আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী

@ashrafuddinchowdhury

একজন বোকা এবং অগোছালো মানুষ. বেড়াতে, বই পড়তে ও মজার খাবার খেতে পছন্দ করি . কথা বলতে খুব অপছন্দ করি.
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1373410583000  থেকে আমাদের সাথে আছে

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: পিডিএফ ফাইল ছোট করার দারুন একটা সাইট, আপনাদের কখনো কাজে লাগতে পারে. www.ilovepdf.com

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: একটি প্রশ্ন শেয়ার করেছে

 অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলো শুরু থেকে রুট করা থাকে না কেন? কেউ কি এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানেন?

১ টি উত্তর আছে

*রুট* *অ্যান্ড্রয়েড* *স্মার্টফোন*

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফারাক্কা হোলস্কয়ার বা আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পঃ হাতে মারবে না দাদা, ভাতে মারবে!

বাংলাদেশ আসলে ইন্ডিয়ার মেক্সিকো।একটু আজব শোনায় না? হ্যাঁ, আমার এমন বলার ভিত্তির ব্যাখ্যা হলো নিওকলোনিজম, অর্থাৎ, শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য, প্রতিবেশী দুর্বল দেশগুলোর দূর্নীতিবাজ সরকার কে ব্যাকআপ দিয়ে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখে নিজেদের স্বার্থটা বের করে নেয়। যার অন্যতম উদাহরণ হচ্ছে মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেল, মাফিয়া, গ্যাংগজাতীয় সমস্যাগুলো টিকিয়ে রেখে আমেরিকা নিজের স্বার্থ বের করে নেয়, যেগুলোর অন্যতম একটা কলোরাডো নদীর পানি।১৯৪৪ সালের রিও গ্রান্দে, কলোরাডো ও তিজুয়ানা নদী বিষয়ক আমেরিকা-মেক্সিকোর চুক্তিতে কোন নদীর কতটুকু পানি মেক্সিকো পাবে তা উল্লেখ না থাকার সুযোগে, আমেরিকা সরকার দক্ষিন সীমান্তে ১৯৫০ এর দিক থেকে শুরু করে কলোরাডো নদীতে প্রায় প্রায় ২০ টি বিশাল বিশাল বাঁধ নির্মাণ(পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ড্যাম হুভার ড্যাম ও রয়েছে), প্রচুর কৃত্রিম হ্রদ নির্মাণ, খাল নির্মাণ বাঁধ নির্মাণ করে, যার ফলে কয়েক বছরের মাঝেই মেক্সিকোর দিকে কলোরাডো নদী সম্পূর্ণ শুকিয়ে খা খা মরুভূমি হয়ে যায়।

ইয়ে মানে,এই ব্যাপারটাও চেনা চেনা লাগছে? হ্যাঁ, ফারাক্কা বাঁধ। এই বাঁধে চুক্তি অনুযায়ী যতটুকু পানি পাবার কথা তা তো আমরা পাচ্ছিনা, যা পাচ্ছি, সব লবণাক্ত। যেগুলো দিয়ে সেচ করা যায়না, যার ফলে কৃষকেরা ভুগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ দিচ্ছেন, যার খরচ তাদের দ্বারা বহন করা সম্ভবপর না হওয়ায়, তারা কৃষিকাজ ছেড়ে দিচ্ছেন। এছাড়া এ পানিতে পদ্মার ইলিশ পাওয়া যায়না, পাওয়া যায় ছোট পুঁটিমাছ, যার ফলে ওখানকার জেলেরাও পেট চালাতে না পেরে পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ নিয়ে আমাদের সরকার "কিছুই করেনাই আইজো"।২০১৬ সালে চুক্তির ইতিহাসে সর্বনিম্ন পানি পেয়েছে বাংলাদেশ, সরকার গঠিত জয়েন্ট রিভার কমিশন যা গঠন করাই হয়েছিল, ন্যায্য পানির হিস্যা পাবার হিসেব রাখতে, তারা এনিয়ে কোনপ্রকার অভিযোগ ই করেনি।
শুধুমাত্র আমাদেরই নয়, ইন্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বাঁধের কারণে যে পরিবেশ দূষণ হয়েছে, তাদের অঞ্চলের কৃষকদের প্রায় ৩২২৬ কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। যে প্রকল্পে মানুষের এত ক্ষতি, সে প্রকল্প কেন ভারত সরকার করবে?

কেননা আমরা জনগণেরাই সচেতন নই-আমরা এরকম কোন প্রকল্প শুরু হবার আগেই তার পরিবেশগত ত্রুটির কথা বিবেচনা করে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলিনা। চোখের সামনে আলোর গতিতে উন্নয়ন দেখতে চাই-উন্নয়নের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ভাবতে চাইনা। রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, দালানকোঠা এসব চোখে দেখা উন্নয়ন-এগুলোর কোনটা পরিবেশের ক্ষতি করছে-এই কথা বলতে আসলে মনে করা হয় আমরা উন্নয়নের বিরোধীতা করছি আর সাধের সরকারেরা মিলে দেশকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সমস্যাটা চোখে পড়ে যখন দেখা যায় রেডিওতে উন্নয়নের জোয়ার আছে-কিন্তু নদীতে জোয়ারের পানি নেই। তখন যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়-সেটা দুই পয়সার ঠুনকো উন্নতির চেয়ে অনেক অনেক বেশি হয়। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিকল্প হয়-জলবায়ু বিপর্যয় হয়ে গেলে সেটার আর বিকল্প হয়না। তাই এখন উন্নয়ন অর্থনীতির পড়াশুনায় উন্নয়নের সংজ্ঞায়নে শুধুমাত্র অর্থের হিসাব না করে পরিবেশগত সাস্টেইনেবিলিটির খেয়াল রাখা হয়।

থাকগে, ভাবলেন, পুরানা আমলের সরকার হয়তো এইসব জানতোনা, এখনকার ভারত সরকার এসব নিশ্চয়ই বুঝবে। ওমা! সেকি! শিঘ্রই আন্ত:নদী প্রকল্পে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে ভারত। যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের সাড়ে চার হাজারকোটি ঘনলিটার পানি মানস-সংকোশ-তিস্তা-মহানন্দা নদী দিয়ে নেয়া হবে বিহারে। যার ফলে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পানি উৎস ব্রহ্মপুত্র নদ শুকনো মৌসুমে মরুভুমিতে পরিণত হবে।উত্তরাঞ্চলের বাংলাদেহের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে গড়া ফারাক্কার প্রভাবে ভয়াবহ মরুকরণের পর নিশ্চয়ই এইবার বাংলাদেশ সরকারের কিছুটা শিক্ষা হবে। তারা নিশ্চয়ই এবারে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে!
কিন্তু পানিসম্পদ মন্ত্রীসাহেব এখনও ভারতের কথার উপর আস্থা রাখছেন! ভারত কথা দিয়েছে, এমন কিছু করা হবেনা, যেটাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়। "কথা দিয়েছে-ক্ষতি করবেনা". আহা, কি মধুর উত্তর।
আচ্ছা বুঝলাম বাংলাদেশ সরকার নাহয় বাংলাদেশ সরকার! ভারত সরকার যেহেতু এত কোটি টাকার একটা প্রকল্প নিচ্ছে, নিশ্চয়ি এটা ভারতের সাধারণ মানুষেরই কাজে আসবে। ওমা! বিধি বাম! এই প্রকল্পকে খোদ ভারতেরই গবেষকেরা " Horrible and ill planned", "There is no sceitific basis for this", "A river isn't a pipe that we can control", "These projects are not viable", "River linking is a social evil, economic evil" এসব তকমা দিয়েছেন। ভারতের প্রচুর সাধারণ জনগণ যেমন রামপাল তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে-তেমনি এই প্রকল্পেরও বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে কেননা এই প্রকল্প আমাদের দেশের মরুকরণের সাথে সাথে ভারতের জলবায়ুতেও মারাত্মক প্রভাব রাখবে। তাহলে যে প্রকল্প বাংলাদেশ, নেপাল এবং খোদ ভারতেরই ক্ষতি করবে, সে প্রকল্প কেন বিজেপি সরকার নিল?
কারণ এটা অটল বিহারী বাজপেয়ী সাহেবের ড্রিম প্রজেক্ট ছিলো! ভারতের এক টিভি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, এক প্রকল্পে সবচাইতে লাভবান হবে মালওয়া অঞ্চলের মানুষ, যেখানে বিজেপি নির্বাচনে খুব খারাপ পার্ফর্মেন্স করেছিল গত লোকসভা নির্বাচনে। বোঝাই যাচ্ছে, এটা হল বিজেপির ড্রিম প্রজেক্ট যেটা তাদের রাজনৈতিক কূটচালের খেলা। ভারত সরকার প্রজেক্ট টা নিয়ে ব্যাপকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমাদের সরকার ব্যাপারটা নিয়ে কোন প্রতিরোধ করেনাই, কারণ এ ব্যাপারে কোন জনসচেতনতাই তৈরি হয়নাই। কারণ আমরা কেউই এই ব্যাপারে জানিনা। আর আমাদের না জানার সুযোগ নিয়ে রীতিমতো ভারত সরকার আমাদের পানিশূণ্য করবার ছক এঁকে তার বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ শুরু করে দিয়েছে আর আমাদের সরকার এখনও ভারতের আস্থার উপর ভরসা রাখছে।

সরকার আসবে যাবে, কিন্তু ফাঁকে দিয়ে মরুভুমি হবে আমাদের নদী, মরবো আমরা। কাজেই, উই হ্যাভ টু স্ট্যান্ড আপ! আমরা বসে থাকলে কখনোই সরকার এই ব্যাপারে মনোযোগ দিবেনা। তাদের বাধ্য করতে হবে। এটা শুধুমাত্র আলাদা আলাদা রাষ্ট্রের সমস্যা না, এটা আমাদের সকলের সমস্যা। দুদেশের সকল মানুষ এক হয়ে, সকল এনজিও, সকল সংস্থা এক হয়ে মিলে উভয় সরকার কে চাপ দিয়ে এই প্রকল্প বন্ধ করা হয়, যাতে "আবারো" বাংলাদেশকে মরুভূমি না বানিয়ে দেয়া হয়। শক্ত প্রতিরোধের মাধ্যমেই ছোট দেশ, বড় শক্তিশালী দেশ থেকে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে নিয়ে পারে, যেমনটা মেক্সিকো করেছে, আমেরিকার সাথে। মেক্সিকোর সাধারণ জনগণ সকলে মিলে একসাথে মিকে, সকল এনজিও, সরকারী সংস্থার মাঝে কঠোর ঐক্য তৈরি করে, ২০১২ সালে "মিনিট-৩১৯" নামক চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা কে কলোরাডো নদীর ন্যায্য নদীকে পুনুরুজ্জীবিত করা হয়, মরুকরণ বন্ধ হয় মেক্সিকোর।। মেক্সিকো যদি আমেরিকা থেকে নিজের অধিকার আদায় করতে পারে, তবে আমরা কেন পারবোনা ভারত থেকে নিজেদের অধিকার আদায় করতে?

এটা কোন ডান-বাম-আস্তিক-নাস্তিক-উত্তর-দক্ষিণ-আওয়ামীলিগ-বিএনপির স্বার্থ নয়, এটা একটা জাতীয় স্বার্থ।
আসুন, আমরা মিলিত হই,কাঁধে কাঁধ, প্রতিরোধ করি।
সবাই মিলে, বাংলাদেশের সরকার কে বলছি,
Dear Goverment of People's Republic of Bangladesh, Please! Stand Up To India

‪#‎StandUptoIndia‬
‪#‎SaveBrahmaputra‬
‪#‎BringBackPadma‬

কৃতজ্ঞতা
ইন্ট্রোডাকশন লিখতে সাহায্য করেছে Neel Emon
সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্টের ব্যাপারটা বুঝতে সাহায্য করেছেন Yasin Shafi ভাই
আন্তঃনদী সংযোগ নিয়ে কাজ করতে উৎসাহ দিয়েছেন Maha Mirza

https://www.facebook.com/ADR1971/videos/1369376229746431/

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাতে ছিল মাত্র দুই দিন। কুয়ালালামপুর নেমে সকালে চলে গেলাম বার্ড পার্ক, সেখান থেকে অর্কিড গার্ডেন হয়ে গেলাম বাটারফ্লাই পার্ক। তিনটে জিনিষ পাশাপাশি। বাটারফ্লাই পার্ক থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সি নিয়ে চলে গেলাম সুরাইয়া মল। টুইন টাওয়ার দেখে মলে ঢুকে কিছুক্ষন ঘুরে চলে গেলাম একুয়ারিয়াম। এগুলো সব এক জায়গায়। তারপর মিনারা ঘুরে বিকালের মধ্যে শহর দেখা শেষ। পথে মারদেকা স্ক্যার, চায়না টাউন পড়ে। বিকালের পরে গেলাম মাসজিদ ইণ্ডিয়া। হানাফি ও মাইদিন এ ঢুকে টুকটাক কেনাকাটা। মুলত চকোলেট। পরদিন সকালে ট্যাক্সি ভাড়া করে চলে গেলাম গেন্টিং হাইলান্ড। শুধু কেবল কার এ চড়ার লোভে। পথে বাটু কেভ দেখলাম।গেন্টিং এর কাছে একটা স্ট্রবেরি ফার্ম আছে, খুব ভালো লেগেছে। থীম পার্ক এখন বন্ধ, জানতাম না। তাই দুপুরের মধ্যেই ফিরে এলাম। বিকালে ট্যাক্সি নিয়ে সব লাগেজ ভরে বের হলাম এয়ারপোর্টের পথে। পথে থেমে সুলতানের প্যালেস দেখলাম, পুত্রাজায়া গিয়ে ছবি তুলে বিকালে নাস্তা খেলাম মসজিদ ও পারলামেন্ট ভবনের কাছে। তারপর এয়ারপোর্ট। মাত্র দুই দিনে কুয়ালালাম্পুরে আর কি কিছু দেখা বাকি ছিল?  মালিন্দ এয়ার এ প্লেন ভাড়া যাওয়া আসা নিয়ে ২৩ হাজার টাকা/ জন প্রতি। হোটেল ভাড়া ৩০০০ টাকা প্রতি রাত। প্লেনে করে কক্সবাজার গিয়ে মোটামুটি ভাল হোটেলে থাকতে এর চেয়ে অনেক বেশি খরচ পড়ে। খাবারের খরচ আমাদের চেয়ে অনেক কম। ট্যাক্সি ভাড়াও আমাদের দেশের চেয়ে অনেক অনেক কম। প্রায় ৬০ কিমি দুরের গেন্টিং যেতে আসতে খরচ পড়েছে ৬০০০ টাকা।মাঝে দুই ঘন্টা বসে ছিল । 

*ভ্রমন* *বেড়ানো* *কুয়ালালামপুর*

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: https://www.gofundme.com/3yearoldssurgery

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: ঢাকা শহরে এখন শুরু হয়ে গিয়েছে ডেঙ্গু জ্বর এর সীজন। প্রতিদিন অনেক ডেঙ্গু রুগি আসছে হাসপাতালে । মশার কামড় থেকে সাবধানে থাকুন, শিশুদের সাবধানে রাখুন। আর ডেঙ্গু জ্বর হলে ভয়ের কিছু নেই। প্যারাসিটামলের পাশাপাশি প্রচুর পানি খাবেন।

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: [বাঘমামা-জটিল] ঢাকা শহরের মাঝে একটি জায়গা, যেখানে কোন যানজট নেই। গাড়ি গুলো চলছে নিয়ম মেনে এক লাইনে, কোন হর্ন এর শব্দ নেই, কেউ কাউকে ওভারটেক করতে চেষ্টাও করেনা। রাস্তায় ময়লা আবর্জনা দুরের কথা, ধুলো বালি পর্যন্ত নেই। সব কিছু ঝকঝক করছে। অথচ ঢুকলে খুব অস্বস্তি লাগে। এত শান্তি ভাল লাগেনা, বের হয়ে আসলে হাফ ছেড়ে বাচি। বলুন তো কোথায় এটি?(খুশী২)

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: [বাঘমামা-সর্বনাশ] ঢাকা তে immigrant রা আবার আসতে শুরু করসে।

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী: [ঈদ-খুশী] এই ঈদে কি করছেন আপনি? কে কে দেশের বাড়ি যাচ্ছেন? দেশের বাইরে কেউ যাচ্ছেন নাকি? ঈদে সারা দিন কিভাবে কাটে?

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
১,২৮৩

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত