জামান

@Zaman

অন্তর-দৃষ্টির-সন্ধানে
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on Love, Poetry, Philosophy
1363159178000  থেকে আমাদের সাথে আছে

জামান: *বাণিজ্যমেলা* তুর্কি স্টলের আলোর ঝালরগুলো এবার (২০১৭) বেশ ভালো লাগলো! *বাণিজ্যমেলা* চলছে প্রতি বছর! ভালো মন্দ মিলিয়ে চলছে - বেশতো ! (খুকখুকহাসি)

জামান: "... পৃথিবী বালি রক্ত কালিমার কাছে তারপর আমরা খারিজ হ’য়ে দো’টানার অন্ধকারে তবুও তো চক্ষুস্থির রেখে গণিকাকে দেখায়েছি ফাঁদ; প্রেমিকাকে দেখায়েছি ফাঁকির কৌশল। শেখাইনি? ... ... ... " - "সূর্যপ্রতিম", কবি জীবনানন্দ দাশ

*ফাঁকি* *ফাঁদ*

জামান: "এ-রকম হয়েছে অনেক দিন-রৌদ্রে বাতাসে, যারা সব দেখেছিলো- যারা ভালোবেসেছিলো এই সব- তারা সময়ের সুবিধার নিলেমে বিকিয়ে গেছে আজ। তারা নেই। আসো আমরা যে যার কাছে- যে যার যুগের কাছে সব সত্য হ’য়ে প্রতিভাত হ’য়ে উঠি। নব পৃথিবী পেতে সময় চলেছে? হে অবাচী, হে উদীচী, কোথাও পাখির শব্দ শুনি; কোথাও সূর্যের ভোর র’য়ে গেছে ব’লে মনে হয়! মরণকে নয় শুধু- মরণসিন্ধুর দিকে অগ্রসর হ’য়ে যা-কিছু দেখার আছে আমরাও দেখে গেছি; ভুলে গেছি স্মরণে রেখেছি।" - জীবনানন্দ দাশ

জামান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"১৯৮৩ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারী --- এখনো মনে পড়ে! এরশাদ ও সামরিক জান্তা বাহিনীর নিপীড়নের এক ক্ষুদ্র ভুক্তভোগী আমিও ছিলাম ... :-( ..."

(মেঘ),,সময়টা ১৯৮৩। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ছাত্র জমায়েত। মজিদ খানের শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দী মুক্তি ও জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে এই ছাত্র জমায়েত। সেটাই পরিণত হল বুট ও বুলেটের দমনে পিষ্ট জসতার এক বিরাট প্রতিরোধে। জাফর, জয়নাল, কাঞ্চন, দিপালীসহ সারাদেশে প্রাণ দিল ১০ জন। সেই থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি হয়ে ওঠে মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধ চেতনার দিন। দিনটি পালিত হতে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে,,(মেঘ),,,

একাত্তরে মানুষ অকাতরে রক্ত দিল মুক্তির জন্য। কিন্তু বিনিময়ে পেল নতুন এক ফ্যাসিস্ট শাসন। শাসক শ্রেণীর দল-উপদলগুলোর মধ্যে প্রথম দিন হতে শুরু হয় ক্ষমতার জন্য কামড়াকামড়ি। বাকশালী শাসন, সামরিক গণতন্ত্র শেষে শাসক শ্রেনী জনগণকে উপহার দিল সামরিক স্বৈরাচার। দেশে এখন চলছে পার্লামেন্টারি স্বৈরাচারের দিন। আগুনে পুড়িয়ে ও নির্বিচারে গুলি করে শ্রমিক হত্যা, ক্রসফায়ারের নামে আইনি খুন, রূপগঞ্জ-আড়িয়াল বিলে ভুমি দখল, পাহাড়ে গনহত্যা, উপনিবেশিক শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন, ভারতের সাথে তাবেদারীর চুক্তি, কয়লা নীতি, মডেল পিএসসি-র মধ্য দিয়ে বিদেশীদের হাতে দেশের জাতীয় সম্পদ তেল-গ্যাস-কয়লা তুলে দেয়া দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, পাকিস্তান কালেও এ দেশে যা সম্ভব হয়নি সেই মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এমন নতুন নতুন আইটেম যুক্ত হয়ে শাসক শ্রেনীর স্বেচ্ছাচারিতা চরমে পৌঁছেছে। 

দেশে যখন জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম দানা বাঁধতে শুরু করেছিল তখন পাকিস্তানি শাসক শ্রেণী জাতির চেতনাকে নড়বড়ে করে দেয়ার চেষ্টা করেছে। ভাষা-শিক্ষা-সংস্কৃতির উপর আগ্রাসন চালিয়ে। তারা বিজাতীয় ভাষা উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমরা লক্ষ্য করলাম, তেমনি ভাবে পার্লামেন্টারি স্বৈরাচারের আমলে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস-এর চেতনাকে ধ্বংস করতে উদ্যত হল শাসক শ্রেণী,,,(মেঘ),,

,,,(মেঘ),,সামরিক স্বৈরাচারের কয়েক বছর না যেতেই ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসাবে পালনের জন্য শাসক শ্রেণীর অন্যতম মুখপত্র যায়যায় দিন প্রচার শুরু করে। পাকিস্তানিরা ’৫২তে ব্যর্থ হলেও, ক্যাবল আর স্যাটেলাইট চ্যানেলের কল্যাণে এবার শাসক শ্রেণী সফল হয়েছে। তারা ‘আমি আর তুমি’-র মত চরম স্বার্থপর, সমাজ বিচ্ছিন্ন চেতনা যুব সমাজের মধ্যে চাপিয়ে দিতে পেরেছে। প্রেম-ভালবাসার মত স্বাভাবিক সম্পর্ককে অতিপ্রাকৃত বিষয়ে পরিণত করে আফিম নেশার মত বুঁদ করে ফেলেছে। ভোগবাদ আজ তাদের আদর্শ। 

শাসক শ্রেণী এ থেকে লাভ তুলে নিচ্ছে দু’ভাবে; সমাজের সবচেয়ে প্রাণবন্ত লড়াকু অংশ যুব সমাজকে মুক্তির লড়াই থেকে বিচ্ছিন্ন, নির্জীব করে ফেলে এবং দিনটিকে বাণিজ্যের মহোৎসবে পরিণত করে,,,(মেঘ),,

এদেশ, জাতি ও জনগণ মুক্তি পায় নাই কিন্তু তার মুক্তির আকাঙ্খা কখনো দমে নাই। তার লড়াই কখনো থামে নাই। তাই মুক্তিকামী জনতা, আসুন, 

,,,(বৃষ্টি),,,,,ভ্যালেন্টাইনস ডে নামক গণবিরোধী, সাম্রাজ্যবাদী সংস্কৃতি প্রত্যাখান করি,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,বিপরীতে ১৪ ফেব্রুয়ারি “স্বৈরাচার প্রতিরোধ” দিবস হিসাবে পালন করি,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,,,

,,(বৃষ্টি),,,,,স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই ও মুক্তির চেতনাকে উঁচুতে তুলে ধরি,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য নির্মাণ করি নতুন সংস্কৃতি,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

--------প্রগতির পরিব্রাজক দল (প্রপদ) 
কেন্দ্রীয় কার্যালয়: ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 

হতে - http://www.somewhereinblog.net/blog/Propod/29325334

জামান: বিম্ববতী: এর একটি উত্তর শেয়ার করেছে "খুব সুন্দর উত্তর :-) "

 ''মেয়েরা এক্সট্রিম লেভেলের নারীবাদী হতে হতে "স্ত্রী" এবং "সংসার" নামক জিনিসের প্রতি তাদের আবেগ, ভালোবাসা, মায়া কমিয়ে ফেলতেছে!'' সত্যই কি তাই? কে কে একথা সমর্থন করেন? এবং কেন করেন ? যুক্তি দিন!
বিম্ববতী: নারীবাদী শব্দটাই আমার কাছে হাস্যকর যদিও লাগে, তবে এটা সময়ের দাবি ছিল,,,জামান ব্যাখ্যা দিয়েছেন,,,আসলে দাবিটা এখনো বিদ্যমান,,,যতদিন পুরুষ তাদের আলাদা প্রাণী মনে করবেন ততদিন,,(মার্জনা করবেন-নিশ্চই সব পুর...বিস্তারিত

৩ টি উত্তর আছে

জামান: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 আধুনিক সময় বেশ প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। এ প্রতিযোগিতায় সাফল্যের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের করণীয় কি বলে আপনি মনে করেন?
জামান: প্রত্যেক শিক্ষার্থীরই নিজস্ব ভিতরের শক্তি আছে! প্রতিযোগিতায় সফল ভাবে টিকে থাকতে হলে নিজের ভিতরের ঐ শক্তিকে, ঐ কেন্দ্রের জায়গাটাকে আবিষ্কার করতে হবে| বিশ্বখ্যাত প্রফেসর জিম কলিন্সের "হেজহগ মডেল" (সাথে ...বিস্তারিত

৩ টি উত্তর আছে

*শিক্ষার্থী* *শিক্ষা*

জামান: মো: তানভীর আহমদ রিফাত: এর একটি উত্তর শেয়ার করেছে "সবার জন্য যোগ্য নৈতিক কাজ জরুরি ..."

 অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরাও আজকাল অনৈতিক অনেক কাজ কর্মে জড়িয়ে পড়ছে: সন্ত্রাসবাদ, বেআইনি ওয়েব সাইটের বা কাজ কর্মের আউটসোর্সিং, ইত্যাদি! আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ছোটবেলা থেকেই আরো বেশি কার্যকর নৈতিকতার শিক্ষা কিভাবে সম্ভব? নাকি সব নষ্টদের হবে ?

জামান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"বেশতো !"

বাংলা আমার ভাষা, মাতৃভাষা, ছোটকাল থেকে সে শুনে এসেছি, ২১ ফেব্রুয়ারি-তে প্রভাত পদযাত্রা সহ মিছিল করেছি, তারই ধারাবাহিকতায় দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলুতে বাংলার ইতিহাস শুনে বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে রক্ত ঘরম হয়ে উঠত দেশের জন্য যুদ্ধ করতে না পারার অপ্রাপ্তি মনে কষ্ট পেতাম। কিন্তু দিন, মাস, বছর পার হয়ে সেগুলু ও দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের মতো বাস্তবতা থেকে সৃতির পাতায় চলে যাচ্ছে! যাচ্ছে কি চলে গেছে বলা উচিৎ। দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে কোথাও, সে অফিসে হোক বা অন্য কোথাও বাংলা লিখার কোন চর্চা নেই বললেই চলে। তারই পরিণাম, সহজ কোন শব্দই অনেক সময় দ্বিধা সৃষ্টি করে বানান নিয়ে। সে হিসাবে বলা যায় *বেশতো* এই বাংলা চর্চার নতুন যে দ্বার সবার জন্য খুলে দিয়েছে, সেটা ধন্যবাদ বা অন্য কোন শব্দ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা এ মুহূর্তে আমার মনে পড়ছেনা, কেন জানি মনে হয় সেরকম শব্দ আমার অন্তত জানা নেই। 
তবে আশার বিষয় *ফেবুতে* ও এখন অনেকেই বাংলাই স্ট্যাটাস লিখছে, হরহামেশাই বলা যায়। লিখাই ভুল থাকতেই পারে, হতে পারে সেটা মনের ভুল, টাইপিং এ লক্ষ্য না করার ভুল বা অজ্ঞতার ভুল। সব কিছু হয়ত মেনে নেয়া যায়, কিন্তু অজ্ঞতার কারণে বাংলা শব্দের ভুল লিখা এটা কতটুকু গ্রহণযোগ্য? 
সত্যি কথা বলতে কি আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, অনেকটা তরতরিয়ে, সিড়ি একটা না বেয়ে একসাথে ২ বা ৩ টি টপকিয়ে! কি বা আর হবে এত্ত সিড়ি টপকালে, নিজের অস্তিত্ব, শেখড় তাতেই যদি গলদ থেকে যায়! গরীব থেকে ধনী সবাই মোবাইল ব্যবহার করছে, এতে দোষের কিছু নেই, ব-কলম থেকে শিক্ষিত সবাই লিখছে তাতে ও দোষের কিছু নেই, কিন্তু লিখার সময় নিজের ভাষা! যার জন্য রক্ত দিয়েছি, যাকে মায়ের ভাষা বলে গর্ব করি। আমাদের ভাষা সংগ্রামের কারনে যে দিন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে, সে ভাষার প্রয়োগে কেন আমরা দুবার ভাবতে পারি না, নিজের কাছে দ্বিধা থাকলে লজ্জা ফেলে অন্যের কাছে কেন জেনে নিয়ে যখন নিজের ভাব প্রকাশের চেষ্টা করিনা। তখন কি তাকে দোষী বলাটা অন্যায় হবে?
এক্ষেত্রে *বেশতো* নিজের মহিমায় উদ্ভাসিত, কারণ এখানে ফেবু-র মত যে সে এসে লিখেনা! আমরা একদল বাংলা ভালবাসার লোক পেয়েছি, যারা নিজেদের চিন্তা, চেতনা, ভাবনা বাংলাতে এবং পরিষ্কার নির্ভুল বাংলাতে প্রকাশে সচেষ্ট থাকে।
হ্যা কিছুক্ষেত্রে ভুল হওয়া স্বাভাবিক, সেক্ষেত্রে আমার লিখায় কোন শব্দ ভুল থাকলে সেটা শুধরে দেয়ার অনুরোধ করবো। আর এতেই, একসময় আমার বাংলায় থাকবেনা কোন ভুল, এ আমার নতুন বছরের অঙ্গীকার!   

জামান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"আপনি কি ভাবছেন ?"

শুরুতেই ধার করা বুলি মেনে নিচ্ছি এই বেশব্লগের শিরোনামকে!

অমর কবি সুকুমার রায়ের সেই অমর ছড়া / কবিতাটি মনে আছে তো সবার ? এই ব্লগের কলেবর বাড়ানোর জন্য নয়, প্রাসঙ্গিকতার কারনেই নিচে পুরো কবিতাটি তুলে ধরছি :

মাথায় কত প্রশ্ন আসে, দিচ্ছে না কেউ জবাব তার -

সবাই বলে, ”মিথ্যে বাজে বকিসনে আর খবরদার!”

অমন ধারা ধমক দিলে কেমন করে শিখব সব?

বলবে সবাই ”মুখ্য ছেলে”, বলবে আমায় ”গো গর্দভ!”

কেউ কি জানে দিনের বেলায় কোথায় পালায় ঘুমের ঘোর?

বর্ষা হলেই ব্যাঙের গলায় কোত্থেকে হয় এমন জোর?

গাধার কেন শিং থাকে না, হাতির কেন পালক নেই?

গরম তেলে ফোড়ন দিলে লাফায় কেন তা ধেই ধেই/

সোডার বোতল খুললে কেন ফসফসিয়ে রাগ করে?

কেমন করে রাখবে টিকি মাথার যাদের টাক পড়ে?

ভূত যদি না থাকবে তবে কোত্থেকে হয় ভূতের ভয়?

মাথায় যাদের গোল বেঁধেছে তাদের কেন ”পাগোল” কয়?

কতই ভাবি এসব কথার জবাব দেবার মানুষ কই?

বয়স হলে কেতাব খুলে জানতে পাব সমস্তই।

 

এই "বিষম চিন্তা" শিরোনামের লেখাটি কবি সুকুমার রায় ননসেন্স ভার্সের আদলে লিখেছিলেন হয়ত ছোটদের অসীম প্রশ্ন ক্ষমতার দিকে খেয়াল রেখে! হাস্যরসের পাশাপাশি এটাও দারুন সত্য যে মানুষের নিরন্তর প্রশ্ন করার ও তার উত্তর খোঁজার শত শত বছরের নিরলস চেষ্টাই মানুষকে চিন্তা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশে সাহায্য করেছে এ যাবত! আমাদের বাংলাদেশে ও সারা পৃথিবীতে ছড়ানো কোটি কোটি বাংলা ভাষা ভাষীর একান্তই বাংলায় নানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর দেয়ার মতো একটা জায়গা খুবই জরুরী।

যেখানে প্রকৃত পরিচয়ে (কিছু একান্ত ব্যক্তিগত কিংবা বিব্রতকর বিষয় ছাড়া) অনেক বাংলাভাষী কোন এক বাংলাভাষীর কোন এক প্রশ্নের উত্তর দিবেন তাঁর নিজস্ব জ্ঞান, মেধা, মনন, ও অভিজ্ঞতার আলোকে। এভাবে তা হয়ে উঠবে বাংলা ভাষা ভাষীদের জ্ঞান, চিন্তা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মিলন মেলায়! প্রতিটি ভাষা ও সংস্কৃতির যে নিজস্ব নির্দিষ্ট শক্তি আছে, তা তো আর নতুন করে বলার অবকাশ নেই। কাজেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাংলাভাষীর প্রশ্ন ও উত্তরের পরিপ্রেক্ষিত অন্য কোন ভাষা ভাষীদের পরিপ্রেক্ষিত থেকে ভিন্ন হতে বাধ্য। এমনকি জ্ঞান-বিজ্ঞানের মতো ব্যক্তি-নিরপেক্ষ-বস্তুনিষ্ঠ বিষয়গুলোতেই নিজস্ব ভাষায় গবেষনার একটা আলাদা শক্তি রয়েছে!

বেশতো প্রশ্ন শুরু থেকেই সেই সম্মিলিত লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে উৎসাহী সকল বেশতো প্রশ্নকর্তা ও উত্তরদাতাদের সঙ্গে নিয়ে। অনেক দারুন দারুন প্রশ্ন ও উত্তর এসেছে আপনাদের অনেকের কাছ থেকেই গত কয়েক বছর ধরে। বেশতোর নানা সীমাবদ্ধতায় সকল জ্ঞানী-গুণীজনকে হয়তো সবসময় সঠিক সমাদর, কৃতজ্ঞতা, সাধুবাদ ও স্বীকৃতি দেয়া যায়নি, সে জন্য বেশতোর পক্ষ থেকে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

আবার বুকে হাত রেখে এটাও কি বলা যাবে যে, বেশতোর বেশিরভাগ প্রশ্ন ও উত্তর গুলো আমরা সেই মানে নিতে পেরেছি, যেখানে কেউ বেশতোর মান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবে না ? আমরা সকলেই কি সেই মান উন্নয়নের জন্য একযোগে কাজ করে যেতে পারি ? এটাকে কি আমরা একটা নীরব সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারি? আমরা কি আশা করতে পারি - বেশতো প্রশ্ন ও উত্তর হয়ে উঠবে আমাদের বাংলায় নানাকিছু জানার সহজ, সরল, মৌলিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ?

কোন কোন বিষয়গুলোকে আমরা ধাপে ধাপে বিশেষ গুরুত্ব দিবো ? কে কে কোন কোন বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী ? বা বিশেষভাবে আগ্রহী ? কি কি ভাবে আগালে আমরা সেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো?

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৮৮৩

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও