Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন

★ছায়াবতী★  ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে

মহাগুরু

মিষ্টি কুমড়ার বিচির পুষ্টিগুণ মিষ্টি কুমড়ার বিচি ফাইবারের ভালো উৎস। বিচিতে আছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড, যা হার্টের জন্য ভালো। মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে প্রচুর প্রোটিন ও মিনারেলস আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম বিচিতে পুষ্টিগুণ পাবেন ৫৫৯ কিলো ক্যালরি, ৩০ গ্রাম প্রোটিন, ১০ মিলিগ্রাম জিংক। এ ছাড়া বিচিতে ট্রিপ্টোফ্যান থাকে, যা ব্রেনের সেল গঠনের জন্য জরুরি। মিষ্টি কুমড়া অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। এর বিচি হয়তো ফেলে দেয়া হয়। মিষ্টি কুমড়ার বিচি কিন্তু ফেলনা নয়। কুমড়া বিচি স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট উপকারী। কুমড়ার বিচি উচ্চমাত্রার ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। ফলে এটি আপনার শারীরিক কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে সম্পাদনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এ কারণে আপনার হার্ট ভালোভাবে রক্ত পাম্প করতে সমর্থ হয়। এটি দাঁত ও হাড় গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাতে ভালো ঘুম হয় না? সমস্যা নেই। কুমড়ার বিচি ট্রিপটোফ্যান নামে অ্যামাইনো এসিড থাকে যা রাতে আপনাকে ভালো ঘুম এনে দেবে। তাই একে প্রকৃতিপ্রদত্ত স্লিপিং পিল বলা হয়ে থাকে। কুমড়ার বিচিতে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। এটি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। এর দুটি সুবিধা পাবেন আপনি একদিকে আপনার ওজন কমবে, অন্যদিকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সুষ্ঠুভাবে পরিপাক ক্রিয়া সম্পাদনে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের অনন্য ভূমিকা রয়েছে। এ এসিড মস্তিষ্কের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর কুমড়ার বিচিতে ওমেগা-৩ থাকায় তা আপনার দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। এতে প্রচুর আয়রন থাকায় তা আপনাকে শক্তি জোগাবে। এছাড়া এই বিচি কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়ক।

আড়াল থেকেই বলছি  সীমানাহীন গন্তব্যে এখনো হাঁটছি একাকিত্বের লাঠি হাতে ....

মহাগুরু

আমরা অনেক সময় হয়তো না জেনেই এমন অনেক খাবার খেয়ে থাকি যেগুলোর অনেক পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। আবার হয়তো এমন অনেক খাবার আছে যেগুলোর আমরা উপকারিতা জানি না বলে সহজলভ্য হলেও না খেয়ে অবহেলা করি। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে মিষ্টিকুমড়ার বিচি : মিষ্টি কুমড়োর বীজের পুষ্টিমূল্য: মিষ্টি কুমড়োর বীজে রয়েছে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন, খাদ্য আঁশ, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস। এছাড়া এতে রয়েছে অনেক বেশী পরিমান জিংক যা প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, উদ্দিপকের উন্নয়নে, কোষের সঠিক বিভাজনে, ঘুম বাড়াতে, দৃষ্টিশক্তি, ত্বকের রঙ এবং মেজাজ ভালো করতে বেশ ভালো ভূমিকা রয়েছে। এটি শারীরিক এবং মানসিক উভয় স্বাস্থ্যের জন্যই খুবই উপকারী। মিষ্টি কুমড়োর বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা বিজ্ঞানীরা গবেষণায় পেয়েছেন যে এই বীজটির ক্যান্সারের কোষের বিরুদ্ধে কাজ করার আশ্চর্য রকমের ক্ষমতা রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় মিষ্টি কুমড়োর বীজের বেশ সফলতা রয়েছে এবং এটির রয়েছে শক্তিশালী প্রদাহ বিরোধী গুণাগুণ। জার্মান বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, যেসব মহিলারা মেনোপজ অবস্থায় থাকেন তারা যদি বেশি করে মিষ্টি কুমড়োর বীজ খান তবে তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২৩% কম থাকে। সূর্যমুখী বীজেরও একই ধরনের গুণাগুণ রয়েছে। মিষ্টি কুমড়োর বীজের তেল প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়ার চিকিৎসায় বেশ কার্যকরী। এতে থাকে অনেক বেশি পরিমানে ফাইটোকেমিক্যাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি প্রতিহত করে। মিষ্টি কুমড়োর বীজ প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস যা ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিউট্রিশনিস্টদের মতে ৩০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়োর বীজের প্রায় ৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে। মিষ্টি কুমড়োর বীজ খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরে থাকার অনুভূতি থাকে। তবে সবশেষে যে কথাটি না বললেই নয়, তা হচ্ছে মিষ্টি কুমড়োর বীজের অত্যন্ত উপকারিতা থাকলেও এটি খাওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে এক সাথে অনেক বেশি পরিমাণে যেন খাওয়া না হয়। খুব বেশি পরিমাণে খেলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে কারণ ১ কাপ মিষ্টি কুমড়োর বীজে রয়েছে ২৮৫ ক্যালরি।

সুমনা  দেনাপাওনার হিসেব এখন আর মিলাইনা।চাওয়া পাওয়ার হিসেব কসতে সাহস হয়না।সবকিছুই হয়ত পেয়েছি জীবন থেকে,শুধু পাইনি খুঁজে আমার মাঝে লুকিয়ে থাকা আমিকে

গুরু

আসাধারন পুষ্টিগুণের অধিকারী সবজি মিষ্টি কুমড়ো। এই সবজিটির কোনো কিছুই যেন ফেলনা নয়। কুমড়ো তরকারি হিসেবে যেমন অসাধারন ঠিক তেমনি কুমড়োর বীজ বা বিচিতে আছে ভাইরাল সংক্রমণ, জ্বর, সর্দি-কাশি, অবসাদ, পুরুষদের প্রস্টেট এনলার্জ, ডায়াবেটিস সহ , অনিদ্রা রোগ বা সমস্যা দূর করার উপায়। সমীক্ষা দেখা যায়, কুমড়ার মতো কুমড়োর বীজও দারুণ উপকারি মানব স্বাস্থ্যের জন্য। হার্ট: সিকি কাপ কুমড়ার বীজ হার্টের পক্ষে ভালো। নিয়মিত খেতে পারলে শুধু হার্ট সুস্থ থাকবে এমন নয়। এর সঙ্গে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রিত হবে।এবং হার্ট অ্যাটাক, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা স্ট্রোক-এর মতো দুর্ঘটনাো এড়ানো সম্ভব। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: বীজের মধ্যে থাকা জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ভাইরাল সংক্রমণ, জ্বর, সর্দি-কাশি ও অবসাদের মতো সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। জিঙ্ক: বয়সকালে পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট এনলার্জ-এর সমস্যা দেখা দেয়। এরও সমাধান রয়েছে কুমড়োর বীজের মধ্যে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কুমড়োর বীজ এবং কুমড়ো বীজের তেলে প্রচুর জিঙ্ক রয়েছে। যা প্রস্টেট গ্ল্যান্ড স্বাভাবিক রাখে তাই এগুলি নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকলে বেশি বয়সের এই সমস্যা থেকে সহজেই রেহাই মিলবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের পরিমাণ কম করে আর ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে কুমড়োর বীজ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ঘুম: দীর্ঘদিন অনিদ্রা রোজ ঘুমের ওষুধ খাওয়াও ভালো নয়।ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে ফলের সঙ্গে কুমড়োর বীজ মিশিয়ে খান। কিছুদিন নিয়মিত করতে পারলেই হাতে-নাতে ফল পাবেন।


অথবা,

বেশতো বিজ্ঞাপন