Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন
( ২ টি উত্তর আছে )

( ৬৮৮ বার দেখা হয়েছে)

১৯৫৫ সালে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করা ৬২ বছর বয়সী ''আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী'' হচ্ছেন একজন ইসলামী চিন্তাবিদ, স্বনামধন্য শিক্ষক ও বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা। 

তিনি ''আল্‌-জামিয়াতুল আহ্‌লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম'' যা সচরাচর ''হাটহাজারি মাদ্রাসা'' নামে পরিচিত এর অন্যতম প্রধান মুহাদ্দিস। তিনি ২৪ বছর বয়সে এই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করে ৩৮ বছর যাবত শিক্ষকতা করছেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি অসম্ভব জনপ্রিয় ছিলেন।

তবে তিনি মুলত আলোচনায় আসেন ২০১০ সালে। ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি ''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' গঠিত হলে তিনি এর মহাসচিব হন। সংগঠনটির আমির শাহ্‌ আহমেদ শফীর বার্ধক্যজনিত কিছু শারীরিক সমস্যা থাকায় প্রতিষ্ঠার পর থেকে মুলত তিনিই এটি পরিচালনা করেন।

২০১৩ সালের ৫মে ''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' ঢাকা অভিমুখে লং মার্চ করলে ও ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্ত্বরে তাদের প্রথম সমাবেশ করলে বাবুনগরী সাহেব আকস্মিকভাবে তুমুল আলোচনায় চলে আসেন। ''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' সরকার পতন ঘটিয়ে ইসলামী রাষ্ট্র করতে পারলে আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী প্রধানমন্ত্রী হবেন - স্বয়ং বেগম খালেদা জিয়া এমন কথা বললে  সবার নগর পড়ে তার উপর। এমনকি, ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করতে না পারলেও যদি সরকার পতন ঘটাতে পারলেও তাকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রিত্ব দেওয়ার কথা বলেন বেগম খালেদা জিয়া। এছাড়া, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাবুনগরী সাহেবকে মন্ত্রিত্ব দিতে চান আন্দোলন থামানোর বিনিময়ে। দলে, আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী হয়ে উঠেন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় তথা রাজনৈতিক নেতা। 

''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' ২০১৩ সালের ৫মে সরকার পতন ঘটাতে পারেনি কিন্তু বাবুনগরী সাহেবের গুরুত্ব কমেনি। নানা আন্দোলনে তিনি ছিলেন সক্রিয়। সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রীক দেবী থেমিসের মূর্তি অপসারন ইস্যুতে ''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' আবার শাপলা চত্বর অবরোধের ঘোষণা দিলে আবার বাবুনগরী সাহেবকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

অবশ্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সূক্ষ্ম বুদ্ধিতে এই ইস্যু আড়ালে গেলেও আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন আবার আলোচনায় বাবুনগরী সাহেব। বিশেষতঃ ''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' রাজনৈতিক দলে পরিনত হওয়ার সম্ভাবনায় সব রাজনৈতিক মহলই তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ''হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ'' নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের আবেদন করতে পারে, নবগঠিত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিবেন আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী এবং আগামী নির্বাচনের কিং মেকার হয়ে উঠতে পারে এই দলটি - এই তিন ইস্যু আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরীকে এই মুহূর্তে দিয়েছে দুই নেত্রীর কাছেই ভিআইপির মর্যাদা। 

রাখিব আপন  মৃত্যুর আগেই গৃহীত দায়িত্ব-কর্তব্য গুলো পালন করতে চাই

গুণী

আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, আল্‌-জামিয়াতুল আহ্‌লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম এর অন্যতম প্রধান মুহাদ্দিস এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে পরিচালিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব।

জুনাইদ বাবুনগরীর জন্ম ১৯৫৫ সালে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামে। ৫ বছর বয়সে তিনি জামিয়া বাবুনগর মাদ্রাসায় ভর্তি হন। এরপর ১০ বছর আল্‌-জামিয়াতুল আহ্‌লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় অতিবাহিত করেন। ২০ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচি মাদরাসায় ভর্তি হন।জুনাইদ বাবুনগরী একাধারে চার বছর অধ্যয়ন ও বিশ্ববিখ্যাত ধর্মগুরুদের পদাঙ্ক অনুসরণের মাধ্যমে হাদিস, তাফসির, ফিকাহশাস্ত্র বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। তিনি চট্টগ্রামে আল্‌-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে তিনি নিযুক্ত হন। বর্তমানে তিনি আল্‌-জামিয়াতুল আহ্‌লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম এর মুহাদ্দিসের দায়িত্ব পালন করছেন।


অথবা,

বেশতো বিজ্ঞাপন