Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন

Preview বার্ড রিংগিং (পাখির পায়ে রিং) কেন করা হয়?

*বার্ডরিংগিং* *পাখিরপায়েরিং*
( ১ টি উত্তর আছে )

( ২৫১ বার দেখা হয়েছে)

উদয়  

মহাগুরু

পাখির পায়ের রিংকে সহজ ভাষায় বলা হয় পাখির আইডি কার্ড (পরিচয়পত্র)। বার্ড রিংগিংকে সহজ ভাষায় বলা যায় পাখির পায়ে রিং পরানো। তবে ঠিক অংটি নয়। ছোট্ট অংটির পুরুত্বের চেয়ে খানিকটা বড় আকারের একটি জিনিস পরিয়ে দেয়া হয় পাখিদের পায়ে। এই রিং তার পায়ে আটকে থাকে বছরের পর বছর। অনেকটা আমাদের হাতে পরা অংটির মতো। পাখির আয়তন ও উচ্চতা ভেদে একেকটি রিঙের আকার একেক রকম হয়ে থাকে। 

পাখি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার জন্য পাখির পায়ে রিং পরানোর এই কার্যক্রম ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) ও বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের উদ্যোগে সম্প্রতি এসব পাখিকে রিং পরানো হয়।

পাখির পায়ে রিং পরানো হচ্ছে বেশ কিছু দরকারি কারণে। কোন পাখি কোন দেশ থেকে এলো, কোন দেশে গেল, কোন দেশের পাখি থেকে বার্ড ফ্লু ছড়াল এসব জানার জন্যই এ উদ্যোগ।  রিং পরানো পাখি যে দেশেই যাক না কেন বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব সব তথ্য জানতে পারবে। প্রতিটি রিংয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নম্বর থাকে। যেমন: GPO BOX 2624 DHAKA তারপর থাকে রিং নম্বর। ওই নম্বরই বলে দেবে রিং লাগানো প্রতিষ্ঠানের নাম, পাখির ঠোঁট, মাথা, পা ও লেজের পরিমাপ। এমনকি জানা যাবে পাখির একটি ডানায় পালকের সংখ্যাও!

প্রতিটি রিং পরাতে সময় ব্যয় হয় পনেরো থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট। রিং পরানোর উদ্দেশ্যই হলো পাখির অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ। রিংয়ের গায়ে যে নম্বরটি সংক্ষিপ্তভাবে যুক্ত থাকে সেই নম্বরটিই প্রমাণ দেয় পাখিটির বিচরণক্ষেত্রের ইতিহাস। যেমন– বাংলাদেশের হাকালুকি হাওরে রিং পরিহিত পাখি যদি সাইবেরিয়ায় গিয়ে ধরা পড়ে অথবা মারা যায় তাহলে তার পায়ের ওই রিংয়ের তথ্য ঘেঁটে পাখিগবেষকরা অবহিত পারবেন যে এ পাখিটি বাংলাদেশে গিয়েছিল। 


অথবা,

বেশতো বিজ্ঞাপন