শপাহলিক

@Shopaholic

আপনার শপিং পার্টনার
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on শপিং, মার্কেট
1349805600000  থেকে আমাদের সাথে আছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আরেকটি বছর হারিয়ে যাচ্ছে মহাকালের গর্ভে, আসছে নতুন বছর! বিদায়ী বছরটাকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং নতুন বছরে নিজেকে নতুন ভাবে সাজিয়ে নেবার জন্য কেনাকাটায় আজকেরডিল নিয়ে এসেছে ডাবল অফার। বছরজুড়েই নজরকাড়া নানা অফার থাকে আজকেরডিলে তবে একটি বছরের বিদায় আর নতুন আরেকটি বছরের শুরু এই দুইয়ের মেলবন্ধনের মূহুর্তগুলো সাজাতেই ডাবল অফারের আয়োজন। নান্দনিক এই অফারের ফলে অল্প সময়ের জন্য ক্রেতারা দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে ক্যাশব্যাক উইথ ডিসকাউন্ট লুফে নিতে পারবেন।

ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফারের সময়


ডাবল অফারের ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট শুরু হবে ২৮ ডিসেম্বর চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই অফারে একজন ক্রেতা আজকেরডিলের পণ্যের উপর ২০% ডিসকাউন্ট পাচ্ছে এবং নতুন বছর ২০১৯ উপলক্ষে ১৯% ক্যাশব্যাক পাচ্ছে। তবে ১৯% ক্যাশব্যাক পেতে অর্ডার করার পরই পেমেন্ট অগ্রিম বিকাশ করতে হবে। বিকাশ পেমেন্ট করা মাত্রই ১৯% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাবেন ক্রেতারা। পণ্য অর্ডার প্রক্রিয়ায় পেমেন্ট অপশনে গিয়ে অবশ্যই বিকাশ পেমেন্ট সিলেক্ট করতে হবে। বিকাশ পেমেন্ট সিলেক্ট করলেই ক্যাশ পেমেন্ট এর বিস্তারিত প্রসেস জানতে পারবেন। ক্যাশ পেমেন্ট হওয়ার পরপরই ফিরতি মেসেজে আপনাকে ১৯% ক্যাশব্যাক প্রদান করা হবে।

ক্যাশব্যাক শর্ত:
একজন ক্রেতা এই অফার চলাকালীন সময়ে আজকেরডিল থেকে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবে। যে নাম্বার থেকে বিকাশ করা হয়েছে ঐ নাম্বারে ক্যাশব্যাক পাবেন। অফারটি শুধুমাত্র বিকাশ গ্রাহকরা ব্যক্তিগত একাউন্ট দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন। অফারটি পেতে ক্রেতার নিজের বিকাশ একাউন্ট থেকে কেনাকাটার পেমেন্ট বিকাশ করতে হবে। ক্যাশব্যাক শুধুমাত্র সফল ডেলিভারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (অগ্রিম মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট যদি অনিবার্য কারনবশত পণ্য ডেলিভারি করতে না পারে তবে, উক্ত অর্ডারের ক্ষেত্রে এই অফার চলাকালীন সময় পূর্বের প্রদত্ত ক্যাশব্যাক বাদ দিয়ে বাকি টাকা আপনাকে ফেরত দেয়া হবে)। এছাড়াও গ্রাহকরা পেমেন্ট সংক্রান্ত কোনো সমস্যায় পড়লে, ক্যাম্পেইন শেষ হবার পরে তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

ডাবল অফারে যা যা থাকছে:


নতুন বছর উপলক্ষ্যে আজকেরডিলের এই ডাবল অফারে আপনি আপনার পছন্দের সবকিছুই কিনতে পারবেন। তবে এখন যেহেতু শীতকাল এজন্য শীতের পোশাক ও শীত ফ্যাশনকে এই অফারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অফারের আওতায় থাকা উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলির মধ্যে ফুল-স্লীভ টি-শার্ট , লেডিজ উইন্টার ফ্যাশন আইটেম, জ্যাকেট, মেনজ উইন্টার আইটেম, ছেলে ও মেয়েদের অন্যান্য শপিং আইটেম, গৃহসজ্জা পণ্য, কিচেন এন্ড ডাইনিং টুলস, বেল্ট ওয়ালেট, শীতের কসমেটিক্স, জুয়েলারী, গ্যাজেটস, গৃহস্থালী সামগ্রী, ঘড়ি , জুতা, স্যান্ডেল, ফুড বেভারেজ সহ নানা ধরনের উপহার সামগ্রী রয়েছে।

বন্ধুরা, বছর শেষের মাথানষ্ট করা এই অফারটি লুফে নিতে আপনাকে ঢুঁ মারতে হবে আজেরডিলের ওয়েবসাইট www.ajkerdeal.com এ অথবা অফারটির এই লিংকেপেজে মনে রাখবেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফারটির শেষ দিন। সো স্টক শেষ হওয়ার আগেই অফারটি লুফে নিন আর মেতে উঠুন নতুন বছরের নব আনন্দে!

*ডাবলঅফার* *স্মার্টশপিং* *আজকেরডিল* *ক্যাশব্যাক* *ডিসকাউন্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজরেকডিলে শপিং মানে সবসময় অানকমন চমক। ভিন্ন রকম শপিংয়ে অন্য রকম ছাড়! আর সেই ধারাবাহিকতায় বছরের দীর্ঘ মেয়াদী ক্যাশব্যাক অফার চলছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন শপ আজকেরডিল ডটকমে। আজকের ডিল ক্যাশ ব্যাক অফারে মাস জুড়ে সব ধরনের পণ্যের উপর ২০% ইন্সট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাবেন ক্রেতারা। শুধুমাত্র বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট করলেই ২০% ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। ক্যাশব্যাক পেতে আপনার বিকাশ একাউন্টটি 'সক্রিয়' থাকতে হবে। সব ধরনের পণ্যের উপরেই আপনারা এই ক্যাশব্যাক পাবেন।

মাসব্যাপী ক্যাশব্যাক:


আজকেরডিলের মাসব্যাপী ক্যাশব্যাক শুরু হয়েছে ২০ নভেম্বর ২০১৮ থেকে চলবে ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত। যেকোনো আজকেরডিল কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্ট করলেই ২০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাবেন ক্রেতারা। পণ্য অর্ডার প্রক্রিয়ায় পেমেন্ট অপশনে গিয়ে অবশ্যই বিকাশ পেমেন্ট সিলেক্ট করতে হবে। বিকাশ পেমেন্ট সিলেক্ট করলেই ক্যাশ পেমেন্ট এর বিস্তারিত প্রসেস জানতে পারবেন। ক্যাশ পেমেন্ট হওয়ার পরপরই ফিরতি মেসেজে আপনাকে ২০% ক্যাশব্যাক প্রদান করা হবে।

ক্যাশব্যাক শর্ত:


ক) একজন ক্রেতা এই অফার চলাকালীন সময়ে আজকেরডিল থেকে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবে। যে নাম্বার থেকে বিকাশ করা হয়েছে ঐ নাম্বারে ক্যাশব্যাক পাবেন।

খ) একটি বিকাশ ওয়ালেট নম্বর এ সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে (আজকেরডিল সহ অন্যান্য বিকাশ মার্চেন্ট মিলিয়ে)।

গ) অফারটি শুধুমাত্র বিকাশ গ্রাহকরা ব্যক্তিগত একাউন্ট দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন


ঘ) অফারটি পেতে নিজের বিকাশ একাউন্ট থেকে কেনাকাটার পেমেন্ট বিকাশ করুন।

ঙ) ক্যাশব্যাক শুধুমাত্র সফল ডেলিভারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (অগ্রিম মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট যদি অনিবার্য কারনবশত পণ্য ডেলিভারি করতে না পারে তবে, উক্ত অর্ডারের ক্ষেত্রে এই অফার চলাকালীন সময় পূর্বের প্রদত্ত ক্যাশব্যাক বাদ দিয়ে বাকি টাকা আপনাকে ফেরত দেয়া হবে)

চ) এছাড়াও গ্রাহকের পেমেন্ট সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে, ক্যাম্পেইন শেষ হবার পরে তা নিষ্পত্তি করা হবে।

বন্ধুরা, আজকেরডিলের লাখ লাখ পণ্যের উপর এই ক্যাশব্যঅক অফার চলছে। সুতরাং আপনার পছন্দমত পণ্য কেনার সুযোগ মিস করা একদম ঠিক হবে না। মনে রাখবেন, অনলাইন শপিং এর বেস্ট মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। ধামাকা অফারে আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট করা আকর্ষণীয় আরও অফার পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে।

বিকাশের ক্যাশব্যাক অফারে যেকোন পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ক্যাশব্যাক* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *অফার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শাড়ি বাঙালি নারীর ঐতিহ্যের পোশাক। কোন পোশাকে রমনীদের সবচেয়ে ভালো লাগে? এমন প্রশ্ন যদি আপনার কাছেও করি আপনিও এককথায় উত্তর দেবেন শাড়ি। সত্যিই শাড়িতেই বাঙালি নারীদের বেশি সুন্দর দেখায়। তাইতো শাড়ীর আবেদন আজও একটুও কমেনি। শাড়ির উৎপাদন এবং বেচাকেনাও থেমে নেই। বর্তমান বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে তবে অফলাইন মার্কেট গুলোর চেয়ে অনলাইনে শাড়ির কালেকশন অনেক বেশি। শাড়ির দামদর মার্কেট টু মার্কেট ভিন্নতা থাকলেও কমদামে ভালোমানের ফ্যাশনেবল শাড়ি পাওয়া যায় দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস আজকেরডিলে। ৮০০ টাকারও কমদামে পাওয়া যায় এমনই কিছু শাড়ির কালেকশন গুলো নিয়ে আজকের এই পোস্ট।

 

বর্তমানে বিভিন্ন উৎসব ও পার্টি উপলক্ষ্যে সবাই ফ্যাশনেবল শাড়িই বেশি পরতে পছন্দ করেন। কিন্তু যারা বেশি দাম দিয়ে শাড়ি কেনার সামর্থ্য রাখে না তারা ফ্যাশনেবল শাড়ি কোথায় পাবে। এজন্য সহজ মাধ্যম হতে পারেন আজকেরডিল। যেখানে ৮০০ টাকার মধ্যেই আপনি ফ্যাশনেবল শাড়ি পেয়ে যাবেন। তাছাড়া দোকানগুলোতে গিয়ে আপনি শাড়ি কিনলে ‍খুব একটা দেখার সুযোগ থাকে না। একজন কাস্টমারকে কয়টা শাড়িই বা দোকানাদারের পক্ষে দেখানো সম্ভব? এজন্য ফ্যাশনেবল শাড়ি চয়েজ করা ঝামেলা হয়ে যায়। তাছাড়া দামদর না জানলে ৫’শ টাকার শাড়ি বিক্রি করে আপনার কাছে থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে নেয় দোকানীরা।

 

এজন্য সহজ সমাধান হতে পারে অনলাইন শাড়ি বাজারগুলো। যারা অনলাইনে কেনাকাটা করতে ইচ্ছুক তারা খুব সহজে বাড়িতে বসেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন শপিং মল গুলো থেকে অর্ডার করে শাড়িটি কিনে নিতে পারবেন। এখানে ঠকে যাবার কোন ভয় নাই। বাজার দরের চেয়ে কমেই সব ধরনের শাড়ি আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে। আপনি অর্ডার করলে আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে শাড়ি। কাঙ্খিত পণ্য না পেলে রয়েছে ফেরত দেবার সুযোগ তো থাকছেই। সো-অনলাইনে কেনাকাটাতেই এখন রিস্ক কম।

 

আপনারা যারা কমদামে ফ্যাশনেবল শাড়ি কিনতে চাচ্ছেন তাদেরকে বলছি ফ্যাশনেবল শাড়ির সবচেয়ে বড় কালেকশন রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। শাড়িগুলোর দামও রয়েছে সাধ্যের মধ্যে (মাত্র ৪০০ টাকা থেকে শুরু-৮০০ টাকার বেশি না)। চাইলে আপনিও একবার আজকের ডিল ডট কমের এই লিংকটিতে গিয়ে ফ্যাশনেবল শাড়ির কালেকশন দেখে আসতে পারবেন। অথবা কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করেও দেখে নিতে পারবেন।

 
মনে রাখবেন, অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*শাড়ি* *আজকেরডিল* *৮০০টাকারশাড়ি* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নভেম্বর মানেই অনলাইন কেনাকাটায় বিশাল সব ছাড় আর ফ্রি’র ছড়াছড়ি ! দেশের বাইরের ইকমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বাহারি সব ছাড় নিয়ে হাজির হয়। তবে ছাড় ও বিভিন্ন অফারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই দেয় দেশ সেরা অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল। বছর জুড়ে চমকের পর চমক নিয়ে হাজির হয় প্রতিষ্ঠানটি। কিছু দিন আগেই মেগা ফেস্টিভাল টেন টেন শেষ করার পরে এবার বছরের সবচেয়ে বড় ফ্রি’র ছড়াছড়ি নিয়ে হাজির প্রতিষ্ঠানটি। সো একটি কথাই বলবো, ফ্রি থাকলে আসুন ‘ফ্রি’ ডে” তে দিনভর ফ্রি শপিং করুন।

 

দিনটি বেশি দূরে নয় মাঝখানে আর মাত্র ১ দিন বাঁকি তার পরেই কাঙ্খিত ১০ নভেম্বর। আজকেরডিল এই দিনটিকে ফ্রি ডে ঘোষণা করেছে। ১০ই নভেম্বর পুরো দিন জুড়ে - অস্থির " ফ্রি " আয়োজনের সমাহার থাকবে! এছাড়াও থাকবে " ফ্রি " ডে উপলক্ষ্যে স্মরণীয় সব অফার!

১০ নভেম্বর যেসব অফার পাবেন ক্রেতারা:

আগামী ১০ই নভেম্বর আজকের ডিলে পুরো দিন জুড়ে " ফ্রি " ডে উপলক্ষে থাকছে ১ টি কিনলে ১ টি ফ্রি, ২ টি কিনলে ১ টি ফ্রি, ফ্রি ডেলিভারী, প্রতি ঘণ্টায় ফ্রি অর্ডার সহ অস্থির সব অফার! এদিন ক্রেতারা যত পণ্যই কিনুন না কেন প্রত্যেকটি পণ্যের ফ্রি ডেলিভারি পাবেন। একটি পন্য কিনে পছন্দমত আরও একটি পণ্য ফ্রিতে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। একটু দামি পণ্যের ক্ষেত্রে ২টি কিনলে একটি ফ্রিতে নেবার সুযোগ থাকবে। তাছাড়াও প্রতি ঘন্টায় ভিন্ন ধর্মী অফার দেওয়া হবে। অফার গুলো পেতে ক্রেতাদের অবশ্যই আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারতে হবে। আপনার যতই কাজ থাকুক ফ্রি নিতে হলে অবশই আপনাকে একটু ফ্রি সময় বের করতেই হবে।


দিন ব্যাপী আয়োজিত এই ফ্রি ফেস্টিভালে আপনি অংশ নিয়ে কিনে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের পন্য। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসে অনলাইনে অর্ডার করলেই আপনার দুয়ারে পৌঁছে যাবে কাঙ্খিত পণ্য। তবে আর দেরি কেন আজ থেকেই চোখ রাখুন আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। বিস্তারিত জানতে, অফার পেতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ফ্রিডে* *অফার* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাল ফ্যাশনে নিজেকে প্রাণবন্ত আর পরিপাটি রাখতে পুরুষরা প্রতিনিয়ত শেভ করে। রোজকার শেভ দিনে দিনে আপনার ত্বকের মারাত্নক ক্ষতি করতে পারে। তাহলে পরিপাটি থাকবেন কিভাবে? অবশ্যই পরিপাটি থাকতে পারবেন এজন্য ব্যবহার করতে পারেন উন্নতমানের ইলেকট্রিক ট্রিমার দাড়ি কিংবা গোঁফে বাহারি কাট-ছাঁট দিয়ে চাইলে তারকার লুকেও সাজাতে পারবেন নিজেকে। প্রিয় তারকার মতো শেপ দিয়ে চুল কিংবা দাড়ি রাখতে আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে ইলেকট্রিক ট্রিমার। ইলেকট্রিক এই যন্ত্র দিয়ে মুহুর্তেই কোনরুপ কাটা-ছড়ার ঝুঁকি ছাড়াই ইচ্ছেমতো দারুণ সব শেপ দিয়ে নিজের লুকটাই বদলে দিন।

 

হালকা বেয়ার্ড লুক ইদানীং খুব ট্রেন্ডি। এই ধরনের স্টাইল স্টেটমেন্ট রাখতে চাই একটা ভাল ট্রিমার, যাতে খুব সূক্ষ্ণতায় হালকা থেকে ঘন দাড়ি ট্রিমিং করা যায়। ইলেকট্রিক শেভার বা ট্রিমার দিয়ে শেভ করাকে শুকনো শেভিং বলে। এভাবে শেভ করতে ফোম বা জেল ও ব্রাশ লাগে না। ইলেকট্রিক শেভার দিয়ে শেভ করলে কেটে যাওয়ার ভয় থাকে না। এতে চুলকানির সমস্যা হয় না। এটি ঝামেলাবিহীন এবং খুব কম সময়ে শেভ করা যায়।

 

বর্তমান সময়ে আধুনিতার ছোঁয়া সর্বত্র। ম্যানুয়াল রেজারের বদলে এসেছে আধুনিক ইলেকট্রিক শেভার। কম সময়ে ঝুঁকিমুক্ত আরামদায়ক শেভ। অনেক আগে থেকে, মূলত শুরুর দিকে প্রাচীন যুগে ঝিনুকের খোলস, মাছের বড় কাঁটা বা পশুর হাড়ের অংশ দিয়ে চলত ছাঁটাই-কাটাই। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সময় থেকে শুরু হয় দাড়ি-গোঁফ কামানোর প্রথা। ত্বক মসৃণ রাখা তখন খুব কঠিন ছিল পুরুষের জন্য। আর এখন শুধু একটা বোতামের চাপই যথেষ্ট।

 

এগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা আপনি যখন-তখন, ঘরে-বাইরে, যে কোনো জায়গায় সহজে বহন করে ব্যবহার করতে পারবেন। আরামদায়ক শেভের জন্য যন্ত্রটি ভালো। এটি ব্যবহারে কাটার শঙ্কা কমায়। এতে কোনো আলাদা শেভিং ক্রিম বা লোশনের প্রয়োজন হয় না। এগুলো খুব সহজেই যে কোনো ধরনের চেহারায় ব্যবহার করা যায়।

  
ইলেকট্রিক শেভার ও ট্রিমার ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে রাখা ভালো। প্রতিবার না পারলেও তিনবারে অন্তত একবার পরিষ্কার করে রাখুন। মাসে অন্তত একবার ব্লেডগুলো খুলে সাবান পানিতে ধুয়ে নিতে পারেন। শেভারের স্কিনে কখনও ব্রাশ লাগাবেন না। এতে টিকবে বেশি দিন।

এই ট্রিমার ও শেভার গুলো আপনি ইচ্ছে করলে ঘরে বসেই কিনে নিতে পারেন। নতুন মডেলের শেভার ও ট্রিমার সবচেয়ে কম দামে কিনতে ঢুঁ মারুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে দ্রুত ডেলিভারী নিতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ট্রিমার* *ইলেকট্রিকট্রিমার* *শেভার* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত পড়তে শুরু করেছে। সকাল বিকালে বেশ ভালোই শীত অনুভূত হচ্ছে। এমতঅবস্থায় শীতের সকালে কোন পোশাক পরে বের হবেন এরকম চিন্তা যারা করছেন তাদের জন্য সোয়েটার ইজ দ্যা বেস্ট অপশন। অফিসে যেতে হলে শুধু যে স্যুট-কোট পরতে হবে তা নয়। এই শীতে স্টাইলের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে ফুলহাতা শার্ট-টাইয়ের সঙ্গে সোয়েটারও পরতে পারেন । ছেলে মেয়ে সকলের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে রয়েছে বাহারি কালেকশনের সব বাহারি সোয়েটার যেখান থেকে আপনি আনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারবেন।

 

সোয়েটারের ডিজাইনে লাল, নীল, সবুজ, গোলাপি, বেগুনি, কমলাসহ রঙিন সব নকশা ও বুনন সবার মন কাড়বে। সাদা, কালো, ছাই, বাদামি রংগুলো তো থাকছেই। উষ্ণতা দেয়ার পাশাপাশি সোয়েটার এখন হয়ে উঠেছে ছেলেমেয়েদের অন্যতম ফ্যাশন অনুষঙ্গ। শীতের প্রকোপভেদে তাই এখন হালকা, ভারি, ফরমাল, ক্যাজুয়াল, ফ্যাশনেবল বিভিন্ন ধরনের সোয়েটারে সেজে উঠেছে শপিংমলগেুলো বাদ যায়নি অনলাইন শপগুলোও।

 
বর্তমানে কাট, বড় কলার আর বোতামের ফ্যাশন বেশ চলছে। তাছাড়াও শার্ট, ব্লেজার ও কোট কলার ধাঁচের। এর সঙ্গে ভি ও গোল আকৃতি এবং বন্ধ গলা তো রয়েছেই। ফুলহাতা সোয়েটারের ধারায়ও এবার বৈচিত্র্য এসেছে। কোনোটি ঝোলা আলখাল্লা ঘরানার, আবার কোনোটি কোমর ও হাতের কাছে চাপা। কোনোটিতে আবার বেল্ট ব্যবহার হয়েছে, কোনোটি বা ট্রেঞ্চ কোট কাটের। মজার ব্যাপার হলো, পোশাকের ওপর শীতের সোয়েটারখানি চাপানোর পর এবার আর পোশাক ঢেকে পড়ার দুঃখ থাকবে না আপনার। কারণ সোয়েটারটাই যে দারুণ ফ্যাশনেবল!

 

যারা পাশ্চাত্য পোশাকে অভ্যস্ত, তারা যেমন ইচ্ছামতো বেছে নিতে পারেন পছন্দসই শীতের পোশাকটি, তেমনি দেশীয় পোশাকের সঙ্গেও সহজে মানিয়ে যাবে এসব সোয়েটার। টি-শার্ট ও শার্টের ওপর হালকা শীতে যেমন পরতে পারেন হাতাকাটা সোয়েটার, তেমনি শীতের প্রকোপ বেশি হলে বেছে নিতে পারেন স্ট্রাইপ ও চেকের ফ্যাশনেবল ফুলহাতা সোয়েটারও।

  
ছেলে ও মেয়েদের ফ্যাশনেবল সোয়েটার মিলবে ৩০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। আর হাতাকাটা কিংবা হাতাসহ সোয়েটার পাবেন আরও কমদামে। এই সবগুলো সোয়েটার দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে কিনতে পারবেন ঘরে বসেই। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে দ্রুত ডেলিভারী নিতে এবং সাধ্যের মধ্যে সোয়েটার কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*সোয়েটার* *শীতফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকালের কুয়াশা আর বিকেলের ঠান্ডা বাতাস শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে। আর শীতকে সামনে রেখে প্রস্তুত হচ্ছেন এ প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা। তরুণরা এখন আর শীতের জ্বালা সহ্য করবে না, এবার তারা শীতকেই জ্বালা দিতে চায় জ্যাকেট পরে। এজন্য বেছে নিচ্ছে হবে ভালোমানের স্টাইলিশ জ্যাকেট যেটাতে শীতও মরবে আবার ফ্যাশন হবে।

 
তরুণ-তরুণীরা যারা ক্যাজুয়াল ফ্যাশন বেশি পছন্দ করেন তাদের জন্য শীত ফ্যাশনে সঙ্গী হতে পারে ক্যাজুয়্যাল জ্যাকেট। ফ্যাশনের পাশাপাশি এই শীতে উষ্ণতা পেতে গায়ে জড়িয়ে নিতে পারেন ফ্যাশনেবল জ্যাকেট। ক্যাজুয়াল এই জ্যাকেট গুলো উষ্ণতা দেয়ার পাশাপাশি আপনাকে করে তুলবে দারুণ স্টাইলিশ। এবার শীত উপলক্ষ্যে বাজারে বিভিন্ন ডিজাইন ও মডেলের জ্যাকেট পাওয়া যাচ্ছে। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে প্রতিদিন শতশত জ্যাকেট কিনছে ক্রেতারা।

  
তরুণ-তরুণীদের কথা মাথায় রেখে উপরের জ্যাকেটের প্যাটার্নে এখন বেশ নতুনত্ব আনা হয়েছে। এগুলো ছাড়াও সিনথেটিক এবং মিক্সড লেদারের জ্যাকেটও রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। এগুলো অফিসের ক্যাজুয়াল পোশাক থেকে সান্ধ্য পার্টি ঘুরে নৈশ আড্ডাতেও দারুণ মানিয়ে যাবে।

 

লেদারের জ্যাকেটের মধ্যে বেসিক ওয়েস্টলেস জিপ ফ্রন্ট জ্যাকেট, ক্লাসিক লেন্থ জিপ ফ্রন্ট, টু বাটন, ফোর বাটন, ভেলেন্ট লেদার রাইডিং জ্যাকেট, ইলাস্টিক, বোম্বার স্টাইল, মোটরবাইক, পুলিশ জ্যাকেট, পাঙ্ক, রকস্টার, এভিয়েটর লেদারের জ্যাকেটও কিনে নিতে পারেন। তাছাড়াও কনটেন্টটির ছবিতে যেসব ক্যাজুয়াল জ্যাকেট দেখতে পাচ্ছেন সেগুলো বেশ স্টাইলিশ এবং এবছরের বিক্রির শীর্ষে রয়েছে।

 

জ্যাকেটের লেটেস্ট কালেকশন থেকে সেরা জ্যাকেট কিনতে চাইলে অন্যতম মাধ্যম হতে পারে আজকেরডিল ডটকম। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে ফ্যাশনেবল জ্যাকেট কিনতে চাইলে আজকের ডিল ছাড়া আর সহজ উপায় কি হতে পারে। কারণ আজকের ডিলে আছে ক্যাজুয়াল সহ বিভিন্ন ধরনের আনকমন জ্যাকেটের অস্থির কালেকশন ! সেই সাথে সারা দেশে দ্রুত ডেলিভারীর ব্যবস্থা তো রয়েছেই। যারা অনলাইন থেকে সাশ্রয়ী দামে ফ্যাশনেবল জ্যাকেট কিনতে চান তারা এখানে ক্লিক করুন

*জ্যাকেট* *শীতফ্যাশন* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে এখন না শীত না গরম ভাব বিরাজ করছে। কিছু দিনের মধ্যে গরমকে বিদায় জানিয়ে শীত তার জায়গা দখল করে নিবে। তবে রোদকে ফাঁকি দিয়ে সকাল বিকালে হালকা শীত কিন্তু তার আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে। নাতিশীতোষ্ণ এই সময়টাতে পোলোশার্ট পরলে কিন্তু মন্দ হয় না! সারাদিন ঘোরাঘুরির জন্য হাফস্লিভ এবং বিকালে বা সন্ধ্যায় ঘোরাঘুরির জন্য ফুলস্লিভ পোলোশার্ট বেছে নিতে পারেন।

 

দিন এখন শুরু হচ্ছে হালকা মোটা পোশাকে। পোশাকের এই পরিবর্তনে ছেলেদের ফুলস্লিভ পোলো শার্টেই এখনকার চলতি ফ্যাশনটা বেশ জমে উঠেছে। পোলো শার্টের চাহিদা এখন সার্বজনীন। সব বয়সী মানুষ পরতে পারে। শুধু ব্যক্তিত্ব আর রুচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট পোলো শার্ট বাছাই করে নিলেই হলো।

 

যারা দুপুরে কিংবা সকাল ৯টার পরে বাসা থেকে বের হচ্ছেন তারা হাফস্লিভ পোলো শার্ট পরে নিচ্ছেন। ভার্সিটি ও কলেজগামী ছেলেদের গায়ে এখন পোলোশার্ট শোভা পাচ্ছে। তবে গুণে মানে পোলোর প্রসার বেশি হওয়ায় সববয়সীদের মাঝেই এটি জনপ্রিয়।

 

বর্তমানে একরঙা পোলো শার্ট বেশ চলছে, সাথে স্ট্রাইপ পোলো শার্টও অনেকের পছন্দ। ব্র্যান্ডভেদে পোলো শার্টের কাপড় ও বোতামের ডিজাইনে রয়েছে ভিন্নতা। ডিজাইনে স্ট্রাইপ ও এক কালার যেমন রয়েছে, তেমনি কোনো কোনো পোলো শার্টে তিন থেকে চারটি বোতামও দেখা যায়। আবার কোনোটিতে দুই বা তিনটি বোতাম। বোতামবিহীন পোলো শার্টের কদরও এখন বেশ।

ফ্যাশনের জন্য অল্প বোতামের পোলোর চাহিদাই বেশি বাজারে। এই বোতামের ডিজাইনেও আছে বৈচিত্র্য। মেটালের তৈরি বোতাম পোলো শার্টে নিয়ে এসেছে ভিন্নমাত্রা। এক রঙের পোলো শার্টের পাশাপাশি চলছে স্ট্রাইপ পোলো শার্ট। হালকা গড়নের হাতে রাবার ছাড়া কাফ পোলো বেশি মানানসই। যে গড়নের শরীর হোক না কেন, ঢিলেঢালা শার্ট না পরে বেছে নিন ফিট কিংবা সেমি ফিট পোলো শার্ট।

পোলো শার্টের রঙে ও নকশায় এসেছে বৈচিত্র্য। তবে হালকা রঙের পোলো শার্টের কদর বেশি। যেকোনো জায়গায় স্বাচ্ছন্দ্যে পরা যায়, তাই পোলো পরাতেই বেশি পছন্দ করেন সবাই।

কোথায় পাবেন

  

পোলো শার্ট সবজায়গাতেই পাবেন কিন্তু অনলাইন প্লাটফর্মে যত রকমের ভিন্ন ভিন্ন পোলো শার্ট আছে এতো ভিন্নতর পোলো বাইরের মার্কেটে পাওয়া সম্ভব নয়। আর অনলাইনে কেনার একটি সুবিধা হচ্ছে আপনি ঘরে বসে অর্ডার করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী পোলো শার্ট অর্ডার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকেরডিলকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী আর ভরসার জায়গা বলে মনে হয়েছে, কারণ ওদের সাইটে প্রায় ৩০০০ রকমের পোলো শার্টের কালেকশন রয়েছে। তাদের কাছ থেকে পোলো শার্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*পোলোশার্ট* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনলাইন শপিংয়ে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দিতে নান্দনিক সব ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিল। অ্যাপস, ডেস্কটপ ও মোবাইল সবগুলো ভার্সন থেকে কেনাকাটায় ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে নতুন নতুন সব অফার! নতুন অ্যাপ রিলিজের পর থেকে অ্যাপের মাধ্যমে আরও বেশি আয় করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। অ্যাপসটিতে যুক্ত করা হয়েছে গ্রুপ শপিং ফিচার যার সাহায্যে গ্রুপ তৈরী করে বিশাল ছাড়ে ক্রেতারা পণ্য কিনতে পারবেন। শুধু অ্যাপস নয় ডেস্কটপেও এই সুবিধা রাখা হয়েছে। অ্যাপসে যুক্ত আছে স্পিন হুইল যার সাহায্যে স্পিন করে যেকোন পণ্যের উপর ৭০-৮০% ছাড় পাওয়া সম্ভব। চলুন কিভাবে আয় করবেন আর কি কি থাকছে অফারে জেনে নেওয়া যাক।

গ্রুপ শপিং


গ্রুপ শপিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন আজকেরডিলের অ্যাপস, মোবাইল ভার্সন এবং ডেস্কটপ থেকে। এজন্য আপনাকে প্রথমেই যেকোন একটি প্রোডাক্টের জন্য গ্রুপ তৈরী করতে হবে ও প্রোডাক্টির দামের সমপরিমান টাকা অগ্রিম গ্রুপ ফি হিসেবে জমা রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রুপ সফলভাবে শেষ হলে আপনার অগ্রিম টাকা ও প্রযোজ্য বোনাস আয় একসাথে ফেরত পাবেন। গ্রুপ সম্পূর্ণ না হলেও অগ্রিম দেওয়া গ্রুপ ফি ৭ দিনের মধ্যে ফেরত পাবেন। ডেস্কটপ ভার্সনের এই লিংকে ক্লিক করলে গ্রুপ শপিংয়ের জন্য নির্ধারিত কিছু পণ্য পেয়ে যাবেন।

প্রোডাক্ট ফ্রি নিবেন যেভাবে


যে প্রোডাক্টটি আপনি ফ্রি কিনতে চান সেটি ফ্রি নিতে হলে আপনাকে পণ্যটির সমপরিমান টাকা জমা দিতে হবে। এরপর ঐ প্রোডাক্টটি কিনতে ১০ জনের গ্রুপ তৈরী করতে হবে। গ্রুপের ঐ ১০জন যদি পণ্যটি কেনে তাহলে আপনি পণ্যটি ফ্রি পাবেন এবং সাথে সাথে অগ্রিম জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন। এবং আপনার গ্রুপের যে ১০ জন পণ্যটি কিনবে তারাও ৫০% ছাড় পাবে। ধরুন পণ্যের দাম ৭০০ টাকা। এটা যদি গ্রুপ এর মাধ্যমে ক্রয় করে তাহলে ১০ জনই পন্যটি ৩৫০ টাকায় কিনতে পারবে। আর আপনি যেহেতু গ্রুপ তৈরী করেছেন সেকারণে আপনি পণ্যটি ফ্রিতে পেয়ে যাবেন।

স্পিন হুইল

স্পিন হুইল হচ্ছে ‘খেলুন – জিতুন’ শপিং গেম। প্রতিদিন একজন অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ তিনবার এই অ্যাপের মাধ্যমে 'স্পিন দা হুইল’ গেমটি খেলতে পারবে এবং তার পছন্দের প্রোডাক্টের উপর বিভিন্ন ছাড় (৭০% পর্যন্ত), একটা কিনলে একটা ফ্রি অফার, ফ্রি ডেলিভারি বা ফ্রি রাইড নিতে পারবে। " অফার টি উপভোগ করতে আজকেরডিল ‘মোবাইল অ্যাপ’ গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে। "

যেভাবে পয়েন্ট কামিয়ে আয় করবেন?


আপনাকে প্রথমে গুগলের প্লে স্টোরের এই ঠিকানায় গিয়ে আজকেরডিলের শপিং অ্যাপসটি আপনার স্মার্টফোনে ইন্সটল করতে হবে। "প্রথমবার অ্যাপ ইন্সটল করলেই আপনি ১০০ পয়েন্ট পেয়ে যাবেন এবং লগইন করার সাথে সাথে আরও এক্সট্রা ৫০ পয়েন্ট পাবেন। এছাড়াও যেকোন ভার্সন থেকে প্রোডাক্ট শেয়ার, প্রতিদিন অ্যাপস ভিজিট, প্রশ্নোত্তর , রিভিউ, রেটিং ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে পয়েন্ট আয় হবে। যতবেশি পয়েন্ট আয় করবেন ততবেশি ইনকাম হবে। এই পয়েন্ট গুলোকে আপনি টাকায় কনভার্ট করে আজকেরডিল থেকে ইচ্ছেমত শপিং করতে পারবেন।

তাহলে আর দেরী কেন বন্ধুরা, আজই ঢুঁ মারুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। গুগল প্লে স্টোর থেকে আজকেরডিলের মোবাইল অ্যাপস নামিয়ে নিলে আপনি আরও বাড়তি  কিছু অফার লুফে নিতে পারবেন। আজকেরডিল ডটকমের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করতে আপনাকে গুগল প্লে স্টোরে যেতে হবে। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে AjkerDeal Online Shopping BD লিখে সার্চ করে অ্যাপসটি ইনস্টল করুন। অথবা এই লিংক goo.gl/2G6AQK এ ক্লিক করুন।

*অনলাইনশপিং* *গ্রুপশপিং* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *মোবাইলঅ্যাপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যেখানেই যাই ব্যাগ চাই। স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি কিংবা ভ্রমণ যেখানেই যান ব্যাগ দরকার। বই, খাতা-কলম থেকে শুরু করে আপনার প্রয়োজনী জিনিস গুলো বহনের জন্য ব্যাগ যেমন দরকারি ঠিক ল্যাপটপ কিংবা দূর ভ্রমনে প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ গুলো গুছিয়ে নেবার জন্য ব্যাগ সমান উপযোগী। শুধু তাই নয় বর্তমান সময়ে ব্যাগ ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গ। যার কাঁধে যত ভালো ব্যাগ সে তত বেশি স্টাইলিশ।

 
সময়ের সাথে সাথে ব্যাগের স্টাইলেরও পরিবর্তন হচ্ছে। আগের লম্বা ও ঝোলা ব্যাগগুলো ক্রমেই আধুনিক ও স্টাইলিশ হচ্ছে। শুধু ভ্রমণ নয়, হাল আমলে ফ্যাশনপ্রেমী তরুণ-তরুণীদের পিঠে এখন ঝুলতে দেখা যাচ্ছে ব্যাগপ্যাক। প্রয়োজন আর ভ্রমণের ব্যাপ্তির ওপর নির্ভর করে এখন নানা সাইজের স্টাইলিশ ব্যাগপ্যাক বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব ব্যাগ তরুণরা বেশি ব্যবহার করলেও আজকাল সব বয়সীর ফ্যাশন প্রেমীদের দখলে চলে এসেছে এসব ব্যাগ।

 

প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রগুলি স্বাচ্ছন্দ্যে বহন করার জন্য আজকাল বাজারে বিভিন্ন রকম ব্যাগপ্যাক পাওয়া যাচ্ছে। ল্যাপটপ রাখা কিংবা ক্লাসে ব্যবহারের জন্য রয়েছে আলাদা ব্যাগপ্যাক। এ ছাড়া হাতে ঝোলানোর জন্যও রয়েছে নানা রকম সুদৃশ্য ব্যাগ। বর্তমানে একধরনের স্মার্টব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে যেগুলোর ভিতরে মোবাইল রেখে ব্যাগর নিদিষ্ট স্থানে হেডফোন কানেকশন জুড়ে দিলেই গান শোনা যাবে। ইমারজেন্সি মুহূর্তে ফোনে চার্জ দেবার জন্য কিছু কিছু ব্যাগে ইউএসবি পোর্ট সংযুক্তআছে।

ভ্রমণের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সাইজের ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। ল্যাপটপ, পোশাক ও নানা রকম অ্যাক্সেসরিস ক্যারি করার জন্য অনেক পার্টের ব্যাগ পাওয়া যায়। অনেকেই এখন ট্রলিব্যাগ ও হ্যান্ডব্যাগের পরিবর্তে পিঠে ঝোলানো ব্যাগ ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এসব ব্যাগ ব্যবহার করতে যেমন সুবিধা, তেমনি ফ্যাশনেবল। এসব ব্যাগের আরেকটি সুবিধা হলো ওজনে এটি হালকা এবং একসঙ্গে অনেক অপশন এতে আছে।

 

অনেকেই আছেন হ্যান্ডব্যাগে ল্যাপটপ ক্যারি করতে চান না। তাদেন জন্য নানা রকম পিঠে ঝোলানোর ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব ব্যাগের মধ্যে কাপড় দিয়ে তৈরি ব্যাগের দামটা হাতের নাগালে থাকায় এর চাহিদা বেশি। বর্তমানে কাঁধে ঝোলানো কিংবা পিঠে নেওয়া ব্যাগে স্ক্রিন প্রিন্টের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে লোকজ নানা মোটিভ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে ব্যবহার উপযোগী কাপড়, রেক্সিন ও আর্টিফিশিয়াল লেদারের নানা রকম ব্যাগপ্যাক তৈরি হচ্ছে। ব্যবহারের সুবিধার জন্য এসব ব্যাগ হাল আমলে তরুণদের মাঝে খুবই জনপ্রিয়। আর দামটাও হাতের নাগালে।


ব্যাগ প্যাকের চাহিদার উপর নির্ভর করে নতুন সব মডেল তুলে দিতে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে ব্যাগপ্যাকের বিশাল সংগ্রহ শালা। এখানে সবচেয়ে লেটেস্ট কালেকশনের ব্যাগপ্যাক পাবনে। ছেলে মেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা ডিজাইনের ব্যাগ রয়েছে। এছাড়াও ট্রাভেলার, শিশু ও স্কুল গামী বাচ্চাদের জন্য এক্সক্লুসিভ সব ব্যাগ রয়েছে আজকেরডিলে। আজকেরডিলের ওয়েবসাইট থেকে লেটেস্ট কালেকশনের ব্যাগপ্যাক কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ব্যাগপ্যাক* *স্টাইলিশব্যাগ* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টেলিভিশন বর্তমান সময়ের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। একটি ভালো মানের টিভি কিনে আপনিও হারিয়ে যেতে পারেন রঙিন দুনিয়ায়। সিনেমা হলে মুভি দেখা কিংবা মাঠে বসে খেলা দেখার পুরো আনন্দটা উপভোগ করতে পারবেন ঘরে বসেই। এজন্য ঝকঝকে ছবি আর ক্লিয়াার সাউন্ডের নিশ্চয়তা দেয় এমন একটি টিভি ঘরে আনলেই হবে।


যুগের প্ররিক্রমায় আগেকার সেই সাদাকালো টিভির পাশাপাশি সাধারণ রঙ্গিণ টিভিকেও গুডবাই বলার দিন এসেছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষতা স্মার্ট, এলসিডি ও এলিডি টিভি এখন আপনাকে দিচ্ছে ক্রিস্ট্রাল ক্লিয়ার সাউন্ড ও ছবি দেখার নিশ্চয়তা। এ ধরনের একটি ভিভি আপনার বাড়িতে থাকলে নিশ্চয় মন্দ হয় না? সিনেমা হলে ছবি দেখার স্বাদ চাইলে আপনি ঘরে বসেই নিতে পারবেন বড় স্ক্রিনের এলইডি টিভির মাধ্যমে।

যারা অনেক দিনে থেকেই টেলিভিশন কেনার কথা ভাবছেন কিন্তু বাজেটে কুলাচ্ছেনা। তারা সাধ্যের মধ্যে সবটুকু চাহিদা পূরণের জন্য আজই ঢুঁ মারতে পারেন আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। আজকেরডিল থেকে আপনি যেকোন ব্র্যান্ডের এলইডি, এলসিডি ও স্মার্ট টিভি কিনতে পারবেন ০% সুদে। ৩ মাস কিংবা ৬ মাসের কিস্তিতে আপনি এই টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।


আজকেরডিল ছাড়াও রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বড়বড় টিভি শো রুম ও ব্র্যান্ড গুলোর নিজস্ব আউটলেট থেকে টিভি কিনতে পারবেন। কিন্তু আজকেরডিলের মত এত্তো সুবিধা কেউ দেবে না। যারা মার্কেটে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে চান না তারা ঘরে বসে আকর্ষনীয় দামের এই এলইডি টিভি গুলো দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দমত অর্ডার করে কিনে নিন। আপনার চাহিদা মত দেশের যে কোন প্রান্তে তারা আপনার পন্যটি পৌঁছে দেবে। এতে আপনার বহন করার ঝামেলাটাও কমে যাবে।

তাহলে আর দেরি না করে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের টিভি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *টিভি* *আজরেকডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনলাইন শপিংয়ে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দিতে নান্দনিক সব ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিলের মোবাইল অ্যাপস। নতুন এই অ্যাপসে ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে নতুন নতুন সব অফার! এবারের রিলিজে অ্যাপের মাধ্যমে আরও বেশি আয় করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। অ্যাপসটিতে যুক্ত করা হয়েছে গ্রুপ শপিং ফিচার যার সাহায্যে গ্রুপ তৈরী করে বিশাল ছাড়ে ক্রেতারা পণ্য কিনতে পারবেন। যুক্ত আছে স্পিন হুইল যার সাহায্যে স্পিন করে যেকোন পণ্যের উপর ৭০-৮০% ছাড় পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও দেশে এই প্রথমবারের মতো শপিং প্লাটফর্ম-এ আজকেরডিল নিয়ে এসেছে ‘সোশ্যাল শপিং’ ফিচার। চলুন কিভাবে আয় করবেন আর কি কি থাকছে অ্যাপসে জেনে নেওয়া যাক। 

গ্রুপ শপিং


গ্রুপ শপিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন আজকেরডিলের নতুন অ্যাপস থেকে। এজন্য আপনাকে প্রথমেই যেকোন একটি প্রোডাক্টের জন্য গ্রুপ তৈরী করতে হবে ও প্রোডাক্টির দামের সমপরিমান টাকা অগ্রিম গ্রুপ ফি হিসেবে জমা রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রুপ সফলভাবে শেষ হলে আপনার অগ্রিম টাকা ও প্রযোজ্য বোনাস আয় একসাথে ফেরত পাবেন। গ্রুপ সম্পূর্ণ না হলেও অগ্রিম দেওয়া গ্রুপ ফি ৭ দিনের মধ্যে ফেরত পাবেন।

প্রোডাক্ট ফ্রি নিবেন যেভাবে


যে প্রোডাক্টটি আপনি ফ্রি কিনতে চান সেটি ফ্রি নিতে হলে আপনাকে পণ্যটির সমপরিমান টাকা জমা দিতে হবে। এরপর ঐ প্রোডাক্টটি কিনতে ১০ জনের গ্রুপ তৈরী করতে হবে। গ্রুপের ঐ ১০জন যদি পণ্যটি কেনে তাহলে আপনি পণ্যটি ফ্রি পাবেন এবং সাথে সাথে অগ্রিম জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন। এবং আপনার গ্রুপের যে ১০ জন পণ্যটি কিনবে তারাও ৫০% ছাড় পাবে। ধরুন পণ্যের দাম ৭০০ টাকা। এটা যদি গ্রুপ এর মাধ্যমে ক্রয় করে তাহলে ১০ জনই পন্যটি ৩৫০ টাকায় কিনতে পারবে। আর আপনি যেহেতু গ্রুপ তৈরী করেছেন সেকারণে আপনি পণ্যটি ফ্রিতে পেয়ে যাবেন।

স্পিন হুইল

স্পিন হুইল হচ্ছে ‘খেলুন – জিতুন’ শপিং গেম। প্রতিদিন একজন অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ তিনবার এই অ্যাপের মাধ্যমে 'স্পিন দা হুইল’ গেমটি খেলতে পারবে এবং তার পছন্দের প্রোডাক্টের উপর বিভিন্ন ছাড় (৭০% পর্যন্ত), একটা কিনলে একটা ফ্রি অফার, ফ্রি ডেলিভারি বা ফ্রি রাইড নিতে পারবে। " অফার টি উপভোগ করতে আজকেরডিল ‘মোবাইল অ্যাপ’ গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে। "

যেভাবে আরও পয়েন্ট কামাতে পারবেন:


আপনাকে প্রথমে গুগলের প্লে স্টোরের এই ঠিকানায় গিয়ে আজকেরডিলের শপিং অ্যাপসটি আপনার স্মার্টফোনে ইন্সটল করতে হবে। "প্রথমবার অ্যাপ ইন্সটল করলেই আপনি ১০০ পয়েন্ট পেয়ে যাবেন এবং লগইন করার সাথে সাথে আরও এক্সট্রা ৫০ পয়েন্ট পাবেন। এছাড়াও প্রোডাক্ট শেয়ার, প্রতিদিন অ্যাপস ভিজিট, প্রশ্নোত্তর , রিভিউ, রেটিং ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে পয়েন্ট আয় হবে। যতবেশি পয়েন্ট আয় করবেন ততবেশি ইনকাম হবে। এই পয়েন্ট গুলোকে আপনি টাকায় কনভার্ট করে আজকেরডিল থেকে ইচ্ছেমত শপিং করতে পারবেন।

তাহলে আর দেরী কেন বন্ধুরা, আজই গুগল প্লে স্টোর থেকে আজকেরডিলের মোবাইল অ্যাপস নামিয়ে বিভিন্ন অফার লুফে নিন। আজকেরডিল ডটকমের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করতে আপনাকে গুগল প্লে স্টোরে যেতে হবে। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে AjkerDeal Online Shopping BD লিখে সার্চ করে অ্যাপসটি ইনস্টল করুন। অথবা এই লিংক goo.gl/2G6AQK এ ক্লিক করুন।

*অ্যাপস* *আজকেরডিল* *আজকেরডিলমোবাইলঅ্যাপস* *বেশতো* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্যান্ট বর্তমান ফ্যাশনের সর্বাধিক পরিধেয় অনুসঙ্গ। একটা সময় প্যান্ট ছিল অভিজাত লোকদের পরিধেয় কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে প্যান্ট সঙ্গী হয়েছে আপমর জনতার। আগে মানুষ শুধু বাইরে বের হবার জন্য প্যান্ট পরত কিন্তু সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে প্যান্ট এখন ২৪ ঘন্টার সঙ্গী হয়েছে। এজন্য অবশ্য বাহারি ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মডেলের প্যান্টও বাজারে এসেছে। বাইরে বের হলে জিন্স, খেলতে গেলে টাউজার আর রাতে শোবার সময় শর্টস সহ বিভিন্ন প্যান্টের সর্বোত্তম ব্যবহার হচ্ছে। চলুন কিছু লেটেস্ট ডিজাইনের আকর্ষণীয় প্যান্ট দেখে নেওয়া যাক।

 

বর্তমানে প্যান্ট শুধু ছেলেদের পরিধেয় হিসেবে ব্যবহারিত হচ্ছে না, বিভিন্ন ধরনের জিন্স প্যান্ট এখন মেয়েরাও ব্যবহার করছে। এক সময় জিন্স মানেই ছিল অনেক মোটা কাপড় আর শীতের সময়ে পরার জন্য আরামদায়ক এমন পোশাক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে জিন্স। জিন্স এখন শীত গরম দুই সময়ে পরা হচ্ছে। বাজারে জিন্সের সাথে কার্গো, গ্যাবার্ডিন ও কটন প্যান্টগুলো জায়গা করে নিয়েছে। যেহেতু তরুণ-তরুণীরা দিনের অনেকটা সময় বাইরে থাকে, তাই তাদের আরামের কথা ভেবেই এখন জিন্সের প্যান্ট তৈরি করা হয়। জিন্স প্যান্টের রং ও সুতার ব্যবহারে এখন মাথায় রাখা হয় ঋতু। তাই শীত-গ্রীষ্ম সব সময়ই জিন্স পরা আরামদায়ক।

  

জিন্স প্যান্টের সাথে পাল্লা দিয়ে সোয়েট ,জগার্স, চুজ কটন ও অন্যান্য স্টাইলিশ প্যান্টর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এগুলো প্যান্ট যেকোন সময় পরা যায়। এটি ক্যাজুয়াল ও আরামদায়ক হওয়ায় প্রতিদিন পরছে এখনকার তরুণরা। প্রিন্টেড কটন কিন্ট প্যান্ট গুলো স্টাইলিশ তরুণরা বেশি পরছে। যারা ডিফেন্সের লুকে নিজেকে সাজাতে চান তারা চাইলে কিন্তু আর্মি প্যান্ট পরতে পারেন।

 


গরমের দিনে স্বস্তি খুঁজতে পরিবর্তন আনতে হয় পোশাকে। এই যেমন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায়, বাসায় থাকলে কিংবা আশপাশে কোথাও গেলে তো আর ফরমাল পোশাক পরা যায় না। গরমে স্বস্তিদায়ক পোশাকগুলোই বেশি কাম্য। এ সময়ে জিন্সের পাশাপাশি গ্যাবাডিন, শর্ট ও কার্গো প্যান্ট হতে পারে ভালো সঙ্গী। তরুণ থেকে মধ্যবয়সীদের জন্য এটি পারফেক্ট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

  

দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস গুলোতেই শীতের সেরা প্যান্ট গুলো পেয়ে যাবেন। তবে আকর্ষনীয় ও বাহারি ডিজাইনের স্টাইলিশ ও গর্জিয়াস প্যান্ট কিনতে চাইলে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। আজকের ডিলে রয়েছে বাহারি সব প্যান্টের এক্সক্লুসিভ কালেকশন। নিজের জন্য অথবা প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে দেয়ার জন্য প্যান্ট কিনতে এক্ষনি এই লিংকে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ফ্যাশনেবর্ণিলপ্যান্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা। ঘুর্ণিঝড় তিতলি শীতকে একটু কাছেই টেনে নিয়ে এসেছে। সারাটা দিন গরমে গেলেও বিকেল হলেই শীতের বাতাস। শীত একটু দূরে থাকলেও সন্ধ্যা  ও ভোরে হালকা কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সারা দেশ। রাজধানী ঢাকাতে শীত বুঝতে না পারলেও গ্রামে কিন্তু শীতের আমেজ পড়ে গেছে। এই আবহাওয়ায় কড়া রোদ দেখে একদম পাতলা হাফ-হাতা টি–শার্ট পরলেন তো একটু পরেই শুরু হলো শীতের বাতাস। যদি শীত ও গরম একই সঙ্গে আপনাকে বোকা বানায় তাহলে ফুলহাতা টিশার্ট হতে পারে আপনার জন্য ফ্যাশন। অনেকটা এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো, ঠান্ডা এবং ফ্যাশন দুটোই সামলে নিতে পারবেন ফুলস্লিভ টি-শার্টের মাধ্যমে।

  

সারারাত যেমন তেমন, ভোরে হালকা ফ্যানের বাতাসের সাথে হালকা কম্বল টেনে গায়ে জড়ানোর সময় চলছে এখন। হালকা কুয়াশা আর সন্ধ্যায় ঝিরঝিরে বাতাসকে ফাঁকি দিয়ে তরুণ তরুনীরা মেতে উঠছে শীত ফ্যাশনে। শীতে তরুণ-তরুণীর পোশাক মানেই চোখে ভেসে ওঠে পায়ে কনভার্স, পরনে জিন্স ও ফুল স্লিভ টি-শার্ট, ফুল স্লিভ পোলো শার্ট, জ্যাকেট, কাশ্মীরি শাল, চাদর, মাফলার সঙ্গে যোগ হয় শীত ফ্যাশনের মুডি পোশাক।

 

সবাই এখন এই হালকা ঠাণ্ডা আবহাওয়াকে পোষ মানানোর জন্য ফুলস্লিভ ড্রেসের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। আর পোশাক ও ফ্যাশনকে প্রাধান্য দেওয়া তরুণ-তরুণীদের কাছে হুডওয়ালা ফুলস্লিভ পোশাক সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে, হালকা শীতে ফুলহাতা টি-শার্ট আর ফুল হাত পোলো শার্টের চাহিদা প্রচুর। আর ক্যাজুয়াল লুক নিতে চাইলে টি-শার্টের চেয়ে ভালো আর কী আছে!

 

হালকা এই পোশাকটি পরলে বেশ আরাম বোধ হয়। এই পোশাক পরে হালকা গরম ও হালকা ঠাণ্ডা অর্থাৎ মিশেলি আবহাওয়ায় বেশ মানিয়ে চলা যায়। বাসা হোক কিংবা বাইরে, যে কোনো জায়গাতেই ফুল স্লিভ টি শার্ট বেশ মানানসই। ফ্যাশন এখন টিনএজদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি পোশাক ও স্টাইল হয়ে উঠেছে। হালকা শীতের মধ্যে এ পোশাকটির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। একেক সময় একেক রকম তাপমাত্রা থাকে শীতে। তাই শীতের সহনীয় আঁচ গায়ে অনুভূত হওয়ামাত্রই তরুণ-তরুণীরা গায়ে জড়ান তাদের প্রিয় এই পোশাক।

 

শুধু ফ্যাশন হাউসগুলোই না, আপনার সঙ্গে মানানসই হরেক রকম ফুল স্লিভ টি শার্টের কালেকশন পাবেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে। ফুল স্লিভ টি শার্টের বিশাল কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ফুলস্লিভটি-শার্ট* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান সময়ে পর্দা এবং ফ্যাশন দুটোয় হয় হিজাবে। ট্রেন্ড যেটাই চলুক ধর্মভীরু তরুণীদের মনে বেশ খানিকটা জায়গা দখল করে নিয়েছে হিজাব। এটাকে বিভিন্ন স্টাইলে মাথায় পেঁচিয়ে নিচ্ছে তরুণীরা। ফ্যাশনে হিজাবেই নারীদের বেশি মানাচ্ছে। বিভিন্ন রকমের হিজাবে চেহারার সৌন্দর্য্য বেশি ফুটে উঠছে। এজন্য বিক্রি বেড়েছে লেটেস্ট কালেকশনের বাহারি হিজাবের।

মাথার চুল, গলা এবং বুক ঢেকে রাখাই এই হিজাবের মুখ্য উদ্দেশ্য। বর্তমানে হিজাব শুধু গুটিকয়েক নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ফ্যাশন ট্রেন্ড হিসাবে ছড়িয়ে পড়েছে সব বয়সের নারী ও তরুনীদের মাঝে। হিজাব যেমন পর্দা করার জন্য উপকারী, ঠিক তেমনি এর রয়েছে আরও অনেক উপকারী দিকও। বাইরে বের হলে আপনার ত্বক এবং চুলের সব থেকে বড় শত্রু হল ধুলাবালি ও ক্ষতিকর সূর্যকিরণ।আপনার ত্বক এবং চুলকে রক্ষা করার একটি ভাল উপায় হতে পারে হিজাব ব্যবহার। শুধু বোরকার সাথে নয়, হিজাব পরতে পারেন শাড়ি, কামিজ, কুর্তা বা অন্য যে কোনো পোশাকের সাথে।

 

স্কুল কলেজ সহ সকল কর্মস্থলে মেয়েরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন হিজাব। হিজাব ব্যবহারের ক্ষেত্রে পোশাকের রং ও ধরণকে মাথায় রেখে হিজাব বাছাই করতে হবে। পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে বা বিপরীত রঙের হিজাব ব্যবহার করতে পারেন। যদি পোশাকটি বেশী নকশা করা বা প্রিন্টের হয় তবে সেক্ষেএে একরঙা হিজাব নির্বাচন করুন। আবার পোশাকটি হালকা কাজের বা একরঙা হলে তার জন্য বেছে নিন বিপরীত রঙের বা নকশা করা ও প্রিন্টের হিজাব। হিজাব পড়ার আগে অবশ্যই পোশাকের হাতের দিক নজর দিন।

পোশাকের হাতা যেন অবশ্যই ফুলহাতা বা থ্রি কোয়াটার হাতা হয়। কারণ হিজাবের সাথে ছোট হাতার পোশাক একদমই বেমানান। বাজার ঘুরে কটন , লেস, জর্জেট ও সাটিনসহ নানা ধরনের কাপড়ের হিজাব দেখা যায়। কাপড়ের মান ও নকশার উপর ভিওি করে এগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বেছে নিন নিজের বাজেটের মাঝে। হিজাব শুধু পর্দা করার ক্ষেত্রেই না , নারীদের সৌন্দর্য বর্ধনেও পিছিয়ে নেই। চাইলেই হিজাব পড়ার আগে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন আজকের ডিলের পেজে। 

  

প্রতিদিনের কর্মস্থলে আর স্কুল কলেজে তো আছেই, আজকাল অনেক বিয়ের অনুষ্ঠানে কনেকে হিজাব পড়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তাই বুঝতেই পারছেন প্রতিনিয়ত হাল ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে হিজাবও কিন্তু পিছিয়ে নেই। তাই নতুন ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে বাজার ঘুরে আপনিও বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দমত হিজাবটি। 

কিছু দরকারি টিপস :

১। হিজাব পরার আগে অবশ্যই চুল বেঁধে নেবেন। চাইলে একটু টাইট খোঁপা করে নিতে পারেন এতে বাতাস চলাচলের সুযোগ পাবে।
২। যারা নতুন হিজাব করা শুরু করেছেন, প্রথমেই পরিপাটি করে হিজাব পরতে না পারলে চেষ্টা করুন। বাড়িতে বিভিন্ন ভাবে অনুশীলন করুন। দেখবেন আপনি নিজেই নতুন সব স্টাইল করতে পারছেন।
৩। বাইরে যাওয়ার সময় ঝটপট হিজাব পরতে হাতের কাছে বিভিন্ন সাইজের সেফটিপিন, হিজাব পিন রাখুন।
৪। যারা নতুন পরা শুরু করেছেন, হয়তোবা প্রথম প্রথম বেশ গরম লাগতে পারে। এতে অধৈর্য্য হবেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গরম ভাবও কমে যাবে।
৫। ছোট চুলগুলোকে সামলাতে হিজাবের নিচে আন্ডার ক্যাপ ব্যবহার করুন। এতে বেশি গরম মনে হলে নিজেই পছন্দমতো সুতির কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন।
৬। খুব বেশি পাতলা জর্জেট বা সার্টিনের কাপড় ব্যবহার করবেন না।

  

পর্দা করার পাশাপাশি নিজেকে ফ্যাশনেবল লুকে সাজাতে আর মার্জিত করে তুলতে বেছে নিন আকর্ষনীয় সব হিজাব। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের নারীদের মাঝেও দেখা গেছে অভিজাত, রং বাহারী, ভিন্ন ভিন্ন কাপড়, আরাম ও ফ্যাশনেবল হিজাবের বহুল ব্যবহার। নতুন পুরাতন মিলিয়ে সব ডিজাইনের হিজাব পাওয়া যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। ঘরে বসে হিজাবের লেটেস্ট কালেকশন কিনতে  এখানে ক্লিক করুন। 

*ইসলামিকফ্যাশন* *হিজাবকালেকশন* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্য বজায় রেখে ফ্যাশনে নিজেকে কিভাবে মানিয়ে নেওয়া যায় এরকম চিন্তা পর্দানশীল সব মেয়েদের মধ্যেই ঘোরপাক খায়। ইসলামের বিধান মতাবেক মেয়েদের সব সময় পর্দার সহিত চলাফেরা করা উচিৎ। তবে যারা একটু ফ্যাশন প্রিয় তারা পর্দা এবং ফ্যাশন দুটোই একসাথে সেরে নিতে পারেন বাহারি ডিজাইনের বোরকা ও আবায়ায়। মেয়েরা যারা বোরকায় অভ্যস্ত তাদের জন্য আজকের আয়োজন বাহারি ইসলামিক বোরকা ও আবায়া নিয়ে। বোরকা তো সবাই চিনেন কিন্তু আবেয়া যারা চিনেন না তাদের জন্য বলছি এটিও বোরকার মতই। শরীরকে আবৃত করার এক ধরনের উন্নত পোশাক যেগুলো সোদি আরব এবং মালয়েশিয়াতে বেশ জনপ্রিয়। আস্তে আস্তে আমাদের দেশেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে  এই পোশাক।

বোরকাঃ

 

বোরকা এক ধরনের ধর্মীয় পোশাক। শরীরকে আবৃত করে বাড়ির বাইরে বের হবার জন্য মেয়েরা বোরকা ও হিজাব পরিধান করে। তবে বোরকা এখন আর ধর্মীয় পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এটি এখন ফ্যাশনের অন্যতম একটি অংশ। আমাদের একটি কথা মনে রাখা উচিৎ বোরকা সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য নয়; সৌন্দর্য আবৃত রাখার জন্য। এমন বোরকা ব্যবহার করতে হবে, যা এই উদ্দেশ্য পূরণ করে।

 

বোরকার ব্যবহার অনেক আগেও ছিলো, রয়েছে সবসময়। তবে পরিবর্তন হয়েছে ধরন-ধারণে। পর্দা বা শালীনভাবে চলার পাশাপাশি বোরকা এখন মেয়েদের ফ্যাশনও। সেই ফ্যাশনও পরিববর্তন হচ্ছে দিনকে দিন। বোরকা এখন লং থেকে রূপান্তরিত হয়েছে শর্ট, থ্রি-কোয়ার্টারে। তবে যারা বোরকা, হিজাব কিংবা আবায়া পড়েন তারা সেই পোশাকের মধ্য দিয়েই নিজেকে ফুটিয়ে তোলেন।

আবায়াঃ

  

সবগুলো মুসলিম দেশে পর্দা বা শালীন ভাবে পরার পোশাক কে আবায়া বলে। আবায়া নামটি সৌদি আরবে বেশ পরিচিত। সৌদি আরবে নারীরা পা পর্যন্ত পুরো শরীর ঢেকে রাখার জন্য যে ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করে, তাকে আবায়া বলে। বোরকার চেয়ে এটি একটু বেশি স্টাইলিশ বলে মনে হয়। এর উপরের লেয়ারটাও বেশ চমৎকার ডিজাইনের। এটির দুই পাশে লেজ থাকে। দেখতে বেশ সুন্দর ও পরতে আরাম দায়ক।

  

রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বোরকা ও আবায়া পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-১০০০০ টাকায়। তবে সবচেয়ে লেটেস্ট কালেকশনগুলো পাওয়া যাবে অনলাইন শপগুলোতে। তাই যারা ঘরে বসে বোরকা ও আবায়ার নান্দনিক সাজে নিজেকে সাজাতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। বোরকা ও হিজাবের কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ইসলামিকফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাতাসে পূজার গন্ধ। ফ্যাশনে নতুন হাওয়া। বিশেষ করে শারদীয় দূর্গা পূজাকে ঘিরে ফ্যশন হাউজ গুলোতে চলছে সাজ সাজ ভাব। সাজসজ্জার ধারাও অবশ্য পাল্টেছে। মেয়েদের তুলনায় ছেলেরাও ফ্যাশনে একদম পিছিয়ে নেই। তাইতো এবার পূজায় মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদের পোশাক আশাকেও ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য দিনের চাইতে কিছুটা ফিটফাট থাকতে হয় পূজার সময়। আর সেকারণেই কিছুটা আলাদা সাজগোজ। ছেলেদের তো আর মেয়েদের মতো ত্বকের দিকে খুব বেশি লক্ষ্য করতে হয় না এবং মেকআপের ঝামেলায় যেতে হয় না। ছেলেদের ক্ষেত্রে শুধু পোশাক আশাক ও অন্যান্য এক্সেসরিজের দিকে লক্ষ্য রাখলেই চলে। 

  

পূজায় সব ফ্যাশন হাউজগুলোই ছেলেদের পোশাকের বেশ সমরাহ দেখা যাচ্ছে। পূজার ক্ষেত্রে ধুতি-পাঞ্জাবি-উত্তরীয় সাধারণত পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাক হলেও তরুণরা ধুতি পাঞ্জাবী একটু কমই পড়েন। তরুণ বয়েসী ছেলেরা টি-শার্ট, শার্ট, প্যান্ট, ফতুয়া পড়তেই বেশি আগ্রহী।

তবে পূজায় এখনও পাঞ্জাবি আর ধুতির আবেদনটাই একেবারে আলাদা। তবে অনেকেই আজকাল স্টাইলে জিন্স ও টিশার্ট  ব্যবহার করছে। দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে ইতোমধ্যেই উঠে গিয়েছে নানান স্টাইলের পাঞ্জাবি। তবে পূজার পাঞ্জাবির ক্ষেত্রে সাদার রঙই পছন্দ সকলের। এর পাশাপাশি চলে ঘিয়া রঙের পাঞ্জাবীও। পাঞ্জাবীর জন্য এন্ডি সিল্ক, সিল্ক, জামদানি, মসলিন , সিল্ক , জামদানি, মসলিন, রেশমী কটন, ধুপিয়ান কাপড় পছন্দ অনেকের। 

 

শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বাহারি সব শাড়িতে ভরে উঠেছে বিভিন্ন শপিংমল। তবে এবারে রোদ ও প্রচন্ড গরমের কারণে ব্যস্ত মানুষগুলো শাড়ি ও অন্যান্য শপিংয়ের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো থেকেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন। বরাবরের মত এবারেরও শাড়ি অন্যান্য পোশাকের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। অনলাইন থেকে এখন পর্যন্ত যেসব শাড়ি বেশি বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের কটন, হ্যান্ডলুম কটন সংখ্যায় বেশি। তাছাড়াও সিল্প, কোটা, বুটিক, জর্জেট ও প্রিন্টের শাড়িও বেশ বিক্রি হচ্ছে।

 

শাড়ির পাশাপাশি মেয়েদের সালোয়ার কামিজ চাহিদা বেশি। শারদীয় রঙের ছোঁয়া আছে এধরনের সালোয়ার কামিজ বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পূজা উপলেক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের গহণা কিনছেন মেয়েরা। 

পূজায় পোশাকের পাশাপাশি এক্সেসরিজের দিকে লক্ষ্য রাখার প্রয়োজন রয়েছে। পূজার সময় মণ্ডপের আশেপাশে থাকতেই বেশি আনন্দ। সে আনন্দ দ্বিগুণ করে দিতে পারে সঠিক এক্সেসরিজ নির্বাচন। 

পূজা উপলক্ষ্যে সাজের আনকমন কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকম। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে পূজার চমৎকার ফ্যাশন আইটেম গুলো কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*পূজারসাজ* *দূর্গাপূজা* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান ফ্যাশন স্টাইলে ছেলে মেয়ে উভয়ের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক জিন্স প্যান্ট। একটা সময় শুধুমাত্র ছেলারা জিন্স পরলেও এখন সমানতালে মেয়েরাও জিন্স পরছে। এক সময় জিন্স মানেই ছিল অনেক মোটা কাপড় আর শীতের সময়ে পরার জন্য আরামদায়ক  পোশাক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে জিন্স। এখন গরম কিংবা শীত সবসময়ে জিন্স হিট। মোটা কাপড়ের পাশাপাশি পাতলা কাপড়ের জিন্সও রয়েছে বাজারে সুতরাং জিন্স এখন বারো মাসের পরিধেয় অন্যতম একটি পোশাক। 

 

ফ্যাশন স্টাইলে জিন্সের ধারণা খুব একটা নুতন নয়। পোশাকের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে জিন্সের চলন শুরু বহু আগে থেকে। সর্বপ্রথম উনিশ শতকের দিকে জিন্সের উদ্ভোবন। এর পর থেকে সেই স্টাইল সারা দুনিয়া জুড়ে বিখ্যাত হয়ে উঠে, যার চলন আজো অমলিন। ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য জিন্সের বিভিন্ন স্টাইল জনপ্রিয়। চলুন জিন্স প্যান্টের  আকর্ষণীয়  টপ ফ্যাশনেবল কালেকশন গুলো দেখে নেই।

 

জিন্সের আদি রূপ হয়তো যুগে যুগে পরিবর্তিত হয়েছে কিন্তু জনপ্রিয়তা কমেনি। বিংশ শতকে এসে দেখা গেলো বেশির ভাগ সেলিব্রিটির প্রথম পছন্দ জিন্স আর টি-শার্ট। ক্যাম্পাস কিংবা আড্ডায় জিন্স প্যান্টের বিকল্প নেই। তরুণ তরুণীদের কাছে জিন্স প্যান্ট প্রথম পছন্দের পোশাক, বাদ যায় না বৃদ্ধ এবং শিশুরা। অবশ্য বিভিন্ন পার্টিতে আজকাল জিন্সের আধিক্য চোখে পড়ার মতো। রুচি এবং চাহিদার প্রেক্ষিতে জিন্স প্যান্টের রয়েছে রকম ভেদ। যেমন ব্যাগি জিন্স, ন্যারো শেপ, স্ট্রেট, স্টিচ ইত্যাদি। ফুটপাথ থেকে শুরু করে বড় বড় শপিং কমপ্লেক্সগুলোতে জিন্সের চমকপ্রদ সমাহার।

 

আগে জিন্স প্যান্ট মানেই ছিল নীল রঙ, কিন্তু বর্তমানে জিন্সের রয়েছে বহু রঙ এবং স্টাইল। বর্তমান সময়ে ব্লু জিন্স ছাড়াও চোখে পড়ে লাল, সবুজ, কালো, হলুদ, কমলা রঙের জিন্স, তারুণ্যের সঙ্গে মানিয়েও যাচ্ছে বেশ। দেশেই প্রস্তুত হচ্ছে উন্নতমানের জিন্স প্যান্ট। ফলে পর্যাপ্ততার কারণে দামও সাধ্যের মধ্যে।


ব্র্যান্ড ভেদে জিন্সের দামের বেশ কিছুটা প্রার্থক্য রয়েছে। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা দামের প্যান্টও বাজারে রয়েছে। তবে এক্সক্লুসিভ স্কিনি জিনসগুলো দুই হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া যাবে।

 

রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো থেকেই আপনার পছন্দের জিন্সপ্যান্ট কিনে নিতে পারবেন। তবে বর্তমানে জিন্স কেনার জন্য বেশিরভাগ ফ্যাশন প্রেমীরা অনলাইন শপিংমলের উপর আস্থা রাখছে। আপনিও আপনার পছন্দের প্যান্ট অনলাইন শপিংমল থেকে কিনে নিতে পারেন। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে রয়েছে  লেটেস্ট ডিজাইনের জিন্স প্যান্ট। কমদামে জিন্স প্যান্টের লেটেস্ট কালেকশন  থেকে আপনার পছন্দের প্যান্টটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*জিন্সপ্যান্ট* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *স্মার্টশপিং* *আজকেরডিল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকালকার ছেলে মেয়েরা ফ্যাশনে ক্যাজুয়াল সাজ বেশি পছন্দ করে। ক্যাজুয়াল ফ্যাশন যে শুধু টি-শার্ট কিংবা পাঞ্জাবিতে সীমাবদ্ধ আছে তা কিন্তু নয়। বরং এখন ক্যাজুয়াল মানে এসবের বাইরেও অনেক স্টাইলিশ কিছু। আর এই অনেক কিছুর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে ক্যাজুয়াল শার্ট। ফ্যাশনে হিট থাকতে অন্যতম অনুসঙ্গ হিসেবে বেছে নিতে পারেন ক্যাজুয়াল শার্ট। চুলন ক্যাজুয়াল শার্টের আনকমন কিছু কালেকশন দেখে নেই।

 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে মানুষের রুচিবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি। তাই ফ্যাশনে চলছে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন। ভেরিয়েশন, ডিজাইন ও কালারে সব সময় ভিন্নতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে । সেই সঙ্গে বদলে গেছে ফ্যাশন নিয়ে মানুষের চিন্তা-ভাবনা, কাপড় পরার ঢঙ, পোশাকের কাটিং। তাই এখন পছন্দের তালিকায় শার্ট শুধু ফরমাল পোশাকই নয়, ক্যাজুয়ালও অন্যতম। আর ক্যাজুয়াল ফ্যাশনের অনুসঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা রকমের স্টাইলিশ শার্ট।

  
ফ্যাশন সবসময়ই ঋতুভেদে পরিবর্তনশীল। গরমটা এখন বেশি হলেও একটু মোটা কাপড়ের ফুলস্লিভ শার্টের প্রতি তরুণদের ঝোঁক বেশি। ক্যাজুয়াল এই পোশাকে ফ্যাশনকেও যেমন ধরে রাখা যায়, অনানুষ্ঠানিক ভাবটাও ফুটে ওঠে সুন্দরভাবে। বাজারের এসব শার্ট নানা রকমের, নানা স্টাইলের। নিরীক্ষাধর্মী কাটছাঁট দেওয়া এসব শার্ট আকর্ষণীয় ও স্টাইলিশ তো বটেই, আরামদায়কও।

 

 

ফ্যাশনে আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে ক্যাজুয়াল শার্ট পছন্দ করে তরুণরা। আগে ছেলেদের শার্টের ক্ষেত্রে গোলাপি, ম্যাজেন্টা, হলুদ, পার্পল, মেরুন, কমলা রং ব্যবহার করা হতো না বললেই চলে। তবে বর্তমানে শার্টের জগতে কোনো রঙকেই বাদ দেওয়া হচ্ছে না। এর বাইরেও বেশ কিছু ডিজাইনে পরিবর্তন এসেছে এবারের শার্টে। এর মধ্যে শার্টের কাফে দুটো বোতাম থাকলে একটা হয়তো লাল, আরেকটা সাদা রঙের। শার্টে বোতাম লাগানোর জন্য বিপরীত রঙের সুতার ব্যবহারও দেখা গেছে কোনো কোনোটিতে।

 

নরম কাপড়ে প্রিন্টের কাজসহ রংবেরঙের শার্টও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ।এর মধ্যে কিছু শার্টের পুরো বডি এক কালার আর কলার ও হাতের কাফগুলো অন্য কালারে সাজানো হয়েছে। নান্দনিকতা বৃদ্ধিতে উপস্থাপন করা হয়েছে স্ট্রাইপ দিয়েও। গ্রাফিক শার্ট, ভি নেক শার্ট, ক্রিউ নেক টি-শার্ট, হেনলে টি-শার্ট, পকেট টি-শার্ট এবং স্ট্রাইপ টি-শার্টের চাহিদাও থাকছে। তবে আবহাওয়া ও ট্রেন্ডে সঙ্গে তাল রেখে এসব ফ্যাশনে কিছু পরিবর্তন এসেছে।

 

কলারের ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তন। সাধারণ কলারের পাশাপাশি ন্যারো, ব্যান্ড ও টিউনিক ব্যান্ডের কলার চলছে বেশ। পকেটেও থাকছে নানা বৈচিত্র্য। কোনোটায় থাকছে এক বা একাধিক পকেট, কোনোটায় আবার ততোধিক পকেট। আবার কোনোটি পকেট ছাড়া। কোনো কোনো শার্টের নিচের দিকে জ্যাকেটের মতো পকেটও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।

 
বর্তমানে অফলাইন মার্কেটকে টেক্কা দিয়ে কেনাকাটায় জায়গা দখল করেছে অনলাইন শপ। তাই শার্ট কেনার জন্য অনেকেই অনলাইন শপিংমলের উপর আস্থা রাখছে কারণ অনলাইন শপের মত এতবড় শার্ট কালেকশন বাইরের মার্কেটে নাই। আপনিও আপনার পছন্দের শার্ট অনলাইন শপিংমল থেকে কিনে নিতে পারেন। কমদামে শার্টের লেটেস্ট কালেকশন থেকে আপনার পছন্দেরটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্মার্টশপিং* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *শার্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফ্যাশনে কত্ত কিছুই এলো গেলো কিন্তু হাত ঘড়ি রয়েই গেল। আজ অবধি হাত ঘড়ির চাহিদা একটুও কমেনি।  মোবাইল আসার পর কিছু দিন হাতঘড়ির ব্যবহার খানিকটা কমে গেলেও সময়ের পরিবর্তে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ হাত ঘড়ির ব্যাপারটি এখন আর সময় দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ঘড়ির টাইম ঠিক থাক আর না থাক স্টাইলিশ ফ্যাশনের জন্য হাতে ঘড়ি থাকা চাই-ই-চাই। আপনার হাতেও যদি একটি স্টাইলিশ ঘড়ি থাকে তাহলে আপনার মন ভাল থাকবে আর ফ্যাশেনের মুড হবে একটু অন্য রকম। বিশেষ করে এ প্রজন্মের তরুণ-তরূণীদের স্টাইলিশ ফ্যাশনে হাতঘড়ি অন্যতম আকর্ষণ।

 

বর্তমানে বিভিন্ন বাজার ও অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোতে হরেক রকমের ফ্যাশনেবল হাত ঘড়ি পাওয়া যাচ্ছে। আপনি যদি ফ্যাশন সচেতন হন তাহলে হাত ঘড়ি হাতে না থাকলে পুরো ফ্যাশনটাই বেমানান। তাই ফ্যাশনের জন্য হাত ঘড়ি থাকা অত্যাবশ্যক। মনে রাখবেন, ফ্যাশনের জন্য যা ইচ্ছেতাই হাত ঘড়ি কিনলে কিন্তু ভুল করবেন। অনলাইন বা অন্য যে কোন মার্কেট প্লেস গুলো থেকে হাত ঘড়ি কিনতে চাইলে যে বিষয় গুলো উপর গুরুত্ব দিতে হবে তা আজকের এই লেখাটির মধ্যে তুলে ধরলাম।

 

আপনি যেই স্টাইলে থাকতে পছন্দ করেন সেটার কথা মাথায় রেখেই ঘড়ি পছন্দ করুন। সেক্ষেত্রে হতে পারে ক্যাজুয়াল, ফর্মাল, অথবা এক্সক্লুসিভ ডিজাইনের যেকোনো কিছু। কেউ এনালগ পছন্দ করেন, কেউ ডিজিটাল খোঁজেন। কারো আবার এলার্মসহ ঘড়ি চাই আবার কারও তারিখ দেখার অপশন চাই। ঘড়ি কেনার আগে এইসব ফিচার গুলো ঠিকমত কাজ করছে কিনা ভালোভাবে পরীক্ষা করে তারপর নিন। অনলাইন থেকে কেনার ক্ষেত্রেও যখন ডেলিভারি নেবেন তখন অবশ্যই চেক করে নিবেন। 

 

অনেকের আবার ব্র্যান্ডের ঘড়ির প্রতি আগ্রহি বেশি থাকে। সাধারণত ব্র্যান্ডের ঘড়িগুলোর দাম একটু বেশিই থাকে। অনেকেই কম দামে ব্র্যান্ডের ঘড়ি খোঁজেন। ঘড়িটি যদি ব্র্যান্ডের হয় তবে সেটি আসল কিনা তা দেখে নিতে হবে। ব্র্যান্ডের ব্যাপারে যদি আপনার কোন আইডিয়া না থাকে তবে ব্র্যান্ডের পিছনে না ছোটাই উত্তম। যেকোনো ঘড়ি কেনার আগে অবশ্যই ব্যাটারির ব্যাপারে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। ঘড়িটির জন্য ব্যাটারির মেয়াদ কয়দিন তা খোঁজ নিতে হবে।

 

ঘড়ির বডি দেখে অনেকটাই আন্দাজ করা যায় এর কোয়ালিটি নিয়ে। সেকেন্ড হ্যান্ড ঘড়ি হলে ঘড়ির গায়ে কোন আঁচড়, দাগ আছে কিনা দেখে নিন। অনেক সময় অনেকদিন ব্যবহার করতে করতে সেকেন্ড হ্যান্ড ঘড়ির কাঁটাগুলো নড়বড়ে হয়ে যায়। ঘড়িটি এরকম সমস্যামুক্ত কিনা নিশ্চিত হয়ে তারপর কিনুন। বাজেট তৈরি করতে হবে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী। কম দামে খুব হাই ক্যাটাগরির ঘড়ি খোঁজাটা যেমন বোকামি, ঠিক তেমনি ঘড়ির বাজেট নিয়ে যদি ঠিকমত পরিকল্পনা করা না যায় তবে বেশী দাম দিয়ে নিম্ন মানের ঘড়ি কিনে পস্তাতে হবে। তবে যদি কোন দুষ্প্রাপ্য, শখের দামী জিনিসের প্রতি ঝোঁক থেকে থাকে তবে সেব্যাপারে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

উপরের সবক‘টি বিষয় বিবেচনার পরই আপনি বেছে নিতে পারবেন আপনার পছন্দসই স্টাইলিশ হাত ঘড়ি। তবে আর দেরী কেন জানা শেষ, এবার তাহলে কেনার পালা। ঘরে বসে সেরা ঘড়ির মধ্যে থেকে আপনার পছন্দের ঘড়িটি কিনে নিতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৮,৬১৫

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও