সুমন

@ashumon79

সাম্যের গান গাই .........
business_center চাকুরী
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1363090064000  থেকে আমাদের সাথে আছে

সুমন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকাল গার্মেন্টসে একটা চাকুরীর জন্য যান।

নাক সিটকাচ্ছেন?

যতই নাক সিটকান। কাজে অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকুরী মিলবে না এখানে।

হিসাব করতে গেলে বেসরকারী সেক্টরে চাকুরীতে স্বজনপ্রীতির পরিমান সর্ব্বোচ্চ ২০%। যোগ্যদের সংখ্যাটা তাই এখানে স্বভাবত একটু বেশী।

অন্যদিকে সরকারী সেক্টরের কথা বাদ দিলাম। কারন ঘুষ ছাড়া এখানে চাকুরী হয় না। যোগ্য অযোগ্য দেখার সময় নেই। টাকা আছে তো চাকুরী।

এদেশে যোগ্যতা ছাড়া চাকুরী পাবার তাই একমাত্র অবলম্বন সরকারী প্রতিষ্ঠান। আর এ কারনে যত অযোগ্য আর অকমর্ন্যদের ভীড় এখানে।

বাস্তবতার দিকে তাকাই?

যোগ্য শিক্ষক যেমন একটি শিশুর ভবিষত বদলে দেয়। তেমনি যোগ্য মানুষ যোগ্য জায়গায় বসলে সেখানকার খোল নলচে পাল্টে যাবার কথা।

বাস্তবতা হলো, আমরা উল্টো রাজার দেশের প্রজা। এদেশে তাই ঘটে উল্টো ঘটনা। যোগ্যদের যোগ্যতার বিচার কোনকালে এদেশে হয়নি। হয় না।

তাই এ জাতির ভাগ্যে পিছিয়ে পড়ে থাকাটাই নিয়তি।

আমাদের দেশে ৮টি মিগ কেনা হলো। আমরা যেন দুনিয়া জয করে ফেললাম। ভাবটা এমন এখন আমাদের আর পায় কে?

৮টি বিমানের কয়টি এখন মাঠে আছে তাও সাধারন জনগনের অজানা।

সামনে আমরা পারমানবিক চুল্লির যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। আমরা সাবমেরিন কিনলাম। সুন্দরবনের কাছাকাছি বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানের পায়তারা চলছে। মেট্রোরেলের কাজ এগিয়ে চলছে।

সবই সুন্দর উদ্যোগ সন্দেহ নেই।

প্রতিটি উদ্যোগের ঘোষনায় মানুষ আশার আলো দেখে। কিন্ত আশা কতটা পূর্ন হয়?!!

যা হোক পারমানবিক চুল্লির কথা দিয়েই না হয় আলোচনা এগিয়ে নেয়া যাক।

আমরা এগোচ্ছি পারমানবিকের যুগে। ভাল কথা। এ প্রজেক্ট শেষ হবার আগ মুহূর্তে হয়তো এতদসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগে লোক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রশ্ন হচ্ছে, যোগ্য মানুষ আসবে তো এখানে?

সব কিছু নিয়ে ছেলে খেলা শোভা পায় না। সরকারী সকল মন্ত্রনালয় সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগে যেমন অযোগ্য আর অকর্মন্যদের ভীড় । এখানেও কি তাই হবে?

এ যে যেন যেত কোন প্রতিষ্ঠান নয় সংশ্লিষ্ট লোকজন তা আমলে নেবেন তো?

এখানে আর সব বিভাগের মতো অযোগ্যদের আবাসস্থল দেশকে বিপন্নতার দিকে ঠেলে দেবে তা বোঝার/উপলব্ধি করার মতো মানুষ কি এদেশে আছে?

সরকার কি এই মুহুর্তে বলতে পারবেন যে, রক্ষনাবেক্ষন কাজে যাদের নিয়োগ করার কথা ভাবা হচ্ছে তার কমপক্ষে ১০ জন লোক এদেশে তাদের হাতে মজুদ আছে?

উত্তরটা আমাদের জানা, নেই।

একটা প্রবাদ আছে, ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।

আমরা সে মতই চলি।

আমরা আগে করি, তারপর ভাবি।

আমরা ৮টি মিগ ২৯ কিনেছি। কেনার আগে ভেবে দেখিনি এগুলো চালানোর মত দক্ষ পাইলট আমাদের আছে কিনা।

আমরা কেনার আগেই কিছু পাইলটকে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠিয়ে পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করে রাখতে পারতাম। আমরা তা করিনি। ফলশ্রুতিতে বেশীরভাগ মিগ এখন বিকল।

পারমানবিক চুল্লীর ক্ষেত্রে কিন্ত সে কথা খাটবে না। এখানে ছোট্ট একটা ভূল মানে, লাখো মানুষের জীবন সংশয়। অনিশ্চিত আর বিকলাঙ্গ ভবিষ্যত প্রজন্ম। ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

কোন প্রকল্পের বিরোধী আমি নই। দেশের উন্নয়নে যে কারো যে কোন উদ্যেগকে স্বাগত জানাই।

কিন্ত অতি আনন্দ, সে যেন দু:স্বপ্নের কারন না হয়ে দাড়ায়।স্ব

সুমন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইউটিউবে বিটিভির আর্কাইভ নিয়ে খোলা চ্যানেল নিয়ে কয়েকদিন আগে একটা লেখা পড়েছিলাম। বিষয়টা হলো, বিটিভি মোটামুটি পুরনো অনুষ্ঠান আপলোড করতে গিয়ে স্বত্ত্ব নিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়ার কারনে পরপর ৩টির মতো চ্যানেল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

বিষয়টা নিয়ে আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে যা ধরলো তাতে হয়তো ব্যপারটা এমন যে, কোন অনুষ্ঠান আপলোড করতে গিয়ে দেখা গেল সেটি পূর্বেই কেউ আপলোড করে বসে আছে। যার ফলশ্রুতিতে তাদের স্বত্ত্ব নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে।

পিছিয়ে থাকা জাতি হিসেবে আমাদের বেশ সুনাম আছে। উদাহরনটা আগেও দিয়েছি আবার দেই। বেশ কয়েক বছর আগে কোন এক সরকারী অফিসে গিয়েছি কি এক কাজে। সেখানে গিয়ে আবিস্কার করলাম পেন্টিয়াম-৩ কম্পিউটার এর অস্তিত্ব। ওমা একি!!  কারন আমার জানামতে ঐ বস্তু বোধহয় প্রায় বছর দশেক আগেই বিদায় নিয়েছে। ওরা এখনো এই ঠেলাগাড়ি চালাচ্ছে।

উদাহরনটা টানার একটা কারন আছে বৈকি। আমাদের দেশে একসময় বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ছিল বিটিভি। তাদের একটা নিজস্ব আর্কাইভ থাকার কথা। আর সেই আর্কাাইভে পুরনো জনপ্রিয় সব নাটক, ম্যাগাজিন, গান, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি আরো যা আছে তার সবই থাকার কথা। আর এর সবই আরো বহু আগেই ইউটিউবে চ্যানেল খুলে আপলোড দেয়ার দায়িত্ব তাদের এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়েরই। কিন্তু তা হয়নি। কারন তারা বসে বসে পান চিবোন। ইতিহাস আর ঐতিহ্য রক্ষা হলো কি না হলো তাতে তাদের কিছু এসে যায় না।
সময় এগিয়েছে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছি। কিন্তু পড়ে আছি অ্যানালগেই। আমাদের দেশে ফিল্ম আর্কাইভ নামেও একটা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব আছে। যতদুর কানে এসেছে আর্কাইভের ফিল্ম পেপার নাকি যত্রতত্র এখানে সেখানে অযতœ আর অবহেলায় পড়ে নষ্ট হয়েছে কত তার কোন হিসেব নেই। ঘেটে ঘেটে সেই গাদার মধ্যে অজ¯্র প্রামান্য দলিল যে পাওয়া সম্ভব তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আমার কথা বিশ্বাস না হলে এখনই ইউটিউবে খুজতে লেগে যান। আপনাকে চমকে দেয়ার মতো তেমনই ঐতিহাসিক কিছু ক্লিপ আপনি অবশ্যই পেয়ে যাবেন।

এর সংরক্ষন কিংবা রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব যাদের ঘাড়ে ন্যাস্ত। তাদের এ বিষয়ে কোন প্রকার মাথা ব্যাথা নেই। সংশ্লিষ্ট উর্ধতনের কথা আর কি বলবো।

এত প্যাচাল পাড়ার আসল কারনে এবার আসি।

বর্তমান নাটকের কিংবা বিজ্ঞাপনের হাল দেখে আপনার কি মনে হয়?

এখনকার প্রজন্মের ক্ষেত্রে একটা বিষয় হলো। ধরুন, আমি যদি ছেলেবেলা থেকেই মারপিট দেখে অভ্যস্ত হয়ে থাকি। তাহলে সে বিষয়টা আমার কাছে ডালভাত মনে হবে। যে কোন স্থানে, যে কোন পরিস্থিতিতে।
মার পিট কেবল নয়, প্রতিটি বিষয়ের বেলাতে কিন্ত আসলে এটাই সত্যি।

এখনকার নাটক এখনকার প্রজন্ম দেখছে। তারা ভাবছে নাটক, গান, বিজ্ঞাপন তো আসলে এমনটাই হবার কথা। এমনটাই হচ্ছে।

আপনি বিপক্ষে যুক্তি দেখাবেন, কিন্তু প্রমান দেখাতে হিমশিম খাবেন। তাদের রুচি পরিবর্তন করতে আপনার রিমোটের সাথে নিশ্চই প্রতিদিন যুদ্ধ করতে বা দেখতে হয়। আপনার দেখা সেই সংশপ্তক কিংবা অয়োময় নাটকের অভিনয় কিংবা দারুন সব বিজ্ঞাপনের কোনটাই তাদের সামনে দাড় করিয়ে পার্থক্যটা দেখিয়ে বলতে পারবেন না বাবা দেখ, অভিনয় কিভাবে করতে হয়। শক্তিমান অভিনেতা কাকে বলে। বিজ্ঞাপনের ভাষা, ভাবাবেগ, চিত্রায়নের পার্থক্য দেখ।

অতীত জমিয়ে রাখলে তাতে ক্ষতি নেই। বরং ভবিষ্যৎতের জন্য তা নজির রুপে রেখে দেয়াটাই বুুদ্ধিমানের কাজ। তাতে বরং ফল ভালো হয়। সংস্কৃতি, ইতিহাস শেকড়ের অস্তিত্বের সে প্রমান গুলো পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শকের ভূমিকা রাখে। ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর শেকড়ের অস্তিত্ব টিকে থাকে জন্মান্তর।

আমরা স্বেচ্ছায় সে শিকড় শুদ্ধ গাছকে আনন্দের সাথে উপড়ে ফেলছি। ইতিহাস, ঐতিহ্যকে সুকৌশলে বলবো নাকি অবহেলা করে কিভাবে বললে ভাল হয় জানি না। তা নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে। সচেতনভাবেই। আর তাই পশ্চিমা এবং ভারতীয় সংস্কৃতি খুব সহজে আমাদের ভেতর ঢুকে পড়ছে। আমরা শিখছি পরকিয়া কিভাবে করতে হয়। এডাল্ট কনটেন্ট এখন মোবাইলে মোবাইলে ডালভাতের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে। ধর্ষণ, হত্যাকান্ড, বিবেকহীনতা, মানবতা বোধ নিচে নামতে নামতে এখন তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে।

আমার মনে আছে। আমাদের সময়কার কথা। স্কুলে যেতাম। স্যারদের দেখলে ভয়ে সিটিয়ে থাকতাম আমরা। ঐযে অমলবাবু স্যার। পালা!!

মেয়েদের সাথে কথা বলা। ওরে বাবা!! হাগা-মোতা অবস্থা!!

এখন অমলবাবু স্যারদের আর দেখি না। এখনকার স্যারেরা ছাত্রদের সাথে এক বেঞ্চিতে বসে সিগারেট ফোকে। ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও প্রযু্িক্তর কল্যানে ইন্টারনেট আর মোবাইলে ছড়ায়। দুইদিন চিৎকারের পর আবার সব চুপচাপ। কই কিছু হয়নি তো!!

এখন পহেলা বৈশাখ, চৈত্র সংন্ত্রান্তি, বৈসাবি, সাকরাইন, ২১ ফেব্রুয়ারী এমনতরো প্রতিটি সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কেবল উৎসবে পরিনত হয়েছে। এগুলোর উদ্দেশ্য গুলো আর উৎপত্তি মানুষ ভুলে গেছে।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় আগামী ১৫ বছর পর পহেলা বৈশাখ কেন পালন হয় তা দেশের তৎকালীন প্রজন্মের সিংহভাগ বলতে পারবে কিনা কে জানে?

ভয় হয়!!

এর সবই সংস্কৃতির, ঐতিহ্যের শেকড় নষ্ট করার ফল।

সুমন: আমি একটা গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক. আমার চোখ আছে, কিন্তু সবকিছু দেখতে মানা আমি মুক নই, কথা বলতে পারি. কিন্তু সব কথা বলা যাবে না. আমার কান আছে, সেখানে বিশেষ কিছু ঢুকে গেলে ও তা হজম করে ফেলতে হবে. ফেইসবুক এ আমি নোবেল নিয়ে সামান্য কিছু কথা বলেছি. এক ভাই এর অনুরোধে আমাকে তা মুছে ফেলতে হয়েছে. আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসে. আমরা একটু মুক্ত বাতাসের জন্য হাস ফাস করছি. আমরা বাঁচতে চাই.

সুমন: বেশতো তে এখন আর লিখতে ও ইচ্ছা করে না। আসতে ও ইচ্ছা করে না। তারপরেও মাঝে মাঝে উকি দিই। দেখি গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে চলছে বেশতো। তুমি আর সেই বেশতো নেই হে।

সুমন: আজ ৩রা ডিসেম্বর. ১৯৭১ সালের এই দিনে ভারত, বাংলাদেশ এর সাথে স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মিলিত ভাবে অংশ নেয়.

*বিজয়েরমাস*

সুমন: ২৫ শে মার্চ ১৯৭১. অপারেশন সার্চ লাইট

সুমন: জননী জন্মভূমির ভুমিষ্ট হবার ঠিক আগের রাত আজ. আজ সেই ভয়াল ২৫ শে মার্চ. (প্রদীপ)

খবর

সুমন: একটি খবর জানাচ্ছে

দুর্ঘটনায় চোয়ালটা ভেঙে গেছে? অথবা এক কান হারিয়ে খুব মনঃকষ্টে আছেন? এমন দুশ্চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে সেই দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে।
http://www.prothom-alo.com/pachmisheli/article/772291/এবার-ত্রিমাত্রিক-প্রিন্টারে-‘জীবন্ত’-অঙ্গপ্রত্যঙ্গ
দুর্ঘটনায় চোয়ালটা ভেঙে গেছে? অথবা এক কান হারিয়ে খুব মনঃকষ্টে আছেন? এমন দুশ্চিন্তা থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে সেই দিন হয়তো শেষ হতে চলেছে।যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) প্রিন্টারের সাহায্যে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি করেছেন। এভাবে তৈরি ...বিস্তারিত
*চিকিত্সাবিজ্ঞান*
১০৭ বার দেখা হয়েছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৩,১৮৯

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও