সইবাল নিয়ামত

@miyaaoo

তারছিঁড়া;খামখেয়ালী;মেজাজী;মায়াবতী; অন্তরে ১৫ আর অভিজ্ঞতায় ৩২ ছুই ছুই এক পাগলী। মাটি ও মানুষে বিশ্বাসী।
business_center কমিউনিকেশন্স অফিসার - দৃক
school ইউনিভার্সিটি মালায়া
location_on ঢাকা
1350811317000  থেকে আমাদের সাথে আছে

সইবাল নিয়ামত: বহুদিন পর পর আসি - কিসের টানে জানি না. কিছুদিন থাকি, ঘুরি-ফিরি চলে যাই। কিন্তু নিয়মিত লেখা আর হলো না।

সইবাল নিয়ামত: বন্ধু তুই লোকাল বাস ... বন্ধু তুই লোকাল বাস আদর কইরা ঘরে তুলস, ঘাড় ধইরা নামাস :'(

সইবাল নিয়ামত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিষণ্ণতায় ভোগা ব্যাপারটা আমার কাছে প্যান্ডোরার বাক্সের মত। মানে সামনেই বা হাতে নিয়ে বসে আছি...দেখছি ভেতরে কি থাকতে পারে তাও আন্দাজ আছে কিন্তু খুলতে পারি না। বছরের পর বছর একটাই বাক্স নিয়ে পড়ে থাকি যখন তখন। ১-২-৩ দিন। অন্ধকার আর আমি, শুন্যতা আর আমি, মনে হয় এরপর জীবনের আর কিছু নাই। জীবনের শেষ বিন্দুতে দাড়িয়ে আছি।

নিজেকে নিয়ে অসহায় ফিল করবার যে কি প্যারা তা এসময় বোঝা যায়। নিজের সাথে নিজের দ্বন্দ্ব চলে, এট্যাক - কাউন্টার এট্যাক ... আইডেন্টটিটি ক্রাইসিস এ  ভুগি খুব।

আমি আমার হারানো সেই সইকে নিয়ে খুব কষ্ট পাই তখন, সেই সই যে সবকিছু করতে পারতো ... সব মানে তার কাছে ইমপসিবল বলে কিছু ছিল না, তার কাছে এত মায়া ছিল না, পিছুটান ছিল না...ত চিন্তা ছিল না। ও শুধু করে ফেলতো আর জীবন ছুটে চলতো...সি কুড সারভাইভ উইথ অর উইথআউট এনিথিং।

মানসিক বিষন্নতার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় আমার শারীরিক আলস্য কাজ করে খুব। মনে হয় সারাদিন বিছানায় থাকব, বা একভাবে বসে থাকব। শরীর ম্যাজ-ম্যাজানি, জয়েন্টে ব্যাথা... আলো সহ্য হয় না। খিদা লাগে না...সিগারেটটাও মনে হয় অসহ্য। মানে নিঃশ্বাস নেওয়াটাই পেইন তখন। মাথার উপর মনে হয় একচিলতে কালো মেঘ ঝুলছে সবটাসময়।
কন্সটেন্টলি বুক ভেঙে যেতে থাকার ফিলিং, ভেতরটাকে কিছু একটার খেয়ে নেওয়ার ফিলিং :S এবং ইউ কান্ট জাস্ট স্টপ ইট!

কে আমি? কেন আজকের অবস্থানে আমি? কি চেয়েছিলাম, যা পাচ্ছি তাই? মানে এই ধরনের প্রশ্ন হুদাই আজাইরা মাথায় বাড়ি মারবে আর আমি পড়ে যেতে থাকি ইন টু দিস ব্ল্যাক হোল ... মানে আমার অতীত, বর্তমান বা ভবিষতের মধ্যে আমি কোন ডিফার করতে পারি না।
নিজের পরিচয় বা পরিচিতি সবকিছু নিয়েই যখন সংশয় তখন কিছু একটা খুজে পাওয়া যায় যা নষ্ট হয়নি, শেষ হইয়ে যায়নি। সেইটা কোন স্মৃতি বা কোন পারসোনালীটি ট্রেইট বা কিছু একটা হলেও হতে পারে - আমি ঠিক বুঝতে পারি না -মানে সেই প্যান্ডোরার বাক্সের মত। কিন্তু ফিল করতে শুরু করি আর নিজে নিজেকে টানতে থাকি ... রোজ দিন আমি চিৎকার করি কিন্তু তার প্রতিধ্বনি শুনা যায় না। খালি হতে হতে ভেতরটা শামুকের খোলস হয়ে যায় কিন্তু এর পরে এতে কি আসবে জানি না।

এমনটা আমার সাথে আগেও হয়েছে। আমি আমার জীবনের এক বিরতির মধ্যে বসবাস করছি। আমি কাজ ছেড়েছি, অনেক মানুষের সাথে মেলামেশা ছেড়েছি ... কথা বন্ধ করেছি ... আমি এখন হাতে গোনা কিছু মানুষের সাথে কথা বলি। যাও বা বলি তাও খুব ইনকনসিস্টেন্ট। কাছের মানুষদের সাথে কথা বলতেই হয় আদারওয়াইজ অস্তিত্তটুকু হারিয়ে ফেলব। ডিপ্রেশন এর সময় একলা থাকাটা খুব মারাত্মক বিশেষ করে যদি পাস্ট হিস্টরিতে ঘন ঘন সুইসাইডাল এটেম্পট থাকে। আমার কেস হিস্ট্রি একটাই এটেম্পট বহন করছে আর এখন তেমন তিব্র সুইসাইডাল টেন্ডেন্সি কাজ করে না। উলটা নিজের মৃত্যুভাবনায় নিজে কেদে ফেলি - কারন ডিপ্রেশনে আমার অন্যতম উপলব্ধি আমি মরে গেলে কেউ আমার জন্য কাঁদবে না বেশিদিন- ওই কুলখানি পর্যন্তই তারপর যার যার জীবন আবার তার তার। আব্বাকে মিস করি এসময় - কারন আমি জানি আব্বা থাকলে আব্বা সারাজীবন আমাকে স্মৃতিতে, অনুভূতিতে বাঁচিয়ে রাখতো ... যেমন দাদীর ছোট ছোট ব্যাপারগুলা আব্বা কি পরম আগ্রহে আর আদরে আমাদের বলতো আর দুঃখ করতো।
শেষ এমনটা হয়েছিল সেই ২০১১ তে। তখন খুব কম সময় ছিল ব্যপারটা ৫-৬ মাস এর মত। এবার ২০১৬ তে এসে ৮ মাস পেরিয়ে ৯ মাস চলছে।

সো ফার আমার ৩০ বছর জীবনের সবচেয়ে বড় ব্রেক বা বিরতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি... এক অসীম শুন্য সময় - রোজ আমি নিজেকে নিয়ে ভাবছি ... বুঝার চেষ্টা করছি। সেলফ গ্রোথ আর নিজেকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর জন্য ভেবেছিলাম একটু ছুটিতে যাব। কিন্তু আরাম করবার আগেই পড়ে গেলাম বিশাল এক অন্ধকূপে। নিজেকে নিজে দেখি না এত অন্ধকার। দম আটকে আসে মাঝে মাঝে কিন্তু তাও বলি এইতো আর একটু। এখনই শেষ হয়ে যাবে। জানি না আর কতদিন থাকব এইভাবে ... কিন্তু আমি অপেক্ষা করছি। হয়তো আবার আরেকবার নিজেকে নতুনভাবে গড়ে নিতে পারব। নতুন স্বপ্ন, নতুন উদ্দেশ্য, নতুন কিছু পাওয়ার বা করবার ইচ্ছা পেয়ে যাব। ১মাস হতে পারে , ১০ মাস হতে পারে বা আরও ১ বছর বা বেশি লাগতে পারে - আমি আসলে জানি না ... জানতেও চাই না... আমি শুধু জানি আমার এই জাদূর বাক্স হয় খুলে যাবে বা আমি কিছুদিনের জন্যে একে হারিয়ে ফেলব। আবার আমি উঠে দাড়াব..আবার তৈরি হব পরবর্তী বিরতির জন্য।

আমরা যারা ক্রনিক ডিপ্রেশনে ভুগি - আমাদের জীবনে এই পরিস্থিতি বার বার ঘুরে ফিরে আসবেই ... আমরা একে কন্ট্রল করতে পারি, কম বেশি করতে পারি...কিন্তু একবারেই শিকড় গুঁড়িয়ে ফেলতে পারা সম্ভব নয়। কাজেই হাল ছেড়ে দিবেন না ... আর একটু, একটু অপেক্ষা করুন.. এ যাত্রায় রক্ষা পেয়ে যাবেন ... কষ্ট হচ্ছে হয় জানি ... কিন্তু এইটুকু পার হতে পারলেই আপনি পাবেন নতুন দিনের নতুন আলো ... 



যতদিন আছে নিঃশ্বাস করিতে হইবে প্রানেরও আঁশ ...
Don't stop breathing People. Don't stop breathing Soi. <3

সইবাল নিয়ামত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকদিন থেকা একখান কথা মাথায় ঘুরতেছে্, মেয়েদেরকে যে এত ঢাইকা চলতে বলা হইছে, এমন কিছু পরতে না বলা হইছে পুরুষমানুষ তার দিকে আকৃষ্ট হয় ... তার শরীরকে আবৃত করতে বলা হইছে ... যাতে পুরুষদের দৃষ্টি তারা সংযত রাখতে পারে (পুরুষদের এমনিতেই তা করতে বলা হইছে মাইয়ারা কভার করুক আর না করুক, কিন্তু কতিপয় পুরুষ নিজের দোষ ঢাকতে বনের মহিষ তাড়ায়) ... মানে সৃষ্টির শুরু থেকাই বাই ডিফল্ট ঈশ্বর জানতেন যে ছেলেদের মেকিং এ সমস্যাটা আছে। তাই মেয়েদের প্রতি কশন জারি করা হয়েছিল ...

যেইসব পুরুষ দৃষ্টি সংযত রেখে চলেন তারা কখনই মেয়েদের কভার থাকা না থাকার দোষ দেন না আদতেই চেহারা না দেইখাই সম্মান করেন (আমি ভাগ্যবতী আমার জামাই আর কিছু বন্ধুরা এমন) <3

মেয়েদেরকে বলা হইছে নিজের শরীর হেফাজতে রাখার জন্য পর্দা কর এবং ছেলেরা নিজের দৃষ্টি সংযত কর...মানসিকতা সংযত করে। কোন হাদিস বা কুরআনের বানীতে নাই মেয়ে পর্দা না করলে তারে রেপ কর ... বা চোখ দিয়া চাইটা খাও বা তার গায়ে হাত দাও...তারে অশ্লীল কমেন্ট ছুড়ে দাও। সমস্ত ভাল-মন্দ বিচারের মালিক আল্লাহ ... নিশ্চয়ই মালিক সব জানেন এবং দেখেন। আমরা যদি নিজেদের কভার না করার জন্য গুনাহ এর ভাগী হই তাইলে সেই সমস্ত পুরুষরাও সেইম লেভেল গুনাহগার আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু ভাবখানা এক একজন পীর-অলি-আউলিয়া... কেন ধর্মের পালনের দায় সবসময় মেয়েদের উপর বেশি ? কেন সমাজের নিয়ম নীতি মেনে চলার দায়ও মেয়েদের উপরেই বেশি বর্তায়? পুরুষ মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব কোন আয়াতে আছে ভাইয়েরা আমার? মানুষ মানে তো নারী আর পুরুষ তাই নয় কি?

একটা মানুষের সাথে কথা কইতে গেলে তার মুখের নিচে চোখ নামানোটা কতটুকু দরকার? ইসলামের কোন আয়াতে আছে মেয়েদের পড়ালেখার দরকার নাই ??? বরং আছে ছেলে আর মেয়ে সন্তানকে সমানভাবে বড় কর। বিয়ের আগে মেয়ের মতামত নাও...বিয়ের পর ছেলের বাবা-মায়ের দায়িত্ত তার বউএর না - তারই থাকে - সে কোনভাবেই মেয়েকে বাধ্য করতে পারে না টু টেক কেয়ার অফ ইন-ল'স। হুম আর মেয়েদের দেনমহরানার ক্ষেত্রে বলা আছে অতটুকুই ধার্য হবে যতটুকু ছেলের সামর্থ্য। ও আরও আছে - মেয়ের বাপ শুধু খোরমা দিয়া বিয়ের মানুষ আপ্যায়ন করবে - কোনভাবেই যৌতুক দেওয়ার কথা নাই আর বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচও ছেলে বহন করবে তাও সামর্থ্য অনুযায়ী। মানে ইসলামের ভাল ভাল অনেক ব্যাপারে কারও মাথা ব্যাথা নাই - যেইখানে নারীরে সাপ্রেস করা যায় (মিনিং মডিফিকেশন এর মাধ্যমে) সবাই অইগুলা নিয়া লাফালাফি করবে...নিজেদের প্রয়জনে ধর্মের এইটা নিবে অইটা নিবে না - আর দুনিয়া জুইড়া দোষ হবে মেয়েদের?

মেয়েদের পক্ষে কথা কইলে নারীবাদি ... নারীদের সম্মান দিলে ভেউড়া পুলা, নারীদের গায়ে হাত তুইলা, শাসন মাইরা হাতে না রাখতে পারলে ব্যাটা তুই পুরুষই না !!! মানে একজন পুরুষ জন্মের পর তো শিখেই না নারীরে সম্মান দিতে উলটা সময়ের বিবর্তনে নারীরে সাপোর্ট দিলে তার পুরুষত্তের উপর কয়েশ্চেন মার্ক ???!!! কত ছেলেরা, ভাইরা, বন্ধুরা এই দেখে দেখে হয়ে উঠে আসল (?) অত্যাচারী পুরুশ...কিছু কিছু বাই ডিফল্ট মেকিং মিস্টেক।

মাইয়ারা চিল্লামু না তো কি করমু? পূজা, সেজদা করাও তো আবার মানা আছে :S (সারকাজম এলারট)

ঈশর মেয়েদের এত সহ্যশক্তি দিছেন কেন জানেন? আপনাগো মানুষরে পেটে ধরার জন্য - যারা সমাজ, ধর্মের দোহাই দিয়া দিয়া মেয়েদের মানুষ হওয়ার অধিকার খাইয়া বাইচা থাকেন ... কারন আপনাদের পেটে ধরার ক্ষমতা থাকলে আপনারা নিজেরাই নিজেদের খাইয়া ফেলতেন।

পৃথিবীতে আনার জন্য ঈশর সেই মেয়েদেরকেই উপযুক্ত বাহন হিসেবে বিশ্বাস করছেন - ছেলেদেরকে না - কারন বাই ডিফল্ট সাম মেন আর রিয়েলি আ পিস অফ মিসটেক ফুল অফ মিসটেকস।(রাগী)

সইবাল নিয়ামত: কি আশায় বাঁধি খেলাঘর...

সইবাল নিয়ামত: যে রুপকথায় কাঁদে চোখ, সে রাজা রানীর ভাল হোক। (ভালো)

সইবাল নিয়ামত: অনেক অনেকদিন পর আবার ফিরে এলাম! (ভালবাসি)

সইবাল নিয়ামত: কত্তদিন পর ইশশ!

সইবাল নিয়ামত: কুচি-কুচি প্রেমের গল্প !

সইবাল নিয়ামত: সই এখন ঢাকাবাসিনী !!!

সইবাল নিয়ামত: আমার দিকে কাঁদা ছুড়তে চাও? ছুড়ো !!! আমি পাল্টা কোন কাঁদা ছুড়বো না - স্রেফ আমার দিকে ছুড়ে দেওয়া কাদাটাই তোমাকে চেটে খাওয়াবো !!!

সইবাল নিয়ামত: আবার চলেই এলাম ঘুরে-ফিরে বেশতোর বেশ বেশ মানুষগুলা কি করছে দেখতে... জীবন চলছে যেখানে যেমন এখনো ঢাকা শহরে - বৃষ্টিতে রাস্তায় ময়লা পানি আর কাঁদা মাখামাখি করে কিছুদিনের কিছু কাজ করে যাচ্ছি । ঘুম পায় সবসময় - বেসিক্যালি নিজের চোখের দিকে চাইলে আরো ঘুম পায় তাই আপাতত আয়না দেখা বন্ধ - সামনের মাসে দেশ ছাড়তে হবে আর একবার - আবার সেই বিদেশের মাটি বড্ড জ্বালাতন!

সইবাল নিয়ামত: টিং টিং ঘণ্টি বাজতেছে মাথার মধ্যে - I Scream I Scream ভাব ... অতি গরমে মাথা নষ্ট হয়ে যাইতেছে নাকি :S

ছবি

সইবাল নিয়ামত: ফটো পোস্ট করেছে

সইবাল নিয়ামত: মাঝে মাঝেই অনেক বছর পর পর জানি দেখা পাই - চিরদিন চাই না !

সইবাল নিয়ামত: খালি ঘুম পায় - ঘুমালেও ঘুম পায় - ঘুম থেকে উঠার পর ঘুম পায় :S

সইবাল নিয়ামত: হাজারে হাজারে মানুষ বাজারে - বাজারে স্বপ্ন ঝুলি ... একা একা আর থেকে হাহাকার - কি করি কি করি ! তবু বুক পেতে রেখে - ভালবাসা দেখে আয় ছুটে আয় বাঁচি !

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৯৬

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত