অনলাইন শপিং

অনলাইনশপিং নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 অনলাইন থেকে অটো রিক্সা (auto-rickshaw) কেনার ভালো সাইট কোনটি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*অনলাইনশপিং* *অটোরিক্সা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনলাইন শপিংয়ে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দিতে নান্দনিক সব ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিল। অ্যাপস, ডেস্কটপ ও মোবাইল সবগুলো ভার্সন থেকে কেনাকাটায় ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে নতুন নতুন সব অফার! নতুন অ্যাপ রিলিজের পর থেকে অ্যাপের মাধ্যমে আরও বেশি আয় করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। অ্যাপসটিতে যুক্ত করা হয়েছে গ্রুপ শপিং ফিচার যার সাহায্যে গ্রুপ তৈরী করে বিশাল ছাড়ে ক্রেতারা পণ্য কিনতে পারবেন। শুধু অ্যাপস নয় ডেস্কটপেও এই সুবিধা রাখা হয়েছে। অ্যাপসে যুক্ত আছে স্পিন হুইল যার সাহায্যে স্পিন করে যেকোন পণ্যের উপর ৭০-৮০% ছাড় পাওয়া সম্ভব। চলুন কিভাবে আয় করবেন আর কি কি থাকছে অফারে জেনে নেওয়া যাক।

গ্রুপ শপিং


গ্রুপ শপিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন আজকেরডিলের অ্যাপস, মোবাইল ভার্সন এবং ডেস্কটপ থেকে। এজন্য আপনাকে প্রথমেই যেকোন একটি প্রোডাক্টের জন্য গ্রুপ তৈরী করতে হবে ও প্রোডাক্টির দামের সমপরিমান টাকা অগ্রিম গ্রুপ ফি হিসেবে জমা রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রুপ সফলভাবে শেষ হলে আপনার অগ্রিম টাকা ও প্রযোজ্য বোনাস আয় একসাথে ফেরত পাবেন। গ্রুপ সম্পূর্ণ না হলেও অগ্রিম দেওয়া গ্রুপ ফি ৭ দিনের মধ্যে ফেরত পাবেন। ডেস্কটপ ভার্সনের এই লিংকে ক্লিক করলে গ্রুপ শপিংয়ের জন্য নির্ধারিত কিছু পণ্য পেয়ে যাবেন।

প্রোডাক্ট ফ্রি নিবেন যেভাবে


যে প্রোডাক্টটি আপনি ফ্রি কিনতে চান সেটি ফ্রি নিতে হলে আপনাকে পণ্যটির সমপরিমান টাকা জমা দিতে হবে। এরপর ঐ প্রোডাক্টটি কিনতে ১০ জনের গ্রুপ তৈরী করতে হবে। গ্রুপের ঐ ১০জন যদি পণ্যটি কেনে তাহলে আপনি পণ্যটি ফ্রি পাবেন এবং সাথে সাথে অগ্রিম জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন। এবং আপনার গ্রুপের যে ১০ জন পণ্যটি কিনবে তারাও ৫০% ছাড় পাবে। ধরুন পণ্যের দাম ৭০০ টাকা। এটা যদি গ্রুপ এর মাধ্যমে ক্রয় করে তাহলে ১০ জনই পন্যটি ৩৫০ টাকায় কিনতে পারবে। আর আপনি যেহেতু গ্রুপ তৈরী করেছেন সেকারণে আপনি পণ্যটি ফ্রিতে পেয়ে যাবেন।

স্পিন হুইল

স্পিন হুইল হচ্ছে ‘খেলুন – জিতুন’ শপিং গেম। প্রতিদিন একজন অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ তিনবার এই অ্যাপের মাধ্যমে 'স্পিন দা হুইল’ গেমটি খেলতে পারবে এবং তার পছন্দের প্রোডাক্টের উপর বিভিন্ন ছাড় (৭০% পর্যন্ত), একটা কিনলে একটা ফ্রি অফার, ফ্রি ডেলিভারি বা ফ্রি রাইড নিতে পারবে। " অফার টি উপভোগ করতে আজকেরডিল ‘মোবাইল অ্যাপ’ গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে। "

যেভাবে পয়েন্ট কামিয়ে আয় করবেন?


আপনাকে প্রথমে গুগলের প্লে স্টোরের এই ঠিকানায় গিয়ে আজকেরডিলের শপিং অ্যাপসটি আপনার স্মার্টফোনে ইন্সটল করতে হবে। "প্রথমবার অ্যাপ ইন্সটল করলেই আপনি ১০০ পয়েন্ট পেয়ে যাবেন এবং লগইন করার সাথে সাথে আরও এক্সট্রা ৫০ পয়েন্ট পাবেন। এছাড়াও যেকোন ভার্সন থেকে প্রোডাক্ট শেয়ার, প্রতিদিন অ্যাপস ভিজিট, প্রশ্নোত্তর , রিভিউ, রেটিং ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে পয়েন্ট আয় হবে। যতবেশি পয়েন্ট আয় করবেন ততবেশি ইনকাম হবে। এই পয়েন্ট গুলোকে আপনি টাকায় কনভার্ট করে আজকেরডিল থেকে ইচ্ছেমত শপিং করতে পারবেন।

তাহলে আর দেরী কেন বন্ধুরা, আজই ঢুঁ মারুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। গুগল প্লে স্টোর থেকে আজকেরডিলের মোবাইল অ্যাপস নামিয়ে নিলে আপনি আরও বাড়তি  কিছু অফার লুফে নিতে পারবেন। আজকেরডিল ডটকমের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করতে আপনাকে গুগল প্লে স্টোরে যেতে হবে। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে AjkerDeal Online Shopping BD লিখে সার্চ করে অ্যাপসটি ইনস্টল করুন। অথবা এই লিংক goo.gl/2G6AQK এ ক্লিক করুন।

*অনলাইনশপিং* *গ্রুপশপিং* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *মোবাইলঅ্যাপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণার শিকার হলে কি করণীয়?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*অনলাইনকেনাকাটা* *অনলাইনশপিং* *প্রতারণা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চলছে রমজান মাস আর ক’দিন বাদেই ঈদ। ঈদকে উপলক্ষ্য করে পবিত্র মাহে রমজান মাসের এই সময়টাতে সবাই কেনাকাটায় ব্যস্ত। রমজানে যেন সবাই ঘরে বসেই কেনাকাটা সেরে নিতে পারেন সেজন্য সারা বছর জুড়েই নানা রকম চকম দিয়ে তাক লাগাতে আপনার পাশে রয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিল ডটকম। আজকেরডিল থেকে রমজান মাস জুড়ে কেনাকাটার পেমেন্ট বিকাশ করলেই পাচ্ছেন ইনস্ট্যান্ট ২০% ক্যাশব্যাক! ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া এবং অনলাইন কেনাটাকায় মানুষকে আরও উৎসাহী করতে এ ধরনের ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে আজকেরডিলের সাথে যুক্ত হয়েছে বিকাশ।

বিকাশে ক্যাশব্যাকঃ


পহেলা জুন হতে ঈদ উল ফিতর পর্যন্ত যেকোনো কেনাকাটায়, শুধুমাত্র বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট করলেই ২০% ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। ক্যাশব্যাক পেতে আপনার বিকাশ একাউন্টটি 'সক্রিয়' থাকতে হবে। সব ধরনের পণ্যের উপরেই আপনারা এই ক্যাশব্যাক পাবেন।

 বিস্তারিত..
- একটি বিকাশ একাউন্টে সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে (অন্যান্য আউটলেট এবং অন্যান্য ই-কমার্স এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে)।
- কাস্টমার একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন, যে নাম্বার থেকে বিকাশ করা হয়েছে ঐ নাম্বারে ক্যাশব্যাক পাবেন।
- অফারটি শুধুমাত্র বিকাশ গ্রাহকরা ব্যক্তিগত একাউন্ট দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন
- অফারটি পেতে নিজের বিকাশ একাউন্ট থেকে কেনাকাটার পেমেন্ট বিকাশ করুন।
- নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলোর শাখাসমূহ থেকে কেনাকাটা করে ক্যাশব্যাক পাবেন
- কেনাকাটার পেমেন্ট বিকাশ করে ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্ট সক্রিয় থাকতে হবে
- গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে কোনো সমস্যা থাকায় ক্যাশব্যাকের টাকা প্রদান করা সম্ভব না হলে ক্যাম্পেইন শেষ হবার ১ মাস পর পর্যন্ত বিকাশ পুনরায় ৩ বার ক্যাশব্যাক প্রদান করার চেষ্টা করবে । সকল চেষ্টা ব্যর্থ হলে গ্রাহকের ক্যাশব্যাকের পরিমাণ বাতিল বলে গণ্য হবে । গ্রাহককে যথাসময়ে বিষয়টি জানানো হবে ।
- গ্রাহকের পেমেন্ট সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে, ক্যাম্পেইন শেষ হবার পরে তা নিষ্পত্তি করা হবে।

অনলাইন শপিং এর বেস্ট মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। ধামাকা অফারে আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট করা আকর্ষণীয় আরও অফার পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে।
বিকাশের ক্যাশব্যাকের অফারে যেকোন পণ্য গুলো কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*বিকাশ* *ক্যাশব্যাক* *আজকেরডিল* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখের এই তীব্র গরমে ঘরে টিকে থাকা দায়। ফ্যানের বাতাসেও শরীর ঠান্ডা করতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই এই গরমে শান্তির পরশ পেতে ঘরে থাকা চাই এয়ার কন্ডিশনার। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই যন্ত্র চালিয়ে দিলেই কয়েক মিনিটে আপনার শরীর ও মন ঠান্ডা হয়ে যাবে। কিন্তু এয়ার কন্ডিশনারের দামতো অনেক বেশি, একবারে এতো টাকা কোথায় পাব? এই চিন্তা যারা করছেন তাদের জন্য সুখবর! বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল দিচ্ছে কিস্তিতে এয়ার কন্ডিশার কেনার দুর্দান্ত সুযোগ! এখন যে কেউ ইচ্ছে করলেই ৩ অথবা ৬ মাসের কিস্তিতে কিনে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের ব্যান্ডের এয়ার কন্ডিশনার

এই গরমে আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এয়ার কন্ডিশনার, যার মধ্যে প্যানাসনিক, ক্যারিয়ার, জেনারেল, ফুজিসসু, সিগো, ডাইকিন, সুপ্রিম অন্যতম। চলুন কয়েকটি এয়ার কন্ডিশানার দেখে নেই।

এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগেঃ

প্রথমতো বাড়ির ধরন বুঝে এসি কিনতে হবে। যে রুমে এসি লাগাবেন তাতে যদি জানালা থাকে তবে পছন্দ অনুসারে ভালো ব্র্যান্ড দেখে ‘উইন্ডো এসি’ কিনে নিতে পারেন। ঘরের আকার যদি ছোট হয় তবে এই ধরনের এসি কেনা যেতে পারে। এক্ষেত্রে দামটাও তুলনামূলক কম।

তবে ঘরের আকার যদি বড় হয় কিংবা ঘরে যদি কোনো জানালা না থাকে তবে ‘স্প্লিট এসি’ কিনতে হবে। মূলত বসার ঘর কিংবা অফিসের বড় রুমে ব্যবহারের জন্য ‘স্প্লিট এসি’ কেনা হয়।

এছাড়াও এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগে অবশ্যই ঘরের আকার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। এসি কেনার আগে ঘর কত স্কয়ার ফিট তা জানা দরকার। ঘরের আকার সর্বোচ্চ ১৪০ স্কয়ার ফিট পর্যন্ত হলে এক টন ক্ষমতাসম্পন্ন এসি কিনলেই চলবে। তবে ঘরের আকার ১৪০ থেকে ১৯৬ স্কয়ার ফিটের মধ্যে হয় তবে দেড় টন কার্যক্ষমতার এসি কিনতে হবে।

যে রুমে এসি লাগাবেন তা যদি টপ ফ্লোরে হয় তবে ঘর আকারে ছোট হলেও তুলনামূলক বেশি ক্ষমতার এসি লাগাতে হবে। কারণ সাধারণত ভবনের উপরের তলায় সূর্যরশ্মির তেজ বেশি থাকে এবং ঘর বেশি গরম থাকে। তাছাড়া এয়ার কন্ডিশনারে ইনভার্টার কিংবা ইকোন্যাভি নামক পাওয়ার সেভিং অপশন থাকে। এ সম্পর্কেও ধারনা থাকা দরকার।

আজকেরডিল থেকে কিনতেঃ


আজকেরডিল থেকে আপনি বাজার দরের চাইতেও কিছুটা কমদামেই ঘরে বসে অর্ডার করে পছন্দের এয়ার কন্ডিশনার কিনতে পারবেন। সবেচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি আজকেরডিল থেকে কিস্তিতেও কিনতে পারবেন। এজন্য আপনি বেছে নিতে পারেন ৩ কিংবা ৬ মাসের কিস্তি। তবে অবশ্যই আপনার কাছে নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে। বিল পরিশোধ করা যাবে ব্র্যাক, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। এই সুবিধা পেতে একজন গ্রাহককে ৫০০০ টাকার উপরের পণ্য অর্ডার করতে হবে।
অনলাইনে কিস্তিতে এয়ার কন্ডিশনার কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*এয়ার-কন্ডিশনার* *এসি* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিন গুণে ফ্যাশন হয়না আর এদেশের স্টাইলিশ তরুণদের কাছে ফ্যাশনের জন্য নির্ধারিত কোন দিনও লাগেনা। কোন পোশাকটি তরুণরা বেশি পরতে পছন্দ করে? কোনটিতে তরুণদের বেশি ফ্যাশনেবল দেখায় প্রশ্ন করলে উত্তর হবে পাঞ্জাবি। গরমে দিনে অফ ফ্যাশনে নিজেকে আরও ফ্যাশনেবল করে তুলতে তরুণদের অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে স্টাইলিশ পাঞ্জাবি। কারণ উৎসব ছাড়াও অফ ফ্যাশনেও পাঞ্জাবি সুপারহিট!

বৈশাখ, ঈদ, ফাল্গুন এমনকি ভালোবাসা দিবসের মত উৎসবকে ঘিরেই পাঞ্জাবির উপর ঝোক বেশি থাকে। স্টাইলিশ ফ্যাশনের জন্য পাঞ্জাবির বিকল্প নেই। তাই আপনাদের ফ্যাশনে অন্যরকম ভাব দিতে আপনাদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে বিভিন্ন মোটিফের আকর্ষণীয় পাঞ্জাবির ঝাক্কাস কালেকশন। চলুন আজেরডিলের পাঞ্জাবির পেজ থেকে স্টালিশ পাঞ্জাবির কালেকশন দেখে নেই এই লিংক থেকে।

ছবিতে বাহারি পাঞ্জাবিঃ

কটন সেমি লং পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

লাল সাদা প্রিন্টেড পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন। 

মেনজ লং কটন পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

কাতান সিল্ক পাঞ্জাবিঃ

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

মেনজ কটন সেমি লং পাঞ্জাবিঃ

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

জেন্টস মাল্টিকালার কটন পাঞ্জাবিঃ

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

মেনজ লং কটন পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন


বন্ধুরা, ছবিতে তো মাত্র কয়েকটি পাঞ্জাবি দেখলেন এবার তাহলে ঘুরে আসুন পাঞ্জাবির বিশাল ভান্ডার থেকে।

*পাঞ্জাবি* *স্মার্টশপিং* *শপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ল্যাপটপ, আইপড, ডেস্কটপ, এমপি-থ্রি প্লেয়ার, ট্যাব আর সবসময়ের সঙ্গী মুঠোফোনটিতে গান শোনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বিভিন্ন ধরনের হেডফোন। নতুন প্রজন্মের মিউজিক পাগল তরুণ তরুণীদের কাছে হেডফোন এক অন্যতম অনুসঙ্গ। রাস্তায়, বাসায় কিংবা গাড়িতে সব খানেই কানে একটা হেডফোন থাকা চাই-ই-চাই। হেডফোন এখন শুধু আর গান শোনার যন্ত্রই নয় এটি ফ্যাশন হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমান বাজারে বাহারি হেডফোন পাওয়া যাচ্ছে। আর তরুণরাই এসব বেশি ব্যবহার করে। তাই হেডফোনের নকশাতেও এসেছে তারুণ্যের পছন্দ অনুযায়ী নানা বৈচিত্র্য।

হেডফোন বাছাইয়ে আপনাদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সেরা সব হেডফোন। স্টাইলিশ সব হেডফোন গুলোর কালেকশন দেখতে আজেরডিলের হেডফোন পেজটিতে ক্লিক করুন।

বাহারি হেডফোন

আমাদের চারপাশের বলতে গেলে সবাই এখন কানে হেডফোন দিয়ে আইপড, এমপি৩ অথবা মোবাইলে গান শুনছে। হেডফোনে গান শুনতে শুনতে প্রতিদিনের স্বাভাবিক কাজও করছে। এটা এখন ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। যদিও মুঠোফোনে গান শোনার জন্য ইয়ারফোনের চাহিদাই এখন সবচেয়ে বেশি। আবার কম্পিউটারে গান শোনার জন্য হেডফোনকেই এক নম্বরে রাখে তরুণেরা। কম্পিউটারে গান শোনার জন্যই শুধু নয়, আরও একটি বড় প্রয়োজনে আজকাল হেডফোনের কদর বেড়েছে।


গান শোনার পাশাপাশি ইন্টারনেটে ইয়াহু মেসেঞ্জার, স্কাইপ, গুগলটকসহ বিভিন্ন সফটওয়্যারে বন্ধু বা আপনজনের সঙ্গে কথা বলার জন্যও ব্যবহার হচ্ছে হেডফোন। গান শোনার ক্ষেত্রে ভালো শব্দ পেতে অনেকেই আজকাল ভালো মানের হেডফোন কিনছেন। আবার ইন্টারনেটে কথা বলাটা সাবলীল রাখতেও ভালো মানের হেডফোন ব্যবহার হয়। হেডফোনের মধ্যে আবার রকমফের আছে। যারা গান শোনার সঙ্গে সঙ্গে কথা বলার জন্য হেডফোন ব্যবহার করতে চান, তারা মাইক্রোফোনসহ হেডফোন কিনতে পারেন। আবার যারা শুধুই গান শোনার জন্য হেডফোন ব্যবহার করতে চান, তাদের ক্ষেত্রে মাইক্রোফোন ছাড়া হেডফোনগুলোই ভালো।



অনেক হেডফোন একাধারে কম্পিউটার, আইপড, এমপি থ্রি প্লেয়ার ও মুঠোফোনে ব্যবহার করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে হেডফোনের পোর্টগুলো একই হতে হয়। যেহেতু হেডফোন বা ইয়ারফোন কানে লাগিয়ে ব্যবহার করা হয়, তাই ভালো মানের পণ্য ব্যবহার করা উচিত। কেননা ভালো মানের এসব পণ্য ছাড়া কানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। হেডফোন সঙ্গে কোমল আবরণ লাগানো থাকলে কানের ওপর চাপটা কম পড়ে ও কান গরম হয় কম। যারা অনেকক্ষণ ধরে এসব ব্যবহার করেন তাদের জন্য এই আবরণ সহায়ক।

ব্র্যান্ড আর বাজার দর


হেডফোন দাম নির্ভর করে মান, ব্র্যান্ড ও শব্দ শোনার ধরনের ওপর। বিভিন্ন মডেলের ডিজাইন ও রকমারি রঙের এসব পণ্য বাজারে পাওয়া যায়। হেডফোনের মধ্যে কোনোটার ব্র্যান্ড চিকন, কোনোটা আবার প্রশস্ত ধরনের। আবার সাদামাটা হেডফোন যেমন দেখা যায়, তেমনি বাঁকানো হেডফোনও মিলছে। কোনো কোনো হেডফোন আবার ভাঁজ করেও রাখা যায়। ব্র্যান্ডের হেডফোনের মধ্যে ক্রিয়েটিভ,এফোরটেক , লজিটেক, ইনটেক্স, বিটস, জেনাস, সনি, এইচপি, হ্যাভিট, নোকিয়া ও মাইক্রোল্যাবের হেডফোন গুলো অন্যতম। এগুলোর বাজার দর ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত।

কোথায় থেকে কিনবেন?

ঢাকার আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটি, এলিফ্যান্ট রোডের কম্পিউটার বাজারসহ সারা দেশের বিভিন্ন কম্পিউটার পণ্যের দোকানে হেডফোন কিনতে পাওয়া যায়। সুখবর! তাদের জন্য যারা ঘরে বসে অনলাইনে অর্ডার করে হেডফোন কিনতে চান। আপনারা আস্থা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের উপর। কারণ আজকের ডিল আপনাকে দিচ্ছে অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে হরেক রকমের হেডফোন থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নেবার সুযোগ এবং সেই সাথে দুরুন্ত গতিতে ডেলিভারি সুবিধা। তাই যারা হেডফোন কিনতে চান তারা এক্ষনি আজকের ডিলের ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন। অথবা এখান থেকে সরাসরি কিনতে এই লিংকটি থেকে ঘুরে আসুন।

*হেডফোন* *স্টাইলিশহেডফোন* *এক্সেসরিজ* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নকশি কাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য, আমাদের অহংকার। এদেশের কারুশিল্পীদের নিপুন হাতের অনবদ্য সৃষ্টি। সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি নকশি কাঁথার আবদার একটুও কমেনি। বরং সময়ের বিবর্তনে নকশি কাঁথার চাহিদা আরও বেড়েছে। যুক্ত হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। বর্তমানে ঘরের বিছানাতে ফ্যাশনেবল লুক আনতে নকশি কাঁথার জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুরা, আজকের আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের হস্তশিল্পের অন্যতম উপাদান নকশি কাঁথা নিয়ে।



নকশি কাঁথা আমাদের ঐতিহ্য

কাঁথার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশী পরিচিত। এদেশে এমন কোন পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কাঁথার ব্যবহার নেই। কাঁথা শব্দের অভিধানিক অর্থ ‘জীর্ণ বস্ত্রে প্রস্তুত শোয়ার সময়ে গায়ে দেয়ার মোটা শীতবস্ত্র বিশেষ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ কাঁথা কেতা, কাতা এবং খেতা নামেও পরিচিত। সুনিপুণ হাতে সুচ আর সুতোয় গ্রাম বাংলার বধূ কন্যাদের মনের মাধুরী মেশানো রং দিয়ে নান্দনিক রূপ-রস ও বর্ণ-বৈচিত্রে ভারা যে কাঁথা তাই নকশি কাঁথা। নকশি কাঁথায় আমরা প্রতিনিয়ত খুঁজে পাই আমাদের শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ-সভ্যতা, প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য, গৌরবগাঁথা ও সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এটি মূলতঃ গ্রামীণ মহিলাদের শিল্পকর্ম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। নকশি কাঁথা শিল্পেরসাথে আমাদের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডও জড়িয়ে আছে।




নকশী কাঁথায় শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতি

নকশি কাঁথা নিয়ে লেখা হয়েছে কাব্য, গাঁথা ও রচনা। এদেশের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। তিনি তাঁর রামায়ণ কাব্যে সীতার অন্যান্য গুণের সাথে কাঁথা সেলাইয়ের কথা বলেছেন এভাবে, ‘সীতার গুণের কথা কি কবি হব আর, কন্থায় অাঁকিল কন্যা চান সুরুজ পাহাড়৷ আরও যে, অাঁকিল কন্যা হাসা আর হাসি৷ চাইরো পাড়ে অাঁকে কইন্যা পুষ্প রাশি রাশি’৷ পলীকবি জসীমউদ্দীনের অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ ‘নকশি কাঁথার মাঠ’ ও এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পলী রমণীদের শিল্পী মনের এক অপূর্ব অভিব্যক্তি যেন নকশি কাঁথা। বিভিন্ন ধরনের কাপড়েরর আস্তরণের উপর সুচ আর সুতোয় একে একে ফুটে উঠে আম, মাছ, খেজুর গাছ, পাখী, পাল্কী, লাঙ্গল, নৌকা, হাতি, ফুল, লতাপাতা, ঘোড়া, চাঁদ-তারা, রাজ-রাজার জীবনকাহিনী, কল্পনার পরী, যুদ্ধ-বিগ্রহ, নর-নারীর প্রেম ভালোবাসা এবং একই সাথে গ্রামীণ জীবনের অনেক কিছু। এ যেন শিল্পীর কাছে অতি পরিচিত পরিবেশ ও প্রকৃতির নি:শর্ত আত্মসমর্পণ।




গ্রাম বাংলার নকশি কাঁথা

এদেশের গ্রামের বধূ ও কন্যারা একসময় শুধুমাত্র পরিবারের প্রয়োজনে নকশি কাঁথা তৈরি করতো।আর এরই মাঝ দিয়ে ঐতিহ্যেরও প্রকাশ পেত। সাধারণত: বর্ষকালে গ্রামের মহিলাদের সংসারের কাজকর্ম কম থাকায় এ সময়টাতে তারা কাঁথা তৈরি করতো। বলতে গেলে গ্রামীণ জীবনে এ ধারা আজও অব্যাহত আছে। আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই নকশি কাঁথা তৈরি হতো। ব্যবহৃত পুরাতন শাড়ি এবং শাড়ির পাড়ের সুতো তুলে তৈরি হতো নকশি কাঁথা। বাংলাদেশের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ কুমিলা ও সিলেট অঞ্চলে তৈরি হতো এসব কাঁথা। বিভিন্ন অঞ্চলে ফোড়, পাইড় ও নকশা অনুযায়ী নকশি কাঁথা ভিন্ন ভিন্ন নামেও পরিচিত। এগুলো হলো: বরকা ফোঁড়, তেজবি ফোঁড়, বাশপাতা ফোঁড়, কইতা ও বিছা ফোঁড় ইত্যাদি পাড়ের নামে তোলো পাইড়, তাস পাইড়, নয়নলতা, নারিকেল পাতা ও নৌকা বিলাস আরও বহুন নামের নকশী কাঁথা রয়েছে।




বাহারি নকশি কাঁথা

আবহমানকাল ধরে এ দেশের মানুষ নকশি কাঁথা ব্যবহার করে আসছে। শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্র আজও কাঁথার যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে আগেকার দিনে প্রতিটি পরিবারে নকশি কাঁথার ব্যবহার ছিল ব্যাপক ও বহুবিধ। ব্যবহার অনুযায়ী এগুলোর নামেও ছিল ভিন্নতা। যেমন, শীতের জন্য লেপকাঁথা, বালিশে ব্যবহারের জন্য বয়তন, নামাজের জন্য জায়নামাজ কাঁথা, বসার জন্য আসন কাঁথা এবং খাবারের জন্য দস্তরখানসহ কাঁথার ব্যবহার অনুযায়ী আরো অনেক নাম ছিল। মেয়েদের বিয়েতে এবং আত্মীয়-স্বজনকে কাঁথা উপহার হিসেবে দেয়ারও প্রচলন ছিল। স্নেহময়ী মা তার সন্তান, প্রেমময়ী স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এবং নানি-দাদি, খালা-ফুফুরা পৃথিবীতে নতুন অতিথির আগমনকে সামনে রেখেও কাঁথা তৈরি করতো। এ প্রচলন আজও একেবারে ফুরিয়ে যায়নি।



নকশি কাঁথার চাহিদা

সেকালের নকশি কাঁথা আজো আছে এবং তৈরিও হচ্ছে। তবে বিবর্তনের ধারায় সময় ও চাহিদার প্রেক্ষিতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকর্মেও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। নকশি কাঁথার চাহিদা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপকতা ও নতুনত্ব। দেশের সীমা পেরিয়ে নকশি কাঁথা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমাদৃত হচ্ছে। শৌখিন পণ্য হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে নকশী কাঁথা। পুরাতন কাপড় ও সুতোর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে নতুন মার্কিন, লাল শালু কিংবা কালো কাপড় এবং বিদেশি সিল্কি পেটি সুতো।



কোথায় থেকে কিনবেন, দাম কেমন?

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের যেকোনো আধুনিক শপিং মল ও দেশি ফ্যাশন হাউসগুলোয় নকশি কাঁথা পাওয়া যাবে। এছাড়াও যেতে পারেন নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া ও পুরান ঢাকার চকবাজারে। একটু চোখ বুলালেই দেখবেন নিউমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতেও বসেছে নকশি পণ্যের পসরা। মোহাম্মদপুর, কলেজ গেটেও নকশি কাঁথা ও চাদরের বেশ কিছু দোকান রয়েছে। এগুলো ছাড়াও দেশের বড়বড় অনলাইন শপিংমল গুলোতে রয়েছে নকশি কাঁথার শত শত কালেকশন। শত ব্যস্ততার মাঝেও ইচ্ছে করলে তাদের শপিং সাইটে গিয়ে পছন্দমত নকশি কাঁথার অর্ডার করলেই আপনার ঘর পন্য পৌঁছে যাবে। ডিজাইন ও নকশা ভেদে সবগুলো মার্কেটে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই নকশি কাঁথা পেয়ে যাবেন। নিচে একটি লিংক দিয়ে দিলাম সেখান থেকে কিছু কালেকশন ও দাম দেখে নিতে পারেন।


দেড় শতাশিক নকশি কাঁথার কালেকশন দেখুন

*নকশিকাঁথা* *কাঁথা* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সাইবার মানডে CYBER MONDAY কি? কিভাবে প্রচলন হল সাইবার মানডের বিস্তারিত জানতে চাই?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সাইবার-মানডে* *ইকমার্সসাইট* *অনলাইনশপিং* *সাইবারমানডে*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★