Ashikur Rahman

@ashikh

business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1416324270000  থেকে আমাদের সাথে আছে

Ashikur Rahman: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারাদিন ঘরে থেকে বিকালে বাহির হইলাম ছুটির দিনে শহরের চিত্র দেখতে। কিন্তু কর্মদিবস এর চেয়েও ব্যস্ততা অনেক বেশি। সবদিকে খুশির আমেজ। শহর জুড়ে লাইটিং। অন্যান্য দিনের মতো কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখার তেমন কোন চেষ্টা নেই। মন্ত্রি, ভিআইপিরা বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মিটিং এ যাচ্ছে বা ফিরে আসছে তাদের রাস্তা করে দিতে ব্যস্ত পুলিশ ভাইয়েরা।
পেয়ার না মিলে তো মার জাওয়া-
না রাস্তায় কিক মুভি চলছিলো না। ক্ষমতায় থাকা সংগঠনগুলো বিজয় মিছিলের ট্রাক নিয়ে যাচ্ছিল গানটি বাজাতে বাজাতে। জ্যামের কারণে বিজয় মিছিল আটকে ছিলো। এক এক গাড়ি থেকে এক একরকম হিন্দি গানে এলাকা মুখরিত। ঐ খানেই সরকার বিরোধী নাম না জানা এক দল গুটি কয়েক কর্মী সমর্থক নিয়ে উত্তপ্ত বক্তব্য দিচ্ছিল আর আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে ট্রাকগুলোকে দেখিয়ে বলছিলো ”ভাইসব আপনারাই বলেন বিজয় দিবসে ভীনদেশি গানের কি মানে?” হ্যা তাইতো কি মানে?
চিন্তার ত্রিশ মিনিট : ইয়ে কিক কিয়া হ্যায়?
বিজয় দিবসে কিক মুভির গান বাজানোর মানে খুঁজলাম অনেক সময়। অবশেষে প্রায় ত্রিশ মিনিট পর বুঝলাম যে, কিক মুভিতে সালমান খানের কিক ছিলো অসুস্থ শিশুদের জন্য কিছু করা। আমরাও তো যুদ্ধ করেছি কিকের জন্যই। অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সংস্কৃতিক মুক্তিই ছিলো আমাদের কিক। অর্থনৈতিক আর সামাজিক মুক্তির অবস্থার আলোচনা অন্যদিন। আর সংস্কৃতিক মুক্তি এত বেশি পাইছি যে এখন নিজেদেরটা শেষ করে ভীনদেশি সংস্কৃতি ইমপোর্ট করছি। যাইহোক চিন্তা করতে করতে অনুভব করলাম জ্যামের মধ্যেও কিছু রাস্তা এগিয়েছি।
লেডিস ফাষ্ট-
রাস্তাঘাটে একটা বিষয় খেয়াল করলাম। দেশপ্রেমে মেয়েরা ছেলেদের থেকে অন্তত মাইল খানিক এগিয়ে। বেশির ভাগ ছেলেদের ড্রেস স্বাভাবিক। কালো স্যুট, শিয়াল কালার জ্যাকেট, চতুরঙ্গা টি-শার্ট এগুলোই। কিন্তু বেশিরভাব মেয়েরা লাল, সবুজে মোড়ানো। গালে ব্যাচ (!)।
কাবাব মে হাড্ডি-
আর একটু এগোনোর পর আমার পাশে একটা রিকশার উপস্থিতি অনুভব করলাম। যাত্রী তিনটা ছেলে। একটা ছেলে একটু জোড়েই বলছে যে, মামা এই সবুজ জামা মেয়েদের গায়ে দেখলেই মনডা চায়...........................পিটায়া মাইরা ফালাই।
সবার উপরে ফেসবুক-
নাম না জানা একটা চত্ত্বরে দেখলাম বড় একটা ব্যানার। শিরোনামে লেখা “ফেসবুক গ্রুপ: যা ইচ্ছে তাই করি”। শিরোনামের সম্মানে সবাই যা ইচ্ছে তাই করছে। কেউ খাচ্ছে, কেউ নাচছে, কেউ গান করছে, কেউ ঘুমাচ্ছে, কেউ ঘুমানোর চেষ্টা করছে। তবে কাজগুলো ডুয়েট। সিঙ্গেলের কোন ব্যাপার নেই।
সেলফি টাইম-
এক চত্বরে কিছু প্রতীকি মূর্তী সকলে সকলের হাত ধরে দেশের বিজয় প্রকাশ করছে, একত্বের গান গাইছে। কিছু ছেলেপেলে দেখলাম সেই মূর্তীগুলোর উপর উঠে, মূর্তীর হাতের সাথে ঝুলে ঝুলে সেলফি তোলায় ব্যস্ত। তার পাশেই অবশ্য বিজয় দিবসের গরম গরম বক্তৃতায় ব্যস্ত দেশপ্রেমিকরা। আবার কারণে অকারণে এই অবুঝদের চোখ কালো কাপড়ে বেঁধে দেয়া হয়। আসলে অগুলো যে আমাদের কাছে মূর্তি ছাড়া আর কিছুই না তা আমরাই ক্ষণে ক্ষণে প্রকাশ করি।
শহর জুড়ে জন্মদিন পালন-
এই শহরে অসংখ্যা সরকারি অফিস আদালত। কয়েক হাজার। প্রতিটি অফিসই আলো ঝলমল। কি কারণ? আজ আমার জন্মদিন তো তাই মনে হয় পালন করছে সবাই। (!) :P এত লক্ষ টাকা খরচ করে এসব না করে এই টাকাগুলো দিয়ে যদি শীতকে সামনে রেখে কিছু গরম কাপড় বিলি করা হতো তাহলে অন্তত উল্লেখযোগ্য কিছু সংখ্যক মানুষ শীতটাকে উপভোগ করতে পারতো। আর যদি এসব করার খুবই দরকার থাকে তাহলে প্রতিটি শহরে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় করা হউক। সবাই সেখানে যাবে। একসঙ্গে মিলিত হবে। সরকার দেশের অতীত, বর্তমান অবস্থা আর ভবিষ্যত পরিকল্পনাগুলো সকলের সাথে শেয়ার করবে। জনগনও আনন্দের সাথে একটি দিন পালন করবে। মানে মেলা বলতে যা বুঝি।
আগামীর ১৬ ডিসেম্বর-
আগামীতেও এরকম ১৬ ডিসেম্বর আসবে। বিজয় দিবস আসবে। আমাদেরকেও পোষ্টান লাগবে। তবে যদি ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, ক্ষমতাসীনদের পরিবর্তন তাহলে এই লেখাটির কিছু অংশ পরিবর্তন করে পরবর্তী ক্ষমতাসীনদের নাম যোগ করতে হবে। আর যদি ক্ষমতাসীনদের পরিবর্তন না হয় তাহলে এই লেখাটিই আজীবন চলবে বলেই মনে হয়।
পরিশেষে পরিবর্তনের আশায় সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

*বিজয়*

Ashikur Rahman: ধরুন আপনি কাগজের খেলনা প্লেন বানাতে জানেন না। ১ ঘন্টা চেষ্টা করলেন তারপরও হলো না। আপনি যদি এই অবস্থায় চেষ্টা করা বাদ দেন তাহলে জীবনের ১টা ঘন্টা আপনার মূল্যহীন। হতে পারতো যে আর ৫ মিনিট চেষ্টা করলে আপনি সফল হতেন। ধৈর্য ধরে ৫ মিনিট চেষ্টার ফলে আপনার ১টা ঘন্টার মূল্য এক পৃথিবী দিয়ে হয়তো কেনা সম্ভব হবে না। তাই ধৈর্য ধরুন আর চেষ্টা করুন। সফলতা নিশ্চিত।(চ

Ashikur Rahman বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

::

:: উদ্যোক্তা হবেন বলে যারা ঠিক করেছেন::

তারা আর যাই করুন, কোন ধরনের চাকরীতে জয়েন করবেন না। কারন চাকরী আপনাকে উদ্যোক্তা হতে দেবেনা।

আপনি যদি চাকরীতে খারাপ করেন আপনার ম্যানেজমেন্ট আপনাকে এমন অসম্মান করতে থাকবে যে আপনার কোন আত্ববিশ্বাস থাকবেনা। আর যদি খুব ভালো করেন আপনাকে লো্ভ দেখিয়ে, আশ্বাস দিয়ে এমন একটি অবস্থার মধ্যে নিয়ে যাবে যাতে আপনি আর চাকরী ছাড়তে ভরসা পাবেন না। যখন চাকরী ছাড়ার মতো অবস্থা হবে তখন আর সাহ পাবেন না।

তাই আমার পরামর্শ হলো- যদি আপনি সত্যিকারের উদ্যোক্তা হতে চান মনে প্রাণে, তবে কোন চাকরীতে যোগ দেবেন না। চাকরী না করে সরাসরি কিছু করতে লেগে যান। কিচু না পারেন ৬০-৭০ হাজার টাকা যোগাড় করে ভালো একটা জায়গায় একটা ফুড কার্ট নিয়ে বসুন। নিশ্চিতভাবে আপনার চলার পয়সা উঠে যাবে।

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বললাম কথাগুলো্।


******কথাগুলো চাকরি খুঁজবো না চাকরি দেব গ্রুপ থেকে নেয়া।

Ashikur Rahman: একটি বেশব্লগ লিখেছে

::

:: উদ্যোক্তা হবেন বলে যারা ঠিক করেছেন::

তারা আর যাই করুন, কোন ধরনের চাকরীতে জয়েন করবেন না। কারন চাকরী আপনাকে উদ্যোক্তা হতে দেবেনা।

আপনি যদি চাকরীতে খারাপ করেন আপনার ম্যানেজমেন্ট আপনাকে এমন অসম্মান করতে থাকবে যে আপনার কোন আত্ববিশ্বাস থাকবেনা। আর যদি খুব ভালো করেন আপনাকে লো্ভ দেখিয়ে, আশ্বাস দিয়ে এমন একটি অবস্থার মধ্যে নিয়ে যাবে যাতে আপনি আর চাকরী ছাড়তে ভরসা পাবেন না। যখন চাকরী ছাড়ার মতো অবস্থা হবে তখন আর সাহ পাবেন না।

তাই আমার পরামর্শ হলো- যদি আপনি সত্যিকারের উদ্যোক্তা হতে চান মনে প্রাণে, তবে কোন চাকরীতে যোগ দেবেন না। চাকরী না করে সরাসরি কিছু করতে লেগে যান। কিচু না পারেন ৬০-৭০ হাজার টাকা যোগাড় করে ভালো একটা জায়গায় একটা ফুড কার্ট নিয়ে বসুন। নিশ্চিতভাবে আপনার চলার পয়সা উঠে যাবে।

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বললাম কথাগুলো্।


******কথাগুলো চাকরি খুঁজবো না চাকরি দেব গ্রুপ থেকে নেয়া।

*উদ্যোক্তা*

Ashikur Rahman বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডিভোর্সের সংখ্যা এ কথা কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই বলা যায়। সামাজিক অবক্ষয় আর খোলা মনের পরিচয় দিতে গিয়েই এমন ঘটনা ঘটছে বলে আমি মনে করি। সময়ের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে আমরা অনেকেই অনেক সমাজ বিরোধী কাজ করার পরও নিজে নিজের মনকে সান্তনা দেবার জন্য ভাবছি যে, বাইরের দেশগুলোতে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। এর ব্যতিক্রম কিছু করা মানেই এটা ছোট মনের পরিচয়। আমি অন্তত: ছোট মনের মানুষ নই! এভাবেই আমরা নিজেদের অপরাধ আড়াল করে নিজে নিজে গর্ব বোধ করছি। স্বীকার করতে অসুবিধা নেই যে, আমি নিজেও হয়তো এরকম ভাবি। কিন্তু এর ফলাফল কি? একসময় বৃদ্ধাশ্রম বলে কিছু আছে এরকম কিছু কল্পনাতেও ছিল না। শীতকালে জামাইকে শ্বশুর বাড়ি থেকে দাওয়াত করা হয় নাই বা ঈদ-পূজায় স্ত্রীকে পাখি ড্রেস কিনে না দেয়া হয় নাই বলে ডিভোর্স বা আত্মহত্যা’র ঘটনা ঘটবে কল্পনাতে ছিল না এটাও। কিন্তু এসবই আজ খুব স্বাভাবিকের চেয়েও স্বাভাবিক। আমাদের সামাজিক বন্ধনের এই অবস্থা ভাবতেই শরীরের লোম দাড়িয়ে যায়। স্বামাজিক অবক্ষয়’ই যে এর একমাত্র কারণ তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তবে এখন আলোচনার বিষয় হলো স্বামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ কি? কেন আমরা ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছি খুশিমনে। আমি মতে মিডিয়া এর জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী। মিডিয়ার অতি উদার মনোভাব আর শুধুমাত্র ব্যবসায়িক চিন্তা চেতনার কারণে আজ আমরা ছোটখাট বিষয়ে মদ-বিয়ার দিয়ে পার্টি, পশ্চিমা দেশের সংস্কৃতির পুংখানুপুংখু অনুকরণ-অনুসরণ, ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশা সহ অনেক বড় বড় খারাপ ও গর্হিত কাজগুলো খুব সহজেই করছি। বিশেষতঃ ভারতীয় চ্যানেলগুলোর কল্যানে আমাদের মানসিকতার ব্যাপক পরিবর্তন হচেছ একথা অনস্বীকার্য। আপনি হয়তো নিজের মানসিক অবস্থার সুন্দর একটি চেহারা নিজের মনের ভিতর একে নিয়ে প্রোগ্রামগুলো দেখছেন। দেখার পর নিজে নিজেই ভাবছেন এগুলো নাটক-সিনেমার ঘটনা বাস্তবতার সাথে এর কোন মিল নেই। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার মত সবাই এরকম ভাবতে পারছে কি না? আমাদের ছোটরা; যারা আব্বু-আম্মু উচ্চারণটাও শিখছে অন্যের অনুকরণ করে। তারা এই বিষয়গুলো অনুসরণ করছে কি না বা আপনার অজান্তেই তাদের ভিতরে এর প্রভাব পরছে কি না? তাছাড়া সকলের মানসিকতাই তো আর আপনার মতো নয়। অনেকেই অনুকরণ করতে ভালবাসে। অনেকেই খুব অল্পতেই ইমোশনাল হয়ে পরে। অনেকেরই নেই আপনার মতো গভীর চিন্তা শক্তি। নেই ভাল-মন্দ বুঝার ক্ষমতা। এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাববার দায়িত্বটুকু আপনার উপরেই ছেড়ে দিচ্ছি। অনেককেই বলতে শুনি যে, আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া বা ফ্রান্স, নরওয়ে তে তো নারী-পুরুষ অবাধেই চলাফেরা করছে। আমাদের এত প্রবলেম কোথায়? তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আপনকে যদি এমন একজন নারীকে স্বাধীনভাবে চলার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়; যে দেখতে অসুন্দর, আকর্ষনহীন। তার সাথে আপনার আচরণ কেমন হবে? আমরা তো নিজের ক্লাসের ৫টা মেয়ের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে শারীরিক সম্পর্কে রূপ দেয়ার জন্য সময়ের অপেক্ষায় থাকি । আমার-আপনার একটি মেয়ে বন্ধু কতটুকু নিরাপদ আমাদের কাছে। এবার আসি নারীদের বিষয়ে। একজন নারী হিসেবে আপনি কতটুকু এটা সমথন করেন যে, একটা ব্লেডের বিজ্ঞাপনেও আপনার সরগরম উপস্থিতি থাকবে। সিগারেটের বিজ্ঞাপন, ছেলেদের আন্ডার গার্মেন্স এর বিজ্ঞাপন সহ আরও অনেক প্রডাক্ট যা শুধুমাত্র ছেলেদের সাথেই যায়। একবারও কি ভেবে দেখেছেন উদার মনের পরিচয় দিতে গিয়ে আপনি নিজেই নিজেকে অপমানিত করছেন। যেখানে অন্যরা আপনার মাধ্যমে শুধু তাদের মার্কেটের প্রসার ঘটাতে চাচ্ছে। ভাবুন প্লিজ। আমাদের দেশের মিডয়াগুলোর একটা কমন রোগ হলো তারা নিজেরা নতুন কিছু করার চেয়ে পশ্চিমা পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত খবর কপি করতে খুবই পছন্দ করে। নাটক-সিনেমা নির্মাতারাও পিছিয়ে নেই চুরিতে ফাষ্ট হওয়ার এই খেলায়। অর্থাৎ পুরো মিডিয়া এখন কপি-পেষ্ট নিভর। কিন্তু আমরা মনে হয় বুঝতে পারছি না এই কপি-পেষ্টের খেলার মাধ্যমে আমরা ভেঙ্গে ফেলছি আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সুন্দর ঘর। দিন দিন জীণ-শীণ হয়ে পরছে আমাদের নাটক, টেলিফিল্ম আর সিনেমার ইন্ডাষ্ট্রি। যাদের বয়স এখন নতুন কিছু শেখার, যারা নিজের তারুন্য দিয়ে জয় করতে পারে একটি দেশ তারা আমার পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের লিংকে ক্লিক করে বা আমার চ্যানেলে প্রচারিত একটি অসামাজিক দৃশ্যের কল্পনার ভিতরে শিখে ফেলছে অনেক এমন বিষয় যার জন্য তার বয়সটি অতি বেমানান। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয় যে, আমি অনেকদিন হলোই ভাবছি যে, এমন কি আছে ভারতীয় চ্যানেলগুলোতে যার জন্য আমার দেশের দশকরা হুমরি খেয়ে পড়েছে? অনেক ভাবার পর একটি বিষয়ই পরিষ্কার হয়ে উঠলো যে, ভারতীয়রা সেই বিষয়টিই প্রদর্শন করে যা আমাদের জীবনে বাস্তবেই ঘটছে। আর আমরা ছুটছি শুধুমাত্র ব্যবসায়িক মনমানসিকতা নিয়ে। দর্শকদের চাহিদা আমাদের কাছে নগন্য। (ভাল লাগলে এই ২য় কিস্তি দেখার অনুরোধ করছি)

Ashikur Rahman বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

অথচ আমরা যদি এই কাজটিই আমাদের সংস্কৃতির ভিতরে থেকে করতাম, তবে দশক চাহিদাও মিটতো, ব্যবসাও হতো, সামাজিক অবক্ষয় কিছুটা হলেও ধীরগতির হয়ে যেত। অনেকে এখন প্রশ্ন করতে পারে যে, ভারতীয় চ্যানেলগুলো যদি জীবনের বাস্তব চিত্রের প্রতিফলনই হয়ে থাকে তাহলে দেখতে প্রবলেম কই? প্রবলেম ঐ জায়গাতেই যে, সংস্কৃতির পরিবর্তনের কারণে আমরা ধ্বংসের দিকে ঠিক সেইভাবেই ধাবমান হচ্ছি যেভাবে ক্ষুধাত বাঘ তার শিকারের দিকে হয়। হয়তো একদিন আমাদের বিবেক খুলবে, আমরাও চেষ্টা করবো মান সম্পন্ন দেশী কিছু মিডিয়াতে প্রকাশের। কিন্তু ততদিনে আমাদের মার্কেট অন্যের দখলে। উপরের এত কিছুর ফলাফল আমরা নিজ চোখেই দেখতে পারছি। এখানে শুধু একটি কথা বলতে চাই যে, এইভাবে অপসংস্কৃতির মারপ্যাচে খুব ছোট্ট আর অকারণে আমরা আমাদের বিয়ে দিয়ে দেয়া মেয়েকে বলছি যে, সংসার ছেলে চলে আয়; তোকে নতুন এক জায়গায় বিয়ে দিব। বিয়ে করানো ছেলেকে বুদ্ধি দিচ্ছি বউ-সন্তান ছেড়ে চলে আয়; এরকম মেয়ে কি আর পাওয়া যাবে না। অনেক সুন্দর আর ভাল মেয়ের সাথে অনয়াসে তোর দ্বিতীয় (!) বিয়ে দিব। হতাশা আর হতাশা! লেখার এই শেষ প্রান্তে এসে আমি নিজেই বুঝতে পারছি যে, আলোচনাগুলো খুবই এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আর করার। এমন এলোমেলো আর উদভ্রান্তের মতই তো আমরা নিজেরাই নিজেদের সবনাশ করছি। বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়। ভাঙ্গছে অনেক মধুর বন্ধন। বাড়ছে বৃদ্ধাশ্রমে অধিবাসীর সংখ্যা। বাড়ছে ডিভোর্সের মত অনেক দুঘটনাও। (সমাপ্ত)

Ashikur Rahman: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অথচ আমরা যদি এই কাজটিই আমাদের সংস্কৃতির ভিতরে থেকে করতাম, তবে দশক চাহিদাও মিটতো, ব্যবসাও হতো, সামাজিক অবক্ষয় কিছুটা হলেও ধীরগতির হয়ে যেত। অনেকে এখন প্রশ্ন করতে পারে যে, ভারতীয় চ্যানেলগুলো যদি জীবনের বাস্তব চিত্রের প্রতিফলনই হয়ে থাকে তাহলে দেখতে প্রবলেম কই? প্রবলেম ঐ জায়গাতেই যে, সংস্কৃতির পরিবর্তনের কারণে আমরা ধ্বংসের দিকে ঠিক সেইভাবেই ধাবমান হচ্ছি যেভাবে ক্ষুধাত বাঘ তার শিকারের দিকে হয়। হয়তো একদিন আমাদের বিবেক খুলবে, আমরাও চেষ্টা করবো মান সম্পন্ন দেশী কিছু মিডিয়াতে প্রকাশের। কিন্তু ততদিনে আমাদের মার্কেট অন্যের দখলে। উপরের এত কিছুর ফলাফল আমরা নিজ চোখেই দেখতে পারছি। এখানে শুধু একটি কথা বলতে চাই যে, এইভাবে অপসংস্কৃতির মারপ্যাচে খুব ছোট্ট আর অকারণে আমরা আমাদের বিয়ে দিয়ে দেয়া মেয়েকে বলছি যে, সংসার ছেলে চলে আয়; তোকে নতুন এক জায়গায় বিয়ে দিব। বিয়ে করানো ছেলেকে বুদ্ধি দিচ্ছি বউ-সন্তান ছেড়ে চলে আয়; এরকম মেয়ে কি আর পাওয়া যাবে না। অনেক সুন্দর আর ভাল মেয়ের সাথে অনয়াসে তোর দ্বিতীয় (!) বিয়ে দিব। হতাশা আর হতাশা! লেখার এই শেষ প্রান্তে এসে আমি নিজেই বুঝতে পারছি যে, আলোচনাগুলো খুবই এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আর করার। এমন এলোমেলো আর উদভ্রান্তের মতই তো আমরা নিজেরাই নিজেদের সবনাশ করছি। বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়। ভাঙ্গছে অনেক মধুর বন্ধন। বাড়ছে বৃদ্ধাশ্রমে অধিবাসীর সংখ্যা। বাড়ছে ডিভোর্সের মত অনেক দুঘটনাও। (সমাপ্ত)
*ডিভোর্স*

Ashikur Rahman: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডিভোর্সের সংখ্যা এ কথা কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই বলা যায়। সামাজিক অবক্ষয় আর খোলা মনের পরিচয় দিতে গিয়েই এমন ঘটনা ঘটছে বলে আমি মনে করি। সময়ের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে আমরা অনেকেই অনেক সমাজ বিরোধী কাজ করার পরও নিজে নিজের মনকে সান্তনা দেবার জন্য ভাবছি যে, বাইরের দেশগুলোতে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। এর ব্যতিক্রম কিছু করা মানেই এটা ছোট মনের পরিচয়। আমি অন্তত: ছোট মনের মানুষ নই! এভাবেই আমরা নিজেদের অপরাধ আড়াল করে নিজে নিজে গর্ব বোধ করছি। স্বীকার করতে অসুবিধা নেই যে, আমি নিজেও হয়তো এরকম ভাবি। কিন্তু এর ফলাফল কি? একসময় বৃদ্ধাশ্রম বলে কিছু আছে এরকম কিছু কল্পনাতেও ছিল না। শীতকালে জামাইকে শ্বশুর বাড়ি থেকে দাওয়াত করা হয় নাই বা ঈদ-পূজায় স্ত্রীকে পাখি ড্রেস কিনে না দেয়া হয় নাই বলে ডিভোর্স বা আত্মহত্যা’র ঘটনা ঘটবে কল্পনাতে ছিল না এটাও। কিন্তু এসবই আজ খুব স্বাভাবিকের চেয়েও স্বাভাবিক। আমাদের সামাজিক বন্ধনের এই অবস্থা ভাবতেই শরীরের লোম দাড়িয়ে যায়। স্বামাজিক অবক্ষয়’ই যে এর একমাত্র কারণ তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তবে এখন আলোচনার বিষয় হলো স্বামাজিক অবক্ষয়ের মূল কারণ কি? কেন আমরা ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছি খুশিমনে। আমি মতে মিডিয়া এর জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী। মিডিয়ার অতি উদার মনোভাব আর শুধুমাত্র ব্যবসায়িক চিন্তা চেতনার কারণে আজ আমরা ছোটখাট বিষয়ে মদ-বিয়ার দিয়ে পার্টি, পশ্চিমা দেশের সংস্কৃতির পুংখানুপুংখু অনুকরণ-অনুসরণ, ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশা সহ অনেক বড় বড় খারাপ ও গর্হিত কাজগুলো খুব সহজেই করছি। বিশেষতঃ ভারতীয় চ্যানেলগুলোর কল্যানে আমাদের মানসিকতার ব্যাপক পরিবর্তন হচেছ একথা অনস্বীকার্য। আপনি হয়তো নিজের মানসিক অবস্থার সুন্দর একটি চেহারা নিজের মনের ভিতর একে নিয়ে প্রোগ্রামগুলো দেখছেন। দেখার পর নিজে নিজেই ভাবছেন এগুলো নাটক-সিনেমার ঘটনা বাস্তবতার সাথে এর কোন মিল নেই। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার মত সবাই এরকম ভাবতে পারছে কি না? আমাদের ছোটরা; যারা আব্বু-আম্মু উচ্চারণটাও শিখছে অন্যের অনুকরণ করে। তারা এই বিষয়গুলো অনুসরণ করছে কি না বা আপনার অজান্তেই তাদের ভিতরে এর প্রভাব পরছে কি না? তাছাড়া সকলের মানসিকতাই তো আর আপনার মতো নয়। অনেকেই অনুকরণ করতে ভালবাসে। অনেকেই খুব অল্পতেই ইমোশনাল হয়ে পরে। অনেকেরই নেই আপনার মতো গভীর চিন্তা শক্তি। নেই ভাল-মন্দ বুঝার ক্ষমতা। এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাববার দায়িত্বটুকু আপনার উপরেই ছেড়ে দিচ্ছি। অনেককেই বলতে শুনি যে, আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া বা ফ্রান্স, নরওয়ে তে তো নারী-পুরুষ অবাধেই চলাফেরা করছে। আমাদের এত প্রবলেম কোথায়? তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আপনকে যদি এমন একজন নারীকে স্বাধীনভাবে চলার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়; যে দেখতে অসুন্দর, আকর্ষনহীন। তার সাথে আপনার আচরণ কেমন হবে? আমরা তো নিজের ক্লাসের ৫টা মেয়ের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে শারীরিক সম্পর্কে রূপ দেয়ার জন্য সময়ের অপেক্ষায় থাকি । আমার-আপনার একটি মেয়ে বন্ধু কতটুকু নিরাপদ আমাদের কাছে। এবার আসি নারীদের বিষয়ে। একজন নারী হিসেবে আপনি কতটুকু এটা সমথন করেন যে, একটা ব্লেডের বিজ্ঞাপনেও আপনার সরগরম উপস্থিতি থাকবে। সিগারেটের বিজ্ঞাপন, ছেলেদের আন্ডার গার্মেন্স এর বিজ্ঞাপন সহ আরও অনেক প্রডাক্ট যা শুধুমাত্র ছেলেদের সাথেই যায়। একবারও কি ভেবে দেখেছেন উদার মনের পরিচয় দিতে গিয়ে আপনি নিজেই নিজেকে অপমানিত করছেন। যেখানে অন্যরা আপনার মাধ্যমে শুধু তাদের মার্কেটের প্রসার ঘটাতে চাচ্ছে। ভাবুন প্লিজ। আমাদের দেশের মিডয়াগুলোর একটা কমন রোগ হলো তারা নিজেরা নতুন কিছু করার চেয়ে পশ্চিমা পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত খবর কপি করতে খুবই পছন্দ করে। নাটক-সিনেমা নির্মাতারাও পিছিয়ে নেই চুরিতে ফাষ্ট হওয়ার এই খেলায়। অর্থাৎ পুরো মিডিয়া এখন কপি-পেষ্ট নিভর। কিন্তু আমরা মনে হয় বুঝতে পারছি না এই কপি-পেষ্টের খেলার মাধ্যমে আমরা ভেঙ্গে ফেলছি আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সুন্দর ঘর। দিন দিন জীণ-শীণ হয়ে পরছে আমাদের নাটক, টেলিফিল্ম আর সিনেমার ইন্ডাষ্ট্রি। যাদের বয়স এখন নতুন কিছু শেখার, যারা নিজের তারুন্য দিয়ে জয় করতে পারে একটি দেশ তারা আমার পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের লিংকে ক্লিক করে বা আমার চ্যানেলে প্রচারিত একটি অসামাজিক দৃশ্যের কল্পনার ভিতরে শিখে ফেলছে অনেক এমন বিষয় যার জন্য তার বয়সটি অতি বেমানান। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয় যে, আমি অনেকদিন হলোই ভাবছি যে, এমন কি আছে ভারতীয় চ্যানেলগুলোতে যার জন্য আমার দেশের দশকরা হুমরি খেয়ে পড়েছে? অনেক ভাবার পর একটি বিষয়ই পরিষ্কার হয়ে উঠলো যে, ভারতীয়রা সেই বিষয়টিই প্রদর্শন করে যা আমাদের জীবনে বাস্তবেই ঘটছে। আর আমরা ছুটছি শুধুমাত্র ব্যবসায়িক মনমানসিকতা নিয়ে। দর্শকদের চাহিদা আমাদের কাছে নগন্য। (ভাল লাগলে এই ২য় কিস্তি দেখার অনুরোধ করছি)
*ডিভোর্স*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত