ফুড লাভার

@foodlover

খেতে ভালোবাসি
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on মজার খাবার ও রেস্টুরেন্ট
1349805600000  থেকে আমাদের সাথে আছে

sonia khan: একজনকে সুপারিশ করেছে

ফুড লাভার

@foodlover

খেতে ভালোবাসি
৯৪,০৮৩ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ফারসি শব্দ শিরমাল। ‘শির’ অর্থ দুধ এবং ‘মাল’ অর্থ মালিশ করা বা দলা। একসময়ের জনপ্রিয় রুটি শিরমাল এখন প্রায় বিলুপ্ত। কালেভদ্রে এর দেখা মেলে। শবেবরাত বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে এখনও পুরান ঢাকায় তৈরি হয় এই রুটি। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে ঐতিহ্যবাহী আনন্দ বেকারি। এখন ঢাকায় এতরকম শিরমাল পাওয়া না গেলেও আনন্দ বেকারি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কারণেই এখনও উৎসবে পার্বণে শিরমাল রুটির দেখা মেলে।

ইতিহাসবিদদের মতে- শিরমাল রুটি ঢাকায় আসে মুঘল আমলে। ঢাকায় মুঘল সুবেদাররার শিরমাল নিয়ে আসে। অভিজাত পরিবারে জিয়াফতে বাড়িতে তন্দুর বসিয়ে অভিজ্ঞ বাবুর্চি দিয়ে শিরমাল তৈরি করা হতো। সে সময় শিরমাল সুজি দিয়ে তৈরি হতো। কখনো কখনো রুটির ময়দাও দেয়া হতো। আসল শিরমালে ব্যবহার করা হতো মাওয়া, ঘি ও দুধ । এতে পানির ব্যবহার ছিল না। প্রথমে ময়দার সাথে মাওয়া মেশানো হতো। কিছুক্ষণ পর ঘি আর বাকি ময়দা দিয়ে দুধ মিশিয়ে দলা হতো।

কয়েকঘণ্টা ভেজা চাদরের নিচে রাখার পর রুটি বানিয়ে তারপর তন্দুরে সেকা হতো। সেকাকালীন একটু পর পর দেয়া হতো দুধের ছিটা। এতে রুটিতে লালচে ভাব হতো, বাড়ত ঘ্রাণ। শিরমাল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্ধ্যায় তৈরি হতো এবং রাতের খাবারে দুধ বা কোরমা দিয়ে খাওয়া হতো। ভোরে শিরমালের খামির দিয়ে যে রুটি তির হতো তাকে বলা হতো গাওদিদাহ।

ভারতের লখনউ থেকে আসা হালুইকররা সবচেয়ে ভালো শিরমাল তৈরি করতো। তখন শিরমাল ছিল কয়েক রকম। তন্দুরে থাকা অবস্থায় দুধ ছিটিয়ে যে রুটি তৈরি করা হতো তা ছিল রওগনি শিরমাল নামে পরিচিত। ঢাকার অদূরে মিরপুরের বাথান থেকে ভালো দুধ আসতো, এটি দিয়েই তৈরি হতো শিরমাল। ঘি ছাড়া রোগীর জন্য তৈরি হতো ডিম্বাকৃতির আরেক রকম শিরমাল। এর নাম ছিল গাওযবান। শিরমাল ঢাকায় ‘সুখি’ ‘নিমসুখি’ নামেও পরিচিত ছিল।

সূত্র: ঢাকাই খাবার

মুসাফির বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

হোম ডেলিভারি দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও অল্পমূল্যে বাসায় ও অফিসে ইফতার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আসছে রোজা আর এই রোজায় এবারও এরকম একটি প্রতিষ্ঠান আছে আপনাদের সাথে। আর এই সাথে থাকা মানে স্পেশাল ইফতারি আপনার অফিসে কিংবা বাসায় পৌছে যাবে ঠিক সময়মতো। ইজি কিচেন এবারের রমজানে মাত্র ৪০ টাকায় ইফতারি অফিস ও বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এ জন্য অবশ্য আগেই বুকিং করতে হবে। 01864222860 অথবা 01614222860 এই নম্বরে ফোন করে অর্ডার করা যাবে। এ ছাড়াও আপনাদের সুবিধার জন্য ইজি কিচেন আপনাদের জন্য প্রতিসপ্তাহে পরিবর্তন করে তাদের মেনু।

এ ছাড়া প্রতিদিন মাত্র ৮০ টাকায় আপনারা পাচ্ছেন ভাত+মাছ অথবা মাংস (সপ্তাহে দুই দিন গরুর মাংস এবং একদিন দেশি মুরগির মাংস)+একটি ভর্তা+ভাজি অথবা সবজি+ডাল+চাটনি+ডেজার্ট। শুক্রবার বাদে সপ্তাহের ৬ দিনই 'ইজি কিচেন' প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুলশান-বনানী-তেজগাঁও এবং বসুন্ধরায় এ রকম খাবার সরবরাহ করছে। যেকোনো দিন সকাল ১১টার মধ্যে 01864222860 অথবা 01614222860 নম্বরে ফোন করে অর্ডার করতে হবে। পৌঁছে যাবে খাবার নির্দিষ্ট ঠিকানায়। অথবা ফেসবুকেও যোগাযোগ করে অর্ডার করা যাবে।

ফেসবুকে যোগাযোগ

ইফতারির ৪০ টাকার এই প্যাকেজে যা যা থাকছে

শনিবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ আলুর চপ ২ পিস+ বেগুনি ১ পিস+ খেজুর ২ পিস+ জিলাপি ১ পিস (বড়)+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ১০০ গ্রাম+ কলা ১ পিস।

রবিবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ স্যান্ড্যুইচ ১ পিস+ খেজুর ২ পিস+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ১০০ গ্রাম+ আপেল (হাফ)+ জিলাপি ১ পিস (বড়)।

সোমবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ আলুর চপ ১ পিস+ ডিম চপ ১ পিস+ বেগুনি ১ পিস+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ৫০ গ্রাম+ বুন্দিয়া ৫০+ মালটা (হাফ)।

মঙ্গলবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ আলুর চপ ২ পিস+ বেগুনি ১ পিস+ জালি কাবাব ১ পিস+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ১০০ গ্রাম+ বুন্দিয়া ১০০ গ্রাম+ খেজুর ২ পিস+ কলা ১ পিস।

বুধবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ বেগুনি ১ পিস+ আলুর চপ ১ পিস+ টিকিয়া ১ পিস+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ১০০ গ্রাম+ খেজুর ২ পিস+ জিলাপি ১ পিস+ আপেল (হাফ)।

বৃহস্পতিবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ আলুর চপ ১ পিস+ ভেজিটেবল চিকেন রোল ১ পিস+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ১০০ গ্রাম+ বুন্দিয়া ১০০ গ্রাম+ কমলা ১ পিস।

শুক্রবার : পিঁয়াজু ২ পিস+ বেগুনি ১ পিস+ আলুর চপ ১ পিস+ সবজি বড়া ২ পিস+ মুড়ি ৫০ গ্রাম+ ছোলা ১০০ গ্রাম+ রেশমি জিলাপি ২ পিস+ খেজুর ২ পিস+ কলা ১ পিস।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ফারসি শব্দ শিরমাল। ‘শির’ অর্থ দুধ এবং ‘মাল’ অর্থ মালিশ করা বা দলা। একসময়ের জনপ্রিয় রুটি শিরমাল এখন প্রায় বিলুপ্ত। কালেভদ্রে এর দেখা মেলে। শবেবরাত বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে এখনও পুরান ঢাকায় তৈরি হয় এই রুটি। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে ঐতিহ্যবাহী আনন্দ বেকারি। এখন ঢাকায় এতরকম শিরমাল পাওয়া না গেলেও আনন্দ বেকারি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কারণেই এখনও উৎসবে পার্বণে শিরমাল রুটির দেখা মেলে।

ইতিহাসবিদদের মতে- শিরমাল রুটি ঢাকায় আসে মুঘল আমলে। ঢাকায় মুঘল সুবেদাররার শিরমাল নিয়ে আসে। অভিজাত পরিবারে জিয়াফতে বাড়িতে তন্দুর বসিয়ে অভিজ্ঞ বাবুর্চি দিয়ে শিরমাল তৈরি করা হতো। সে সময় শিরমাল সুজি দিয়ে তৈরি হতো। কখনো কখনো রুটির ময়দাও দেয়া হতো। আসল শিরমালে ব্যবহার করা হতো মাওয়া, ঘি ও দুধ । এতে পানির ব্যবহার ছিল না। প্রথমে ময়দার সাথে মাওয়া মেশানো হতো। কিছুক্ষণ পর ঘি আর বাকি ময়দা দিয়ে দুধ মিশিয়ে দলা হতো।

কয়েকঘণ্টা ভেজা চাদরের নিচে রাখার পর রুটি বানিয়ে তারপর তন্দুরে সেকা হতো। সেকাকালীন একটু পর পর দেয়া হতো দুধের ছিটা। এতে রুটিতে লালচে ভাব হতো, বাড়ত ঘ্রাণ। শিরমাল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্ধ্যায় তৈরি হতো এবং রাতের খাবারে দুধ বা কোরমা দিয়ে খাওয়া হতো। ভোরে শিরমালের খামির দিয়ে যে রুটি তির হতো তাকে বলা হতো গাওদিদাহ।

ভারতের লখনউ থেকে আসা হালুইকররা সবচেয়ে ভালো শিরমাল তৈরি করতো। তখন শিরমাল ছিল কয়েক রকম। তন্দুরে থাকা অবস্থায় দুধ ছিটিয়ে যে রুটি তৈরি করা হতো তা ছিল রওগনি শিরমাল নামে পরিচিত। ঢাকার অদূরে মিরপুরের বাথান থেকে ভালো দুধ আসতো, এটি দিয়েই তৈরি হতো শিরমাল। ঘি ছাড়া রোগীর জন্য তৈরি হতো ডিম্বাকৃতির আরেক রকম শিরমাল। এর নাম ছিল গাওযবান। শিরমাল ঢাকায় ‘সুখি’ ‘নিমসুখি’ নামেও পরিচিত ছিল।

সূত্র: ঢাকাই খাবার

❤ তমা ❤ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"আহ! খাইতে মুন চাই "

লালবাগের কেল্লায় যান আর না যান, রয়েল হোটেলে একবার হলেও আসুন। লালবাগ এলাকার ৪৪ হরনাথ ঘোষ রোডে অবস্থিত রয়েল হোটেলের কোথাও কোনো শাখা নেই। ১২ বছর ধরে তাঁরা ভোজনরসিকদের মনমতো খাবারের চাহিদা পূরণ করে চলেছেন। এখানে কোনো বাসি খাবার বিক্রি হয় না, এমন কি একবার তেল পুড়লে সেটা দ্বিতীয়বার ব্যবহার হয় না।

অন্যান্য খাবারের সঙ্গে এখানে ঠান্ডা-জাতীয় খাবারের মধ্যে পাবেন লাবাং, বোরহানি, মালাই কুলফি, ফালুদা, লাচ্ছি, পাঞ্জাবি লাচ্ছি, দইবড়া এবং পেস্তাবাদামের শরবত। রয়েল হোটেলের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মালেকের মতে, তাঁদের পেস্তাবাদামের শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এখানে এক লিটার পেস্তাবাদামের শরবতের দাম হলো ২২০ টাকা।

রয়েলের পেস্তা বাদাম শরবতের রেসিপি

উপকরণ: পেস্তাবাদাম পরিমাণমতো, মালাই পরিমাণমতো, দই পরিমাণমতো, খাঁটি জাফরান পরিমাণমতো, চিনি পরিমাণমতো, দুধ পরিমাণমতো।


প্রণালি: দই, মালাই, দুধ ও চিনি ঘুঁটনি দিয়ে ঘুঁটে গ্লাসে ঢেলে পেস্তাবাদাম ও জাফরান মিশিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। খাওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে বের করে ফ্রিজের নরমালে রেখে দিন, তারপর পরিবেশন করুন। মনে রাখবেন, একবার এ শরবত তৈরি করলে তা ডিপ ফ্রিজে তিন দিন রেখে খাওয়া যাবে। আর একবার মুখ বা বোতলের ছিপি খুললে পুরো শরবত সে সময়ই খেয়ে ফেলতে হবে।

নিপু বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

লালবাগের কেল্লায় যান আর না যান, রয়েল হোটেলে একবার হলেও আসুন। লালবাগ এলাকার ৪৪ হরনাথ ঘোষ রোডে অবস্থিত রয়েল হোটেলের কোথাও কোনো শাখা নেই। ১২ বছর ধরে তাঁরা ভোজনরসিকদের মনমতো খাবারের চাহিদা পূরণ করে চলেছেন। এখানে কোনো বাসি খাবার বিক্রি হয় না, এমন কি একবার তেল পুড়লে সেটা দ্বিতীয়বার ব্যবহার হয় না।

অন্যান্য খাবারের সঙ্গে এখানে ঠান্ডা-জাতীয় খাবারের মধ্যে পাবেন লাবাং, বোরহানি, মালাই কুলফি, ফালুদা, লাচ্ছি, পাঞ্জাবি লাচ্ছি, দইবড়া এবং পেস্তাবাদামের শরবত। রয়েল হোটেলের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মালেকের মতে, তাঁদের পেস্তাবাদামের শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এখানে এক লিটার পেস্তাবাদামের শরবতের দাম হলো ২২০ টাকা।

রয়েলের পেস্তা বাদাম শরবতের রেসিপি

উপকরণ: পেস্তাবাদাম পরিমাণমতো, মালাই পরিমাণমতো, দই পরিমাণমতো, খাঁটি জাফরান পরিমাণমতো, চিনি পরিমাণমতো, দুধ পরিমাণমতো।


প্রণালি: দই, মালাই, দুধ ও চিনি ঘুঁটনি দিয়ে ঘুঁটে গ্লাসে ঢেলে পেস্তাবাদাম ও জাফরান মিশিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। খাওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে বের করে ফ্রিজের নরমালে রেখে দিন, তারপর পরিবেশন করুন। মনে রাখবেন, একবার এ শরবত তৈরি করলে তা ডিপ ফ্রিজে তিন দিন রেখে খাওয়া যাবে। আর একবার মুখ বা বোতলের ছিপি খুললে পুরো শরবত সে সময়ই খেয়ে ফেলতে হবে।

ঈশান রাব্বি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

নূরানীর ঠান্ডা
বিয়ে-জন্মদিন ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় নানা অনুষ্ঠানেও তাদের ডাক পড়ে। দোকানের নাম নূরানী কোল্ডস ড্রিংকস হলেও সবাই এই দোকানকে নূরানী লাচ্ছি নামেই চেনে। এখানে পাওয়া যায় স্পেশাল লাচ্ছি, সাধারণ লাচ্ছি এবং লেবুর শরবত। নূরানীর লাচ্ছি পান করতে হলে আপনাকে যেতে হবে পুরান ঢাকার ১১৮ চকবাজারে।

লাচ্ছি রেসিপি  
উপকরণ (আট গ্লাস লাচ্ছির জন্য)
মিষ্টি দই আধা কেজি, চিনির শিরা পরিমাণমতো, গোলাপজল পরিমাণমতো, জাফরান পরিমাণমতো, পানি পরিমাণমতো, বরফের কুচি পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরি করবেন

খাঁটি দুধের হালকা মিষ্টি দই একটি মাঝারি সাইজের পিতলের পাত্রে নিন। তাতে চিনির শিরা, জাফরান, গোলাপজল ও পানি দিয়ে ভালো করে ঘুঁটনি দিয়ে নাড়ুন। তারপর আটটি গ্লাসে সেই মিশ্রণ ঢেলে পরিমাণমতো বরফের

 

ছবি

দীপ্তি ফটোটি শেয়ার করেছে

ইলিশের স্বাদে নতুন মাত্রা

টক মিষ্টি ইলিশ ও কাটা গলানো ইলিশ

ছবি

দীপ্তি ফটোটি শেয়ার করেছে

ইলিশের স্বাদে নতুন মাত্রা

টক মিষ্টি ইলিশ ও কাটা গলানো ইলিশ

ছবি

দীপ্তি ফটোটি শেয়ার করেছে

নতুনরূপে ইলিশ রন্ধনশৈলী

ইলিশ কোরমা ও দই ইলিশ

*ইলিশরেসিপি*
ছবি

দীপ্তি ফটোটি শেয়ার করেছে

বাহারি স্বাদে ইলিশ

আস্ত ইলিশ রোস্ট ও বেকড ইলিশ

*ইলিশরেসিপি*

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


রসমালাই এবং জাফরান মিষ্টি দেখতে এক নয়। রসমালাইয়ে মিষ্টিগুলো ছোট ছোট, মিষ্টিগুলো স্রেফ মিষ্টি এবং মালাইরস মেশানো। কিন্তু জাফরান মিষ্টি আকারে এবং আয়তনে বেশ বড়। জাফরান মিষ্টির উপর শুধু মালাইয়ের রস ঢেলে দিয়ে তা মুখে দিতেই মনে হয় এই স্বাদ কখনো ভোলার নয়। জাফরান মিষ্টি বিশেষ ভাবে তৈরী যা মিষ্টির মতোই কিন্তু মুখরোচক। প্রবাদ আছে যে খাইলেই চাটবেন, না খাইলে পস্তাইবেন। হ্যা ঠিক তাই। জাফরান মিষ্টির স্বাদ অন্য যেকোন মিষ্টির স্বাদের তুলনায় যেন অতুলনীয় একটি স্বাদ। জাফরান মিষ্টি কুমিল্লার রসমালাইকে হার মানাবে। জাফরান মিষ্টি একটি লোভনীয়, মজাদার এবং সুস্বাদু খাবার। স্থানীয় বাজারে রসমালাই এর মূল্য প্রতিকেজি ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। কিন্তু এক পিস জাফরান মিষ্টির মূল্য ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। জাফরান মিষ্টি রসমালাইয়ের উন্নত সংস্করন বললে অত্যুক্তি হবে না। রসমালাইয়ের মতো জাফরান মিষ্টি তৈরী করেত প্রয়োজন হয় ছানা, চিনি, ময়দা, বেকিং পাউডার এবং পূর্ণ নণীযুক্ত দুধ। জাফরান মিষ্টি পাওয়া যায় পুরনো ঢাকার লালবাগে।

জাফরান মিষ্টি খেতে যোগাযোগের ঠিকানা
মদিনা মিষ্টান্ন ভান্ডার

৯২ লালবাগ রোড, ঢাকা-১২১১।

ফোন: ৯৬৬০৬২৪

মোবাইল: ০১৮১৪-৪৯৬২৫২, ০১৮২২-১৫১৩২৫

তানভীর হাসিব চৌধুরী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ভোজন রসিক যেকেউ যাতে নিজের স্বাদ আর স্বাধ্যের ভিতর ভুড়িভোজ করতে পারেন এজন্য পুরোন ঢাকা অন্যতম বেস্ট প্লেস হতে পারে। তবে এ জন্য আপনারা ইচ্ছে হলেই ছুটির দিন অথবা খেতে ইচ্ছে হলে সুবিধামতো এই সব জায়গাতে চলে যেতে পারেন। আসুন আবার জেনে নেই  পুরান ঢাকার বিখ্যাত আর ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানের নাম ও কোথায় অবস্থিত।
১. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও
(প্রতি মাসের ৫ তারিখ আস্ত মোরগের কাচ্চি)
২. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী
৩. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি, গ্লাসি
৪. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা
৫. নারিন্দার ঝুনু বিরিয়ানী
৬. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী
৭. নাজিমুদ্দিন রোডের হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্রাই আর অনেক ধরনের ভর্তা
৮. নাজিরা বাজারের হাজি বিরিয়ানী এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানী
৯. লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
১০. বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ী
১১. হোসনী দালান রোডে রাতের বেলার পরটা আর কলিজা ভাজি
১২. নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার
১৩. লালবাগ রয়্যালের কাচ্চি, জাফরান-বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা আর লাবান
১৪. চানখারপুলের মামুন হোটেলে’র স্পেশাল(প্রতি মাসের ১ম শুক্রবার) কাচ্চি
১৫. ঠাটারীবাজার স্টার এর কাচ্চি বিরিয়ানি, লেগ রোস্ট আর ফালুদা
১৬. ঠাটারী বাজারের গ্রিন সুইটস এর আমিত্তি
১৭. রায় সাহেব বাজারের গলিতে মাখন মিয়ার বিরিয়ানি
১৮. সুত্রাপুর বাজারের রহিম মিয়ার বিরিয়ানি
১৯. গেন্ডারিয়ার আল্লার দান বিরিয়ানি আর রহমান এর কাবাব
২০. তাতিবাজারের কাশ্মির এর কাচ্চি
২১. নাজিরা বাজারের মিয়াজী বিরিয়ানি
২২. কলতাবাজারের নাসির হোটেলের গরুর মাংশ আর পরাটা
 
ছবি

উদয় ফটোটি শেয়ার করেছে

Mannan Hossain বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

 উপকরণঃ

৬ টি ডিম; ১ কাপ দই; ১ চা চামচ লেবুর রস; ১ কাপ টমেটো ছোট করে কাটা; টমেটো স্লাইস; ১ চিমটি গোল মরিচ গুড়ো; ১ টি মরিচ কুঁচি; ৮ টি বড় পিঁয়াজের রিঙ; ৮ টি বড় লেটুস পাতা; ৮ টি বড় স্লাইস পাউরুটি।

পদ্ধতিঃ

•প্রথমে ডিম ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
•সেদ্ধ ডিম একটি পাত্রে নিয়ে ভালো করে কাটাচামচ বা হাত দিয়ে পিষে ভর্তা করে নিন।

•এরপর এতে দই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

•তারপর এতে লেবুর রস, মরিচ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে মেশান।

•এবার এতে কাটা টমেটো দিয়ে নেড়ে নিন হালকা ভাবে।

•পাউরুটি ইচ্ছা হলে টোস্ট করে নিতে পারেন নইলে সাধারনভাবেই চারপাশের শক্ত অংশ ছারিয়ে নিতে পারে।

•এরপর পাউরুটির ওপর লেটুস পাতা, টমেটো স্লাইস এবং পেয়াজের রিঙ সাজিয়ে এর ওপর ডিম এবং দইয়ের মিশ্রণটি দিয়ে দিন। এর ওপর আবার টমেটো স্লাইস, পেঁয়াজের রিঙ ও লেটুস পাতা দিয়ে ওপরে আরেকটি পাউরুটির স্লাইস দিয়ে স্যান্ডউইচের মত করে কোণাকোণি কেটে নিন।

•ব্যস তৈরি হয়ে গেল পেটের মেদ কমানোর জন্য সকাল এবং বিকালে খাবার জন্য সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর ‘ডিমের সালাদ স্যান্ডউইচ’।

★ছায়াবতী★ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

 উপকরণঃ

৬ টি ডিম; ১ কাপ দই; ১ চা চামচ লেবুর রস; ১ কাপ টমেটো ছোট করে কাটা; টমেটো স্লাইস; ১ চিমটি গোল মরিচ গুড়ো; ১ টি মরিচ কুঁচি; ৮ টি বড় পিঁয়াজের রিঙ; ৮ টি বড় লেটুস পাতা; ৮ টি বড় স্লাইস পাউরুটি।

পদ্ধতিঃ

•প্রথমে ডিম ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
•সেদ্ধ ডিম একটি পাত্রে নিয়ে ভালো করে কাটাচামচ বা হাত দিয়ে পিষে ভর্তা করে নিন।

•এরপর এতে দই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

•তারপর এতে লেবুর রস, মরিচ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে মেশান।

•এবার এতে কাটা টমেটো দিয়ে নেড়ে নিন হালকা ভাবে।

•পাউরুটি ইচ্ছা হলে টোস্ট করে নিতে পারেন নইলে সাধারনভাবেই চারপাশের শক্ত অংশ ছারিয়ে নিতে পারে।

•এরপর পাউরুটির ওপর লেটুস পাতা, টমেটো স্লাইস এবং পেয়াজের রিঙ সাজিয়ে এর ওপর ডিম এবং দইয়ের মিশ্রণটি দিয়ে দিন। এর ওপর আবার টমেটো স্লাইস, পেঁয়াজের রিঙ ও লেটুস পাতা দিয়ে ওপরে আরেকটি পাউরুটির স্লাইস দিয়ে স্যান্ডউইচের মত করে কোণাকোণি কেটে নিন।

•ব্যস তৈরি হয়ে গেল পেটের মেদ কমানোর জন্য সকাল এবং বিকালে খাবার জন্য সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর ‘ডিমের সালাদ স্যান্ডউইচ’।

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৫৯৭

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও