Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়
বেশতো বিজ্ঞাপন

কিন্তুক  

পন্ডিত

কখনও তীব্র রোদ আবার কখনও ঝুপ করে বৃষ্টি। মেঘলা দিনেও আবহাওয়ার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভব হতেই থাকে। তাই এই সময় ত্বকের যত্নে প্রয়োজন ঠাণ্ডা কিছু।কে শীতলতা পেতে ঘরোয়াভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও ঠাণ্ডা মাস্ক তৈরির উপায় নিয়ে লিখলাম। গরমে বা রোদের তাপে ত্বক ‘ট্যান’ হয়। ফলে ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়। আবার রোদ না থাকলেও বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্র বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম লাগে। এই আবহাওয়ার কারণে ত্বক ম্লান ও প্রাণহীন দেখায়।মুখ ঘেমে থাকায় ত্বক তেলতেলে বেশি হয়। আবার সাবান বা ফেইসওয়াশ অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এই সময় ত্বক পরিষ্কারের জন্য সাবানের পরিবর্তে ক্লিনজিং মিল্ক বেছে নিন, হাতের কাছে ক্লিনজিং মিল্ক না থাকলে বেসন দিয়েও ত্বক পরিষ্কার করা যায়। এই উপাদানগুলো ব্যবহারে ফেনা না হলেও ত্বক পরিষ্কার হয় বেশ ভালোভাবে। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে মুসুর ডালের বেসনের সঙ্গে সমপরিমাণ বেসন মিশিয়ে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে ত্বকে মালিশ করে ধুয়ে ফেলতে হবে।রোদে পোড়া ত্বকের যত্নে ‘কুলিং মাস্ক’ বেশ উপকারী। তাছাড়া ‘ট্যান’ সারিয়ে ত্বক আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতেও কুলিং মাস্ক বেশ উপকারী। যাদের মুখের তুলনায় গলা বা ঘাড় কালো তাদের জন্যও এই মাস্ক ভালো কাজে দেয়। ঘরে কুলিং মাস্ক তৈরি করার পদ্ধতি:- মাস্ক তৈরি করতে প্রয়োজন এক চা-চামচ ঠাণ্ডা গোলাপ জল, এক চা-চামচ ঠাণ্ডা আলুর রস ও এক চা-চামচ পুদিনা-পাতা পেস্ট। উপাদানগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে নিতে হবে। মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।তৈলাক্ত ত্বকের পাশাপাশি সব ধরনের ত্বকের জন্যই এই মাস্ক বেশ উপযোগী। মাস্ক তৈরির পর চাইলে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণও করা যায়। এটা দিয়ে পর পর তিনদিন ব্যবহার করা যায়। মাস্ক ধুয়ে ফেলার পর ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়ে মুখ মুছে নিতে হবে। গোলাপ জল টোনারের মতো কাজ করবে। এছাড়াও পুদিনা-পাতা ও তুলসী-পাতা ফুটিয়ে পানি ছেঁকে আইস ট্রেতে ঢেলে ফ্রিজে রেখে দিন। দিনে দুতিন বার ওই কিউব ত্বকে ঘষে নিতে পারেন।

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এখানে ক্লিক করো। প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে জিতে নাও মোবাইল রিচার্জ!!
বেশতো বিজ্ঞাপন