Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

বেশতো বিজ্ঞাপন
( ১ টি উত্তর আছে )

( ১৭ বার দেখা হয়েছে)

আবদুল বাতেন  গোবেচারা টাইপের মানুষ।

মহাগুরু

BRTA-এর অনুমোদিত সকল যানবাহনে নাম্বারপ্লেট ব্যবহারের নিয়ম চালু হয় ১৯৭৩ সালে। 

বাংলাদেশের যানবাহনগুলোর নাম্বারপ্লেটের ফরম্যাট হচ্ছে- ‘শহরের নাম-গাড়ির ক্যাটাগরি ক্রম এবং গাড়ির নাম্বার’। যেমন, ‘ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে, ‘ঢাকা মেট্রো’  দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন।

“য” হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি “য” বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী ‘১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘২৫৯৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

সাধারণত বাংলা বর্নমালার অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়। উপরের প্রতিটি বর্ণ আলাদা আলাদা গাড়ির পরিচয় বহন করে।

যেমন:

ক – ৮০০ সিসি প্রাইভেটকার

খ – ১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার

গ – ১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার

ঘ – জীপগাড়ি

চ – মাইক্রোবাস

ছ – মাইক্রোবাস / লেগুনা (ভাড়ায় চালিত)

জ – বাস (মিনি)

ঝ – বাস (কোস্টার)

ট – ট্রাক (বড়)

ঠ – ডাবল কেবিন পিকআপ

ড – ট্রাক (মাঝারী)

ন – পিকআপ (ছোট)

দ – সি এন জি (প্রাইভেট)

থ – সি এন জি (ভাড়ায় চালিত)

প – ট্যাক্যি ক্যাব

ভ – ২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার

য– প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির

ম – পিকআপ (ডেলিভারী)

হ – ৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক

ল – ১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক

ই – ট্রাক (ভটভটি)

[অনলাইন অবলম্বনে]


অথবা,

বেশতো বিজ্ঞাপন