Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল  জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার

মহাগুরু

মহারাণী হেমন্ত কুমারীর প্রচেষ্টা ও অনুদানে ১৯৩৭ খ্রীষ্টাব্দে রাজশাহীবাসীর জন্য সার্বক্ষণিক বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে পানি সরবরাহ প্রকল্প ‘মহারাণী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস’ নির্মিত হয়। সারা শহরে সার্বক্ষণিকভাবে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৯৩৭ সালে নির্মাণ করা হয় রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ঢোপকল। ঢোপকল গুলো লম্বায় প্রায় ভুমি থেকে ১২ ফিট উঁচু এবং ব্যাস প্রায় ৪ ফিট। তৈরী করা হয়েছিল সিমেন্টের ঢালই করে। এই ঢোপকলের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঢেউ খেলানো একটা প্লাষ্টার করা হতো। যে নকশাটা করা হতো টিনের সাহায্যে। চারিদিকে টিনের একটা রাউন্ড বানিয়ে তার মধ্যে সিমেন্ট আর ইটের খোয়ার ঢালাই ঢেলে দেয়া হতো। এর ঢালাই খুবই শক্ত। সহজে কোন কিছুর ধাক্কায় বা আঘাতে এটা ভাঙ্গে না। এগুলোতে বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই করা হতো এবং সেখান থেকে এলাকাবাসী সেই পানি সংগ্রহ করতো। প্রায় প্রতি দুই মাস পর পর এই ঢোপকল গুলোকে পরিষ্কার করা হতো। পরিষ্কারের নিয়মটি ছিল খুবই ভালো। এই ঢোপকলের উপরের ঢাকনাটি খোলা যেত। তারপর ভিতরে মানুষ নেমে ব্লিচিং পাউডার ও অন্যান্য জিনিস দিয়ে সেটা পরিষ্কার করতো। প্রতি দুই মাস পর পর প্রত্যেকটি ঢোপকল থেকে পানির স্যাম্পল সংগ্রহ করা হতো। পরে সেটা পাঠানো হতো পরীক্ষাগারে পানির মান ঠিক আছে কিনা সেটা দেখার জন্য। ওই সময় নগরের মোড়ে মোড়ে স্থাপিত ১০০ টিরও বেশি ঢোপকলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এগুলোর প্রতিটির পানি ধারণ ৰমতা ৪৭০ গ্যালন। কালের বিবর্তনে সংস্কার এর অভাবে এ কল বিলীনের পথে। এখন শহরের সব বাড়ীতে সিটি কর্পোরেশন থেকে পানি সরবরাহ করা হয় আর পানির সহজলভ্যতাও বেড়েছে তাই দিনে দিনে এই ঢোপকলগুলো তার প্রয়োজনীয়তা হারাচ্ছে।


অথবা,

বেশতো বিজ্ঞাপন