তারেক রহমান তন্ময়

@tarekpau

কোনো অসাধারণ ক্ষমতা ছাড়া গন্তব্যহীন একজন সাধারণ মানুষ
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1405958855000  থেকে আমাদের সাথে আছে

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তিন
রাতুল অফিসে চলে যাবার পর মিথিলা সাধারণত একা হয়ে যায়। যদিও ফুলকি তাকে বিভিন্ন কাজে সঙ্গ দেয়। অবশ্য ফুলকির বেশির ভাগ কথারই মিথিলা কোন পাত্তা দেয় না। তার ধারণা ফুলকির মত মেয়েদের পৃতিবীতে জন্মই হয়ছে অন্যের অধীনস্ত হয়ে থাকবার জন্য। তবুও মাঝে মাঝে মিথিলা তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনবার চেষ্টা করে, এবং প্রতিবারই হতাশ হয়। কারণ ফুলকি যেসকল বিষয় নিয়ে ভাবে তা এমন বিশেষ কিছু না । এই যেমন রান্না করবার সময় ফুলকির কাজ হল মিথিলার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা, এবং সাহায্য করা। ঠিক এই সময় ফুলকি বলে বসবে, আচ্ছা আপা দুলাভাই এর মাথায় কি ছিট আছে? চরম রাগ হওয়া সত্ত্বেও মিথিলা বলবে চুপ কর, অথবা কোন জবাব না দিয়ে নির্বিকার ভঙ্গিতে তাকিয়ে থেকে একটু পর বলবে যা তুই যেয়ে টিভি দেখ। এর পর সাধারণত ফুলকি চলে যাবে , কিছুক্ষণ পরই আবার তার খবর পাওয়া যাবে। হয়তো সে হাসবে বা কাদবে, সবই সিরিয়ালের নায়িকাদের উপর নির্ভর করে। তাদের মন ভাল থাকলে ফুলকির মনও ভাল থাকে। সাধারণত মেয়ে হিসেবে সিরিয়ালের নায়কদের পছন্দ হবার কথা থাকলেও, ফুলকি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নায়িকাদের পক্ষ নেয়। এই ক্ষেত্রে রাতুলের সাথে তার দারুণ মিল। রাতুলও বেশির ভাগ নায়িকা চরিত্রকে পছন্দ করে। 

বাসায় ফিরেই রাতুলের প্রথম কাজ হল মিথিলার খবর নেয়া। মিথিলা কি করছে, দুপুরে খেয়েছে কিনা ইত্যাদি। যদিও এসব খবর মোবাইলে কয়েক বার নেয়া হয়েছে। তবুও সে বাসায় ফিরে আবার নেবে। বেশির ভাগ দিনই রাতুল অফিস থেকে ফিরে মিথিলাকে খুজে পায় বারান্দায় অথবা ছাদে। ছাদে সাধারণত ফুলগাছ, পোষা পশুপাখি থকে। কিন্তু রাতুলদের তা নেই। রাতুলের ধারণা বাসার ছাদে বা ব্যালকণীতে ফুলের গাছ বা পোশা পশুপাখি রাখা বড়লোকি ভাব, এর মধ্যে শখের ব্যাপার কম। বিত্তবান মানুষদের মধ্যে এই মানসিকতা কাজ করে। 

রাতুল অবাক হয়ে লক্ষ্য করল, সকালের সেই রাগী ভাবটা নেই মিথিলার মধ্যে। স্বভাবত এ রকম হয় না। রাগ না ভাঙ্গানো পর্যন্ত মিথিলা কারো সাথেই কথা বলে না। একবারতো ১১ দিন কথা না বলে কাটিয়ে দিয়েছিল। সেবার অবশ্য বিয়ের পর নতুন বলে কথা। রাতুল আসলে বুঝে উঠতে পারছিল না কি করবে। এমন তো কিছু বলেনি সে। শুধু বলেছিল বাসার বাইরে আমাকে না বলে যেয়ো না, কোন কিছু দরকার হলে আমাকে বলবে আমি এনে দেব। মিথিলা উত্তরে বলল, আমি কি ছোট বাচ্চা নাকি, যে আপনি আব্বু আম্মুর মত যা বলবেন তাই শুনতে হবে। হটাত করেই রাতুল রেগে গিয়ে বলল বেয়াদপের মত কথা বোলো না তো। এতেই সব পণ্ড হয়ে গেল। তিন দিন কেটে গেল, সাত দিন কেটে গেল, কিছুতেই মিথিলা কারো সাথে কথা বলে না। পরে মিথিলার মা বলে দিল রাতুলকে, নিজে থেকে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত নাকি মিথিলার রাগ ভাংবে না। 

রাতুল ফুলকিকে বলল, যা তোর আপাকে ডেকে নিয়ে আয়তো। বলবি আমি ডাকছি, খুবই জরুরী ব্যাপার। ফুলকি বলল আপা তো এখন আসবে না, বলেছে একা একা সন্ধ্যা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকবে বারান্দায়। এবার রাতুল বুঝতে পারল, রাগ আসলে আরো ভারী হয়েছে কারণ, একা একা কখনো মিথলা সন্ধ্যায় বারান্দায় থাকে না।

(চলবে)

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দুই
এ রকম একটা ঝাঁঝালো উত্তর আসবে তা অনুমেয়ই ছিল। তাই আর কথা না বাড়িয়ে চুপচাপ বসে থাকল রাতুল। সে খুব ভাল করেই জানে, এই মুহূর্তে মিথিলা ছাড়া তাকে ভালবাসবার মত মানুষের সংখ্যা খুবই কম, সে ছাড়া তাকে আর কেউ এতটা কেয়ার করে না। রাতুলের বাবা মারা গিয়েছিল মাধ্যমিকে পড়বার সময়, আর মা মারা গেল বছর তিনেক আগে। বাবা নিয়ে তার স্মৃতি একেবারে কম তা নয়, কিন্তু রাতুল তা মনে রাখতে চায় না। রাতুলের চোখে তার বাবা কখনই একজন সফল গৃহকর্তা ছিলেন না। বরং তিনি মারা যাবার পরই বোধয় তাদের সুখের দিন শুরু হয়েছিল।

তার বাবা সরকারী স্কুলের কেরানী ছিলেন, কিন্তু তাকে দেখে মনে হত স্কুলের প্রধান শিক্ষক। আসলে আশেপাশে তখন আর কোন স্কুল ছিল না, আর প্রধান শিক্ষক অনেক বয়স্ক হওয়াতে যাবতীয় কাজ রাতুলের বাবাকেই সামলাতে হত। স্কুলে কোন সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিল না, যে কয়জন সহাকারী আর সাধারণ শিক্ষক ছিল তাদের বেশির ভাগই স্কুলে আসতেন না, আসলেও কমন রুমে খোশ গল্প আর ঘুমে ব্যাস্ত থাকতেন। মাস শেষে বেতন নেয়া ব্যাতীত তাদের আর তেমন কোন কর্মকান্ড রাতুল তার স্কুলজীবনে দেখেনি। তার চোখে স্কুলের সবথেকে সৎ আর সফল শিক্ষক ছিলেন শারীরিক শিক্ষা বিষয়ক স্যার, কারণ তিনি সপ্তাহের একদিন ক্লাস নিতেন খুব আগ্রহ করে, আর দিনের শুরুতে প্রতিদিনই খুব আন্তরিক ভাবে কিছু সময় পিটি করাতেন এসেম্বলিতে। রাতুলের ধারণা এই স্যার তার জীবনে কখন দায়িত্বকে অবহেলা করেননি।

রাতুল তার ৩ ভাই আর ১ বোনের মধ্যে সবার ছোট। তার বড় ভাই কবে কিভাবে মারা গিয়েছিল তার তা মনে নেই। সে বুদ্ধি হবার পর থেকেই সে এক ভাই আর বুবুর কথা জেনে এসেছে। তার কাছে তার বুবুই সব। স্কুলে যাবার সময় একট টাকা দরকার, বুবু দেবে। স্কুল থেকে ফিরে খেলতে যাবার সময় একটি টাকা লাগবে, বুবু দেবে। জামা কাপড় ধোয়া লাগবে , বুবু আছে তো। খেলতে গিয়ে আহত হয়ে ফিরে এসেছে, বুবু ছাড়া আর একটি ব্যাক্তিও  তার সেবা করবে না বা এই আহত হবার পিছনে যে প্রকৃতি ছাড়া আর কারো হাত নেই, এই যুক্তি বুবু ছাড়া আর কেউ মানবে না। এই বুবু এখনও তার সব থেকে আপন। তিনি থাকেন ধানমন্ডিতে। 
রাতুলের দুলাভাই এক্সপোর্ট ইম্পোর্টের ব্যাবসা করে। ধানমন্ডিতে নিজের জায়গার উপর ৪ তলা বাড়ি করে ২ মেয়ে সহ সুখে দিন কাটাচ্ছে। একটি কথা ভেবে রাতুল প্রায়ই চমৎকৃত হয়। তার বোনের এই দুই মেয়ে অভাব বলে কোন শব্দ আছে তা জানবে না। সুপ্তি আর তুষ্টি দুই বোনই দেখতে অসাধারণ সুন্দরী হয়েছে। সুপ্তি বড় হলেও আসলে তুষ্টিকেই দেখে বড় মনে হয়। তুষ্টির দাবি বড় আপা নাকি একেবারেই বোকা, তাকে দিয়ে কিছু হবে না। সুপ্তিও কোন কথা ছাড়াই তার ব্যাপারে এসব অভিযোগ মেনে নিতে পারে। তার আসলে যেকোন সত্য মিথ্যা মেনে নিতে কষ্ট বা সমস্যা হয় না, সে শুধু ব্যাপারটা বুঝতে চায় যে সেটা সত্য নাকি মিথ্যা, মেনে নিতে আপত্তি নেই।

রাতুল একবার চট করে দেয়াল ঘড়িটার দিকে তাকাল, সাধারণত ৭ টা ৪০ এর মধ্যে বাসা থেকে বের হয়, আজ নিশ্চই দেরী হয়ে যাবে। না এখনো ৭টা ১৫ বাজেনি, তাহলে মিথিলা এত দেরী করছে কেন নাস্তা দিতে। পত্রিকা রেখে ডাইনিং টেবিলের দিকে তাকাতেই দেখল নাস্তা রেডী। মিথিলা বোধয় অনেক আগেই নাস্তা রেখে গিয়েছে। কিন্তু সে গেল কোথায়। এই মাত্র সে সম্বিবত ফিরে পেল, দেখলা মিথিলা ইচ্ছে করেই তার থেকে একটু দূরে সোফায় বসে টিভি দেখছে। রাগের মাত্রা কমে গেলেও তা মনে হয় এখনো ধরে রেখেছে। রাতুলের একবার ইচ্ছে করল জিজ্ঞাসা করবে, তুমি কি এখনো রেগে আছ? কিন্তু তা আর হল না।

(চলবে)
জোকস

তারেক রহমান তন্ময় জোকসটি শেয়ার করেছে

ম্যাম পড়া নিচ্ছেন। "বলোতো পাপ্পু, মা ইংরেজী যদি Mum হয়, তাহলে মায়ের বোন,মানে খালামণি ইংরেজী কি?" পাপ্পু- ম্যাডাম, বড় খালামণি নাকি ছোট খালামণি। ম্যাডাম- দুইটার তো একই ইংরেজি, তাই না? পাপ্পু- না ম্যাডাম, এক না। মা ইংরেজী mum হলে বড় খালামণি ইংরেজী Maximum আর ছোট খালামণি ইংরেজী Minimum.

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাতুল ইচ্ছে করলেই রাগ করে বসে থাকতে পারত, কিন্তু সে তা করল না। অনেক ভেবে দেখল আজ একটু বেশিই হয়ে গেছে। অনেক কষ্টে বিছানা থেকে ঘুমের ঘোরকে পরাজিত করে উঠে পরল, রাতুল জানে আজও তার দেরী হয়ে যাবে অফিসে যেতে। পর্দা একটু ফাক করে দেখল, মিথিলা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে, কিন্তু কি এমন করছে? সকালের নাস্তা বলতে, রুটি বা পরটা আর সাথে একটা ভাজি, ডিম পোচ। কিন্তু মিথিলার কাজ করার ভঙ্গী দেখে মনে হচ্ছে এত সামান্য কিছু সে করছে না। ইচ্ছে করলেও সে মিথিলা কে না ডেকে ওয়াশরুমে ঢুকে গেল। কারণ জানে এই মুহূর্তে মিথিলা কে ডাকা আর বাঘের খাচার খিরকি খুলে তার আতিথেয়তার জন্য অপেক্ষা করা একই ব্যাপার।

ছোট্ট দুই রুমের এই বাসাটা একটু বেশিই সুন্দর, একটা মাস্টার বেড, সাথে এটাস্ট বাথ আর ছোট একটা ব্যালকনী। ব্যালকনীতে দাড়ালেই এলাকাটার বেশখানিকটা দেখে নেয়া যায়। সকালে আর সন্ধ্যাবেলা নাকি এই ব্যালকনীতে মায়ার জালে ঢাকা পরে, মিথিলা প্রায়ই রাতুলকে তারাতাড়ি বাসায় ফিরতে বলে, সন্ধ্যা বেলা তাকে নিয়ে ব্যালকনীতে দাঁড়িয়ে থাকতে নাকি অনেক সার্থকতা। ৬তলা বাসার ৩তলায় থাকে রতুলরা, সামনের রুমের সাথেই ডাইনিং কাম ড্রয়িং, সাথেই আবার রান্না ঘর, অনেক ছোট  হওয়া সত্ত্বেও মিথিলার গুছিয়ে রাখার গুনে তা অনেক বেশি সুন্দর লাগে। যে কেউ নতুন দেখলেই মনে করবে, কি ভাবে এত্ত গুলা জিনিস এই ছোট্ট রান্নাঘরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ড্রয়িং রুমটার অর্ধেক আসলে ডাইনিং রুম হিসেবে ব্যাবহার করে ওরা। কোনার দিকে একটা ফ্রিজ, বিয়ের সময় মিথিলার মা এটা দিয়েছে। যদিও নেবে না বলে রাতুল অনেক ঘ্যানর ঘ্যানর করেছিল, কিন্তু মিথিলার ছিচকাদুনিতে তা আর হয়ে ওঠেনি। ফ্রিজের সাথেই পাশে রাখা একটা সেলফ, যাতে সাড়ি সারী প্লেট,কাপ,পিরিচ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ৯ বছর বয়সী ফুলকীর কাজ হল দিনে একবার এই সেলফে রাখা থালা বাসন গুলো আর ফ্রিজটা শুকনো কাপড় দিয়ে মোছা। যদিও তা কখনই মিথিলার পছন্দ হয় না। মিথিলা আবারও নিজে নিজে পরিষ্কার করে নেয়। এই সময়ে ফুলকী টিভিটে হিন্দী সিরিয়াল দেখে, যদিও সে হিন্দি বোঝে না, কিন্তু সিরিয়ালের নায়ক নায়িকার সুক দুঃখের সাথে ফুলকীরও সুখ দুঃখ পরিবর্তন হয়।

৬ চেয়ার সহ বেশ বড় আকারের একটি ডাইনিং টেবিল রয়েছে ডাইনিং রুমে, যদিও মিথিলা বার বার বলেছিল, এই টেবিল কিনার দরকার নাই। আমাদের নতুন সংসার , ডাইনিং টেবিল দিয়ে কি হবে, আর মা তো বলেছেই মাস ছয়েক পরে ডাইনিং টেবিল একটা কিনে দেবে। রাতুল বলল তোমার মায়ের দেয়া জিনিস আমি নিব কেন, আমার নিজের কি টাকা নেই। এই নিয়ে বেশ কয়েকদিন মিথিলা বালিশ ভেজানোর পর রাতুল নির্বাক থেকে যেয়ে কিনে নিয়ে এসেছে। রাতুলের ধারণা নারীজাতির সব কান্নার মূল্য দিতে নেই। 

ফ্রেশ হয়ে ওয়াশ রুম থেকে বের হয়েই রাতুল চলে এল ড্রয়িং রুমে। টিভির সামনে পত্রিকা হাতে নিয়ে মনোযোগী ভঙ্গীতে পড়তে পড়তে আস্তে আস্তে বলল, এখনো নাস্তা হল না? বলেই বুঝতে পারল, একটু বেশিই জরে বলে ফেলেছে সে, মিথিলা বোধয় শুনে ফেলেছে। এবং সাথে সাথে উত্তর চলে এল, "রাস্তার মাথায় হোটেল থেকে নাস্তা করে নিতে পার, আমার নাস্তা হতে আরো সময় লাগবে।"

(চলবে)

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

স্বপ্ন পুরণ
কিরে ভাই, সোশ্যাল সাইট গুলা বন্ধ করলি ক্যান?
জাতির পিতার স্বপ্ন আছিল

তারেক রহমান তন্ময়: [শেয়ালপণ্ডিত-কিকইলি]অযৌক্তিক, অপ্রয়োজণীয় আর ফালতু পোস্ট, প্রশ্ন,খবর, বেস্টুন ইত্যাদির ছড়াছড়ি। দিন দিন ফেসবুকের ওয়াল হয়ে যাচ্ছে, যা দেখতে চাই না বা ভাল লাগে না, তাই বেশি বেশি আসতেছে মনে হয়। পয়েন্টের প্রতিযোগিতা এ অবস্থার জন্য একটু হলেও দায়ী। পুনশ্চঃ কাউকে ব্যাক্তিগত ভাবে চিনি না, তাই কাউকে মানসিক ভাবে আঘাত করতে চাইনি পোস্টের দ্বারা, যা মনে হয়েছিল তাই লিখেছি।

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

একধাপ এগিয়ে
ফেসবুক ব্যাবহার করতেছি
তার মানে তুমি সরকারের থেকে এক ধাপ এগিয়ে?

তারেক রহমান তন্ময়: আগের পোস্টটি ছিল ২৮শে জানুয়ারি, ২০১৫। আর প্রায় ২৯৬ দিন আগে, আগের মত কিছুই আর নেই। অলরাউন্ডার লিস্টে যাদের দেখছি বেশির ভাগই নতুন নাম মনে হচ্ছে, আমি অবশ্য ধরে নিয়েছি নাম ইচ্ছে করেই অনেকে পরিবর্তন করেছেন কিংবা আমার আসলে নাম মনে নেই। সব কিছুর পরিবর্তন হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু জরুরী কি?

তারেক রহমান তন্ময়: মায়ার বাঁধন ছিন্ন করার ক্ষমতা সবার থাকে না, আমারও বোধয় নেই

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপকরণঃ
- আধা থেকে পৌনে ১ কেজি মুরগীর মাংস
- ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি
- ১ কাপ টমেটো কুচি
- ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
- ১ কাপ নারকেলের দুধ
- লবণ স্বাদমতো
- ১ টেবিল চামচ তেল
- ধনেপাতা (ইচ্ছা)

মসলার জন্য
- আধা চা চামচ গোলমরিচ
- আধা চা চামচ জিরা
- ৩/৪ চা চামচ রাঁধুনি সজ
- ৮/১০ টি শুকনো মরিচ (ঝাল বুঝে)
- ২ টি এলাচ
- ১ ইঞ্চি দারুচিনি খণ্ড

পেস্টের জন্য
- কাঁচা মরিচ ৫/৬ টি (ঝাল বুঝে)
- ২ টি বড় রসুনের কোয়া
- ১ ইঞ্চি আদার খণ্ড
- ২ চা চামচ তিসি (২ টেবিল চামচ গরম পানিতে ১০ মিনিট ভেজানো)

পদ্ধতিঃ
- মসলার জন্য রাখা সকল উপকরণ একটি প্যানে শুকনো করে ২-৩ মিনিট ভেজে নামিয়ে নিন। এবার তা ঠাণ্ডা হলে গ্রাইন্ডারে গ্রাইন্ড করে কিংবা হামান দিস্তায় গুঁড়ো করে নিন।
- পেস্টের জন্য রাখা সকল উপকরণ ব্লেন্ডারে কিংবা বেটে নিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন।
- একটি প্রেসার কুকারে তেল গরম করে নিন। পেঁয়াজ দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। লক্ষ্য রাখবেন পেঁয়াজ যেন নরম হয়।
- এবার এতে বানিয়ে রাখা পেস্ট দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে। এরপর কেটে ধুয়ে রাখা মুরগীর মাংস দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখুন। ৫-৭ মিনিট ঢেকে রান্না করুন। এবং মাঝে মাঝে নেড়ে নিন।
- এরপর এতে টমেটো, হলুদ, লবণ দিয়ে ভালো করে নেড়ে দেবেন। এতে করে মাংস কিছুটা পানি ছেড়ে দেবে। এবার না ঢেকে রান্না করুন ৫-৭ মিনিট।
- যখন দেখবেন মাংস প্রায় সেদ্ধ হয়ে এসেছে তখন নারকেলের দুধ দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা ঢেকে ৫ মিনিট রান্না করুন অথবা একটি সিটির পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
- এবার পিষে রাখা মসলা দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে হালকা আঁচে আরও খানিকক্ষণ রান্না করে নিন।
- মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ করে মসলা মিশে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ধনে পাতা কুচি দিয়ে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন মজাদার ‘স্পাইসি গ্রেভি চিকেন’।

*চিকেনরেসিপি* *হেলদিফুড*

তারেক রহমান তন্ময় বেশটুনটি শেয়ার করেছে

আচ্ছা আমি যখন গান গাই তখন তুমি বারান্দায় গিয়ে দাড়িয়ে থাক কেন?
পাবলিক যাতে সহজেই বুজতে পারে গানটা আমি গচ্ছি না, এইজন্য!

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
গীটারের তার ছিরা প্রমান করুম আমার কত্ত শক্তি?
তুমি কি গীটার বাজাচ্ছ নাকি গীটার তোমাকে বাজাচ্ছে?

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
১,২৯২

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও