রাজ

@SmRaja

সেই জ্ঞানী যে নিজে শেখে অন্যকেও শিখায়..
business_center ব্যবসা
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on যশোর
1372143821000  থেকে আমাদের সাথে আছে

রাজ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আমার বেশ তো বন্ধুরা আমরা অনেকেই কমবেশি ইমো ব্যবহার করি. বর্তমানে ইমোর একটি নতুন সুবিধা চালু করেছে সেটি হচ্ছে বড় ধরনের গ্রুপ তৈরি করা. যার সাহায্যে আপনারা এক লক্ষ ফ্রেন্ড একসাথে একই স্থানে কথা বলতে পারবেন. চাইলে ছবি শেয়ার করতে পারবেন ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন কিন্তু এই বড় গ্রুপ কিভাবে খুলতে হয় যদি আপনার জানা না থাকে আমি একটি ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করেছি আপনারা এখান থেকে দেখতে পারেন.

ভিডিও টি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

 

ইউটুবে দেখতে এখানে ক্লিক করুন

মোঃ রাতুল হাসান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

(মাইরালা২)
আজ ফেইসবুকে সম্পূর্ণ অপরিচিত এক ব্যক্তি আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। শুধু তার প্রোফাইল পিকচারটা আপনার মনে ধরলো, তাই আপনি তার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলেন।
এক মাস পরঃ আজ আপনার ছোট্ট পরীটি প্রথম স্কুলে যাচ্ছে। স্কুলের পোশাকে মেয়েটিকে এত্ত সুন্দর লাগছে যে আপনি হাজার চেষ্টা করেও চোখ ফেরাতে পারছেন না। আনন্দের আতিশয্যে আপনি স্মার্টফোন দিয়ে চটপট কয়েকটা স্ন্যাপ নিয়ে নিলেন। এবং ফ্যামিলি ও ফ্রেন্ডদের মাঝে এই খুশী ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কয়েক মিনিটের ভেতর ফেইসবুকে সেই ছবিগুলো পোস্ট করলেন।
মেয়েকে স্কুলে দিয়ে একটা ছোট ভিডিও রেকর্ড করলেন স্মার্টফোনে। তারপর স্কুলের গেইট থেকেই লগইন করলেন ফেইসবুকে।
ভিডিও আপলোড করে ক্যাপশন লিখলেনঃ “আই ক্যান্ট বিলিভ হাউ বিগ শী বিক্যাইম। টাইম শিওর ফ্লাইস! ওয়ান প্রাউড মম রাইট হেয়ার ”
এদিকে, সেই 'রহস্যময় ব্যক্তি' যার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট খুব দ্রুত গ্রহণ করেছিলেন কিছুদিন আগে। সে আপনার আদরের মেয়ের কিউট ছবিটি বিভিন্ন দেশের ৬০ জন পেডফাইল-এর কাছে পাঠালো এই ক্যাপশনেঃ 
“ইনডিয়ান ফিমেইলঃ বয়স – ৫ বছর। বাদামী চোখ, কালো চুল। মুল্য- ৭০০০০ রূপি”
আপনি যে শুধু আপনার মেয়ের ছবি শিশু পাচারকারীর কাছে তুলে দিচ্ছেন তাই নয়। বরং, একইসাথে মেয়ের স্কুলের নাম এবং ঠিকানা না চাইতেও একেবারে হাতে তুলে দিচ্ছেন।(যখনই আপনি লগইন করেন, তক্ষণই আপনার একজ্যাক্ট লোকেশন ফেইসবুকে পোস্ট হয়, যা ট্র্যাক করা কোন ব্যপারই না)
আপনি দুপুর ৩ টায় সময় স্কুল থেকে বাচ্চাকে আনতে গেলেন। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাচ্ছেন না।
যে ৬০ জন ব্যক্তির কাছে আপনার মেয়ের ছবি পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন (৪৩ বছরের বিকৃত রুচির পেডফাইল) ইতিমধ্যে তাকে 'পছন্দ' করে শিশু পাচারকারীর একাউনটে নির্দিষ্ট এমাউনটের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। আপনি যখন তাকে স্কুল থেকে আনতে গেলেন, তার আগেই কোন এক ‘অপরিচিত ব্যক্তি’ আপনার ‘বন্ধুর’ পরিচয় দিয়ে আপনার কলিজার টুকরোকে স্কুল থেকে তুলে নিয়েছে। আপনি যখন পাগলপারা হয়ে বাচ্চাকে খুঁজছেন, ঠিক সেই সময় সে চোখ-মুখ-হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সাউথ আফ্রিকার পথে পাচার হয়ে যাচ্ছে। 
ভীত, আতঙ্কিত, আপনার নিষ্পাপ মেয়েটি বুঝতেই পারলো না কোথা থেকে কি ঘটে গেল।।
ইন্টার্নেট ভয়াবহ একটি জায়গা, এখানে কোন বিশ্বাস নেই, যে কোন সময় যে কোন একটা ঘটনা ঘটে যেতে পারে, যা আপনার জীবন, আপনার বাচ্চাদের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে। তাই যা কিছুই করবেন, খুব ভেবে চিনতে করবেন।
মনে রাখবেন, এখানে ভদ্র বেশে একজন ভয়ঙ্কর লোকও হয়তো ঘাপটি মেরে আছে তার শিকার ধরার জন্য।
তাই আজ থেকে, এখন থেকেই সচেতন হয়ে যান, বিশেষ করে মেয়েরা।
** অপরিচিত ব্যক্তির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করার আগে তার প্রোফাইল ভালোভাবে চেক করে নিন। এবং আপনার জীবনের সব ঘটনা ফেইসবুকে শেয়ার করবেন না।
** এক্সট্রিমলি ইমারজেন্সি না হলে দয়া করে বাচ্চার ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করবেন না। বাচ্চার প্রাইভেসীর প্রতি যত্নশীল হউন।

ফ্রেশ ফ্রজেন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

(মাইরালা২)
আজ ফেইসবুকে সম্পূর্ণ অপরিচিত এক ব্যক্তি আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। শুধু তার প্রোফাইল পিকচারটা আপনার মনে ধরলো, তাই আপনি তার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলেন।
এক মাস পরঃ আজ আপনার ছোট্ট পরীটি প্রথম স্কুলে যাচ্ছে। স্কুলের পোশাকে মেয়েটিকে এত্ত সুন্দর লাগছে যে আপনি হাজার চেষ্টা করেও চোখ ফেরাতে পারছেন না। আনন্দের আতিশয্যে আপনি স্মার্টফোন দিয়ে চটপট কয়েকটা স্ন্যাপ নিয়ে নিলেন। এবং ফ্যামিলি ও ফ্রেন্ডদের মাঝে এই খুশী ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কয়েক মিনিটের ভেতর ফেইসবুকে সেই ছবিগুলো পোস্ট করলেন।
মেয়েকে স্কুলে দিয়ে একটা ছোট ভিডিও রেকর্ড করলেন স্মার্টফোনে। তারপর স্কুলের গেইট থেকেই লগইন করলেন ফেইসবুকে।
ভিডিও আপলোড করে ক্যাপশন লিখলেনঃ “আই ক্যান্ট বিলিভ হাউ বিগ শী বিক্যাইম। টাইম শিওর ফ্লাইস! ওয়ান প্রাউড মম রাইট হেয়ার ”
এদিকে, সেই 'রহস্যময় ব্যক্তি' যার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট খুব দ্রুত গ্রহণ করেছিলেন কিছুদিন আগে। সে আপনার আদরের মেয়ের কিউট ছবিটি বিভিন্ন দেশের ৬০ জন পেডফাইল-এর কাছে পাঠালো এই ক্যাপশনেঃ 
“ইনডিয়ান ফিমেইলঃ বয়স – ৫ বছর। বাদামী চোখ, কালো চুল। মুল্য- ৭০০০০ রূপি”
আপনি যে শুধু আপনার মেয়ের ছবি শিশু পাচারকারীর কাছে তুলে দিচ্ছেন তাই নয়। বরং, একইসাথে মেয়ের স্কুলের নাম এবং ঠিকানা না চাইতেও একেবারে হাতে তুলে দিচ্ছেন।(যখনই আপনি লগইন করেন, তক্ষণই আপনার একজ্যাক্ট লোকেশন ফেইসবুকে পোস্ট হয়, যা ট্র্যাক করা কোন ব্যপারই না)
আপনি দুপুর ৩ টায় সময় স্কুল থেকে বাচ্চাকে আনতে গেলেন। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাচ্ছেন না।
যে ৬০ জন ব্যক্তির কাছে আপনার মেয়ের ছবি পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন (৪৩ বছরের বিকৃত রুচির পেডফাইল) ইতিমধ্যে তাকে 'পছন্দ' করে শিশু পাচারকারীর একাউনটে নির্দিষ্ট এমাউনটের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। আপনি যখন তাকে স্কুল থেকে আনতে গেলেন, তার আগেই কোন এক ‘অপরিচিত ব্যক্তি’ আপনার ‘বন্ধুর’ পরিচয় দিয়ে আপনার কলিজার টুকরোকে স্কুল থেকে তুলে নিয়েছে। আপনি যখন পাগলপারা হয়ে বাচ্চাকে খুঁজছেন, ঠিক সেই সময় সে চোখ-মুখ-হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সাউথ আফ্রিকার পথে পাচার হয়ে যাচ্ছে। 
ভীত, আতঙ্কিত, আপনার নিষ্পাপ মেয়েটি বুঝতেই পারলো না কোথা থেকে কি ঘটে গেল।।
ইন্টার্নেট ভয়াবহ একটি জায়গা, এখানে কোন বিশ্বাস নেই, যে কোন সময় যে কোন একটা ঘটনা ঘটে যেতে পারে, যা আপনার জীবন, আপনার বাচ্চাদের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে। তাই যা কিছুই করবেন, খুব ভেবে চিনতে করবেন।
মনে রাখবেন, এখানে ভদ্র বেশে একজন ভয়ঙ্কর লোকও হয়তো ঘাপটি মেরে আছে তার শিকার ধরার জন্য।
তাই আজ থেকে, এখন থেকেই সচেতন হয়ে যান, বিশেষ করে মেয়েরা।
** অপরিচিত ব্যক্তির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করার আগে তার প্রোফাইল ভালোভাবে চেক করে নিন। এবং আপনার জীবনের সব ঘটনা ফেইসবুকে শেয়ার করবেন না।
** এক্সট্রিমলি ইমারজেন্সি না হলে দয়া করে বাচ্চার ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করবেন না। বাচ্চার প্রাইভেসীর প্রতি যত্নশীল হউন।
জোকস

দুঃখী অভি জোকসটি শেয়ার করেছে

" কথা দিয়া কথা না রাখা ভারতের পুরান স্বভাব। তাদের কোন মন্ত্রী বলছিল বাংলাদেশে গরু পাঠাবে না কিন্তু ইন্ডিয়া টিমকে ঠিকই পাঠায় দিছে। " (খুশী২)

Khoke বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ভালো বন্ধুত্ব হতে হয় ভালোবাসার। অনুভতির ছোঁয়া যখন লাগে তখন সৃষ্টি ভালোবাসার। দুইটি হৃদয়ের মিলনে প্রেম এর জম্ম হয়। প্রেম পরা বিচিত্র কনো ঘটনা নয়। যেকনো সময় যেকনো বয়সে প্রেম হতে পারে।সেই ভালোবাসা ককিম্বা প্রেম বিয়ের পরে হহতে পারে, আবার পরেও।তবে প্রেমের শেষ পরিনিতি এক হয় না।কারন কিছু কিছু প্রেম শুধু হৃদয় উজাড় করে ভালবেসে যেতে হয়। তার বিনিময় হয়না। বিয়ের পরে যারা প্রেম করে যাকে আমারা বলি পরকিয়া প্রেম।সেই প্রেমটা কেনো হয়?  তা আমরা কখন চিন্তাও করিনা। বিবাহিত জীবনে যখন সুখ থাকে না। স্বামী এবং স্ত্রী মাঝে মতের অমিল হয় তখনি একটু সুখ খুজতে বেড় হয়।দেখে যদি একটু শান্তি পাওয়া যায় কিনা।স্বামী আর স্ত্রী মাঝে সেক্সটাই কিন্তু মূখ্য নয়।এইটা হলো ক্ষনিকের সুখ।আবার অনেকর মাঝে এই ক্ষনিকের সুখটাও থাকে না।দুই অভাগা যখন এক হয়, তাদের মাঝে অনুভতির ছোঁয়া লাগে তখনি প্রেমের সৃষ্টি হয়। এই প্রেমের মাঝে সেক্স হলে হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। এখানে সেক্সটাই মূখ্য বিষয় নয়।নিজেদের মাঝে সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়।অনেক বিষয় আছে কারো সাথে শেয়ার করা বিশ্বস্ত মানুষ পায় না।তখন তার প্রিয়ো বন্ধুর সাথে শেয়ার করে একটু হাল্কা হয়।বিয়ের পরে প্রেম বলে পরকিয়া প্রেম বলে। তবে দুষ্টো যারা তারা এর ম্যধে পরে না।প্রেম তাদের কাছে বানিজ্য।বিয়ের আগে যে প্রেম হয় সেটাকে বলি ভালোবাসা।তবে আমার অনেক সময় ভূল করে ভূল মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করি এবং প্রেমে পরি। সব কিছু হারিয়ে বুঝতে পারি। তখন আর সেই ভুল সংশোধন করার পথ থাকে না।
তাই প্রেম করার আগে কিংম্বা ভালো বন্ধুত্ব করার আগে চিন্তা করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

অসামাজিক কবি: একজনকে সুপারিশ করেছে

রাজ

@SmRaja

সেই জ্ঞানী যে নিজে শেখে অন্যকেও শিখায়..
২৩১ জন ফলো করছে

নাহিন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

(ভালো)গ্রামের এক যুবতী রমনী একটু দূরের এক কুয়া থেকে পানি তুলছিল। পাশ দিয়ে এক দরবেশ হেঁটে যাচ্ছিলেন। যুবতীকে দেখে তার মনে হল , এই নারী জাতির মাঝে এমন কি শক্তি, কৌশল ও ছলনা রয়েছে, যা দ্বারা তারা বাদশাকে ফকির, বীরকে ভীরু, আলেমকে জাহেল, পাথরকে মোম, বৃদ্ধকে যুবক বানিয়ে ইচ্ছে মত খেলাতে পারে। তখন দরবেশ এসে তার মনের কথা গুলো ঐ যুবতীকে বললো। দরবেশের কথা শুনে যুবতী তার শাড়ীর অর্ধেক খুলে ফেললো ও চুলগুলো এলোমেলো করে আমাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিত্কার জুড়ে দিল। দরবেশ তখন ভয় পেয়ে মেয়েটিকে বললো মা আমি তোমার কাছে একটা জিনিস জানতে চাইলাম, আর তুমি কিনা আমার সাথে ছলনা করে আমাকে এখন মানুষের হাতে মার খাওয়াবে? তিনি কেঁদে ফেললেন এবং বললেন এটাই কি তোমার আসল রূপ? ঐ দিকে লোকেরা লাঠি নিয়ে ছুটে আসছে। যখন মেয়েটি লোকদের ছুটে আসতে দেখল, তখন সে কূয়া থেকে এক বালতি পানি তুলে সাথে সাথে নিজের শরীরটাকে ভিজিয়ে নিলো। এবং দরবেশের কাপড়টা কিছু ভিজিয়ে দিল। এবং জোরে জোরে হাঁপাতে লাগলো। লোকেরা এসে জিঞ্জাসা করলে। মা তোমার কি হয়েছে? মেয়েটি বললো আমি কুয়াতে পড়ে গিয়ে চিৎকার করছিলাম তখন এই দরবেশ হুজুর আমাকে কষ্ট করে কুয়া থেকে উঠিয়েছেন। তা না হলে আমি তো আজ মারাই যেতাম । তখন লোকেরা দরবেশকে বাড়ি নিয়ে অনেক আপ্যায়ন ও সম্মান করলো। যখন তিনি চলে আসবেন তখন মেয়েটি এসে বললো হুজুর আপনার প্রশ্নের উত্তর কী পেয়েছেন? .............

খুশি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

নিজের প্রেমিকাকে অন্য পুরুষের বাসরে কল্পনা করা কঠিন।
যতো যাই হোক সেই রাতে প্রেমিকার মনে চরম স্বামীভক্তিই
দেখা দেবে। নববধুর খামচে ধরা বিছানাটাই শুধু নজরে পড়বে কুমারিত্ব
হরনের নেশায় ব্যস্ত সেই বরের, গড়িয়ে পড়া কয়েক ফোটা জল তার
অদেখাই থেকে যাবে। নববধুর সেই জলেই
গোপনে ভেসে যাবে পুরোনো প্রেমিক আর তার সব স্মৃতি। আরেকটু
জোরে বরকে আকড়ে ধরে পাকাপোক্ত করে নেবে নতুন আশ্রয়।
বরের গায়ে প্রতিটা খামচির দাগ বরকে নতুন আনন্দে মাতাল
করে তুললেও পুরোনো প্রেমিকের শরীরে তখন চকচকে ব্লেডের
আচড় স্থায়ী হচ্ছে সযতনে।
পরের দিন থেকে আরেকটা নতুন সংসার, নতুন বাবা-মা সামলে রাখার
দায়িত্বটাও সে ভালোভাবেই বুঝে নেবে।
আচ্ছা প্রেমিকটা কি মরে যাবে? নাকি সম্পুর্ন বিপরীত এক সত্বার
মানুষ হয়ে কাটিয়ে দেবে যতদিন পারা যায়?

নাহিন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

এক যুবক নতুন বিয়ে করল।
ভালোই কাটতেছিল তাদের দিনগুলো ।
একদিন স্ত্রী খুব ভালো খাবার রান্না করল।
স্বামী স্ত্রী যখন খেতে বসল, এমন সময় এক ভিক্ষুক হাজির হল।
ভিক্ষুক টি খুব ক্ষুধার্ত
ছিল এবং সে কিছু খাবার চাইল ।
স্বামী খুব রাগ হইলেন এবং ভিক্ষুকটিকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও অপমান
করে তাড়িয়ে দিল।
অসহায় ভিক্ষুক চলে গেল!!!
কিছুদিন পর স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হল। এক পর্যায়ে তাদের সংসার ভেঙ্গে গেল ।
স্বামী স্ত্রী কে তালাক দিয়ে দিল।
স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেল।
কয়েক বছর পর মেয়ের বাবা অন্য এক জায়গায় মেয়ের বিয়ে দিল ।
নতুন স্বামীর সাথে শুরু হল তার জীবন!
দ্বিতীয় স্বামী প্রথম স্বামীর চেয়ে অনেক ধনী ছিল।
একদিন স্বামী স্ত্রী খেতে বসল।
ইতিমধ্যে একজন ভিক্ষুক আসল।
স্ত্রী স্বামী কে বলল"আমি ভিক্ষা দিয়ে আসি"।
কারণ এমন এক মুহুর্তে আমার প্রথম স্বামী এক ভিক্ষুকের সাথে খারাপ
আচরন করেছিল, যা আমি এখনও ভুলতে পারিনা।
যখন স্ত্রী ভিক্ষা দিতে গেল তখন সে অবাক হয়ে গেল!!!
কারণ,তার সেই প্রথম স্বামীই আজ তার সামনে ভিক্ষার পাত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে!!!
স্ত্রী চোখের পানি রাখতে পারল না।
মেয়েটি তার দ্বিতীয় স্বামী কে বলল, আমি আপনাকে এক আশ্চর্য ঘটনা শুনাব।
তারপর মেয়েটি তার প্রথম স্বামীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলে দিল!!
তখন দ্বিতীয় স্বামী চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে বলল,আমি তোমাকে এর
চাইতেও আশ্চর্য ঘটনা শুনাব ।
তুমি হয়ত শুনে অবাক হবে যে ,ঐ দিনের অসহায় সেই ভিক্ষুক টি আমি, যিনি আজ তোমার সম্পদশালী স্বামী!!!
# শিক্ষাঃ আল্লাহ মুহূর্তের মধ্যেই গরীব
কে ধনী আর ধনী কে ফকির বানিয়ে দিতে পারেন ।
সূতরাং আমরা কখনও কোন অসহায় কিংবা গরীব লোকের সাথে খারাপ ব্যবহার না করি ।
যদি পারি নিজের সাধ্য মত সাহায্য করব।
কোন ভাবেই তাদের সাথে ধমকের সুরে কটু কথা বলব না !!

মো:আ:মোতালিব বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আমি রাজ বেশতো থেকে বিদায় নিলাম....বেশতো খুব ভাল একটা প্লাট ফর্ম অনেক কিছু শেখার আছে....তারপরও আমি দুঃখ ভরা মন নিয়ে বেশতো থেকে বিদায়  নিলাম... যদি কেউ আমার কোন কথা কাজে কষ্ট পান মাফ করবেন......

রনি রহমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

মেয়েদের শরীরটাই শুধু খোঁজে পুরুষরা! 

পূরুষের কি আবেগ নেই? 
কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? 
তাহলে সব দোষ পুরুষদের উপর এসে পড়ে কেন? 
ফেসবুকে একজন আপু এই বিষয়ে খুব সুন্দর একটি উত্তর দিয়েছেন। 
প্রিয়’র পাঠকদের জন্য এখানে তা তুলে দিলাম। তবে তার ব্যক্তিগত পরিচয়টুকু প্রকাশ করলাম না। পৃথিবীর বেশিরভাগ মেয়ের ধারণা ছেলেরা শুধু শরীর খোঁজে, শরীরের আনন্দ খোঁজে। পুরুষের সব আবেগ শরীর থেকে শুরু হয়ে শরীরেই শেষ হয়ে যায়। দিন শেষে গড়ে সব পুরুষের গায়ে শরীর সর্বস্ব লেবেল এঁটে যায়।
কিন্তু আসলে কি পুরুষ শুধু শরীর খোঁজে? কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? পৃথিবীতে এক শ্রেণীর মানুষই আছে এমন যারা কেবল শরীর, টাকা আর জাগতিক বস্তু চেনে। তাঁদের মাঝে পুরুষ যেমন আছে, নারীও আছে। এদের সাথে সবাইকে মিলিয়ে ফেললে হবে না। এরা তো মানুষ না…
কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয় একজন পুরুষকে আপন করে নেয়া আসলে খুব সোজা। আমাদের সমাজে ছোটবেলা থেকে নিজের আবেগ গোপন করতেই শেখানো হয় পুরুষদেরকে। অনুভব গুলো চেপে রাখতে রাখতে তারা যেন কেমন কেমন হয়ে যায়।
অথচ আমি নিজেই দেখেছি… সহস্র চুমুর চাইতেও পুরুষেরা বেশি গুরুত্ব দেয় কেউ আদর করে পাশে বসিয়ে খাওয়াক, এটা ওটা পাতে তুলে দিক। অতি সুন্দরী এক নারীর সাথে রাত্রি যাপনের চাইতেও সেই মেয়েটি তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, দিনশেষে যার কোলে মাথা রাখা যায়। অতি সাহসী পুরুষেরাও চায় খুব কষ্টের দিনগুলোতে কেউ একজন পরম মমতায় বুকে টেনে নিক, মাথায় হাত বুলিয়ে দিক। আদর করে বলুক- সব ঠিক হয়ে যাবে, সব ঠিক হয়ে যাবে…
একজন নারী যেভাবে তাঁর পুরুষটিকে সমস্ত শক্তির উৎস হিসাবে চায়, একজন পুরুষও কিন্তু তাই। সেও চায় একান্ত নারীটি তাঁকে বুঝুক, জানুক, তাঁকে অনুপ্রেরণা দিতে পারুক। … অন্যদের কথা জানি না, কিন্তু আমি নিজের জীবনে এমন পুরুষদেরকেই দেখেছি। বাবা, ভাই, বন্ধু, প্রেমিক… আরও না জানি কত রূপে। দেখেছি তারা ভালোবাসার বড় কাঙাল। একটু ভালোবাসা, একটু মমতা, একটু আদর দিয়ে তাঁদেরকে কিনে নেয়া যায়… আজীবনের জন্য!
অদ্ভুত বিষয়টা হচ্ছে, যে যাই বলুক না কেন, যতই লিঙ্গগত ঝগড়াঝাটি থাকুক না কেন, আমার কখনও মনে হয় নারী-পুরুষ পরস্পরের শত্রু। তারা পরস্পরের পরিপূরক, একে অন্যকে ছাড়া অপূর্ণ। কখনও পুরুষ এই সত্য অস্বীকার করে, কখনও নারী।
অথচ তারা পরস্পরের পরিপূরক… অথচ তারা পরস্পরকে ছাড়া অপূর্ণ… খাপে খাপে মেলানো প্রকৃতির অদ্ভুত সুন্দর সৃষ্টি মানব ও মানবী।

মুকতাদির বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"নিচের ছবিটা অসংগত লাগলেও লেখাটা বেশ লাগলো....(জোস)"

মেয়েদের শরীরটাই শুধু খোঁজে পুরুষরা! 

পূরুষের কি আবেগ নেই? 
কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? 
তাহলে সব দোষ পুরুষদের উপর এসে পড়ে কেন? 
ফেসবুকে একজন আপু এই বিষয়ে খুব সুন্দর একটি উত্তর দিয়েছেন। 
প্রিয়’র পাঠকদের জন্য এখানে তা তুলে দিলাম। তবে তার ব্যক্তিগত পরিচয়টুকু প্রকাশ করলাম না। পৃথিবীর বেশিরভাগ মেয়ের ধারণা ছেলেরা শুধু শরীর খোঁজে, শরীরের আনন্দ খোঁজে। পুরুষের সব আবেগ শরীর থেকে শুরু হয়ে শরীরেই শেষ হয়ে যায়। দিন শেষে গড়ে সব পুরুষের গায়ে শরীর সর্বস্ব লেবেল এঁটে যায়।
কিন্তু আসলে কি পুরুষ শুধু শরীর খোঁজে? কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? পৃথিবীতে এক শ্রেণীর মানুষই আছে এমন যারা কেবল শরীর, টাকা আর জাগতিক বস্তু চেনে। তাঁদের মাঝে পুরুষ যেমন আছে, নারীও আছে। এদের সাথে সবাইকে মিলিয়ে ফেললে হবে না। এরা তো মানুষ না…
কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয় একজন পুরুষকে আপন করে নেয়া আসলে খুব সোজা। আমাদের সমাজে ছোটবেলা থেকে নিজের আবেগ গোপন করতেই শেখানো হয় পুরুষদেরকে। অনুভব গুলো চেপে রাখতে রাখতে তারা যেন কেমন কেমন হয়ে যায়।
অথচ আমি নিজেই দেখেছি… সহস্র চুমুর চাইতেও পুরুষেরা বেশি গুরুত্ব দেয় কেউ আদর করে পাশে বসিয়ে খাওয়াক, এটা ওটা পাতে তুলে দিক। অতি সুন্দরী এক নারীর সাথে রাত্রি যাপনের চাইতেও সেই মেয়েটি তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, দিনশেষে যার কোলে মাথা রাখা যায়। অতি সাহসী পুরুষেরাও চায় খুব কষ্টের দিনগুলোতে কেউ একজন পরম মমতায় বুকে টেনে নিক, মাথায় হাত বুলিয়ে দিক। আদর করে বলুক- সব ঠিক হয়ে যাবে, সব ঠিক হয়ে যাবে…
একজন নারী যেভাবে তাঁর পুরুষটিকে সমস্ত শক্তির উৎস হিসাবে চায়, একজন পুরুষও কিন্তু তাই। সেও চায় একান্ত নারীটি তাঁকে বুঝুক, জানুক, তাঁকে অনুপ্রেরণা দিতে পারুক। … অন্যদের কথা জানি না, কিন্তু আমি নিজের জীবনে এমন পুরুষদেরকেই দেখেছি। বাবা, ভাই, বন্ধু, প্রেমিক… আরও না জানি কত রূপে। দেখেছি তারা ভালোবাসার বড় কাঙাল। একটু ভালোবাসা, একটু মমতা, একটু আদর দিয়ে তাঁদেরকে কিনে নেয়া যায়… আজীবনের জন্য!
অদ্ভুত বিষয়টা হচ্ছে, যে যাই বলুক না কেন, যতই লিঙ্গগত ঝগড়াঝাটি থাকুক না কেন, আমার কখনও মনে হয় নারী-পুরুষ পরস্পরের শত্রু। তারা পরস্পরের পরিপূরক, একে অন্যকে ছাড়া অপূর্ণ। কখনও পুরুষ এই সত্য অস্বীকার করে, কখনও নারী।
অথচ তারা পরস্পরের পরিপূরক… অথচ তারা পরস্পরকে ছাড়া অপূর্ণ… খাপে খাপে মেলানো প্রকৃতির অদ্ভুত সুন্দর সৃষ্টি মানব ও মানবী।

শাকিল আহমেদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

মেয়েদের শরীরটাই শুধু খোঁজে পুরুষরা! 

পূরুষের কি আবেগ নেই? 
কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? 
তাহলে সব দোষ পুরুষদের উপর এসে পড়ে কেন? 
ফেসবুকে একজন আপু এই বিষয়ে খুব সুন্দর একটি উত্তর দিয়েছেন। 
প্রিয়’র পাঠকদের জন্য এখানে তা তুলে দিলাম। তবে তার ব্যক্তিগত পরিচয়টুকু প্রকাশ করলাম না। পৃথিবীর বেশিরভাগ মেয়ের ধারণা ছেলেরা শুধু শরীর খোঁজে, শরীরের আনন্দ খোঁজে। পুরুষের সব আবেগ শরীর থেকে শুরু হয়ে শরীরেই শেষ হয়ে যায়। দিন শেষে গড়ে সব পুরুষের গায়ে শরীর সর্বস্ব লেবেল এঁটে যায়।
কিন্তু আসলে কি পুরুষ শুধু শরীর খোঁজে? কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? পৃথিবীতে এক শ্রেণীর মানুষই আছে এমন যারা কেবল শরীর, টাকা আর জাগতিক বস্তু চেনে। তাঁদের মাঝে পুরুষ যেমন আছে, নারীও আছে। এদের সাথে সবাইকে মিলিয়ে ফেললে হবে না। এরা তো মানুষ না…
কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয় একজন পুরুষকে আপন করে নেয়া আসলে খুব সোজা। আমাদের সমাজে ছোটবেলা থেকে নিজের আবেগ গোপন করতেই শেখানো হয় পুরুষদেরকে। অনুভব গুলো চেপে রাখতে রাখতে তারা যেন কেমন কেমন হয়ে যায়।
অথচ আমি নিজেই দেখেছি… সহস্র চুমুর চাইতেও পুরুষেরা বেশি গুরুত্ব দেয় কেউ আদর করে পাশে বসিয়ে খাওয়াক, এটা ওটা পাতে তুলে দিক। অতি সুন্দরী এক নারীর সাথে রাত্রি যাপনের চাইতেও সেই মেয়েটি তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, দিনশেষে যার কোলে মাথা রাখা যায়। অতি সাহসী পুরুষেরাও চায় খুব কষ্টের দিনগুলোতে কেউ একজন পরম মমতায় বুকে টেনে নিক, মাথায় হাত বুলিয়ে দিক। আদর করে বলুক- সব ঠিক হয়ে যাবে, সব ঠিক হয়ে যাবে…
একজন নারী যেভাবে তাঁর পুরুষটিকে সমস্ত শক্তির উৎস হিসাবে চায়, একজন পুরুষও কিন্তু তাই। সেও চায় একান্ত নারীটি তাঁকে বুঝুক, জানুক, তাঁকে অনুপ্রেরণা দিতে পারুক। … অন্যদের কথা জানি না, কিন্তু আমি নিজের জীবনে এমন পুরুষদেরকেই দেখেছি। বাবা, ভাই, বন্ধু, প্রেমিক… আরও না জানি কত রূপে। দেখেছি তারা ভালোবাসার বড় কাঙাল। একটু ভালোবাসা, একটু মমতা, একটু আদর দিয়ে তাঁদেরকে কিনে নেয়া যায়… আজীবনের জন্য!
অদ্ভুত বিষয়টা হচ্ছে, যে যাই বলুক না কেন, যতই লিঙ্গগত ঝগড়াঝাটি থাকুক না কেন, আমার কখনও মনে হয় নারী-পুরুষ পরস্পরের শত্রু। তারা পরস্পরের পরিপূরক, একে অন্যকে ছাড়া অপূর্ণ। কখনও পুরুষ এই সত্য অস্বীকার করে, কখনও নারী।
অথচ তারা পরস্পরের পরিপূরক… অথচ তারা পরস্পরকে ছাড়া অপূর্ণ… খাপে খাপে মেলানো প্রকৃতির অদ্ভুত সুন্দর সৃষ্টি মানব ও মানবী।

নিপু বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

মেয়েদের শরীরটাই শুধু খোঁজে পুরুষরা! 

পূরুষের কি আবেগ নেই? 
কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? 
তাহলে সব দোষ পুরুষদের উপর এসে পড়ে কেন? 
ফেসবুকে একজন আপু এই বিষয়ে খুব সুন্দর একটি উত্তর দিয়েছেন। 
প্রিয়’র পাঠকদের জন্য এখানে তা তুলে দিলাম। তবে তার ব্যক্তিগত পরিচয়টুকু প্রকাশ করলাম না। পৃথিবীর বেশিরভাগ মেয়ের ধারণা ছেলেরা শুধু শরীর খোঁজে, শরীরের আনন্দ খোঁজে। পুরুষের সব আবেগ শরীর থেকে শুরু হয়ে শরীরেই শেষ হয়ে যায়। দিন শেষে গড়ে সব পুরুষের গায়ে শরীর সর্বস্ব লেবেল এঁটে যায়।
কিন্তু আসলে কি পুরুষ শুধু শরীর খোঁজে? কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? পৃথিবীতে এক শ্রেণীর মানুষই আছে এমন যারা কেবল শরীর, টাকা আর জাগতিক বস্তু চেনে। তাঁদের মাঝে পুরুষ যেমন আছে, নারীও আছে। এদের সাথে সবাইকে মিলিয়ে ফেললে হবে না। এরা তো মানুষ না…
কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয় একজন পুরুষকে আপন করে নেয়া আসলে খুব সোজা। আমাদের সমাজে ছোটবেলা থেকে নিজের আবেগ গোপন করতেই শেখানো হয় পুরুষদেরকে। অনুভব গুলো চেপে রাখতে রাখতে তারা যেন কেমন কেমন হয়ে যায়।
অথচ আমি নিজেই দেখেছি… সহস্র চুমুর চাইতেও পুরুষেরা বেশি গুরুত্ব দেয় কেউ আদর করে পাশে বসিয়ে খাওয়াক, এটা ওটা পাতে তুলে দিক। অতি সুন্দরী এক নারীর সাথে রাত্রি যাপনের চাইতেও সেই মেয়েটি তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, দিনশেষে যার কোলে মাথা রাখা যায়। অতি সাহসী পুরুষেরাও চায় খুব কষ্টের দিনগুলোতে কেউ একজন পরম মমতায় বুকে টেনে নিক, মাথায় হাত বুলিয়ে দিক। আদর করে বলুক- সব ঠিক হয়ে যাবে, সব ঠিক হয়ে যাবে…
একজন নারী যেভাবে তাঁর পুরুষটিকে সমস্ত শক্তির উৎস হিসাবে চায়, একজন পুরুষও কিন্তু তাই। সেও চায় একান্ত নারীটি তাঁকে বুঝুক, জানুক, তাঁকে অনুপ্রেরণা দিতে পারুক। … অন্যদের কথা জানি না, কিন্তু আমি নিজের জীবনে এমন পুরুষদেরকেই দেখেছি। বাবা, ভাই, বন্ধু, প্রেমিক… আরও না জানি কত রূপে। দেখেছি তারা ভালোবাসার বড় কাঙাল। একটু ভালোবাসা, একটু মমতা, একটু আদর দিয়ে তাঁদেরকে কিনে নেয়া যায়… আজীবনের জন্য!
অদ্ভুত বিষয়টা হচ্ছে, যে যাই বলুক না কেন, যতই লিঙ্গগত ঝগড়াঝাটি থাকুক না কেন, আমার কখনও মনে হয় নারী-পুরুষ পরস্পরের শত্রু। তারা পরস্পরের পরিপূরক, একে অন্যকে ছাড়া অপূর্ণ। কখনও পুরুষ এই সত্য অস্বীকার করে, কখনও নারী।
অথচ তারা পরস্পরের পরিপূরক… অথচ তারা পরস্পরকে ছাড়া অপূর্ণ… খাপে খাপে মেলানো প্রকৃতির অদ্ভুত সুন্দর সৃষ্টি মানব ও মানবী।

Risingbd.com: একজনকে সুপারিশ করেছে "বন্ধুত্ব হোক সবার সাথে ....."

রাজ

@SmRaja

সেই জ্ঞানী যে নিজে শেখে অন্যকেও শিখায়..
২৩১ জন ফলো করছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৮০৪

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত