কবি

@psychokobi

আমি এক হৃষ্ট কবি...
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1363093547000  থেকে আমাদের সাথে আছে

কবি: দস্যু বনহুর: এর একটি উত্তর শেয়ার করেছে

 এখানে কেউ ম্যাথমেটিক্স'র ছাত্র আছেন? একটু বলবেন কি আসলে ফিবোনাক্কি রাশিমালা বলে কিছু আছে কি? যেটা এই অনুসারে হয়ে থাকে-১ ১ ২ ৩ ৫ ৮ ১৩,,,অর্থাৎ এর তৃতীয় সংখ্যা আগের দুটোর যোগফল,,,ফিবোনাক্কি রাশিমালা প্রকৃতিতে কিভাবে আছে বা এর কি আসলেই কোনো রহস্য আছে?,,
দস্যু বনহুর: প্রথমেই বলে রাখছি আমি অংকের মানুষ নই তবে অংককে অন্বেষণ করি বিভিন্ন প্রাকৃতিক মাত্রায়। প্রকৃতির সব সৃষ্টিতেই গণিত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ফিবোনাক্কি রাশিমালা কে অনেকক্ষেত্রেই বলা হয়েছে "ল অফ দি ন্যাচার"। ফিব...বিস্তারিত

১ টি উত্তর আছে

*ম্যাথমেটিক্স* *অংক* *রহস্য*

কবি: [পিরিতি-তোমারজন্য]*বেশতো*'তে আজকে আমার তিনবছর পূর্ণ হলো!

কবি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

শাশ্বত সিয়াম-এর রিপোর্ট কার্ড
জাতি তোমার সাফল্যে আজ বিস্ময়ে বিমোহিত, এ বছর তোমার সর্বমোট পয়েন্টঃ ৬০৭ । তোমার সবচেয়ে বেশি কমেন্ট হওয়া পোস্টে কমেন্ট আছে ১০৮ টি ।
তোমার করা পোস্টগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৮ % চট পোস্ট
সর্বোচ্চ ৪৮ % জোশ পেয়েছো
তোমার পোস্টে সবচেয়ে বেশি কমেন্ট করেছেঃ রনি রহমান । সর্বমোট কমেন্ট সংখ্যা = ২১ টি
তুমি যার পোস্টে সবচেয়ে বেশি কমেন্ট করেছেঃ সগীর খান । সর্বমোট কমেন্ট সংখ্যা = ৬ টি
*আমলনামা* *বেশতোজন্মদিন*
ছবি

কবি: ফটো পোস্ট করেছে

আজকে শুধু বেশতো না, বাংলার এই কৃতী সন্তানেরও জন্ম! (খুকখুকহাসি)

ছবি

কবি ফটোটি শেয়ার করেছে

(কিমজা)(কিমজা)(কিমজা)পথচলার ৩য় বছর(কিমজা)(কিমজা)(কিমজা)

(হ্যালো)(হ্যালো)(হ্যালো) (আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(কেক)(কেক)(কেক)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি) (খুকখুকহাসি)বাংলাদেশের প্রথম ও বাংলাভাষার একমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বেশতো’র তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে(তালি)(তালি)(তালি)সকল ইউজার, কলাকুশলী, ও শুভানুধ্যায়ীদেরকে জানাই প্রানঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা(খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা)আজকের এই আনন্দঘন দিনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকল ইউজারদের(চুম্মা)(চুম্মা)(চুম্মা)যাদের প্রাণবন্ত পদচারণায় মুখরিত হয়েছে বেশতো(ইয়েয়ে)(ইয়েয়ে)(ইয়েয়ে)আশাকরি(খুকখুকহাসি)সামনের দিনগুলোতে বেশতোর এই পথচলায় তোমাদের অংশগ্রহন অব্যাহত থাকবে(হাসি)(হাসি)(হাসি) (আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(কেক)(কেক)(কেক)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)

কবি: (খুকখুকহাসি)

কবি: বিখ্যাত ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ও ডিজাইন টুলস, অ্যাডোব ফটোশপের আজকে জন্মদিন। ১৯৯০ সালের এই দিনে প্রথম ইনিশিয়াল রিলিজ হয় বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যারটির! (আতশবাজি) (আতশবাজি) (আতশবাজি)

*এইদিনে* *ফটোশপ* *ডিজাইন*

কবি: ফাহিম মাশরুর: এর একটি উত্তর শেয়ার করেছে

 প্রায়ই শুনতে হয় 'প্রাইভেট ভার্সিটি থেকে পড়লে জীবনে কিছুই করতে পারবে না, কোন ভাল জব পাবে না, দামই নাই' কথাগুলা কি সত্য? কিন্তু কেন? পাবলিক প্রাইভেট এর পড়াশোনায় এমন কি পার্থক্য? এ সমস্যা দূর করতে আগে থেকেই কি কি করা যেতে পারে?
*প্রাইভেটইউনিভার্সিটি* *ক্যারিয়ার*

কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোকাকোলা, বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কোমল পানীয়। তবে তার পিছনে Coca-Cola ওয়ার্ডমার্কের বিখ্যাত লোগোরও অবদান আছে। সেজন্যই বিশ্বের প্রায় সকল আর্ট ও ডিজাইন স্কুলে কিংবা বিজনেস স্কুলের ব্র্যান্ডিং কোর্সের শুরুতে পড়ানো কমন টপিকের একটি Coca-Cola লোগো।


১৮৮৬ সালে John S Pemberton যখন তার নতুন কোমল পানীয় বানানো শুরু করেন, তার পার্টনার Frank M Robinson তখন Coca-Cola নাম প্রস্তাব করেন। সেই সময়ে কোকাকোলার লোগো হিসাবে Slub Serif ফন্ট দিয়ে লেখা COCA-COLA ব্যবহার করা হয়।

১৮৮৭ সালে Frank Robinson নামে এক কর্মচারী ঔ সময়ের বিখ্যাত ফন্ট স্টাইল Spencerian script এ লোগোটি নতুন করে আঁকেন এবং মূলত ঔ ওয়ার্ডমার্কটাই বিভিন্ন পরিবর্তনের সাথে এখনো ব্যবহার হয়। তবে মাঝখানে ১৮৯০-৯১ এক বছর পুরো লোগোকে একদম পাল্টে দেওয়া হয় একটা ডেকোরেটিভ ফন্ট দিয়ে। বিস্তারিত ইতিহাস দেখতে পারেন এখান থেকেঃ http://www.coca-cola.co.uk/…/hi…/advertising/the-logo-story/
কোকাকোলার ওয়ার্ডমার্কের সাথে এর লাল রঙটিও বিখ্যাত। ‪#‎fe001a‬ এই হেক্সকোডের লাল রঙটি বর্তমানে পরিচিত Coca-Cola Red বা Coke Red হিসাবে।

কোকাকোলা লোগোর অনেকগুলো মজার ব্যাপারের একটি হচ্ছে সাধারনত প্রতিটি ফন্ট বা টাইপফেসে প্রতিটি Glyphs বা অক্ষর একই হয়। কিন্তু Coca-Cola লেখার দুইটি C বড় হাতের হলেও তাদের দুইটির আকৃতি দুই রকম! 

ছবিতে কোকাকোলার বিবর্তন, সংগ্রহ করা হয়েছে boredpanda.com থেকে।

সৌজন্যেঃ https://www.facebook.com/DesignProtidin

*ডিজাইন* *লোগো* *পানীয়* *কোকাকোলা* *ব্র্যান্ডিং* *কোমলপানীয়*

কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনি ডিজাইনার হোন আর নাইবা হোন আপনি অবশ্যই Trajan নামের ফন্টটা দেখেছেন। এদেশে বিখ্যাত ইংলিশ মুভি Titanic, Avatar থেকে শুরু করে প্রায় সমস্ত হরর মুভি কিংবা বলিউডের রমরমা থ্রিলার Jism এর পোস্টারে শুধুই একটি ফন্ট, Trajan!
নীলক্ষেতে পাওয়া Inferno এর মত ইংলিশ বইয়ের মলাটেও শোভা পায় এই একটি ফন্ট। ন্যান্সি, বাপ্পা মজুমদারদের বইয়ের সিডি, Star Wars এর মত পুরানো টিভি সিরিজ থেকে হালের ক্রেজ Game Of Thrones সিরিজের পোস্টার কিংবা বারাক ওবামা, মিট রমনিদের নির্বাচনী প্রচারণা - কিছুতেই বাদ যায়নি Adobe এর এই কালজয়ী ফন্ট।
এই বিখ্যাত ফন্টটি লোগো হিসাবে ব্যবহার করে দুনিয়া কাপানো গেম Assassin's Creed। বিশ্বের সেরা এনিমেশন স্টুডিও পিক্সারের পুরাতন লোগোতেও ছিল এই ফন্ট। এছাড়া অসংখ্য বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোতে এই ফন্ট ব্যবহার করা হয়।

Trajan নামের এই ফন্ট ১৯৮৯ সালে Carol Twombly ডিজাইন করেন Adobe এর জন্য। প্রাচীন সেরিফ টাইপফেসকে নতুন রুপ দান করতে। রোমান সাম্রাজ্যের ত্রয়োদশ রাজা Trajan নামে রোমের বিখ্যাত Trajan Column এর ডিজাইনশৈলী থেকে এই ফন্ট তৈরি ও নাম করণ করা হয়। বিস্তারিত জানতে পারেন: https://en.wikipedia.org/wiki/Trajan_%28typeface%29 থেকে।

Trajan বর্তমানে Adobe Typekit এর অন্তর্ভুক্ত এবং এর বর্তমান সংস্করনের নাম Trajan Pro 3, যা Adobe Creative Cloud এর সাথে ফ্রি দেওয়া হয়। https://typekit.com/fonts/trajan-pro-3

কয়েকটি বিখ্যাত মুভির পোস্টার এখানে পাবেনঃ https://trajanadam.wordpress.com/2012/09/28/some-movie-posters-with-trajan-font/

কার্টেসীঃ
https://www.facebook.com/DesignProtidin
*ডিজাইন* *সিনেমা* *পোস্টার* *অ্যাডোবি* *ফন্ট*

কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

g-speak একটি ভবিষ্যতের ইউজার ইন্টারফেস, যা উঠে এসেছে স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ও টম ক্রুজ পরিচালিত Minority Report মুভির সিন থেকে। ভাবুন তো একটা মাউস দিয়ে আপনারা পাঁচ বন্ধু আলাদা পাঁচ রকমের কাজ করছেন একই মনিটরে, ব্যাপারটা আরও মজার যখন কোন মাউস বা কীবোর্ড লাগবেইনা! শুধু হাতের ইশারায় আপনার কম্পিউটার কাজ করবে?

একটা সময় ছিল মানুষ কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করত বিভিন্ন সুইচ বা কী দিয়ে। সে জায়গা আজ প্রায় দখল করে নিয়েছে টাচস্ক্রিন। ডিজিটাল প্রায় প্রতি যন্ত্রে এসে গেছে টাচস্ক্রিনে। উল্লেখ্য যে Minority Report মুভিতে যে ফিকশনাল ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ছিল তার অন্যতম একটি ছিল "মাল্টি-টাচ সিস্টেম"। এই মুভিতে ব্যবহারিত টেকনোলজি সম্পর্কে জানতে এই লিঙ্কটা দেখতে পারেন: http://bit.ly/1OEN5vp
সে যাই হোক, প্রযুক্তি থেমে থাকেনা। তাই টাচস্ক্রিনের পরে Minority Report মুভির প্রোডাক্ট আর্কিটেক্ট ও ইন্টারফেস ডিজাইনার John Underkoffler এবং তার প্রতিষ্ঠান Oblong থেকে তৈরি করা হয় এমন এক প্রযুক্তি, যা দিয়ে আপনি আপনার যন্ত্র ব্যবহার করতে পারেন কোন হাতের স্পর্শ ছাড়াই। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য আগে হাতে গ্লাভস পরতে হত কিন্তু বর্তমানে তারও প্রয়োজন নেই।
স্বাভাবিক নড়াচড়া বা Natural Gesture এর মাধ্যমে এটি এক অসাধারন প্রযুক্তি। তাছাড়া এই প্রযুক্তিতে আপনি একই সময়ে একাধিক মনিটর বা একাধিক ডিভাইসে কাজ করতে পারবেন। আছে একই স্ক্রিনে একাধিক ব্যবহারকারীর সুবিধা। বিস্তারিত দেখতে পারেন ওদের অফিসিয়াল সাইট থেকে: http://bit.ly/1IkyShN

তবে সবচেয়ে বড় কথা, John Underkoffler ও তার Oblong এর স্বপ্ন এই g-speak শুধু ল্যাবে সীমাবদ্ধ নয়, ছড়িয়ে যাবে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, মাইক্রোওয়েভ থেকে শুরু বিশ্বের সকল ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ড্যাশবোর্ডে। ইতিমধ্যেই কিন্তু অনেক স্মার্টফোনের ক্যামেরা আমরা দেখতে পাচ্ছি হাতের ইশারাতেই ছবি তুলতে। TED2010 এ John Underkoffler এর একটি Talk আছে,  ভিডিওটা দেখতে পারেন ইউটিউব থেকেই: https://youtu.be/b6YTQJVzwlI

সৌজন্যেঃ ডিজাইন প্রতিদিন ( https://www.facebook.com/DesignProtidin )

*বিজ্ঞান* *প্রযুক্তি* *ভবিষ্যৎ*

কবি: যারা সাহিত্যের মূলে যেতে চান এবং রাশভারী লেখা পড়তে চান, নিচের সাইটটা দেখতে পারেন। আজ সকালে খুজে পেলাম! পাতা উল্টে উল্টে পড়া যায় :দ http://www.grontho.com/

*বই* *সাহিত্য*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৪,৮০৭

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

***

+ আরও