Sk Mondal

@skmondal55

সর্বদা অজানাকে জানতে চাই, জানাতে চাই।
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1445515179000  থেকে আমাদের সাথে আছে

Sk Mondal: ১. আমার বন্ধু রাশেদ**** ২.আগুনের পরশমণি ৩.জীবন থেকে নেওয়া

Sk Mondal: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 ফুটবল খেলায় শেষ পর্যন্ত স্ট্যামিনা ধরে রাখার জন্য খেলার পূর্বে বা ঐ দিন কি খাওয়া যেতে পারে? তাছাড়া নিয়মিত কি খাওয়া যেতে পারে?
Sk Mondal: ছোট্ট করে বলতে গেলে কলা এক্ষেত্রে খুবই উপযোগি এছাড়া অঙ্কুরিত ছোলা ও অন্যান্ন সুষম খাবার খাওয়া যেতে পারে।

১ টি উত্তর আছে

*ফুটবল* *খেলা* *স্ট্যামিনা*

Sk Mondal: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 অনন্তমূল উদ্ভিদটি দেখতে কেমন? অনন্তমূলের ভেষজ গুণাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
Sk Mondal: অনন্তমূলের পাতাসহ গাছের সব অংশই ব্যবহৃত হয়। খোস-পাঁচড়া, শরীর জ্বালাপোড়া, একজিমা, চুলকানিতে কার্যকর, রক্ত পরিষ্কারক। * ১-৩ গ্রাম মূল অথবা গাছের চূর্ণ দিনে দুবার খাবারের পর খেলে খোস-পাঁচড়া, কুষ্ঠরোগ, শ্...বিস্তারিত

১ টি উত্তর আছে

*অনন্তমূল* *ভেষজ*

Sk Mondal: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 টিউবলাইট প্রজন্ম বলতে কি বুঝায়?
Sk Mondal: টিউব লাইট বা ফ্লুরোসেন্ট বাতি এক প্রকার বৈদ্যুতিক বাতি যা আলো উৎপন্ন করার জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পারদের বাষ্পকে উত্তেজিত করে এটি ‘‘ইনক্যান্ডিসেন্ট বাতির তুলনায় অনেক কম শক্তি খরচ করে’’। ফ্লুরোসেন্ট ব...বিস্তারিত

৩ টি উত্তর আছে

Sk Mondal: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোনো রোগের কারণে আপনার চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। আর চিকিৎসক যদি কোনো ওষুধ দেন তাহলে তা কেনার সময় ব্যবহার পদ্ধতি সঠিকভাবে জেনে নিন। ওষুধ বিক্রির সময় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া ফার্মাসিস্টের দায়িত্ব। আপনি যে রোগের কারণেই ওষুধ নেন না কেন, ওষুধ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া উচিত। এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি বিষয়, যা ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
১. ওষুধটি কখন গ্রহণ করতে হবে?
কোনো ওষুধ গ্রহণ করার নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। এক্ষেত্রে খালি পেটে ওষুধ গ্রহণের সঙ্গে ভরা পেটে ওষুধ গ্রহণের রাত-দিন পার্থক্য রয়েছে। তাই এ বিষয়টি হেলাফেলা করা উচিত নয়।
২. ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী রয়েছে?
যে কোনো ওষুধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। এক্ষেত্রে যদি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হবে। আর ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো জেনে রাখতে হবে আগে থেকেই।
৩. অন্য ওষুধের সঙ্গে সেবন করায় কোনো সমস্যা হবে কি?
আপনার শুধু একটিই ওষুধ নয় আরো ওষুধ থাকতে পারে সেবনের জন্য। আর এসব ওষুধ অন্য কোনোটির সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে, যা আগেভাগেই জেনে রাখা উচিত।
৪. কোনো খাবার বা পানীয় ত্যাগ করতে হবে কি?
প্রত্যেক ওষুধই সাবধানে গ্রহণ করা উচিত। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে ওষুধটি যেন অন্য কোনো খাবার ও পানীয়ের সঙ্গে বিক্রিয়া না করে। এ কারণে আপনি যে ওষুধ গ্রহণ করছেন তার সঙ্গে কোনো খাবার বা পানীয়ের বিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না, জেনে নিন।
৫. ওষুধের একটি ডোজ বাদ পড়লে কী করতে হবে?
আপনার ওষুধটি নিয়মিত সেবন করার গুরুত্ব জেনে নিন। ওষুধটি কোনো একবার বাদ পড়লে পরবর্তীতে কী করতে হবে, তা এ সময় জেনে নিন।
৬. ওষুধটি কতদিন সেবন করতে হবে?
কোনো ওষুধ সেবন করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। প্রত্যেক রোগীরই উচিত ওষুধ গ্রহণের এ সময়সীমা জেনে নেওয়া।

Sk Mondal: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 জৈন গাছ দেখতে কেমন? জৈন বীজ ও তেলের ভেষজ গুণাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
Sk Mondal: জৈন (Jain) অ্যাপিয়াসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত বর্ষজীবি উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Trachyspermum ammi। এটি দেখতে অনেকটা ধনিয়া গাছের মতো। জৈন গাছ প্রায় ৩ ফুট লম্বা হয়ে থাকে। এর ফুল দেখতে সাদা বর্ণের। বীজ...বিস্তারিত

১ টি উত্তর আছে

*জৈন* *জৈনবীজ* *ভেষজ*
ছবি

Sk Mondal: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

Sk Mondal ফটোটি শেয়ার করেছে

Sk Mondal: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকেরই Impotence বা ধ্বজভঙ্গ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকার দরুন নিজেকে মনে মনে এই রোগে আক্রান্ত বলে মনে করেন। তার একটি বিশেষ কারণ হলো – আমাদের দেশের রাস্তা ঘাটে হারবাল, কবিরাজি আর ভেষজ ঔষধের পসরা সাজিয়ে বসা তথাকথিত চিকিত্সকদের বিভ্রান্তিকর লেকচার। যাই হোক এবার মূল বিষয়ে আসা যাক।

পুরুষাঙ্গে উত্তেজনার অভাব, উত্তেজনাহীনতা বা সল্পতা হেতু রতি শক্তির অভাবকেই ধ্বজভঙ্গ (Impotence) বলা হয়ে থাকে। ইহাতে পুরুষদের রতি ক্রিয়ার আংশিক বা সম্পূর্ণ সামর্থহীনতার ভাব প্রকাশ পায় এবং এ সমস্যায় পুরুষের পৌরষত্ব ভাব ধীরে দিরে লোপ পায়।

ধ্বজভঙ্গের কারণ সমূহ :- হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, আঘাত প্রাপ্তি, বহুমূত্র, সিফিলিস, গনোরিয়া, পুরাতন অন্ডকোষ প্রদাহ, দীর্ঘকাল যাবৎ অজীর্ণ রোগ, স্নায়বিক রোগ ইত্যাদি কারণে এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে। ইহাতে সন্তান উত্পাদন শক্তি লোপ পায়। অনেক চিকিত্সা বিজ্ঞানী ইহাকে রোগ বলে অভিহিত করতে চান না। ইহা যে কোন কঠিন জাতীয় পুরাতন রোগের লক্ষণ বিশেষ বলে তারা মনে করেন। পুরুষের যৌন উত্তেজনা ও যৌনতার স্থায়ীত্ব কম বেশি হয় কারণ তার দেহের হরমোনের ক্রিয়ার কম বেশি অবস্থা ঘটে। যৌন উত্তেজনা ও যৌন স্থায়ীত্ব কম হাওয়াই ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ নয়।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে তার যৌন ক্ষমতা ঠিকই আছে কিন্তু মানসিক কারণে বা হীনমন্যতার জন্য ধ্বজভঙ্গ ভাব প্রকাশ পায়। অনেকেই যৌবন কালে কম বেশি বীর্য ক্ষয় করে থাকে এবং নানা প্রকার কৃত্রিম উপায় অবলম্বন করে বীর্য ক্ষয় করে তাদের মনে তাদের মনে অনেক সময় একটা ভুল ধারণার সৃষ্টি হয় যে তারা ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত, তার যৌন ক্ষমতা বোধ কম এমন একটা দুর্বলতা বিশেষ করে মানসিক দুর্বলতা তার মনে সৃষ্টি হয়। আবার কোন কোন সময় যৌন ক্ষমতা সামান্য কম হলে সে মনে করে তার যৌন ক্ষমতা নেই – ইহাও একটি ভুল ধারণা ।

অনেক সময় পুরুষের পেনিস সামান্য ছোট বড় হতে পারে, ইহা প্রকৃতির নিয়মে অথবা বংশগত ধারায়। কিন্তু ছোট বলে অনেক পুরুষ মনে করে যে সে যৌন কার্যে অক্ষম এবং তার ধ্বজভঙ্গ রোগ হয়েছে – এটাও ভুল ধারণা । বেশি পরিশ্রম, পুষ্টির অভাব, দেহে উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব হলেও এটি হতে পারে।

প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ রোগ এবং জন্মগত ভাবে ধ্বজভঙ্গ রোগ এই দুই শ্রেণীতে ইহাকে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। মানসিক বা দৈহিক কারণে যদি এই রোগ হয় তবে তাকে প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ বলা যায়। আবার যদি জন্মগত ভাবে হয় তখন তাকে ধ্বজভঙ্গ রোগ বলা যায়। মানসিক বা দৈহিক কারণে এই রোগ হলে তার ট্রিটমেন্ট করা যায় কিন্তু জন্মগত ভাবে হলে তার চিকিত্সা করে আরোগ্য করাটা বেশ কঠিন। এবার আসুন প্রকৃত এবং জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের ক্ষেত্রে কি কি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তা দেখি :-

জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-

  • যৌবন আগমনের সঙ্গে পুরুষোচিত গুনাবলীগুলি যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। মানুসিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়। সর্বদাই হীনমন্যতা ও দুর্বলতার ভাব প্রকাশ পায়।
  • যৌবনের গুনাবলী ঠিক যে সময় যৌবন ভাব প্রকাশ পাওয়া স্বাভাবিক সেটা দেখা যায় না এবং যৌনতার ভাব যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। দেহের নানা হরমোনের অভাবে এবং স্নায়ুবিক অক্ষমতার কারণ হিসাবে দেখা দেয়।
  • যৌবন আগমন হলেও যৌনইন্দ্রিয়ের কোনো উত্তেজনা থাকে না। পেনিস ঠিক মত শক্ত হয় না। কখনো কখনো অতি সামান্য দু’এক ফোটা বীর্যপাত হয়।
  • সর্বদাই এদের চরিত্রে নারী সুলভ ভাবভঙ্গি প্রকাশ পায়। অদ্ভুদ ধরনের হাবভাব প্রকাশ পায় যা সাধারনত কোন পুরুষের মধ্যে থাকে না।
  • এদের যৌন উত্তেজনা, পেনিসের উত্থান, বীর্যপাত প্রভৃতি কিছুই দেখা যায় না। আচার আচরণে বোকামি প্রকাশ পায়, মানুষের কাছে হস্যম্পদ হয়ে থাকে এবং অনেক সময় মানুষ তাদের নিয়ে উপহাস ও কৌতক করে থাকে।

মানসিক বা দৈহিক ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-

  • অন্যের যৌন ক্ষমতা বেশি এবং নিজের কম এই ভেবে অনেক সময় মানসিক দুর্বলতা দেখা দেয়।
  • যতটা দৈহিক বীর্য ক্ষয় হয় ততটা খাদ্য ঠিক মত পায় না। উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব, পেটের রোগ এবং অন্য কোন রোগে ভোগা।
  • হরমোন ক্রিয়ার কম বেশির জন্য, দীর্ঘকাল যাবৎ বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন অথবা জন্মগত বা পৈত্রিক সূত্রে অনেকের পেনিস একটু ছোট হলে এর জন্য হিনমন্যতায় ভোগে।
  • অনেক সময় আদৌ রোগ নয়, শুধু মাত্র মানসিক কারণেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। তারা প্রকৃতপক্ষে যৌনতায় সুস্থ কিন্তু কৃত্রিমভাবে বীর্যক্ষয় করার কারণে ধ্বজভঙ্গের সন্দেহ করে এবং এই সন্দেহের জন্য নিজেকে ধ্বজভঙ্গ রোগী মনে করে থাকে।
  • অনেকের ক্ষেত্রে যৌন হরমোন বা অন্য কোন গ্রন্থির হরমোন সমান্য কিছু কম নিঃসরণের জন্য যৌন উত্তেজনা কিছুটা কম হতে পারে কিন্তু যথাযথ ট্রিটমেন্ট করলে হরমোনের এই গোলযোগ ঠিক হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে মানসিক দুর্বলতা অনেক সময় প্রকাশ পেয়ে থাকে।

রোগ নির্ণয় :-
স্ত্রী সহবাসের সময় পেনিসের উত্থান হয় না অথবা সামান্য মাত্র উত্থান হয়ে আবার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দ্রুত বীর্যপাত অর্থাৎ বীর্য ধারণের সময় যতটা হওয়া উচিত তার চেয়ে অনেক কম। পেনিসে উত্তেজনা দেখা যায় না আর হলেও অনেক কম। বীর্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তরল হয়। বীর্যপাতের পর অস্বাভাবিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। বীর্য এতটা পাতলা যে দেখতে জলের মত।

জটিল উপসর্গ :-

  • যৌন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়।
  • দাম্পত্য সুখ শান্তি বিঘ্নিত হয়।
  • সাংসারিক শান্তি নস্ট হয়।
  • জৈব চাহিদা মেটাতে স্ত্রী পর পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
  • স্ত্রী সর্বদাই মানসিক অশান্তিতে ভোগে এবং স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তির অভাব হয়।
  • পুরুষের পুরুষোচিত গুনাবলীর বিকাশ হয় না।
  • কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুক্র কীট ঠিকমত না থাকার দরুন সন্তান সৃষ্টি বিঘ্নিত হয়।
  • মনে মনে কামভাব থাকলেও যৌন সুখ না হবার দরুন মানসিক অবসাদ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ এই জাতীয় হতাশায় ভুগলে মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে।

প্রিয় পাঠক, আপনাদের আর্টিকেলের টাইটেলেই বলেছিলাম – আপনি কি আসলেই Impotence বা ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত ? নাকি মনের ভূল! আশা করি বিষয়টি সম্পর্কে পুরুপুরি ক্লিয়ার হয়ে গেছেন। পুরু লেখাটি পড়ার পর যদি আপনার মনে হয়ে থাকে এটাতে আপনার মানসিক দুর্বলতা ছিল তাহলে আজই, ঠিক এই মুহুর্তেই মন থেকে সব মুছে ফেলুন আর মনে করুন আপনার এ সংক্রান্ত কোন প্রকার সমস্যাই নেই, আপনি একজন পরিপুর্ণ সুস্থ সুপুরুষ ।

আবার যদি মনে হয় আপনার কিছুটা সমস্যা রয়েছে তাহলে দেরী না করে আজই ভাল এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে চিকিত্সা নিন। কারণ পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত আর কোনো মেডিকেল সাইন্সই যৌন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি চিরতরে নির্মূলে ততটা সাফল্য দেখাতে পারেনি। শুধু তাই নয়, অন্যান্য চিকিত্সা পদ্ধতি যেখানে তাদের প্রয়োগকৃত ঔষধ সমূহের জটিল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত সেখানে একমাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানই কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই এই সকল সমস্যা সমূহকে একেবারে রুট লেভেল থেকে নির্মূল করতে সক্ষম হচ্ছে। Impotence বা ধ্বজভঙ্গ সৃষ্টির পেছনে শারীরিক বা মানসিক যে কারণই থাকুক না কেন কিছুদিন প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে তা একেবারে মূল থেকে দূর হয়ে যায় এবং তার জন্য সব সময় ঔষধ খেয়ে যেতে হয় না।
তথ্যসূত্র :-ইন্টারনেট।

Sk Mondal: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সবচেয়ে কালো বস্তুর আসন হারাতে যাচ্ছে কার্বন ন্যানোটিউবস। কারণ বিজ্ঞানীরা এমন একটি বস্তু তৈরি করেছেন, যেটা আলোর প্রায় সবটুকুই শুষে নিতে পারে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন এই বস্তুটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন এর কারিগররা

সৌদি আরবের 'কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির একদল বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন সবচেয়ে কালো বস্তুটি। তাঁরা জানান, যেকোনো দিক থেকেই ফেলা হোক না কেন, তাঁদের বানানো বস্তুটি ৯৯ শতাংশ আলো শুষে নিতে পারে। ক্ষেত্রে কার্বন ন্যানোটিউবসের শোষণক্ষমতা ৭৩ শতাংশ

কয়েক ব্যক্তিকে এরই মধ্যে বস্তুটি দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখার পর তাঁদের কাছে বস্তুটি আশ্চর্য মনে হয়েছে। কারো কারো মনে হয়েছে, তাঁরা ভিনগ্রহের কোনো একটা বস্তু দেখছেন। একজন বলেন, 'বস্তুটি এতই কালো যে, বোঝাই যাচ্ছিল না আমি কিছু দেখছি। মনে হচ্ছিল, আমি কোনো তলহীন গুহার দিকে তাকিয়ে আছি।'

প্রসঙ্গত, একটা বস্তু তখনই দেখা যায়, যখন আলো সেটির ওপর প্রতিফলিত হয়ে চোখের ওপর পড়ে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৬১

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত