ট্রাভেলার

@Traveller

যে দিকে দু চোখ যায়
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on Trekking, Travelling
1349805600000  থেকে আমাদের সাথে আছে

arifur rahman: একজনকে সুপারিশ করেছে

ট্রাভেলার

@Traveller

যে দিকে দু চোখ যায়
৮০,৮৯৪ জন ফলো করছে

tareqdipon বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এই পৃথিবীটা যেন বিধাতা তার কুদরতি হাতে গড়ে তোলেছেন! পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র ও স্থানকে ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য প্রদান করেছেন। তেমনি ভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য সম্বলিত মন হারা নজর-কাড়া মায়বী রূপের দেশ হচ্ছে মালদ্বীপ। চলুন মালদ্বীপের রূপ বৈচিত্র সম্পর্কে জেনে নেই।

মালদ্বীপের জনপ্রিয়তার কারনঃ
পৃথিবীর অন্যতম  দেশ ভারত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ! প্রকৃতি যেন এখানে দু'হাত ভরে সাজিয়েছে_যা দুনিয়াজোড়া মানুষকে মুগ্ধ করে।  মালদ্বীপের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যই পর্যটকদের কাছে মালদ্বীপকে এতোটাই জনপ্রিয় করে তোলেছে। জেনে হয়তবা অবাক হবেন কিন্তু কথা সত্য! মালদ্বীপের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন। প্রতি বছর বিশ্বের নানা প্রান্তর থেকে লাখ লাখ পর্যটক মালদ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন। এক ঋতুর দেশটির উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম মিলে রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার ছোট ছোট দ্বীপ। এ দ্বীপগুলোর সমন্বয়েই সৃষ্টি মালদ্বীপ। 

মালদ্বীপে দেখার মত যা যা রয়েছেঃ
পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপেই বিশালকায় সাবমেরিনে করে সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। যা পর্যটকদের ১২০ ফুট গভীর সমুদ্রর তলদেশ পর্যন্ত নিয়ে যায়। গভীর সমুদ্রর তলদেশে বিশাল বিশাল মাছ, গাছ-গাছালি, ভয়ংকর প্রাণী, উঁচু-নিচু পাহাড় দেখে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।

সমুদ্রর তলদেশে ভ্রমণ এতই রোমাঞ্চকর যে, বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করে মালদ্বীপে। সমুদ্র উপকূলের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য রয়েছে সাফারিবোট। যা উপকূল থেকে পর্যটকদের নিয়ে যায় গভীর সমুদ্রে। সৌন্দর্য পিপাসুদের দেয় অনাবিল আনন্দ। এক একটি সাফারিবোট ১৫-২০ দিনের জন্য ২০-২৫ জন পর্যটক নিয়ে পাড়ি জমায় গভীর সমুদ্র ভ্রমণের পথে। সাফারিবোটে ভ্রমণের অংশ হিসেবে পর্যটকরা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত গাইড, অক্সিজেন, ওয়াটার প্রুফ জ্যাকেট নিয়ে পাড়ি জমায় অজানার উদ্দেশ্যে। পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য মালদ্বীপে রয়েছে প্রায় ২০০র বেশি সাফারিবোট।

মালদ্বীপের আরেক বিস্ময় হল সমুদ্রের মাঝখানে স্কয়ার সাইজের কয়েক কিলোমিটার জায়গা। যেখানে নেই কোন সাগরের ঢেউ, মনে হয় পুকুরের পানির মতো নীরব হয়ে আছে। এই জায়গায় পর্যটকরা নির্ভয়ে সাঁতার কাটে। স্পিডবোটে চড়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। এখানে দেখা মিলে বিরল প্রজাতির পানি কাটা পাখি।

পর্যটকরা যখন রাজধানী মালে আসেন তখন প্রথমে তাদের মন কেড়ে নেয় একটি পার্ক। সেই পার্কে রয়েছে শত শত কবুতর। এই কবুতরের সঙ্গে পর্যটকরা মনে খুলে আনন্দ-উল্লাস করে।

মালদ্বীপে আসা বাংলাদেশী পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ মালদ্বীপের রাজধানী মালের বড় মসজিদটি। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকে এই মসজিদটি দেখার জন্য।

মালদ্বীপে বহু বছরের পুরনো অনেক ছোট ছোট মসজিদ আছে, যা পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। মালদ্বীপের জাদুঘর পৃথিবীর সমৃদ্ধ জাদুঘরগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে রয়েছে তাদের পুরনো স্থানীয় মুদ্রা, বিশাল বিশাল মাছের কংকাল, মালদ্বীপের লোকজ শিল্পের সংগ্রহ। এ সব কিছু ছাড়াও ছোট বড় দ্বীপের সমাহার তো থাকছেই।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

রামসাগর কোন সাগর নয় তারপরেও তার নাম রামসাগর। সৌন্দর্য্য এবং আয়তনের দিক থেকে রামসাগর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দীঘি। এ দীঘিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জাতীয় ‍উদ্যান। রামসাগর ও জাতীয় এই উদ্যানকে ঘিরে প্রতিদিন সারা দেশ থেকে ভ্রমন পিঁপাসু হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমায়। বন্ধুরা তোমরা যারা দিনাজপুর ভ্রমন করতে যাবে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, দিনাজপুর গেলে কিন্তু রামসাগর দেখতে যাওয়া চাই-ই-চাই। কারণ রামসাগর না গেলে দিনাজপুর ভ্রমনের আনন্দটাই মাটি। চলো তাহলে ঘুরে আসি দিনাজপুর জেলার রামসাগর দীঘি থেকে।
 
দিনাজপুর  সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর শহর থেকে ৫ মাইল দক্ষিণে এই দিঘিটির অবস্থান। শুধুমাত্র জলাধার বা ‌ঐতিহাসিক কীর্তি নয়, এক বিশাল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী একটি মনোরম পার্ক রয়েছে এখানে। পলাশী যুদ্ধের প্রাক্কালে দিনাজপুরের বিখ্যাত রাজা রামনাথ ১৭৫০-১৭৫৫ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে রামসাগর দীঘিটি খনন করান এবং তার নামেই এর নামকরণ করা হয়।

কি দেখবেন রামসাগর গিয়েঃ
এ চারপাশে সবুজ বৃক্ষরাজি ঘেরা রামসাগরকে দূর থেকে অরণ্য ভেবে ভুল করতে পারেন অনেকে। ইট বিছানো উঁচু রাস্তাটিতে উঠে বাঁ দিকে চোখ ফেরাতেই বিস্তীর্ণ জলরাশি চোখের সামনে মূর্ত হয়। অবাক দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকতে হয় সাগরের মতো বিশাল দিঘিটির দিকে। স্থির, স্বচ্ছ রূপ নিয়ে মনোহরণ করতে থাকে। মূল দিঘির চারপাশে উঁচু টিলা। টিলাজুড়ে নানা জাতের গাছগাছালি। গাছগুলোতে জমে পাখির আড্ডা। তাদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে চারপাশ। রয়েছে (রামসাগর জাতীয় পার্ক) চারিদিক প্রদক্ষিণ করার রাস্তা। নানা ধরনের পুরানো এবং নতুন গাছের সমাহারে সাজানো রয়েছে চারিদিক। রয়েছে পরবর্তীতে কৃত্রিমভাবে বানানো নানা ধরনের পশু পাখির প্রকৃতি। এছাড়া কিছু হরিণও আপনার চোখে পড়বে ।এছাড়ও দিঘিতে ভেসে থাকা অজস্র শাপলা ফুল রামসাগরের সৌন্দর্য্যেকে দিয়েছে নান্দনিকতার ছোঁয়া যা সহজেই আপনার মন কাড়তে সক্ষম হবে।

দিঘির উত্তর দিকে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত লাল ইটের একটি প্রাচীন স্থাপনা দেখা যায়। এটি নিয়ে নানা কথা প্রচলিত আছে স্থানীয়দের কাছে। কারও মতে এটি একটি মন্দির আবার কারও মতে এটি একটি বিশ্রামাগার।

রামসাগর নামটি কিভাবে আসলো?
কথিত আছে, বহু বছর আগে রাজা রামনাথ রাজ্যের মানুষের পানির অভাব মেটানোর জন্য একটি দীঘি  খনন করা শুরু করেন। কিন্তু যতই খনন করা হোক না কেন, দীঘি দিয়ে পানি উঠে না। কেউ কোনো কারণ বুঝতে পারছিল না। হঠাৎ একদিন রাজা স্বপ্ন দেখেন, দীঘির মাঝে একটি ছোট মন্দির স্থাপন করে রাজা পূজা করলে দীঘিতে পানি উঠবে। স্বপ্নমতে রাজা রামনাথ মন্দির স্থাপন করে পূজা করলে দীঘিতে পানি উঠে এবং রাজা রাম পানিতে ডুবে মারা যান। পরে তার স্মৃতিস্বরূপ এই স্থানের নাম হয়েছে ‘রামসাগর’।

রামসাগর ভ্রমনের প্রয়োজনীয় তথ্য
প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে রামসাগর জাতীয় উদ্যান । এখানে প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ২ টাকা। নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করে গাড়ি নিয়েও জায়গাটিতে প্রবেশ করা যায়। রামসাগরে  বাহনের প্রবেশ মূল্য রিকশা ৫ টাকা, কার বা জিপ ৩৫ টাকা, সাধারণ মাইক্রোবাস ৬০ টাকা, বড় মাইক্রোবাস ৭৫ টাকা। নিজস্ব বাহন না থাকলে দিনাজপুর শহর থেকে ব্যাটারি চালিত রিকশায় রামসাগর আসতে সময় লাগে প্রায় ত্রিশ মিনিট। ভাড়া ১০০-১৫০ টাকা।

কীভাবে যাবেন,কেমন খরচ?
ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেন দুই পথেই যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী (Dinajpur) বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৯০০ টাকা।
এ ছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ,এস আর ট্রাভেলস,কেয়া পরিবহন, এস এ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল পরিবহনের নন-এসি বাসও চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।
 ঢাকা থেকে আসাদগেট, কলেজগেট, শ্যামলী, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল মোড় অথবা গাবতলী হতে নাবিল, বা বাবলু এন্টারপ্রাইজের চেয়ার কোচে করে সরাসরি দিনাজপুর । প্রায় সারাদিন ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরপর গাড়িগুলো ছেড়ে যায়। তা ছাড়া উত্তরা হতেও কিছু পরিবহন দিনাজপুর যায়।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার। ভাড়া শোভন সিট ১৮৫ টাকা,শোভন চেয়ার ২৫০, প্রথম শ্রেণি চেয়ার ৩৫০, প্রথম শ্রেণি বার্থ ৫৩৫, এসি চেয়ার ৬১৮, এসি বার্থ ৮৯৭ টাকা।
 
দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে ঢাকার উদ্দেশে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন, কেমন খরচ?
 রামসাগরের ভেতরের এক অংশে রয়েছে বন বিভাগের একতলাবিশিষ্ট একটি বাংলো। সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এখানে থাকতে পারেন। এখানে থাকতে হলে স্থানীয় বন বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হয়। একতলা ভবনটিতে তিনটি সাধারণ এবং একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ আছে। প্রতিটি সাধারণ কক্ষের ভাড়া প্রতি রাত ৫০০ টাকা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ভাড়া ১০০০ টাকা। নিজেদেরই খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়। এছাড়াও দিনাজপুর শহরে রয়েছে কয়েকটি উন্নতমানের আবাসিক হোটেল। অল্প খরচেই সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা যায়।কাছ থেকে রাম সাগরের লোভনীয় সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য এটি একটি আদর্শ হোটেল।
  
এছাড়া দিনাজপুর শহরের কোন হোটেলে থাকতে পারেন। দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য বাংলাদেশ পর্যটন কপোর্রেশন এর মোটেলসহ অনেকগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন হোটেল রয়েছে। আপনি চাইতে এখানে থাকতে পারেন। হোটেল ডায়মন্ড, পূর্নভবা, হোটেল আল রশিদ উল্লেখযোগ্য।

হোটেল বুকিং সুবিধা

দিনাজপুর (Dinajpur) শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)। এ ছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ মোটেলের বুকিং দিতে পারেন।
ফোন :৯৮৯৯২৮৮-৯১ ।

দিনাজপুরের (Dinajpur) পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১৫০০ টাকা এবং এসি টুইনবেড ডিলাক্স কক্ষ ১৮০০ টাকা। এ ছাড়া দিনাজপুরের (Dinajpur) অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেলে ১০০-১২০০ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে।
 
কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হলো—মালদহ পট্টিতে হোটেল ডায়মন্ড (০৫৩১-৬৪৬২৯),নিমতলায় হোটেল আল রশিদ (০৫৩১-৬৪২৫১), হোটেল নবীন (০৫৩১-৬৪১৭৮), হোটেল রেহানা (০৫৩১-৬৪৪১৪), নিউ হোটেল (০৫৩১-৬৮১২২)।

বিশেষ খাবার গুলোঃ

দিনাজপুর (Dinajpur) এর বিখ্যাত এবং খুব জনপ্রিয় খাবার  লিচু,চিড়া,পাপড় খেতে ভুলবেন না।

বন্ধুরা বিস্তারিত জানিয়ে দিলাম দিনাজপুরের রামসাগর সম্পর্কে। এবার তাহলে ভ্রমনের সরঞ্জামাদি নিয়ে বেরিয়ে পড়। সাথে আমাকে নিতে কিন্তু ভুল করনা। না না আমাকে না তোমার ক্যামেরাটাকে। তোমাদের ভ্রমন নিরাপদ হোক। শুভকামনা রইল...

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

পাহাড়ি সবুজ বন, মেঘমালা, পাহাড়ি ঝরনা আর সাংগু নদীর একমুখী ছুটে চলার দৃশ্য আপনাকে হাতছানি দেবে বান্দরবানের পথে পথে। বান্দরবান থেকে থানচির পথে যেতে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর শৈলপ্রপাত। পাহাড়ি ঝরনা। যদিও এটি এখন শুকিয়ে গেছে। এর কিছু দূর যাওয়ার পর মিলবে চিমবুক পাহাড়। বান্দরবান থেকে চিমবুকের দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। এ পাহাড়ের চূড়া থেকে আপনি বঙ্গোপসাগর, চট্টগ্রাম বন্দর দেখতে পাবেন। মেঘের আনাগোনার দিনে হাত বাড়ালেই শীতল ছোঁয়া পাবেন।

আকাশ আর মেঘ যেখানে ভ্রমন পিপাসু মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। অবারিত সবুজ প্রান্তর যেখানে মিশে যায় মেঘের ভেলায়। মেঘের সাথে পাহাড়ের যেখানে আজন্ম বন্ধুত্ব। বলছি নীলগিরি পর্যটনের কথা। এখানে পাহাড় ও মেঘের সাথেই বসবাস করে পাহাড়ি আদিবাসী ম্রো সম্প্রদায়ের অধিবাসীরা। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ২ হাজার ২ শত ফুট উচ্চতায় এই নীলগিরি পাহাড়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। চিমবুকের পর চলতে চলতে একটা জায়গায় এসে থমকে দাঁড়াতে হয়। একটি সাইনবোর্ড। তাতে লেখা_ 'বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সড়ক'। এবার সামান্য পথ যেতেই নীলগিরি। পর্যটন স্পট। বান্দরবান থেকে দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬০০ ফুট উঁচু এ পাহাড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সাতটি বিশ্রামাগার। মেঘদূত, আকাশনীলাসহ নানা বাহারি নামের এসব বিশ্রামাগারে রাত কাটানোর জন্য ৩ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে।


তবে এমনিতে ৫০ টাকার টিকিট কেটে নীলগিরির চূড়া থেকে পাহাড়ের চারদিকের সবুজ দৃশ্য অবলোকন করা যায়। নীলগিরিতে করা হয়েছে একটি হেলিপ্যাডও। এখানকার বিশ্রামাগার ভাড়া নিতে হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আগে যোগাযোগ করতে হয়। নীলগিরি থেকে যত দক্ষিণে যাবেন, ততই আস্তে আস্তে সর্বোচ্চ সড়ক থেকে নিচের দিকে নামতে থাকবেন। কখনো দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে, কখনো বা পাহাড়ের পাশের সরু সড়ক ধরে চলে যাবে চাঁদের গাড়ি কিংবা নিজস্ব জিপ। পাহাড়ের ঢালে আদিবাসীদের ছোট ছোট ঘরবাড়ি থেকে মাঝেমধ্যে উঁকি দেবে কোনো নারীমুখ কিংবা ছোট্ট শিশু। জুম চাষও দেখতে পাবেন। বর্ষার এই সময়টাতে আদিবাসী নারী-পুরুষ ব্যস্ত থাকে জুমের মাঠে।


এ ছাড়া ঘুরে আসা যায় আদিবাসীদের বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের বাগানে। পাহাড়ি ঝরনা থেকে আদিবাসী নারীদের পানি সংগ্রহ করার দৃশ্য দেখতে ভুলবেন না যেন। এ ছাড়া দুই পাহাড়ের মাঝখানে উন্মত্ত বর্ষায় ছুটে চলা সাংগু নদীও টানবে আপনাকে। আদিবাসীপাড়ার কার্বারি কিংবা কারো সহযোগিতায় ডিঙি কিংবা নৌকায় চড়ে আপনিও চলে যেতে পারেন আশপাশের কোনো মারমা পাড়ায়। আদিবাসীদের জীবনযাত্রা আপনার প্রাণ ছুঁয়ে যাবে। ঈদের ছুটিটা উপভোগ্য না হয়ে পারেই না!


যেভাবে যাবেন
ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম থেকে বাসযোগে বান্দরবান। সেখানে রাতযাপনের জন্য বিভিন্ন হোটেল রয়েছে। এরপর কোনো এক সকালে বান্দরবান থেকে চাঁদের গাড়িযোগে আরো গহিন অরণ্যে যাত্রা করা যায়। এ জন্য ভাড়া পাওয়া যায় চাঁদের গাড়ি। বান্দরবান থেকে থানচি পর্যন্ত একটি গাড়ি আসা-যাওয়ায় ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়। নিজস্ব গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ি পথ, বিশেষ করে বান্দরবানের অাঁকাবাঁকা দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা সম্পর্কে চালক অভিজ্ঞ হলে ভালো। শহর থেকে চাঁদের গাড়ীগুলো নীলগিরি পর্যন্ত ৩/৪ হাজার টাকা ভাড়া নিয়ে থাকে। এসব চাঁদের গাড়ীগুলো একসাথে ২০/২৫ জন পর্যন্ত যাত্রী পরিবহণ করে। 

কোথায় থাকবেন
বান্দরবানে এসেই আপনাকে কোন আবাসিক হোটেলে রুম নিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে। শহরের মধ্যে বিভিন্ন বাজেটের মধ্যে এসি/ ননএসি হোটেল পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত হোটেল থাকায় রুম পেতে কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে পর্যটনের ভরা মৌসুমে আগেভাগে বুকিং দিয়ে আসা ভালো। এখন বেশির ভাগ আবাসিক হোটেলের সাথেই খাবারের রেস্তোরা রয়েছে। শহরের রুমা বাসষ্টেশন থেকে বিভিন্ন চাঁদের গাড়ী, জীপ ইত্যাদি নীলগিরী পর্যটন কেন্দ্রে চলাচল করে। আপনাকে এসব গাড়ী রিজার্ভ করেই যেতে হবে গন্তব্যে। কারণ রিজার্ভ গাড়ীতে না গেলে আপনাকে পথে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতে পারে। যা আপনার ভ্রমনের আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে। গন্তব্যে পৌঁছাতে এসব গাড়ী ২-৩ ঘন্টা সময় নিতে পারে। নীলগিরি পৌঁছে আপনি সেখানে রাত যাপনও করতে পারবেন। এখানকার কটেজগুলো একটু ব্যয়বহুল। এখানকার প্রতিটি কটেজের ভাড়া রাতপ্রতি ৪/৫ হজার টাকার মধ্যে। আর থাকতে না চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনাকে আবার বান্দরবান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে।

আমানুল্লাহ সরকার বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

দিনাজপুরের পূর্বনাম ছিল ঘোড়াঘাট। জানা যায় জনৈক দিনাজ বা দিনাজরাজ নামক ব্যক্তি দিনাজপুরে রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তাঁর নামানুসারে জেলার নামকরণ হয়েছে দিনাজপুর। প্রধান নদনদীর মধ্যে রয়েছে -যমুনা, আত্রাই, পুনর্ভবা, ঢেপা, কাঞ্চন, খরখরিয়া ইত্যাদি। খনিজ সম্পদের জন্য সমৃদ্ধ দিনাজপুর। দিনাজপুরের যে দুটি কীর্তির জন্য রাজা রামনাথ অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন তার একটি কান্তজীর মন্দির অন্যটি রামসাগর। কথিত আছে, রাজা রামনাথের আমলে বৃষ্টিপাতের অভাবে একবার ক্ষেতের সব শষ্য নষ্ট হয়ে যায়। প্রকৃতি হয়ে ওঠে রুক্ষ ও ধূসর। অনাবৃষ্টির অভিশাপে জর্জরিত হয় সাধারণ প্রজা। প্রজাদের দুঃখদৈন্য মেটাতে মহাপ্রাণ রাজা খনন করান দীঘিটি। তারপর থেকে বহুকাল পর্যন্ত এটি রয়ে গেছে। রামসাগারকে ঘিরে যে সৌন্দর্যের পশরা বসেছে তা বর্ণনাতীত।

আছে কান্তজীর মন্দির, বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মন্দির । শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির অসাধারণ এক নিদর্শন এই মন্দির। দিনাজপুরের টেপা নদীর ওপারে কান্তনগর গ্রামে এর অবস্থান।  দিনাজপুরে প্রবেশেই চোখে পরে সড়কের দুদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য লিচু গাছ। দিনাজপুর অঞ্চল তো লিচুর এক দেশই বটে। এখানে এসে লিচু খাওয়ার মজাই আলাদা।

লিচুর রাজ্য দিনাজপুরের মাশিমপুর লিচুবাগান
মধুমাসে ভ্রমন করতে যাওয়ায় সকলের লিচু খাওয়া। দিনাজপুর জেলার সবখানেই কম-বেশি লিচুর চাষ হয়। তবে মাশিমপুর লিচুর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত। এখানকার বাড়িতে বাড়িতে দেখা গেল সবাই লিচু নিয়ে ব্যস্ত। সড়কের দুপাশে শুধুই লিচুগাছ। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ডাল ভারী হয়ে ঝুলছে লাল লাল লিচু।বাজার থেকে কিনে লিচু খাওয়া আর বাগানের গাছ থেকে নিজ হাতে পেড়ে লিচু খাওয়ার মধ্যে অনেক তফাৎ আছে।প্রধান সড়ক ছেড়ে ছোট একটি রাস্তায় ঢুকতেই পাওয়া যায় আরো শত শত লিচুবাগান। 


মাশিমপুরের লিচু বেশিরভাগই বাড়ি কেন্দ্রীক। ঘরের আঙিনা, আশপাশেই বেশিরভাগ লিচু গাছ। বাগানও আছে প্রচুর। ভ্রমণে গেলে এখানে তাই কমবেশি আতিথেয়তাও পাওয়া যায়। এই এলাকার যে কোনো বাড়ি কিংবা বাগানে ঢুকে পড়তে পারেন আপনিও দিনাজপুর ভ্রমনে গিয়ে। মাশিমপুরের বাগানে প্রতি শত লিচু জাতভেদে দাম ২শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। দেশি ও মাদ্রাজি লিচুর দাম সবচেয়ে কম। আকারে বেশ বড় ও সুস্বাদু হওয়ায় বোম্বাই ও চায়না-থ্রি লিচুর দাম সবচেয়ে বেশি। বোম্বাই আর মাদ্রাজি লিচুর দাম কিছুটা কম, প্রতি ১০০ লিচু ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। বেদানা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আর চায়না-থ্রি জাতের লিচু ৮০০ টাকা থেকে শুরু। এছাড়া রয়েছে কালিতলা নিউমার্কেট, যেখানে লিচুর হাট বসে, সেখানে লিচু কিনে পার্সেল করে দিতে পারেন আপনার গন্তব্যে। দিনাজপুর থেকে লিচু আনার এটাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি, তবে পরিমাণে অল্প হলে হাতে করেই নিয়ে আসা যায়।


লিচুর রাজ্যে ঘুরে দেখে লিচুর স্বাদ নিয়ার এটাই উপযুক্ত সময়। তাই এখনই বেড়ানোর পরিকল্পনা করে ফেলতে পারেন যে কেউ।

কিভাবে যাবেন,কেমন খরচ?
ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেন দুই পথেই যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী (Dinajpur) বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৯০০ টাকা।
এ ছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ,এস আর ট্রাভেলস,কেয়া পরিবহন, এস এ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল পরিবহনের নন-এসি বাসও চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা। ঢাকা থেকে আসাদগেট, কলেজগেট, শ্যামলী, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল মোড় অথবা গাবতলী হতে নাবিল, বা বাবলু এন্টারপ্রাইজের চেয়ার কোচে করে সরাসরি দিনাজপুর । প্রায় সারাদিন ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরপর গাড়িগুলো ছেড়ে যায়। তা ছাড়া উত্তরা হতেও কিছু পরিবহন দিনাজপুর যায়।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার। দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে ঢাকার উদ্দেশে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন, কেমন খরচ?
দিনাজপুর শহরের কোন হোটেলে থাকতে পারেন। দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য বাংলাদেশ পর্যটন কপোর্রেশন এর মোটেলসহ অনেকগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন হোটেল রয়েছে। আপনি চাইতে এখানে থাকতে পারেন। হোটেল ডায়মন্ড, পূর্নভবা, হোটেল আল রশিদ উল্লেখযোগ্য।দিনাজপুর (Dinajpur) শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)। এ ছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ মোটেলের বুকিং দিতে পারেন। দিনাজপুরের (Dinajpur) পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১৫০০ টাকা এবং এসি টুইনবেড ডিলাক্স কক্ষ ১৮০০ টাকা। এ ছাড়া দিনাজপুরের (Dinajpur) অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেলে ১০০-১২০০ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে। কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হলো—মালদহ পট্টিতে হোটেল ডায়মন্ড (০৫৩১-৬৪৬২৯),নিমতলায় হোটেল আল রশিদ (০৫৩১-৬৪২৫১), হোটেল নবীন (০৫৩১-৬৪১৭৮), হোটেল রেহানা (০৫৩১-৬৪৪১৪), নিউ হোটেল (০৫৩১-৬৮১২২)।

দিনাজপুরের বিশেষ খাবার গুলোঃ
দিনাজপুর (Dinajpur) এর বিখ্যাত এবং খুব জনপ্রিয় খাবার লিচু,চিড়া,পাপড় খেতে ভুলবেন না।

বিস্তারিত জানিয়ে দিলাম দিনাজপুরের লিচু রাজ্য সম্পর্কে। এবার তাহলে ভ্রমনের সরঞ্জামাদি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। 

Rashedul Islam Rubel: একজনকে সুপারিশ করেছে "niceeeeeeeeeeeeeeeee"

ট্রাভেলার

@Traveller

যে দিকে দু চোখ যায়
৮০,৮৯৪ জন ফলো করছে

ঈশান রাব্বি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

পাহাড়ে ঘেরা সুন্দর ছোট্ট একটি দেশ সুইজারল্যান্ড, যার যে কোন প্রান্তে দাড়ালে আপনাকে দেখিয়ে দিবে এর ঐশ্বরিক সৌন্দর্য্য। সুইজারল্যান্ডের সবকিছু যেন সবুজে ঘেরা আল্পস পর্বতশ্রেনীর দিকে একই সমতলে হেলে পড়েছে। অবশ্য এই ভূখণ্ডের অনেকগুলো হ্রদ এর সৌন্দর্য্যকে আরও বিস্তীর্ণতা দিয়েছে। অনেক পর্যটকের আকর্ষণের মূল কেন্দ্র বিন্দু সুইজারল্যান্ড। 


ইন্তের্লাকেনঃ
ইন্তের্লাকেন বিশুদ্ধ বাতাস এবং এর স্পা ট্রিটমেন্ট জন্য পরিচিত একটি পর্যটন রিসোর্ট। এখানে তিনটি রাজকীয় সুইস পর্বত  ইজার, জাংফ্রাঊ এবং মঙ্কের বিস্তৃত দৃশ্য দেখতে পাবেন। এছাড়াও আপনি পনির থেকে তৈরী অতুলনীয় সুইস খাবার raclette চেষ্টা করে দেখতে পারেন। 
 

লুসানঃ
আরেকটি চমৎকার শহর লুসান, যা লেক জেনেভার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হিসাবে চিহ্নিত এবং এর প্রবেশপথ বিশ্বের সেরা স্কি ঢালের একটি। লুসান যেন একটি বাণিজ্যিক শহরে এবং রিসোর্টের নিখুঁত সংমিশ্রন। দেশি বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ্ই শহরটি বেশ জনপ্রিয়।
 

জেনেভাঃ 
সাইকেলে চড়ে ভ্রমন বা নৌকায় ভ্রমনের জন্য আরেকটি বিশাল শহর জেনেভা।অনেক সৌন্দর্যে বিমোহিত এই নগরী বিশ্বকে এক করেছে এবং আপনি একটি মহানগরীর কাছ থেকে যা আশা করতে পারেন তার সম্বনয় করেছে।
 

জুরিখঃ
জুরিখ সুইজারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর। এখানে ৫০টিরও বেশি মিউজিয়াম এবং ১০০টিরও বেশি আর্ট গ্যালারী আছে। আপনি যদি শিল্প ও সংস্কৃতি ভালবাসেন, তাহলে আপনার জন্য জুরিখ অবশ্যই ঘুরে দেখার মতও একটি জায়গা।

 
যারম্যাটঃ
সুইজারল্যান্ড এর সর্বোচ্চ পর্বত ম্যাটারহর্ন এক কাছাকাছি অবস্থিত   ছোট একটি শহর যারম্যাট যা স্কিইং এবং পর্বতারোহণ জন্য একটি আদর্শ স্থান।
 

জাংফ্রাউঃ
স্কি বা পর্বতারোহন করতে চাই যেসব দু: সাহসী  তাদের জন্য  আল্পসের মধ্যে অবস্থিত জাংফ্রাউ।
 

লেক জেনেভাঃ
লেক জেনেভা ইউরোপের বৃহত্তম হ্রদ হিসাবে পরিচিত। জুরা পর্বতমালার এবং আল্পস পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। 

সাদাত সাদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

কিউবা বিশ্ববাসীর কাছে বিপ্লবের ভূমি হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনচেতা এই দেশটি খুবই শান্ত ও সুন্দর। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারার নেতৃত্বে একদল বিপ্লবী হটিয়ে দিয়েছিল স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারকে। তখন থেকেই তারুণ্যের প্রতীক, জীবনের প্রতীক কিউবা। ঐতিহ্যবাহী এই শহরটি শুধু বিপ্লবেরই স্বাক্ষী দেয় না বরং এখানে ঘুরে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে।  মূলত ৫টি  কারণে কিউবার রাজধানী হাভানায় ঘুরতে যায় মানুষ।

১. পুরনো আমলের গাড়ি  
হাভানায় গেলে আপনি বিনামূল্যে টাইম মেশিনে চড়ার সুযোগ পাবেন। রাস্তায় নামলে দেখবেন এখনো ১৯৫০-এর দশকের ট্যাক্সিক্যাবগুলো রীতিমতো রাস্তা কাঁপিয়ে চলছে। উঠে পড়ুন ট্যাক্সিক্যাবে, সেটাই টাইম মেশিন। ভুলেই যাবেন অর্ধশতাব্দী এগিয়ে আছেন আপনি।

২. কিউবান  
মানুষ দেখতে হলেও কিউবায় যাবেন। বন্ধুবৎসল হিসেবে খ্যাতি রয়েছে কিউবানদের। ছোট ছোট গলির ভেতরে দেখবেন দাদার বয়সীরা হাফপ্যান্ট পরে আরাম কেদারা বিছিয়ে দিব্যি বসে আছেন। রাস্তায় দেখবেন বাচ্চাদের সাথে পাল্লা দিয়ে বুড়োরা ফুটবল নিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। এই দৃশ্যগুলোই কিউবানদের প্রাণবন্ত জীবন-যাপনের উদাহরণ।

৩. বুড়ো শহর  
হাভানায় রয়েছে কয়েক শ বছরের পুরোনো বাড়িঘর। স্থাপত্যের দিক থেকে হাভানা ঐতিহ্যমণ্ডিত। পায়ে হেঁটে শহর ঘুরে দেখতে পারেন, সময় পেরিয়ে যাবে। এসব স্মৃতির কোনো তুলনা হয় না।

৪. নাচ এবং গান  
কিউবানদের শরীরজুড়ে রয়েছে গান এবং ছন্দ। ফুরসত পেলেই নাচে গানে আসর মাতিয়ে রাখতে ওস্তাদ কিউবানরা। হাভানায় রয়েছে অসংখ্য ড্যান্স ক্লাব। সেখানে যদি নাও যান, রাস্তায় দেখা পাবেন কোন বাঁশিওয়ালার যে একমনে বাজিয়ে চলছে ডাকাতিয়া বাঁশি। আর সালসা নাচ তো কিউবান সংস্কৃতিরই অংশ।

৫. চুরুট এবং রাম  
হাভানার নাম অনেকেই মনে রাখে হাভানা চুরুটের নামে। রাম এবং সিগারেটের বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত হাভানা। অনেকেই কার্টুন ভর্তি করে সিগারেট নিয়ে আসেন হাভানা থেকে। এত সস্তায় এত ধরনের সিগারেট সহজে আর কোথাও মিলবে না। 

বন্ধুরা, বিশ্ব ভ্রমন যাদের ইচ্ছা তারা সহজেই  ঘুরে আসতে পারেন কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে।


আলোর সন্ধানী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

লালবাগের কেল্লা বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রাচীন দুর্গ। মোঘল আমলে স্থাপিত এই দুর্গটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি পুরনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত, আর সে কারণেই এর নাম হয়েছে লালবাগের কেল্লা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। বর্তমানে ( প্রেক্ষিত ২০১২ ) বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগ এই কেল্লা এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

আলোর সন্ধানী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

কিউবা বিশ্ববাসীর কাছে বিপ্লবের ভূমি হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনচেতা এই দেশটি খুবই শান্ত ও সুন্দর। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারার নেতৃত্বে একদল বিপ্লবী হটিয়ে দিয়েছিল স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারকে। তখন থেকেই তারুণ্যের প্রতীক, জীবনের প্রতীক কিউবা। ঐতিহ্যবাহী এই শহরটি শুধু বিপ্লবেরই স্বাক্ষী দেয় না বরং এখানে ঘুরে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে।  মূলত ৫টি  কারণে কিউবার রাজধানী হাভানায় ঘুরতে যায় মানুষ।

১. পুরনো আমলের গাড়ি  
হাভানায় গেলে আপনি বিনামূল্যে টাইম মেশিনে চড়ার সুযোগ পাবেন। রাস্তায় নামলে দেখবেন এখনো ১৯৫০-এর দশকের ট্যাক্সিক্যাবগুলো রীতিমতো রাস্তা কাঁপিয়ে চলছে। উঠে পড়ুন ট্যাক্সিক্যাবে, সেটাই টাইম মেশিন। ভুলেই যাবেন অর্ধশতাব্দী এগিয়ে আছেন আপনি।

২. কিউবান  
মানুষ দেখতে হলেও কিউবায় যাবেন। বন্ধুবৎসল হিসেবে খ্যাতি রয়েছে কিউবানদের। ছোট ছোট গলির ভেতরে দেখবেন দাদার বয়সীরা হাফপ্যান্ট পরে আরাম কেদারা বিছিয়ে দিব্যি বসে আছেন। রাস্তায় দেখবেন বাচ্চাদের সাথে পাল্লা দিয়ে বুড়োরা ফুটবল নিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। এই দৃশ্যগুলোই কিউবানদের প্রাণবন্ত জীবন-যাপনের উদাহরণ।

৩. বুড়ো শহর  
হাভানায় রয়েছে কয়েক শ বছরের পুরোনো বাড়িঘর। স্থাপত্যের দিক থেকে হাভানা ঐতিহ্যমণ্ডিত। পায়ে হেঁটে শহর ঘুরে দেখতে পারেন, সময় পেরিয়ে যাবে। এসব স্মৃতির কোনো তুলনা হয় না।

৪. নাচ এবং গান  
কিউবানদের শরীরজুড়ে রয়েছে গান এবং ছন্দ। ফুরসত পেলেই নাচে গানে আসর মাতিয়ে রাখতে ওস্তাদ কিউবানরা। হাভানায় রয়েছে অসংখ্য ড্যান্স ক্লাব। সেখানে যদি নাও যান, রাস্তায় দেখা পাবেন কোন বাঁশিওয়ালার যে একমনে বাজিয়ে চলছে ডাকাতিয়া বাঁশি। আর সালসা নাচ তো কিউবান সংস্কৃতিরই অংশ।

৫. চুরুট এবং রাম  
হাভানার নাম অনেকেই মনে রাখে হাভানা চুরুটের নামে। রাম এবং সিগারেটের বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত হাভানা। অনেকেই কার্টুন ভর্তি করে সিগারেট নিয়ে আসেন হাভানা থেকে। এত সস্তায় এত ধরনের সিগারেট সহজে আর কোথাও মিলবে না। 

বন্ধুরা, বিশ্ব ভ্রমন যাদের ইচ্ছা তারা সহজেই  ঘুরে আসতে পারেন কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে।


পায়েল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

‘মাধবকুণ্ড’ জলপ্রপাত কমবেশি সবারই চেনা। তবে এর কাছেই যে আরেকটি জলপ্রপাত আছে, সেটা কি দেখা হয়েছে? স্থানীয় মানুষের কাছে এর নাম  ‘পরিকুণ্ড’। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এই বুনো ঝর্ণাটি সবাইকে কাছে টানবে। মাধবকুণ্ডের চেয়ে পরিকুণ্ড কিছুটা নির্জন। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় ছেয়ে আছে এর চারপাশ। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের খাড়া পাহাড় বেয়ে শোঁ শোঁ শব্দ করে জলধারা নিচে আছড়ে পড়ছে। নিচে বিছানো ছোট-বড় পাথর গড়িয়ে স্রোতধারা একটি বড় ছড়ায় মিশে গেছে। বড় একটি পাথরে বসে আনমনে খুব কাছ থেকেই জলপ্রপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করা যেতে পারে। ইচ্ছা করলে স্বচ্ছ পানির ছড়ায় ভালোমতো গোসলও সেরে নেওয়া যায়।

কিভাবে পরিকুণ্ডতে পৌছাবেনঃ
আপনারা যাঁরা মাধবকুণ্ডে বেড়াতে যেতে চান, তাঁরা চাইলেই পরিকুণ্ড দেখে আসতে পারেন। টিকিট কেটে প্রধান ফটক পেরিয়ে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের রাস্তা। হাঁটতে হাঁটতে সামনে গিয়ে হাতের বাঁ পাশে টিলার ওপর শিবমন্দির। এর ঠিক বিপরীতে রাস্তার সঙ্গে একটি নতুন পাকা সিঁড়ি তৈরি হয়েছে। ওই সিঁড়ি দিয়ে নেমে মাধবকুণ্ডের মূল ছড়া। আর ওই ছড়াটির সোজাসুজি পাথর বিছানো ছড়া দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পরিকুণ্ড। ভয়ের কারণ নেই। ছড়ায় শুধু পায়ের পাতাই ভিজবে। ভয়ের অবশ্য দু-একটা কারণ আছে। নিচে বিছানো পাথরগুলো কিন্তু বেশ পিচ্ছিল। শ্যাওলা জমে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই পা ফেলতে হবে খুব সাবধানে। মাধবকুণ্ড ও পরিকুণ্ড বেড়াতে এসে কাছাকাছি রাত্রিযাপনের জন্য জেলা পরিষদের দুই কক্ষের একটি বিশ্রামাগার আছে। সেটি কমপক্ষে সাত দিন আগে বুকিং দিতে হয়।

ঢাকা থেকে যেতে যা যা করতে হবেঃ
মাধবকুণ্ডের পথ অনেকেরই চেনা। আন্তনগর ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুলাউড়া জংশন রেলস্টেশনে নামতে হবে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সরাসরি মাধবকুণ্ড পৌঁছাতে পারেন। ভাড়া নেবে তিন বা চার শ টাকা। কুলাউড়ায় নেমে বাসে করেও যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে কাঁঠালতলী বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে অটোরিকশায় মাধবকুণ্ড। দূরত্ব আট কিলোমিটার, ভাড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। এ ছাড়া ঢাকা বা অন্য জায়গা থেকে সড়কপথে কাঁঠালতলী বাজার হয়ে মাধবকুণ্ডে পৌঁছানো যায়।

বিম্ববতী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"বন্ধুবৎসল হিসেবে খ্যাতি রয়েছে কিউবানদের। ছোট ছোট গলির ভেতরে দেখবেন দাদার বয়সীরা হাফপ্যান্ট পরে আরাম কেদারা বিছিয়ে দিব্যি বসে আছেন। রাস্তায় দেখবেন বাচ্চাদের সাথে পাল্লা দিয়ে বুড়োরা ফুটবল নিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। এই দৃশ্যগুলোই কিউবানদের প্রাণবন্ত জীবন,,,,"

কিউবা বিশ্ববাসীর কাছে বিপ্লবের ভূমি হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনচেতা এই দেশটি খুবই শান্ত ও সুন্দর। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারার নেতৃত্বে একদল বিপ্লবী হটিয়ে দিয়েছিল স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারকে। তখন থেকেই তারুণ্যের প্রতীক, জীবনের প্রতীক কিউবা। ঐতিহ্যবাহী এই শহরটি শুধু বিপ্লবেরই স্বাক্ষী দেয় না বরং এখানে ঘুরে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে।  মূলত ৫টি  কারণে কিউবার রাজধানী হাভানায় ঘুরতে যায় মানুষ।

১. পুরনো আমলের গাড়ি  
হাভানায় গেলে আপনি বিনামূল্যে টাইম মেশিনে চড়ার সুযোগ পাবেন। রাস্তায় নামলে দেখবেন এখনো ১৯৫০-এর দশকের ট্যাক্সিক্যাবগুলো রীতিমতো রাস্তা কাঁপিয়ে চলছে। উঠে পড়ুন ট্যাক্সিক্যাবে, সেটাই টাইম মেশিন। ভুলেই যাবেন অর্ধশতাব্দী এগিয়ে আছেন আপনি।

২. কিউবান  
মানুষ দেখতে হলেও কিউবায় যাবেন। বন্ধুবৎসল হিসেবে খ্যাতি রয়েছে কিউবানদের। ছোট ছোট গলির ভেতরে দেখবেন দাদার বয়সীরা হাফপ্যান্ট পরে আরাম কেদারা বিছিয়ে দিব্যি বসে আছেন। রাস্তায় দেখবেন বাচ্চাদের সাথে পাল্লা দিয়ে বুড়োরা ফুটবল নিয়ে কাড়াকাড়ি করছেন। এই দৃশ্যগুলোই কিউবানদের প্রাণবন্ত জীবন-যাপনের উদাহরণ।

৩. বুড়ো শহর  
হাভানায় রয়েছে কয়েক শ বছরের পুরোনো বাড়িঘর। স্থাপত্যের দিক থেকে হাভানা ঐতিহ্যমণ্ডিত। পায়ে হেঁটে শহর ঘুরে দেখতে পারেন, সময় পেরিয়ে যাবে। এসব স্মৃতির কোনো তুলনা হয় না।

৪. নাচ এবং গান  
কিউবানদের শরীরজুড়ে রয়েছে গান এবং ছন্দ। ফুরসত পেলেই নাচে গানে আসর মাতিয়ে রাখতে ওস্তাদ কিউবানরা। হাভানায় রয়েছে অসংখ্য ড্যান্স ক্লাব। সেখানে যদি নাও যান, রাস্তায় দেখা পাবেন কোন বাঁশিওয়ালার যে একমনে বাজিয়ে চলছে ডাকাতিয়া বাঁশি। আর সালসা নাচ তো কিউবান সংস্কৃতিরই অংশ।

৫. চুরুট এবং রাম  
হাভানার নাম অনেকেই মনে রাখে হাভানা চুরুটের নামে। রাম এবং সিগারেটের বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত হাভানা। অনেকেই কার্টুন ভর্তি করে সিগারেট নিয়ে আসেন হাভানা থেকে। এত সস্তায় এত ধরনের সিগারেট সহজে আর কোথাও মিলবে না। 

বন্ধুরা, বিশ্ব ভ্রমন যাদের ইচ্ছা তারা সহজেই  ঘুরে আসতে পারেন কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে।


জাহিদ অভাজন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ফরিদপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন কীর্তি মথুরাপুরের দেউল। রহস্যঘেরা এ স্থাপনা কবে কে কখন নির্মাণ করেছিল তার সঠিক কোন তথ্য প্রমান আজও পাওয়া যায়নি। তবে রহস্য যাই থাকুক না কেন প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে ভ্রমন প্রিয়সীদের কাছে মথুরাপুরের দেউল বেশ জনপ্রিয়। সময় পেলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন মথুরাপুর দেউল থেকে।

মাথুরাপুর দেউলঃ
ফরিদপুর জেলার মধুখালি উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামে অবস্থিত এ প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তিটি। মাথুরাপুর দেউলের নিমার্ণ নিয়ে প্রচলিত আছে নানা কথা । পাথরাকৃতির পোড়ামাটির তৈরি দেউলটি প্রায় ৭০ ফুট উঁচু । এর শিলাখন্ডগুলো সুগ্রথিত । কোথা থেকে এর গাঁথুনি শুরু হয়েছে তা বোঝা দুরুহ। একেবারে নিচ থেকে মোটা হয়ে ক্রমান্বয় উপরের দিকে অল্প সরু হয়ে চুড়ার দিকে মিশে গেছে । সম্পুর্ণভাবে ঢালাই করা এর ছাদ । নির্মাণকালে এ দেউলের সংখ্যা ছিল ৪টি । প্রত্নতত্ব ও জাতীয় জাদুঘর বিভাগের অধীনে নিয়ে আসার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগ এর ২টি দরজা বন্ধ করে দেয়।

বর্তমানে এর ভেতরে গিয়ে উপরের দিকে তাকালে অন্ধকারে কিছুই দেখা যায়না । দেউলের গা জুড়েই আঁকা রয়েছে অসংখ্য ছাপচিত্র ও মাটির কলস । অঙ্কিত শিলাখন্ডে চোখ পড়লে দেখা যায় হরেক মুর্তি। কোনোটি আছে  নারীর , কোনোটি উৎসবের আনন্দযজ্ঞের । তীর ধনুক হাতে কোনো হনুমান দাঁড়িয়ে আছে । আবার দেখা যায়, কোনো প্রানীকেবহন করে নিয়ে যাচ্ছে হনুমান বা কিম্ভুত কোন প্রানী যার মুখ হিংস্রের মতো । কোথাও রয়েছে নৃত্যরত নগ্ন নর-নারী , গদা হাতে হনুমান , যুদ্ধের দৃশ্য, পেচা জাতীয় কোন প্রাণী , মুন্ডুহীন মানুষের আকৃতি বিশিষ্ট প্রাণী দেহ । আরও দেখা যায় ধাবমান ঘোড়া , মন্দিরে প্রার্থনারত  হনুমান ইত্যাদি । 

দেউল গাত্রের নির্মান সৌকর্যেও ফলক এবং যেসব মূর্তি রয়েছে সেগুলো দেখে বিমোহিত হন দর্শক ভ্রমন বিলাসীরা । দেউলটি কবে এবং কেন তৈরি করেছিলে সে ব্যাপারে কোন প্রামান্য তথ্য মেলেনি । এব্যাপারে নানা মত  প্রচলিত আছে । সেগুলোর মধ্যে ২-১টি জন শ্র“তি এ রকম  এ এলাকায় বহুকাল আগে রাজা মথুরা নামে এক শাসক ছিলেন । তার নামানুশারেই এগ্রামের নাম মথুরাপুর হয়েছে  ।  এই শাসকের অস্তিম ইচ্ছা ছিল মৃত্যুও পর সমাধিতে যেন একটি  স্মৃতিস্তম্ভ তৈরিকরা হয় । তবে তার অস্তিম ইচ্ছা  আদৌ পুরন হবে কি না  সে ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় জীবিত অবস্থায়ই তিনি একটি মঠতৈরি করেন । সেটিই মথুরাপুরের মঠ বা দেউল দেউল নামে পরিচিত । মৃত্যুর পর তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী এমঠের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয় । অন্য আরেকটি জন শ্রুতি মেলে এ দেউল সর্ম্পকে।

আ.কা.মোঃ যাকারিয়া রচিত বাংলাদেশের প্রাচীন কীর্তিগ্রস্থর দ্বিতীয় খন্ডে মথুরাপুরের দেউল সম্পর্কে উল্লেখ আছে এটি কবে ও ও কেন তৈরি হয়েছিল  বা এর স্থপতি কে ছিলেন  এ বিয়ষ সঠিক কোনোতথ্য পাওয়া যায়নি । লোকমুখে প্রচলিত কাহিনী এ রকম যশোরের রাজা প্রতাপাদ্যিকে যুদ্ধে পরাজিত করার পর মোগল সম্রাট আকবরের সেনাপতি রাজা মান সিংহ এটি নির্মান করে ছিলেন । বিজয় স্তম্ভ হিসেবে মাথুরার দেউলটি নিয়ে নানাজনের নানা মত থাকলেও দেউলটি যে কোন মুসলমান শাসকের নির্মিত নয়  এব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়  । দেউলের গাজুড়ে পোড়া মাটির ফলক শিলাখন্ড, হনুমান ও নানা মুর্তি দেখে । তবে এর নির্মান শৈলি ও সংগে মোগল স্থাপত্যকলার ন্যয় । 

দেউলের নির্মাণ প্রকরণ দেখে পন্ডিতদেও অনুমান য়ে, এটি ১৭ শতকের নির্মিত হয়েছিল  এবংখুব সম্ভব কোন হিন্দু সামন্তরাজ এটি তৈরি করেছিলেন । মথুরাপুরের দেউল সম্পর্কে স্থানীয় জনসাধারনের কল্প কাহিনী বংশ পরম্পরায় প্রচলিত রয়েছে । এ কল্পকাহিনীটি এরকম ফেরেশতা বাজিন-পরিরা  অথবা হিন্দুমতে দেব- দেবীরা মাত্র এক রাতে এ দেউলটি তৈরি করেন । স্থানীয় জন সাধারনের ধারনা তৈরির সময় এটি ৭তলা বিশিষ্ট ছিল । কালক্রমে ৬তলা মাটির নিচে দেবে গেছে । ঐতিহাসিক স্থাপত্য কীর্তি মথুরাপুরের দেউলটি প্রত্নতত্ব ও জাতীয়জাদুঘর বিভাগের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে। এলাকাবাসী মনে করেন, ঐতিহাসিক এই দেউলকে ঘিরে গড়ে তোলা যেতে পারে একটি পর্যটন কেন্দ্র। 

পায়েল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

লালবাগের কেল্লা বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রাচীন দুর্গ। মোঘল আমলে স্থাপিত এই দুর্গটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি পুরনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত, আর সে কারণেই এর নাম হয়েছে লালবাগের কেল্লা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। বর্তমানে ( প্রেক্ষিত ২০১২ ) বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগ এই কেল্লা এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

আমানুল্লাহ সরকার বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

লালবাগের কেল্লা বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রাচীন দুর্গ। মোঘল আমলে স্থাপিত এই দুর্গটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি পুরনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত, আর সে কারণেই এর নাম হয়েছে লালবাগের কেল্লা। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। বর্তমানে ( প্রেক্ষিত ২০১২ ) বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ব বিভাগ এই কেল্লা এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

ফাহিম মাশরুর বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে অবস্থিত সবুজ সুন্দর শহর ময়মনসিংহের প্রাণকেন্দ্রে জমিদার আমলের এক অনন্য স্থাপনা রয়েছে। ‘শশী লজ’। হুমায়ূন আহমেদের অয়োময় নাটকটির প্রাণরূপ দিয়েছিল এই "শশী লজ" l  সেই যে জমিদার মীর্জা সাহেব আর তার দুই স্ত্রী এলাচী আর লবঙ্গ, মনে আছে নিশ্চয়ই আপনাদের l  সেই নাটকে যে জমিদার বাড়ি দেখানো হয়েছিলো সেটি এই ‘শশী লজ’। সেই থেকে স্থানীয়ভাবে ‘শশী লজ’ জমিদার বাড়ি হিসেবে পরিচিত হতে থাকে।

জনমুখে প্রচলিত, মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে নির্মান করেছিলেন এক মনোরম প্রাসাদ ‘ক্রিস্টাল প্যালেস’ যা ‘রংমহল’ নামেও পরিচিত ছিলো। কিন্তু ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে বিখ্যাত ‘রংমহল’ ধ্বংস হয়ে গেলে সেই স্থানে নির্মান শুরু করেন বাইজেন্টাইন ধাঁচের বর্তমান ভবনটি। ভবনটির নির্মান সম্পন্ন হওয়ার আগেই সূর্যকান্ত আচার্য মত্যুবরণ করেন। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী ভবনটির নির্মান শেষ করেন ১৯০৫ সালে এবং তাঁর নাম অনুসারে এর নামকরণ করেন ‘শশী লজ’

নয় একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত শশীলজের মূল ফটকে রয়েছে ১৬টি গম্বুজ। সাধারণ বাসভবন ছাড়াও বাড়িটিতে আছে হলঘর, বিশ্রামঘর, নাচঘর, স্নানঘর। সর্বমোট ২৪ টি কক্ষ রয়েছে এই ভবনটিতে। শশীলজের মূল ভবনের সামনে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাগান। বাগানের মাঝখানে আছে শ্বেতপাথরের ফোয়ারা, যার মাঝখানে রয়েছে গ্রিক দেবী ভেনাসের স্নানরতা মর্মর মূর্তি। লাল ইট আর হলুদ দেয়ালে নির্মিত শশীলজের পাশেই আছে পদ্মবাগান। শশী লজের ভেতরের বারান্দা অতিক্রম করে কয়েক ধাপ সিঁড়ি পেরোলেই রঙ্গশালা। সুদৃশ্য সেই রঙ্গশালার এক প্রান্তে বিশ্রামঘর। বিশ্রামঘরের পর কাঠের মেঝেযুক্ত হলঘর। হলঘরের পাশেই মার্বেল পাথরে নির্মিত আরেকটি জলফোয়ারা। 


মূল ভবনের পেছনভাগে রয়েছে একটি দোতলা স্নানঘর। কথিত আছে এই স্নানঘরে বসে রানী পাশের পুকুরে হাঁসের খেলা দেখতেন। পুকুরটির ঘাট মার্বেল পাথরে বাঁধানো। এছাড়াও অর্ধ গোলাকার খিলান এবং ডরিক স্তম্ভ সম্বলিত প্রধান প্রবেশ পথটি শশী লজের স্থাপত্যিক সৌন্দর্য বাড়তি শোভা যোগ করেছে । বাড়িটিতে বেশ কিছু স্নানঘর রয়েছে। এক স্নানঘরে রয়েছে একটি সুড়ঙ্গ। ধারণা করা হয় এই সুড়ঙ্গপথেই গোপনে মুক্তাগাছা যাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। উল্লেখ্য, মুক্তাগাছার জমিদার বাড়িতেও এই রকম একটি সুড়ঙ্গপথ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর ১৯৮৯ সালে ‘শশী লজ’কে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে ঘোষনা করে এবং এখানে একটি জাদুঘর নির্মানের প্রকল্প নেয়া হয়। তবে অদ্যাবধি শশী লজের অধিগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে এটি ‘মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষন কেন্দ্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মারুফ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

লোকালয় ছেড়ে, দূর পাহাড়ের দেশে হারিয়ে যেতে কার না মন চায়! নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি রাঙ্গামাটি জেলায় ঘুরে বেড়াতে তোমারও নিশ্চয় মন চাইছে? প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলায় রয়েছে, পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঘুমিয়ে থাকে শান্ত জলের হ্রদ। যেখানে সীমানার ওপাড়ে নীল আকাশ মিতালী করে হ্রদের সাথে, চুমু খায় পাহাড়ের বুকে। সারাক্ষণ চলতে থাকে পাহাড়, নদী আর হ্রদের এক অপূর্ব মিলনমেলা। রাঙ্গামাটির প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা এক ভূবন যেখান আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নয়ানাভিরাম দৃশ্যপট। রাঙ্গামাটির এই দৃশ্যপটে মুগ্ধ হয়ে দূর পাহাড়ের দেশে ভ্রমনে গেলে যে ৬টি দর্শনীয় স্থান মিস করা একদম ঠিক হবে না সেসব স্থান নিয়েই আজকের আলোচনা।

১. কাপ্তাই হ্রদ
রাঙ্গামাটির দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমন অন্যতম। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মানের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য এই বাঁধ নির্মিত হয়। অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহারে অনুভূতি এক অনন্য অভিজ্ঞতা। দেশীয় ইঞ্জিন নৌকা,লঞ্চ, স্পিডবোটে দিনভর নৌবিহার করা যেতে পারে। মজার ব্যাপার হলো আপনি চাইলে এই হ্রদ ঘুরতে ঘুরতেই দেখে ফেলতে পারবেন রাঙ্গামাটির অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলো।

২.  সুবলং ঝরনা
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে যে কয়েকটি পাহাড়ি ঝর্ণা বা ঝিরি রয়েছে তার মধ্যে রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় অবস্থিত সুবলং ঝর্ণা অন্যতম। মূলত পাহাড়ী সবুজের মাঝে বিস্ময় হয়ে থাকা এই ঝর্ণাটি তার উচ্চতা ও অবিরাম জলস্রোতের কারণেই পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও একথা সত্য যে, বাংলাদেশের অন্য অনেক ঝর্ণার মতো সুবলংয়ের এই ঝর্ণাটিও তার প্রকৃত রূপের পসরা সাজায় বর্ষার সময়টাতেই। এ সময় প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে সশব্দে পাহাড়ি এই জলধারা নেমে আসে সমতলে।

৩. ঝুলন্ত সেতু
রাঙ্গামাটি শহরের শেষ প্রান্তে কাপ্তাই হ্রদের তীর ঘেঁষে অবস্থিত সরকরি পর্যটন মোটেল। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় স্থান এটি। পর্যটন মোটেলেই অবস্থিত ঝুলন্ত ব্রিজটি, যা পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এটি। পর্যটকদের প্রধান আকর্ষনের কারনে এবং এর নির্মানশৈলির কারনে ঝুলন্ত ব্রিজ আজ রাঙ্গামাটির নিদর্শন হয়ে দাড়িয়ে আছে। পর্যটকরা সাধারণত প্রথমেই এই পর্যটন মোটেল এবং ঝুলন্ত ব্রিজে আসে। এখান থেকে শুরু হয় রাঙামাটি ভ্রমণ।

. পেদা টিং টিং + চাং পাং
কাপ্তাই হ্রদের চারিদিকে কেবল পাহাড় আর হ্রদ, যেন প্রকৃতির মাঝে আপিন এক আগন্তুক মাত্র। বুনো প্রকৃতি ছাড়া আর কিছুই আশা করা যায় না এখানে। কিন্তু আপনি অবাক হবেন যখন চলতি পথে কোন একটি টিলার উপর দেখবেন পেদা টিং টিং এবং চাং পাং। এমন এক পরিবেশে যেখানে আপনি এক গ্লাস খাবার পানি পাবেন না, সেখানে এই দুইটি রেষ্টুরেন্ট আপনার জন্য চা, কফি আর চিকেন ফ্রাই নিয়ে অপেক্ষা করছে। সত্যিই হতবাক করার মত ব্যাপার। এছাড়াও এখানে পাবেন স্থানীয় খাবার "বিগল বিচি", "কচি বাঁশের তরকারী", "কেবাং"। পেদা টিং টিং একটা চাকমা শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হচ্ছে পেট টান টান। অর্থাৎ মারাত্মকভাবে খাওয়ার পর পেটের যে টান টান অবস্থা থাকে, সেটাকেই বলা হয় পেদা টিং টিং। রাঙ্গামাটি শহর থেকে মাত্র ৪-৫ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের ভসমান একটি পাহাড়ে অবসথিত এই পর্যটন সংস্থা। এখানে রেস্তোরা, কটেজ, নৌবিহার ব্যবস্থা, সেগুন বাগান ও অসংখ্য বানর রয়েছে।

৫.রাজবন বিহার
রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত। ১৯৭৭ সালে বনভান্তে লংদু এলাকা থেকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য রাঙামাটি আসেন। বনভান্ত এবং তাঁর শিষ্যদের বসবাসের জন্য ভক্তকূল এই বিহারটি নির্মান করে দেন। চাকমা রাজা দেবাশিষ রায়ের তত্ত্বাবধানে রাজবন বিহার রক্ষণাবেক্ষনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে আপনি যা যা দেখতে পাবেন...

৬. চাকমা রাজার বাড়ি
রাজবন বিহারের পাশেই রয়েছে চাকমা রাজার বাড়ি। চারপশে হ্রদ দ্বারা বেষ্টিত এই রাজবাড়িতে রয়েছে কাচারি, রাজ কার্যালয়, রাজার বাসভবন, চাকমা রাজা কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোঘল আমলের ফঁতে খার সজ্জিত কামান, সবুজ ঘন বাঁশঝাড় ও আরও অনেককিছু। 

ট্রাভেল প্রিয় বন্ধুরা, তাহলে আজকেই বেরিয়ে পড় পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে আর তোমার দুঃসসাহসিক ভ্রমনের ভাললাগা আমাদের সাথে শেয়ার কর। শুভ হোক তোমার ভ্রমনের দিন গুলি.. এই শুভ কামনা রইল। 

খুশি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

লোকালয় ছেড়ে, দূর পাহাড়ের দেশে হারিয়ে যেতে কার না মন চায়! নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি রাঙ্গামাটি জেলায় ঘুরে বেড়াতে তোমারও নিশ্চয় মন চাইছে? প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলায় রয়েছে, পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঘুমিয়ে থাকে শান্ত জলের হ্রদ। যেখানে সীমানার ওপাড়ে নীল আকাশ মিতালী করে হ্রদের সাথে, চুমু খায় পাহাড়ের বুকে। সারাক্ষণ চলতে থাকে পাহাড়, নদী আর হ্রদের এক অপূর্ব মিলনমেলা। রাঙ্গামাটির প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা এক ভূবন যেখান আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নয়ানাভিরাম দৃশ্যপট। রাঙ্গামাটির এই দৃশ্যপটে মুগ্ধ হয়ে দূর পাহাড়ের দেশে ভ্রমনে গেলে যে ৬টি দর্শনীয় স্থান মিস করা একদম ঠিক হবে না সেসব স্থান নিয়েই আজকের আলোচনা।

১. কাপ্তাই হ্রদ
রাঙ্গামাটির দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমন অন্যতম। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মানের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য এই বাঁধ নির্মিত হয়। অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহারে অনুভূতি এক অনন্য অভিজ্ঞতা। দেশীয় ইঞ্জিন নৌকা,লঞ্চ, স্পিডবোটে দিনভর নৌবিহার করা যেতে পারে। মজার ব্যাপার হলো আপনি চাইলে এই হ্রদ ঘুরতে ঘুরতেই দেখে ফেলতে পারবেন রাঙ্গামাটির অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলো।

২.  সুবলং ঝরনা
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে যে কয়েকটি পাহাড়ি ঝর্ণা বা ঝিরি রয়েছে তার মধ্যে রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় অবস্থিত সুবলং ঝর্ণা অন্যতম। মূলত পাহাড়ী সবুজের মাঝে বিস্ময় হয়ে থাকা এই ঝর্ণাটি তার উচ্চতা ও অবিরাম জলস্রোতের কারণেই পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও একথা সত্য যে, বাংলাদেশের অন্য অনেক ঝর্ণার মতো সুবলংয়ের এই ঝর্ণাটিও তার প্রকৃত রূপের পসরা সাজায় বর্ষার সময়টাতেই। এ সময় প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে সশব্দে পাহাড়ি এই জলধারা নেমে আসে সমতলে।

৩. ঝুলন্ত সেতু
রাঙ্গামাটি শহরের শেষ প্রান্তে কাপ্তাই হ্রদের তীর ঘেঁষে অবস্থিত সরকরি পর্যটন মোটেল। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় স্থান এটি। পর্যটন মোটেলেই অবস্থিত ঝুলন্ত ব্রিজটি, যা পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এটি। পর্যটকদের প্রধান আকর্ষনের কারনে এবং এর নির্মানশৈলির কারনে ঝুলন্ত ব্রিজ আজ রাঙ্গামাটির নিদর্শন হয়ে দাড়িয়ে আছে। পর্যটকরা সাধারণত প্রথমেই এই পর্যটন মোটেল এবং ঝুলন্ত ব্রিজে আসে। এখান থেকে শুরু হয় রাঙামাটি ভ্রমণ।

. পেদা টিং টিং + চাং পাং
কাপ্তাই হ্রদের চারিদিকে কেবল পাহাড় আর হ্রদ, যেন প্রকৃতির মাঝে আপিন এক আগন্তুক মাত্র। বুনো প্রকৃতি ছাড়া আর কিছুই আশা করা যায় না এখানে। কিন্তু আপনি অবাক হবেন যখন চলতি পথে কোন একটি টিলার উপর দেখবেন পেদা টিং টিং এবং চাং পাং। এমন এক পরিবেশে যেখানে আপনি এক গ্লাস খাবার পানি পাবেন না, সেখানে এই দুইটি রেষ্টুরেন্ট আপনার জন্য চা, কফি আর চিকেন ফ্রাই নিয়ে অপেক্ষা করছে। সত্যিই হতবাক করার মত ব্যাপার। এছাড়াও এখানে পাবেন স্থানীয় খাবার "বিগল বিচি", "কচি বাঁশের তরকারী", "কেবাং"। পেদা টিং টিং একটা চাকমা শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হচ্ছে পেট টান টান। অর্থাৎ মারাত্মকভাবে খাওয়ার পর পেটের যে টান টান অবস্থা থাকে, সেটাকেই বলা হয় পেদা টিং টিং। রাঙ্গামাটি শহর থেকে মাত্র ৪-৫ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের ভসমান একটি পাহাড়ে অবসথিত এই পর্যটন সংস্থা। এখানে রেস্তোরা, কটেজ, নৌবিহার ব্যবস্থা, সেগুন বাগান ও অসংখ্য বানর রয়েছে।

৫.রাজবন বিহার
রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত। ১৯৭৭ সালে বনভান্তে লংদু এলাকা থেকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য রাঙামাটি আসেন। বনভান্ত এবং তাঁর শিষ্যদের বসবাসের জন্য ভক্তকূল এই বিহারটি নির্মান করে দেন। চাকমা রাজা দেবাশিষ রায়ের তত্ত্বাবধানে রাজবন বিহার রক্ষণাবেক্ষনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে আপনি যা যা দেখতে পাবেন...

৬. চাকমা রাজার বাড়ি
রাজবন বিহারের পাশেই রয়েছে চাকমা রাজার বাড়ি। চারপশে হ্রদ দ্বারা বেষ্টিত এই রাজবাড়িতে রয়েছে কাচারি, রাজ কার্যালয়, রাজার বাসভবন, চাকমা রাজা কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোঘল আমলের ফঁতে খার সজ্জিত কামান, সবুজ ঘন বাঁশঝাড় ও আরও অনেককিছু। 

ট্রাভেল প্রিয় বন্ধুরা, তাহলে আজকেই বেরিয়ে পড় পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে আর তোমার দুঃসসাহসিক ভ্রমনের ভাললাগা আমাদের সাথে শেয়ার কর। শুভ হোক তোমার ভ্রমনের দিন গুলি.. এই শুভ কামনা রইল। 

খুশি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়া সেজেছে নতুন সাজে। এমনিতেই রূপ রসের কমতি নেই তারপরে আবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ। বুঝতেই পারছেন অস্ট্রেলিয়ার আসল সৌন্দর্য্য উপভোগ করার এটাই উপযুক্ত সময়। ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের বলছি,  বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনের সুযোগ হাতছাড়া করা একদম ঠিক হবে না।



স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়াঃ
অস্ট্রেলিয়া একটি দ্বীপ-মহাদেশ। এটি এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। কাছের তাসমানিয়া দ্বীপ নিয়ে এটি কমনওয়েল্‌থ অফ অস্ট্রেলিয়া গঠন করেছে। দেশটির উত্তরে তিমুর সাগর, আরাফুরা সাগর, ও টরেস প্রণালী; পূর্বে প্রবাল সাগর এবং তাসমান সাগর; দক্ষিণে ব্যাস প্রণালী ও ভারত মহাসাগর; পশ্চিমে ভারত মহাসাগর। দেশটি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ৪০০০ কিমি এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩৭০০ কিমি দীর্ঘ। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ, কিন্তু ৬ষ্ঠ বৃহত্তম দেশ। অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা। সিডনী বৃহত্তম শহর। দুইটি শহরই দক্ষিণ-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর। এটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ধরে প্রায় ২০১০ কিমি জুড়ে বিস্তৃত। এটি আসলে প্রায় ২৫০০ প্রাচীর ও অনেকগুলি ছোট ছোট দ্বীপের সমষ্টি। কুইন্সল্যান্ডের তীরের কাছে অবস্থিত ফেয়ারফ্যাক্স দ্বীপ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের অংশ।

অস্ট্রেলিয়া ৬টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত নিউ সাউথ ওয়েল্স, কুইন্সল্যান্ড, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়া, ভিক্টোরিয়া, ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া। এছাড়াও আছে দুইটি টেরিটরি অস্ট্রেলীয় রাজধানী টেরিটরি এবং উত্তর টেরিটরি। বহিঃস্থ নির্ভরশীল অঞ্চলের মধ্যে আছে অ্যাশমোর ও কার্টিয়ার দ্বীপপুঞ্জ, অস্ট্রেলীয় অ্যান্টার্কটিকা, ক্রিসমাস দ্বীপ, কোকোস দ্বীপপুঞ্জ, কোরাল সি দ্বীপপুঞ্জ, হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডনাল্ড দ্বীপপুঞ্জ, এবং নরফোক দ্বীপ।


সৌন্দর্য্যমণ্ডিত অস্ট্রেলিয়াঃ
বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অস্ট্রেলিয়া কোয়ালা, ক্যাংগারুর দেশ হিসেবে পরিচিত। অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছে মনকাড়া সুন্দর্য্যমণ্ডিত বড় বড় কয়েকটি শহর । অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম শহরগুলো হল: সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন, এডেলেইড, তাসমানিয়া, ডার‌উইন, পার্থ, গোল্ডকোষ্ট।শ হর জুড়ে আছে নানা রকম সমু্দ্র, নদি, যেগুলির দিকে চোখ গেলে ফেরানো মুসকিল হয়ে পড়বে, ইচ্ছা হবে ঘন্টার পর ঘন্টা ঐ সমুদ্রের পাড়ে বসে সময় কাটিয়ে দিতে

কোয়ালা, অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ বিখ্যাত প্রাণী। প্রায়ই দেখা যায় জংগলে গাছের ভেতর চুপটি মেড়ে বসে আছে আর মাঝে মাঝে এক গাছ থেকে আর এক গাছে বেয়ে উঠছে। কোয়ালার লাফালাফি আর ছুটাছুটি দেখে আপনি মগ্ধ হয়ে যাবেন। ক্যাঙ্গারু অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় পশু। যা অস্ট্রেলিয়ার সৌন্দর্যের প্রতীক।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা। অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশের অনেক ক্ষেত্রেই মিল পাওয়া যায়, যেমন, এখানে বলতে গেলে সবরকম দেশী ফুল, ফল, মাছ পাওয়া যায়। এখানকার আবহাওয়ার ধরনটাও অনেকটা বাংলাদেশের মত, এটা অবশ্য সব যায়গায় না, বিশেষ কিছু শহরে, যেমন ব্রিজবেনে।

অস্ট্রেলিয়ার ফুল এর কথা না বল্লেই নয়, শহরের বিভিন্ন যায়গা গুলি নানান রকম সুন্দর সুন্দর ফুল ও লতা পাতায় সাজানো, যেখানে বসে, হাটাহাটি করে চমৎকার সময় কাটাতে পারবেন।

অস্ট্রেলিয়ার মাটির নীচে পাওয়া গেছে মূল্যবান ধাতব ঐশ্বর্য্য। বনে গাছপালা ছাড়াও নানান রকম জীব জন্তু আর পানিতে মাছের প্রাচুর্য্য।

বর্ণনায় বলে দিচ্ছে 
অস্ট্রেলিয়া কতটা সৌন্দর্য্যমণ্ডিত দেশ। বন্ধুরা, অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা এই দেশটিতে ভ্রমনের এখনি উপযুক্ত সময়। আর দেরী না করে ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঘুরে আসুন স্বপ্নের দেশ অস্ট্রেলিয়া থেকে।

খুশি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর উপকূলীয় জীব বৈচিত্র্য, স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল আর সৈকত জুড়ে মুক্ত ছড়িয়ে থাকা অনন্য সুন্দর দ্বীপটির নাম ‘কীশ’। কীশ ইরানের একটি দ্বীপ। পারস্য উপসাগরে ইরানের যতোগুলো দ্বীপ রয়েছে তাদের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এটি। সমগ্র বিশ্বের সাথে ইরানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এই দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চমৎকার আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত হওয়ায় দ্বীপটি সারা বছর দেশি বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকে। আপনিও চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ইরানের অনন্য সুন্দর দ্বীপ ‘কীশ’ থেকে।

কীশ দ্বীপটির অবস্থানঃ
ইরানের দক্ষিণ উপকূল হতে ২০ কিলোমিটার দূরে পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে ৯১ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে অনেকটা ডিম আকৃতির একটি দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপটির নাম কীশ। পূর্ব-পশ্চিমে কীশ দ্বীপের দৈর্ঘ্য হলো ১৫ কিলোমিটার। আর উত্তর দক্ষিণে দ্বীপটির প্রস্থ প্রায় ৮ কিলোমিটারের মত।

কীশ দ্বীপের সৌন্দর্য্য কথনঃ
কীশ দ্বীপ নৌচালনা এবং মুক্তা কুড়ানোর জন্যে বিখ্যাত। এর চমৎকার আবহাওয়াও পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। শীতকালেও কীশের আবহাওয়ায় উষ্ণতার পরিমাণ ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে নামে না। বছরের ছয় মাস গরম থাকলেও বাকি ছয়মাসের আবহাওয়া বেশ উপভোগ্য।

এই দ্বীপে প্রচুর পরিমাণ প্রবাল রয়েছে। খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার বছর আগে থেকে এখানে মানব বসতি গড়ে ওঠে। ফলে কীশের সংস্কৃতিতে রয়েছে প্রাচীনত্ব আর বেশ সমৃদ্ধও। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবেও প্রাচীনকাল থেকেই কীশের খ্যাতি রয়েছে।

ইরানের কালজয়ী কবি সাদি সপ্তম শতকে তাঁর বিখ্যাত ‘গোলেস্তান’ কাব্যগ্রন্থে কীশ দ্বীপ প্রসঙ্গে লিখেছেন। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে তৎকালীন কীশের মর্যাদা, বিস্তৃতি এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের বিষয়গুলো।

কীশ দ্বীপ ইরানের সর্বপ্রথম ফ্রি ট্রেড জোন। কেবল বাণিজ্য নয় টুরিস্ট স্পট হিসেবেও কীশ দ্বীপটির খ্যাতি রয়েছে। সমগ্র দ্বীপের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ এলাকা পর্যটনের জন্যে নির্দিষ্ট। পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্যে গড়ে উঠেছে নান্দনিক স্থাপনা, চমৎকার হোটেল। প্রকৃতির সৌন্দর্য আর স্থাপনার নান্দনিকতায় কীশ হয়ে উঠেছে দর্শনীয় একটি দ্বীপ।

কীশ দ্বীপে রয়েছে উপকূলীয় বৈচিত্র্য, রয়েছে স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল, বিচিত্র রঙের অ্যাকুরিয়ামের মাছ এবং সর্বোপরি কীশে রয়েছে মন কেড়ে নেওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এগুলো কীশ দ্বীপ দেখতে যাওয়া যে কোনো দর্শক বা পর্যটককেই কীশ দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হলো ‘হারিরা’ নামক পুরনো শহর। হারিরা শহরের প্রাচীন নিদর্শনগুলো দর্শকদের নিয়ে যায় সময়ের পর্দা ভেদ করে ইতিহাসের অনেক গভীরে। যেখানে এই চমৎকার প্রবাল দ্বীপের প্রাচীন বাসিন্দাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।

কীশের আরেকটি দর্শনীয় স্থাপনা হলো শেইখ আলে আলি ভবন। শেখ আলে আলি ছিলেন কীশ দ্বীপের সাবেক শাসক। সমুদ্রের পাড়ে যে সুরম্য প্রাসাদ তিনি গড়ে তুলেছেন তা অনন্য। যদিও অনেকের অভিমত স্থাপত্য কৌশলের দিক থেকে কাজারি রাজবংশের শাসনামলের স্থাপত্যের সাথে মিলে রয়েছে।

বন্ধুরা, তবে আর দেরি কেন ঘুরে আসুন ইরানের অনন্য সুন্দর  কীশ দ্বীপ থেকে। আর আপনার ভ্রমনের খুটিনাটি অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ‍ভুল করবেন না।


পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৯২৬

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও