মো আকছাদুর রহমান

@rubel

যে এখনও নিজেকে চিনেনা...........
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on ঢাকা
1349805600000  থেকে আমাদের সাথে আছে

মো আকছাদুর রহমান: *বইমেলা২০১৭* ছোটদের জন্য লেখা আমার প্রথম ছড়ার বই "খেঁকশিয়ালের বিয়ে বের হয়েছে। বইটি পাওয়া যাচ্ছে স্টল নং ৫৪৫, প্রকাশক : "ছোটদের বই"। বইটি ভাল লাগলে সকলে সংগ্রহ করুন.......আকছেদুর রহমান, প্রথম মহাগুরু বেশতো।

মো আকছাদুর রহমান: *বইমেলা২০১৭* ছোটদের জন্য লেখা আমার প্রথম ছড়ার বই "খেঁকশিয়ালের বিয়ে বের হয়েছে। বইটি পাওয়া যাচ্ছে স্টল নং ৫৪৫, প্রকাশক : "ছোটদের বই"। বইটি ভাল লাগলে সকলে সংগ্রহ করুন.......আকছেদুর রহমান, প্রথম মহাগুরু বেশতো।

মো আকছাদুর রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তখন আমি ঢাকায় প্রথম আসি, ৯৫/৯৬ এর ঘটনা। তখন ঢাকায় মেসে থাকতাম। আমার এক বড় ভাই ছিল, শাহিন ভাই। এফ ডি সি তে উনার পরিচিত মেহেরপুরের একজন জব করতেন নাম সম্ভবত তৈমুর। একদিন শাহিন ভাই আমাকে বলল এফ ডি সি বেরাতে যাবা? আমি তো এক বাক্যে রাজী। নায়ক নায়িকা দেখা তখন আমার কাছে ছিল স্বপ্নের মতো। যে কথা সেই কাজ। একদিন সকালে বের হলাম উনার সাথে। এবং এফ ডি সি এর ভিতরে গেলাম শাহিন ভায়ের পরিচিত তৈমুর ভায়ের মাধ্যমে। তখন গেটের ভিতরে ঢুকাটা কঠিন ছিল। কিন্ত ঢুকার পর খুব কাছে থেকে সুটিং ও অভিনেতাদের দেখা যেত। আমি তো খুবই আবেগ আপ্লুত ছিলাম। তখন বিক্ষোভ ছবির সুটিং দেখেছিলাম। “বিদ্যালয় মোদের বিদ্যালয়, এখানে সভ্যতারই ফুল ফোটান হয়” গানটির সুটিং দেখলাম, কিছু ফাইটিং দেখলাম। এসব দেখে আমার কাছে ফান মনে হচ্ছিলো, মিলাতে পারছিলাম না ক্যেমনে এসব ছবিতে চেঞ্জ হয়ে যায়। যায় হোক একে একে সালমান শাহ, সাবনুর, বুলবুল আহমেদ, টেলিসামাদ, সুজা খন্দকার উনাদের অটোগ্রাফ নিলাম। কাছে ক্যামেরা থাকলে ছবি নিতে পারতাম।

যায় হোক, এইবার আসি আসল কথায়। সুটিং এর এক পর্যায়ে, সালমান শাহ ও সাবনুর কলেজে ক্লাস করছে এমন অভিনয় আছে। ওদের পিছনে কিছু ছাত্র লাগবে। ওখানে যথেষ্ট ছেলে ছিল কিন্তু সবাই ই গুন্ডা পান্ডা সেজে ছিল। কোন কারনে পরিচালকের আমাকে আর শাহিন ভাইকে পছন্দ হয়েছিল। তাই উনি অফার করেছিলেন, “ছোট ভাই তোমরা একটু ছাত্র হবা?” আমি তো পুলকিত, কিন্তু শাহিন ভাই জবাবে বলল, “যদি কখন হই নায়ক হব, ছাত্র হব না”। যা! সব আশা শেষ হয়ে গেল। তখন মনে হচ্ছিল বেরসিক শাহিন ভাইএর জন্য আর চলচিত্রে অভিনয় করা হল না। উনার উপর ভীষন রাগ হচ্ছিল। কতইনা ছেলে মানুষ ছিলাম আমি.....................।

মো আকছাদুর রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভূতে ভয় কার না হয়। আমার ও ভূতে ভয় আছে, অন্তত নির্জন ভূতুড়ে পরিবেশে মনে ভয় আসবেই। শুনেছি পৃথিবী ও চাঁদের মাঝে এমন একটা স্থান আছে যেখানে কোন বস্তু নাকি কোথাও পড়ে না। অভিকর্ষ থিওরি সেখানে কোন কাজই করে না। তেমনি আমাদের বয়সের মাঝেও একটা সময় আছে যখন সব থিওরি কাজ করেনা। তখন আমার বয়স ১৮। কুস্টিয়া সরকারী কলেজের ছাত্র আমি। ওয়েসিস বিল্ডিং (এখন যেখানে সোনো ল্যাব আছে) সেখানে মেসে থাকতাম। মেসের আড্ডা রাতেই বেশি জমে। এক একজন সারাদিনের বাহাদুরি, চাপাবাজি এসব রাতেই জমিয়ে বলতে থাকে। আমি ও খুব আড্ডা দিতাম। একদিন রাত ১২ টায় ভূত নিয়ে কথা হচ্ছিল। বন্ধুদের কেউ একজন বলল শ্মশান ঘাটে নাকি ভূত থাকে। কথায় কথায় আর একজন প্রস্তাব দিলো “চল ঘুরে আসি শ্মশান ঘাট”। আমি বললাম সত্যি তুমি যেতে পারবা? সে বলল তুমি যদি যাও তবে অবশ্যই আমি যেতে পারবো। ওকে, চল। যেই কথা সেই কাজ। আমরা দুজন প্যান্ট শার্ট পরে রেডি হলাম। আমাদের উত্তেজনায় যোগ দিল আরও দুজন বন্ধু। একজন অবশ্য আমাদের সিনিওর ছিল। যার নাম আলম ভাই। বাকিরা আমাদের ভয় দেখাচ্ছিল, ভূতের ভয়, পুলিশের ভয় ইত্যাদি। উত্তেজনায় আমরা বুদ হয়ে ছিলাম। কোন ভয়ের থিওরী আমাদের উপর কাজ করছিল না।

মেস থেকে বের হতে রাত ১২.৩০ বেজে গিয়েছিল। উদ্দেশ্য সেই শ্মশান। আমরা কেউ শ্মশান ঘাট চিনতাম না। তবে জানতাম গড়াই নদীর ধারে কোথাও আছে। হাঁটতে হাঁটতে গেলাম গড়াই নদীর ধারে। তখন রাত ১.৩০। ওখানে একজন মাঝির দেখা পেলাম। তার কাছে জানতে চাইলাম “শ্মশান ঘাট কোথায়”। মাঝি জিগ্যেস করল, ওখানে কি কাজ। বললাম “রাতে ওখানে নাকি ভূত থাকে দেখতে যাব”। মাঝি আমাদের কথা শুনে একটু রাগ মতো করল। বলল এখান থেকে নদীর ধার দিয়ে হেঁটে যান, ২/৩ মাইল হাঁটলে তবে পাবেন। নদীর ধারে হাঁটি আর হাঁটি শ্মশান ঘাট আর পাইনা। অবশেষে পেলাম একটা কুড়ো ঘর যেখানে মাঝিরা ঘুমাচ্ছিল। আমাদের সাথে ছিল ছোট টর্চ। টর্চের আলো পড়তেই ভিতর থেকে আওয়াজ এলো “কে?”। আলম ভাই বলল “আমরা”। একজন ঘর থেকে বের হয়ে জিগ্যেস করল “এখানে কোথায় যাবেন”। আলম ভাই আমতা আমতা করে উত্তর দিল, “আমরা আসলে নদীর ওই পারে যাব। একটা খারাপ সংবাদ আছে তাই যেতে হবে”। কেন জানি আলম ভাই উনাকে আর বলতে সাহস পেল না যে আমরা শ্মশান ঘাটে যেতে চাই। ভূতের থেকে মানুষের ভয় ই মনে হয় উনি বেশি পেলেন। মাঝি জিগ্যেস করল “কোন গাঁয়ে যাবেন?” মতিয়ার নামে একজন ছিল বলল “কয়া”। ওপারের কিছু এলাকার নাম সে জানত। যাই হোক, মাঝি ৩০ টাকার বিনিময়ে নদী পার করে দিলেন। নদীতে ভরা পানি। নদীর মাঝামাঝি যখন গেলাম তখন একটু ভয় ও ভাল লাগা মিশানো অনুভুতি ছিল। চারিদিকে শুধু পানি আর পানি। নিস্তব্দ রাতে পানির কল কল শব্দ, ঠান্ডা বাতাস, হালকা আলো।

রাত তখন ২.৩০ বাজে। নদী পার হয়ে সামনে হাঁটতে লাগলাম। উদ্দেশ্য চেঞ্জ হয়ে গেছে। ভুত দেখার উদ্দেশ্য আর নাই। আসলে তখন কোন উদ্দেশ্যই ছিল না। ৪ জন ঠিক করলাম বাকি রাত আমরা শুধু মেঠো পথ ধরে হাঁটবো। যেখানে যাওয়া হয় হবে। সকাল হলে মেসে ফিরবো। এটাই হবে আমাদের আজকে রাতের অ্যাডভেঞ্চার। পথে কেউ কিছু জিগ্যেস করলে কি উত্তর দিবো ঠিক করে রেখেছিলাম। তারপর শুধু হাঁটা আর হাঁটা। রাতটা খুব অন্ধকার বা আলকিত ছিল না। মৃদু আলোতে আমরা হাটছিলাম। নিস্তব্দ রাতে মেঠো পথে হাঁটা কত যে রোমাঞ্চকর তা যারা না হেঁটেছে তারা বুঝবে না। কখনো পাখির ডাক, ঝি ঝি পোকার শব্দ, বাতাসে গাছের পাতা নড়ার শব্দ, কুড়ে ঘরের ভিতর থেকে রোগাক্রান্ত কোন বৃদ্ধের আর্তনাদ। এসব শুনেছিলাম। ভূত দেখার উদ্দেশ্য মন থেকে চলে গেলে কি হবে, ভূতের কিন্তু আমাদের দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। তাই হঠাৎ আমরা চমকিয়ে গেলাম। দেখলাম সামনে বেশ কিছুটা দূরে ভূত দাঁড়িয়ে আছে। ভূতের পা দেখা যায়না। আমরাও তাদের পা দেখলাম না। সাদা কাপড় পরে আছে মনে হচ্ছিল। বিশ্বাস করুন আমি একা থাকলে হার্ট ফেল করতাম। ৪ জন ঠিকই মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম কিন্তু মুখে স্বীকার করছিলাম না। সিদ্ধান্ত নিলাম ভুতের কাছে যাব। যা আছে কপালে হবে। আমাদের রক্তে তখন পরাজিত হবার কোন প্যারাসাইড ছিল না। মনে মনে দোয়া পড়তে পড়তে এগুচ্ছি ভুতের কাছে। আরো কিছুটা কাছে যেতেই আমরা খিল খিল করে হেসে উঠলাম এতক্ষন ভূতের বেশ ধরে ছিল একটা প্রাইমারি স্কুলের শহিদ মিনারের ৩ টি সাদা স্তম্ভ। রাস্তার ধারে মিনারটি ছিল, আর ফাঁকা মাঠ পেরিয়ে স্কুল। আজ যারা ভুত দেখেছে বলে গর্ব করে আমার ধারনা ৯৯ শতাংশ এভাবেই ভূত দেখে। কারন আমি একা থাকলে অথবা কাছে না গেলে নিশ্চয় গল্পটা অন্য রকম হতো। তখন যা লিখতাম সেটাই সত্য হত। নিঃসংকোচে লিখতাম নিজ চোখে আমি ভূত দেখেছি।

যাই হোক, ভুত দেখার পর আবার হাঁটা চলছে। রাত তখন ৩.৩০ মত হবে। হঠাৎ দেখি কয়েকজন লোক সামনেরর দিক থেকে হেঁটে আসছে, বড় টর্চ লাইটের আলো আমাদের উপর ফেলে জিগ্যেস করল “কে ভাই আপনারা?”। আলম ভাই উত্তর দিল, “আমরা কুস্টিয়া সরকারী কলেজের ছাত্র। আমাদের শিলায়দহ কুঠি বাড়ি যেতে হবে, সকাল ভোরে ওখানে কলেজের একটা অ্যাসাইনমেন্ট আছে তাই যাচ্ছি”। সাথে অবশ্য আমরা কলেজের কার্ড নিয়েছিলাম। যদিও কাওকে দেখানোর প্রয়োজন হয়নি। উনারা অ্যাসাইনমেন্ট এর অর্থ বুঝল না। তারা বুঝুক সেটা আমরাও চাচ্ছিলাম না। তারপর আমরা জিগ্যেস করলাম “শিলায়দহ আর কত দূর?” উনারা বলল “কাছেই মাইল তিনেক বাকি আছে”। তার পর আমরা জানতে চাইলাম তারা দল বেধে কোথা থেকে আসছে। বলল পাশের গাঁয়ে মনটু ম্যাজিশিয়ানের ম্যাজিক শো দেখে আসছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম ম্যাজিক শো এর প্যান্ডেলে যাবো। আসলে কোন উদ্দেশ্য না থাকায় মাথায় যা আসছে তাই করছিলাম। প্যান্ডেলের কাছে গেলাম। রাত তখন ৪ টার বেশি বাজে। হঠাৎ আলম ভায়ের মাথায় আসল আর একটা প্লান। আমাদের বলল আমরা ম্যাজিসিয়ানের সাথে দেখা করব। এবং উনার বুদ্ধিতে নিজেদেরকে সাংবাদিক হিসাবে প্রস্তুত করলাম। আলম ভায়ের সাথে আমরা ভিতরে ঢুকলাম। বুঝলাম ওখানে শুধু ম্যাজিক ই নয়, নাচ গানের ও ব্যবস্থা ছিল। কোন একজনকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মনটু ম্যাজিশিয়ানের খোঁজ করলাম। মনটু ম্যাজিশিয়ান আসলেন তখন আমরা বললাম আমরা কুস্টিয়া থেকে এসেছি আপনাকে নিয়ে একটা প্রতিবেদন লিখব। উনি আমাদের একটা টিন দিয়ে বানানো ঘরের ভীতর নিয়ে গেলেন। প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে আলম ভাই একটা ছোট পকেট ডাইরীতে লিখতে থাকল উনার পুরা নাম সহ অনেক কিছু। কিছুক্ষন পর আমাদের জন্য আসল বিস্কুট, চ্যানাচুর ও লাল চা। অনেক হাঁটার পর আমাদের খুধা পেয়েছিল। সবটুকু খাবার, চা ও পানি খুব তৃপ্তির সাথে খেলাম। তারপর ওখান থেকে চাপা হাসি নিয়ে বিদায় হলাম।

এবার উদ্দেশ্য ঠিক করলাম রবি ঠাকুরের বাড়ি। ওখান থেকে কাছেই ছিল। সকাল ৬/৭ টার দিকে আমরা কুঠি বাড়ী পৌঁছালাম। ভিতরের গেট বন্ধ ছিল। বাইরে ফাঁকা মাঠ মত ছিল। ওখানে কয়েকটি সিমেন্ট এর বেঞ্চ ছিল। তাতে বসে আমরা ঘন্টা খানেক বিশ্রাম নিলাম। ততক্ষন আমাদের শরীরের সব উত্তেজনা শেষ। খুব ঘুম পাচ্ছিল। সিদ্ধান্ত নিলাম পায়ে হেঁটে আমরা সোজা রাস্তা দিয়ে কুস্টিয়া ফিরে আসব। এবং তাই করলাম। সকালের ঝক ঝকে আলোই হাঁটছিলাম। সকাল যখন উত্তেজিত আমরা তখন খুবই ক্লান্ত। কষ্ট করে কুস্টিয়া শহরে ফিরে আসলাম। রবি ঠাকুরের বাগান থেকে কিছু পাতাবাহারের পাতা ও ফুল ছিড়ে এনেছিলাম স্মৃতি হিসাবে। তখন বুঝিনি স্মৃতি কোন বস্তুতে থাকে না। স্মৃতি থাকে মাথায়, মগজে। যাই হোক, কুস্টিয়ার কোন এক সদ্য খোলা স্টুডিওতে গিয়ে আমরা ৪ জন একটা ছবি তুললাম, চিরদিন কাছে রাখবো বলে। মানুষ যা করে, বা মানুষের সাথে যা হয় তা কি সে কখনো ভাবতে পারে...! সেদিন রাত ১২ টার আগে আমিই কি ভেবেছিলাম আমার জীবনে এমন একটা রোমাঞ্চকর রাত আসবে...........................।। (সমাপ্ত)

মো আকছাদুর রহমান: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/89613 সাংবাদিকরা এসব খোঁজ পায়, সরকার পাইনা? ডিজিটাল দেশের ডিজিটাল গুড়। রাগে আমার লোম খাড়া হয়ে যাচ্ছে, যারা এদের ফাঁসি দেয়না তাদের ফাঁসি হোক..................।।

মো আকছাদুর রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছোট বেলায় যখন স্কুলে পড়তাম, তখন কয়েকটি ছড়া/কবিতা লিখেছিলাম। কাচাঁ হাতের লেখা। খুব একটা ভাল হতোনা বলেই আমার ধারনা ছিল। মাকে কবিতার খাতাটি পড়ে শুনিয়েছিলাম, ব্যাস হয়ে গেল। বাসায় আত্মীয় সজন পাড়া প্রতিবেশি যে ই আসে মা আমাকে কবিতা পড়িয়ে শুনাতে বলতো। আমি মা এর উপর খুব রাগ হতাম, মনে মনে লজ্জা ও পেতাম। প্রায়ই মার কথা শুনতাম না। মা তখন নিজেই সবাইকে পড়ে শুনাতো। আমার মায়ের চোখে মুখে সে কি আনন্দ, যেন আমি বিশ্ব জয় করে ফেলেছি। আজ খুব কষ্ট হয়, মা এর জন্য কষ্ট হয়। আজ যদি আমি সত্যি করে বিশ্ব জয় করে ফেলি তবুও অতটা আনন্দ কেউ পাবে না। মা এর উপর খুব বিরক্ত হতাম যখন দেখতাম যেকোন মানুষকে আপন করে নিচ্ছে। একবার এক ভিক্ষুকে বাবার মত স্রদ্ধা করা শুরু করল। উনি নাকি আমার মৃত নানার মত দেখতে ছিলেন। পাড়া প্রতিবেশি যে কারো বিপদ হলে আগে ছুটে যেত আমার মা। অবলিলায় মিশে যেত যে কোন মানুষের সাথে। আমার মাকে কত জন যে মা বলতো আর আমার মা ও যে কত জন কে মা বলতো তার হিসাব নাই। খুব রাগ হত মার উপর। মেয়েদের যত অতিরিক্ত সাজ থাকে তার কোনটিই ছিল না আমার মায়ের। সাধারন শাড়ী আর বড় ওড়না দিয়ে শরীর ও মাথা জড়ানো থাকত। ২৫ বছর বয়স থেকে আমার মায়ের ডায়াবেটিস ছিল। নিয়ম করে খাওয়া চলা ফেরা আমার মাএর খুব কমই হয়েছে। যে মানুষটিকে মা জীবনে একবার দেখত তাকে সারা জীবন মনে রাখতে পারত। মানুষেরাও আমার মাকে মনে রাখত। মার সাথে কত অন্যায় করেছি, রাগ করেছি তার হিসাব নাই। মাকে তখন বুঝিনি। আমার মা যখন দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলেন সেদিন বুঝলাম মা কি জিনিস। মৃত্যুর আগে আমার মায়ের রোগ মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেছি মাত্র আর পাড়ার মানুষেরা আমার মায়ের রোগ মুক্তির জন্য রোজা পর্যন্ত রেখেছে। মা যখন চলে গেলেন তখন বুঝলাম মানুষের সদালাপের, নিরঅহংকারের কি মূল্য। পাড়ার অনেক ছোট বড় এমন কি চুল দাড়ি পাকা মানুষকেউ হাউ মাউ করে কাদঁতে দেখেছি। আমি আবাক হয়েছি আমার মায়ের জন্য তারা কাঁদছে কেন ভেবে। আজ আমি শুধুই নিঃস্ব ভিখারির মত আমার মাকে খুজে ফিরি। একবার যদি কাছে পেতাম মাকে জড়িয়ে ধরে কাদঁতাম। মার উপর যত বিরক্ত হয়েছি, রাগ করেছি তার জন্য পা ধরে ক্ষমা চাইতাম। মা তোমাকে আমি বাস্তবে পাবোনা জানি। কিন্তু তুমি স্বপনে এসো, আমাকে একটু শাসন করে যাও, একটু সোহাগ করে যাও..................। আল্লাহ আমার মাকে তুমি ভাল রেখো। রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি সগীরা

মো আকছাদুর রহমান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ভালবাসা কি হৃদয়জাত না মস্তিস্কজাত?

উত্তর দাও (১৩ টি উত্তর আছে )

.
*ভালোবাসা* *সম্পর্ক* *ভালবাসা*

মো আকছাদুর রহমান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 হার্ট এ্যাটাক ও ষ্ট্রোক এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*হার্টঅ্যাটাক* *স্ট্রোক*

মো আকছাদুর রহমান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 স্বামী ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কী সমস্যা হয়?

উত্তর দাও (২৪ টি উত্তর আছে )

.
*রক্ত* *রক্তেরগ্রুপ* *ব্লাডগ্রুপ* *হেলথটিপস*

মো আকছাদুর রহমান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কোন পাখির ডিম ঐ পাখির চেয়েও বড়?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

*পাখি* *ডিম*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৪০৫

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত