shahnaz chaudhury

@shahnaz1980

I'm Happy as can be!!
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1408291920000  থেকে আমাদের সাথে আছে

shahnaz chaudhury: যদি আজ বিকেলের ডাকে তার কোন চিঠি পাই? যদি সে নিজেই এসে থাকে, যদি এতোকাল পর তার মনে হয়, দেরী হোক- তবু যায়নি সময়.. ____ নরেশ গুহ ( "শান্তিনিকেতনে ছুটি" কবিতার অংশবিশেষ! )

shahnaz chaudhury: ছোটদের ভিড়ে নিজের অতীতকে খুঁজে পেতে বড় ইচ্ছে করে । তবে এখনো ঈদ আসে,ঈদ যায় তবে এতো খুশি,আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায় না । দিনগুলোর ভালোলাগাটা ছিল অন্য এক আকর্ষণের । একদম শুরু থেকে শেষপর্যন্ত সবকিছুই ভালো লাগতো ।

shahnaz chaudhury: এক লাইভ টিভি প্রোগ্রামে সৌদি আরবের একজন মুফতি সাহেবের কাছে সোমালিয়া থেকে একটি প্রশ্ন আসলো - “আমাদের রোজা কি কবুল হবে যদি আমাদের কাছে সেহরি বা ইফতার করার জন্য কিছু না থাকে?” এই প্রশ্ন শুনে শাইখ কেঁদে ফেলেন। https://m.facebook.com/story.php...

shahnaz chaudhury: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসেন শুরু করি হ্যাশ ট্যাগ আর প্রোফাইল পিকচার দিয়ে। তাসকিনের জন্য করেছিলাম এশিয়া কাপের ফাইনালের জন্য করেছিলাম তনুর জন্য পারবা না?
সবাই এক সাথে স্ট্যাটাস দেন এই হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে
‪#‎JusticeForTonu‬
আমি তনু হত্যার বিচার চাই ,আপনি? https://m.facebook.com/story.php…
ভাই কোন মিডিয়া তনুর নিউজ শেয়ার করতেসে না। একটাও না। ভাবতে পারেন মরেও তনু কত অসহায়। ভাই এই অবস্থায় আমাদেরকেই মিডিয়ার দায়িত্ব পালন করতে হবে। আপনি করবেন না। ফাইন। কইরেন না। আমারে করতে দেন।
আর ফেসবুকে প্রতিবাদের ফল আমরা কি রাজনের ক্ষেত্রে পাই নাই?.আন্সার মি। ইন্ডিয়াতে দামিনীর বিচার চাওয়া শুরু হইছিল ফেসবুক থেকে!!
ডাইনে না বায়ে না ফোকাস একটাই
তনু হত্যার বিচার চাই !!

shahnaz chaudhury: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছানার জর্দা :
যা যা লাগবে: ছানা ১ কাপ,  ময়দা অথবা করন ফ্লাউয়ার ২ টেবিল চামচ, মাওয়া অথবা গুড়া দুধ ৪ টেবিল চামচ, জাফরান রং আধা চা চামচ
সিরার জন্য চিনি ২ কাপ, পানি ৪ কাপ, কমলার রস ৪ টেবিল চামচ
ভাজার জন্য তেল।
একটা সবজি কুরুনী

যেভাবে করবেন :

১ কাপ ছানা কাঠের পিঁড়িতে হাত দিয়ে খুব ভালভাবে মেখে নিন। এবার ছানার সঙ্গে গুড়াদুধ , কর্নফাওয়ার / ময়দা মেশান। আবারও হাত দিয়ে খুব মিশিয়ে নেবেন।
জাফরান রং মিশিয়ে নিন। একটা সব্জি কুরুনির সাহায্যে অল্প অল্প নিয়ে ঘষে ঘষে ছানার জর্দা তৈরী করুন আমি কিমার মেশিন দিয়ে করেছি !। এতে করে ছিদ্র দিয়ে নানা আকারের হয়ে ছানা প্লেটে পড়বে।

এবার সেগুলো গরম তেলে ভেজে তুলুন।

চিনির সিরায়(আমি সিরায় কমলার রস দিয়েছি ফ্লেভারের জন্য ) ডুবিয়ে রাখুন আধাঘন্টা। চিনির সিরা থেকে তুলে প্লেটে পেস্তা বাদাম ও লাল মোহন  দিয়ে পরিবেশন করুন।
ছবি

shahnaz chaudhury: ফটো পোস্ট করেছে

ছানার জর্দা II

shahnaz chaudhury: *শুভকামনা* জিতে গেলে তখন জিতে যায় পুরা জাতি আর হারলে শুধু হারে ওরা ১১ জন... । এটাই হল আমাদের সমর্থন ! জয় পরাজয়ে পাশে আছি থাকব।I

ছবি

shahnaz chaudhury: ফটো পোস্ট করেছে

গ্রাম থেকে আনা খাটি দুধ দিয়ে হালকা মিষ্টি সাদা দই ! ক্যারামেল এবং ফুড কালার ছাড়া !

shahnaz chaudhury: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফেসবুক ঘিরেই ছিল সব ফ্যাসিনেশন। কে আমার পোস্টে লাইক দিল ,কে কমেন্ট করল ,কোন ইস্যুতে গরম ফেসবুক। এড্রিনালিন রাশ হত কারণে অকারণে।

সেই সাথে বিষন্নতা ঘিরে ধরত। পাচ মিনিট মন ভাল থাকলে দশ মিনিট খারাপ থাকত। কারণ ছাড়াই মন খারাপ হত কারণ ছাড়াই ভাল হত। মন খারাপের কারণগুলো ভাবলে এখন নিজেরো হাসি পায়। সারারাত ফেসবুকের নিউজফিডে পরে থাকলে যা হয় আর কি।

হঠাত ধাক্কায় বুঝতে পারলাম। আশেপাশের জগত থেকে কিভাবে নিজেকে আইসোলেট করে ফেলেছি। সারারাত ফেসবুকিং করে সারাদিন ঘুমিয়ে সন্ধ্যায় একগাদা খেয়ে আবার ফেসবুকে। নিজের কাছেই নিজেকে ঘৃণ্য লাগছিল।

নিজেকে সময় দিয়েছিলাম ৬ মাস। এই ছয় মাসে রাত জাগা ,ফেসবিকুং এডিকশন সব কিছু থেকে বের হয়ে আসব। অনেক কষ্ট হলেও বের হয়ে আসতে পেরেছি। আজকাল তাই ফেসবুকিং টাও ভাল লাগে। কারণ আগে আমি আমার রিয়েল লাইফটা ঠিক করতে পেরেছি। আমার লাইফ ফেসবুকের লাইক শেয়ার কমেন্ট ফ্রেন্ডস ইস্যুরা আর কন্ট্রোল করেনা। আমার ঘুম ,আমার মনের পাইলট আমিই।
.
বিষন্নতায় ভুগে তোমরা যারা ফেসবুককে একমাত্র আশ্রয় ভেবে নাও। রাত জেগে ফেসবুকিং কর্। তোমরা নিজেরাও জানোনা এটা তোমার বিষন্নতা কে জ্বালানি জোগাচ্ছে
.
রাত জেগে জেগে নিউজফিডে আলু,কলা ,পটল দেখলে লাইফে চিড়া ভিজবে না
এমন না যে সাফল্যটা আজকেই পেতে হবে। আর সাফল্য পেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। মোটেই না
.
একটা ভাল বই পড়
একটা ভাল মুভি দেখ
বাবা মায়েদের সাথে একটু গল্প করো
ভাই বোনরা মিলে কোথাও ঘুরতে যাও
সকালে ফজরের নামাজটা পড়ে একটু হেটে আস বাইরে থেকে
রাতটা ঘুমে তলিয়ে যাও
ভাল স্বপ্ন দেখার জন্য ভাল ঘুম জরুরী
মন খারাপ আবার কি রে পাগলা ,ইউ আর দা ক্যাপ্টেন অফ ইওর লাইফ I
By Warish Azad Nafi

shahnaz chaudhury: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্কুল লাইফে একবার ঠিক করলাম নিজের টাকায় আব্বাকে স্যু কিনে দেব। ঘটনা হল ক্রিকেট খেলতাম, কেডস লাগবে। বাটায় তখন পাওয়ারের এক জোড়া কেডস এসেছিল দাম পনেরশ টাকা। আবদার করে বসলাম আব্বার কাছে
- আব্বা কেডস কিনে দাও।
আমার বাবার সেদিন কেডস কিনে দেবার সামর্থ্য ছিলনা। অনেক রাগারাগি করলাম। না খেয়ে থাকলাম। আম্মা এসে বলল
- তুই জানিস তোর আব্বা গত পাচ বছরে একই জুতা পরে চালিয়ে যাচ্ছে
.
প্রচন্ড ধাক্কা লাগল কথাটা শুনে। আব্বা পাচ বছর ধরে একই স্যু পরে অফিসে যাওয়া আসা করছে। কালের বিবর্তনে যে জুতোর মিউজিয়ামে জায়গা হওয়ার কথা চার কোণা জলছাপ কাগজের দৈন্যে সে জুতা লাইফ টাইম সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে আব্বাকে।
.
আমি তখন ক্রিকেটের খেপ খেলতাম টুকটাক। ঠিক করলাম খেপ খেলে টাকা জমিয়ে আব্বা কে স্যু কিনে দেব। এক খেপে তখন বেশী না ৫০ টাকা দিত কোনটাতে খাওয়াত টাকা দিতনা। তো আমি প্রবল আগ্রহে আব্বাকে জুতা কিনে দিব বলে স্কুল ফাকি দিয়ে খেপ খেলতে লাগলাম। বয়সে কম ছিলাম বলে নিতে চাইতোনা।
.
অনেক কষ্টে খেপ খেইলা জমালাম ৬০০ টাকা। মনে তখন আনন্দ। আব্বারে ঢাকায় ফোন দিয়া বললাম
- আপনি আগামী সপ্তাহে ফেনী আসেন দরকার আছে
.
বাবারে জুতা কিনে দিবে আজ তাই খেপ খেলে জমান ৬০০ টাকা নিয়ে গর্বিত ছেলে গেল বাটার শো রুমে। জানতাম না কি অপেক্ষা করছে। ছয়শ টাকার মধ্যে জুতা পাওয়া যাবে এক জোড়াই। এদিকে আমার আবার যেগুলা পছন্দ হইছে সেগুলার দাম হাজারের উপরে। প্রচন্ড অক্ষমতায় আমি কাদতে লাগলাম। একবার মন চাইল শো রুমের ম্যানেজার কে বলি
- আঙ্কেল বাকি দিবেন মাসে মাসে কিস্তিতে শোধ করে দিব।
.
সেদিন আব্বার জন্য নিজের টাকায় জুতো কেনার স্বপ্ন আমার পূরণ হয়নি। কঠিন বাস্তবতা সেই স্কুল পড়ুয়া কিশোর কে শিখিয়ে দিয়েছিল , সাধ আর সাধ্যের মধ্যে তফাত কতটুকু।
.
.
আপনজনের জন্য মন ভরে কিছু একটা করতে পারার অক্ষমতার কষ্ট সেবারই প্রথম পেয়েছিলাম
.
বাবার ধমকে দিন শুরু করা ছেলেটারও খুব ইচ্ছা করে নিজের টাকায় এক জোড়া জুতো কিনে বাবার পায়ের কাছে বসে প্রাগৈতিহাসিক জুতোজোড়া খুলে নিজ হাতে নতুন জোড়া পরিয়ে দিয়ে বলতে
- এইবার এই জোড়াকে মুক্তি দাও
.
টানাটানির সংসারে শহরে পড়তে আসা ছেলেটারও ইচ্ছা করে এবার ঈদে বাড়ি ফেরার সময় মায়ের জন্য ভালো একটা দামী শাড়ি কিনে নিয়ে যেতে। কলিংবেল বাজানোর পর মা দরজা খুলে দেখবে তার পাগল ছেলেটা শাড়ির জমিন খুলে হাসিমুখে বলছে
- জমিন টা আমার মায়ের সরল মুখটার মত
.
বোনের আবদার মেটাতে অক্ষম ভাইটারও ইচ্ছা করে এবারের ছুটিতে একটা এন্ড্রোয়েড মোবাইল কিনে বোনের কলেজের ব্যাগে ঢুকিয়ে রেখে সাথে একটা চিরকুট লিখে দিতে
- এবার থেকে দেখব হোয়াটস এপে ভাইকে কত জ্বালাতে পারিস
.
মানিব্যাগের খুচরো টাকা দিয়ে কেনা রক্তগোলাপ ছাড়া প্রেমিকাকে আর কিছু দিতে অক্ষম প্রেমিক ছেলেটারও ইচ্ছা করে এক গুচ্ছ চুড়ি না ,চকবাজার থেকে হোলসেলে চুড়ির পুরো গাট্টিটা এনে সেটাকে প্রেমিকার সামনে রেখে কপালের ঘাম মুছতে মুছতে বলতে,
- নে পাগলী। এবার দেখব কত চুড়ি পড়তে পারিস ,আর কত চুড়ি অভিমানে ভাংতে পারিস
.
এই অক্ষম মানুষগুলোর দেয়ার ক্ষমতা হয়ত নেই ,কিন্তু পৃথিবী জেনে রাখুক তাদের ভালোবাসায় এতটুকু খাদ নেই।
.
এ পৃথিবীতে নানান রঙ্গের কষ্ট আছে। কিন্তু আপন জন কে মন ভরে না দিতে পারার মত কষ্ট কিছুতে নেই|

Written by Warish Azad Nafi

shahnaz chaudhury: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জেনে নিন গ্রিন টি কেন খাবেন
=====================
সাধারণ চা আর গ্রিন টি’র মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে প্রক্রিয়াজাতকরণে। অন্যান্য চা তৈরি করতে ‘ফারমেনটেইশন’ বা গাঁজন প্রক্রিয়া চালানো হয়ে, গ্রিন টি’র ক্ষেত্রে তা করা হয় না। ফলে অন্যান্য চা থেকে গ্রিন টি’তে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান ও পলি-ফেনলস বেশি থাকে। তাই অন্যান্য চা থেকে গ্রিন টি’র উপকারিতা বেশি। চা গাছের সবুজ পাতাই মূলত গ্রিন টি। এই চায়ে রয়েছে ভিটামিন এ, ই ওসি। এছাড়াও রয়েছে ক্যালমিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও বিভিন্ন মিনারেল।
.
চলুন জেনে নিই, গ্রিন টি`র কিছু উপকারিতা-
.
△ গ্রিন টি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গ্রিন টি শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ সবুজ চা খেলে অতিরিক্ত ৬৭ ক্যালোরি পোড়ানো যায়।
.
△ খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে, যা প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে গ্রিন টি। ফলে দেহে অতিরিক্ত চর্বি জমতে পারে না।
.
△ গ্রিন টি খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও ভালো কোষগুলোর কোনো ক্ষতি না করে সার্বিকভাবে ক্যান্সারের কোষ নির্মূল করে।
.
△ গ্রিন টি শরীরের ক্ষতিকর কলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণও বাড়ায়।
.
△ গ্রিন টি’র ‘ক্যাটেকাইন’ নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মুখের ভিতরের বিভিন্ন ব্যকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে। যা গলার ইনফেকশনসহ দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা কমিয়ে আনে।
.
△ নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে যায়।
.
△ প্রকৃতিকভাবেই ‘থিয়ানিন’ নামের অ্যামাইনো এসিড চা পাতায় পাওয়া যায়। এই উপাদান দুশ্চিন্তা ও হতাশা কমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে অবসাদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
.
△ চায়ের ক্যাটেকাইন উপাদান অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে বেশ কার্যকর। ফলে ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত সব রকমের রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে অনেক রোগ বিস্তারেও বাধা দেয় গ্রিন টি।
.
△ মুখে বয়সের ছাপ ও বলিরেখা দূর করতে গ্রিন টি’র জুড়ি নেই। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামাটরি উপাদান ত্বকে বলি রেখা পড়তে দেয় না।
.
তাছাড়া এটি ত্বকের রোদে পোড়াভাব কমাতে ও ব্ল্যাক হেডস দূর করতে সাহায্য করে।
ক্যান্সারের জন্য দায়ী কোষ জন্মাতে বাধা দেয় গ্রিন টি, পাশাপাশি উপকারী কোষকে উজ্জীবিত করে।

shahnaz chaudhury: *ভালোবাসা* ১) ভালোবাসা সাধারনত জোর করে হয় না ২) ভালোবাসা ধরে রাখতে করতে হয় অনেক কিছুই ৩)ভালোবাসার অর্থ অন্যের সবকিছুকে আপন করে নেয়া ৪)শুধু আকর্ষণই নয়, এতে থাকতে হয় সম্মান, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস ৫) অন্যকে ভালোবাসার পূর্বে নিজেকে ভালোবাসা উচিত

shahnaz chaudhury: *বসন্ত* আকাশে বহিছে প্রেম, নয়নে লাগিল নেশা কারা যে ডাকিল পিছে! বসন্ত… এসে …গেছে

shahnaz chaudhury: একটি বেশব্লগ লিখেছে


১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
প্রেমিক প্রেমিকা সিদ্ধান্ত নিল ঠোটের ব্যারিকেড বসাবে শাহবাগ মোড়ে। ঠিক সকাল দশটায়। সেদিন খুব সাজুগুজু করে বের হল ছেলে মেয়ে। শাহবাগে ভালোবাসা দিবসে খুব ভিড়। হাজার হাজার কপোত কপোতিকে সাক্ষী রেখে তারা ডুবে গেল ঠোটের আটলান্টিকে। বলিউডের সিন বাংলার শাহবাগে। সেই রোমান্টিসিজম। আবেগে মেয়ের চোখে পানি এসে গেল সখী ভালবাসা কারে কয়
.
এর কিছুদিন পর
প্রেমিকার কলেজ পড়ুয়া ছোটভাই মোবাইলে পর্ণ নিল ফ্রেন্ডের কাছ থেকে। রাতের বেলা আয়েশ করতে যাইয়া প্রথম ভিডিওটা খুলেই দেখল ছেলে মেয়ে পাবলিকলি কিস করছে। ভিডিও করে পর্ণ সাইটে আপলোড করেছে কেউ। মেয়েটা কে পরিচিত লাগছে না। এইচডি রেজ্যুলুশনে জুম করে ধাক্কা খেল ছেলে। একি এটা তো তার বোন
.
তার কিছুদিন পর
সেই প্রেমিক প্রেমিকার ব্রেক আপ হয়ে গেছে। ছেলে মেয়ে দুজনের জন্যই আলাদা পাত্র পাত্রী দেখছে
ছেলে গেছে পরিবারের সাথে মেয়ে দেখতে। একটু পরই মেয়ে ফিস ফিস করে মায়ের কানে বলল " এই ছেলেরে টিভিতে দেখছি আম্মা আরেক মাইয়ারে চুমা দিতে। "
.
এদিকে সেই প্রেমিকারেও আরেক ছেলে দেখতে গেছে। একটু পরই পাশের বন্ধুরে কানে কানে বলল
" আচ্ছা তুই যে ভিডিও দিয়েছিলি এইটা সে মেয়ে না। "
বাই ওয়ারিশ আজাদ নাফি 

shahnaz chaudhury: *ইন্ডিয়ানসিরিয়াল* ইন্ডিয়ান সিরিয়াল মানেই এক্সট্রা ম্যারিটাল অ্যাফেয়ার ,নাজায়েজ আউলাদ,মরে গিয়েও ফিরে আশা !!

shahnaz chaudhury: *ইন্ডিয়ানসিরিয়াল* ইন্ডিয়ান সিরিয়াল মানেই এক্সট্রা ম্যারিটাল অ্যাফেয়ার ,নাজায়েজ আউলাদ,মরে গিয়েও ফিরে আশা !!

ছবি

shahnaz chaudhury: ফটো পোস্ট করেছে

ডিনারে বানালাম চিকেন খিচুরী আর ডিম পোচ কারী

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
১,২৬৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত