রিয়াজ আহমেদ

@riazkobi

এই বেশ ভাল আছি..
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1362378513000  থেকে আমাদের সাথে আছে

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মানব ইতিহাসের সর্বপ্রথম সম্পর্ক হলো বৈবাহিক সম্পর্ক।
জান্নাতে যাওয়ার পরও যে সম্পর্ক অটুট থাকবে এবং সম্পর্কধারীরা একত্রে বাস করার সুযোগ পাবে, তাও এই বৈবাহিক সম্পর্ক।বৈবাহিক সম্পর্কই একমাত্র সম্পর্ক, কোরআনে যাকে আল্লাহ তার অন্যতম নিদর্শন বলে উল্লেখ করেছেন। আরো বলে দিয়েছেন, যারা চিন্তা করার যোগ্যতা রাখে, তাদের জন্য এর মধ্যে চিন্তার খোরাক রয়েছে।
কোরআনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সম্পর্কের মধ্যে আল্লাহ তাআলা অনন্য তিনটি নেয়ামত রেখেছেন - সুকুন ,মাওয়াদদাত এবং রহমত তথা আত্মার প্রশান্তি, ভালোবাসা-সম্প্রীতি এবং সহানুভূতি। বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান-সন্ততি সকলেই শ্রদ্ধা ও স্নেহের, সদাচারণ এবং প্রতিপালনের হকদার, কিন্তু স্ত্রী, অন্য রক্তের, অন্য ঘরের/বংশের হওয়া সত্ত্বেও একটি মাত্র শব্দ দুজনকে গেঁথে দেয় এক চিরস্থায়ী বন্ধনের সূত্রে।বিয়ে একমাত্র ইবাদত, যার সূচনা হয়েছে জান্নাতে এবং যা পুনরায় ফিরে যাবে সেখানে। বিয়ে এক অসমাপ্ত ইবাদত, বন্ধন। অক্ষয়, অব্যয়, টেকসই, চিরস্থায়ী এক পবিত্র বন্ধন।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্ডাস্ট্রির সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। আর এ কারণে বাড়ছে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার গুরুত্ব। নিশ্চিত কর্মসংস্থানের একমাত্র এবং পরীক্ষিত মাধ্যম হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা। সারা বিশ্বে জেনারেল শিক্ষার চেয়ে কারিগরি শিক্ষা বেশি জনপ্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ।

*বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সেমিস্টার পদ্ধতিতে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা এ কোর্স সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে ২য় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করা যায়।
*সরকারি-বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থানেরও রয়েছে যথেষ্ট সুযোগ। আর কেউ উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চাইলে সে সুযোগতো রয়েছেই।
*ডিপ্লোমা পাশ করার পর B.Sc ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ ছাড়াও ২ বছরের A.M.I.E পরীক্ষার মাধ্যমে B.Sc ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ।
*ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর মর্যাদাপূর্ণ চাকরি অথবা পছন্দমত ব্যবসা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
*ডিপ্লোমা কোর্সের সার্টিফিকেট সারা বিশ্বে স্বীকৃত।
*সেশনজট মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইসলামী শাসনামলে হিজরী পঞ্জিকা অনুসারেই সকল কাজকর্ম পরিচালিত হত। মূল হিজরী পঞ্জিকা চন্দ্র মাসের উপর নির্ভরশীল। চন্দ্র বৎসর সৌর বৎসরের চেয়ে ১১/১২ দিন কম হয়। কারণ সৌর বৎসর ৩৬৫ দিন, আর চান্দ্র বৎসর ৩৫৪ দিন। একারণে চান্দ্র বৎসরে ঋতুগুলি ঠিক থাকে না। আর বঙ্গদেশে চাষাবাদ ও এজাতীয় অনেক কাজ ঋতুনির্ভর। ঋতুর হি‌সে‌বে গর‌মিল হওয়ায় কৃষক‌দের চাষাবা‌দে সমস্যা হত। ফ‌লে খাজনা আদায়ের সমস্যা হত এবং এর জন্য কৃষক‌দের নির্যা‌তিত হ‌তে হত। এজন্য মোগল সম্রাট আকবরের সময়ে প্রচলিত হিজরী চন্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সম্রাট আকবর ইরান থেকে আগত বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফতুল্লাহ শিরাজীকে হিজরী চন্দ্র বর্ষপঞ্জীকে সৌর বর্ষপঞ্জীতে রূপান্তরিত করার দায়িত্ব প্রদান করেন। ফতুল্লাহ শিরাজীর সুপারিশে পারস্যে প্রচলিত ফার্সি বর্ষপঞ্জীর অনুকরণে ৯৯২ হিজরী মোতাবেক ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর হিজরী সৌর বর্ষপঞ্জীর প্রচলন করেন। তবে তিনি ঊনত্রিশ বছর পূর্বে তার সিংহাসন আরোহনের বছর থেকে এ পঞ্জিকা প্রচলনের নির্দেশ দেন। এজন্য ৯৬৩ হিজরী সাল থেকে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু হয়। ৯৬৩ হিজরী সালের মুহররম মাস ছিল বাংলা বৈশাখ মাস, এজন্য বৈশাখ মাসকেই বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং ১লা বৈশাখকে নববর্ষ ধরা হয়।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

● অমুক তারিখে শবে বরাত!● অমুক তারিখে মাহে রমজান শুরু!● অমুক তারিখে ঈদুল ফিতর!● অমুক তারিখে ঈদুল আজহা!‘‘হযরত মুহাম্মদ (স:) বলেছেন, যে ব্যক্তি এ খবর প্রথম কাউকে দিবে , তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যাবে।’’
‘‘অমুক কালেমা ১০জন ফ্রেন্ডকে মেসেজে পাঠান, আগামি ৩দিনের মধ্যে একটি সুঃসংবাদ পাবেন । আর না পাঠালে আগামী ১০ বছরেও কোন ভাল সংবাদ পাবেন না।"
এসব কি ভাই...? অজ্ঞতারও তো একটা লিমিট আছে নাকি। একবার ভেবে দেখারও প্রয়োজন মনে করলেন না যে কিসের ভিত্তিতে প্রচার করছেন আর কার নামে মিথ্যা প্রচার করছেন? যাচাই না করেই সবাই এগুলো প্রচার করেই যাচ্ছেন!
এই মেসেজ পাঠিয়ে কেউ যদি সুখবর না পায় তাহলেতো মানুষ ইসলামকেই দায়ী করবে।
আসলেই কি ইসলামে এধরণের কোন সুখবর প্রচার করার ভিত্তি আছে কিনা এবং শুধুমাত্র রমজানের খবরের নামে তার আগাম তারিখ পৌছে দিলেই জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যেত তাহলে তো সালাত, সিয়াম, হজ্জ, যাকাত সহ অন্যান্য সুন্নাতের কোন প্রয়োজনই হতো না সকলে রমজানের খবর পৌছে দিয়েই জান্নাত হাসিল করে ফেলতো? রাসূল সাঃ এই ধরনের কোন হাদিস তার ‍উম্মাতকে প্রচার করতে বলেছেন অথবা তার কোন সাহাবী প্রচার করেছেন কি কোন কালেমা ৩দিনের মধ্যে ভাল সংবাদ পাবার আশায়? কোথায় আছে এসব, কোন হাদীছগ্রন্থে পাওয়া যাবে? রেফারেন্স টা জানার কোন প্রয়োজন মনে হয়না আপনাদের?
আপনার/আমার এই অজ্ঞতার কারণে যখন কোন মুসলিম যদি কালেমা বা আল্লাহর পবিত্র নাম গুলো ১০জন কে পাঠায় এবং ৩দিনের মধ্যে সে যদি কোন সুসংবাদ না পায় তবে কালেমা বা আল্লাহর নামের প্রতি তার আস্থা বিনষ্ঠ হতে পারে। সে ভাবতে পারে, হয়তো আল্লাহর নাম বা কালেমার সুসংবাদ দেয়ার কোন ক্ষমতা নেই... (নাউজুবিল্লাহ!)রাসূল (সা.) এর নামে কোন কথা বলতে সাহাবীগণ (রা.) কতটা সাবধানতা অবলম্বন করেছেন আপনার জানা আছে? আমাদের জেনে রাখা উচিত যে রাসূল সা. এর নামে মিথ্যারোপ করা অন্য কোন সাধারণ ব্যক্তির ন্যায় সমান নয় কারণ তার প্রতি মিথ্যারোপ করার প্রতিফল সরাসরি জাহান্নাম!রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,‘‘যে ব্যক্তি আমার নামে মিথ্যারোপ করল, সে তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নিল" তিনি আরো বলেন, "যে ব্যক্তি আমার নামে এমন কোন কথা বলল যা আমি বলিনি, সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে বানিয়ে নিল’’ [বুখারী হা/১১০, মুসলিম হা/৩, তিরমিযী হা/২৬৬২, আহমাদ হা/৮০৬৭]রাসূল (সাঃ) আরো বলেন,‘‘কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে (সত্যতা যাচাই না করে) তাই প্রচার করবে’’ [মুসলিম হা/৫, আবু দাউদ হা/৪৯৯২, মিশকাত হা/১৫৬, রিয়াযুস স্বা-লিহীন হা/১৫৫৫]
আর সেজন্যই আসুন আমার মুসলিম ভাই ও বোনেরা আমরা ইসলাম প্রচারে আরো বেশী সতর্ক ও সচেতন হই! শুধুমাত্র ফজিলত আর সওয়াবের আশায় ইসলামের নাম দিয়ে এমন কোন সংবাদ প্রচার না করি যার পরিণাম হয়ে যাবে সেই ভয়াবহ জাহান্নাম!

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১. আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল এটি।
২. ভারী মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়।
৩. পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
৪. সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।
৫. এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি, সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ, এমনকি হজ্ব মউসুমে ব্যবহার ক’য়েক গুন বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না।
৬. সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমানে আছে।
৭. এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমান অন্যান্য পানির থেকে বেশী, এজন্য এই পানি শুধু পিপাসা মেটায় তা না, এই পানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।
৮.এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমান বেশী থাকায় এতে কোন জীবানু জন্মায় না।
৯. এই পানি পান করলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বন্ধু হব..
আমি তোমার বন্ধু হব, নেবো দুঃখের ভাগ; মজার মজার গল্প বলে, ভুলিয়ে দেবো রাগ! তবু-ও চোখে জল এলে, মুছে দেব আখি; হতে চাই গো তোমার বন্ধু, তুমি হবে নাকি.....???

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা অনেকে বাড়ির নির্মাণকাজে রডের হিসাব সহজেই মিলিয়ে নিতে পারি না, অনেকেই রডের হিসাবে গোলমাল বেঁধে যায়। রডের হিসেব খুবই সোজা, তা আজ আলোচনা করছি।
আপনাকে শুধু সাইজ ভেদে রডের ইউনিট ওয়েট জানতে হবে। রডের ইউনিট ওয়েট এর সাথে প্রতিটি রডের দৈর্ঘ্য (ফুটে) এবং রডের সংখ্যা গুন করলেই টোটাল ওজন (কেজি) পেয়ে যাবেন
তাহলে সূত্রটি দাঁড়ালো :
Unit weight of rod X Length of rod X total number of rod = Total weight
এদেশের রড সাধারণত লম্বায় 40 ফুট হয়। আর ইউনিট ওয়েট সাইজও ভেদে ভিন্ন হয়।
সাইজও ভেদে ইউনিট ওয়েট:
6mm rod ---0.067 kg/ft
8mm rod ---0.120 kg/ft
10mm rod ---0.188kg/ft
12mm rod---0.270kg/ft
16mm rod ---0.480 kg/ft
20mm rod ---0.751kg/ft
25mm rod ---1.174kg/ft
ধরুন 16 মিলি মিটারের 70 টা রড এসেছে, প্রতিটির গড় দৈর্ঘ 40 ফিট, তাহলে টোটাল রোডের ওজন হবে 0.48 X 40 X 70 = 1344 কেজি .আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১.প্যারাসিটামল (Paracetamol):জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
২.ট্রামাডল (Tramadol):কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন।
৩.টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate):যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ।
৪.এসোমিপ্রাযল/ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/Omeprazole):অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।
৫.অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন (Aluminum hydroxide suspension):বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২ চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।
৬.ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline):ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।শরীরে পানিশূন্যতা হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি;
*আপনার ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয়।
*২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে।
*মুখ শুকিয়ে গিয়ে পিপাসা লাগে।
*খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে।
*প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে।
*পায়খানার সাথে রক্ত গেলে।
৭.ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine):এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা, পরাগ, ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে।
৮.সিল্ভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine):হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়ন্টমেন্ট দিন। ফোসকা পড়লে সেটা উঠানোর চেষ্টা করবেন না। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করুন।
৯.পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment):হালকা রক্তপাত সহ ছোটখাটো কাটা-ছেড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতটি শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে কাটা জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়ন্টমেন্ট দিন। এসবক্ষেত্রে স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার না করাই ভাল। আপনি যদি কোন প্রকার ব্লাড থিনার (যেসব ওষুধের কারণে রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়) নিয়ে থাকেন অথবা অনেক বেশি কেটে গেলে বা প্রচুর রক্তপাত হলে আপনার ডাক্তারের সাহায্য লাগতে পারে।
১০.অ্যাসপিরিন (Aspirin):আকস্মিক বুকে ব্যথা এবং পরবর্তীতে বাম হাত, চোয়াল বা গলার বাম দিকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। হার্ট অ্যাটাকের যেকোন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ২/৩ টি বেবি অ্যাসপিরিন খেয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
বি:দ্র:উল্লিখিত কোন ওষুধে আপনার অ্যালারজি থাকলে সেটি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এবং গর্ভাবস্থার সময় অনেক ওষুধই খাওয়া যায় না, এ বিষয়ে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

শিশুর জন্য..
শিশুর জন্য বেত ছাড়ি, সৃজনশীল বাংলা গড়ি আদর আর ভালবাসা, দিতে পারে সুশিক্ষা শিখবে শিশু হেসে খেলে, শাস্তিমুক্ত পরিবেশ পেলে শাস্তিমুক্ত বিদ্যালয়, শিক্ষা লাভে সহায় হয় ..

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

অনেক ভালোবাসি...
তোমায় আমি আকাশ দেব দেব ফুলের মালা, তুমি শুধু মনে রেখো আমায় সারা বেলা!!! চোখের কান্না মুছে দেব দেব তোমায় হাসি; মনে রেখো বন্ধু তোমায় অনেক ভালোবাসি!!!

রিয়াজ আহমেদ: তুমি কি আকাশ দেখ..রাত্রি হয় যখন... তুমি কি নদী দেখ..জোয়ার হয় যখন.. যদি না দেখে থাক..তাহলে বুজবে কেমন করে.. আমার বুকে কিসের আলোড়ন..

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

(পৃথিবীর সর্বকালের সেরা উদ্যোক্তাদের তালিকায় স্টিভ জবসের নামটি একদম প্রথম দিকে থাকবে। তথ্য-প্রযুক্তি বিপ্লবের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে তাঁর অবদান বিশ্ববাসী শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে সবসময়। আরেকটি কারণে অমর হয়ে থাকবেন তিনি চিরদিন। সেটি একটি অসামান্য বক্তৃতার জন্য। ২০০৫ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এ বক্তৃতা দেন তিনি। পৃথিবীজুড়ে লাখো মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এ বক্তৃতাটি পাঠকদের জন্য ভাবানুবাদ করা হলো।)
আজ তোমাদের সামনে হাজির হতে পেরে বড় গৌরব হচ্ছে আমার! পৃথিবীর সবচেয়ে চমৎকার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর একটির ছাত্র তোমরা। মজার ব্যাপার হলো আমি নিজে কখনো কলেজের পাটও চুকোতে পারিনি! আজ এই আনন্দের দিনে কোন জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা দেওয়ার ইচ্ছা নেই আমার। কেবল তিনটা গল্প শেয়ার করতে চাই তোমাদের সাথে। আমার জীবনের তিনটি গল্প। ব্যাস, এটুকুই।
প্রথম গল্পটা হচ্ছে জীবনটাকে এক সুতোয় বাঁধা নিয়ে:
আমি রীড কলেজে ভর্তি হওয়ার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে ড্রপ আউট হয়ে যাই! কিন্তু দেখা গেল তারপর আরো প্রায় বছর দেড়েক সেখানে থেকে গেলাম সবকিছু ছেড়েছুড়ে চলে আসবার আগে। প্রশ্ন হচ্ছে, এত সাধের একটা কলেজ থেকে কেন ড্রপ আউট হলাম আমি ?
এই গল্পের শুরু আসলে আমার জন্মেরও আগে। আমার মা ছিলেন কলেজে পড়ুয়া কমবয়সী একটি মেয়ে। আমাকে লালন পালন করার মত অবস্থা তার ছিল না। তিনি ঠিক করলেন আমাকে কারো কাছে দত্তক দিয়ে দেবেন। মায়ের খুব ইচ্ছা ছিল আমার দত্তক পরিবার হবে উচ্চশিক্ষিত, নিদেনপক্ষে কলেজ গ্র‍্যাজুয়েট।
সেভাবেই সব ঠিকঠাক, এক আইনজীবী পরিবারের সাথে দফা হলো আমাকে দত্তক নেওয়ার। সমস্যা বাঁধলো ঠিক আমার জন্মের সময়। শেষ মুহূর্তে সেই দম্পতি ভেবে দেখলেন তারা আসলে একটা কন্যাশিশু চান! তখন ওয়েটিং লিস্ট থেকে ফোন গেল আরেক দম্পতির কাছে।
“আমাদের কাছে একটি ছেলেশিশু এসেছে। আপনারা কি তাকে দত্তক নিতে আগ্রহী?”
“অবশ্যই!”
এভাবেই আমার নতুন বাবা মার কোলে চলে গেলাম আমি। কিন্তু আমার মা কিভাবে যেন খবর পেয়ে গেলেন এই নতুন বাবা মা কেউই আসলে কলেজের দোরগোড়া পেরোন নি! মা তো রেগে কাঁই! অবশেষে তাকে বহুকষ্টে ঠান্ডা করা গেলো এই শর্তে যে একদিন আমাকে অবশ্যই কলেজে পাঠানো হবে!
আমার নতুন বাবা মা তাদের কথা রাখলেন। সেদিনের সেই ছোট্ট আমি সতের বছর পর সত্যি সত্যি কলেজে পা রাখলাম! কিন্তু বোকার মত এত খরুচে একটা কলেজ বেছে নিলাম যে বেচারী বাবা মার সারা জীবনের সঞ্চয় জলের মত খরচ হতে লাগলো আমার পিছনে! এভাবে ছয় মাস চলার পর ভেবে দেখলাম ভুল সবই ভুল। আমি যে আসলে জীবনে কি করতে চাই সেটাই ভেবে পাচ্ছি না। কলেজের পড়ালেখা বিরাট যন্ত্রণা, এই আপদ বয়ে বেড়ানোর কোন মানে দেখলাম না। হুট করে সিদ্ধান্ত নিলাম ড্রপ আউট হয়ে যাই!
ঠান্ডা মাথায় ভাবতে গেলে নিজেকে বেকুব মনে হওয়ার কথা। কিন্তু আমার কেন যেন অনুভব হলো একদম ঠিক কাজ করেছি! মন যদি নাই টেকে কেন তবে ঝুলে থেকে খামাখা নিজেকে কষ্ট দেওয়া?!
সুতরাং কয়দিন পর দেখা গেল আমি মহানন্দে ক্লাস করা ছেড়ে দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি ক্যাম্পাসে! বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে ঘুরাঘুরি করি, যখন যেই ক্লাস ইন্টারেস্টিং লাগে সেখানে ঢুঁ মেরে আসি।
ব্যাপারটা কাগজে কলমে খুব বিপ্লবী শোনাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে রোমান্টিসিজমের ছিঁটেফোঁটাও ছিল না! যেহেতু আমি আর ছাত্র না, সুতরাং কোন রুম পেলাম না। সারাদিন দৌড়াদৌড়ি করে রাতে বন্ধুদের রুমের মেঝেতে মরার মত ঘুমাই। পকেটে কোন পয়সা নাই, কাউকে কিছু বলতেও পারি না লজ্জায়। ক্ষিধেয় চোখে অন্ধকার দেখি। কোকের বোতল কুড়িয়ে ফেরত দিলে পাঁচ সেন্ট করে দেয়, আমি এই কাজ করে খাওয়ার খরচ জোটানো শুরু দিলাম। প্রতি রবিবার সাত মাইল হেঁটে হরে কৃষ্ণ মন্দিরে যেতাম, সেখানে মুফতে বড় ভাল খাবার মিলতো সেদিন !
মজার ব্যাপার হলো এত দুঃখ কষ্টের মাঝেও আমার কোন আফসোস ছিল না। এই ভবঘুরে জীবন নিয়ে বেশ ছিলাম। যখন যেটাতে আগ্রহ পাই সেটা নিয়ে লেগে থাকি। ব্যাপারটা যে কত সুদূরপ্রসারী ছিল তার একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই-
কলেজে হঠাত একবার ক্যালিগ্রাফি কোর্স চালু হলো। ক্যাম্পাসের দেয়ালে দেয়ালে পোস্টারে, ড্রয়ারের লেবেল পর্যন্ত অসম্ভব সুন্দর ক্যালিগ্রাফি দিয়ে সাজানো। আমি বড় মুগ্ধ হলাম দেখে। যেহেতু কোন কাজ নেই, ভর্তি হলাম ক্যালিগ্রাফি কোর্সে। সারাদিন এটা নিয়েই পড়ে থাকি। টাইপোগ্রাফির যত খুঁটিনাটি, বিভিন্ন রকম ফন্ট, কালির ব্যবহার আরো কত কী শিখলাম। আমি বিজ্ঞানের মানুষ, শিল্পের এই প্রগাঢ় সৌন্দর্যের জগৎ আমাকে বিমোহিত করলো। শিল্পের প্রতি আমার জন্ম নিল গভীর আবেগ।
এই তুচ্ছ ক্যালিগ্রাফি কোর্স আমার জীবনে কোন কাজে লাগার কথা না। (যদি না আমি পোস্টারে লেখালেখির কাজ করে জীবন চালানোর কথা ভাবি!) কিন্তু বছর দশেক পর একটা দারুণ ব্যাপার ঘটলো! আমরা যখন প্রথম ম্যাক কম্পিউটার ডিজাইন করছিলাম, তখন আমার মনে ভীড় করলো সেই কলেজ জীবনে ক্লাস বাদ দিয়ে শেখা ক্যালিগ্রাফি কোর্সের কথা। দেখা গেল এতদিন পরেও কিছুই ভুলিনি, সব ঠিকঠাক মনে আছে! আমরা পরম মমতায় ম্যাক কম্পিউটারকে সাজালাম অসম্ভব সুন্দর সব টাইপোগ্রাফি দিয়ে।
একবার ভেবে দেখো তো, আমি যদি সেদিন ড্রপ আউট হয়ে এই ক্যালিগ্রাফি না শিখতাম, তাহলে ম্যাক কম্পিউটারে আগের খটোমটো ডিজাইনই থেকে যেতো। আর উইন্ডোজও যেহেতু আমাদের ডিজাইন চোখ বুঁজে মেরে দিয়েছে (!), সুতরাং বলাই যায়, সেদিনের সেই পাগলামিটা না করলে আজ পৃথিবীর কোথাও কম্পিউটারে এমন মন জুড়ানো টাইপোগ্রাফি হয়তো থাকতো না!
আমি যখন ক্যালিগ্রাফি শিখলাম, তখন কি আদৌ জানতাম আমার এই জ্ঞান একদিন পৃথিবী বদলে দেবে? এটাই হচ্ছে জীবনের আনন্দ। তুমি যখন কিছু শেখো, নতুন কিছু করো, ক্লাসের পড়ালেখার বাইরেও বিভিন্ন কাজে অংশ নাও, মনে হতে পারে এসব করে কী হবে?! কিন্তু দশ বছর পর যখন স্মৃতির পাতা উল্টাবে, তখন দেখবে এই টুকরো টুকরো পরিশ্রমগুলোর কি সুন্দর এক সুতোয় বাঁধুনি হয়েছে তোমার জীবনে! সুতরাং তুমি যাই কিছু করো না কেন, বিশ্বাস রেখো সবসময় নিজের উপর। একদিন তারায় তারায় রটিয়ে দেবে তোমার গল্প, এই অসম্ভব দৃঢ় বিশ্বাসটাই দেখবে বদলে দেবে জীবন চিরদিনের জন্য!
আমার দ্বিতীয় গল্পটা ভালবাসা নিয়ে। ভালবাসবার এবং হারাবার।
নেশা আর পেশা যার মিলে যায় সে বড় ভাগ্যবান। আমি খুব কম বয়সেই আমার ভালবাসার জায়গাটা খুঁজে পেয়েছিলাম। ওজ এবং আমি যখন বাসার গ্যারেজে অ্যাপলের যাত্রা শুরু দিলাম তখন আমার বয়স মাত্র বিশ! রাতদিন উন্মাদের মত খাটতাম আমরা। দেখা গেল মাত্র দশ বছরের মাথায় সেই গ্যারেজের ঘুঁপচিতে জন্ম নেওয়া অ্যাপল এখন দুই বিলিয়ন ডলারের বিশাল এক প্রতিষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে চার হাজারেরও বেশি মানুষ কাজ করে! আমার তিরিশতম জন্মদিনের কয়দিন পরই বাজারে আসলো অ্যাপলের কালজয়ী উদ্ভাবন- দ্যা ম্যাকিন্টশ।
এবং তারপর পরই আমাকে অ্যাপল থেকে বের করে দেওয়া হলো !
কি আজব কান্ড! নিজের হাতে তৈরি করা একটা প্রতিষ্ঠান থেকে কিভাবে কেউ তোমাকে বের করে দেয়? ঘটনা হচ্ছে অ্যাপল যখন বড় হতে লাগলো, তখন এই বিপুল কাজের চাপ সামলানোর জন্য আমরা একজন চৌকস লোককে এনেছিলাম। কয়দিন পর দেখা গেল তার সাথে আমার চিন্তাভাবনা মিলছে না। অ্যাপলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার আর আমার পরিকল্পনায় আকাশ-পাতাল ফারাক! তখন দুজনের মাঝে বেশ ধুন্ধুমার কান্ড বেঁধে গেল, এবং অ্যাপলের পরিচালনা পর্ষদের সবাই গম্ভীর মুখে জানিয়ে দিলো তাদের সমর্থন ওর সাথেই আছে! সুতরাং মাত্র তিরিশ বছর বয়সে আমাকে নিজের হাতে তিল তিল করে গড়ে তোলা কোম্পানি থেকে রীতিমত ঢাকঢোল বাজিয়ে বের করে দেওয়া হলো! সারা জীবনের ভালবাসা আর সাধনা এক ফুঁৎকারে উড়ে গেল বাতাসে। আমার বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেল কষ্টে।
এরপর বেশ কিছুদিন আমি দিশেহারার মত ঘুরে বেড়ালাম। ভেতরটা একদম এলোমেলো লাগছিলো। একবার ভাবলাম সব ছেড়েছুড়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যাই! কিন্তু এত দুঃখের মাঝেও একটা জিনিস অনুভব করলাম- আমার ভালবাসাটা হারিয়ে যায়নি!
অ্যাপল থেকে অপমানিত হয়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছে আমাকে, সবার কাছে ব্যর্থতার প্রতীক এই স্টিভ জবস, কিন্তু তাতে আমার ভালবাসার নক্ষত্র এতটুকু ম্লান হয়নি! আমি ঠিক করলাম সবকিছু নতুন করে শুরু করবো।
প্রকৃতির এই এক লীলাখেলা। অ্যাপল থেকে ছাঁটাই হওয়ার পর আমার মনে হচ্ছিল লজ্জায় মাটিতে মিশে যাই! কিন্তু পিছন ফিরে তাকালে মনে হয়- আরে! এর থেকে চমৎকার আর কিইবা হতে পারতো জীবনে! সাফল্যের একটা বিশাল ভার আছে। হাজারো প্রত্যাশা আর দম্ভ বুকের মাঝে পাথর হয়ে চেপে বসে। সবসময় একটা গন্ডির ভিতর চলতে হয়, চাইলেই যা ইচ্ছা করা যায় না। কিন্তু আমি যেহেতু সবকিছু একদম নতুন করে শুরু করছি, আমার এরকম কোন ঝামেলা নেই! যা ইচ্ছা, যেমন খুশি তেমন চলার আনন্দে বিভোর আমি প্রত্যাশার শিকল ভেঙ্গে ডুব দিলাম সৃজনশীলতার এক অপূর্ব জগতে!
পরের পাঁচ বছরে আমি “নেক্সট” নামে একটা কোম্পানি খুললাম। তারপর “পিক্সার” নামে আরো একটা, এবং প্রেমে পড়লাম অসাধারণ এক রমণীর, বিয়ে করে ফেললাম দুজনে! এই পিক্সার থেকেই আমরা বের করলাম পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার এনিমেটেড ফিল্ম “টয় স্টোরি”। এখন তো পিক্সার পৃথিবীর সবচেয়ে সফল এনিমেশন স্টুডিও!
এইসময় দারুণ চমকপ্রদ এক কাহিনী ঘটলো!অ্যাপল নেক্সটকে কিনে নিলো আমি আবারও ফিরে আসলাম প্রাণের প্রতিষ্ঠানে! নেক্সটে আমরা যেই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছিলাম সেটার উপর ভিত্তি করেই অ্যাপলের আজ এই জয়জয়কার। লরেন আর আমি দুজনে গড়ে তুললাম দারুণ সুখী একটি পরিবার।
আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি সেদিন অ্যাপল থেকে ছাঁটাই না হলে এই অসাধারণ ব্যাপারগুলো ঘটতোই না আমার জীবনে! এটাই তো জীবনের আনন্দ, মাঝেমধ্যে এমন সব ঘটনা ঘটবে যে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে তোমার। কিন্তু হাল না ছাড়লেই দেখবে সবকিছু নতুন করে আরো সুন্দর হয়ে উঠছে! জীবনের রংধনু আরো বর্ণিল হয়ে দেখা দিচ্ছে তোমার কাছে!
‘’অনিবার্য মৃত্যু আমাকে গ্রাস করতে এসেছিলো, অথচ কি অবাক বিস্ময়ে বেঁচে রইলাম আমি ’’
ভালবাসার জায়গাটি খুঁজে পাওয়ার চেয়ে সুন্দর আর কিছু হয়না। জীবনের নেশাই হয়ে উঠুক পেশা। ম্যাড়ম্যাড়ে ছাপোষা একটা জীবন কাটানোর কোন মানে হয়? জীবন এত সস্তা না। তোমার মাঝে যেই ছাইচাপা বারুদ আছে, সেটাকে বের করে আনো। জ্বালিয়ে দাও পৃথিবী ভালবাসার উচ্ছ্বাসে। মহৎ কিছু করো, পৃথিবীর যে বড় প্রয়োজন তোমাকে।
জগৎটাকে ঘুরে দেখো, উপলব্ধি করো জীবনের মানে। দেখবে, আপনা থেকেই অনুভব করবে কোন কিছুর প্রতি একটা তীব্র আবেগ। যে স্বপ্নের তাড়নায় ছুটে চলা যায় হাজার বছর অটল পরিশ্রমে।
কাজের মধ্যেই ভালবাসা, কাজের মধ্যেই জীবন। জীবন্মৃতের মতো বেঁচে থাকার প্রশ্নই উঠে না। তোমার ভালবাসার নক্ষত্রটি খুঁজে বের করো। হাল ছেড়ো না। কক্ষনো না।
# আমার তৃতীয় গল্পটা মৃত্যু নিয়ে।
আমার বয়স যখন সতের, তখন কোথায় যেন পড়েছিলাম- “যদি প্রত্যেকদিন এমনভাবে কাটাও যেন আজই তোমার জীবনের শেষ দিন, একদিন না একদিন ব্যাপারটা সত্যি হবেই!” এই উক্তিটি আমাকে গভীরভাবে অভিভূত করলো। আমি বিগত তেত্রিশ বছর প্রতিদিন সকালে আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে বলি, “তুমি আজ যা যা করবে প্ল্যান করেছ, আজ যদি তোমার জীবনের শেষ দিন হতো তবুও কি তাই করতে?”
যদি দেখি যে বেশ কয়দিন হয়ে যাচ্ছে আমি উত্তরে নিজেকে “হ্যা” বলতে পারছি না, বুঝতাম একটা কিছু পরিবর্তন করা দরকার শীঘ্রই!
“মরে তো একদিন যাবোই!” এই কথাটা মাথায় থাকলে জীবনের কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নেওয়াও একদম জলের মত সহজ হয়ে যায়। জীবনটাকে আসলে আমরা অনেক জটিল করে তুলি। মৃত্যু তো একদিন আসবেই! চারপাশের মানুষের প্রত্যাশা, গর্ব, হেরে যাওয়ার ভয়- এই জঞ্জালগুলো আমাদের মাথায় বোঝা হয়ে চেপে বসে। অথচ এগুলো কত তুচ্ছ একেকটা বিষয়! একশ বছর পর কেউ মনে রাখবে না তুমি ক্লাস নাইনে একটা পরীক্ষায় খারাপ করেছিলে!
মৃত্যু আছে বলেই জীবনটাকে আমি অনেক সহজভাবে নিতে পারি। পৃথিবীতে এসেছিলাম একদম নগ্ন হয়ে। ফিরেও যেতে হবে তেমনি খালি হাতে। হারানোর কিছুই নেই আমাদের। তাহলে কেন খামাখা মানুষের প্রত্যাশার চাপ বয়ে বেড়ানো? তোমার হৃদয় যা বলে, মন যা চায়, সেটাই তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ!
বছরখানেক আগে আমার ক্যান্সার ধরা পড়লো। ডাক্তার থমথমে মুখে জানালেন, আমার ক্যান্সারটা সেরে যাবার সম্ভাবনা খুব কম। মাস ছয়েক বেঁচে থাকতে পারলে সেটাই হবে পরম পাওয়া! স্ক্যানে দেখা গেল আমার প্যানক্রিয়াস একটা টিউমার ধরা পড়েছে। প্যানক্রিয়াস কি জিনিস সেটাই আমি জানি না!
ডাক্তার বললেন বাসার গিয়ে বিশ্রাম নিতে। পরিবারের সাথে সময় কাটাতে। সবকিছু গোছগাছ করে নিতে।
আমি বুঝলাম বিদায়ের ঘন্টা বেজে গেছে। আমার বাচ্চাগুলো কি সুন্দর প্রাণবন্ত, ওদের হাসি দেখলেই মন জুড়িয়ে যায়! তাদেরকে আমি কিভাবে বলবো, বাবা কিন্তু আর বেশিদিন নেই তোমাদের কোলে নিতে? আমার বুকটা ভেঙে গেল।
আমি সারাদিন ডায়াগনোসিস এর কাগজটা হাতে নিয়ে বসে থাকলাম। সন্ধ্যায় আরেকটা বায়োপসি করানো হলো, আমার গলার ভেতর এন্ডোস্কোপ ঢুকিয়ে সেই টিউমারের কিছু কোষ নিলেন তারা। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে যখন ফলাফলের পালা আমার স্ত্রী দেখলেন ডাক্তারের চোখ অশ্রুসিক্ত! তিনি ডুকরে উঠে জানালেন, আমি অসম্ভব সৌভাগ্যবান একজন মানুষ! আমার ক্যান্সারটা খুব বিরল পর্যায়ের, যেটা অস্ত্রোপচার করে সারানো সম্ভব!
আমি সেই অস্ত্রোপচারটা করালাম এবং এখন আমি একদম সুস্থ একজন মানুষ!
মৃত্যুকে এত কাছে থেকে আমি আর কখনো দেখিনি। অনিবার্য মৃত্যু আমাকে গ্রাস করতে এসেছিলো, অথচ কি অবাক বিস্ময়ে বেঁচে রইলাম আমি! এই অভিজ্ঞতার পর মৃত্যু নিয়ে আমার এক গভীর উপলব্ধি হলো।
মরতে চায় না কেউ এ সুন্দর ভুবনে। যে মানুষটা স্বর্গে যাবার স্বপ্নে বিভোর সেও কিন্তু মারা যেতে চায়না এতো তাড়াতাড়ি! তবুও মৃত্যু আমাদের সবার শেষ গন্তব্য। আমার মনে হয় কি, প্রকৃতির সবচেয়ে চমৎকার উদ্ভাবন এই মৃত্যু! প্রকৃতি একঘেয়েমি পছন্দ করে না। সে পুরনোদের সরিয়ে দেয় নতুনের আবাহনে।
আজ পৃথিবী তোমাদের, সামনে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। কিন্তু দেখতে দেখতে একদিন তোমরাও বুড়িয়ে যাবে, প্রকৃতি মুছে দেবে তোমাদের কোলাহল। ব্যাপারটা যদিও খুব নাটকীয় শোনাচ্ছে, কিন্তু এটাই যে বাস্তবতা!
আমাদের জীবনটা কত ছোট, কত মূল্যবান! সারা পৃথিবী ঘেঁটে তোমার মত ঠিক আরেকটা তুমি কোথাও পাওয়া যাবে না! এই জীবনটা অন্যদের মত হতে চেয়ে কেন নষ্ট করবে! লোকে কি বললো, কি ভাবলো সেটা নিয়ে ভাবার কোন মানে হয়? এই যে তোমার বুকের ভেতর একটা স্বপ্নের বীজ, সেটাকে বাড়তে দাও। ডালপালা মেলতে দাও। ছড়িয়ে দাও তোমার স্বপ্ন!
বিশ্বাস করো, তোমার ভেতরের স্বপ্নটাকে অনুসরণ করে কখনো ঠকবে না। সে কিভাবে যেন সবসময় আগে থেকেই জানে আমাদের জন্য কোনটা সবচেয়ে ভাল! সেই তোমাকে পথ দেখাবে অন্ধকারে। উড়িয়ে দেবে বিজয়ের নিশান। আমাদের ছোটবেলায় খুব চমৎকার একটা প্রকাশনা ছিলো “The Whole Earth Catalog” নামে। আমাদের প্রজন্মের কাছে সেটা ধর্মগ্রন্থের চেয়ে কিছু কম ছিলো না! স্টুয়ার্ট ব্র‍্যান্ড নামে এক অসাধারণ মানুষ ছিলেন এই পত্রিকার প্রাণপুরুষ। তিনি পরম মমতায় পত্রিকাটিকে গড়ে তুলেছিলেন অসাধারণ কাব্যিক ছোঁয়ায়। ষাটের দশকের সেই সময় কম্পিউটারের সুবিধা ছিল না। তাই পোলারয়েড ক্যামেরায় ছবি তুলে, হাতে কাঁচিতে কেটে, টাইপরাইটারে লিখে মহা ধকলের মধ্য দিয়ে ছাপাতে হতো একেকটা প্রকাশনা! অনেক মানুষের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে সেটা হয়ে উঠতো অনন্য। এখন তোমাদের কাছে গুগল যেমন, সেই পঁয়ত্রিশ বছর আগে আমাদের কাছে পত্রিকাটা ছিল অনেকটা তেমনি। কি অপুর্ব জীবনবোধ, আনন্দ আর জ্ঞানের মিশেল ছিল পত্রিকাটির পাতায় পাতায়!
স্টুয়ার্ট আর তার দল নিরলস নিষ্ঠা আর সাধনায় অনেকগুলো সংখ্যা বের করলেন প্রকাশনাটির। তারপর যখন বিদায়ের পালা আসলো, তারা সবটুকু আবেগ ঢেলে প্রকাশ করলেন “The Whole Earth Catalog”, শেষবারের মতো। সময়টা ছিল সত্তরের দশকের মাঝামাঝি। আমার বয়স তখন তোমাদের মতোই। আমি ছলছল চোখে স্টুয়ার্ট আর তার দলের সেই শেষ সংখ্যাটি হাতে নিলাম। পিছনের কভারজুড়ে একটা ছবি। খুব সুন্দর একটি গ্রামের মেঠোপথ। সকালের সূর্যের ঝলমলে রোদ। চারপাশের গাছপালা চোখজুড়ানো সবুজে ঘিরে রেখেছে। তার মাঝ দিয়ে পথটা চলে গেছে বহুদূর। মিশে গেছে দিগন্তে।
তার নিচে লেখা, “ক্ষুধার্ত থেকো। বোকা থেকো।”
এটা ছিলো বিদায়বেলায় তাদের শেষ উপহার আমাদের জন্য। আমি সারাজীবন এই কথাটি গভীর আবেগে মনে রেখেছি। সবসময় চেয়ে এসেছি তেমনটাই যেন থাকতে পারি চিরদিন। আজ আমার পালা ফুরোল। তোমাদের সামনে এক নতুন দিগন্ত। এগিয়ে যাও নবীন প্রাণের উচ্ছ্বাসে। তোমাদের কাছে আমার শুধু একটাই চাওয়া।
ক্ষুধার্ত থেকো। বোকা থেকো।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে আপনাকে কত ফি পরিশোধ করতে হবে ? না জানলে জেনে নিনঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী :
* লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী: –
(ক) ০১ (এক) ক্যাটাগরি-৩৪৫/-টাকা (শুধু মোটরসাইকেল অথবা শুধু হালকা মোটরযান অর্থাৎ যে কোনো এক ধরণের মোটরযান)
(খ) ০২ (দুই) ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা (মোটরসাইকেল এবং হালকা মোটরযান একসাথে অর্থাৎ মোটরসাইকেলের সাথে যে কোনো এক ধরণের মোটরযান)
* স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী :-
(ক) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী – ১৬৮০/-টাকা (০৫ বছরের নবায়ন ফীসহ)
(খ) অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফী – ২৫৪২/-টাকা (১০ বছরের নবায়ন ফীসহ)
* ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফী: –
(ক) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফী – মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ১৫৬৫/- টাকা;
(খ) অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ফী – মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিনের মধ্যে হলে ২৪২৭/- টাকা;
(গ) পেশাদার ও অপেশাদার উভয় ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ দিন পার হলে প্রতি বছরের জন্য ২৩০/- টাকা হরে জরিমানা প্রদান করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রতিলিপি ফী:
(ক) হাই সিকিউরিউটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ৮৭৫/-টাকা।
সুত্রঃ বিআরটিএ

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গত কয়েক মাস ধরে-আলোচনা সমালোচনার বিষয়-ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের সনদের মান কিসের সমমান ?
বেশির ভাগ লোকই বলছে এইচএসসি সমমান | অথচ তারা প্রমাণ হিসেবে কিছু চাকরি বিজ্ঞপ্তি ছাড়া আর কিছুই উপস্থাপন করতে পারছে না | অথচ বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের সরকারি ওয়েব সাইট ঘুরে দেখা যায় যে, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মান গ্রেড-১৪ যেখানে এইচএসসি’ র মান গ্রেড-১২ | এবং অনার্সের মান গ্রেড – ১৬ |
এছাড়া এইচএসসিকে দেখানো হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরে আর ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংকে দেখানো হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষা স্তরের মাঝামাঝি স্থানে |
এবার আসি চাকরি ক্ষেত্রেঃ-
একজন এইচএসসি সনদ-ধারী তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন, বেতন স্কেল – মূল বেতন ৪৭০০/- সর্বসাকুল্যে ৯৭৪৫/- এবং তাকে সারাজীবন একই পদে চাকরি করে যেতে হয় অর্থাৎ তার কোন পদোন্নতি হয় না |
আর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন | বেতন স্কেল-মূল বেতন ৮০০০/ -সর্বসাকুল্যে ১৬৫৪০/- তারা ক্রমে ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা হতে পারেন |যা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত কাউকে পেতে হলে অন্ততপক্ষে মাস্টার্স অথবা বিসিএসধারী হতে হয় |
অনেকেই আবার বলছেনঃ-
আমরা যদি ডিপ্লোমা পড়ে আবার বিএসসি করি তবে জেনারেলদের চেয়ে আমাদেরকে দুই বছর বেশি সময় ব্যয় করতে হয় |
হ্যাঁ কথা সত্য |তবে এখানে আপনি দুটি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পাচ্ছেন |
১. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী।
২.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গল্প-১
বাবা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে
দেখল, পাশের বাসার করিম সাহেব দাঁড়িয়ে।

ছেলে কিছু বলার আগেই করিম সাহেব বললেন,
‘আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দেব, যদি তুমি ১০ বার কান ধরে উঠবস কর।’

বুদ্ধিমান ছেলে অল্প কিছুক্ষণ চিন্তা করেই কান ধরে উঠবস শুরু করল, প্রতিবার উঠবসে ৫০ টাকা বলে কথা। শেষ হতেই করিম সাহেব ৫০০ টাকার নোট ছেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।

বাবা বাথরুম থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে ছিল দরজায়?’
‘পাশের বাসার করিম সাহেব’, উত্তর দিল ছেলে।
‘ও’, বললেন বাবা, ‘আমার ৫০০ টাকা কি দিয়ে গেছেন?’

শিক্ষণীয়বিষয় আপনার ধারদেনার তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের থেকে গোপন করবেন না। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাবেন।

গল্প-২
সেলসম্যান, অফিস ক্লার্ক ও ম্যানেজার দুপুরে খেতে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁরা একটি পুরোনো প্রদীপ পেলেন।
তাঁরা ওটাতে ঘষা দিতেই দৈত্য বের হয়ে এল।

দৈত্য বলল, ‘আমি তোমাদের একটি করে ইচ্ছা পূরণ করব।’ ‘আমি আগে!
আমি আগে!’
বললেন অফিসক্লার্ক, ‘আমি বাহামা সমুদ্রপারে যেতে চাই, যেখানে অন্য কোনো ভাবনা থাকবে না, কাজ থাকবে না।’
‘ফুঃ...!!’ তিনি চলে গেলেন।

‘এরপর আমি! এরপর আমি!’ বললেন সেলসম্যান,
‘আমি মায়ামি বিচে যেতে চাই, যেখানে শুধু আরাম করব।’
‘ফুঃ...!!’ তিনিও চলে গেলেন।

‘এখন তোমার পালা’, দৈত্য ম্যানেজারকে বলল।
ম্যানেজার বললেন, ‘আমি ওই দুজনকে আমার অফিসে দেখতে চাই।’

শিক্ষণীয়বিষয় -
সব সময় বসকে আগে কথা বলতে দেবেন। তা না হলে নিজের কথার কোন মূল্য থাকবেনা।

গল্প-৩
একটি ইগল গাছের ডালে বসে আরাম করছিল। এমন সময় একটি ছোট খরগোশ ইগলটিকেদেখে জিজ্ঞেস করল, ‘আমিও কি তোমার মতো কিছু না করে এভাবে বসে আরাম
করতে পারি?’

ইগল উত্তর দিল, ‘অবশ্যই, কেন পারবে না।’

তারপর খরগোশটি মাটিতে এক জায়গায় বসে আরাম করতে থাকল। হঠাত্ একটি শিয়াল এসে হাজির, আর লাফ দিয়ে খরগোশকে ধরে খেয়ে ফেলল।

শিক্ষণীয়বিষয় -
যদি কোনো কাজ না করে বসে বসে আরাম করতে চান, তাহলে আপনাকে অনেক ওপরে থাকতে হবে।

গল্প-৪
একটি মুরগি ও একটি ষাঁড় আলাপ করছিল।

'আমার খুব শখ ওই গাছের আগায় উঠব, কিন্তু আমার এত শক্তি নেই’, মুরগিটি আফসোস করল।

উত্তরে ষাঁড়টি বলল, ‘আচ্ছা, তুমি আমার গোবর খেয়ে দেখতে পার, এতে অনেক পুষ্টি আছে।’

কথামতো মুরগি পেট পুরে গোবর খেয়ে নিল এবং আসলেই দেখল সে বেশ শক্তি পাচ্ছে।

চেষ্টা করে সে গাছের নিচের শাখায় উঠে পড়ল।

দ্বিতীয় দিন আবার খেল, সে তখন এর ওপরের শাখায় উঠে গেল। অবশেষে চার দিন পর মুরগিটি গাছের আগায় উঠতে সক্ষম হলো।
কিন্তু খামারের মালিক যখন দেখলেন মুরগি গাছের আগায়, সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুলি করে তাকে গাছ থেকে নামালেন।

শিক্ষণীয়বিষয়
ফাঁকা বুলি (বুল শিট) হয়তো আপনাকে অনেক ওপরে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনি বেশিক্ষণ ওখানে টিকে থাকতে পারবেন না।

গল্প-৫
একটি পাখি শীতের জন্য দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এত ঠান্ডা ছিল যে পাখিটি শীতে জমে যাচ্ছিল এবং সে একটি বড় মাঠে এসে পড়ল।

যখন সে মাঠে পড়ে ছিল, একটি গরু তার অবস্থা দেখে তাকে গোবর দিয়ে ঢেকে দিল। কিছুক্ষণ পর পাখিটি বেশ উষ্ণ অনুভব করল। যখন গোবরের গরমে সে খুব ঝরঝরে হয়ে
উঠল, আনন্দে গান গেয়ে উঠল।

এমন সময় একটি বিড়াল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, পাখির গান শুনে খুঁজতে লাগল কোথা থেকে শব্দ আসে। একটু পরই সে গোবরের কাছে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোবর খুঁড়ে পাখিটিকে বের করে তার আহার সারে।

শিক্ষণীয়বিষয়
১. যারা আপনার ওপর কাদা ছোড়ে, তারা সবাই-ই আপনার শত্রু নয়।
২. যারা আপনাকে পঙ্কিলতা থেকে বের করে আনে, তারা সবাই-ই আপনার বন্ধু নয়।
৩. এবং যখন আপনি গভীর পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত, তখন মুখ বেশি না খোলাই শ্রেয়।

 

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একদিন এক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকে বলল , ‘আজ একটা পরীক্ষা নেব তোমাদের ,প্রস্তুত হয়ে যাও’। ছাত্রছাত্রীরা একটু অবাক হয়ে অপেক্ষা করতে থাকল। এরপর প্রফেসর সবাইকে প্রশ্নপত্র দিয়ে লেখা শুরু করতে বলল। কিন্তু প্রশ্ন পত্রে শুধু একটা কালো বিন্দু ছিল, আর কিছুই না। ছাত্রছাত্রীরা একটু অবাক হয়ে গেল। প্রফেসর তখন বললেন , তোমরা যা দেখছো তাই নিয়েই লিখো।
লেখা শেষ হয়ে গেলে সবার খাতা নিয়ে নিলেন প্রফেসর। এরপর এক এক করে জোরে জোরে সবার সামনে পড়তে শুরু করলেন। সবাই কালো বিন্দু নিয়ে লিখেছে , বিন্দুটি কাগজের কোথায় আছে , সেটি কেমন তার বর্ণনা।
পড়া শেষ হয়ে গেলে সবাই চুপ করে গেল। এরপর প্রফেসর বলতে শুরু করলেন, ‘ আমি তোমাদের কাউকে এর উপর নাম্বার দেয়ার জন্য পরীক্ষা নেইনি। বরং কিছু চিন্তা করার জন্য নিয়েছি। কেউ প্রশ্নপত্রের বিশাল সাদা অংশ নিয়ে কিছুই লেখেনি। সবাই কালো বিন্দুটা নিয়েই চিন্তা করেছে। এই একই ব্যাপার আমাদের জীবনে ঘটে। আমাদের জীবনে কাগজের সাদা অংশের মত এমন অনেক কিছু আছে চিন্তা করার মত অথচ আমরা সবাই কালো বিন্দুটা নিয়েই পড়ে থাকি।জীবন আমাদের একটা উপহার , প্রতিদিন ভাবার মত আনন্দ করার মত , অবাক হওয়ার মত অজস্র বিষয় ঘটে থাকে আমাদের জীবনে। অথচ আমরা জীবনের খুব সামান্য নেগেটিভ অংশের দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ ব্যয় করি। এজন্য মনে হয় জীবন মানেই সমস্যা।
তোমাদের চোখ ওই কালো বিন্দু থেকে সরিয়ে নাও , প্রত্যেকটা মুহূর্তের আনন্দ উপভোগ কর যা যা জীবনে পড়ে আছে কাগজের সাদা অংশের মত।'

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

Rx প্রতিকটি আমাদের বেশ পরিচিত। ডাক্তারের যেকোন পেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্রের দিকে তাকালে এই শব্দ যুগল আমাদের চোখে পড়ে। কারো কারো মনে হয়তো কখনও এ প্রশ্নটি উঁকি দিয়েছে, কি এই Rx?
Rx-এর R এর অর্থ ‘রেসিপি’ (recipe)। আদেশসূচক বাক্যের ক্রিয়া হিসেবে ‘রেসিপি’ বা R বোঝায় ‘এটা লও’ (take this)। ব্যবহারিক অর্থে Rx এখন ‘পেসক্রিপশন’ বা সাধারণ অর্থে ‘ঔষধ’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এবার একটু পৌরাণিক গল্পে যাওয়া যাক। R-এর লেজে এর J-মতো যে অংশটি আছে সেটা নাকি রোমান দেবতা জুপিটারের (Jupiter) চিহ্ন। এটা যোগ করে আদেশসূচক বাক্যটির অর্থ আরেকটু সম্প্রসারণ করা হয়। R-এর ‘এটা লও’ এর সাথে এখন জুপিটার বাবু যুক্ত হওয়াতে Rx-এর অর্থ এমন দাড়ায়- ‘এটা লও, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করবেন’।
Rx-এর সাথে প্রাচীন মিশরের একটি গল্পও মিশে আছে। সেটা হলো ‘হরুস’ দেবতার চোখ। গ্রামে-গঞ্জে তাবিজ যেভাবে প্রতিরক্ষা কবজ হিসেবে ব্যবহৃত হয় তেমনি প্রাচীন মিশরীয়দের প্রতিরক্ষা কবজ ছিল ‘হরুসের চোখ’। চোখের এই প্রতিকটি কালক্রমে Rx রূপ ধারণ করেছে বলে অনেকে মনে করেন।
Rx-এর মতো আরো বেশ কয়কেটি শব্দযুগল এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়; যেমন, Bx মানে ‘বায়োপসি’ (biopsy), Hx মানে ‘হিসট্রি’ এবং Ex মানে ‘এক্সজামিনেশন’।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

থাকবো ভাল..
আমার দেখার দরকার নেই তুমি কালো, সাদা, লম্বা, খাটো, মোটা , চিকন, ধনী নাকি গরীব। তুমি যদি আমার সাথে ভালো ব্যবহার করো, আমিও তোমার প্রতি ভালো হয়ে থাকবো।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ (সা)বলেছেন,যে চুপ থাকে সে নাজাত(মুক্তি)পায়। তিনি আরো বলেন,মুমিন জীবনের বৈশিষ্ট হলো তারা অল্প কথা বলবে, বিনা প্রয়োজনে কথা বলা থেকে বিরত থাকবে। হাসি মুখে থাকবে এবং প্রয়োজনে সদালাপ করবে। রাসূল (সা) আরো বলেন,মুমিন সেই যার হাত ও মুখের অনিষ্ঠতা থেকে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে।
তাই আমরা বলতে পারি চুপ থাকার উপকারিতা--
১.চুপ থাকা প্ররিশ্রম বিহীন ইবাদত ।
২. চুপ থাকা রাজত্ব বিহীন প্রভাব ।
৩. চুপ থাকা প্রাচীর বিহীন দুর্গ ।
৪. চুপ থাকা অস্ত্র বিহীন বিজয় ।
৫. চুপ থাকা মুত্তাকিগণের নিদর্শন ।
৬. চুপ থাকা জ্ঞানের ভান্ডার ।
৭. চুপ থাকা দোষ-ত্রুটির আচ্ছাদন ।
৮. চুপ থাকা বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক ।

রিয়াজ আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়ে: আমি যদি পড়ে যাই
তুমি কি আমাকে তুলবে?
ছেলে: না!
মেয়ে: আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কাঁন্না মুছিয়ে দেবে?
ছেলে: নাহ!
মেয়ে: আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনও কি আমাকে ভালবাসবে?
ছেলে: না!
মেয়ে: যাই হোক,কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!
এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!
ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বলল:
--আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!
কারন,আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!
--আমি তোমার দুঃখের কাঁন্না মুছে দিবো না!
কারন,আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!
--যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগবে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!
কারন,ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!
আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!সবসময় এবং সর্বদা!।

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৬১৫

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত