মারুফ

@exmaruf

I am not different from others, not smarter, not more honest & never any less selfish than them ! I am just Me.
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1374814344000  থেকে আমাদের সাথে আছে

মারুফ: শুভ সকাল , অনেক দিন পর আসলাম সবাই কেমন আসেন ?

মারুফ: শুভ সকাল . সবাই কেমন আসেন , প্রতিটা দিন যেন সবার ভালো কাটুক.

মারুফ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

# কেউ যদি ১০ বছরের মধ্যে মরতে চায়, তাহলে সে জেন সিগারেট খায়। কেউ যদি ২ বছরের মধ্যে মরতে চায়, সে যেন রাম খায়। কেউ যদি রোজ মরতে চায়, তা হলে সে যেন একটি মেয়েকে ভালোবাসে।


# তুমি যদি পুকুর হয়, তাহলে আমি ডুব দিব। তুমি যদি নদী হয়, তাহলে আমি সাতার কাটবো। তুমি যদি সাগর হও, তাহলে আমি মরে যাবো।


# তুমি আমাকে খুজে পাওনা, কিন্তু ভালোবাস অনেক। তাই আমি বেঁচে গেলাম।


# তোমার ঐ চোখ দু’টো যদি সাগর হতো, তাহলে আমি সত্যিই ঐ সাগরে ডুব দিয়ে মরে তোমাকে বোঝাতাম আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।

 

# : কি ব্যাপার! আপনি যে একা একা ভাত থেতে বসেছেন, আপনার বউ এর কথা চিন্তা করলেন না।

: কি যে বলেন! তার কথা কি আর চিন্তা করবো।

: কেন সে আপনার বউ না।

: সে জন্যই তো চিন্তা নেই।

ব্যাপারটা কি তা বলছি। যদি বউ না হয়ে প্রেমীকা হতো তা হলে বেশ চিন্তা থাকতো। খাওয়ার সময় তাকে নিয়ে খেতে বসার চিন্তা খাওার আগেই হতো। কারন, চিন্তা না করলে কেউ যদি তাকে নিয়ে যেতো, তখন কি হতো। আর এখন সে আমার বউ, শুধু তাই নয় সরকারী রেজিস্টেশনও রয়েছে। তাই এখন আর তেমন চিন্তা না করলেও চলবে।


# : কম্পিউটার নারী না পুরুষ?

: কম্পিউটার নারী। কেননা একে আমরা সকলেই ব্যবহার করি। তাতে তার কোনো আপত্তি নেই। আর যদি পুরুষ হতো, তা হলে ছেলেরা ধরলেই রেগে যেতো।

মারুফ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

পিরামিডের যুগে দেয়ালে দেয়ালে আঁকা হয়েছিল হাইরোগ্লিফিক, পাবলো পিকাসো, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মোনালিসা এঁকেছিলেন ক্যানভাসে। শিল্পের আচার্য আমাদের 'শিল্পাচার্য' জয়নুল আবেদিন দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড় এবং আরো অনেক ছবি, সবই এঁকেছিলেন ক্যানভাসে। এস এম সুলতান, বাংলাদেশী প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী। তার জীবনের মূল সুর-ছন্দ খুঁজে পেয়েছিলেন বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, কৃষক এবং কৃষিকাজের মধ্যে। মানুষ যে শক্তিময়তার দিক থেকে অনেক বড়- এ সত্যের পরিচয় মেলে সুলতানের সৃষ্টি করা ক্যানভাসে চোখ রাখলেই। তাঁর ছবিতে কখনো কৃশকায় মানুষ দেখা যায় না, দেখা যায় পেশীবহুল স্বাস্থ্যবান অবয়ব। আর এখন চিত্রকলায় লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। অনেকেই বেছে নিচ্ছেন ডিজিটাল মাধ্যম, যা এমন একধরনের শিল্পমাধ্যম কাগজ, পেনসিল, রঙের বদলে ব্যবহৃত হয় কম্পিউটারে। দেশীয় শিল্পীদের ডিজিটাল চিত্রকর্ম চোখে পড়বার মতো। দৃশ্য বা অদৃশ্য কোনো ভাবরূপ শিল্পীর চিত্তরসে নবরূপায়িত হয়ে যে স্থিতিশীল রূপপ্রকাশ ঘটে তা-ই শিল্প । সারা বিশ্বে বর্তমানে ডিজিটাল চিত্রশিল্পীরা তাদের চিত্রশিল্পের মাধ্যমে যে গভীর অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন সেটি এককথায় অতুলনীয়। আমাদের দেশে মানুষ এখন কার্টুনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে, সন্দেহ নেই। 

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কি না, হরহামেশাই প্যাসকেল আর্ট ক্যাম্পেইন থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল আর্টিস্টের ছবি লাইক ও শেয়ার করছেন কিন্তু আমরা ক' জন জানি বলুন তো আমাদের বাংলাদেশের এসময়কার জনপ্রিয় কিছু ডিজিটাল চিত্রশিল্পী সমন্ধে? হয়তো খুব কম সংখ্যক লোকেরাই জানেন এনাদের সমন্ধে। আজকে থাকছে আমাদের দেশের এমন নয় জন প্রতিথযশা ডিজিটাল চিত্রশিল্পীর কথা, যাদেরকে আপনার অবশ্যই ফেসবুকে ফলো করা উচিৎ, নইলে তাদের সৃজনশীলতার মুগ্ধতা থেকে আপনি বঞ্চিত  থাকবেন। শুধু তাই নয়, এদের অনেকের কার্টুনের প্রদর্শনী হয়েছিল সুদূর বিলেতেও। 

চলুন জেনে নেই তাদের সমন্ধে এবং দেখি বাংলাদেশের সমকালীন কার্টুনিস্টদের কিছু নান্দনিক কাজ: 

• তন্ময় কার্টুনস: তন্ময় এ সময়ের অন্যতম মেধাবী ও জনপ্রিয় একজন কার্টুনিস্ট।  তিনি আধুনিকতার সংমিশ্রণে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তির উত্থানকে। তার কাজের মধ্যে একে অন্যের প্রতি কথোপকথন, যোগাযোগ, সামাজিক বিষয়, সমাজে মানুষের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়গুলো অনায়াসেই ফুটে উঠে। সৈয়দ রাশেদ ইমাম (তন্ময়) আমাদের সকলের কাছে অতি পরিচিত আরো একটি কারণে, কারণ ইনিই প্রথম আমাদের দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের পাবলিক ফেসগুলোর  তাদের নিজস্ব ঢংকে অনুকরণ করে ক্যারিকেচার এঁকেছিলেন। কি মনে পড়ে, রুনা লায়লার সেই বিখ্যাত ক্যারিকেচারের মুখটা কিংবা সাকিব আল হাসানের ! শুধু তাই নয়, সৈয়দ রাশেদ ইমাম তন্ময়ের আঁকা কার্টুনে নাগরিক জীবনের বিপত্তি ও অস্থিরতা বারবার উঠে এসেছে চমৎকারভাবে। ঈদ উৎসবের শুরুতে নগরের রাস্তায় গাড়ি, পথচারী, দোকানির বিরক্তি আর হতাশা স্পষ্ট করে দেন তিনি। তার ছবিতে পটচিত্রের প্রভাব স্পষ্ট। ছবির বিষয়ে কোনো পরিপ্রেক্ষিত ছাড়াই ছবিটি উপস্থাপন করেন তিনি। আরেকটি বলার কথা হলো, এ শিল্পী পটচিত্রের আদলে গ্রাফিক স্টোরি স্ক্রল উপস্থাপন করেছেন। পাশ্চাত্য কমিক আর্টের ধরনে যুক্ত করেছেন পটচিত্রের ফর্ম। রাশেদের এ উপস্থাপনায় লোকচিত্রের প্রতি আকুতি বোঝা যায়। ঠিকানা: Tanmoy Cartoons

আর্টিস্ট অসীম'স ক্রিয়েশন : অসীম চন্দ্র রায় যেন এক কোথায় রংতুলির অসীম। অসীমের ফেসবুক প্রোফাইল ঘাঁটলে রীতিমত দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন যে কেউ, যে পোট্রেটগুলো অসীম এঁকেছেন একেবারেই তা যেন অবিকল ক্যামেরায় তোলা আলোকচিত্র। এতোটাই নিখুঁত অসীমের তুলির আঁচড়। অসীম মূলত বাস্তবধর্মী ছবি আঁকতে পছন্দ করেন। শিল্পের সব ক্ষেত্রে অসীমের বিচরণ হলেও ক্যারিকেচার মাধ্যমটি তাঁর অন্যতম ভালোলাগার ক্ষেত্র। ক্যারিকেচারকে বাংলাদেশে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে চান। অসীমের খুব কাছের কিছু বন্ধু মিলে ফেসবুকে অসীমের শিল্পকর্মগুলো নিয়ে একটি পেজ পরিচালনা করেন ৷ চাইলে আপনিও একবার ঢুঁ মারতে পারেন সেখানে ৷ ঠিকানা: Artist Asim’s Creation  

রয়েলের ছবি : টাইপোগ্রাফি আর লেখার থেমেটিক ইন্টারপ্রিটেশনেই মুগ্ধতা দেখতে হলে আপনাকে এই পেজে  যেতেই হবে ৷ ওনার চিত্রকর্ম দেখে আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে, মানুষ আসলে কিভাবে এতটা সৃজনশীল হতে পারে ৷ ঠিকানা: Royalerchobi

মেহেদী হক কার্টুনস : মেহেদী হককে কে না চেনেন বলুন তো ! মেহেদী হক নিজেও একজন প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট। জীবনে অসংখ্য কার্টুন এঁকে খ্যাতি অর্জন করেছেন। সামাজিক উন্নয়ন আর নগরে প্রাত্যহিক বিষয় হয়ে উঠেছে তার কার্টুনের বিষয়। কার্টুনিস্ট মেহেদী হক বর্তমানে ইংরেজি দৈনিক নিউএজ-এ কার্টুনিস্ট হিসেবে কর্মরত। তার কাজগুলো দেখতে হলে যেতে হবে এই ঠিকানায় : Mehedi Haque Cartoons 

আর্টস বাই রাটস : আসিফুর রহমান দিনযাপন নিয়ে আঁকতে বেশি ভালোবাসেন। তার কাজগুলো দেখতে যেতে হবে এই ঠিকানায়: Arts By Rats Page

মোর্শেদ মিশু'স ইলাস্ট্রেশন : সময়ের মেধাবী তরুণ কার্টুনিস্ট মোরশেদ মিশু। আঁকাআঁকি শুধু তার নেশা নয়, পেশাও। ইলাস্ট্রেশনের দ্বারা মানুষের পার্সোনালিটিকে এতো সাবলীল ভাবে ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা বোধয় শুধু ওনারই রয়েছে, তাই তার কাজগুলো দেখতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায়: Morshed Mishu’s Illustration

কার্টুন পিপল : শিল্প সত্ত্বা মোটামোটি সবার মধ্যে থাকে। কার্টুন পিপল এমন একটি পেজ যেখানে আপনি কিচ্ছুক্ষন থাকার পর, চিত্রকর্মগুলো দেখার পর নিজের মধ্যে একটা শিল্প সত্ত্বা নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারবেন এবং একজন কার্টুনিস্ট হবার যে রোমাঞ্চ সেটা কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পারবেন। পেজটি ঘুরে দেখতে পারেন কিন্তু একবার Cartoon People

• সৌরভ’স  আর্টস্টেশ : সৌরভের ছবিগুলোতে আপনি বিভিন্ন ধরণের পেইন্টিংয়ের একটা সংমিশ্রণ দেখতে পারবেন একচ্ছটায়। সে তার কাজগুলো ছোট ছোট অংশে ভাগ করে ব্যক্তিগত বা পরিবেশ নিয়ে কার্টুন আঁকেন। রং ব্যবহারে তাই অত্যন্ত সাবধানী দেখা যায় তাকে। তার কাজের একটি বৈশিষ্ট্য এমন, কার্টুনে নির্দিষ্ট অংশে রং প্রয়োগ করেন তিনি। ফলে কার্টুনগুলোও ভিন্ন মাত্রা পায়। তার কাজগুলো দেখুন এই পেজে : aurav’s ArtStash

দ্রোগ : মানিক-রতন যমজ ভাই। চেহারাও একরকম। কে মানিক কে রতন বোঝা ভার। কার্টুনিস্ট হিসেবে যথেষ্ট পরিচিত। দুই ভাই মিলেই যেন এক। কার্টুন আঁকা বা কম্পিউটার গ্রাফিক্স যা-ই করেন একসঙ্গে। আমাদের অধিকাংশ মানুষেরই দ্রোগ সমন্ধে জানা প্রয়োজন। কারণ আন্তর্জার্তিকভাবে স্বীকৃত এই কাজগুলো আমরা পেয়েছি আমাদের দেশের এই মানিক-রতনের কাছ থেকে। কিন্তু মানিক-রতন নামের এই যমজ দুই ভাই কাজের মতো নামেও মূল্যবান মানিক আর মূল্যবান রতন। এই দুই ভাইয়ের কাজ দেখে মাঝে মাঝে চোখ কপালে উঠে, আবার কখনও হেসে মরতে হয়। সম্প্রতি তাদের একটি ড্রয়িং সিরিজ বেশ আলোড়ন তুলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। তাদের কাজ দেখুন আর হাসুন : Drogo

প্রসূন'স পোর্টফোলিও : যদিও এই ব্লগটিতে কথা হচ্ছে দেশের বরেণ্য ডিজিটাল কার্টুনিস্টদের নিয়ে, তবুও বর্তমান সময়ে দুজন অনবদ্য আর্টিস্টকে কিছুতেই ব্যাড দেয়া উচিৎ না, তাদের অবদানের জন্য। তাই তাদের নিয়ে সংক্ষেপে একটু পরিচিতি জানাই। প্রথম জন হলেন প্রসূন। প্রসূন পোর্টফোলিও আসলে পেইন্টিং, স্কেচ আর পোর্ট্রেট এর কালেকশন। তার নানা ধরণের কাজের পরিসীমা দেখে আপনি অনায়সে কিছু ভালো সময় ফেসবুকে কাটিয়ে দিতে পারেন। তার কাজ দেখুন এই ঠিকানায়  : Prosun’s Portfolio

ইনকস্মিথ : ইনকস্মিথ চরিত্র নিয়ে এই পেজটির কাজ মূলত। কাজগুলো দেখতে পারেন এই ঠিকানায়: Inksmith

(চলতে থাকবে ....... কি এতো তাড়াতাড়ি হাঁপিয়ে গেলেন? ভাবছেন মাত্র এ কজন ডিজিটাল আর্টিস্ট আমাদের দেশে ! মোটেই তা নয়, বাকিদের সম্বন্ধেও জানাবো নিশ্চয়ই। সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।) 

মারুফ: শুভ সকাল , সবাই কেমন আসেন ?

মারুফ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা যুদ্ধ কি ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*গেরিলা* *মুক্তিযুদ্ধ* *গেরিলাযুদ্ধ*

মারুফ: শুভ সকাল

মারুফ: শিক্ষিত মানুষের অভাব নাই কিন্তু, শিক্ষিত বিবেকের খুবই অভাব............!

*বিবেক*

মারুফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এক ভদ্রলোক বিয়ের দু'মাস পর বুঝতে পারলেন তার স্ত্রী প্রেগনেট ৷ বেচারি স্ত্রী ভয়ে কেঁদে-কেটে অজ্ঞান প্রায় ৷ দিন যত যাচ্ছে স্ত্রীর অস্থিরতাও ততো বাড়ছে ৷ এখন তার দিন কাটে স্বামীর সেবায়, রাত কাটে জায়নামাজে ৷ . একদিন গভীর রাতে ভদ্রলোকের ঘুম ভেঙ্গে যায় ৷ কান্নার গুনগুন শব্দ তার কানে আসে ৷ পাশে স্ত্রীকে না পেয়ে উঠে বসেন ৷ ভদ্রলোক দেখতে পেলেন তার স্ত্রী জায়নামাজে সেজদায় পড়ে কাঁদছে ৷ ধার্মিক ভদ্রলোক স্ত্রীর পিঠে আলতো ভাবে হাত রেখে বললেন, "আর কেঁদো না, তোমার কান্না দেখে আল্লাহ অবশ্যই ক্ষমা করেছেন ৷ যদি আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করতে পারেন তাহলে আমি এমন কী হলাম যে তোমাকে ক্ষমা করতে পারবো না ৷" . ডেলিভারির তিন মাস বাকি ৷ ভদ্রলোক ব্যবসায়ীক অযুহাত তুলে নিজ শহর ছেড়ে দূরের শহরে বাসা ভাড়া নিলেন ৷ স্ত্রীকে নিয়ে নতুন শহরে থাকতে লাগলেন ৷ স্ত্রীকে অভয় দিচ্ছেন, সান্ত্বনা দিচ্ছেন ৷ দেখতে দেখতে তিন মাস শেষ হয়ে এলো ৷ আজ প্রতীক্ষিত সেই দিন ৷ রাত দশটায় ডেলিভারি হবে ৷ ভদ্রলোক বাসায় দু'জন নার্সের ব্যবস্থা করলেন ৷ . সাভাবিক নিয়মে-ই ডেলিভারি হল ৷ নবজাতক ছেলে ৷ ভদ্রলোক বাচ্চাটি কোলে নিলেন ৷ আলতো করে চুমু খেলেন ৷ স্ত্রীর কোলে বাচ্চাটি রেখে বললেন, "তোমার চোখের অশ্রু এই বাচ্চাকে চিরপবিত্র করেছে ৷" . তখন রাত ৩:৩০ মিনিট, বিশ মিনিট পর মুওয়াজ্জীন ফজরের আযান দিবেন ৷ ভদ্রলোক বাচ্চাটিকে তাওয়ালে পেঁচিয়ে মসজিদের উদ্যেশে পা বাড়ালেন ৷ রাত এখনোও অন্ধকার ৷ পূর্বাকাশে কিছুটা আলো ফুটেছে ৷ রাতের পোকাগুলো এখনও ডেকে যাচ্ছে ৷ চারদিকে নিস্তব্ধতা ৷ ভদ্রলোক মজসিদের সিরির উপর মোটা তাওয়াল বিছিয়ে বাচ্চাটিকে রেখে দূরে সরে আসলেন ৷ . মুওয়াজ্জীন সাহেব আজান দিতে এলেন ৷ মসজিদের সামনে বাচ্চা দেখে তিনি বিস্মিত হন ৷ তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করলেন ৷ বাচ্চাটিকে মিম্মবারের উপর রেখে আজান দিলেন ৷ একে একে মুসল্লিরা আসতে লাগলো ৷ বাচ্চাকে ঘিরে ভিড় জমে উঠলো ৷ কেউ বললো হাসপাতালে দিয়ে এসো, কেউ বললো থানায় দিয়ে এসো ৷ অবশেষে ভদ্রলোক এলেন ৷ পিছন থেকে গুরু গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, "এখানে কী হচ্ছে? " ৷ সকলে পিছন ফিরে ভদ্রলোককে দেখতে লাগলো ৷ একজন নিচু করে বললেন, একটি বাচ্চা পাওয়া গেছে ৷ ভদ্রলোক বাচ্চাটি কোলে নিলেন ৷ এবং বললেন, "আপনারা সাক্ষি থাকুন, আমি এই বাচ্চার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করলাম ৷ " সকলে বদ্রলোকের প্রশংসা করতে লাগলো ৷ এরপর থেকে তিনি সকলের কাছে ভদ্রলোক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন ৷ কিছুদিন পর ভদ্রলোক স্ত্রী সহ নিজ শহরে ফিরে আসেন ৷ . রাসূল সাঃ বলেন, "যে মুসলমান তার মুসলিম ভাইয়ের দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ পরকালে তার দোষ গোপন রাখবেন ৷ [মুসলিম
*শিক্ষামূলক*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
২,০২৯

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও