক্তে চলছে প্রণয়োল্লাস হৃৎপিণ্ডে আঁচড় কাটছে প্রেম উপাখ্যান, বসন্ত এসেছে ধরায় ফাগুনের রঙে রাঙায়িত বৃক্ষ, প্রকৃতি আর প্রেমিকের মন, প্রেমিকের ডেরায় রোজ কড়া নাড়ছে পাহাড়ি উঁচুনিচু পথ, মগডালে বসা কোকিলের সুর, ছড়ায় ডুব দিয়ে ভেসে উঠা পানকৌড়ি, প্রেমিকার হাতের নাগাল ছুঁয়ে পালিয়ে যাওয়া সাদা হাঁস, উনুনের আগুনে লালচে রঙে রাঙায়িত প্রেমিকার মুখ।
সময়ের কাটা গুণে হৃদয় নাচিছে ময়ূরের পেখম খুলে, ওরে মহী, কত পথ দেবো পাড়ি আকুলতায় অবশ এ দেহ, ডাগর ঐ চক্ষে রাখবে দু’চোখ, স্বস্থির নিঃশ্বাস নামবে শিরদাঁড়া বেঁয়ে, ভালোবাসি মহী! দিনের তারতম্যে কিইবা এসে যায়! এ সবই বাহানা বিশেষ দিনের দোহাই দিয়ে মহীর প্রেমে আর একবার প্রাণ ভরে ডুব দেয়া।
ছবি

অনি ফটোটি শেয়ার করেছে
"শুভ জন্মদিন বেশতো"

বেশতো-র ২য় বর্ষ পূর্তিতে (২৮.০২.২০১৫)

*বেশতো* *বর্ষপূর্তি* *জন্মদিন*

অনি: [বসন্ত-শুভেচ্ছা]শুভ জন্মদিন বেশতো! এগিয়ে যাক তোমার পথচলা। হৃদয়ে বাংলাকে ধারণ করে একই প্ল্যাটফরমে সবাইকে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। শুভ কামনা নিরন্তর।

অনি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

এ প্রজন্ম জানে না মধ্য ফেব্রুয়ারীর ইতিহাস।১৯৮৩ সালের ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারী কি ঘটেছিল? ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি না এলে সামরিকতন্ত্র ও স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে উঠতো না। আজ সেই রক্তঝরা দিন।

১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিলো স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্রদের প্রতিরোধ আন্দোলন ও মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দী মুক্তি ও জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে জমায়েত ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে। সেটাই পরিণত হয়েছিল বুট ও বুলেটের দমনে পিষ্ট ছাত্র জনতার প্রথম বিরাট প্রতিরোধে। কে জানত বসন্তের আগুনরাঙা রঙের সঙ্গে মিশে যাবে ছাত্রদের রক্ত !স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্রদের প্রতিরোধ আন্দোলনে প্রথম শহীদের নাম জয়নাল,দিপালী সাহা ,কাঞ্চন । সেদিন স্বৈরাচারের দোসর পুলিশ জয়নালকে গুলিবিদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয়নি, তাঁর শরীর বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। বেয়নেট ফলা আর জয়নালের শরীর থেকে চুইয়েপড়া রক্ত বাংলার পথ-প্রান্তর ভাসিয়ে দেয়। শুধু জয়নাল নয়, ছাত্রদের ওপর পুলিশি তাণ্ডবের সময় শিশু একাডেমীতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা দিপালী সাহা নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়। তবে দিপালীর লাশ পুলিশ গুম করে ফেলে।পুলিশ সেদিন শুধু হত্যা করেই স্থির থাকেনি, বিকেলে ক্যাম্পাসে একটি যুদ্ধ-পরিস্থিতি তৈরি করে সেনাবাহিনী। তার সঙ্গে যোগ দেয় বিডিআর-পুলিশ। শাহবাগ, টিএসসি চত্বর, কলাভবনের সামনে, নীলক্ষেত, কাঁটাবনের রাস্তা ধরে পুরো অঞ্চল ঘেরাও করে ফেলে তারা। অপরাজেয় বাংলার সমাবেশে পুলিশ অতর্কিত লাঠিচার্জ শুরু করে এবং বহু ছাত্রনেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।ভিসি কার্যালয়ে ঢুকে পুলিশ ছাত্রছাত্রীদের মেরে হাত-পা ভেঙে ট্রাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তৎকালীন ভিসি পদত্যাগ করেন। গ্রেপ্তার করে দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে। গ্রেপ্তার করে নেয়া হয় শাহবাগের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে। পরে তাঁদের তুলে দেওয়া হয় আর্মির হাতে। বন্দি ছাত্র-জনতার ওপর চলে প্রথমে পুলিশ ও পরে আর্মির নিষ্ঠুর নির্যাতন।১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী কাঞ্চন চট্টগ্রাম শহরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।১৯৮৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি শহীদ হন রাউফুন বসুনিয়া। এরপর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে।পশ্চিম থেকে আগত ভ্যালেন্টাইনের জোয়ারে ভেসে গেছে রক্তের অক্ষরে লেখা শহীদদের নাম।

এ প্রজন্ম ভুলে যাচ্ছে সেই সব শহীদের কথা। কি দূর্ভাগ্য অামাদের!

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

তোমাতেই বিমোহিত
কতদিন অপেক্ষায় আছি তুমি আসবে আর আমি একটা কবিতা লিখবো, সাড়াশব্দ পেয়ে মহাজাগরণে মেতে উঠবে পৃথিবী প্রাণীকুল, আশরাফুল মাখলুকাত, কত নিয়ম হবে ব্যতিক্রম নতুন করে লিখা হবে রেকর্ডের খাতা। তুমি আসলে ধরায় নেমেছে বসন্ত বিজনে ডাকছে কোকিল দুটো শালিক বসে একসাথে, একইডালে।
বেলি ফুলে সুবাসিত ধরণী, কুল গাছে ফুটেছে নতুন মুকুল। এ কোন ছন্দ সবাই খুশিতে মত্ত!! আর আমি? তোমাতেই মুগ্ধ!! মাতোয়ারা মনে কলম হয়ে গেল স্তব্ধ! কবিতা আর কি লিখবো! আমি ও যে তোমার চোখের মণিতে বিমোহিত।

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভুল নামীয় কাঁটা
সেইই সোয়া যুগ আগে ভুল নামক কাঁটা যখন বিঁধেছে গলায় দলাপাকান ভাতের বড়ি লেবুর রস, অলিভ ওয়েল গলাধঃকরণ কতকিছুই! না কাঁটা আমার নামেনি অদ্ভুতুড়ে এক ভুল ক্ষয় নেই, রূপান্তর নেই উপরন্তু যোগ হয়েছে শাখা-প্রশাখা চেয়েছিলাম উগড়ে দিতে সব ছোটখাটো বড় ভুল সমেত, আপত্তি ছিলো না বেরিয়ে যেতো কতক শুদ্ধতা।

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
২০,৫৪২

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও