সৌ র ভী

@shouravi

আমি আমার মতো
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1393484514000  থেকে আমাদের সাথে আছে

সৌ র ভী: তোমার রঙে রাঙিয়ে দাও রঙিন হব আমি তোমার পরশ উষ্ণ অনুভব ওগো প্রিয় স্বামী দু হাত ভরে উজাড় করে ভালোবাসা দিও আমার কাছে যাহাই আছে নিজের করে নিও লক্ষী হব দুস্টু হব আরো কত কি তোমার চোখে আমার সকল স্বপ্ন দেখে রাখি হঠাৎ কোন দমকা হাওয়া যদি কখনোও আসে আগলে রেখো ভালোবেসো দ্বিগুন উৎসাহে... ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি বলি মায়াবন্ধন হৃদ স্পন্দন অক্ষুণ্ণ রেখে চলি...

সৌ র ভী: হিংসা, বিদ্বেষ, অহংবোধ আরও আছে ক্ষুব্ধ ক্রোধ... ধ্বংস করে নীতি বিবেক থেমে যায় সকল আবেগ... মানুষ হতে যতো বাঁধা জীবনটা যে গোলক ধাঁধা... ছুটছে মানুষ কিসের পাছে জানে নাতো সবই মিছে... দিনের শেষে একটিই পথ শুদ্ধ হওয়ার দৃঢ় শপথ... অবুঝ থেকে বুঝদার হও নির্মল এক পরিবেশ দাও... সেথায় রবে আশার আলো হতাশার মুখে মশাল জ্বালো... ---( সৌরভী)

সৌ র ভী: [বাঘমামা-ওস্তাদমানুষ] অনেক দিন পর আসলাম .. কেমন আছে সবাই... (চিন্তাকরি)(চিন্তাকরি)(চিন্তাকরি)

সৌ র ভী: *বাংলাদেশ-না-ভারত* কিছুই বলবো না ... কথায় নয়, কাজে দেখিয়ে দিবো ইনশাল্লাহ (কুল)

সৌ র ভী: অশান্তি সৃষ্টিকারীদের থেকে ১০০০ কিলো দুরে থাকুন ... তাহলে মনে শান্তি থাকবে (রাগী)(রাগী)

সৌ র ভী: পৃথিবীতে সব কিছু যদি 'সহজ' ই হত তাহলে 'কঠিন' বলে কিছু থাকতো (না).... (সৌ র ভী)

সৌ র ভী: [রাজামশাই-আমারকেওনাই] মনের ভাব প্রকাশের উত্তম জায়গা হলো 'বেশতো' (চিন্তাকরি)

সৌ র ভী: [বাঘমামা-কোপা] যানজট .. বর্তমান সময়ে ঢাকাবাসীর জন্য একটা চরম অভিশাপ (রাগী)(রাগী)(রাগী)(রাগী)

সৌ র ভী: কেমন আছ দিদি (প্রশ্ন)(প্রশ্ন)(প্রশ্ন) @dipty

সৌ র ভী: [নান্টু-জ্বইলাগেলামরে] ঢাকায় হঠাত করেই খুব গরম পরে গেছে.. শীত কাল কে খুব মিস করছি (ব্যাপকটেনশনেআসি)

সৌ র ভী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ সময় মতো পড়তে না পারলে, সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পড়া হলে তাকে কাজা নামাজ বলে। পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ নামাজ ছুটে গেলে কাজা করা ফরজ। এশার নামাজের সময় বেতরসহ যে কোনো ওয়াজিব নামাজের কাজা করা ওয়াজিব। নফল নামাজ শুরু করার পর ওয়াজিব হয়ে যায়।

কোন কারণে নফল নামাজ নষ্ট হলে অথবা শুরু করার পর কোন কারণে যদি ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে তার কাজা করাও ওয়াজিব। সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং নফলের কাজা নেই। তবে ফজরের নামাজ সুন্নত-ফরজ উভয়টা পড়তে না পারলে সুন্নত-ফরজ এক সঙ্গে কাজা করা উত্তম। দুপুরের চার রাকাত সুন্নত পড়তে না পারলে ফরজের পরও পড়ে নেওয়া যায়।

ফরজের পর যে দুই রাকাত সুন্নাত আছে তার আগেও পড়া যায় এবং পরেও পড়া যায়। তবে দুপুরের ওয়াক্ত চলে গেলে কাজা ওয়াজিব হবে না।

নবী ও সাহাবিদের কাজা নামাজ : এক রাতে নবীজি (সা.) সাহাবিদের নিয়ে সফর করছিলেন। রাত শেষে বিশ্রামের বিরতি হয়। হজরত বেলাল (রা.) কে ফজরের নামাজের জন্য জাগিয়ে দেয়ার দায়িত্ব দিলেন।

এরপর সবাই ঘুমিয়ে পড়লেন। এ দিকে হজরত বেলালও (রা.) ক্লান্ত। তিনিও ঘুমে আচ্ছন্ন। ফজরে কাউকে জাগাতে পারেননি। সবার ফজরের নামাজ কাজা হয়ে যায়। নবীজি (সা.) ঘুম থেকে জেগে সূর্য ওঠার কিছুক্ষণ পর সবাইকে নিয়ে ফজরের নামাজ কাজা করলেন। বোখারি শরিফ : ৫৯৭

জুমা নামাজের কাজা নেই : জুমা নামাজের কাজা নেই। জুমা পড়তে না পারলে চার রাকাত জোহার কাজা পড়তে হবে।

কাজা নামাজের সময় : কাজা নামাজ পড়ার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। যখনই স্মরণ হবে এবং সুযোগ হবে পড়ে নিতে হবে। তবে নিষিদ্ধ সময়গুলোতে মনে পড়লে অপেক্ষা করতে হবে।

দীর্ঘ কাজা হলে : কারো যদি কয়েক মাস এবং বছর নামাজ কাজা হয়ে যায়, তাহলে তার উচিত কাজা নামাজ একটা অনুমান করে নিয়ে কাজা পড়া শুরু করা। এ অবস্থায় কাজা নামাজ পড়ার নিয়ম এই যে, সে যে ওয়াক্তের কাজা পড়তে চাইবে সে ওয়াক্তের নাম নিয়ে বলবে যে, অমুক ওয়াক্তের সবচেয়ে প্রথম বা শেষ নামাজ পড়ছি। যেমন কাজা হওয়া নামাজের মধ্যে ফজরের নামাজের কাজা পড়তে চায়। তাহলে বলবে, ফজরের সবচেয়ে প্রথম অথবা শেষ নামাজ পড়ছি। এভাবে পড়তে থাকবে যাতে সকল কাজা নামাজ পুরা হয়ে যায়।

ভ্রমণের সময়ের কাজা : সফরে যে নামাজ কাজা হবে তা মুকিম হয়ে পড়তে গেলে কসর পড়বে। কসর মানে চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজ দুই রাকাত পড়বে। তেমনি মুকিম অবস্থায় কাজা হলে সফরে তা পুরা পড়তে হবে।।

সৌ র ভী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শরিয়তের পরিভাষায় রাত দ্বিপ্রহরের পর ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে নামাজ আদায় করা হয় তা-ই ‘সালাতুত তাহাজ্জুদ’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ। আর এই নফল নামাজকে মহানবী (সা.) শ্রেষ্ঠ নফল ইবাদত হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছেন।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর তাহাজ্জুদ নামাজ বাধ্যতামূলক ছিল। তাই তিনি জীবনে কখনো তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে বিরত হননি। তবে উম্মতে মুহাম্মদির জন্য এটা সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদা অর্থাৎ এ নামাজ আদায় করলে অশেষ পুণ্য লাভ করা যায়, কিন্তু আদায় করতে না পারলে কোনো গুনাহ হবে না। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়তের সঙ্গে সওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রোজা পালন করে, তার বিগত জীবনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াবের আশায় মাহে রমজানের রাতে কিয়াম করে, তার বিগত দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম বা রাত জেগে ইবাদত করে, তার বিগত জীবনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (বুখারি ও মুসলিম)
রমজান মাস ও অন্যান্য সময় তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের পরে পড়তে হয়। মধ্যরাতে যখন লোকেরা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন, তখন রোজাদার মুমিন বান্দা ঘুম থেকে জেগে ইবাদত-বন্দেগি করেন এবং সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন। সুবহে সাদিক হয়ে গেলে এ নামাজ আর পড়া যায় না। যদি রাত দ্বিপ্রহরের পর নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে এশার নামাজের পর এবং বিতরের আগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতে হয়। অবশ্য তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের আগে পড়লে সওয়াব কম পাওয়া যায়। রাতের শেষাংশে পড়লে সওয়াব বেশি পাওয়া যায়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) তাহাজ্জুদ নামাজ কখনো ৪ রাকাত, কখনো ৮ রাকাত এবং কখনো ১২ রাকাত পড়েছিলেন। তাই রোজাদার ব্যক্তির তাহাজ্জুদ নামাজ কমপক্ষে ৪ রাকাত আদায় করা উচিত। কিন্তু যদি কেউ এ নামাজ ২ রাকাত আদায় করেন, তাহলেও তাঁর তাহাজ্জুদ আদায় হবে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এশার পর দুই বা ততোধিক রাকাত নামাজ পড়ে নেয়, সে হবে তাহাজ্জুদের ফজিলতের অধিকারী।’

রমজান মাসে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কালে পবিত্র কোরআনের আয়াত খুব বেশি তিলাওয়াত করা উত্তম। যদি দীর্ঘ সূরা মুখস্থ থাকে, তাহলে তাহাজ্জুদ নামাজে দীর্ঘ সূরা তিলাওয়াত করা উত্তম। ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজের প্রথম রাকাতে সূরা আল-ইখলাস ১২ বার, দ্বিতীয় রাকাতে ১১ বার, তৃতীয় রাকাতে ১০ বার, চতুর্থ রাকাতে ৯ বার অনুসারে দ্বাদশ রাকাতে একবার পড়তে হয়। আবার প্রত্যেক রাকাতে সূরা আল-ইখলাস ৩ বার অথবা ১ বার হিসেবেও পড়া যায়। আবার সূরা আল-মুয্যাম্মিল, আয়াতুল কুরসি এবং সূরা আল-ইনশিরাহও পড়া যায়।
মাহে রমজানে দিবাভাগে পানাহার বর্জন করে রোজা পালনের পর গভীর রাতে নিদ্রাসুখ ত্যাগ করে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত সব নফল ইবাদত অপেক্ষা অধিক এবং এটি আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। এ জন্য আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর এ নামাজ ফরজ করে দিয়েছিলেন। রোজাদার ব্যক্তি যদি তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, আল্লাহ তার পাপরাশি মার্জনা করে দেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমার প্রভু প্রত্যেক রাতের শেষাংশে নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, যে কেউ আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তা কবুল করব, যে কেউ কিছু প্রার্থনা করবে, আমি তা প্রদান করব, যে কেউ আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করব।’ (বুখারি ও মুসলিম)
রমজান মাসে রাত জাগরণ করে যাঁরা তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন এবং অপরকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করেন, তাঁরা আল্লাহর অপার রহমতের মধ্যে বিচরণ করেন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ ওই ব্যক্তির ওপর রহমত নাজিল করেন, যিনি রাতে নিদ্রা থেকে জেগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন এবং তাঁর স্ত্রীকে নিদ্রা থেকে জাগিয়ে দেন। অতঃপর তিনি (তাঁর স্ত্রী) তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন। এমনকি যদি তিনি (স্ত্রী) ঘুম থেকে জাগ্রত হতে না চান, তাহলে তাঁর মুখে পানি ছিটিয়ে দেন।’ (আবু দাউদ ও নাসাঈ) রোজাদার তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি অধিক সম্মানের অধিকারী হন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুসলমানদের মধ্যে আল কোরআনে অভিজ্ঞ ও তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি সম্মানের অধিকারী হবেন।’ (বায়হাকি)
তাহাজ্জুদ নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনো বিনা ওজরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া ছাড়তেন না। সাহাবিগণও রমজান মাসে নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। অথচ রোজার মাসে ঐচ্ছিক ইবাদতের দরজা খোলা থাকা সত্ত্বেও বহু মিথ্যাবাদী ও পরনিন্দাকারী রোজাদার রাত জেগে তারাবি ও তাহাজ্জুদ গুজারের ভাগ্যে ক্ষুধা, পিপাসা এবং রাত জাগরণ ছাড়া আর কিছুই জোটে না। রমজান মাসে যেহেতু শেষ রাতে সেহির খাওয়ার জন্য জাগতেই হয়, আর সেহির খাওয়ার আগ পর্যন্ত শেষ রাত একান্ত দোয়া কবুলের সময়; তাই একটু আগেভাগে উঠে সেহিরর আগে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের ও সওয়াব প্রাপ্তির সুবর্ণ সুযোগের সদ্ব্যবহার করা উচিত।
আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফিক দান করুন..আমিন


সৌ র ভী: [ফুলকি-হুম্ম] আমি আছি , আমি নেই, থেকে যাবে সব স্মৃতি শুধু তুমি মনে রেখো ভুলে যেও নাকো কভু আমার অস্তিত্ব শুধু নয় নি:শাসে বেচে আছি বড়জোর তোমার ওই বিশ্বাসে তোমার ওই মনটাকে বেধে রেখো যতনে ভুল তুমি করনাকো মিছে কোনো রতনে ভালো থেকো ভালো রেখো এই হোক কামনা দূর থেকে আমি হব শুধু তোমার প্রেরণা.....

সৌ র ভী: [বাঘমামা-কোপা] কারো বিশ্বাস ভাঙ্গার মত বড় অপরাধ খুব কমই আছে .. তাই ওগোরে সজোরে কোপা (রাগী)(রাগী)

সৌ র ভী: [বাঘমামা-পেমেপড়ছি] ভালবাসার কোনা চিপায় কেউ যাতে ঢুকতে না পারে সেজন্য ভালবাসায় কোনো ফাক ফোকর রাখা ঠিক (না) ভালবাসা হতে হবে নিরেট , সলিড , নির্ভেজাল ২৪ ক্যারেট সোনার মত খাটি , চকচকে (খুশী২)(ভেঙ্গানো২)(চুম্মা)(গ্যাংনাম)

সৌ র ভী: [বাঘমামা-যাফোট] সকল দুঃক্ষ কষ্ট কে বলি যা ফোট যতই আশে পাশে ঘুরঘুর করিস কেউ দিবে না তোদেরকে ভোট | সুতরাং সাবধান আগে ভাগেই চলে যা সুখের সাথে বন্ধুত্ব পাতিয়ে কিছু সুখ নিয়ে যা |

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৯,৬১৪

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত