সাদাত সাদ

@saadali

আকাশে উড়তে চাই
business_center ব্যবসায়ী
school লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়
location_on পঞ্চগড়
1412358761000  থেকে আমাদের সাথে আছে

অদিত বণিক: একটি প্রশ্ন শেয়ার করেছে "অবশ্যই সেখানকার মাটির গুনাবলি, আশেপাশের পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি বিবেচনা করে করা উচিত।"

 বাড়ী নির্মানের আগে কোন কোন বিষয়ে খেয়াল রাখা অতি জরুরী?

৩ টি উত্তর আছে

.

শাহাদাৎ হোসেন রাসেল বেশটুনটি শেয়ার করেছে

কষ্ট
কষ্টে থাকা মানুষ গুলো, কষ্ট পেতে পেতে কষ্ট কি সেটাই ভুলে যায় (কান্না) (কান্না)
ছবি

সাদাত সাদ ফটোটি শেয়ার করেছে

ইকোনো

ইকোনো কলম ব্যবহার করেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না, এই কলম দিয়েই লেখা শুরু হয়েছিল আমার (তালি) আমি একটা কলম বড়জোর ৩-৪ দিন লিখতাম তাঁরপর সেটা দিয়ে লাঙ্গল বানিয়ে ফেলতাম যদিও সেই লাঙ্গল দিয়ে ক্ষেত চাষ করা যেতনা তবে আনন্দ পেতাম। মা প্রায়ই বলত কি কর কলম দিয়ে এক ডজন কলম এক মাসও যায়না!! আমি কি আর বলব কলম দিয়ে যে ক্ষেতের লাঙ্গল বানানো হয় সেটা কি আর মাকে বলা যায় (খিকখিক) ইকোনো কলমের কথা আজীবন মনে থাকবে, অনেক স্মৃতি আছে এই কলমে। টেবিলে অনেক জন মিলে কলম দিয়ে কি এক খেলা খেলা যেত খেলাটার নাম ভুলে গেছি, অন্য একদিন লিখব।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"জমিয়ে কাটান শীতকাল। কারণ প্রায় দরজা ধাক্কাতে শুরু করেই দিয়েছে শীতকাল! "

শীতকাল  অনেকের  কাছেই খুব প্রিয় আবার অনেকের কাছে খুবই কষ্টের। শীতকাল মানেই প্রথমে যেটা মাথায় আসে সেটা হল সকালে ঘুম থেকে উঠে  গোসল  করতে হবে। কিভাবে করব! ওহ! সকাল সকাল কম্বলের তলা থেকে যে বেরতেই ইচ্ছে করে না। আবার ঘুম থেকেও উঠলাম আর  গোসল ও করলাম, কিন্তু গায়ে খালি খড়ি ফোটে যে। তাও আবার ম্যানেজ করতে হবে। কিন্তু খারাপের সঙ্গে সঙ্গে ভালো গুলিও যে আছে। শীতকাল মানেই যা খুশি তাই খাও পেট খারাপ হওয়ার কোনও চান্স নেই। আর কনকনে ঠান্ডায় আইসক্রিম খাওয়ার মজাটাও একেবারেই আলাদা। তবে ভালো খারাপের মধ্যে এমন কিছু জিনিষ আছে যা করলে এই কালটিকে উপভোগ করা যাবে একেবারে মনের মত করে। কী ভাবে? তবে এবার দেখে নেওয়া যাক............


আমাদের শরীরের সমস্ত হিট কিন্তু মাথা দিয়ে বেরিয়ে যায় না। সেই হিট গুলো হাতের মাধ্যমেও বেড়িয়ে যায়। তাই শরীর ভালো রাখতে অবশ্যই হাতে গ্লাভস পড়ে বেরনো উচিত।

যারা খুব রোগা কিছুতেই মোটা হচ্ছেন না, তারা বেশী করে খান। কারণ শীতকালে ওজন বৃদ্ধি করা খুবই সহজ। কিন্তু যারা মোটা তারা প্লিজ নলেন গুড়ের সন্দেশ দেখে হামলে পড়বেন না যেন। তাহলেই গেল!



শীতকাল মানেই যেন ভাববেন না সূর্য নেই। এই কালে সূর্য পৃথিবীর অনেকটা কাছে চলে আসে। তাই সব সময় সান'স ক্রিম মেখে তবেই বাইরে বেরবেন। কেননা এই কালেই ৮০শতাংশ ক্ষতিকারক রে আমাদের স্কিনের ক্ষতি করতে সক্ষম হয়।


ছোট থেকেই আমরা শুনে আসি ঠান্ডাতে বেরলে শরীর খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু এই কথা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ ঠান্ডাতে আমাদের শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার অনেক বেড়ে যায়। যাতে শরীর খারাপ হওয়ার চান্স অনেক কম থাকে।

একটু বেশী ঠান্ডা পড়লেই আমরা মনে করি আজ আর যোগা করব না। কিন্তু সেটা একেবারেই ভুল। ঘুম থেকে উঠে যত বেশী পরিমাণে যোগা করতে পারবেন ততই মঙ্গল আপনার শরীরের জন্য। কারণ শীতকালে শরীর থেকে খুব তাড়াতাড়ি ক্যালোরি বেড়িয়ে যেতে পারে।
এই কথা গুলো মাথায় রেখে একেবারে জমিয়ে কাটান শীতকাল। কারণ প্রায় দরজা ধাক্কাতে শুরু করেই দিয়েছে শীতকাল!  
 
ছবি

সাদাত সাদ ফটোটি শেয়ার করেছে
"২০১৬ তে ছবি তুলার খুব আগ্রহ ছিল (খুশী২) ছবি তুলে সেটাকে ইডিটিং করে, ছবির প্রায় ১৪ টা বাজিয়ে দিতাম (হিহিহি) ছবির আসল সৌন্দর্য টাই নষ্ট করে দিতাম (মাইরালা)"

Lutfun Nessa বেশটুনটি শেয়ার করেছে

আমি পারব, আমার দ্বারা সম্ভব .... YESS!!!!!
আপনি যখন আপনার কাংখিত সপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দৌঁড়াবেন তখন আশেপাশের অধিকাংশ মানুষ আপনাকে সেটা বোঝাতে ব্যস্ত থাকবে যে, আপনার দ্বারা এটা হবেনা এটা সম্ভব না। তবে সত্য হল দুনিয়াতে অনেক অসম্ভব কাজ কিন্তু সম্ভব হয়েছে মানুষের দ্বারাই। নিজের উপর আস্থা বিশ্বাস রাখুন, আপনি পারবেন এটাই সত্য।

OSMAN বেশটুনটি শেয়ার করেছে

আমি পারব, আমার দ্বারা সম্ভব .... YESS!!!!!
আপনি যখন আপনার কাংখিত সপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দৌঁড়াবেন তখন আশেপাশের অধিকাংশ মানুষ আপনাকে সেটা বোঝাতে ব্যস্ত থাকবে যে, আপনার দ্বারা এটা হবেনা এটা সম্ভব না। তবে সত্য হল দুনিয়াতে অনেক অসম্ভব কাজ কিন্তু সম্ভব হয়েছে মানুষের দ্বারাই। নিজের উপর আস্থা বিশ্বাস রাখুন, আপনি পারবেন এটাই সত্য।
ছবি

Lutfun Nessa ফটোটি শেয়ার করেছে

বর্ষায় গ্রামাঞ্চলের মানুষের অধিকাংশ সময় কাটে নদীতে

সাদাত সাদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

 ঢাকায় সেবা দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাঁচটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ওই অঞ্চলের অফিস থেকেই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

 

প্রশ্ন ১ : কোন কোন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়?

উত্তর: বলতে গেলে সব ব্যবসা ও সা¦ধীন পেশার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। এমনকি ফুটপাতে বসে যিনি তালপাতার পাখা বিক্রি করবেন। অথবা যিনি ঠেলাগাড়ি চালান তার জন্যও আইন মোতাবেক ব্যবসায়িক লাইসেন্স নিতে হবে। আমাদেও দেশে আইনের শাষ নেই বিধায় অনেকে জিনিসটা গুরুত্ব দেয়না। কিন্তু নামকরা কোম্পানীগুলো ট্রেড লাইসেন্ নেই এমন কারো সাথে ব্যবসা করতে চায়না।

 

প্রশ্ন ২ : ট্রেড লাইসেন্স আর কি কি কাজে লাগে ?

উত্তর: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটি প্রশ্ন। আমাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড যেমন ভোটদান ছাড়াও নানা কাজে লাগে তেমনি ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসায়িক নানা কাজে লাগে । বলতে গেলে প্রতি পদে পদে এর প্রয়োজন হয়।

১.মনে রাখবেন ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব দিয়ে আপনি ব্যবসায়িক লেনদেন করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যবসায়িক হিসাব বা সিডি একাউন্ট বা কারেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবে না। এক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স এর বিকল্প নেই।

২. অনেক সময় ব্যবসার শুরুতে বা কোনো পর্যায়ে ব্যাংক লোন দরকার হতে পারে। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যাংক লোন এর কথাই ভাবতেই পারবেননা।

৩. ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসা করতে হলে তারা আপনার ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা তা জানতে ও দেখতে চাইবে।

৪. কোনো ব্যবসায়িক এসোসিয়েশন এর সদস্য হতে হলে আপনার ট্রেড লাইসেন্স অবশ্যই লাগবে।

৫. এছাড়া ভ্যাট ও টিন এর জন্যও ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য। তাছাড়া আরো অনেক কাজে এর প্রয়োজন পড়ে।

 

প্রশ্ন ৩ : ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ?

উত্তর:

ক. ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ করের রসিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র বা রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে।

খ. এ ছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে।

গ. প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস ও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন দিতে হবে।

ঘ. জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি

ঙ. টিন সার্টিফিকেট

চ. বাড়ির ইউটিলিটি বিলেন কপি

ছ. যে বাড়ীতে ব্যবসায় পরিচালনা করছেন তার হোল্ডিং টেক্স হালনাগাদ করনের রশিদ

 

প্রশ্ন৪ : ট্রেড লাইসেন্স খরচ কেমন ?

উত্তর : ব্যবসা অনুসারে ট্রেড লাইসেন্স এর খরচ। তবে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর অধীনে ৫শ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রেট আছে। সফটওয়ার, আইটি বা জেনারেল সাপ্লায়ার হিসেবে কম বেশী ৫ হাজার। সাথে রয়েছে ভ্যাট।

প্রশ্ন ৫ : ই- কমার্স ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ কেমন ?

উত্তর: আসলে আমাদের সব কিছু একটু ব্যাকডেটেড, আমাদের ব্যবসায়িক তালিকায় এখনো ই কমার্স যুক্ত হয়নি। এই ক্যাটাগরিতে এখনো লাইসেন্ দেয়া হয়না। তবে আইটি অথবা সফটওয়ার ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স নেয়া যেতে পারে। এজন্য দাপ্তরিক খরচ ১১শ টাকা থেকে ১৫শ কিন্তু অন্যান্য খরচ যেমন সাইনােবর্ড ট্যাক্স, ফিজিক্যাল ভিজিট ট্যাক্স আর সংশ্লিস্ট খরচ মিলিয়ে এটা ৫-৬ হাজারে গিয়ে ঠেকে।

প্রশ্ন ৬ : কোথায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাবো ?

উত্তর: আপনি সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাতে পারেন। তবে আজকাল অনেক কনসালটেন্সি ফার্ম আছে যারা নির্দিস্ট সার্ভিস চার্জ এর বিনিময়ে এসব কাজ করে দিয়ে থাকে। নিজে ঝামেলা পোহাতে না চাইলে কোনো ফার্মের হেল্প নিতে পারেন।

প্রশ্ন ৭: ব্যবসা শুরু ৩/৬ মাস পর ট্রেড লাইসেন্স করলে চলবে কি?

উত্তর: এটা নির্ভর করছে আপনার ব্যবসার পরিধি কতটুকু তার উপর। আপনার পাড়ার অনেক দোকানদার ১০ বছর পরেও করেছে। কেউ হয়তো সারাজীবনও ট্রেড লাইসেন্স করেনি। আপনি যদি সাধারণ মানুষের সাথে কাজ করেন তাহলে জরুরী নয়। বড়ো পার্টিও সাথে কাজ করতে গেলে জরুরী। তবে ট্রেড লাইসেন্স থাকলে সহজে মানুষ বিশ্বাস করবে। আমি বলবো আপনি কাজ শুরু কওে দিনে যখনি প্রয়োজন হবে। ট্রেড লাইসেন্স করে নেবেন।

আবারো বলছি ট্রেড লাইসেন্স একটা আইনগত ব্যাপার। বিয়েতে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। যারা করেনা তাদেরকে পুলিশ এ্যারেস্ট করে কি? কিন্তু কাবিন নামাটা একসময় সত্যি সত্যি দরকার হয়ে পড়ে। তাই মানুষ নিজের গরজেই এটা করে।

প্রশ্ন ৮: আমি ব্যবসা করি রংপুরে, কিন্তু কাস্টমার সব ঢাকায়। রংপুর থেকে ঢাকায় মাল পাঠতে হবে? আমাকে কোথায় এবং কয়টা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।

উত্তর:

যেখানে আপনার অফিস বা ব্যবসার ঠিকানা শুধু সেখানেই ট্রেড লাইসেন্স নেবেন। তবে ঢাকায় যদি আরেকটা অফিস নেন। তখন এখানে আরেকটা ট্রেড লাইসেন্স এর প্রশ্ন আসবে। কিন্তু ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স কোনো বাঁধা নয়।

 

প্রশ্ন ৯: ট্রেড লাইসেন্স করার পর কোনো প্রয়োজনে নাম ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় কি?

উত্তর: ফি প্রদান ও এফিডেবিটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য পরিবর্তণ করা যায়।

 

প্রশ্ন ১০:একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি বিভিন্ন ধরনের পন্য বা ব্যবসা করা যায় ?

উত্তর:

বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে করা যায়না। তবে বিভিন্ন রকমের পন্য বিক্রি করা যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাটাগরি হবে জেনারেল সাপ্লায়ার।

 

প্রশ্ন ১১: একই নামে কি একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ পারে, তবে যদি আপনি চান যে আপনি যে নামে প্রতিষ্ঠান করবেন সে নামে যেন আর কেউ না করে, অথবা আপনার নামটা যেন কারো সাথে মিলে না যায়। সেক্ষেত্রে আপনাকে কোম্পানী রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তখন প্রথম তারা তল্লাশি দিয়ে দেখে নেবে যে আপনার প্রস্তাবিত নামে আরো কোনো কোম্পানী আছে কিনা?

 

প্রশ্ন ১২. ট্রেড লাইেেসন্স কি দ্বৈত হতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ পারে, সেক্ষেত্রে দুজনেরই ছবি, আেইডি কার্ড ও অন্যান্য তথ্য দরকার হবে।

 

প্রশ্ন ১৩. একজন ব্যক্তির কি একাধিক ট্রেড লাইসেন্স থাকতে পারে।

উত্তর: একজন ব্যক্তির একাধিক ট্রেড লাইসেন্স থাকতে পারে, এবং সেটা একই ঠিকানায় হতে পারে, এবং একাধিক ঠিকানায় হতে পারে।

 

প্রশ্ন: ১৪: গ্রাম থেকে ই কমার্স চালালেও কি ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।

উত্তর: যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যবসার আইনগত বৈধতার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। আপনি যদি লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করেন সাধারণত কেউ আপনাকে দাবড়াবেনা। তবে লাইসেন্সটা থাকলে বিপদে আপদে কাজে লাগবে। তবে গ্রামে কিন্তু খুব অল্প টাকা দিয়েও ট্রেড লাইসেন্স করা যায়।

 

প্রশ্ন ১৫: একটি ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ কতদিন? মেয়াদ পূর্ণ হলে কি করতে হবে?

উত্তর: একটি ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ এক অর্থ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন ফি দিয়ে আপনি নবায়ন কওে নিতে পারবেন। তবে নবায়ন না করলে যে আপনার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তা নয়। বিষয়টা হলো নবায়ন করলে আপনার একটা আইনগত বৈধতা থাকলো।

 

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সিটি করপোরেশনের দুই ধরনের ফরম রয়েছে। আপনি যে ধরনের ব্যবসা করছেন বা করতে ইচ্ছুক, তার ওপর ভিত্তি করে ফরম নেবেন। ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি জমা দিয়ে মূল ট্রেড লাইসেন্স বই সংগ্রহ করতে হবে। সিটি করপোরেশনের দ্বারা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত হতে পারে এবং এর প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাইসেন্স ফি পরিশোধের মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়া হবে। মিথ্যো তথ্য প্রদানের কারণে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল হতে পারে 

MOHAMMAD RABIUL ISLAM বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

 ঢাকায় সেবা দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাঁচটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ওই অঞ্চলের অফিস থেকেই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

 

প্রশ্ন ১ : কোন কোন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়?

উত্তর: বলতে গেলে সব ব্যবসা ও সা¦ধীন পেশার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়। এমনকি ফুটপাতে বসে যিনি তালপাতার পাখা বিক্রি করবেন। অথবা যিনি ঠেলাগাড়ি চালান তার জন্যও আইন মোতাবেক ব্যবসায়িক লাইসেন্স নিতে হবে। আমাদেও দেশে আইনের শাষ নেই বিধায় অনেকে জিনিসটা গুরুত্ব দেয়না। কিন্তু নামকরা কোম্পানীগুলো ট্রেড লাইসেন্ নেই এমন কারো সাথে ব্যবসা করতে চায়না।

 

প্রশ্ন ২ : ট্রেড লাইসেন্স আর কি কি কাজে লাগে ?

উত্তর: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটি প্রশ্ন। আমাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড যেমন ভোটদান ছাড়াও নানা কাজে লাগে তেমনি ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসায়িক নানা কাজে লাগে । বলতে গেলে প্রতি পদে পদে এর প্রয়োজন হয়।

১.মনে রাখবেন ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব দিয়ে আপনি ব্যবসায়িক লেনদেন করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যবসায়িক হিসাব বা সিডি একাউন্ট বা কারেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবে না। এক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স এর বিকল্প নেই।

২. অনেক সময় ব্যবসার শুরুতে বা কোনো পর্যায়ে ব্যাংক লোন দরকার হতে পারে। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যাংক লোন এর কথাই ভাবতেই পারবেননা।

৩. ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসা করতে হলে তারা আপনার ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা তা জানতে ও দেখতে চাইবে।

৪. কোনো ব্যবসায়িক এসোসিয়েশন এর সদস্য হতে হলে আপনার ট্রেড লাইসেন্স অবশ্যই লাগবে।

৫. এছাড়া ভ্যাট ও টিন এর জন্যও ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য। তাছাড়া আরো অনেক কাজে এর প্রয়োজন পড়ে।

 

প্রশ্ন ৩ : ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ?

উত্তর:

ক. ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ করের রসিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র বা রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে।

খ. এ ছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে।

গ. প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস ও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন দিতে হবে।

ঘ. জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি

ঙ. টিন সার্টিফিকেট

চ. বাড়ির ইউটিলিটি বিলেন কপি

ছ. যে বাড়ীতে ব্যবসায় পরিচালনা করছেন তার হোল্ডিং টেক্স হালনাগাদ করনের রশিদ

 

প্রশ্ন৪ : ট্রেড লাইসেন্স খরচ কেমন ?

উত্তর : ব্যবসা অনুসারে ট্রেড লাইসেন্স এর খরচ। তবে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর অধীনে ৫শ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত রেট আছে। সফটওয়ার, আইটি বা জেনারেল সাপ্লায়ার হিসেবে কম বেশী ৫ হাজার। সাথে রয়েছে ভ্যাট।

প্রশ্ন ৫ : ই- কমার্স ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ কেমন ?

উত্তর: আসলে আমাদের সব কিছু একটু ব্যাকডেটেড, আমাদের ব্যবসায়িক তালিকায় এখনো ই কমার্স যুক্ত হয়নি। এই ক্যাটাগরিতে এখনো লাইসেন্ দেয়া হয়না। তবে আইটি অথবা সফটওয়ার ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স নেয়া যেতে পারে। এজন্য দাপ্তরিক খরচ ১১শ টাকা থেকে ১৫শ কিন্তু অন্যান্য খরচ যেমন সাইনােবর্ড ট্যাক্স, ফিজিক্যাল ভিজিট ট্যাক্স আর সংশ্লিস্ট খরচ মিলিয়ে এটা ৫-৬ হাজারে গিয়ে ঠেকে।

প্রশ্ন ৬ : কোথায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাবো ?

উত্তর: আপনি সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাতে পারেন। তবে আজকাল অনেক কনসালটেন্সি ফার্ম আছে যারা নির্দিস্ট সার্ভিস চার্জ এর বিনিময়ে এসব কাজ করে দিয়ে থাকে। নিজে ঝামেলা পোহাতে না চাইলে কোনো ফার্মের হেল্প নিতে পারেন।

প্রশ্ন ৭: ব্যবসা শুরু ৩/৬ মাস পর ট্রেড লাইসেন্স করলে চলবে কি?

উত্তর: এটা নির্ভর করছে আপনার ব্যবসার পরিধি কতটুকু তার উপর। আপনার পাড়ার অনেক দোকানদার ১০ বছর পরেও করেছে। কেউ হয়তো সারাজীবনও ট্রেড লাইসেন্স করেনি। আপনি যদি সাধারণ মানুষের সাথে কাজ করেন তাহলে জরুরী নয়। বড়ো পার্টিও সাথে কাজ করতে গেলে জরুরী। তবে ট্রেড লাইসেন্স থাকলে সহজে মানুষ বিশ্বাস করবে। আমি বলবো আপনি কাজ শুরু কওে দিনে যখনি প্রয়োজন হবে। ট্রেড লাইসেন্স করে নেবেন।

আবারো বলছি ট্রেড লাইসেন্স একটা আইনগত ব্যাপার। বিয়েতে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। যারা করেনা তাদেরকে পুলিশ এ্যারেস্ট করে কি? কিন্তু কাবিন নামাটা একসময় সত্যি সত্যি দরকার হয়ে পড়ে। তাই মানুষ নিজের গরজেই এটা করে।

প্রশ্ন ৮: আমি ব্যবসা করি রংপুরে, কিন্তু কাস্টমার সব ঢাকায়। রংপুর থেকে ঢাকায় মাল পাঠতে হবে? আমাকে কোথায় এবং কয়টা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।

উত্তর:

যেখানে আপনার অফিস বা ব্যবসার ঠিকানা শুধু সেখানেই ট্রেড লাইসেন্স নেবেন। তবে ঢাকায় যদি আরেকটা অফিস নেন। তখন এখানে আরেকটা ট্রেড লাইসেন্স এর প্রশ্ন আসবে। কিন্তু ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স কোনো বাঁধা নয়।

 

প্রশ্ন ৯: ট্রেড লাইসেন্স করার পর কোনো প্রয়োজনে নাম ঠিকানা পরিবর্তন করা যায় কি?

উত্তর: ফি প্রদান ও এফিডেবিটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য পরিবর্তণ করা যায়।

 

প্রশ্ন ১০:একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে কি বিভিন্ন ধরনের পন্য বা ব্যবসা করা যায় ?

উত্তর:

বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে করা যায়না। তবে বিভিন্ন রকমের পন্য বিক্রি করা যায়। সেক্ষেত্রে ক্যাটাগরি হবে জেনারেল সাপ্লায়ার।

 

প্রশ্ন ১১: একই নামে কি একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ পারে, তবে যদি আপনি চান যে আপনি যে নামে প্রতিষ্ঠান করবেন সে নামে যেন আর কেউ না করে, অথবা আপনার নামটা যেন কারো সাথে মিলে না যায়। সেক্ষেত্রে আপনাকে কোম্পানী রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তখন প্রথম তারা তল্লাশি দিয়ে দেখে নেবে যে আপনার প্রস্তাবিত নামে আরো কোনো কোম্পানী আছে কিনা?

 

প্রশ্ন ১২. ট্রেড লাইেেসন্স কি দ্বৈত হতে পারে?

উত্তর: হ্যাঁ পারে, সেক্ষেত্রে দুজনেরই ছবি, আেইডি কার্ড ও অন্যান্য তথ্য দরকার হবে।

 

প্রশ্ন ১৩. একজন ব্যক্তির কি একাধিক ট্রেড লাইসেন্স থাকতে পারে।

উত্তর: একজন ব্যক্তির একাধিক ট্রেড লাইসেন্স থাকতে পারে, এবং সেটা একই ঠিকানায় হতে পারে, এবং একাধিক ঠিকানায় হতে পারে।

 

প্রশ্ন: ১৪: গ্রাম থেকে ই কমার্স চালালেও কি ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।

উত্তর: যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যবসার আইনগত বৈধতার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। আপনি যদি লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করেন সাধারণত কেউ আপনাকে দাবড়াবেনা। তবে লাইসেন্সটা থাকলে বিপদে আপদে কাজে লাগবে। তবে গ্রামে কিন্তু খুব অল্প টাকা দিয়েও ট্রেড লাইসেন্স করা যায়।

 

প্রশ্ন ১৫: একটি ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ কতদিন? মেয়াদ পূর্ণ হলে কি করতে হবে?

উত্তর: একটি ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ এক অর্থ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন ফি দিয়ে আপনি নবায়ন কওে নিতে পারবেন। তবে নবায়ন না করলে যে আপনার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তা নয়। বিষয়টা হলো নবায়ন করলে আপনার একটা আইনগত বৈধতা থাকলো।

 

ট্রেড লাইসেন্সের জন্য সিটি করপোরেশনের দুই ধরনের ফরম রয়েছে। আপনি যে ধরনের ব্যবসা করছেন বা করতে ইচ্ছুক, তার ওপর ভিত্তি করে ফরম নেবেন। ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি জমা দিয়ে মূল ট্রেড লাইসেন্স বই সংগ্রহ করতে হবে। সিটি করপোরেশনের দ্বারা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত হতে পারে এবং এর প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাইসেন্স ফি পরিশোধের মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়া হবে। মিথ্যো তথ্য প্রদানের কারণে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল হতে পারে 

ছবি

তামান্না রশিদ ফটোটি শেয়ার করেছে

বন্ধুত্ব মানে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রক্তের সর্ম্পক ছাড়া যদি আর কোনো ঘনিষ্ট কোনো সর্ম্পক থাকে সেটা হলো বন্ধুত্ব।ভাগ্য তোমার আত্মিয় বেছে দেয় আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু। ‘বন্ধু মানে একটু পাশে থাকা, বন্ধু মানে হাতে হাত রাখা, বন্ধু মানে অবুঝ অভিমানে তবুও বন্ধু কারণ বন্ধু জানে...’। আজ এই বন্ধু নিয়েই কিছু কথা বলবো ১) জীবনে যদি এমন একজন বন্ধু না থাকে যার কাছে সমস্ত কথা বলা যায়, তাহলে তা নেশাগ্রস্ততা বা ওবেসিটির মতোই স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।  ২) একজন মানুষের সারা জীবনে গড়ে ৩৯৬ জন ভাল বন্ধু হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হল প্রতি ১২ জন বন্ধুতে মাত্র একজন বন্ধু শেষ পর্যন্ত টিকে যায়।  ৩) কথায় বলে, বন্ধুত্বে যদি সত্যিই প্রাণের টান থাকে তবে ৫০ বছর কোনও যোগাযোগ না থাকার পরে দেখা হলেও বন্ধুরা একে অপরকে ঠিক আগের মতোই জড়িয়ে ধরে।  ৪) বন্ধুত্ব হল এমন একটি অনুভূতি যা শিশুদের মধ্যে তৈরি হয় সেই সময় থেকে যখন তারা ভালভাবে নিজেকে প্রকাশ করতেও শেখে না। কোনও বিশেষ খেলনা বা সফট টয়ের প্রতি শিশুদের আকর্ষণ আসলে এক ধরনের বন্ধুত্বই।  ৫) একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার মধ্যে কোনও রকম যৌন চাহিদা ছাড়াই নিছক বন্ধুত্ব অত্যন্ত বিরল। উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে সাধারণ বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও ৮৮ শতাংশ পুরুষ তাদের বান্ধবীদের প্রতি শারীরিকভাবে আকৃষ্ট।   ৬) ২০০৪ সালে আমেরিকান সোশিওলজিক্যাল রিভিউয়ের একটি রিপোর্ট বলছে গত ২০ বছরে অর্থাৎ গত শতাব্দীর আশির দশক থেকে মিলেনিয়াম দশক পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে বিশ্বস্ত বন্ধুর সংখ্যা গড়ে এক-তৃতীয়াংশ কমে গিয়েছে।  ৭) করনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা রিপোর্ট বলছে, বেশিরভাগ মানুষেরই জীবনে সর্বাধিক দু’জন প্রিয় বন্ধু বা বেস্ট ফ্রেন্ড থাকে।  ৮) কর্মস্থলে বন্ধুত্ব খুবই বিরল। সহকর্মী আর বন্ধু কখনওই সমার্থক নয়। লিঙ্কডইন-এর একটি সমীক্ষা বলছে ১৯৮০ সালের পরে যাঁদের জন্ম তাঁদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ মানুষ প্রোমাশনের জন্য সহকর্মীর সঙ্গে বন্ধুত্ব ত্যাগ করতে রাজি।  ৯) ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা অনেক বেশি বন্ধুবৎসল হয়। লন্ডনের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বলছে ছেলেরা বন্ধুদের চেয়েও বেশি মূল্য দেয় পারিবারিক সম্পর্কগুলিকে। ১০) অ্যানথ্রোপলজিস্ট রবিন ডানবারের বক্তব্য, প্রেম প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে অন্ততপক্ষে দু’টি বন্ধুত্বের সম্পর্ক নষ্ট করে। ছেলে হোক বা মেয়ে, প

Habibur Rahman Nuri: একজনকে সুপারিশ করেছে

সাদাত সাদ

@saadali

আকাশে উড়তে চাই
৫৮,৮৪৭ জন ফলো করছে

মো:জোবায়ের হােসেন: একজনকে সুপারিশ করেছে

সাদাত সাদ

@saadali

আকাশে উড়তে চাই
৫৮,৮৪৭ জন ফলো করছে

মারুফা ইয়াছমিন (মৌ) বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

নামাযের পূর্বে অযু করা
"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম-আমি নাজাযের উদ্দেশে পবিত্রতা লাভের উদ্দেশে ও আল্লাহ্'র সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ওযু করিতেছি" বলে প্রথমে দু‘হাত কব্জি পর্যন্ত- তিনবার ধৌত করার পর
মুখে ও নাকে তিনবার পানি দিয়ে কুলি করবে ও নাক ঝাড়বে।

অতঃপর মুখমন্ডল ধৌত করবে (কপালের উপর চুল গজানোর স্থান থেকে নিয়ে দাড়ির নিম্নভাগ, এবং এক কান থেকে নিয়ে অপর কান পর্যন্ত-)।

এরপর দু’হাতের আঙ্গুলের শুরু থেকে কনুই পর্যন- তিন বার ধৌত করবে। প্রথমে ডান হাত অতঃপর বাম হাত।

আবার নতুন করে দু’হাত পানি দিয়ে ভিজিয়ে তা দ্বারা মাথা মাসেহ্ করবে। দু‘হাত মাথার অগ্রভাগ থেকে নিয়ে পিছন দিকে ফিরাবে অতঃপর অগ্রভাগে নিয়ে এসে শেষ করবে। তারপর দু‘কান মাসেহ্ করবে। দু‘হাতের দুই তর্জনী কানের ভিতরের অংশ এবং দু‘বৃদ্ধাঙ্গলী দিয়ে বাহিরের অংশ মাসেহ্ করবে। এর জন্য নতুনভাবে পানি নেয়ার দরকার নেই।

অতঃপর দু‘পা টাখনুসহ তিনবার ধৌত করবে। প্রথমে ডান পা, তারপর বাম পা।
ওজু শেষে এই দোয়া পড়া
أَََشْهَدُ أَنْ لا إلَه إِلّا الله وَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

জায়নামাজের দোয়াঃ
জায়নামাজে দাঁড়িয়ে নামাজ শুরুর পূর্বেই এই দোয়া পড়তে হয়,
বাংলা উচ্চারন-ইন্নি ওয়াজ্জাহ তু ওয়াজ্ হিয়া লিল্লাজি, ফাত্বরস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল্ আরদ্বঅ হানি-ফাওঁ ওয়ামা-আনা মিনাল মুশরিকী-ন।
অর্থ-নিশ্চই আমি তারই দিকে মুখ করলাম, যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং বাস্তবিকই আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই ।
এরপর নামাজের নিয়াত ও তাক্বীরে তাহঃরীমা
নামাজের ইচ্ছা করাই হচ্ছে নামাজের নিয়াত করা। মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়, তবে মুস্তাহাব।
সমস্ত নামাজেই ,নাওয়াইঃতু আন্ উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়া'লা
(২ রাকাত হলে) রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(৩ রাকাত হলে) ছালাছা রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(৪ রাকাত হলে) আর্ বায় রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
(ওয়াক্তের নাম) ফাজ্ রি/ জ্জুহরি/আ'ছরি/মাগরিবি/ইশাই/জুমুয়া'তি
(কি নামাজ তার নাম) ফরজ হলে ফারদ্বুল্ল-হি/ ওয়াযিব হলে ওয়াজিবুল্ল-হি/ সুন্নত হলে সুন্নাতু রসূলিল্লাহি/নফল হলে নাফলি।
(সমস্ত নামাজেই) তায়া'লা মুতাওয়াজ্জিহান্ ইলা জিহাতিল্ কা'বাতিশ শারীফাতি আল্ল-হু আক্ বার।
বাংলায় নিয়াত করতে চাইলে বলতে হবে,
আমি আল্লাহ্'র উদ্দেশ্যে ক্কেবল মুখী হয়ে,
ফজরের/জোহরের/আসরের/মাফরিবের/ঈশার/জুময়ার/বি'তরের/তারঅবি/তাহাজ্জুদের (অথবা যে নামাজ হয় তার নাম)
২ র'কাত/৩র'কাত/৪ র'কাত (যে কয় রাকাত নামাজ তার নাম)
ফরজ/ওয়াজিব/সুন্নাত/নফল নামাজ পড়ার নিয়াত করলাম, আল্লাহু আকবার ।

তাকবীরে তাহরীমা-
আল্লাহু আকবার (৪বার)
আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহ(২বার)
আশহাদু আন্নামুহাম্মাদার রাসুল্লাহ‌(২বার)
হাইয়া আলাস্ সালাহ(২বার)
হাইয়া আলাল্ ফালাহ(২বার)
কাদকামাতিস সালাহ্(২বার)
আল্লাহু আকবার(২বার)
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ(২বার)
সানাঃ (হাত বাধার পর(বুকের বা নাভীর উপর বাম হাতের উপর ডান হাত) এই দোয়া পড়তে হয়)
উচ্চারণ : সুবহা-না কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহাম্ দিকা ওয়াতাবারঅ কাস্ মুকা ওয়াতা’ আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলা-হা গাইরুক।
অর্থ-হে আল্লাহ ! আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার মহিমা বর্ণনা করছি। আপনার নাম বরকতময়, আপনার মাহাত্ম্য সর্বোচ্চ এবং আপনি ভিন্ন কেহই ইবাদতের যোগ্য নয় ।
নবী (সাঃ) নামায অবস্থায় মাথা নীচু করে যমীনের দিকে দৃষ্টি রাখতেন। তিনি আকাশের দিকে দৃষ্টি উঠাতে নিষেধ করেছেন।
তাআ’উজঃ
উচ্চারণ- আউযুবিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম ।
অর্থ-বিতশয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি ।
তাসমিয়াঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ।
অর্থ-পরম দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি ।
এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হয়,
আয়াত নং ১ الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
বাংলা উচ্চারন আলহামদুলিল্লাহি রাব্লিল আ’লামিন
বাংলা অনুবাদ সমস্ত প্রসংশা একমাত্র আল্লাহ তা’য়ালার জন্য ।

আয়াত নং ২ الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
বাংলা উচ্চারন আর রাহহমানির রাহিম
বাংলা অনুবাদ যিনি পরম করুনাময় ও মহান দয়ালু

আয়াত নং ৩ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
বাংলা উচ্চারন মালিকি ইয়াওমিদ্দিন
বাংলা অনুবাদ যিনি বিচার দিনের মালিক

আয়াত নং ৪ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
বাংলা উচ্চারন ইয়্যা কানা’বুদু ওয়াইয়্যা-কানাসতাঈন
বাংলা অনুবাদ আমরা যেন তোমারই এবাদত করি এবং তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি

আয়াত নং ৫ اهدِنَـا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
বাংলা উচ্চারন ইহদিনাস সিরাত্বাল মুস্তাক্বিম
বাংলা অনুবাদ তুমি আমাদের সরল এ সহজ পথ দেখাও

আয়াত নং ৬ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ
বাংলা উচ্চারন সিরাত্বাল্লাযিনা আন আ’মতা আলাইহিম
বাংলা অনুবাদ তাদের পথ যাদের তুমি অনুগ্রহ দান করেছ ।

আয়াত নং ৭ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلا الضَّالِّينَ َ

বাংলা উচ্চারন গাইরিল মাগদুবে আলাইহিম ওয়ালাদ্বদ্বো-য়াল্লিন
বাংলা অনুবাদ তাদের পথ নয়,(যারা) অভিশপ্ত এ পথহারা হয়েছে।
সূরা ফাতিহা তিলাওয়াতের পর পবিত্র কোরআনের যে কোন জায়গা থেকে তিলাওয়াত বা অপর একটি সূরা পাঠ করতে হয়।

মুক্তাদীর জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ জরুরীঃ
ইমামের পিছনে মুক্তাদীও সূরা ফাতিহা পাঠ করবে। কারণ রাসূল (সাঃ) এর বাণী “যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করবেনা, তার নামায হবেনা।” (বুখারী-মুসলিম) এ কথাটি ইমাম, মুক্তাদী এবং একাকী নামায আদায়কারী সবাইকে অন-র্ভুক্ত করে। কাজেই সকলকেই সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে। যেসমস- নামাযে ইমাম স্বরবে কিরাত পাঠ করেন, সে সমস- নামাযে মুক্তাদী ইমামের কিরাত শ্রবন করবে এবং নীরবে শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা পাঠ করবে। অন্যান্য সূরা পাঠ থেকে বিরত থাকবে।
সুন্নীরা চুপকে চুপকে আর শিয়ারা জোরে আমিন বলতঃ।
হাদীছে আছে, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমরা আমীন বল, আল্লাহ তোমাদের দু‘আ কবুল করবেন। (মুসলিম)

রুকূ করাঃ
কিরা‘আত পাঠ শেষে রাসূল (সাঃ) আল্লাহ আকবার (اَللَّهُ اَكْبَرُ) বলে রুকূতে যেতন। (বুখারী)
রুকুতে স্বীয় হাঁটুদ্বয়ের উপর হস-দ্বয় রাখতেন এবং তিনি এজন্য নির্দেশ দিতেন। (বুখারী) তিনি কনুই দু‘টোকে পাঁজর দেশ থেকে দূরে রাখতেন। তিনি রুকু অবস্থায় পিঠকে সমান করে প্রসারিত করতেন। এমন সমান করতেন যে, তাতে পানি ঢেলে দিলেও তা যেন সি'র থাকে। (বুখারী, তিরমিজী, তাবরানী) তিনি নামাযে ত্রুটিকারীকে বলেছিলেন, অতঃপর যখন রুকূ করবে, তখন স্বীয় হস্তদ্বয় হাটুদ্বয়ের উপর রাখবে এবং পিঠকে প্রসারিত করে সি'রভাবে রুকূ করবে। (আহমাদ) তিনি পিঠ অপেক্ষা মাথা উঁচু বা নীচু রাখতেন না। বরং তা মাঝামাঝি থাকত। (বুখারী, আবু দাউদ)

রুকুতে রাসূল (সাঃ) এই দূ‘আ পাঠ করতেন سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ)) উচ্চারণঃ ‘সুবহানা রাব্বীয়াল আযীম’। অর্থঃ আমি মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। এই দূ‘আটি তিনি তিনবার বলতেন। কখনও তিনবারের বেশীও পাঠ করতেন। (আহমাদ)

অতঃপর রাসূল (সাঃ) রুকূ হতে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। তিনি এই দূ‘আ বলতে বলতে রুকূ হতে মাথা উঠাতেন, ( سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ) উচ্চারণঃ সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ। অর্থঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করে, আল্লাহ তার কথা শ্রবন করেন। (বুখারী-মুসলিম) তিনি যখন রুকূ হতে মাথা উঠাতেন, তখন এমনভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন যে, মেরুদন্ডের হাড়গুলো স্ব-স্ব স্থানে ফিরে যেত। অতঃপর তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় বলতেন, رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ)) উচ্চারণঃ রাব্বানা লাকাল হাম্ দ। হে আমার প্রতিপালক! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। মুক্তাদী ও ইমাম উভয়েই দূ‘আ দু‘টি পাঠ করবে।


সাজদাহ করাঃ
অতঃপর রাসূল (সাঃ) আল্লাহ আকবার বলে সাজদায় যেতেন। তিনি বলেছেন, কারও নামায ততক্ষন পর্যন- পূর্ণ হবেনা, যতক্ষন না সে সামিআল্লাহ হুলিমান হামিদাহ বলে সোজা হয়ে দাঁড়াবে অথঃপর আল্লাহ আকবার বলবে, অতঃপর এমনভাবে সাজদাহ করবে যে, তার শরীরের জোড়াগুলো সুসি'রভাবে অবস্থান নেয়। সাজদাহ অবস্থায় পার্শ্বদ্বয় থেকে হস'দ্বয় দূরে রাখতেন। (বুখারী, আবু দাউদ)
তিনি মাটিতে হাটু রাখার পূর্বে হস-দ্বয় রাখতেন। (ইবনু খুযাইমাহ)
নবী (সাঃ) রুকূ-সাজদাহ পূর্ণাঙ্গরূপে ধীরসি'রভাবে আদায় করার নির্দেশ দিতেন।
সাজদার দূ‘আঃ সাজদাহ অবস্থায় তিনি এই দূ‘আ পাঠ করতেন, (سُبْحَانَ رَبِّيَ الاَعْلَى) উচ্চারণঃ “সুবহানা রাব্বীয়াল আ‘লা”। অর্থঃ ‘আমি আমার সুউচ্চ প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করছি’। তিনি এই দূ‘আটি তিনবার পাঠ করতেন। অতঃপর নবী (সাঃ) আল্লাহ আকবার বলে সাজদাহ থেকে মাথা উঠাতেন। তিনি বলেছেন, কোন ব্যক্তির নামায ততক্ষন পর্যন- পূর্ণ হবেনা, যতক্ষন না এমনভাবে সাজদাহ করবে যে, তার দেহের প্রত্যেকটি জোড়া সুসি'রভাবে অবস্থান নেয়।

দুই সাজদার মাঝখানে বসাঃ প্রথম সাজদাহ ও সাজদার তাসবীহ পাঠ করার পর ‘আল্লাহ আকবার’ বলে স্বীয় মস-ক উত্তলন করতেন। দুই সাজদার মাঝখানে ধীরসি'রতা অবলম্ভন করা ওয়াজিব। নবী (সাঃ) দুই সাজদার মধ্যবতী অবস'ায় এমনভাবে সি'রতা অবলম্ভন করতেন, যার ফলে প্রত্যেক হাড় স্ব স্ব স'ানে ফিরে যেত। (আবু দাউদ)
দুই সাজদার মাঝখানে দূ‘আঃ দুই সাজদার মধ্যখানে নবী (সাঃ) এই দূ‘আ পাঠ করতেন,(اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِىْ وَ ارْحَمْنِى وَ اهْدِنِىْ وَ عَافِنِىْ وارْزُقْنِىْ)

উচ্চারণঃ ‘আল্লাহু ম্মাগ ফিরলী ওয়ার হামনি ওয়ার যুক্কনী’

অর্থঃ “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, দয়া কর, হিদায়াত দান কর, মর্যাদা বৃদ্ধি কর এবং জীবিকা দান কর”।
এই দূ‘আ পাঠ করে নবী (সাঃ) আল্লাহ আকবার বলে দ্বিতীয় সাজদায় যেতেন এবং প্রথম সাজদার মতই দ্বিতীয় সাজদায় তাসবীহ পাঠ করতেন। অতঃপর আল্লাহ আকবার বলে সাজদাহ থেকে মাথা উঠাতেন এবং দ্বিতীয় রাকা‘আতের জন্য দাঁড়ানোর পূর্বে বাম পায়ের উপর সোজা হয়ে বসতেন। এবং প্রত্যেক হাড় স্ব স্ব স্থানে ফেরত আসা পর্যন- বিরাম নিতেন। (বুখারী)
অতঃপর হাতে ভর দিয়ে দ্বিতীয় রাকা‘আতের জন্য দাঁড়াতেন এবং প্রথম রাকা‘আতের ন্যায় সবকিছু করতেন, তবে ছানা ও আউযুবিল্লাহ পাঠ করতেন না। একথা বিশেষভাবে স্মরণ রাখা দরকার যে, নামাযের প্রত্যেক রাকা‘আতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ফরজ।

তাশাহুদঃ
নবী (সাঃ) চার রাকা‘আত বা তিন রাকা‘আত বিশিষ্ট নামাযের প্রথম দুই রাকা‘আত শেষে তাশাহ্*হুদ পাঠের জন্য বসার সময় দুই সাজদার মাঝখানে বসার ন্যায় পা বিছিয়ে বসতেন। (বুখারী)

তাশাহহুদের উচ্চারণঃ
আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াস্ ছালাওয়াতু ওয়াত্বায়্যিবাতু আস্ সালামু আলাইকা আইয়্যুহান্ নাবিউ ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আস্-সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সালিহীন আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু। এভাবে তাশাহ্হুদ পাঠ করার পর আল্লাহ আকবার বলে চার বা তিন রাকা‘আত বিশিষ্ট নামাযের বাকী নামাযের জন্য দাঁড়াবে। বাকী নামায পূর্বের নিয়মে সমাপ্ত করবে। তবে কিরা‘আতের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা পাঠ করবে।

অর্থঃ আমাদের সব সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামাজ এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক । আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর বান্দা এবং রাসুল ।

শেষ বৈঠক ও সালাম ফেরানোঃ
তাশাহ্হুদ পাঠের জন্য শেষ বৈঠকে বসা ওয়াজিব। তবে বসার সময় তাওয়াররুক করতে হবে। তাওয়াররুক অর্থ ডান পা খাঁড়া রেখে বাম পা ডান উরুর নীচ দিয়ে বের করে দিয়ে নিতম্বের উপর বসা। এভাবে বসে প্রথমে আত্যাহিয়াতু পাঠ শেষে রাসূল (সাঃ) এর উপর (দরূদ) সালাত পাঠ করতে হবে।

দরূদের উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাযীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাযীদ ।

অর্থ-হে আল্লাহ, দয়া ও রহমত করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন রহমত করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর। নিশ্চই আপনি উত্তম গুনের আধার এবং মহান। হে আল্লাহ, বরকত নাযিল করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর।নিশ্চই আপনি প্রশংসার যোগ্য ও সম্মানের অধিকারী ।

দরূদ পাঠ শেষে দূ‘আ মাসুরা পাঠ করতে হবে(বুখারী),
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসী জুলমান কাছীরাও ওয়ালা ইয়াগফিরুজ্ জুনুবা ইল্লা আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইন্দিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর্ রাহীম।

অর্থ-হে মহান আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি (অর্থাৎ অনেক গুনাহ/পাপ করেছি) কিন্তু আপনি ব্যতীত অন্য কেহ গুনাহ মাফ করতে পারে না। অতএব হে আল্লাহ অনুগ্রহ পূর্বক আমার গুনাহ মাফ করে দিন এবং আমার প্রতি সদয় হোন; নিশ্চই আপনি অতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু ।

অতঃপর প্রথমে ডান দিকে পরে বাম দিকে সালাম ফিরিয়ে নামায সমাধা করবে।


বিতরের নামাজঃ
বিতরের নামাজের পর ৩য় রাকায়াতে সূরা ফাতিহা ও অন্য কিরআত পড়ার পর আল্লাহু আকবার বলে হাত তুলে আবার হাত বাঁধতে হয় এবং দোয়া কুনুত পড়তে হয় ।

উচ্চারণ-"আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা'ঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা, ওয়া নু'মিনু বিকা ওয়া না তা ওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইর। ওয়া নাশকুরুকা, ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখ লা, ওয়া নাত রুকু মাইয়্যাফ জুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না'বুদু ওয়ালাকা নুছাল্লি ওয়া নাসজুদু ওয়া ইলাইকা নাস'আ, ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা ওয়া নাখ'শা আযাবাকা ইন্না আযা-বাকা বিল কুফফা-রি মুল হিক ।"

অর্থ-হে আল্লাহ, আমারা আপনার নিকট সাহায্য চাই। আপনার নিকট গোনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। আপনার প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কেবল মাত্র আপনার উপরেই ভরসা করি। সর্বপ্রকার কল্যান ও মংগলের সাথে আপনার প্রশংসা করি। আমরা আপনার শোকর আদায় করি, আপনার দানকে অস্বীকার করি না।আপনার নিকট ওয়াদা করছি যা, আপনার অবাধ্য লোকদের সাথে আমরা কোন সম্পর্ক রাখব না-তাদেরকে পরিত্যাগ করব । হে আল্লাহ, আমরা আপনারই দাসত্ব স্বীকার করি। কেবলমাত্র আপনার জন্যই নামাজ পড়ি, কেবল আপনাকেই সিজদা করি এবং আমাদের সকল প্রকার চেষ্টা-সাধনা ও কষ্ট স্বীকার কেবল আপনার সন্ততুষ্টির জন্যই । আমরা কেবল আপনার ই রহমত লাভের আশা করি, আপনার আযাবকে আমাওরা ভয় করি। নিশ্চই আপনার আযাবে কেবল কাফেরগনই নিক্ষিপ্ত হবে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
১২,৭৬২

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও