শ্রীময়ী

@shrimoyi

business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1423380378000  থেকে আমাদের সাথে আছে

শ্রীময়ী: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকাতে কি ধরণের খাবার রাখা উচিৎ?
শ্রীময়ী: দেহের ওজন কমানোর জন্য আপনার বহু মূল্যবান খাবার বা ওষুধের প্রয়োজন নেই। আপনার হাতের কাছেই পাওয়া যায় এমন কিছু খাবার বা মসলাই নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করে দেহের ওজন কমানো সম্ভব। আমি যা যা খাই, তাই লিখছি ; ...বিস্তারিত

৩ টি উত্তর আছে

*ওজন* *খাদ্যতালিকা* *হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যতথ্য* *পুষ্টি* *ওজনসমস্যা*

শ্রীময়ী: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 ‘ভ্রু প্লাক’ করার পর কি করা উচিত এবং কি করা উচিত না?
শ্রীময়ী: ভ্রু প্লাকের আগে ও পরে যা যা করণীয়: ♣ ভ্রু প্লাক করার পর মুখ অবশ্যই ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে খুলে পাওয়া লোমকূপগুলো সংকুচিত হয়ে আসবে এবং ত্বকের লালচে-ভাব দূর হবে। ত্বকে জ্বলুনি অনুভূত হলে অ্...বিস্তারিত

২ টি উত্তর আছে

*ভ্রুপ্লাক* *বিউটিটিপস* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

শ্রীময়ী: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 চিলি চিকেন বানানোর রেসিপি জানতে চাই।
শ্রীময়ী: উপকরণ: ৫০০ গ্রাম বোনলেস চিকেন (ছোট ছোট করে টুকরো করা) বড় ৩-৪ চামচ ময়দা বড় ২ চামচ অ্যারারুট ১ টি ডিম চিলি সস্, সয়া সস্, টমেটো সস্ (৩-৪ চামচ করে) কাঁচা লঙ্কা কুচানো ১ বড় চামচ রসুন কুচানো ২ চামচ ১ টি করে...বিস্তারিত

৬ টি উত্তর আছে

*রেসিপি* *মাংসেররেসিপি* *চিকেন*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমে এখনই প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার জোগার। এতো সবে শুরু। এখনও অনেক দিন সহ্য করতে হবে গরমের অত্যাচার। এই গরমের কিছু খাবার যা শুধু গরমেই নয় সারা বছর অবশ্যই ডায়েটে রাখা দরকার।
জেনে নিন ৫টি এমন গরম কালের খাবার যা অবশ্যই ডায়েটে রাখবেন :-

ভুট্টা :- ভুট্টা হল প্রাকৃতিক সানগ্লাস। ভূট্টার মধ্যে দু'ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরে সূর্যের 'রে' থেকে যে পিগমেন্টেশন তৈরি হয়, তা হতে দেয় না। শুধু তাই নয় ৬০ বছরের বেশি বয়সের লোকেদের যে অন্ধত্ব দেখা দেয় তার থেকেও রক্ষা করে।

আইস কফি :- গরম কাল মানেই শুরু হয় ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া। কোল্ড ড্রিংকস, আইস্ক্রিম ছাড়াও আরও একটা গরমে খুব বেশি খাওয়া হয়, আইস কফি। রোজ যদি এক কাপ করে আইস কফি খাওয়া যায় তবে চামড়ার ক্যানসারের বিপদ অনেকটা কমে যায়।

টমেটো :- গরম কাল এলেই খুব বেশি করে মনে পড়ে টমেটোর কথা। কারণ টমেটো হল সবথেকে ভালো সানস্ক্রিন। তবে রোজ যদি খাওয়া যায় টমেটোর পেস্ট বা টমেটোর জুস তবে সান বার্ণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সঙ্গে বাড়বে ত্বকের জৌলুসও।

তরমুজ :- কাজের চাপে সবসময় নিয়ম করে জল খাওয়া হয় না। কিন্তু গরমে খুব প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া। এই জলের প্রয়োজন অনেকখানিই মেটায় তরমুজ। তবে শুধু গরমে শরীরে জলের জোগানই দেয় না তরমুজ, বরং তরমুজ খেলে বাড়ে স্মৃতি শক্তি।

আইস টি :- সকালে উঠে এক কাপ গরম চা খাওয়ার অভ্যাস প্রায় সকলেরই। কিন্তু গরম কালের সকালটা আইস টি দিয়ে শুরু হলে মন্দ হয় না। গরম কালে শুধুশরীর ঠাণ্ডা রাখে না, সারা বছর এক কাপ করে আইস টি খেলে শক্ত হবে দাঁতের মাড়ি।

*গরমকাল* *ডায়েট* *হেলদিফুড*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমে এখনই প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার জোগার। এতো সবে শুরু। এখনও অনেক দিন সহ্য করতে হবে গরমের অত্যাচার। এই গরমের কিছু খাবার যা শুধু গরমেই নয় সারা বছর অবশ্যই ডায়েটে রাখা দরকার।
জেনে নিন ৫টি এমন গরম কালের খাবার যা অবশ্যই ডায়েটে রাখবেন :-

ভুট্টা :- ভুট্টা হল প্রাকৃতিক সানগ্লাস। ভূট্টার মধ্যে দু'ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরে সূর্যের 'রে' থেকে যে পিগমেন্টেশন তৈরি হয়, তা হতে দেয় না। শুধু তাই নয় ৬০ বছরের বেশি বয়সের লোকেদের যে অন্ধত্ব দেখা দেয় তার থেকেও রক্ষা করে।

আইস কফি :- গরম কাল মানেই শুরু হয় ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া। কোল্ড ড্রিংকস, আইস্ক্রিম ছাড়াও আরও একটা গরমে খুব বেশি খাওয়া হয়, আইস কফি। রোজ যদি এক কাপ করে আইস কফি খাওয়া যায় তবে চামড়ার ক্যানসারের বিপদ অনেকটা কমে যায়।

টমেটো :- গরম কাল এলেই খুব বেশি করে মনে পড়ে টমেটোর কথা। কারণ টমেটো হল সবথেকে ভালো সানস্ক্রিন। তবে রোজ যদি খাওয়া যায় টমেটোর পেস্ট বা টমেটোর জুস তবে সান বার্ণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সঙ্গে বাড়বে ত্বকের জৌলুসও।

তরমুজ :- কাজের চাপে সবসময় নিয়ম করে জল খাওয়া হয় না। কিন্তু গরমে খুব প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া। এই জলের প্রয়োজন অনেকখানিই মেটায় তরমুজ। তবে শুধু গরমে শরীরে জলের জোগানই দেয় না তরমুজ, বরং তরমুজ খেলে বাড়ে স্মৃতি শক্তি।

আইস টি :- সকালে উঠে এক কাপ গরম চা খাওয়ার অভ্যাস প্রায় সকলেরই। কিন্তু গরম কালের সকালটা আইস টি দিয়ে শুরু হলে মন্দ হয় না। গরম কালে শুধুশরীর ঠাণ্ডা রাখে না, সারা বছর এক কাপ করে আইস টি খেলে শক্ত হবে দাঁতের মাড়ি।

*গরমকাল* *ডায়েট* *হেলদিফুড*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমে এখনই প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার জোগার। এতো সবে শুরু। এখনও অনেক দিন সহ্য করতে হবে গরমের অত্যাচার। এই গরমের কিছু খাবার যা শুধু গরমেই নয় সারা বছর অবশ্যই ডায়েটে রাখা দরকার।
জেনে নিন ৫টি এমন গরম কালের খাবার যা অবশ্যই ডায়েটে রাখবেন :-

ভুট্টা :- ভুট্টা হল প্রাকৃতিক সানগ্লাস। ভূট্টার মধ্যে দু'ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরে সূর্যের 'রে' থেকে যে পিগমেন্টেশন তৈরি হয়, তা হতে দেয় না। শুধু তাই নয় ৬০ বছরের বেশি বয়সের লোকেদের যে অন্ধত্ব দেখা দেয় তার থেকেও রক্ষা করে।

আইস কফি :- গরম কাল মানেই শুরু হয় ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া। কোল্ড ড্রিংকস, আইস্ক্রিম ছাড়াও আরও একটা গরমে খুব বেশি খাওয়া হয়, আইস কফি। রোজ যদি এক কাপ করে আইস কফি খাওয়া যায় তবে চামড়ার ক্যানসারের বিপদ অনেকটা কমে যায়।

টমেটো :- গরম কাল এলেই খুব বেশি করে মনে পড়ে টমেটোর কথা। কারণ টমেটো হল সবথেকে ভালো সানস্ক্রিন। তবে রোজ যদি খাওয়া যায় টমেটোর পেস্ট বা টমেটোর জুস তবে সান বার্ণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সঙ্গে বাড়বে ত্বকের জৌলুসও।

তরমুজ :- কাজের চাপে সবসময় নিয়ম করে জল খাওয়া হয় না। কিন্তু গরমে খুব প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া। এই জলের প্রয়োজন অনেকখানিই মেটায় তরমুজ। তবে শুধু গরমে শরীরে জলের জোগানই দেয় না তরমুজ, বরং তরমুজ খেলে বাড়ে স্মৃতি শক্তি।

আইস টি :- সকালে উঠে এক কাপ গরম চা খাওয়ার অভ্যাস প্রায় সকলেরই। কিন্তু গরম কালের সকালটা আইস টি দিয়ে শুরু হলে মন্দ হয় না। গরম কালে শুধুশরীর ঠাণ্ডা রাখে না, সারা বছর এক কাপ করে আইস টি খেলে শক্ত হবে দাঁতের মাড়ি।

*গরমকাল* *ডায়েট* *হেলদিফুড*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে


উপকরণ
• নলেন গুড়ের সন্দেশ: ১ কিলোগ্রাম 
• ফ্রেশ হুইপড ক্রিম: ১ কিলোগ্রাম
• দুধ: ১০০ মিলিলিটার 
• নলেন গুড়: ২৫০ মিলিলিটার 
• কর্নফ্লাওয়ার: আন্দাজ মতো
• বাদাম আর গুড়ের পাটালির টুকরো (গার্নিশিং-এর জন্য): পরিমাণ মতো 

প্রণালী
• একটা কাচের পাত্রের নীচে সন্দেশের লেয়ার মিশিয়ে নিয়ে ক্রিমটা ফেটান, যত ক্ষণ না জমে যাচ্ছে।
• তার সঙ্গে তরল গুড় মেশান।
• অল্প দুধে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ফোটান।
• ওটাও ফেটানো ক্রিমের সঙ্গে গুলে নিন।
• তার পরে ক্রিমটা সন্দেশের সঙ্গে স্তরে স্তরে মেশান।
• ওপরে বাদাম পাটালিটা গ্রেট করে ছড়িয়ে, ফ্রিজে অন্তত দেড় ঘণ্টা রেখে দিন।
*নলেনগুড়* *সুফলে* *মিষ্টি*

শ্রীময়ী: প্রচণ্ড শীত, ঘুমোচ্ছিলাম। হঠাত্ই প্রবল ভাবে দুলে উঠল খাট। হুড়মুড় করে লাফিয়ে উঠলাম। বুঝলাম ভূমিকম্প হচ্ছে। বাড়ি থেকে কোনও মতে রাস্তায় বেরিয়ে আসি। হাত পা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল। আশপাশের বাড়ি থেকে অন্য প্রতিবেশীরাও রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। সকলেই প্রচণ্ড আতঙ্কগ্রস্ত। যে ভাবে বাড়িটা দুলে উঠেছিল এক মুহূর্তে তো মনে হয়েছিল নেপালের মতো বোধহয় হাল হবে আমাদের (মনখারাপ)

*ভূমিকম্প*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পা দিলাম ২০১৬ তে, হ্যাপী নিউ ইয়ার সবাইকে । আজ পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই ব্যবহৃত হওয়া বর্ষপঞ্জি ‘ইংলিশ ক্যালেন্ডার ইয়ার’ নামে পরিচিত হলেও আসলে এই ক্যালেন্ডার রোমানদের তৈরি। তারা আবার এটি ধার করেছিল গ্রিকেদের কাছ থেকে । প্রাচীন গ্রিকবাসীদের নিজস্ব বছরের সময়কাল ছিল তিনশো চার দিনের এবং তা দশটি মাসে বিভক্ত । বছরের সূচনা ধরা হতো মার্চ মাস থেকে । খ্রিস্টপূর্ব সাতশো অব্দে রোম-সম্রাট নুমা পম্পিলিউস গ্রিক ক্যালেন্ডারের সঙ্গে বছরের এগারো ও বারে মাস হিসাবে যথাক্রমে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি-কে যুক্ত করেন । ওই বারো মাসের ক্যালেন্ডারটি আগের থেকে ভাল হলেও তাতে কিছু সমস্যা থেকে যাচ্ছিল। তবু দীর্ঘ দিন ওই ব্যবস্থাই বজায় ছিল। অনেক দিন পর খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে রোম-সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নির্দেশে ক্যালেন্ডারকে তারিখ অনুযায়ী সাজানো হলো এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি হল বছরের প্রথম এবং দ্বিতীয় মাস ।

সিজারের সময়কালে নির্মিত এই ক্যালেন্ডারকে ‘জুলিয়েন ক্যালেন্ডার’-ও বলা হয়ে থাকে । ইংরেজি ক্যালেন্ডার ইয়ারের প্রথম মাস জানুয়ারি । এই মাসটিকে নববর্ষের প্রবেশ-তোরণ । ‘জানুয়ারি’ এই নাম সেজেছে প্রাচীন দু-মাথাওয়ালা রোমান দেবতা ‘জানুস’ (anus) থেকে। পুরাণে তিনি দ্বাররক্ষক বা প্রবেশ পথের দেবতা । 

রোমান পুরাণে বলা হয়েছে, জানুস একটি মাথা দিয়ে অতীতের দিকে দৃষ্টি রাখেন, আর তার অন্য মাথার দৃষ্টি ভবিষ্যতের দিকে প্রসারিত । বছরের দ্বিতীয় মাস ‘ফেব্রুয়ারি’-র শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘ফেব্রুয়ারিয়াস’ (februarius) থেকে, যার অর্থ শুদ্ধ করা । রোম-সম্রাট পম্পিলিউস প্রবর্তিত প্রাচীন রোমান ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারি বছরের শেষ মাস হিসাবে চিহ্নিত ছিল। এই শেষ মাসে রোমানরা একটি শুদ্ধিকরণ বা পুরনো বছরের যা কিছু খারাপ যত আবর্জনা ঝেড়ে ফেলে নতুন বছরকে আমন্ত্রণ করবার উৎসব করত; অনেকটা বাংলা বছরের চৈত্রশেষের গাজন উৎসবের মতো । এই শুদ্ধিকরণ উৎসবের নাম থেকেই মাসটির নাম ‘ফেব্রুয়ারি’। প্রথম দিকে ফেব্রুয়ারি মাসের দিন সংখ্যা ছিল তিরিশ ।

জুলিয়াস সিজার তার থেকে একটি দিন কেটে নিয়ে বছরের মাঝের দিকের একটি মাস ‘কুইন্টিলিস’ (quintilies)-এর সঙ্গে যুক্ত করেন (পরে ওই মাসটিকে সিজারের নামানুসারে ‘জুলাই’ নামে চিহ্নিত করা হয়)। আবার আর এক রোম-সম্রাট অগস্টাস ফেব্রুয়ারি থেকে আরও একটি দিন কেটে নিয়ে ‘সেক্সটিলিয়েস’ (sextilies) নামের মাসটির সঙ্গে জুড়ে দেন সেই মাসটিও পরে সম্রাটের নামানুসারে ‘অগস্ট’ নামে চিহ্নিত হয়)। ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের দিন সংখ্যা কমে গিয়ে দাঁড়ায় আঠাশ।

এদিকে বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে যখন জানা গেল যে, পৃথিবীর বার্ষিক গতির সময়কাল ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা ২৪ মিনিট, তখন পুরো বছরকে ৩৬৫ দিনের হিসাবে মাস অনুযায়ী ভাগ করে নিলেও সমস্যা হল অতিরিক্ত ৬ ঘণ্টা সময়কে নিয়ে। তখন হিসেবপত্র করে স্থির করা হল যে, ওই ৬ ঘণ্টাগুলিকে যোগ করে প্রতি চার বছর অন্তর একটি করে দিন বেশি ধরা হবে। এই অতিরিক্ত দিনটি যে বছর যোগ করা হবে তার নাম হবে ‘লিপ-ইয়ার’। দুই রোমান সম্রাট কর্তৃক দিন কেটে নেওয়ার ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের দিন সংখ্যা কমে হয়েছিল আঠাশ । তাই অতিরিক্ত দিনটি যোগ করে দেওয়া হল ফেব্রুয়ারি মাসের সঙ্গে। সেজন্য প্রতি চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের দিন সংখ্যা হয় উনত্রিশ।

গণনার সুবিধার জন্য স্থির করা হয়, যে সমস্ত অব্দ বা বছর চার দ্বারা বিভাজ্য, সেই সব বছরকে ‘লিপ-ইয়ার’ ধরা হবে । আমাদের দেশে ঋতু পর্যায়ের বসন্তকালের মধ্য পর্বটি ইংরেজি ক্যালেন্ডারের মার্চ মাস। অর্থাৎ ফাল্গুনের শেষ আর চৈত্রের শুরু । বসন্তের এই সময়টা প্রকৃতির তাণ্ডবের কাল । বছর শেষের ধুলোময়লা ঝেড়ে ফেলতে আবির্ভাব হয় অকাল ঝড়-বৃষ্টির, বাংলায় যার নাম ‘কালবৈশাখী’। আগেই দেখেছি, প্রাচীন রোমক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছরের প্রথম মাস ছিল মার্চ। প্রকৃতির এই রূদ্ররূপের ব্যঞ্জনাকে ধরে রাখতেই বছরের প্রথম মাসের নাম রাখা হয়েছিল ‘মার্চ’। শব্দটি এসেছে রোমান যুদ্ধ-দেবতা ‘মার্স’ (Marc)-এর নাম থেকে। যিনি ভয়ঙ্কর, লোমশ । আত্মরক্ষার জন্য বর্ম আর শিরস্ত্রাণ পরে হাতে ঢাল আর বল্লম নিয়ে সর্বোচ্চ যুদ্ধসাজে সজ্জিত। তবে রোমানদের পুরাণ অনুসারে মার্স শুধু যুদ্ধেরই দেবতা নন, তিনি শস্য ও উপাসনারও দেবতা । সেজন্য বোধহয় প্রাচীন রোমকরা তাদের বছরের প্রথম মাসটির নামকরণ করেছিল যুদ্ধের ও শস্যের দেবতার নামে। পরবর্তীকালে মাসটি বছরের তৃতীয় মাসে পরিবর্তিত হলেও নামটি কিন্তু সেই একই রয়ে গেছে ।

বছরের চতুর্থ মাস এপ্রিল-এর নামকরণ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। রোমানদের মতে এই মাসটি তাদের প্রেমের দেবী ‘ভেনাস’(Venus)-এর কাছে উৎসর্গীকৃত মাস । Venus শব্দটিকে গ্রিক ভাষায় বলা হয় ‘অ্যাফ্রেডাইটি’ (Aphrodite), যা থেকেই এপ্রিল (April) শব্দটির উৎপত্তি । এই নিয়ে কিছু অন্য মতও আছে, অনেকে মনে করেন ল্যাতিন (Perio) শব্দ থেকে এপ্রিল কথার উৎপত্তি, যার অর্থ উন্মুক্ত করা । প্রকৃতির তাণ্ডবের শেষে এপ্রিল মাস যেন বছরের প্রকৃত শুরুর মাস । বসন্ত-আরম্ভের প্রথম দিনের উৎসবকে স্মরণ রাখতে ১ এপ্রিলকে ‘সব বোকাদের দিন’ বা All Fools’ Day হিসাবে পালন করবার প্রথা প্রাচীন কাল থেকেই শুরু হয়েছিল।

বছরের প্রথম মাস ‘মে’-এর নামটি এসেছে গ্রিক পুরাণে বর্ণিত পৃথিবী ধারণকারী এ্যাটলাস-এর কন্যা মায়া (Maia)-র নাম থেকে। মধ্যযুগে ইংল্যান্ডে ১ মে তারিখটি একজন ‘মে-কুইন’ অভিষিক্ত করবার উৎসব হিসাবে পালন করা হত । ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে আমেরিকার শিকাগো শহরে সংঘটিত শ্রমিক আন্দোলনের স্মৃতি হিসাবে ১ মে দিনটি পৃথিবীব্যাপী শ্রমিক শ্রেণির ‘মুক্তি দিবস’ হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এটি একটি আন্তর্জাতিক ছুটির দিন ।

ষষ্ঠ মাস ‘জুন’-এর নামকরণের উৎস নিয়েও দ্বিমত রয়েছে। অনেকে মনে করেন, ‘জুনিয়াস’ (Junius) নামে কোনও একটি রোমান পরিবারের নাম থেকে এর উৎপত্তি। কিন্তু অধিক প্রচলিত মত হল ‘জুন’ নামটি এসেছে গ্রিক দেবরাজ জুপিটারের রানি জুনো (Juno)-র নাম থেকে, যিনি ময়ূরবাহিত রথে চড়ে ঘোরাফেরা করতেন। প্রাচীন রোমে জুন মাসের প্রথমে দেবী জুনোর সম্মানে উৎসবের আয়োজন করা হতো ।

সপ্তম মাস ‘জুলাই’-এর নামটি এসেছে বিখ্যাত রোম-সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নাম থেকে। জুলিয়াস সিজার কর্তৃক ক্যালেন্ডার পুনর্গঠন করবার সময়য়ে জুলাই মাসের সময়কালের মাসটির নামকরণ নিয়ে সমস্যা দেখা দিল । প্রাচীন রোমক ক্যালেন্ডার অনুসারে এটি ছিল বছরের পঞ্চম মাস । তাই নামও ছিল Quintilis। কিন্তু নতুন ক্যালেন্ডারে এটিকে স্থাপন করা হল সপ্তম স্থানে। সেজন্য সিজার এর নাম পরিবর্তন করে নিজের নামানুসারে July রাখেন । আরেকটি মত হল সিজারের মৃত্যুর পর (খ্রিস্টপূর্ব ৪৪ অব্দ) এই নামকরণ হয়।

অষ্টম মাস ‘অগস্ট’-এর সময়কালটিও পুরনো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছিল ষষ্ঠ মাস। সেই অনুসারে তার নামও ছিল Sextilies। পুনর্গঠিত ক্যালেন্ডারে একে অষ্টম মাসে রূপান্তরিত করা হলেও নামটি ওই একই থেকে গিয়েছিল । পরবর্তীকালে সিজারের পৌত্র (ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র) রোম-সম্রাট অগস্টাস-এর নামানুসারে এই মাসের নাম হয় ‘অগস্ট’

ইংরেজি ক্যালেন্ডারের শেষ চারটি মাস ‘সেপ্টেম্বর’, ‘অক্টোবর’, ‘নভেম্বর’ ‘ডিসেম্বর’ পুরনো ক্যালেন্ডার অনুসারে ছিল যথাক্রমে সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম মাস; সেজন্য নামগুলিও তাদের সেই পরিচয়ই বহন করত । যেমন ‘সেপ্টেম্বর’ নামটি এসেছে ‘Septem’ শব্দ থেকে, যার অর্থ সপ্তম । অক্টোবর এসেছে ‘Octo’ থেকে, যার অর্থ 
অষ্টম। এই মাসটিকে Anglo-Saxon-রা অনেক সময়ে ‘Yellow-Month’ নামে ডাকত । নভেম্বর এসেছে ‘Novem’ শব্দ থেকে, যার অর্থ নবম । এই সময়ে বেশি পশু শিকার করা হতো বলে Anglo-Saxon-দের কাছে এই মাসটির পরিচিতি ছিল Lood-Month নামে । বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে-র নামটিও পুরনো ক্যালেন্ডার থেকে ধার করা । শব্দটি এসেছে ‘Dsecem’ থেকে, যার অর্থ দশম । খ্রিস্টপূর্ব প্রথম অব্দ থেকে প্রচলিত হওয়া ‘ইংলিশ ক্যালেন্ডার ইয়ার’-এ মাসের সংখ্যা দশ থেকে বারোতে বৃদ্ধি পাওয়ায় শেষ চারটি মাসের পর্যায়ের মানও পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু নামগুলি সেই একই রয়ে গেছে আজ দু’হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে । (সংগৃহীত) 
*ইংরেজিমাস* *নামকরণেরইতিহাস*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ওজন কমাতে চিনির বদলে মধুকে বেছে নেয়ার সাথে সাথে আরো কিছু উপায় অবলম্বন করতে পারেন। কিভাবে? চলুন জেনে নেই:  


ভিনিগার- একটি রিসার্চে উঠে এসেছে, ওজন কমাতে এর বেশ ভাল হাত রয়েছে।
কাঁচা শাক-সব্জি- গাজর, টম্যাটো, লেটুস ইত্যাদির মতো সব্জি কাঁচা খেলে শরীরে ফাইবারের জোগান বাড়ে আর ওজন কমে।


দুধ এবং দই- দই এবং দুধের ক্যালসিয়াম ফ্যাট কমায় আর মাসল বাড়ায়। তবে দুধটি অবশ্যই ফ্যাট ফ্রি হতে হবে।


গ্রিন টি- অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রপার্টির জন্য ওজন কমানোয় এই খাবারের বেশ নামডাক।


ওটমিল- ব্রেকফাস্টে লুচি তরকারির বদলে ওটমিলকে আপন করে নিন। আর চেঞ্জটা লক্ষ্য করুন অচিরেই।


আমন্ড- ওজন কমাতে চাইলে রোজের রুটিনে এদের রাখতেই হবে।
*ওজনসমস্যা*

শ্রীময়ী: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 মচমচে বেগুন ভাজার রেসিপি চাই l
শ্রীময়ী: এত বড়ই সহজ রান্না l তবে এটা ঠিক যে পুরো সময়জুড়ে খুবই মনোযোগ আর খেয়াল রেখে রান্না করলেই বেগুন ভাজা হয়ে উঠবে মচমচে l উপকরণ ১। বড় বা মাঝারি সাইজের বেগুন ১টি ২। সরিষার তেল/সয়াবিন তেল পরিমাণমতো ৩। হলুদ গুঁ...বিস্তারিত

২ টি উত্তর আছে

*বেগুনভাজি* *বেগুনভাজা*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপকরণ

• ফুলকপি একটা ছোট মাপের 
• গোটা জিরে অর্ধেক চা-চামচ
• তেজপাতা ১ টি 
• আদা বাটা ১ চা-চামচ, টোম্যাটো বাটা ১ টি
• আলু কিউব করে কাটা 
• হলুদগুঁড়ো অর্ধেক চা-চামচ
• লঙ্কাগুঁড়ো অর্ধেক চা-চামচ 
• কসৌরি মেথি সামান্য
• নুন পরিমান মতো 
• চিনি সামান্য 
• ধনেপাতা কুচি: অর্ধেক চা-চামচ 
• ধনেগুঁড়ো অর্ধেক চা-চামচ


প্রণালী

• ফুলকপি ছোট করে কেটে ভাপিয়ে নিতে হবে হাল্কা গরম জলে।
• কড়াইতে সর্ষের তেল দিয়ে তাতে কসৌরি মেথি, গোটা জিরে, তেজপাতা ফোড়ন দিতে হবে।
• এ বার হাল্কা ভাবে ফুলকপি ও আলু দিয়ে ভেজে নিতে হবে।
• এ বার এতে আদা বাটা, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, টোম্যাটো বাটা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে।
• এতে নুন, চিনি, ধনেগুঁড়ো দিয়ে নাড়িয়ে জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন।
• ফুলকপি ও আলু সেদ্ধ হয়ে এলে ভাল করে নাড়িয়ে নিতে হবে।
• জল শুকিয়ে এলে উপর থেকে আরও একটু কসৌরি মেথি ছড়িয়ে দিন।
• এর পর উপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিলেই তৈরি ফুলকপির দম।
• গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করা যেতে পারে।
*মেথিফুলকপি*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপকরণ

• ফুলকপি ১টা ছোট মাপের 
• গোটা জিরে অর্ধেক চা-চামচ 
• তেজপাতা ১ টি 
• আচারের তেল ১ টেবল-চামচ
• আদা বাটা ১ চা-চামচ 
• টোম্যাটো বাটা ১ টি 
• হলুদগুঁড়ো অর্ধেক চা-চামচ 
• লঙ্কাগুঁড়ো অর্ধেক চা-চামচ
• কসৌরি মেথি সামান্য 
• নুন পরিমান মতো 
• চিনি সামান্য 
• ধনেপাতা কুচি অর্ধেক চা-চামচ


প্রণালী

• ফুলকপি ছোট করে কেটে ভাপিয়ে নিতে হবে হাল্কা গরম জলে।
• কড়াইতে সর্ষের তেল দিয়ে তাতে কসৌরি মেথি, গোটা জিরে, তেজপাতা ফোড়ন দিতে হবে।
• এ বার হাল্কা ভাবে ফুলকপি ভেজে নিতে হবে।
• এর ভেতর আদা বাটা, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, টোম্যাটো বাটা দিয়ে কষে নিতে হবে।
• এতে নুন, চিনি দিয়ে নাড়িয়ে জল দিয়ে ঢাকা দিতে হবে।
• ফুলকপি সেদ্ধ হয়ে এলে ভাল করে নাড়িয়ে নিতে হবে।
• জল শুকিয়ে এলে উপর থেকে আরও একটু কসৌরি মেথি ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে মিশিয়ে নিন।
• এর উপর আচারের তেল ছড়িয়ে মিশিয়ে নিলেই তৈরি আচারি ফুলকপি।
*আচারিফুলকপি*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফুলকপি আমার দারুন প্রিয়, পুরো শীত জুড়েই আমাদের বাড়িতে চলে ফুলকপির নানা পদের বাহার l তাই আজ ভাবছি ফুলকপি নিয়ে কিছু রেসিপি দেবো l 

উপকরণ

• ফুলকপি ১ টি
• আলু কিউব করে কাটা
• ধনেপাতা ১ আঁটি 
• আদা বাটা ১ চামচ
• আচারের তেল 
• ঘি 
• হলুদগুঁড়ো অর্ধেক চামচ
• লঙ্কাগুঁড়ো অর্ধেক চামচ 
• ভাজা জিরেগুঁড়ো
• ধনেগুঁড়ো সামান্য 
• চিনি ইচ্ছা হলে 
• নুন পরিমান মতো
• গোটা জিরে অর্ধেক চামচ 
• তেজপাতা ১টি
• গরমমশলা গুঁড়ো ১ চামচ 
• ধনেপাতা বাটা অর্ধেক চামচ।


প্রণালী

• ফুলকপি ও আলু ছোট করে কেটে নিতে হবে।
• তেল গরম করে জিরে ও তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে আলু ও ফুলকপি ভাল করে ভাজতে হবে।
• ভাজা হয়ে গেলে এর মধ্যে আদা বাটা ও সব গুঁড়োমশলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে ।
• এ বার নুন, চিনি মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন।
• আলু ও ফুলকপি সেদ্ধ হয়ে এলে ধনেপাতা বাটা দিয়ে একটু ফুটিয়ে নিতে হবে।
• উপর থেকে গরমমশলা গুঁড়ো, একটু ঘি ও বেশ কিছুটা আচারের তেল দিয়ে মিশিয়ে কিছু ক্ষণ ঢাকা দিয়ে    রাখতে হবে।
• এ বার গরম গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন।
• উপর থেকে ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

এই বিশেষ খাবারটি পোলাও, খিচুরীর সাথেও খেতে দারুন l
*ফুলকপি* *ধনেফুলকপি*

শ্রীময়ী: আজ তবে আসি (হ্যালো)

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে


ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ২০১৫ টা একটু স্পেশালই। বছরের শেষে ক্রিকেটে এ বছর হয়ে যাওয়া ৫ টা এমন তথ্য এবং পরিসংখ্যান দিই, যেগুলো বেশ ভালো লাগবে।

১) এ বছর একদিনের ক্রিকেটে সবথেকে লো স্কোরিং ম্যাচ হল বিশ্বকাপে ভারত এবং ইউএই ম্যাচটাই। ২৮ ফেব্রুয়ারি হওয়া ওই ম্যাচে ইউএই আগে ব্যাট করে তুলেছিল মাত্র ১০২ রান। ভারত অনায়াসে এক উইকেট হারিয়ে ১০৪ তুলে ফেলে। দু-দল মিলে রান তোলে ২০৬। না, ২০১৫ সালে কোনও একদিনের ক্রিকেট ম্যাচে দু-দল মিলে এর থেকে কম রান আর তোলেনি।

২) ২০১৫-তে একদিনের ক্রিকেটে সবথেকে বেশি রান হয়েছিল ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচে। ১২ জুনের সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড তুলেছিল ৩৯৮/৫। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংরেজরা তোলে ৩৬৫। দু-দল মিলে ওই ম্যাচে রান তোলে ৭৬৩। না, ২০১৫ সালে এর থেকে বেশি রান আর কোনও ম্যাচে হয়নি।

৩) ২০১৫ সালে সবথেকে বেশি শূন্য করলেন ইংরেজ ক্যাপ্টেন ইয়ন মর্গান! তিনি সারা বছরে মোট ৫ টি শূন্য করেছেন। না, ২০১৫ সালে তাঁর থেকে বেশি শূন্য একদিনের ক্রিকেটে আর কেউ তোলেননি।

৪)  বছর সবথেকে বেশি ছক্কা মারার রেকর্ড মিসবা উল হকের। টেস্টে তিনি মোট ছক্কা মেরেছেন ২০ টা!

৫) এ বছর টি-২০ ক্রিকেটে সবথেকে বেশি উইকেটের মালিক হল্যান্ডের বোলার মালিক আহসান আমেদ জামিল, পেয়েছেন ১৬ টা উইকেট। তাঁর থেকে বেশি উইকেট টি-২০ তে এবছর আর কেউ ঘরে তোলেননি।

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে


২০১৫ সালে বিভিন্ন কোম্পানির তরফ থেকে নতুন নতুন ফিচার সমেত বাজারে নিয়ে এসেছিল প্রচুর ফোন। তার মধ্যে যে সমস্ত ফোনগুলির চাহিদা সব থেকে বেশি ছিল, তারমধ্যে সেরা ৫টি ফোন দেওয়া হল।  

Samsung s6 edge

স্যামসাঙ্গের বাকি ফোনগুলির মধ্যে ২০১৫ সালে বেরনো এই ফোনটির চাহিদা ছিল সবথেকে বেশি। ২০১৫-র এপ্রিল মাসে মুক্তি লাভ করে ফোনটি। ৫.১" স্ক্রিন, কর্নিং গোরিলা গ্লাস, অ্যান্ড্রয়েড ৫.০.২ ললিপপ, ১৬ এমপি ক্যামেরা, কোয়াড কোর প্রসেসর আছে এই ফোনটিতে। অনলাইনে যার দাম ৪২ হাজার ৪৭ টাকা।  

iphone 6s


যেকোনও আইফোনের চাহিদাই বাজারে খুব বেশি থাকে। কিন্তু এই বছর দাম কিছুটা কমে যাওয়ার পরেই অ্যাপেলের আইফোন ৬এস-এর চাহিদা খুব বেড়ে যায়। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তি পায় ফোনটি। ডুয়ায়ল কোর প্রসেসর, ৪.৭" স্ক্রিন, ১২ এমপি ক্যামেরা রয়েছে ফোনটিতে।

Moto G (3rd Gen)
 
নতুনভাবে নতুনরূপে বাজারের এসেই ক্রেতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল এই ফোনটি। ৫" স্ক্রিন, কর্নিং গোরিলা গ্লাস, অ্যান্ড্রয়েড ৫.১.১ ললিপপ, কোয়াড কোর প্রসেসর, ১৩ এমপি ক্যামেরা প্রভৃতি ফিচার রয়েছে ফোনটিতে।

Micromax YU Yuphoria

২০১৫ সালের মে মাসে মুক্তি লাভ করে ফোনটি। ৫.০" স্ক্রিন, ২ জিবি র‍্যাম, কর্নিং গোরিলা গ্লাস, ৮ এমপি ক্যামেরা, ৫ এমপই ফ্রন্ট ক্যামেরা ইত্যাদি রয়েছে ফোনটিতে। যার দাম মাত্র ৮ হাজার টাকা।

Xiaomi Mi 4

২০১৪ সালের অগাস্ট মাসে মুক্তি লাভ করেছিল ফোনটি। ৫.০" স্ক্রিন, অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪.৩ কিটক্যাট, কোয়াডঃ কোর প্রসেসর, ১৩ এমপি ক্যামেরা, এলইডি ফ্ল্যাশ লাইট প্রভৃতি ফিচার ঢেলে দেওয়া হয়েছে ফোনটিতে। প্রায় ১৪ হাজার টাকার মত দাম ফোনটির।

One plus 2

২০১৫ সালের অগাষ্ট মাসে মুক্তি পায় ফোনটি। ৫.৫" স্ক্রিন, অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ, কোয়াড কোর প্রসেসর, ১৩ এমপি ক্যামেরা, কর্নিং গোরিলা গ্লাস প্রভৃতি ফিচার আছে ফোনটির মধ্যে।
*সেরাফোন*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে


সারা বিশ্ব জুড়ে রয়েছে প্রচুর সাহিত্যিক। প্রত্যেকেই এতটা জনপ্রিয় যে তাঁদের মধ্যে থেকে বিশিষ্ট কাউকে খুঁজে বের করা খুবই কঠিন। কিন্তু তার মধ্যে থেকেই এমন ৫ জন সাহিত্যিকের উপন্যাসকে বেছে নেওয়া হয়েছে যা ২০১৫ সালে অনলাইনে সব থেকে বেশি বিক্রি হয়েছে l 

  

সাইলেন্ট স্ক্রিম (Silent Scream)
অ্যাঞ্জেলা মারসন্সের এই উপন্যাসটি হল আদতে একটি ডিটেক্টিভ উপন্যাস। যেখানে ৫ জন পরিচিত ব্যাক্তিকে দিয়ে শুরু হল গল্প। একটি খুন বদলে দেবে ওই ৫ জনের জীবন। খুনোকে ধরতে যাবে ইন্সপেক্টার কিম স্টোন। রহস্যের মধ্যে দিয়ে লেখা এই উপন্যাসটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল সকলের কাছে।


দ্য স্ট্রেঞ্জার (The Stranger)
আদর্শ সাসপেন্স গল্প পড়তে হলে অবশ্যই পড়ে ফেলতে পারেন হারলান কোবেনের এই উপন্যাসটি। অ্যাডম নামে একটি লোকের অদ্ভুতভাবে নিজের প্রিয়জনদের কাছে অপরিচিত হয়ে ওঠার গল্প বলা হয়েছে। জীবনের প্রথমে অ্যাডম আমেরিকাতে স্বপ্নের বাড়ি, সুন্দর স্ত্রী, ভালো চাকরির স্বপ্ন থাকলেও পরে তা বদলে যায়। নিজের স্ত্রীর সামনে একজন অপরিচিত হিসেবে আসলেও কখনওই দেখা দেয় না। কিন্তু এই সে নিজের স্ত্রী সম্পর্কে অনেক কথাই জানতে পারে। যার ফলে খুলে যায় সমস্ত জট। সাসপেন্স স্টোরি হিসেবে বাজারে যথেষ্ট চাহিদা ছিল বইটির।   


লাকিএস্ট গার্ল অ্যালাইভ (Luckiest Girl Alive)
জেসিকা নলের লেখা প্রথম উপন্যাস হল লাকিএস্ট গার্ল। গল্পটি হল অ্যানি নামে একটি মেয়ের গল্প। যাকে স্কুলে পড়ার সময় সকলে খেলো করত। কিন্তু তারপর সে নিজেকে পুরো বদলে ফেলে একে একে নিজের সমস্ত স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়। কিন্তু নিজের হবু স্বামীর কাছে ফেলে আসা জীবনে কথা প্রকাশ করতে চায়নি। এই নিয়েই তৈরি গল্পের প্লট। তবে প্রথম উপন্যাস হলেও যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়েছিল বইটি। 
  

দ্য ইম্মর্টালস অফ মেলুয়া (The Immortals of Meluha)
অমীশ ত্রিপাঠির শিব​-ত্রয়ী কাহিনীর প্রথম উপন্যাস হল দ্য ইম্মর্টালস অফ মেলুয়া। কাহিনীটি কাল্পনিক দেশ মেলুহার। এই দেশের বাসিন্দারা কিভাবে শিব নামে এক যাযাবরের হাত থেকে যুদ্ধে রক্ষা পেয়েছিল, তাই নিয়েই গল্প। পাঠকের কাছে সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় হল এই উপন্যাসের কাল্পনিক এবং পৌরাণিক গল্পের মেলবন্ধন।


ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান (Five Point Someone)
চেতন ভগতের অন্যান্য বইগুলির মতই বাজারে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করে এই বইটিও। সত্যি ঘটনার ওপর নির্ভর করে লেখা হয়েছে তাঁর প্রত্যেকটি বই। এমনকি বইয়ের প্লট নিয়ে বানানও হয়েছে সিনেমাও। এনার গল্পের আরও একটি বিশেষত্ব হল এর সহজবোধ্য ভাষা। যা সকলের কাছেই বোধগম্য হবে।  

(তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট) 
*গল্পেরবই* *সেরাবই* *২০১৫*

শ্রীময়ী: বাসনে আঁশটে গন্ধ (কিগন্ধ) বাসন ধোয়ার পর একটা কাপড়ে ভিনিগার লাগিয়ে তা দিয়ে বাসন মুছে নিলে আঁশটে গন্ধ একেবারেই হবে গায়েব (হাসি)

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৯৬২

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও