কেয়া _নাহিদা

@riktaparvin

কাল জালে বোনা এই নীল জীবন !
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1401602726000  থেকে আমাদের সাথে আছে

কেয়া _নাহিদা: [পিরিতি-কাছেআসো]দীর্ঘ দিন পর বেশতো তে আসলাম, পরিচিত মুখ ????

কেয়া _নাহিদা বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

না এটা কোনো কল্প কাহিনী নয় ,আমার দেখা একটা মেয়ে এর মা হবার সাতকাহন .মেয়ে টার নাম বেনু ,
মা হারা মেয়ে টার বিয়ে হয় অজানা অচেনা একটি ছেলে এর সাথে (বাবা এর ইচ্ছায়). বিয়ে এর ৩/৪ দিন এর মাঝেই মেয়ে টা বুঝতে শুরু করে তার বর আর সে দুই মেরুর দুই বাসিন্দা , বেনু চাইছিল বিয়ের বছর খানেক পরে বাচ্চা নিতে কিন্তু তার বর তখন ই নেবে এবং তাই হলো অপরিকল্পিত ভাবে বিয়ের ২ মাসেই বেনু  গর্ভবতী হলো .
যেহেতু তাদের বোঝা পরা ভালো ছিল না তাই বেনু বেশির ভাগ ই মন খারাপ করে থাকত . বর সকাল এ অফিস এর জন্য বের হয়ে যেত আর ফিরত রাত ১১.00 টায়. সারা দিন একা আর সাথে মানসিক কষ্ট সব মিলে গর্ভকালীন জটিলতা দেখা দিতে সময় লাগলো না .৪ থ মাস থেকেই ডাক্তার তাকে পুরোপুরি বিশ্রাম এ থাকতে বলল . কিন্তু কত টুকু আর সম্ভব ! তাকে দেখার জন্য তার মা নাই আর শশুর বাড়ির কেউ ও আসল না .
মাসে গিয়ে সে একদিন অনুভব করলো বাচ্চা নড়ছে না , বাসায় অনেক অতিথি ছিল তাই শত চিন্তার মাঝেও কাজ করতে হয়েছে .রাত ১১.০০ টায় বেনু তার পরিচিত এক ডাক্তার কে ফোন করে সব জানালে ,ডাক্তার তাকে তখন ই হাসপাতাল এ যেতে বলল . মগবাজার এর আদদ্দীন হাসপাতাল এ যেতেই তারা ভর্তি করে নিল . এই হাসপাতাল এর বিসেসত্ব হলো - --"এখানে ভিতরে কোনো পুরুষ মানুষ প্রবেশ করতে পারে না " আর বেনুর যেহেতু বর ছাড়া দেখার মত কেউ ছিল না তাই একা একা ই থাকতে হয়েছে . আল্ট্রা সনো করার পর dr বলল ভিতরে পানি কম আছে তাই পুরা পুরি বিছানায় শুয়ে আরো অনেক দিন হাসপাতাল এ থাকতে হবে . ২০/২৫ দিন একা একা হাসপাতালের দিন গুলো যে কতটা কষ্ট কর ছিল ......কারণ তাকে সহযোগিতা করার মত কেউ ছিল না , ওখানকার সেবিকা রা শুধু রক্তচাপ পরীক্ষা করত রুটিন করে আর বাচ্চার নড়াচড়া দেখত . তার বর বাইরে এসে মাঝে মাঝে প্রয়জনীয় জিনিস কিনে দিয়ে যেত ! দীর্ঘ সময় পর আবার পরীক্ষা করে dr বেনুকে জানালো এভাবেই বাসায় শুয়ে সময় পার করতে হবে আর যেখানে ভালো ইন্কুবেটার আছে সেখানে প্রসব করানোর জন্য .

যখন ৭ মাস তখন বেনুর বাম পাশের কোমরে বেশ বড় আকারের একটা ফোড়া হলো অথচ ডাক্তার তাকে বলেছে বাম দিকে ঘুরে ঘুমাতে , আর এর সাথে আবার শুরু হলো আক্কেল দাতের যন্ত্রণা কিন্তু কোনটার জন্যই তো ঔষধ খাওয়া যাবে না , বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে ! এত কষ্ট তার পরেও অপেক্ষা  কোলএ আসছে একটা ফুটফুটে বাবু . ................ খেতে পারে না , ঘুমাতে পারে না , দিন যে আর পার হতে চায় না .

অবশেষ এ তার ননদ আসল . সাড়ে সাত মাসে সে আবার ডাক্তার দেখাতে গেল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয় এ (ওখানকার ইনকুবেটার ভালো জেনে ), সাথে তার ননদ আর বর . তাদের আল্ট্রাসনো রুম এ রেখে বর চলে গেল অফিস এর কাজে . আল্ট্রাসনো শেষএ ডাক্তার তাকে কোনো রিপোর্ট না দিয়ে পাঠালো অন্য এক ডাক্তার এর কাছে . সে আরো দুই জন dr এর সাথে কথা বলে তখন ই ভর্তি হতে বলল , তাদের কথা থেকে বুঝলো অবস্থা ভালো নয় .তার ননদ ঢাকাতে নতুন কিছু চেনে না . PG হাসপাতাল এ এই বিল্ডিং থেকে ওই বিল্ডিং একা একা হেটে ভর্তির কাজ সে নিজেই করলো ,বর কে একবার ফোন করলো না , মনের কষ্টে .
ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো তে বাঁশি বাঁজাতে জানেন কে কে ?

কেয়া _নাহিদা বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ঠিক সময়ে অফিসে যায়?
ঠিক মতো খায় সকালবেলা?
টিফিনবাক্স সঙ্গে নেয় কি?
না ক্যান্টিনেই টিফিন করে?
জামা কাপড় কে কেচে দেয়?
চা করে কে আগের মতো?
দুগগার মা ক’টায় আসে?
আমায় ভোরে উঠতে হত
সেই শার্টটা পরে এখন?
ক্যাটকেটে সেই নীল রঙ টা?
নিজের তো সব ওই পছন্দ
আমি অলিভ দিয়েছিলাম
কোন রাস্তায় বাড়ি ফেরে?
দোকানঘরের বাঁ পাশ দিয়ে
শিবমন্দির, জানলা থেকে
দেখতে পেতাম রিক্সা থামল
অফিস থেকে বাড়িই আসে?
নাকি সোজা আড্ডাতে যায়?
তাসের বন্ধু, ছাইপাঁশেরও
বন্ধুরা সব আসে এখন?
টেবিলঢাকা মেঝের ওপর
সমস্ত ঘর ছাই ছড়ানো
গেলাস গড়ায় বোতল গড়ায়
টলতে টলতে শুতে যাচ্ছে
কিন্তু বোতল ভেঙ্গে আবার
পায়ে ঢুকলে রক্তারক্তি
তখন তো আর হুঁশ থাকে না
রাতবিরেতে কে আর দেখবে।
কেন, ওই যে সেই মেয়েটা।
যার সঙ্গে ঘুরত তখন।
কোন মেয়েটা? সেই মেয়েটা?
সে তো কবেই সরে এসেছে!
বেশ হয়েছে, উচিত শাস্তি
অত কান্ড সামলাবে কে!
মেয়েটা যে গণ্ডগোলের
প্রথম থেকেই বুঝেছিলাম
কে তাহলে সঙ্গে আছে?
দাদা বৌদি? মা ভাইবোন!
তিন কূলে তো কেউ ছিল না
এক্কেবারে একলা এখন।
কে তাহলে ভাত বেড়ে দেয়?
কে ডেকে দেয় সকাল সকাল?
রাত্তিরে কে দরজা খোলে?
ঝক্কি পোহায় হাজার রকম?
কার বিছানায় ঘুমোয় তবে
কার গায়ে হাত তোলে এখন
কার গায়ে হাত তোলে এখন?

কেয়া _নাহিদা: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

তাকে দেখতে আমার মতো
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে নিজেকে আয়নায় দেখি আর মনে হয় সেও কি - আমার মতই ওপাশে দাঁড়িয়ে পরজন্মের কথা ভাবছে! ভাবতে ভাবতে রাস্তায় নামি আর, চিন্তাগুলো ক্রমাগত জট পাকিয়ে সাদাকালো এলোমেলো জেব্রা-ক্রসিং হয়ে যায়। ইহলোকের ব্যস্ততাগুলো ভিড় করে আসে, আর একটু একটু করে হারিয়ে যাই প্রতিবার। দুপুরের ধোঁয়া, গোধূলীর ধুলো গায়ে মেখে বাসায় ফেরে চিল-কাক;
প্রহরে প্রহর বাড়ে, ইচ্ছেগুলো খাতায় জমা থাক। আমরা সুতো ফেলতে ফেলতে যাই আর দিনান্তে হা-ক্লান্ত পাখির মতো সুতো গোটাতে গোটাতে পথ চিনে ঠিক ঘরে ফিরে আসি। তারপর জীবনের জটিলতাগুলো জট পাকিয়ে ওঠে পরস্পর; ততক্ষণে আয়নার সামনে মিলিয়েছে ধুলো-ধোঁয়া, হারিয়েছে কাক-চিল আমি নয়, পড়ে থাকে অন্য কেউ তাকে দেখতে আমার মতো এটুকুই শুধু আদ্যপান্ত মিল।

কেয়া _নাহিদা: তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমানিশীথিনী-সম।। মম জীবন যৌবন মম অখিল ভুবন তুমি ভরিবে গৌরবে নিশীথিনী-সম।। জাগিবে একাকী তব করুণ আঁখি, তব অঞ্চলছায়া মোরে রহিবে ঢাকি। মম দুঃখবেদন মম সফল স্বপন তুমি ভরিবে সৌরভে নিশীথিনী-সম।।

ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল কত সুর কত গান মনে পড়ে গেল বলো ভালো আছো তো… বলো ভালো আছো তো ।।……………………..♪♪

ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

কেয়া _নাহিদা: গত কাল রাতে বিশেষ কোন কারন ছাড়াই মনটা অনেক খারাপ ছিল, অনেক রাত পর্যন্ত ঘুম আসেনি , দোয়া পড়তে পড়তে ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম, তার পর আর জানি না, যখন চেতনা ফিরল তখন আমার মেয়ের বাবার কণ্ঠ কানে আসছিল- কি হয়েছে, স্বপ্ন দেখেছ, কোথায় কষ্ট হচ্ছে ? আর পুরা শরীর কাপছিল। পরে শুনলাম আমি নাকি চিৎকার করে উঠে জ্ঞান হারানোর মত ছট ফট করছিলাম । বুঝলাম না , কেন এমন হল! কোন স্বপ্ন দেখেছি বলেও মনে করতে পারলাম না।

কেয়া _নাহিদা: [গুল্লু-তোমারজন্য]@Dukhomia শুভ জন্মদিন।

কেয়া _নাহিদা: [বসন্ত-একতোড়াফুল]@Rashida4 আপু তুমি কোথায় , অনেক দিন কথা হয় না..................।

কেয়া _নাহিদা: @dipty, দিদি - বেইলি রোড এর কাছাকাছি ছাত্রী হোস্টেল গুলর নাম জানা আছে কি ?

ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

শুভ সকাল

কেয়া _নাহিদা: একই বালিশ এ মাথা রেখে বছরের পর বছর কাটাবার পরও একজন আর একজনের ন্যূনতম পছন্দ টুকুর খোঁজ রাখে না ! বুকের সবটুকু ভালবাসা দিয়ে বড় করা হয় যে সন্তান, সেও এক লহমায় পর হয়ে যায় ! আজকের *কাছেরমানুষ* ভাবা মানুষটাও কাল যোজন যোজন দূরের হতে পারে ।

*কাছেরমানুষ* *কাছেরমানুষ*
ছবি

কেয়া _নাহিদা: ফটো পোস্ট করেছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৭,১৮৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও