মাহাবুবুর রহমান আরমান

@arazmix

পুরাই উড়াধুড়া মনের কথা শুনি সিইও টি-জোন (http://tzonebd.com/)
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1374562066000  থেকে আমাদের সাথে আছে
খবর

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি খবর জানাচ্ছে

পুলিশের সাপোর্ট সেন্টারেই ভিকটিম ভিকটিমাইজড!
http://www.banglatribune.com/national/news/105309/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A6%A1
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে সহায়তা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী। দেড়মাস আগের এক মামলায় সমঝোতা করে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন এক এসআই । এমনকি সহায়তা দেওয়ার বদলে সেন্টারে ডেকে এনে পরিবারের সদস্যদের সামনেই তাকে নানা হয়রানিমূলক কথা বলায় সে আত্মহত্যার... ...বিস্তারিত
*আইন* *নারী* *ধর্ষণ*
১৮৯ বার দেখা হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান আরমান: আমি কোনো ক্যামিক্যাল ফল্ট না, যে রি-একশন হবে :P

*মজা* *ফান*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সেদিন ছিলো আমাদের পরীক্ষা। আর পরীক্ষা এর দিন গুলোতে আমাদের ছেলেমেয়ে একসাথে একই ক্লাসের পরীক্ষা হতো। আমি ভ্যান এ যেতাম। ৮ জন সঙ্গী এর মাঝে ৩ জন মেয়ে। রোজকার মতন সবাই ভ্যান এ চড়ে স্কুলের সামনে। একে একে নেমে গেলো সবাই। আমি সবার নামার অপেক্ষা তে ছিলাম, কারন আমি বই নিয়ে যেতাম। সবাই নামলে সেটা ভ্যান এ সুন্দর করে রাখতে হবে। যাতে আসার সময় পাই। কিন্তু সবাই নামার পরে ও মেয়েটি নামছিলো না। বুঝতে পারছিলাম না। ভ্যান ওয়ালা মামা বলছে বার বার নামতে, সে নামছে নাহ। আসলে নামতে পারছেনা। আমি জিজ্ঞেস করলাম যে সাহায্য দরকার কিনা ভাব্লাম পায়ে হয়তো ঝি ঝি ধরেছে। সে বলছে ও না কিছু নড়ছে ও না। হঠাত আমাকে ডেকে এক্তা মেয়ে কে দেখিয়ে বলল ঐ মেয়ে টাকে ডেকে দিতে। মেয়ে টা মুডি ছিল তাই ভয় পাচ্ছিলাম। ভয়ে ভয়ে গিয়ে যখন বললাম তখন সে এসে তার সাথে কি কি যেনো বলল। পরে ফার্মেসি তে গিয়ে কিছু এক্তা এনে দিলো। আরো ২ টা মেয়ে কে ডেকে ভ্যান এর পর্দা ফেলে দিলো। তার ৫ মিনিট পরি বেড়িয়ে এসেছিলো। সেদিনো তুলায় রক্ত আর ভ্যান এর পাদানী তে রক্ত দেখে ও বুঝি নি আসলে তা কি ছিলো?

বছর পাচেক আগের কথা, ভালোবাসার মানুষ টাকে নিয়ে বের হয়েছি। প্ল্যান আজকে সারাদিন ঘুরবো। ১২ টা বাজতে তার যেনো হঠাত কি হলো, সে বলছে হঠাত বাড়ি যাবো। আমি প্রথমে দুষ্টামি ভাবলাম। কিন্তু পরে দেখি সে খুব করে জোড় করছে। কথা বাড়াইনি। মন খারাপ হয়েছিল। তাকে বার বার কারন জিজ্ঞাসা করার পর ও সে বলে নি। পরে সে আমি থাক্তেই রিক্সা থেকে নেমে কিছু একটা কিনলো। রাতে ফোনে জানতে পেরেছিলাম তার ঋতুস্রাব হয়েছিলো। আর তেমন ব্যবস্থা ও ছিলো না।

আমার এমন কিছু হলে আমি যে আসলে কি করতাম তা আমি জানি নাহ। মেয়েরা কিন্তু একদমি এরকম নাহ। তারা অনেক কষ্টই চেপে রাখতে জানে। জানে ধৈর্য ধরতে। চুপচাপ কাউকে না জানিয়ে সব কিছু করে ফেলার মধ্য়েই তাদের আনন্দ নিহীত। নিজের কথা তারা শুধু নিজেকে বলতেই বেশি ভালোবাসে। নিজের প্রয়োজনটা ও প্রকাশ করে নাহ খুব সহজে।

প্রতিটি মেয়ের এরকম অসংখ্য ইতিকথা থাকে। সব কথা বলে ফেলার পরও এরকম অসংখ্য কথা তারা বলতে পারে না। লজ্জার বিষয় হয়ে যায় সেই ব্যাপার টা যা কিনা তাদের গর্বের কারন হতে পারে। ৪৫ ডেল পরিমাপের কষ্ট সহ্য করার শক্তি থাকলে ও তাদের সন্তান জন্ম দেয়ার সময় সহ্য করতে হয় ৫৭ ডেল! একসাথে ২০ টি হাড় ভেঙ্গে গেলে আমরা যে পরিমান কষ্ট সহ্য করতাম তার সমান! আর এই কষ্ট সহ্য করে তারাই কিনা জন্ম দিচ্ছে আমাদের মতন পুরুষ জাতী কে। এর চেয়ে সম্মান উপর ওয়ালা প্রদত্ত আর কি হতে পারে?

ফার্মেসীতে গিয়ে তারা স্বাভাবিক ভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ও কিনতে পারে নাহ। দোকানদার ছেলে টা ও আশপাশের মানুষ গুলো খুব বাজে ভাবে তাকায়। তাই সুপারশপ গুলোই এখন ভরশা।

ঋতুস্রাবের বিষয় টা এখনও অনেকেই লজ্জাকর বিষয় ভাবে আর লুকিয়ে চলতে পছন্দ করে। দেশের প্রায় অনেক মেয়েদের ই রমজানে পিরিয়ড হবার পরেও সবার সাথে এক সাথে বসে সেহেরী খেতে হয় শুধুমাত্র সচেতনতার অভাবে। শুধুমাত্র সমাজ ব্যবস্থার কারনে, রমজান মাসে যখন তারা এই সমস্যায় পরে রোজা রাখতে পারে নাহ, তখন তাদের পরিবার কে কারন দর্শাতে হয়। আর এই ভয়ে অনেকে বাসায় জানায় ই না। চুপচাপ রোজা ভাঙে। রোজা ভাঙ্গা সত্ত্বে লোক লজ্জা এর ভয়ে তারা সারাদিন না খেয়েই থাকে। এরপরেও তারা পায় না মুক্তি, শান্তি। কয়টা রোজা রেখেছো - বলে তাদের দুরবলতা টা তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে না দেখিয়ে দিলে আমাদের পেট ভরে না।

সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সুন্নত-এ-খত্না বা মুওলমানি হলে আমরা তা উৎসবের মতন পালন করি কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে। আর একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দেবার অংশবিশেষ ঋতুস্রাবের মত ঘটনার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে - সেটি হয়ে যায় গোপন আর লজ্জাকর !

আমরা ভাবি এগুলো একান্ত মেয়েদের ব্যাপার। ছেলেদের না জানলেও চলবে। মেয়েকে আড়ালে ডেকে মেয়ের মা এক সময় বুঝিয়ে বলবে। ব্যাস তাতেই কাজ সাড়া। আসলে ব্যাপারটি এতো টা সহজ নয়।আাপনার আমার আমাদের প্রতিটা ছেলের এটি বুঝতে হবে। বড়ভাই ছোটোভাই সবাইকে বুঝাতে হবে। যাতে আমরা আমাদের আশেপাশের কোন মেয়েকে বিব্রত না করি এসব ব্যাপারে।

সবাইকে বুঝতে হবে, মেয়ে হওয়া এতো সহজ নয়। একজন মেয়েকে মা হতে গেলে এমন অনেক পিরিয়ড পার করতে হয় আর কত সংগ্রাম করে যেতে হয়। কোন মেয়ের পিরিয়ড হয়েছে বলে তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতি তে না ফেলে এটা মাথায় রাখবে যে তোমার মা-বোন-বউ অর্থাৎ সকল নারীই প্রতি মাসে একবার এমনটা হয় । এতে হাসাহাসি করার কিছুই নেই।

মনে রাখবেন, একজন নারী একদিন নারী হয়ে যায় নি। সবার মতনি তারা ও নারী হয়ে জন্মায় না। অনেক লজ্জা, ত্যাগ, তিতীক্ষা, বিব্রতবোধ এড়িয়ে তারা তীলে তীলে নারী হয়ে উঠে। আর এভাবে তারা শারীরিক আর মানসিক দিক দিয়ে নারী হয়ে উঠে। এটাই তাদের নিয়তি।

- অনেক আগে কেউ একজনের এমনি একটি স্ট্যাটাস দেখেছিলাম। কার মনে পড়ছে না। গল্প গুলো আমার নিজের smile emoticon ভেতর টা অনেক অগোছালো। লিখতে গিয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন। আরো বেশি খুশি হবো অযথাই আমাকে নারীবাদী, নারীপ্রেমী আখ্যায়িত করে আর ভুল না ধরে মূলত মূল সমস্যাটাতে ফোকাস করুন। - 


আসল লিখা টি পাবেন এখানে - https://www.facebook.com/Mahabubur.Rahaman.Arman/posts/1193851757321504

*ঋতুস্রাব* *নারী* *পুরুষ* *সন্তান* *সচেতনতা*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেটেরয়েড কে সাধারনত "শুটিং স্টার" বলা হয়ে থাকে। এরা সাধারনত পৃথিবীতে 20 km/s (72,000 km/h; 45,000 mph) গতি তে প্রবেশ করে আর aerodynamic heating এর কারন আলোর বিচ্ছুরন ঘটায় সাথে অত্যাধিক তাপের ও সৃষ্টি করে। এক সাথে অনেক সময় একাধিক মেটেরয়েড ও দেখা যেতে পারে

অস্বাভাবিক নয়। আর সেটে হতে পারে একাধারে একি স্থান থেকে বারে বারে। আর একে সাধারনত বলা হয়ে থাকে "মেটেয়র শাওয়ার"। আর বিজ্ঞানী দের মতে প্রতি দিন এই পৃথিবীর কোনো না কোনো অংশে সব মিলিয়ে ১০০ টন এর মতন মেটেরয়েড ডেব্রিস পরে থাকে। ভূগোলিক অবস্থানের কারনে, রাশিয়াতে এর পরিমান অনেক বেশি পরিলক্ষিত হয়।

সাধারনত বেশির ভাগ ই জলজ অঞ্চলে পরে বলে অর্থাৎ সাগর-মহাসাগর এ পরে বলে তেমন কোনো ক্ষতি পরিলক্ষিত হয় নাহ। তবে শহরাঞ্চলে পড়লে এর গতি অনেকাংশে 10 to 100 km প্রতি সেকেন্ড হয় আর এর আঘাত আর তাপের প্রভাবে মৃত্যু আবশ্যিক। পাথরের গতি, আলোর বিচ্ছুরন আর অত্যাধিক তাপ এই তিন একসাথে মিলে ভূমিতে কোনো লোকাঞ্চলে পড়লে তা অবশ্যি মানবশ্রেনীর জন্য সুখকর নয়। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারন ও হতে পারে।

সম্প্রতি এটি দেখা গেছে ভারতের তামিল রাজ্যে গত ৮ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ইং তে। আর আর সেই মেটেরয়েড ডেব্রিস এর আঘাতে আর হিটিং এর কারন ঝলসে একজন সাথে সাথে মৃত্যু বরন করেছে। ধারনা করা হচ্ছে মেটেরয়েড এর কারনে এটি ছিলো প্রথম কারো মৃত্যু। - https://youtu.be/iIxosvRSy4U

এছাড়াও ২০১৩ সালে রাশিয়া এর চেলিয়াবিনস্ক শহরে এটি আঘাত হানে এবং যার কারনে সেখানে অনেক বাড়ি-ঘর আর অফিসের কাচ ভেঙ্গে ৫০ জনের মতন আহত হয়ে আর ১২০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয় নানা-ভাবে। কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি সেখানে। - https://youtu.be/90Omh7_I8vI

সাধারনত এমন সব আকস্মিক আঘাতে প্রতি ২৫০ মিলিয়ন মানূষের মধ্যে ১ জনের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান। তবে কখনো এটি কে নিজের দিকে ধাবিত হতে দেখলে অবশ্যি নিরাপদ দূরত্বে থাকবেন :)
https://youtu.be/HaqAeYgJRvc

মাহাবুবুর রহমান আরমান: তুমি হাসছো আমি দেখছি, দেখে দেখে শুধু ভাবছি, জাগে শিহরন মন উচাটন তাই তোমাকেই শুধু ভাবছি...

মাহাবুবুর রহমান আরমান: আমি নিশ্চুপ কি যে ভাবছি, শুধু একা একাই বকছি, গায়ে শিহরন মন উচাটন তাই তোমাকেই শুধু ভাবছি... আমি নির্বাক তুমি স্বাভাবিক বলো রয়েছো কিভাবে, ভেবে দেখো একটি বার থাকা যায় কি এভাবে।

মাহাবুবুর রহমান আরমান: চোখে অনেক পানি, ফেলতে ও কষ্ট হয়

মাহাবুবুর রহমান আরমান: কেমন আছেন সবাই? :D

৫/৫

মাহাবুবুর রহমান আরমান: ছেলেটা রোমান্টিক আর মেয়ে টা ঘুমান্টিক .....

মাহাবুবুর রহমান আরমান: কতই না সৌভাগ্যব্যান তারা, যারা তাদের ভালোবাসার মানুষ কেই শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে পারে

মাহাবুবুর রহমান আরমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"কষ্ট কষ্ট আর কষ্ট :'("

একটি শাড়ী কিনতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু দেয়ার মতন কেউ নেই (যেগুলা পছন্দ হয় তা মাকে দেয়া যায় নাহ)
অনেক মেয়েদের ড্রেস ই পছন্দ হয়, কিন্তু দেয়ার মতন কেউ নেই (যেগুলা পছন্দ হয় তা বোনকে দেয়া যায় নাহ)
এমনি করে অনেক অরনামেন্টস আছে আরো অনেক কিছুই :) কিন্তু দেয়ার মানুষ নেই।
ঝড়ো বৃষ্টি তে রিক্সার হুড ফেলে ভেজার মতন সাথে কেউ নেই, 
নীলক্ষেত এর মামা এর বিরিয়ানী একসাথে খেতে ইচ্ছে করে, 
বৃষ্টির রাতে চুপচুপা ভিজে ভুনা খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে হয়, 
খিলগাও এর আপন কফি হাউজ এর কফি খেতে ইচ্ছে হয়, 
সেখানের পেটুক এর চিকেন চাপ অথবা টিক্কা দিয়ে গরম লুচি ভাজা খেতে ইচ্ছে হয়,
পুরান ঢাকা এর নিরবের কয়েক পদের ভর্তা-ভাত খেতে ইচ্ছে হয়,
খেতে ইচ্ছে হয় সেখানকার বিউটি এর লাচ্ছি আর লেবুর সরবত,
মাওয়া ঘাটের তাজা ইলিশ মাছের ভাজা,
সাথে ফেরি এর ৮০-১০০ টাকা প্যাকেজ এর ভাত তরকারি,
গুলশান এর হ্যান্ডি এর বিরিয়ানি,
কক্সবাজার এর সৈকতে পানির ওপর সি বাইক চালানো,
একসাথে প্লেনের উপর থেকে আকাশ দেখা আর শহর দেখা,
দেশ-বিদেশে ঘুরে ফেরা...

কই তুমি? পাশে নাই যে? কাকে নিয়ে দেখবো এইসব স্বপ্ন?
জানি আশে পাশেই আছো হয়তো সাড়া দিচ্ছো না।
কবে দিবে সাড়া?
কবে পাবো তোমাকে?
কবে? 
কবে?

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটি শাড়ী কিনতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু দেয়ার মতন কেউ নেই (যেগুলা পছন্দ হয় তা মাকে দেয়া যায় নাহ)
অনেক মেয়েদের ড্রেস ই পছন্দ হয়, কিন্তু দেয়ার মতন কেউ নেই (যেগুলা পছন্দ হয় তা বোনকে দেয়া যায় নাহ)
এমনি করে অনেক অরনামেন্টস আছে আরো অনেক কিছুই :) কিন্তু দেয়ার মানুষ নেই।
ঝড়ো বৃষ্টি তে রিক্সার হুড ফেলে ভেজার মতন সাথে কেউ নেই, 
নীলক্ষেত এর মামা এর বিরিয়ানী একসাথে খেতে ইচ্ছে করে, 
বৃষ্টির রাতে চুপচুপা ভিজে ভুনা খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে হয়, 
খিলগাও এর আপন কফি হাউজ এর কফি খেতে ইচ্ছে হয়, 
সেখানের পেটুক এর চিকেন চাপ অথবা টিক্কা দিয়ে গরম লুচি ভাজা খেতে ইচ্ছে হয়,
পুরান ঢাকা এর নিরবের কয়েক পদের ভর্তা-ভাত খেতে ইচ্ছে হয়,
খেতে ইচ্ছে হয় সেখানকার বিউটি এর লাচ্ছি আর লেবুর সরবত,
মাওয়া ঘাটের তাজা ইলিশ মাছের ভাজা,
সাথে ফেরি এর ৮০-১০০ টাকা প্যাকেজ এর ভাত তরকারি,
গুলশান এর হ্যান্ডি এর বিরিয়ানি,
কক্সবাজার এর সৈকতে পানির ওপর সি বাইক চালানো,
একসাথে প্লেনের উপর থেকে আকাশ দেখা আর শহর দেখা,
দেশ-বিদেশে ঘুরে ফেরা...

কই তুমি? পাশে নাই যে? কাকে নিয়ে দেখবো এইসব স্বপ্ন?
জানি আশে পাশেই আছো হয়তো সাড়া দিচ্ছো না।
কবে দিবে সাড়া?
কবে পাবো তোমাকে?
কবে? 
কবে?
*সত্য*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: আচ্ছা আপনারা আমাকে ফলো কেনো করেন? :p

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে


আচ্ছা জাতির বিবেকের কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে, ১৯৭১ সালে রাজাকার রা আমাদের মা-বোনদের সাথে যা করেছে তা যদি মানবাধিকার এর বিরোধী হয়ে থাকে তবে ছাত্র নাম এ ছাত্রলীগ (সবাই না) যা করছে তা কি? রাজাকারদের শাস্তি দেবার আগে কি নিজের ঘর পরিষ্কার করা দরকার বলে মনে করেন না আমাদের প্রধানমন্ত্রী মহোদয়া? আপনার মত দেশপ্রেমিক তো আর কেউ নেই আপনি এটার বিহিত না করলে কোন দেশদ্রোহী কাজ টি করবে? এমন ছাত্র রুপী ছাত্রাকারদের দ্বারা কি আমাকে ও গুপ্তহত্যা হতে হবে নাকি? নাকি ১৯৫২ তে ফিরে যাব? নিয়ে যাবো দেশকে ৬৩ বছর পেছনে?

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ অতিব দুঃখের সহিত জানাচ্ছি যে, ছোটকাল থেকেই একটা বদ অভ্যাস একটা প্রশ্ন করব বলে একাধিক প্রশ্ন করি!

*দেশ*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাত পোহালে প্রতিদিনই যারা মেয়েদের কে ছোট করে ইনিয়ে বিনিয়ে স্ট্যাটাস দেয়, আজ তাদের কয়েকজন কে টিএসসি নিয়ে ইভেন্ট এ গোয়িং দেখে বুঝলাম কেনো এসব আন্দোলন আগায় নাহ। আসলে লালা সবার মুখ থেকেই ঝরে, অন্যের মুখ থেকে ঝরলে আর নিজের ঘাড়ে পড়লেই রাগ লাগে নয়তো সয়ে যাওয়াই উত্তম যা কিনা এ জাতীর ভাবনা। যা হয়েছে টিএসসি তে তা আসলে অমানবিক। মানুষ কিভাবে পারে?

আমার একটা বদ অভ্যাস আছে। আমার কলিগ, বন্ধু-বান্ধব সবাই একটা কথা আমায় বলে, আর তা হল আমি নাকি যে কোনো বিষয় নিয়ে একটু বেশি ভাবি! আর যখন কাউকে কোনো ব্যাপার এ বলি তারা নাকি না তা খুব মনোযোগ দিয়ে শোনে আমার দৃষ্টিভংগী ও বাচনভংগী এর কারনে। সবচেয়ে বেকায়দায় পরি তখন যখন তারা বলে “তোর মুখে কিছু বাজে নাহ।”

যাই হোক। আমার কথা বার্তা এর ধরন টাই ভাই এমন। কি করব? এটাই প্রাকৃতিক।
তো ব্যাতিক্রম কিছু বলবো নাহ। আমি আজ কিছু কথা বলতে চাইছি টিএসসি এ ঘটে যাওয়া ব্যাপার টি নিয়ে।

Sorry Sisters - Shame on us 1+ (14th April, 2015. TSC Issue)
https://youtu.be/efdEODA-th8

তাদের উদ্দেশ্যে (যারা ঘটনার রটনাকারী)ঃ 
পৃ্থিবী তে সন্তান জন্ম দেয়ার আমার মতে ৪ টি রাস্তা আছে। 
১. প্রসব বেদনার পর ঘরোয়া পরিবেশে জন্ম নেয়া। 
২. ডাক্তারদের দ্বারা অস্ত্রপ্রচার এর মাধ্যমে জন্ম নেয়া (সিজার)। 
৩. ক্লোন এর মাধ্যমে জন্ম নেয়া। 
৪. ছিটকে বের হয়ে জন্ম নেয়া।

উপরের ৩ টা সম্পর্কে সবাই জানেন। 
টিএসসি এর আর আমাদের চার পাশের ওই সব ইভ টিজার পোলাপান গুলা ৪ নং মার্কা ওয়ালা। এই গুটি কয়েকটা ছিটকে জন্ম হওয়া পোলাপান এর জন্য আজ যুব স্মাজ বিপর্যস্ত। তোরা তো দেখা যায় তদের ক্ষুধা মিটাতে গিয়ে তোদের মা কে ও ছাড়বি নাহ! অবাক লাগে। ছিটকে জন্মেছিশ বলেই তোরা এমন টি করতে পেরেছিশ। তোদের বাবা-মা এর মরে যাওয়া উচিত। কারন তাদের যৌবনের ভুল হল তারা। লজ্জা লজ্জা।

তাদের উদ্দেশ্যে (যারা খালি চোখে ঘটনা দেখেছেন আর কিছুই করেন নি)ঃ 
আপনাদের জন্য মায়া হয়। ভাগ্য ভাল যে ১৯৭১ এর যোদ্ধারা এমন ছিলেন নাহ। আপনাদের সামনে আপনাদের মা-বোন দের সাথে এমন ঘটলে তবুও কি চুপ থাকতেন? আর কিছু বলার নেই আপনাদের উদ্দেশ্যে।

তার উদ্দেশ্যে (যে সয়েছেন অর্থাৎ যার সাথে ঘটেছে)ঃ 
বোন মাফ কর আমায়! ক্ষমা কর। জানি ওরা যা করেছে তার জন্য অই মুহুর্ হতে সব ছেলেরাই তোর চোখে এখন খারাপ। বোন আবার ও ক্ষমা চাই। সবাই এক না। লজ্জা বোধ করছি পুরুষ জাতি হিসেবে।

তাদের উদ্দেশ্যে (যারা আমাদের ছাগু বলছে)ঃ
আপনাদের জন্য মায়া হয়। আপনাদের সামনে আপনাদের মা-বোন দের সাথে এমন ঘটলে তবুও কি চুপ থাকতেন? আর কিছু বলার নেই আপনাদের উদ্দেশ্যে। নিজের মা-বোন কে বাচাতে গেলে যদি কেউ ছাগু হয় তবে আমি ছাগু। আর চোখের সামনে নিজের মা-বোন কে ধর্ষন হতে দেখলে কি করবেন। চালিয়ে যা চালিয়ে যা বলবেন নাকি?

তার উদ্দেশ্যে (যে কিনা ব্যাপার টার বিরোধিতা করেছেন এবং মার খেয়েছেন)ঃ 
ভাই পুরুষ এর মত কাজ করেছেন। একাই একশো। আপনার মত মানুষ আছে বলেই সভ্যতা টা খানিক জ্বল জ্বল করছে। এগিয়ে যান পাশে পাবেন। আপনার মঙ্গল কামনা করি।

পরিশেষে এটুকুই বলবো যে এদের শাস্তি দেয়া উচিত। নয়তো কাল আপনার আমার বোন ও রেহাই পাবে নাহ!


*টিএসসি*
ছবি

মাহাবুবুর রহমান আরমান: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

শুভ নববর্ষ ১৪২২

*নববর্ষ*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: যার জন্মদিন বলতে কিছু নেই, তার আবার পহেলা ফাল্গুন, চৈত্র সংক্রান্তি, পহেলা বৈশাখ? সিরিয়াসলি?

মাহাবুবুর রহমান আরমান: শাড়ি টা কিনেছিলাম তাকে দিবো বলে। কিন্তু সে তো আমাকে ছেড়েই চলে গেলো :( কাকে দিবো?

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি ভারতীয় দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক। 
আমি পাকিস্তানের দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক। 
আমি জামাতি দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক। 
আমি আওয়ামী দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক। 
আমি বিএনপি দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক। 
আমি হেফাজতি দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক। 
আমি রাজাকারদের দালাল নই, তবে আমি চাই সবাই শান্তি তে থাকুক, যে যার মতন থাকুক।

তবে আমি চাই না আর কোনো মানূষকে অস্বাভাবিক ভাবে কুপিয়ে মারা হোক। কেনো জানেন?

১. ইসলাম সন্ত্রাসবাদ সাপোর্ট করে না!
২. ইসলাম শান্তির ধর্ম।
৩. কারো পাপের হিসেব আপনি হাসরের ময়দানে গিয়ে দিবেন না। 
৪. কাউকে খুন করে ফেললে তার খুনের বোঝা সারা জীবন আপনার আর আপনার পরিবারের নিয়ে বেড়াতে হবে। 
৫. কাউকে যদি ভালো নাই করতে পারেন তাহলে তাকে যদি ভালো করার এতোই ইচ্ছে থাকে, তাহলে তাকে তাবিজ কবচ করে মানুষরূপে ফেরত আনুন তাকে খুন করে নয়।
৬. ইসলাম এর যেই জিহাদ এর নামে এতো মানুষ খুন করে থাকে এই উগ্র পন্থীরা, এরা কখনোই হাশরের ময়দানের কথা ভাবে না। ভাবলে এরা নিরবিচারে এতো মানুষ মারতে পারতো না।

আমি কাদের নিয়ে কথা বলছি জানেন? সবাইকে নিয়ে যারা ইসলামের নামে উগ্র পন্থী দল গঠন করে মানুষ হত্যার মত পাপচারে নেমে ধর্ম প্রচার করতে নেমেছে। আমি ধিক্কার জানাই সিরিয়া তে আইএস এর হামলা কে, ধিক্কার জানাই মুসলিম বিশ্বের উপর যারা ফিলিস্তিন কে ইসরায়েল এর হাত থেকে মুক্ত না করে ইয়েমেন এ শান্তি আনতে বোমা হামলা চালাচ্ছে। আমি ধিক্কার জানাই বোকো হারাম কে যারা নাইজেরিয়া তে যে কত মানুষ কে মেরেছে তার হিসেব নেই। আমি ধিক্কার জানাই আমাদের বাংলাদেশের ওইসব গোষ্ঠী কে যারা প্রতিদিন ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করছে এবং সাথে কুপিয়ে কুপিয়ে কিছু নাস্তিক দের কবরে পাঠাচ্ছে। এদের কে আবার নামাজে জানাজা দিয়ে কবর দেয়া হচ্ছে। এখন দেখেন কাকে মারছেন আপনি? আমরা সবাই জানি তাদের ধর্ম টা কি? তার পর ও তাদের হাতের লিখনি এর কারনে যদি আমরা ম্যানিপুলেট হই তবে সেটা কি তাদের দোষ না আমাদের মনের জোড় কম?

নাস্তিক ধর্মী অনেক লিখাই পড়েছি কই আমি তো নাস্তিক হয়ে যাই নি? মনে রাখবেন ক্ষমা মহৎ এর গুন। আল্লাহ-নবী রাসূল রা সব সময় ক্ষমাশীল ছিলেন। এই যে দেখেন যেই বুড়ি আমাদের রাসূল নবী করীম (সাঃ) এর পথে কাটা বিছাতেন, আমাদের রাসূল নবী করীম (সাঃ) কি তাকে খুজে বের করে কুপিয়েছিলো? (আল্লাহ মাফ করুক) এখান থেকে কি কিছু শিক্ষা নেয়ার নাই?

আসুন ধর্ম থেকে ভালো কিছু শিখি। যাচাই বাছাই করে ভালো কিছু করি smile emoticon এই পোস্ট দেখার পর কার যদি আমাকে ভালো না লাগে তবে আনফ্রেন্ড বা ব্লক করে দিতে পারেন। তবে আমাকে মেরে ফেললে কিন্তু আপনি জিতে যাবেন নাহ

মাহাবুবুর রহমান আরমান: তোমায় নিয়ে লিখবো এবার মেঘনাদবধ কাব্য, ভালোবাসার কথা গুলো আর থাকবে না অশ্রাব্য

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৫৭৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত