মেঘলা -মেয়ে

@vabna21

তোমার প্রার্থনাই আমার ভালো থাকার কারণ !!!!!!!!
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1365902997000  থেকে আমাদের সাথে আছে

মেঘলা -মেয়ে: আজ ভীষণ স্বার্থপর হতে মন চাইছে শুধু তোমার জন্য !!!!! পৃথিবীর যে কোন কিছুর বিনিময়ে আমার তোমাকেই চাই ................................ভাবনা

মেঘলা -মেয়ে: রাতগুলো কেন এতো কষ্টের হয় কেন মন পোড়ে তোমার তরে চোখের জল কেন বাধা মানেনা অঝোরে কেন ঝরে যায় অকারণ ........................ভাবনা

মেঘলা -মেয়ে: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জীবনে এমন একজন বন্ধু খুব প্রায়োজন যাকে মনের সব কথা খুলে বলা যায় ,যার সাথে কথা বলতে গিয়ে একবারও্র মনে হবেনা কোন লাভ -ক্ষতি ,যার কাছে চোখের জল লুকাতে হবেনা সে কি ভাববে এইটা ভেবে ,রাস্তা পার হবার জন্য যার হাত ধরলে হাত কাপবেনা ,কোন শিহরণ জাগবেনা ,থাকবে শুধু পরম নির্ভরতা .তার বলা কোন কথা শুনতে ভাবতে হবেনা তার কোন স্বার্থ আছে কিনা ,যেন মনে হয় সে যা বলছে শুধু আমার ভালোর জন্যই ভেবে বলছে !বিপদে যেন সবার আগে তার নামটাই মনে হয় তাকে বললে একটা সমাধান সে করবেই ,নিজের আনন্দ শেয়ার করার জন্য যেন প্রথম ফোনটা তার নম্বারেই ডায়াল হয়. খুব মন খারাপে তার নামটাই যেন প্রথম মনে আসে ,রাতজাগা রাতগুলোতে তার ঘুম ভাঙ্গাতে যেন মনে না হয় ইস সে হয়ত ঘুমিয়ে আছে ,কোন অধিকারের প্রশ্ন যেন দুজনার মাঝে কখনও তৈরি না হয় !!!

.......................................মেঘলা মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: ভালবাসা পেয়ে যে ভালবাসা ফিরিয়ে দিতে জানে ,ভালবাসা পাওয়ার অধিকার শুধু তারই !!! ...................................মেঘলা -মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: ইদানিং ভীষণ রকমের মন খারাপের দিনগুলোতে খুব প্রিয় কাউকে ভুলে যেতে ইচ্ছা করে !! ইদানিং কাছের মানুষগুেলো থেকে অনেকদূরে পালিয়ে যেতে ইচ্ছা করে !! ইদানিং ভীষণরকম অন্ধকারে একা থাকতে ইচ্ছা করে !! ...........................মেঘলা-মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: প্রেম সব সময় বন্ধুত্বের কাছে হেরে যায় তাকে হেরে যেতে হয় প্রেম মেনে নিতে পারেনা ভুল করাটা বুঝতে চায়না অসহায় অবস্থাও কিন্তু বন্ধুত্ব জানতে চায়না ভুল অসহায় হতে দেয়না বন্ধুকে ...................... ...........মেঘলা-মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: কিছু সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখতেই অসময়ে ইতি টানতে হয় । ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ এবং ভালোবাসাটুকু শেষ হওয়ার আগেই সম্পর্ক শেষ করতে হয় । .তাহলে কোনো একদিন হঠাৎ দেখা হয়ে গেলে না চেনার ভান করে দু'জনকে মুখ ফিরিয়ে নিতে হবেনা অন্তত ! সময়ের সাথে সাথে ভালোবাসা এখন ভবিষ্যত জীবনের সুখের সাথে সমানুপাতিক করে গড়ে ওঠছে । কিছু অনুভূতি প্রকাশ না পাওয়াই ভালো...এতে দুরুত্ব হয়তো বেড়ে যায় কিন্তু ভালোবাসা আর শ্রদ্ধাবোধ টা থেকে যায় সারাজীবন..... ভালো থাকুক ভালোবাসা !

মেঘলা -মেয়ে: শুনেছিলাম নিরবতার ও নাকি ভাষা আছে শুধু সেই ভাষা শুনতে পাবার মত মানুষ যদি না থাকে তবে সেই নিরবতার ভাষা শুধু গুমরে মরে নি:শব্দেই চোখের জল চোখেই থেকে যায় ভালবাসা হারিয়ে যায় অতলে !!!!! .................................মেঘলা -মেয়ে

ছবি

মেঘলা -মেয়ে: ফটো পোস্ট করেছে

*শখেরফটোগ্রাফি*

*শখেরফটোগ্রাফি*

মেঘলা -মেয়ে: যদি জানি ভালো আছো ছেড়ে দেবো সব দাবী যদি বুঝি বদলে গেছো রেখেছো অন্য হাতে হাত চোখে এঁকেছো অন্য কারো ছবি শুনে রাখো, হাসবো খানিক বলবো, ভালোবাসা তোমার জন্য নয় তোমার জন্য মোহ তোমার জন্য এই আমি নই নিজেকে ভুলে তোমাকে চাওয়া এই আমি কিছুতেই আর তোমার জন্য নই তারপর নির্দ্বিধায় সরিয়ে নেবো হাত মানিয়ে নেবো একলা প্রহর মিথ্যে ভালোবাসা, মিথ্যে মায়া'য় ভুলে বলবো না আর, ভালোবাসি! শুধু ভালো থেকো যদি জানি ভালো আছো ছেড়ে দেবো সব দাবী ফিরিয়ে নেবো তোমায় দেয়া মনের ঘরের চাবি!

মেঘলা -মেয়ে: হাজারটা সুখের স্মৃতি একটি কষ্টকে মুছে ফেলতে পারেনা... কিন্তু একটি কষ্ট হাজারটা সুখের স্মৃতিকে মুছে ফেলতে পারে!! এটিই জীবনের সবচেয়ে নিষ্ঠুর সত্যি.. ......................মেঘলা -মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: মাঝে মাঝে মন খারাপ থাকলেও সেটা কাউকে বলা হয়না মাঝে মাঝে চোখের জল ঝরতে দিতে হয় মাঝে মাঝে স্বপ্নগুলো ভুলে যেতে হয় মাঝে মাঝে নির্ঘুমরাত একা একা জেগে থাকতে হয় মাঝে মাঝে চলতে গিয়ে থমকে যেতে হয় মাঝে মাঝে ............................!!!!!! .....................মেঘলা -মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কদম ফুলের মাতাল করা গন্ধে নিপুন মাতাহারা হয়ে যায় । কদম ফুলের গন্ধ যে মানুষকে এতোটা মুগ্ধ করতে পারে তা সে এই প্রথম জানলো । ছাদে অনেক মানুষের মাঝে কিছুটা ফাক রেখে নিপুন একাই বসে ছিলো । বিয়ে বাড়ি রাতে বিদুৎ চলে যাওয়ায় অনেকেই ছাদে বসে গল্প করছিলো । ইফতি এসে নিপুনের পাশে বসতে বসতে বলল
-কি রে একা একা কি ভাবছিস?
সে কথার উত্তর না দিয়ে নিপুন বেশ ঝাঝের সুরে বলল
-তুই আবার আমাকে জ্বালাতে কেন এসেছিস ?
-বেশ আমি চলে যাচ্ছি ।
বলেই ইফতি যাওয়ার জন্য উঠে দাড়ালো ,ইফতি যে নিপুনের উপর অভিমান করে চলে যাচ্ছে তাতে নিপুনের কোন প্রতিক্রিয়া না দেখে একটু অবাকই হলো । তাই আবার সব অভিমান ভুলে একটু চিন্তিত ভাবেই আবার নিপুনের পাশে বসলো ।নিপুন উদাসিন হয়ে একমনে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে আছে । ইফতির দিকে না তাকিয়েই নিপুন অনেকটা নিজে নিজে বলল
-কি রে গেলি না যে..
-কি করে যাই তুই যেমন ..এভাবে তো তোকে কখনও দেখিনি ?
-মানুষ কি চিরদিন একরকম থাকে ?
-তা ঠিক কিন্তু এই মূহুর্তে তুই কি ভাবছিস ?
-ভাবছি এই রাত যদি আরো ৫ বছর আগে আসতো তাহলে হয়ত আমাদের জীবনটাই অন্যরকম হতো ,
-তাই কি?
-হয়ত তাই ,কিন্তু দুজনার দূরে সরে যাবার জন্য কি দায়ী আমি একা ?
-না আমিও । ভালবাসি কথাটা বলতে পারলে …
-আমিতো মেয়ে দায়টা কি তোর ছিলো না ?
-সবাই সবকিছু পারেনারে ,যদি পারতো তাহলে পুথিবীটাই অন্যরকম হতো ,তাছাড়া আমার ব্যার্থতা তো আমি মেনে নিয়েছি ।
-সব বুঝতে পারছি ,তারপরও আজও কেন পিছু ডাকিস ?
-ভুলতে পারিনা তাই ,
-চেষ্টা করেছিস ভুলতে ?
-না ! কেন ভুলতে চাইবো যাকে জীবনে প্রথম প্রেম বলে মেনেছি যার ছোয়া আমাকে স্বর্গের সুখে বিভোর করে রাখে যার মুখটি মনে করে সব দু:খকে পাশ কাটিয়ে চলতে পারি কি প্রয়োজন তাকে ভোলার ?
-আমিতো আর তোর মত সবকিছু সহজভাবে ভাবতে পাছিনা ,আমার তো মনে হচ্ছে তোর ভালবাসা আমার গলায় ফাসির দড়ি হয়ে ঝুলে আছে ,
-আমি কি করতে পারি ?
-কিছুই কি করার নেই ?
-হ্যা! আছে যদি তুই রাজী থাকিস ..
-কি ?
-তুই আবার আমার কাছে ফিরে আয় ,কথাটা ইফতি যতটা সহজভাবে বলল ,কথাটা যে এতো সহজ নয় ইফতি জানে । কথাটা শুনে নিপুন চমকে উঠে ইফতির মুখের দিকে তাকায় ,মুদৃ হেসে উপহাসের সুরে বলে
-তুই পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছিস
-যদি হয়েও থাকি সেটা কি খুব অন্যায় !!
কথাটা সম্পুর্ন অন্য দিকে মোড় নিচ্ছে দেখে নিপুন ইফতির কথার উত্তর না দিয়ে উঠে চলে যাবার জন্য পা বাড়ায় ,ইফতি নিপুনের একটা হাত ধরে জোরে টান দেয় ,নিপুন বসে বলে
- হাত ছাড় ,আমি চলে যাই আমাকে ধরে রাখার কি অধিকার আছে তোর?
- ভালবাসার
- যদি তাই হয় তাহলে আরো আগে ধরে রাখতে পারলিনা ক্যান ?
- সামাজিক স্বীকৃতি ছিলো না বলে । এখতো সেটাই দিতে চাইছি
নিপুন জোরে ধমক দিয়ে বলে ..হাত ছাড় যতসব উল্টোপাল্টা চিন্তা করছে বসে বসে । ইফতি আস্তে করে হাত ছেড়ে দেয় ।
-তুই তিা খুব স্বার্থপর ,যত সহজে ধরলি ততো সহজেই ছেড়ে দিলি
ইফতি এবার রেগে গিয়ে বলে
-কি চাইছিস তুই ,ঠিক করে বলতো ?
-কিছুনা ,আমাকে ভুলে যা ,যদিও কথাটা আগেও বলেছি
-তা যে সম্ভাব নয় ,আমিও তো বলে দিয়েছি
-তাহলে আর কি বসে বসে যা খুশি তাই কর !!
বলেই নিপুন চলে যায় , ইফতি তার কিছুই জানেনা ,আজ তার ছেলেবেলার সব সৃত্বিগুলো মনের পর্দায় ভেসে উঠছে একসাথে ছোটবেলা থেকেই বড় হয়েছে ওরা দুজন সর্ম্পকে মামাতো –ফুপাতো ভাইবোন ,এক ক্লাসে পড়তো তাই খেলাধুলা পড়ালখা সারাদিন একসাথে থাকা ,কোনদিন কেউ কিছু্‌ই বলেই । আস্তে আস্তে দুজন দুজনের হৃদয়ের কাছে গিয়েছে সে কথা মুখ ফুটে বলার আগেই নিপুনের বিয়ে হয়ে যায় ।তখন এতোটাই ছোট যে কিছু করার কথা ওদের মনেই আসেনি তাছাড়া দুজন তো ভালবাসার প্রকাশটাই করতে পারেনি তখনও । নিপুন নিরবে চোখের জলমুছে লাল শাড়ি পরে শুশুর বাড়ি চল যায় এদিকে ইফতিও মনের কথা মনে রেখেই একাকী পথ চলার সিদ্বান্ত নিয়ে কোনরকমে দিন কাটাচ্ছিলো ,বছর না যেতেই নিপুন বিধবা হয়ে বাবার বাড়ি চলে এলো .ইফতি কিছুতেই চোখ তুলে নিপুন এর কষ্টটা দেখতে পারছিলো না ওর সামনে যেতেই নিজর ভিতর তীব্র কষ্টে বুক ভেঙ্গে যেতে চায় নিপুনকে কাছে না পেলেও ওর সুখটাই ছিলো ইফতির একমাএ কামনা ।এতো ভালবাসার মানুষটিকে কি করে চোখের সামনে শেষ হতে দেখবে তাই ইফতি সিধান্ত নেয় যেভাবেই হোক ভালবাসার মনিুষটির মুখে হাসি ফুটাবেই সেইভাবে নিপুনকে রাজি করায় পড়াশুনাটা নতুন করে শুরু করার জন্য ,একটু একটু করে নিপুন এগিয়ে যায় তার সাফল্যর পথে, আজ চার বছর পর সে তার নিজের পায়ে দাড়িয়েছে আর আজই সাহস করে মনের কথাটা নিপুন কে জানালো ইফতি কিন্তু নিপুন কেন এমন করে বলে চলে গেল সেটা কিছুতেই বুঝতে পারছিলো না , এসব ভাবতে ভাবতে ইফতি উঠে দাড়ায় তাকিয়ে দেখে নিপুন ওর পিছনে দাড়িয়ে আছে । ছাদে আর কেউ নেই ,ইফতি একটু অবাক হয়েই বলে
-আবার কখন এসেছিস ?
-এইতো !তোকে একটা কথা জানাতে
-হুম বল
- আমার শুশুর এসেছে আমাকে নিয়ে যেতে আগামী কালই আমি চলে যাচ্ছি ।
ইফতি চমকে উঠে বলে
-কোথায় ?
-কেন ?আমার শুশুরবাড়ি।
-সেখানে গিয়ে তুই কি করবি ?
-শুশুরের ইচ্ছে তিনি বেঁচে থাকতে খাকতে তার ছেলের সব সম্পত্তি তিনি আমাকে বুঝিয়ে দিয়ে যাবেন।
-তা তুই কি ভাবছিস ?
-এতে আবার ভাবাভাবির কি আছে , স্বামী নেই কিন্তু তার স্মৃতি নিয়ে বাকিটা জীবন আমার ঠিক কেটে যাবে ..
ইফতি ওর মুখের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে দেখে নিপুন দুষ্টুমি করে বলল
-তাছাড়া বিধবাকে তো আর কেউ জীবনসঙ্গী করবে না ,
-ইফতি এবার বেশ রেগে গিয়ে বলল
-হুম ,তুই তো সব জেনে বসে আছিস ? এতো সময় ধরে এতো কথা বলছি সেটা কি তুই বুঝতে পারছিস না নাকি বুঝেও না বোঝার ভান করছিস?
নিপুন একটু জোর করে হেসে বলে
-পাগল হয়ে গেছিস নাকি ?পরিবার সমাজের নিয়মের বাইরে তুই বা আমি কেউ যেতে পারিনা .
ইফতি এবার বেশ জেদ এর সুরে বলল কে কি নিয়ম করলো তাতে কি তুই নিজের আর আমার জীবনটা নষ্ট করে দিবি?
নিপুন কি বলবে ভেবে পেল না শুধু মাথা নিচু করে চুপ করে থাকলো ,ইফতি আস্তে করে নিপুনের মুখটা তুলে দেখে নিপুন নিরবে কেদে চলেছে ,ইফতি অস্থির হয়ে বলল
-তুই জানিস না আমি তোর চোখের জল দেখতে পারিনা , আর একটা কথা “তোকে পেলে আমি সুখি হবো বিশ্বাস কর ,তোকে ছেড়ে থাকতে আমার খুব বেশি কষ্ট হবে” !এরপরও তু্ই আমাকে ছেড়ে যাবি ?
কথাগুলো বলে ইফতি নিপুনের উত্তরের অপেক্ষোয় ওর দিকে তাকিয়ে থাকে ,
নিপুন আস্তে আস্তে ইফতির হাত আকড়ে ধরে বলে
-আর কতদিন তুই করে বলবি প্রমিকাকে কেউ তুই বলে নাকি ?
নিপুনের কথা শুনে ইফতি সব জড়তা কাটিয়ে নিপুনকে জড়িয়ে ধরে বলে
-অনেক ভালবাসি তোমাকে !!!!
-আমিও তোমাকে ভালবাসি !!!!
.................................মেঘলা-মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: স্বপ্নের রং কেমন হয় ? লাল ,ণীল নাকি সাদা? এতোদিনেও সেটা জানার আগ্রহ হয়নি কেন ? শুধু স্বপ্নই দেখে গেছি ,তার রংটা জানা হয়নি আজও অাজব লাগছে নিজের কাছেই আচ্ছা রংটা জানিনা বলেই কি স্বপ্নগুলো অধরা থেকে গেছে ????????? .............................................মেঘলা-মেয়ে

ছবি

মেঘলা -মেয়ে: ফটো পোস্ট করেছে

*শখেরফটোগ্রাফি*

*শখেরফটোগ্রাফি*
ছবি

মেঘলা -মেয়ে: ফটো পোস্ট করেছে

*শখেরফটোগ্রাফি*

*শখেরফটোগ্রাফি*

মেঘলা -মেয়ে: জীবনে ভালবাসা থাকলে সব অসম্ভবকেই সম্ভব করা যায় সব কঠিন বাধা ভেঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় স্বপ্নগুলোকে পূরণ করার প্ররণা পাওয়া যায় !!! বাঁধ ভাঙ্গার মনোবল তৈরি হয়ে হয়ে কোন যুক্তি ছাড়াই !!! .................মেঘলা-মেয়ে

মেঘলা -মেয়ে: "প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।" ___জীবনানন্দ দাশ

ছবি

মেঘলা -মেয়ে: ফটো পোস্ট করেছে

*শখেরফটোগ্রাফি*

*শখেরফটোগ্রাফি*

মেঘলা -মেয়ে: "তোমাকে যখন দেখি, তার চেয়ে বেশি দেখি- যখন দেখি না!" ____সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
১৭,৯৩০

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

***

+ আরও