জাহিদ অভাজন

@zahidHq

জগতে তাই সুন্দর, যা কিছু আরাধ্য
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1395690324000  থেকে আমাদের সাথে আছে

জাহিদ অভাজন: সারাদেশে বড় মাত্রার ভূকম্পন হয়ে গেল! সবাই নিরাপদ অাছেন তো?

জাহিদ অভাজন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
""আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে" -- কুসুমকুমারী দাশ আমি বলছি না যে আমাদের দেশে এমন ছেলে নেই। অবশ্যই আছে। তবে আরও বেশী বেশী চাই।"

ভারতের একটি টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ছাএকে নিয়ে।

বছরে ১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার বেতনে সার্চ জায়ান্ট গুগলে চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন ভারতের দিল্লী টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির (ডিটিইউ) এক ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয় ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগের শেষ বর্ষের ওই ছাত্রের নাম চেতন কক্কর।

সার্চ জায়ান্ট গুগল ও অন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভারতীয়দের দাপট আগে থেকে রয়েছে। তবে শুরুতে এতো মোট অংকের বেতন নিয়ে এর আগে কোনো ভারতীয় গুগল বা অন্য কোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে যোগ দেননি।

google_

এর আগে দিল্লীর এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক শিক্ষার্থীর ৯৩ লাখ রুপি বেতনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

চতুর্থ বছরের পোড়াশোনা শেষ করে আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের মধ্যেই গুগলে ক্যালিফোর্নিয়া অফিসে যোগ দেবেন চেতন।

গুগলে চাকরি প্রস্তাব পাওয়ার পর এ শিক্ষার্থী বলেছেন তিনি এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় নিজেকে তৈরি করেছেন। গুগলে চাকরি প্রস্তাব পাওয়ার পর এ শিক্ষার্থী বলেছেন তিনি এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় নিজেকে তৈরি করেছেন।

 

এ শিক্ষার্থীর মা-বাবা দুজনই দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। মা রিতা কক্কর রসায়ন ও বাবা সুভাষ কক্কর ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক।


*বেশটেক* *গুগল* *ছাত্র* *মেধাবী* *বেতন*

জাহিদ অভাজন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। জুমআ মোবারক।

জাহিদ অভাজন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
""বাবা মাকে শুধু ভালোবাসা যায়, শ্রদ্ধা করা যায়, খুন করা যায় না। যদি করে তাহলে বুঝতে হবে কোন সমস্যা আছে! আমরা সে সমস্যা দূর করার চেষ্টা না করে, তাকে সুস্থ করার চেষ্টা না করে নিজেরাও অসুস্থের মত তাকে ফাঁসিতে ঝুলাতে চাচ্ছি। ......""

ঐশীর ফাঁসি ও আমাদের বিচার!

একটা সুস্থ মানুষ কখনও তার বাবা মাকে খুন করে না, করতে পারেনা। শুধু বড় কোন অসুখ হলেই কেবল মানুষের পক্ষে খুন করা সম্ভব হয়। এই অসুখটা হল মনের। ঐশীর অনেক বড় একটা মনের অসুখ হয়েছিল! আমরা তার অসুখটা সারাতে চাইনি, চেষ্টাও করিনি।

আমাদের আচরণটা হল- যেহেতু অসুখটি আমরা সারিয়ে তুলতে পারবো না তাই রুগীকে মেরে ফেল। আমরা রুগীকে মেরে ফেলতে চাচ্ছি। অসুখ দূর করতে চেষ্টাও করলাম না।

গতকাল পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। অপরাধের বিচার অবশ্যই চাই। ঐশীর অপরাধ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘৃণিত অপরাধ। কিন্তু সেই অপরাধের শাস্তি যদি মৃত্যুদন্ড হয় তাহলে আমরাও ঐশীর অসুখেই অসুস্থ! যদিনা আমরা আমাদের সমাজকে আরও ঐশী না সৃষ্টি হয় সেই ব্যবস্থা ও পদক্ষেপ গ্রহণ না করি!

ঐশী এই অসুখ নিয়ে জন্মায়নি। ঐশীর সমাজ, পরিবেশ, পরিবার, মাদক ঐশীকে অসুস্থ করে তুলেছিল। কৈশোর পেরুবার আগেই মেয়েটিকে মাদক গ্রাস করলো। যৌবনে পা দেয়ার আগেই আমরা তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিচ্ছি। সব দোষ মেয়ের উপর দিয়ে দাঁয় এড়াতে চাচ্ছি।

তার বাবা পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ঐশীকে প্রতিমাসে হাতখরচ বাবদ লক্ষাধিক টাকা দিতেন। টাকা হাতে পেয়ে মেয়ে বখে গিয়েছে, খারাপ বন্ধু-বান্ধবদের পাল্লায় পড়ে আসক্ত হয়ে পড়ে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যে। একদিন হয়তো মাহফুজ সাহেব অথবা তার কোন সহকর্মীই এই মাদক বিস্তারে প্রতিরোধ করেননি। ব্যাপারটা যেন প্রতিদানের মত, মাহফুজ সাহেবরা মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে গ্রহন করা টাকা সন্তানকে দিয়েছিলেন হাত খরচের জন্য। আর ঐশীরা মাদকের বিনিময়ে সে টাকা তুলে দিচ্ছে মাদক কারবারিদের হাতে।

অথবা মাদক ব্যবসা করে কামানো অঢেল অর্থের কিছু অংশও যখন কোন এক মাদক কারবারি তার সন্তানকে দেন হাত খরচের জন্য। হয়তো তার সন্তানও তারই কোন সহকারবারির কাছে সে অর্থ তুলে দেন মাদকের জন্য। অর্থাৎ আমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কে ধ্বংস করে দিচ্ছি।

স্কুলের বয়স রেকর্ড ও জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট থেকে আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত ঐশীর বয়স জানা গিয়েছিল ১৭ বছর। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে এসব গায়েব করে তার বিচার হল সাধারণ আদালতে।

হয়তো আরও অনেক পুলিশ অফিসারই ঐশী আতঙ্কে ভুগছেন তাই তারা তাদের বখে যাওয়া সন্তানদের কোন এক বিশেষ ম্যাসেজ দিতে চাচ্ছেন।

ঐশীর লেখা সুইসাইড নোট পড়লে তার অসুখটা হয়তো কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন। বাবা মাকে নিয়ে লিখেছে- “তারা কোন দিনও আমাকে বুঝতে পারেনি। আমার অনেক খারাপ দিক আছে- সেই খারাপ দিকগুলো চালাকি করে বুঝে ফেলা ছাড়া ভালো দিক গুলো কখনোই তারা বোঝার চেষ্টা করেছে কিনা সন্দেহ”

যে ঐশীকে আমরা তৈরি করেছি সে তার বাবা মাকে খুন না করলে হয়তো নিজেকেই খুন করতো!

আমি বলছিনা ঐশী নির্দোষ। আদালতের রায়কেও অবজ্ঞা করছিনা, শুধু বলছি-একটা বাচ্চা মেয়ের ঐশী হয়ে ওঠার পেছনের নায়কদের বিচার করুন। আমাদের বিচার করুন।

একটা মানুষ কখনও তার বাবা মাকে খুন করতে পারেনা! বাবা মাকে শুধু ভালোবাসা যায়, শ্রদ্ধা করা যায়, খুন করা যায় না। যদি করে তাহলে বুঝতে হবে কোন সমস্যা আছে! আমরা সে সমস্যা দূর করার চেষ্টা না করে, তাকে সুস্থ করার চেষ্টা না করে নিজেরাও অসুস্থের মত তাকে ফাঁসিতে ঝুলাতে চাচ্ছি। একজন অপরাধীকে অপরাধ প্রবণ মানসিকতা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারার চেয়ে বড় সার্থকতা আর কি হতে পারে!

আসুন, সবার আগে আমরা সুস্থ হই। একটা সুস্থ পরিবেশ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাই। সাধারণ একটি মেয়ের ঐশী হয়ে উঠার পেছনের নায়ক আমরাই। এ সমাজ ! এ দায় আমরা এড়াতে পারিনা কোনভাবেই। তাই আমাদের ও বিচার চাই। আমাদেরও চিকিৎসা চাই!

লেখকঃ তানভীরুল হাকিম মিরাজ 
ফ্রিলান্স সাংবাদিক, ব্লগার 
এমবিএ (অধ্যয়নরত)
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি)

জাহিদ অভাজন: জুমআ মোবারক।

জাহিদ অভাজন বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"অরুন ভাইয়ের সাথে আমিও সহমত।"

ঐশী'র ফাঁশি'র রায় হইছে। ফাঁসি এখনো হয়ে যায় নাই। একেবারে নিজস্ব ধারণা'র দুইটা কথা বলি।

ফাইনালি ঐশী'র ফাঁসি না হইলে কী হবে?
জেল খেটে সে একটা সময় বের হবে। এই সমাজে কোথাও তার ঠাঁই হবে না। সবাই আঙ্গুল উঁচায়ে বলবে - ঐ দেখো, এই মাইয়াটা তার মা-বাপরে মাইরা ফেলছে। ফাঁসির চেয়েও কঠিন যন্ত্রনা সে ক্ষণে ক্ষণে পাবে। হয়ত নিজেই একটা সময় আত্মহত্যা করে ফেলবে।

কারো যদি সুযোগ থাকে, ঐশী'র সাথে একটা বার দেখা করে আসতে পারেন। তার ভিতরেও সুন্দর, নরম একটা মন আছে। যে মনটা তার পরিবারের অমনযোগের কারনে এমনিতেই শক্ত খোলকে ঢেকে ছিলো। আর এখন সমাজের আঙ্গুল তোলার কারনে আরো ঢেকে গেছে। নারিকেলের মত শক্ত খোলকটা ভেদ করে নীচে গিয়ে দেখেন। আপনার, আমার মতই তার একটা সুন্দর মন আছে। যে মনটা'র সন্ধান কেউ কোন দিন করে নাই। বারবার মনযোগের চেষ্টা করেও হয়ত যে মনটা কেঁদেকেঁদে পাষাণ হয়ে গেছে।

আদালতে যেহেতু প্রমান হইছেই যে সে তার বাবা-মা'কে খুন করছে। তাই তা নিয়ে আর প্রশ্ন নাই। কথা হইলো, মনের কেমন পরিস্থিতি হইলে একটা মানুষ তার প্রথম আশ্রয়ের জায়গাটাকে মেরে ফেলে! আমার এই লেখাটা ঐশী'র পড়ার সুযোগ নাই। আমি জানি, এই ক্ষুদ্র লেখাটা পড়েই সে ফুপায়ে ফুপায়ে কেঁদে উঠবে।

ঐশী অন্যায় করছে, এতে কোনই সন্দেহ নাই। কিন্তু অন্যায়ের ভিত্তিটা তৈরী হইছে তার আশেপাশের পরিবেশের কারনে। এমনি এমনি কোন ঐশী তৈরী হয় না। হয়ত ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র অবহেলা আর মাত্রাতিরিক্তি শাষণ একটা কোমল শিশুকে এই ঐশী বানিয়েছে।

ঐশী'র ফাঁসি হোক আর না হোক। এইটা আইনের বিষয়। কিন্তু আমার, আপনার এখনই মনযোগী হইতে হবে সন্তানের প্রতি। বুঝতে হবে তার ভাষা। বুঝাইতে হবে তারে ভালোবাসা'র পথ। আমার আপনার গাইডেন্সের উপরই নির্ভর করছে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম বিদ্যাসাগর হয়ে মায়ের জন্য নদী পার হয়ে সারা রাত সিথানে দাঁড়িয়ে থাকবে। নাকি আরেকজন ঐশী হয়ে আমাকে আপনাকেই ক্ষুন করে ফেলবে।

(ব্যক্তিগত ভাবে আমার আশা, ঐশীকে মুক্তি দেওয়া হোক। তাকে শিশুদের সাথে মিশতে দেওয়া হোক। সে নিশ্চয়ই চেষ্টা করবে তার নাপাওয়ার বেদনাগুলা যেন শিশুদের পেতে না হয়। সেও হয়ত একটা সময় বড় কোন মমতাময়ী মানুষ হবে। ওয়াশকরনী নামের এক ভদ্রলোক নাকি কয়েকশো ক্ষুণ করেও বেহেস্তের টিকিট পাইছিলেন পরবর্তীতে তার ভালো কাজের জন্য। ঐশীকে তবে আমরা কেন এই কম বয়সেই মরতে দিবো!)

জাহিদ অভাজন:

জাহিদ অভাজন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফিহা দেবদূতকে উদ্দেশ্য করিয়া বলিল, এত গভীর রাতে একটা শিশু রাস্তায় শীতে একা একা কষ্ট পাচ্ছে। স্রষ্টা এত নিষ্ঠুর কেন? তাকে দেকভাল করার যদি এই দুনিয়ায় যদি কেউ না থাকে স্রষ্টা কেন তাকে দুনিয়ায় পাঠাল!
দেবদূত বলিল, মহামান্য মানব, এজন্য কি আপনার মন খারাপ লাগছে?
ফিহা উত্তর করিল, হ্যাঁ, আমার খুব খারাপ লাগছে, এই ভেবে বাচ্চাটার না জানি কি বিপদ হতে পারে!
দেবদূত বলল, স্রষ্টা তার সৃষ্টির সকল ব্যাপারে অবগত। আজকের রাতটি বাচ্চাটার দেকভালের জন্য স্রষ্টা আপনাকেই মনোনীত করেছেন! এজন্য আপনার মনে দয়া, বিবেক ও বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টি করেছেন।
এখন সিদ্ধান্ত আপনার...
বিবেকের কথা শুনবেন, না কি শিশুটির আসন্ন বিপদের চিত্র কল্পনা করে নিজের মাথায় একটা ঘুরান্টি দিয়েই ক্ষান্ত হবেন।

পাদটীকাঃ
অনেক অনেক দিন আগে একটা সুন্দর গল্প পড়েছিলাম। পুরো গল্পটা মনে নেই। আজ একজনের কথায় অনেক হাসি পেল মনে মনে। আর তখনই মনে হল, গল্পটা তার জন্য একটা মেসেজ হতে পারে। আমি লিখতে জানি না। তাই খুব সংক্ষেপে গপ্লের সার-অংশটুকু শেয়ার করলাম।

জাহিদ অভাজন: পাজল (PUZZLE)

জাহিদ অভাজন: - মেঘে মেঘে সোনা, ও ভাই, যায় না মানিক গোনা-- পাতায় পাতায় হাসি, ও ভাই, পুলক রাশি রাশি-- সুরনদীর কূল ডুবেছে সুধা-নিঝর-ঝরা॥

জাহিদ অভাজন: - আরো প্রেমে আরো প্রেমে মোর আমি ডুবে যাক নেমে।

জাহিদ অভাজন:

জাহিদ অভাজন: । বড় গাঙে নাও ভাসিয়ে গহীন জলে ডুবাল দিয়ে আমি যামু সুধারাম কন্যামতি হীরামতি হীরামতি ও হীরামতি

জাহিদ অভাজন: - পথিক কয় ভেবো নারে ডুবে যাও রূপসাগরে। বিরলে বসে করো রূপসাধনা।

জাহিদ অভাজন: - আকাশের যত তারা চেয়ে রয় নিমেষহারা, বসে রয় রাত-প্রভাতের পথের ধারে। তোমারি দেখা পেলে সকল ফেলে, ডুববে আলোক-পারাবারে।

জাহিদ অভাজন: জুমাআ মোবারক

জাহিদ অভাজন: - একি সোনার আলোয় জীবন ভরিয়ে দিলে। ওগো বন্ধু কাছে থেকো, কাছে থেকো। https://www.youtube.com/watch?v=ZFIRK4pE-_s

জাহিদ অভাজন: অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না

জাহিদ অভাজন: বস্তুতঃ “মানুষ” এর ধারণাই জগতের সবচাইতে অনির্ণিত ধারণা।

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৩,২০০

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও